Latest Post

                                             
                                                   
রোজার নিয়ত :
নাওয়াইতু আন আছুমা গদাম মিন শাহরি রমাদ্বানাল মুবারকি ফারদ্বল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাক্বব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আংতাস সামীউল আলীম
অর্থ হলো :হে আল্লাহ! আগামীকাল পবিত্র রমযান মাসে তোমার পক্ষ হতে ফরয রোজা রাখার নিয়ত করলাম, অতএব তুমি আমার পক্ষ হতে কবুল করো, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।
রোজার বাংলা নিয়ত :
হে আল্লাহ পাক! আপনার সন্তুষ্টির জন্য আগামীকালের রমাদ্বান শরীফ-এর ফরয রোযা রাখার নিয়ত করছি। আমার তরফ থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাত।
ইফতারের দোয়া :
আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া তাওয়াক্কালতু আলা রিজক্বিকা ওয়া আফতারতু বি রাহমাতিকা ইয়া আর্ হামার রা-হিমীন।
বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি ও তোমারই দেয়া রিযিক্ব দ্বারা ইফতার করছি।
ইফতারের বাংলা দোয়া :
হে আল্লাহ তায়ালা আমি আপনার নির্দেশিত মাহে রমাজানের ফরয রোজা শেষে আপনারই নির্দেশিত আইন মেনেই রোজার পরিসমাপ্তি করছি এবং রহমতের আশা নিয়ে ইফতার আরম্ভ করছি। তারপর বিসমিল্লাহি ওয়াআলা বারাকাতিল্লাহ বলে ইফতার করতে হবে।


                  শাহজালাল জামে মসজিদবার্সেলোনা।
                                                     
                                                                       
                                    মাদ্রিদ :


লায়েব : আওয়ামীলীগের প্রতিহিংসার শিকার যুক্তরাজ্য লন্ডন মহানগর যুবদলের যুব বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান।
সিলেট মদন মোহন কলেজ ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রনেতা বালাগন্জ উপজেলার ৩ নং দেওয়ান বাজার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি বর্তমান যুক্তরাজ্য লন্ডন মহানগর যুবদলের যুব বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান। ছাত্র জীবন থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত । নিজ ইউনিয়ন বালাগন্জ থানার দেওয়ান বাজার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি দায়িত্ব দক্ষতার সহিত পালন করেন ।২০০০ সালের মদন মোহন কলেজ ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দলের জন্য কাজ করেছেন। ২০১১ সালে যুক্তরাজে আসেন ।
বাংলাদেশের মত যুক্তরাজ্যে এসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাথে কাজ করে আসছেন । যে কোন সভার বা হাসিনা বিরুদ্ধী বিক্ষুভের ডাক আসলে সব সময় উপস্তিত থাকেন । ২০১২ সালে যখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাবেক এমপি,কেন্দীয় সংসদের সাবেক সাংগটনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম.ইলিয়াস আলী কে গুম করা হয়, সারা বাংলাদেশ, তথা যুক্তরাজ্য সহ বহিঃবিশ্বের প্রতিটি দেশে যখন আন্দোলন শুরু হয়। যুক্তরাজ্যে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল সহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষ যখন আন্দোলন করতে থাকে তখন শাহজাহান সেই আন্দোলনে সৈনিকের মত ভুমিকা রাখেন। যুক্তরাজ্য যুবদল যখন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকারের গুম, হত্যা, খুন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে তাকে শাহজাহান তখন অগ্রনী ভুমিকা পালন করেন। যখন এই আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে টিক তখনই ২০১৪ সালে শাহজাহানের গ্রামের বাড়ী সিলেট জেলার বালাগন্জ উপজেলার ৩ নং দেওয়ান বাজার ইউনিয়নে তাহার বসত বাড়ীতে সন্ত্রাসীরা হামলা করে এবং তাহার ছোট ভাইকে হত্যার উদ্দেশে কুপিয়ে যখম করে। সন্ত্রাসীরা হামলা করে ক্লান্ত হয়নি ২০১৫ সালে তার বসত বাড়ীতে আগুন ধরিয়ে দেয়। যুক্তরাজ্য থেকে যখন শাহজাহান এই প্রতিবাদ করতে থাকে তখন বাংলাদেশ তাহার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।এত কিছুর পরও শাহজাহান তাঁর দায়িত্ব কর্তব্য থেকে এক পা পিছপা হননি ।
যুক্তরাজ্য বিএনপির অথবা যুবদলের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন। শহীদ প্রেসিডন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশর তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অনুপ্রেরনায় ও দেশ নায়ক তারেক রহমানের দিক নির্দেশনায় যে কোন সময় আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকেন। মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে যুক্তরাজ্য বিএনপি ও যুবদলের ডাকে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন । তিনি সবসময় যে কোন প্রকার পদ পদবী উর্দ্ধে উঠে কাজ করে যাচ্ছেন ।


মোঃ ছালাহ উদ্দিন : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভানেত্রী, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। আপনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কোটি কোটি তৃনমূল নেতা-কর্মীর একমাত্র বিশ্বস্ত ঠিকানা।

আপনাকে দেখে শত বাধা ও প্রতিকূলতার মাঝে ও আমরা স্বপ্ন দেখি সাহসী হই। আপনার কাছে সবিনয়ে অনুরোধ করব আগামী ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ থেকে সত্যিকারের মুজিব আদর্শের সৈনিক,কর্মীবান্ধব ও নিবেদিত প্রান নেতাদের হাতে স্বাধীনতার প্রতীক নৌকা মার্কা তুলে দেন। কারন বর্তমানের অধিকাংশ এমপি ও মন্ত্রীরা জনবিচ্ছিন্ন। কর্মীদের সাথে উনাদের বিশাল দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।

১১ তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পূনঃরায় বর্তমান এই সকল এমপি'রা যদি নৌকা প্রতীক পেয়ে যান তাহলে প্রত্যেক আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী দেখা দিবে।
কোন কারনে বহিস্কারের ভয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী না হলেও নৌকা পতিকের প্রার্থীকে হারানোর জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালাবে।

ফলে সারা বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারবে না।
প্রিয় নেত্রী আপনি জানেন, আমাদের সিলেটের কৃতি সন্তান, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জন্য নিবেদিত প্রান,রাজপথের লড়াকো সৈনিক,সারা বাংলাদেশের ছাত্র সমাজের অহংকার, সাবেক ডাকসু ভিপি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, জাতীয় নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ,  বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ এখনো মন থেকে ভালবাসেন উনাকে।।
সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ এর ভক্ত আছেন সেই টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, সিলেটের সুনামগঞ্জ থেকে সুন্দরবন,  সারা বাংলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন সারা পৃথিবীতে।

এমন নেতাকে দলের বাহিরে রেখে আপনি হাইবিড আর বাম নেতাদের দিয়ে দল পরিচালনা করতেছেন, একদিন হয়তো এই হাইবিড আর বামরাই আপনাকে নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হবে,আর সবসময় তারা গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছেন।
 আমরা বাহিরে থেকে তা উপলব্ধি করতে পারছি,কিন্তু প্রিয় নেত্রী আপনি তা দেখবেন না বুঝবেননা আর বুঝতেও দিবেনা এরা কারন কিছু স্বাধীনতা বিরুধী চক্র আপনার চারপাশে সবসময় ঘিরে আছে।

এই স্বাধীনতা বিরুধী চক্র যতদিন আপনার চারপাশে থাকবেন তথদিন আপনাকে নিয়ে তথা আমাদের প্রানের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে বিতর্কিত করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকবে।আমরা জানি আপনি যতদিন বেচে থাকবেন বাংলাদেশকে নিয়ে তথা আওয়ামীলীগকে নিয়ে কেউ সড়যন্ত্র করতে পারবেনা, কিন্তু প্রিয় নেত্রী আপনি যদি এই ত্যাগী নেতাদের দলে ফিরিয়ে নেন তাহলে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে আর কেউ বাধা গ্রস্থ করতে পারবেনা।আর আপনার সাহসী নেতৃত্ত্বে দেশ যেভাবে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে সেভাবে এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
 একটা কথা আপনি সবসময় বলেন ত্যাগীরা অভিমান করে কিন্তু দলের সাথে কোনোদিন বেঈমানী করেনা আর আমরাও বলি এই সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ এর মত ত্যাগী নেতারা কোনোদিন আপনার সাথে বা আমাদের দলের সাথে বেঈমানী করেনা বা করতে পারেনা তারা অভিমান করে বসে আছে। একবার আপনি মমতার ডাকে ডাক দিয়ে দেখেন বা আপনি বিপদে পড়ে দেখেন এরাই আপনার পাশে এসে দাড়াবে সুতরাং এরাই আপনার আপনজন এরাই আপনার দূঃসময়ের সাথী।
আপনার নিশ্চয় মনে আছে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট স্বাধীনতা বিরুধী ঘাতকরা যখন জাতির পিতা সহ আপনার সহপরিবারকে হত্যা করে তখন এই সুলতানরাই রাস্তায় বেরিয়েছিলো প্রতিবাদ আর আন্দোলনে।তখন কোথায় ছিলো এই বাম নেতারা যারা আজ আপনার চারপাশে বড় বড় মন্ত্রী আর এম পি  হয়ে বসে আছেন।?
 প্রিয় নেত্রী" আজ একটা ধাবি জানাচ্ছি আপনার কাছে আপনি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর এর মতো নিবেদিত প্রান মুজিব আদর্শের ত্যাগী নেতাদের হাতে,আমাদের মুক্তিযোদ্ধের প্রতিক নৌকা মার্কা  উপহার দেন। এদের হাতে কুনোদিন নৌকার ভরাডুবি হবেনা ইনশাআল্লাহ।

 আমাদের নেতাকে যদি আপনি নৌকা প্রতিক দিয়ে আবার নির্বাচন করার সুযোগ করে দেন সিলেটের যে কুনো আসন থেকে তাহলে ১০০% গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ, বিশাল ভোটে বিজয় লাভ করবেন,ইনশাআল্লাহ।।  রাজপথের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরলাম।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস মাননীয় নেত্রী আপনি সবকিছু বিবেচনা করে সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হবেন, ইনশাআল্লাহ।
জয় বাংলা  -জয় বঙ্গবন্ধু। জয় হোক রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার। জয় হোক মুজিব আদর্শের নিবেদিত প্রান সকল সৈনিকদের।

লেখক পরিচিতি :
মোঃ ছালাহ উদ্দিন
সাবেক,সভাপতি,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
৩ নং নিজ বাহাদুর পুর ইউনিয়ন ।
সাংগঠনিক সম্পাদক,বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ  কাতালোনীয়া (বার্সেলোনা)  স্পেন শাখা।


মোহা. আব্দুল মালেক হিমু, প্যারিস-ফ্রান্স: প্যারিসে বৈরি আবহাওয়া গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি তারপরও ঘরে বসে ছিলেন না উৎসব প্রিয় প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দুপুর থেকেই তারা আসতে শুরু করেন জুরেস পার্কে। র্পাকের চারদিকে সাজ সাজ রব । পুরুষদের পাঞ্জাবি, নারী আর শিশুদের রং-বেরঙের বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশীয় পোশাক, সাজসজ্জা ।
বৈশাখ মানে তো উচ্ছাস, উত্তাপ আর উৎসবের আমেজ। তাই তো হাজারো প্রবাসীরা ছাতা হাতে ভেদাভেদ ভুলে উৎসবের রঙে শামিল হয়েছেন প্রাণের বৈশাখী উৎসবে। শোভাযাত্রা, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ঢাক-ঢোল, নাচ-গান, ব্যানার, ফেস্টুন, আর মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্যারিসের জুরেস র্পাক হয়ে ওঠেছিল আনন্দমুখর একটি চোট বাংলাদেশ। ২৯শে এপ্রিল রবিবার প্রতি বছরের মতো প্যারিসের জুরেস পার্কে স্বরলিপি শিল্পি গোষ্ঠি আয়োজন করে বৈশাখী উৎসবের। অনুষ্ঠানের শুরুতে মঞ্চে এসে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান সংগঠনের সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, বাংলাদেশ দুতাবাসের হেড অব চ্যান্সেরী হযরত আলী খান, অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের (আয়েবা) মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ, তুলুজ বাংলাদেশি কমিউনিটি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফখরুল আকম সেলিম, ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমদ সেলিম, সংগঠনের উপদেষ্ঠা সুব্রত ভট্টাচার্য শুভ, টি এম রেজা, তাপস বড়ুয়া রিপন, শাহ আলম, সংস্কৃতি কর্মী রেদওয়ান জুয়েল, চিত্রশিল্পী শাহাদত হোসেন, ফ্রান্স-বাংলা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক ফয়ছল আহমেদ দ্বীপ, সদস্যসচিব মাম হিমু, সাংবাদিক অপু আলম, দেবেশ বড়ুয়া, দেলওয়ার হোসেন, বাসু গোস্বামী, ভিকি রায়, মনসুর আহমদ প্রমুখ। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ও বাংলাদেশ থেকে আগত মিরাক্কেল চ্যাম্পিয়ন আবু হেনা রনি । মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পীরা ও গান পরিবেশন করেন বাংলাদেশ থেকে আগত ফোক শিল্পি আসিক, ক্লোজআপ ওয়ান পুতুল । প্রবাসী বাংলাদেশির পাশাপাশি ভিনদেশি নাগরিকেরাও অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।


কবির আল মাহমুদ , মাদ্রিদ :  ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও, এক হও’- এ স্লোগানের মধ্য দিয়ে সারা বিশ্বের মতো ১লা মে স্পেনে ও  আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালন করা হয়েছে । 

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে  র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্পেনের বিভিন্ন শ্রমিক ও মানবাধিকার সংগঠনের  আমন্ত্রণে বাংলাদেশী মানবাধিকার সংগঠন এসোসিয়েশন  দে ভালিয়েন্তে বাংলার তত্ত্বাবধানে ৬ দফাদাবী সংবলিত  ব্যানার নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালিটি রাজধানী মাদ্রিদের জিরো পয়েন্ট খ্যাত সল , লাভাপিয়েস, লেগাছপি ,সান্তা মারিয়া হয়ে প্লাজা রেইনা সোফিয়ায়  এসে এক সমাবেশের মাধ্যমে শেষ করা হয়। এতে স্প্যানিশ , বাংলাদেশী, মরক্কো, আফ্রিকান, সেনেগালসহ বিভিন্ন  দেশের শ্রমিক জনতা অংশ নেন।এসময়  ওয়ার্ক পারমিট, অবৈধ প্রবাসীদের জন্য ডিক্লারেশন ও কর্মসংস্থানসহ ৬দফা দাবি তুলে ধরেন  প্রবাসীরা।  

জাতি ধর্মবর্ণ সাদাকালো ভেদাভেদ ভুলে লাল-সাদার বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডসহ দুনিয়ার মজদুর এক হও স্লোগানে মুখরিত হয় মাদ্রিদের  রাজপথ। অসংখ্য জনতার ঢল নামে র‍্যালিতে, যা দেখে বোঝা যায় গোটা বিশ্বে শ্রমিকের ন্যায্য দাবি এখনও পূরণ হয়নি।তাই শ্রমিকরা জানান দিতে রাজপথে নেমে এসেছেন নিজেদের অধিকার পাওয়ার আশায়।

মানবাধিকার সংগঠন এসোসিয়েশন  দে ভালিয়েন্তে বাংলার পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন  ভালিয়েন্তে বাংলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ ফজলে এলাহী ,আফরোজা রহমান ,তানিয়া সুলতানা ঝর্ণাসহ  বিভিন্ন সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেত্রীবৃন্দ।
সমাবেশে দলমত নির্বিশেষে সকল দেশের প্রবাসী স্প্যানিশ , বাংলাদেশী, মরক্কো, আফ্রিকান, সেনেগালসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা অংশগ্রহণ করেন।
দাবিগুলো হল- বর্ণবাদীদের বিদেশিদের উপর নির্যাতন ও জুলুম বন্ধ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কাজের কন্টাক্ট ব্যাতিত রেসিডেন্স কার্ড প্রদান , স্প্যানিশ পাসপোর্ট এর জন্য ল্যাঙ্গুয়েজ পরীক্ষা বাতিল এবং প্রবাসীদের জন্য ডিক্লারেশন সহজ করা।


কবির আল মাহমুদ ,মাদ্রিদ,স্পেন : ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দেশের মানুষের মতো স্পেনের  প্রবাসী বাঙালিরাও বরণ করে নিয়েছেন বাংলা নতুন বছরকে। বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসীদের ন্যায় স্পেনে ও নববর্ষ  উপলক্ষে মেতেছেন আনন্দ-উৎসবে।

এর মধ্যে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদসহ  একাধিক নগরীতে  অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য বৈশাখী উৎসব। পহেলা বৈশাখের এসব  উৎসবে  যোগ দেন স্পেনে বসবাসকারী  বাঙালি শিক্ষার্থী ,চাকুরিজীবী ,ব্যাবসায়ী ,রাজনীতিবিদ  ও স্থানীয় বাংলাদেশি সংগঠনের প্রতিনিধিরা।স্পেনের টেনেরিফে শহরে কমিনিদাদ দে বাংলাদেশ  আয়োজিত অনুষ্ঠানে  প্রবাসীরাও ভিন্ন আয়োজনে বরণ করে নিয়েছেন নতুন বছরকে।'এসো হে বৈশাখ' গানের সমবেত পরিবেশনার মাধ্যমে শুরু হয় উৎসব। পরবর্তীতে প্রদর্শিত হয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান।
গত কাল  রবিবার  বিকেল ৩ টায় স্পেনের টেনেরিফের  স্থানীয় একটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত  হয়। তবে অনুষ্ঠান শুরুর নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে  মুখরিত হয়ে উঠে অনুষ্ঠানস্থল। 

দেশীয় নানান রঙের পোশাক পরে বর্ণিল পোশাকে সজ্জিত হয়ে প্রবাসীরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তাদের উপস্থিতি দেখে মনে হয় এ যেন প্রবাসের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে দেশীয় নানা রকম খাবার দিয়ে আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।খাবারের তালিকায় ছিল বাঙালির প্রিয় ইলিশ ,রুই মাছ ,বিভিন্ন পদের মাংস ,ভাজি , ভর্তা ,খিচুড়ি ,চটপটি,ফুচকা ,মোয়া ,রকমারি পিঠা ,মিষ্টান্ন ,দুই ,গুলের শরবতসহ পান সুপারী অন্যতম। শতাধিক পরিবারের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আনন্দমুখর করে তোলে।
উৎসবে স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে সংস্কৃতি অনুষ্ঠানে  বাংলাদেশের  ওইতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র লোকগীতি,দেশাত্মবোধক ,জাগরণী গান ও নৃত্য পরিবেশন করা হয় এছাড়া  দেশীয় খেলাধুলা ,নাচ গান ,কবিতা আবৃত্তিসহ গল্পের আসরে মেতে বাংলাদেশিদের উল্লাস ছিল লক্ষনীয়।  
অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ব্যাবসায়ী  মন্টু মিয়া, জাকির হোসাইন,রিংকু মিয়া,গনি মিয়া, সাঈদ আহমেদ।এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত  ছিলেন  আলমগীর তাজ, ফরহাদ আহমেদ, পিন্টু আহমেদ, শাহীন আহমেদ, রায়হান মিয়া, আরিফ আহমেদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অতিথিদের নববর্ষের উপহার হিসেবে কাচের চুড়ি ,তাল পাতায় নির্মিত হাত পাখা ,মাটির গয়না ও অন্যানো সামগ্রী বিতরণ করা হয়। 
আয়োজকরা জানান ,অনুষ্ঠানটি করার মূল উদ্দেশ্য হল আমাদের পরস্পরের মাঝে ভ্রাত্বিত্ববোধ বাড়িয়ে তোলা এবং প্রবাসে দেশের আবহমান সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যকে এগিয়ে নেওয়া। আর সেই সাথে ভিনদেশিদের কাছে আমাদের সংস্কৃতি পৌঁছে দেওয়া। আগামীতে এসব অনুষ্ঠানে ভিনদেশিদের আরো বেশি করে আমন্ত্রণ করে বাংলাদেশের আবহমান সংস্কৃতি তুলে ধরার ও প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন আয়োজকরা।


 কবির আল মাহমুদ ,মাদ্রিদ ,স্পেন  : নববর্ষের সকালে পান্তা-ইলিশ দিয়ে সকালের খাবার সেরে ছেলেরা পাঞ্জাবী আর মেয়েরা শাড়ি পরে বেরিয়ে পড়ে। রমনার বটমূল-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা থেকে সারাদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে চলে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়ার নানা আয়োজন। আর এই আয়োজনের মূল দায়িত্বে থাকে নারীরা। নতুন বছর নব আনন্দ নিয়ে হাজির হয় প্রতিটি বাঙালি পরিবারে।বাঙালি সংস্কৃতির ইতিহাস হাজার বছরের। সমৃদ্ধ এই সংস্কৃতির সাথে বর্ষবরণ উত্সব ওতপ্রোতভাবে জড়িত। 

বিশ্বায়নের এই যুগে সবকিছুই পরিবর্তনশীল। তাই বলে আবহমানকাল ধরে চলে আসা উৎসবমুখর বাঙালির প্রাণের বৈশাখ বরণের দৃশ্যপটের তারতম্য ঘটেনি কোথাও। বৈশাখ মানে যে শুধু নতুন বছরকে সাদরে বরণ করা, তা নয়। আমার মনে হয় সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলা ভাষাভাষী জাতিগোষ্ঠীর এক অপূর্ব মহামিলন উৎসবও বটে।

গত ২১এপ্রিল স্পেনের মাদ্রিদে  বসবাসকারী বাংলাদেশীরা সতঃর্ফুত ভাবে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ উৎযাপন করেছে।মাদ্রিদ প্রবাসী বাংলাদেশি নারীদের উদ্যোগে  আনন্দ উল্লাসের মধ্যদিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হয়।রাজধানী মাদ্রিদের পার্শবর্তি পিরামিড পার্কে দেশীয়  নানান রঙের পোশাক পরে তাদের পরিবারের সদস্যগণ বর্ণিল পোশাকে সজ্জিত হয়ে অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। উপস্থিতি দেখে মনে হয় এযেন প্রবাসের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ। যা বিদেশিদেরও বেশ আকৃষ্ট করে।অনুষ্ঠানে দেশীয় নানা রকম খাবার দিয়ে আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ণ করা হয়।শতাধিক পরিবারের  উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে  আনন্দ-মুখর করে তোলে।

 লুনা আলম আখি ,তানিয়া সুলতানা ঝরনা,নিগার সুলতানা ,জান্নাত শিউলি ,মারুফা আরেফিন ,সেতু হাসানের যৌথ উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশী মানবাধিকার সংগঠন ভালিয়েন্তে বাংলার সভাপতি মোহাম্মাদ ফজলে এলাহী , বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতির সাধারন সম্পাদক আবুল কাশেম ,মানিক মিয়া ,বাহার উদ্দিন, এমদাদ হোসেন দিপু ,সরওয়ার আহমেদ ,শামীম আহমেদ ,সিজান আহমেদ ,পলাশ ও তানভীর প্রমুখ। 

এসোসিয়েশন ভালিয়েন্তে বাংলার সভাপতি মোহাম্মদ ফজলে এলাহী বলেন, দেশের আবহমান সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যকে এগিয়ে নেয়া আর সেই সঙ্গে বিদেশের মাটিতে নতুন প্রজন্মকে দেশের আবহমান কালের সংস্কৃতিকে পরিচয় করিয়ে দেয়াই এই ধরনের বর্ষাবরণ  ও সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। তা ছাড়া আমাদের নারীরা কোনো না কোনোভাবে কর্মজীবী তাই পরিবার পরিজন নিয়ে সবাই একসঙ্গে হওয়ার আনন্দটা সব সময় অন্যরকম।


মোহা. আব্দুল মালেক হিমু, তুলুজ- ফ্রান্স থেকে : ফ্রান্সের তুলুজ প্রবাসী বাংলাদেশিরা বর্ণিল আয়োজন আর উৎসবের আমেজে উদ্‌যাপন করেছেন বাংলা বর্ষবরণ উৎসব। প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশি কমিউনিটি অ্যাসোসিয়েশন তুলুজ আয়োজন করে বৈশাখী উৎসবের। রবিবার দেশটিতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায় বৈশাখী অনুষ্ঠানে আগত দর্শকদের। গ্রীষ্মকালের নব প্রকৃতি, রোদ্র উজ্জল আবহাওয়া আর তার সাথে যোগ প্রাণের বৈশাখ।
ছোট আর বড়দের রং-বেরঙের বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশীয় পোশাক, সাজসজ্জা, পিঠা-পায়েস,  সব মিলিয়ে প্রাণের উচ্ছাসে মেতেছেন তুলুজ প্রবাসী বাংলাদেশীরা । পিংক সিটি খ্যাত  তুলুজ সিটি কর্পোরেশনের একটি হলে উৎসবে আগত অতিথিদের ফুলের তোড়া, পুস্প বৃষ্টি দিয়ে বরণ করেন নেন শিশু ও মহিলারা । দুই পর্বের এ অনুষ্ঠানের প্রথমে দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করে বাংলা ও ফরাসি জাতীয় সংগীতের বাজানো হয়। তারপর  নতুন বছর কে স্বাগত জানিয়ে গাওয়া হয় দলীয় সংগীত।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে মঞ্চে এসে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান তুলুস শহরের সহকারী মেয়র জন ক্লাউত দারদোলেথ, ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কাজি ইমতিয়াজ হোসেন, অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ অ্যসোসিয়েশনের মহাসচিব কাজি এনায়েত উল্লাহ, বাংলাদেশ সমিতি বার্সোলনার সভাপতি মাহারুল ইসলাম মিন্টু, সংগঠনের সভাপতি ফকরুল আকম সেলিম, সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, উপদেষ্ঠা ফারুখ হোসেন, সহ সভাপতি জেসেফ ডি কস্তা, ট্রেজারার তাজিম উদ্দিন খোকন, সমাজ কল্যান সম্পাদক শ্রীবাস দেব নাথ সহ আরো অনেকে। 

দুই পর্বের এ অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব পরিচালনা করেন সংগঠনের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাকের চৌধুরী ও আজিজুল আমিন পলাশ । অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ।
সাংস্কৃতিক পর্বে টি পরিচালনা করেন আবিদা সুলতানা মিষ্টি ও সীমা সুলতানা । মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেছে শিশু শিল্পি নামিরা, ওরিশা, রাইদা,তুফা, গলোরিয়া, জেনিফা, সুমি, শোভা, ভিবা, পরমিথা, প্রাইয়ূশী, রাইসা, তরশী  আমেল্ডা রোজারিও। গান পরিবেশন করেন বাংলাদেশ থেকে আগত কন্ঠ শিল্পি মামুন ও লন্ডন থেকে আগত শিল্পি শতাব্দীকর ।

প্রবাস ডেক্সঃ স্পেনের বার্সেলোনায় দীর্ঘদিন থেকে বসবাসরত মোহাম্মদ ইমরান হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নাল্লিল্লাহি ওয়া...... রাজিউন)। গত ২৮শে এপ্রিল (শনিবার) রাত আনুমানিক ১২ ঘটিকায় উনার বন্ধু আকতার হোসেন প্রতিদিনের মত বাসায় গেলে মোহাম্মদ ইমরান কে বাসার মেজেতে লাশ অবস্থায় দেখতে পান ।

সংবাদটি ছড়িয়ে পড়লে কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে।
৩৭ বছর বয়স্ক ইমরান সিলেটের হবিগঞ্জ সদরের রায়ধরের বাসিন্দা চিলেন।
মৃত্যুকালে স্ত্রী, ১ কন্যা ও ১ পুত্র  এবং অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন রেখে যান। স্থানীয় কমিউনিটি ব্যাক্তিবর্গ উনার পরিবারের সাথে যোগাযোগ রাখছেন। স্পেনের প্রশাসনিক কাজ সম্পাদন পরে কমিউনিটির সহায়তায় ইমরানের লাশ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
কমিউনিটির বিভিন্ন ব্যাক্তিবর্গের সাথে স্পেন বাংলা প্রেসক্লাব মোহাম্মদ ইমরানের আত্মার মাগফেরাত কামনার পাশাপাশি উনার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget