Latest Post


জনপ্রিয় অনলাইন : ইসলামি মূল্যবোধের পবিত্রতা রক্ষায়’ ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনস ডে (বিশ্ব ভালোবাসা দিবস) উদযাপন নিষিদ্ধ করেছে ইন্দোনেশিয়ার বান্দা আচেহ শহর কর্তৃপক্ষ। এ দিনটি উপলক্ষে বিশেষ কোনও অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে সেখানকার সব হোটেল, রেস্টুরেন্ট, বিনোদনকেন্দ্রগুলোকে।

এ বিষয়ে গত সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) একটি সার্কুলার জারি করে শহরটির মেয়র আমিনুল্লাহ উসমান বলেন, ইসলামি মূল্যবোধের পবিত্রতা রক্ষা এবং ইসলামি আইন শক্তিশালী করতে আমরা জনগণকে জানাচ্ছি যে, ভ্যালেন্টাইনস ডে ইসলামি আইন পরিপন্থী এবং আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে যায় না।
ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে আচেহ প্রদেশের রাজধানী বান্দা আচেহ। শহরটিতে অন্তত ২ লাখ ৭০ হাজার মানুষের বসবাস। মুসলিম অধ্যুষিত দেশটিতে আচেহই একমাত্র এলাকা যেখানে ইসলামি শরিয়াহ অনুসরণ করা হয়। সেখানে জুয়া, ব্যাভিচার, বিবাহপূর্ব শারীরিক সম্পর্ক, সমকামিতা প্রভৃতির জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
এদিকে, ভ্যালেন্টাইনস ডে উদযাপন নিষিদ্ধে একই ধরনের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির পশ্চিম জাভা প্রদেশের ব্যানডাং শিক্ষা সংস্থাও। গত সোমবার তারা প্রাথমিক ও জুনিয়র হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের ভ্যালেন্টাইনস ডে উদযাপন থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছে।


জনপ্রিয় অনলাইন : তুরস্কের ইস্তানবুলে ১৩৫ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নাগরিক বলে জানা গেছে। নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচারের বিরুদ্ধে প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বুধবার ইস্তানবুলে এক অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। ওই অভিযানেই তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের পরে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য প্রাদেশিক অভিবাসন দফতরে পাঠানো হয়।
২০১৯ সালে রেকর্ড সংখ্যক চার লাখ ৫৪ হাজার ৬৬২ অবৈধ অভিবাসী বা অভিবাসন প্রত্যাশীকে আটক করে তুরস্ক। এদের মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার মানুষকে আটক করা হয় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময়। এর আগের বছর ২০১৮ সালে দুই লাখ ৬৮ হাজার জনকে আটক করা হয়। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে আটক হয় এক লাখ ৭৫ হাজার করে অবৈধ অভিবাসী। তার আগের বছর ২০১৫ সালে এ সংখ্যা ছিল এক লাখ ৪৬ হাজার।
এছাড়া মানবপাচারের দায়ে তুরস্কে গত পাঁচ বছরে প্রায় ২৮ হাজার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। 
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, ডেইলি সাবাহ।


জনপ্রিয় অনলাইন : করোনাভাইরাস নিয়ে ঝুঁকির কারণে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম প্রযুক্তি শো থেকে এবার নাম সরিয়ে নিল মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আমাজন। কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এবং ক্রমাগত উদ্বেগের কারণে আমাজন এবার স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস-২০২০এ অংশ নেবে না।

এর আগে মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস আসর থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা এলজি, এরিকসন, সুইডিশ টেলিকম ইকুইপমেন্ট মেকার ও যুক্তরাষ্ট্রের গ্রাফিকস চিপ নির্মাতা এনভিডিয়া।
মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসের আয়োজক সংস্থা জিএসএমএ বলছে, বড় প্রতিষ্ঠানগুলো নাম প্রত্যাহার করে নিলেও এই অনুষ্ঠান হবে। প্রায় এক লাখ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু এই আসর। তবে এবারের আসলে পাঁচ হাজার থেকে ছয় হাজার মানুষ অংশ নেবে বলে মনে করছেন আয়োজকেরা। অনুষ্ঠানস্থলে বাড়তি চিকিৎসা কর্মকর্তা রাখার ব্যবস্থা করেছে জিএসএমএ। আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ঠেকাতে নানাবিধ নিয়মও জানিয়ে দিয়েছে সংস্থাটি, যেমন এবারের আয়োজনে হাত মেলানো যাবে না। এই আসর অনুষ্ঠিত হবে ২৪ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চীনে আট শতাধিক মানুষ মারা গেছেন। চীনের বাইরে হংকং ও ফিলিপাইনে একজন করে মারা গেছেন। এ ছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, চীনে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ৩৪ হাজার ৮০০।


জনপ্রিয় অনলাইন : দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দাবিতে রাজপথে কার্যকর কর্মসূচিতে ব্যর্থ হলেও বিষয়টি নিয়ে নতুন করে উদ্যোগ নিতে চায় বিএনপি। দলটির নীতি-নির্ধারকরা মনে করছেন, এই মুহূর্তে ‘রাজপথে প্রতিবাদ-কর্মসূচি’ গড়ে তুলতে রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতি তাদের অনুকূলে নয়। এ কারণে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতির বিষয়টিকে সামনে রেখে সরকারের কাছে তার মুক্তির আবেদন করার পক্ষে তাদের অব্স্থান। সেক্ষেত্রে অবশ্যই আগে ‘সরকারের মনোভাব বুঝতে’ চান তারা। বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলেও সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিটির একাধিক সদস্যের সঙ্গে আলাপকালে এমন তথ্য জানা গেছে।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাগারে যান বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আগামী শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) তার কারাবন্দি জীবনের দুই বছর পূর্ণ হবে। দলীয় প্রধানের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন-প্রতীকী অনশন আর ঝটিকা বিক্ষোভের বাইরে কার্যকর কোনও প্রতিবাদ গড়ে তুলতে পারেনি বিএনপি। দলটির নেতারা বলছেন, 
দলটির স্থায়ী কমিটির খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি রাজপথে ফায়সালা করা এই মুহূর্তে অসম্ভব বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। তাদের মতে, এক্ষেত্রে দুটি পথ খোলা আছে। একটি হচ্ছে, আপিল বিভাগের নামঞ্জুর হওয়া খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়টি নিয়ে রিভিউ করা। দ্বিতীয়টি হচ্ছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ (১) ধারা অনুযায়ী তার জীবন রক্ষার্থে সরকারের কাছে আবেদন করা।
দলটির প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা বলছেন, সুযোগ থাকলেও পুরো বিষয়টি সরকারের মনোভাবের ওপর নির্ভর করছে। তারা মনে করেন, বিশেষ করে আদালতের ওপর ক্ষমতাসীনদের প্রভাবের বিষয়টি তাদের কাছে পরিষ্কার। এ কারণে আপিল রিভিউ কিংবা বিশেষ আবেদন—উভয় ক্ষেত্রেই সরকারের মনোভাব আগে বুঝতে চান তারা। দলের স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য জানান, বিশেষ আবেদনের বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল ও সরকারের দুই-একজন মন্ত্রীর ইতিবাচক অবস্থানকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতৃত্বে চিন্তা-ভাবনা শুরু হয়েছে। সুচিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে পাঠানোর বিষয়ে ইতোমধ্যে পরিবারের পক্ষ থেকে যে অবস্থান জানানো হয়েছে ।
এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার  বলেন, ‘সরকারের কাছে আবেদন করতে হবে।’
দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আইনে যা আছে তা-ই হবে। খালেদা জিয়া অনেক অসুস্থ। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ (১) ধারা অনুযায়ী জীবন রক্ষার্থে  দণ্ডাদেশ সাময়িক স্থগিত করে তার ইচ্ছামতো দেশে বা বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে অনুমতি দেওয়ার সুযোগ আছে।’
জানতে চাইলে স্থায়ী কমিটির প্রভাবশালী সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আমরা আবেদন করলাম কিন্তু সরকার গ্রহণ করলো না, তাহলে তো এটা লজ্জাজনক হবে।’
দলটির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য বলেন, ‘সরকারের মনোভাবটা কী, তা আমরা জানার চেষ্টা করছি। সরকার যদি ইতিবাচক ইচ্ছা পোষণ করে, তাহলে তো আদালতে জামিনের বিরোধিতা নাও করতে পারে।’
নীতি-নির্ধারণী ফোরামের অন্যতম একজন সদস্য বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে সরকারের সদিচ্ছার ব্যাপার  আছে বলে এমন কোনও ইঙ্গিত পেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় দরখাস্ত করতে পারতাম। আইন অনুযায়ী খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত রেখে তাকে চিকিৎসার জন্য বাইরে পাঠাতে পারে সরকার।’

