Latest Post


জনপ্রিয় অনলাইন : আজ ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও শততম জন্মদিন। জাতি যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি উদযাপন করবে। দিনটিকে জাতীয় শিশু-কিশোর দিবস হিসেবে পালন করা হবে। দিনটিকে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন।
এ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়াতেও প্রতিবারের মতো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার দশটায় টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণসহ আলোচনাসভা ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেবেন। এছাড়াও সেখানে সরকারিভাবে পালিত নানা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলো বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ এবং পরের দিন ১৮ মার্চ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
এদিকে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালনে রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেক কাটা, চিত্রাঙ্কন ও বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবনের ওপর আলোকপাত করে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। উপজেলা ও জেলা প্রশাসনসহ সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে অনুরূপ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু  তাঁর জীবদ্দশায় জন্মদিন উপভোগের খুব একটা সুযোগ পাননি। কারণ, সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বয়ে বেড়ানো সর্বকালের সেরা এই বাঙালির বেশিরভাগ জন্মদিন কেটেছিল কারাগারে। পাকিস্তানবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে প্রায় ১৩ বছরের মতো কারাগারে কাটাতে হয়। তিনি মোট ৪ হাজার ৬৮২ দিন জেলে কাটিয়েছেন। বিভিন্ন দফায় কারাগারে থাকাকাল তাঁর ৮টি জন্মদিন কারাগারেই কেটেছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের এই দিনে তদানীন্তন ভারত উপমহাদেশের পূর্ববঙ্গ প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম শেখ লুৎফর রহমান এবং মাতার নাম সায়েরা খাতুন। পরিবারের চার কন্যা এবং দুই পুত্রের সংসারে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন তাঁদের তৃতীয় সন্তান। সেদিনের টুঙ্গিপাড়ার অজপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করা ‘খোকা’ নামের সেই শিশুটি পরবর্তীতে হয়ে উঠেন নির্যাতিত-নিপীড়িত বাঙালি জাতির মুক্তির দিশারী। গভীর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, আত্মত্যাগ ও জনগণের প্রতি অসাধারণ মমত্ববোধের কারণেই পরিণত বয়সে হয়ে ওঠেন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু। কিশোর বয়সেই তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। গোপালগঞ্জের মিশন স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগদানের কারণে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমবারের মতো গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন। এরপর থেকে শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর আজীবন সংগ্রামী জীবনের অভিযাত্রা। বঙ্গবন্ধু তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে ১৯৪৮ সালে ছাত্রলীগ এবং পরবর্তীতে ১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগ গঠন করেন। ১৯৪৭-এ দেশ বিভাগ ও স্বাধীনতা আন্দোলন, ’৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান পেরিয়ে ’৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিণত হন। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের প্রতিটি অধ্যায়ে বঙ্গবন্ধুর নাম চির ভাস্বর হয়ে আছে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এর আগে ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স মাঠে এক ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতার ডাক দেন বাঙালি জাতির প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু নির্দেশনায় দীর্ঘ ৯ মাস সংগ্রামের পর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরে হাল ধরেন তিনি। শুরু করেন অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য নতুন সংগ্রাম। যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ তাঁর নেতৃত্বে যখন মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করল, ঠিক সেই সময় দেশের ইতিহাসে নেমে এলো এক অমানিশার অন্ধকার। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালোরাত্রিতে বিশ্বাসঘাতকদের তপ্ত বুলেটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন।


জনপ্রিয় অনলাইন : নিউ জিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে হামলার কয়েক ঘণ্টা পর লন্ডনেও এক মুসলিমের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।পূর্ব লন্ডনের একটি মসজিদের বাইরে হাতুড়ি ও ব্যাটেন নিয়ে এক মুসলিমের ওপর চড়াও হন অজ্ঞাত কয়েক ব্যক্তি। শনিবার বিট্রেনের দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানিয়েছে, পূর্ব লন্ডনের একটি মসজিদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় চিৎকার করে ইসলামবিরোধী কথাবার্তা বলছিল তিন ব্যক্তি। তারা শুক্রবারের জুমার নামাজে অংশ নেয়া মুসল্লিদের সন্ত্রাসী বলে চিৎকার করছিল।
এ সময় কয়েকজন ওই গাড়িটি ধাওয়া করলে তারা এক ব্যক্তির ওপর হাতুড়ি নিয়ে হামলা চালায়। এতে ২৭ বছরের এক যুবক মাথায় আঘাত পেয়েছেন।

লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র জানিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এর আগে দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই হামলাকারীরা শ্বেতাঙ্গ এবং তাদের বয়স ২০ থেকে ৩০ -এর মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তবে কি কারণে ওই হামলা চালানো হয়েছে তা  নিশ্চিত নয়। নিউ জিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের আল নুর মসজিদে স্থানীয় সময় বেলা দেড়টার দিকে জুমার নামাজের সময় স্বয়ংক্রিয় রাইফেল নিয়ে হামলা চালান টারান্ট নামে অস্ট্রেলিয়ার এক যুবক। এতে অল্পের জন্য বেঁচে যান বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যরা। কাছাকাছি লিনউড মসজিদে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালানো হয়।
দুই মসজিদে হামলায় নিহত হয় ৪৯ জন। এর মধ্যে আল নুর মসজিদে ৪১ জন ও লিনউড মসজিদে সাতজন নিহত হন। আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন ৪০ জন। নিহতদের মধ্যে তিন বাংলাদেশিও রয়েছেন।
নিউ জিল্যান্ডে ওই হামলার পর শুক্রবার ব্রিটেনে মসজিদগুলোর বাইরে সতর্ক অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পুরো দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।


জনপ্রিয় অনলাইন : ইউরো ২০২০’র জন্য অন্যদের মতো প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছে স্পেন। মাল্টা ও নরওয়ের বিপক্ষে দুটি বাছাইপর্বের ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা করেছে লা রোজারা। ওই দুটি ম্যাচে লুইস এনরিকের ঘোষিত দলে ডাক পেয়েছেন অপ্রতাশিত আট ফুটবলার।
আসন্ন দুটি বাছাইপর্বের ম্যাচে দলে নেওয়া হয়নি রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ফুটবলার ইস্কোকে। তবে গুরুত্বপূর্ণ এ টুর্নামেন্টের আগে অন্যদের যাচাই-বাছাই করে দেখতেই অনেক নতুন মুখকে দলে ডেকেছেন স্প্যানিশ কোচ।

সার্জিও গোমেজ, বের্নাত, ফ্যাবিয়ান, পেরেজো, জেসাস নাভাস, মুনিয়াইন, ক্যানালেস ও জাইমে মাতার মতো তরুণ ফুটবলাররা পুরো মৌসুমে আলো ছড়িয়েছেন। ক্লাবের পর আন্তর্জাতিক ম্যাচে তাদের পরখ করতেই স্পেন স্কোয়াডে নিয়েছেন কোচ এনরিক নেশনস লিগের চূড়ান্ত পর্যায়ে খেলবে স্পেন। মূলপর্বে ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল ও সুইজারল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলবে ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী স্পেন। এর আগে দলের তরুণদের সক্ষমতা যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বার্সেলোনার প্রাক্তন কোচ এনরিক।
অন্যদিকে দানি সেবায়োস ও মার্কো অ্যাসেনসিওর মতো খেলোয়াড়রা রিয়াল মাদ্রিদ স্কোয়াডে নিয়মিত ডাক না পেলেও স্পেন দলে রয়েছেন। এছাড়া আগের স্কোয়াড থেকে অপরিবর্তিত রয়েছেন স্পেনের তিন গোলরক্ষক।


জনপ্রিয় অনলাইন : পৃথিবীর রূপ-রস-স্বাদ-গন্ধ অনুভব করার আগেই পৃথিবী ছাড়তে হলো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক শামিমা বেগমের সদ্যোজাত সন্তান জেরাহকে।  জিহাদি উন্মত্ততায় সিরিয়ায় পাড়ি জমানোর কারণে সম্প্রতি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব হারিয়েছেন শামিমা। তার আইনজীবী গতকাল শুক্রবারই জেরাহ'র মৃত্যুর খবর দেন।
তবে তিনি নিশ্চিত কোনও সূত্র উল্লেখ করে পারেননি। তবে শনিবার সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সের একজন মুখপাত্র তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন। জেরাহ নিউমোনিয়ায় প্রাণ হারিয়েছে বলে জানা গেছে।
আইএস-এর জিহাদি উন্মাদনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যুক্তরাজ্য থেকে পালিয়ে সিরিয়ায় গিয়েছিল শামীমা। জঙ্গি বিয়ে করে জিহাদি সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য যে প্রচারণা চালিয়েছিল আইএস, শামীমা তারই বলি হয়েছিল। নেদারল্যান্ডস থেকে
 সিরিয়ায় যাওয়া এক জঙ্গিকে বিয়ে করেছিল শামীমা। দুইবার গর্ভপাতের শিকার হওয়ার পর সিরিয়ার শরণার্থী শিবিরে এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেয় সে। ১৭ ফেব্রুয়ারি শামীমার ছেলের জন্মের কথা জানানো হয়। পরে পুত্রসন্তানের নাম রাখা হয় জেরাহ। 
১৯ ফেব্রুয়ারি শামীমার নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর করে যুক্তরাজ্য সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ দেশটির পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় কমিটিকে তখনই বলেছিলেন, শামীমার নাগরিকত্ব বাতিল হলেও আইন অনুযায়ী তার সন্তান জেরাহ যুক্তরাজ্যের নাগরিক। জেরাহকে যুক্তরাজ্যে ফিরিয়ে আনা যেতে পারে। তবে ফেরা হলো না জেরার। শামীমার আইনজীবী মোহাম্মদ আকুঞ্জি শুক্রবারই বলেছিলেন, ‘আমাদের কাছে দৃঢ় কিন্তু অনিশ্চিত খবর আছে যে শামীমা বেগমের ছেলে মারা গেছে।’
এসডিএফ জেরাহর মৃত্যু নিশ্চিত করার পর যুক্তরাজ্য সরকারের একজন মুখপাত্র বিবিসিকে বলেছেন ‘করুণ আর পরিবারের জন্য গভীর বেদনাদায়ক।