বিএনপির প্রভাবশালী একজন দায়িত্বশীল জানান, খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য দলীয়ভাবে টিকে থাকার সংগ্রামই বিএনপিকে করতে হচ্ছে। আর চেয়ারপারসন কী পদ্ধতিতে মুক্তি নেবেন, এটা এখনও তার ওপরই নির্ভর করছে। পরিবার বা দল হয়তো অবস্থান ব্যক্ত করতে পারে, কিন্তু মূল সিদ্ধান্ত নেবেন খালেদা জিয়াই। তবে, প্রকাশ্যে দল এমন কোনও উদ্যোগ নেবে না, যার মাধ্যমে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়।
জানতে চাইলে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বলেন, ‘পরিবারের মাধ্যমেই তার সম্মতি নেওয়া যেতে পারে।’
দলের সিনিয়র একনেতা বলেন, ‘বিশেষ আবেদনের প্রক্রিয়াটি সামনে নিতে হলে খালেদা জিয়া রাজি না হলেও তাকে বোঝাতে হবে। খালেদা জিয়াকে বিশেষ করে বোঝাতে হবে—এই সরকার তাকে কারাগারে রেখেই শেষ করে দিতে চায়। এক্ষেত্রে প্রক্রিয়াটি কীভাবে সম্পন্ন হবে, তা নিয়ে স্থায়ী কমিটির পরের বৈঠকে আলোচনা হবে।’
ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘তার কারামুক্তির জন্য দুটি পথ আছে। একটি  আন্দোলনের দিকে  যাওয়া অন্যটি আইনি পথ।  প্রয়োজনে উভয় পথেই চেষ্টা করতে হবে।’
বিশেষ আবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এটা তার পরিবার বলতে পারবে। আমরা এ ধরনের কোনও সিদ্ধান্ত নেইনি।’
বিএনপির ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মনে করছেন, ‘খালেদা জিয়া বিশেষ আবেদনে বিদেশে যেতে রাজি হবেন না। এটা কেউ চাইতে পারে সমঝোতা করে তাকে বাইরে পাঠাতে। কিন্তু এখনও আপিল রিভিউ বাকি আছে। ড. কামাল হোসেন ও মঈনুল হোসেনকে নিয়ে এই রিভিউ করতে হবে। কামাল হোসেন রাজি আছেন। এই সুযোগটিকে কাজে লাগাতে হবে।’
রিভিউ আপিলের কবে নাগাদ করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে খালেদা জিয়ার আইনজীবী, দলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘বিশেষ আবেদনের বিষয়ে কোনও অগ্রগতি নেই। ৮ ফেব্রুয়ারির পর এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো। রিভিউ করার সময় এখনও আছে।’
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দেন আদালত। ওই দিনই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশ বাতিল চেয়ে করা আপিলে সাজা পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেন উচ্চ আদালত। বর্তমানে বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে ৩৩টি মামলা চলছে। দুর্নীতির মামলায় কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে গত বছরের ১ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, খালেদা জিয়ার কারাবন্দির দুই বছর পূর্ণ উপলক্ষে শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) তার রোগমুক্তি ও সুস্বাস্থ্য কামনায় দেশব্যাপী জুমার নামাজের পর মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। এছাড়া পরদিন শনিবার  বেলা ২টায় নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ ও সারাদেশে জেলা সদরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
শায়রুল কবির খান বলেন, ‘ঢাকায় সমাবেশ নিয়ে ইতোমধ্যে ঢাকা মেট্রোপলি পুলিশ (ডিএমপি)-এর সঙ্গে দলের দায়িত্বশীলরা যোগাযোগ করেছেন।’ সমাবেশের অনুমতি শেষ মুহূর্তে মিলবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।


জনপ্রিয় অনলাইন : ২০৭০ সালে বিশ্বের সব থেকে ক্রমর্বধন ধর্ম হবে ইসলাম। শুধু তাই নয় খ্রিস্টান ধর্মাবম্বীদের ছাড়িয়ে বিশ্ব জনসংখ্যার ৩৫% ভাগের বেশি মানুষ হবে মুসলিম। মার্কিন গবেষণা সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টারের গবেষণায় উঠে এসে এমন তথ্য। ইউরোপ জুড়ে বাড়ছে মুসলিম বিদ্বেষ। সম্প্রতি জঙ্গিগোষ্ঠি আইএস-এর দৌড়াত্ব ও আদিবাসী ঢলকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্বের মুসলিমরা কোনঠাসা। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন গবেষণা সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টারের গবেষণায় সাধারণ জরিপে উঠে এলো ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের প্রবণতা। সেই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৭০ সাল নাগাদ শীর্ষ ধর্মের স্থানে অবস্থান করবে ধর্মটি।

পিউ রিসার্চ সেন্টারের দাবি ২০১০ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষ ছিলো ইন্দোনেশিয়া। কিন্তু ২০৫০ সালে সেই জায়াগা দখলে নেবে ভারত। সেই সময় দেশটির মুসলিম জনসংখ্যা দাঁড়াবে ৩১ কোটি ১০ লাখ। একই সময় ব্রিটেন এবং ফ্রান্সে কমবে ১৫০% খ্রিস্টান। ইউরোপের মোট জনসংখ্যার ১০% হবে মুসলিম।   ইউরোপে ২০৫০ সালে প্রতি ৫ জনের এক জন হবে মুসলিম। আর সাব-সাহারা আফ্রিকায় প্রতি ১০ জনে ৪ হবে মুসলিম।  ব্রিটেনসহ পুরো ইউরোপেই ইসলাম গ্রহণের প্রবণতা বাড়ছে। নতুন মুসলিমদের বেশিরভাগই হচ্ছে তরুণ। এদের বয়স ২৫-৩০ এর মধ্যে। তাই ভবিষ্যতে মুসলিমদের সংখ্যা বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। যুক্তরাষ্ট্রের একজন ধর্মান্তরিত মুসলিম রবার্ট ম্যাকগাও বলেন, আমেরিকায় ধর্মীয় নীতি বাক্য প্রচারে রবিবারকে গুরুত্ব দেওয় হয়। কিন্তু মুসলিমদের কাছে প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজই গুরুত্বপূর্ণ। মসজিদের সবাই একই পরিবারের মত। আমাকে যে তথ্যটি মুসলিম হওয়ার ক্ষেত্রে বেশি উৎসাহিত করেছে সেটা হচ্ছে মুসলিমরা যিশুকেই সকল ক্ষমতার উৎসভাবে। কিন্তু ইসলাম ধর্মে তিনি ¯্রফে একজন নবী।
গবেষণা বলছে ২০১০ সালে মুসলিম ও খ্রিস্টনাদের জনসংখ্যার যে অবস্থান সেটা ২০৫০ সালে চলে আসবে প্রায় সমপর্যায়ে। আর ২০৭০ সালে খ্রিস্টানদের টপকে যাবেন মুসলিমরা। পিউ রিচার্স সেন্টারের দাবি এই সময়ের মধ্যে চার কোটি মানুষ খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করবে ঠিকই কিন্তু খ্রিস্টান ধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত হবে সাড়ে ১০ কোটি।  যুক্তরাষ্ট্রের এক বিশ্লেষক ডেডিড উড বলেন, পিউ রিচার্স সেন্টারের গবেষণায় বলা হয়েছে মুসলিমদের ধারাবাহিক বৃদ্ধি পুরোপুরি সংখ্যা তাত্ত্বিক। কারণ পারিবারিক বা ধর্মীয় ধারা মেনেই মুসলিমদের সংখ্যা বেশি হয়। আর একটি বিষয় হলো মুসলিমরা কখনোই ধর্ম ত্যাগ করেন না। গবেষণায় আরো বলা হয়েছে ২০৭০ সাল নাগাদ বিশ্বের জনসংখ্যাও বাড়বে প্রায় ৩৫%।
সুত্র : আমাদের অর্থনীতি ।


জনপ্রিয় অনলাইন : হালাল খাদ্যাভাসের কা’রনে – করোনা ভা’ই’রাস ইতিমধ্যে চীন সহ সারা’বিশ্বে মা’রা’ত্মক আকার ধারন করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) ইতিমধ্যে এটাকে ম’হা’মা’রী আকারে ঘোষনা করেছে। পুরোপুরি অ’বরু’দ্ধ রাখা হয়েছে করে দেওয়া হয়েছে চীনের উহান ও হুবেই শহর। শুধু চীন নয় আ’ক্রা’ন্ত হয়েছে ইন্ডিয়া, জা’পান, ভিয়েতনাম, হংকং সহ বিশ্বের প্রায় বিশটি দেশ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্ডিয়া এয়ারলাইন্স, ব্রিটিশ এয়ারলাইন্স, কাতার এয়ারলাইন্স সহ প্রায় সব কয়টি দেশের বিমান যোগাযোগ। এত কিছু যখন ঘটে যাচ্ছে তখন কেমন আছেন সেদেশের উইঘুর মু’সলিম’রা।

সম্প্রতি সিএনএন একটা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে । সিএনএন এর দেওয়া সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইঘুর মু’সলিম’রা তাদের হালাল খাবার খাওয়ার কা’রনে এখনো অন্যান্য দের তুলনায় নিরাপদে আছে। তবে ভাই’রাসটা যেহেতু সং’ক্রা’মক তাই তাদের আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি চীনের কোরনাভাই’রাসের উৎপত্তি বাদুরের মাধ্যমে হওয়ায় বেশ গু’ঞ্জ’ন সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে তাদের খাদ্যাভাস নিয়ে। তাদের প্রিয় খাদ্যের তালিকায় রয়েছে তেলাপোকার ফ্রাই, টিকটিকি, ইঁদুর, সাপ, নানা রকম কী’’টপতঙ্গ ও বাদুরের জুস। মু’সলিম’দের খাদ্য তালিকায় হালাল ও হারাম বিভক্ত থাকায় তারা এসব খাবার ভক্ষন করেনা বিধায় চীনের কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে বেশ নিরাপদেই রয়েছেন চীনা মু’সলিম’রা। করোনা ভাই’রাসের দাপটে বাবাকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, এরপর যা হল অবর্ণনীয়। বাড়িতে ছিল বিশেষভাবে সক্ষম তার সন্তান ৷ ১৭ বছরের হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা ইয়ান চেং সেরিব্রাল পলসিতে আ’ক্রা’ন্ত। সে আর পাঁচজনের থেকে একদমই আলাদা। ইয়ান চেং মুক ও বধির, সে কোনও কাজও নিজে করতে পারে না। তার মা অনেক আগেই মা রা গেছেন। বাবাই তার পরিচর্যা করতেন , যত্ন নিতেন। কিন্তু মা’রণ করোনাভাই’রাসের আ’ক্র’মণে এখন বিপ’র্যস্ত চীন। সং’ক্রমণ রুখতে চীনে বিভিন্ন প্রতিরোধক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইয়ান চেং’র বাবার জ্বর হওয়ায় তাকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বাড়িতে একা থাকা অবস্থায় ইয়ান চেং’র মৃ ত্যু হয়। ১৭ বছরের ইয়ান চেং নিজের হাতে খেতেও পারেন না। তার প্রতিদিনের জীবনযাপনের জন্য অন্যের সাহায্য তার সবসময় প্রয়োজন ছিল।
সেটা না পেয়েই মৃ ত্যু হয়েছে তার। গত ২২ জানুয়ারি ইয়ান চেং’র বাবা ইয়ান জিওয়াওয়েনকে জ্বরের জন্য আইসোলেশন ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। পাঁচদিন বাদে তার মধ্যে মা’রণ রো’গ করোনাভাই’রাস পাওয়া যায়। এরপর তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেদন জানিয়েছিলেন কেউ একজন তার বাড়িতে গিয়ে যেন তার সন্তানকে দেখেন। কিন্তু করুণ বাবার এই আবেদন বড় দেরিতে এসেছিল। গত ২৯ জানুয়ারি ইয়ান চেং’র এর ম’রদে’হ উ’দ্ধার করা হয়। হোনগান কাউন্টি সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানা গেছে , ‘ইয়ান জিয়াওয়েন নিজের ছে’লে ইয়ান চেং’র প্রতিদিনকার জীবনের দায়িত্ব সামলাতে পারেননি।
আর যে আত্মীয় ও গ্রামবাসীদের তিনি বিশ্বা’স করেছিলেন তারাও এটা করতে পারেননি। যাদের দায়িত্বে ছে’লেকে ছেড়ে গিয়েছিলেন তারা সঠিক দায়িত্ব পালন না করতে পারায় তাদের চাকরি গেছে। স্থানীয় কমিউনিস্ট পার্টি সচিব ও মেয়রকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ৷ তবে ইয়ান চেং’র মৃ ত্যুর কারণ এখনও সরকারিভাবে জানানো হয়নি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর আসার পরেই সকলেই ভীষণ ক্ষু’ব্ধ হয়েছে। হুবেই প্রদেশের বিভিন্ন কার্যকলাপকে দোষারোপ করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার ওয়েইবো নামক সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনাটি নিয়ে মোট ২৭ কোটিবার লেখা হয়েছে। মেয়রকে সরিয়ে দেওয়া হক এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার হয়েছে ৬ কোটি বার।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget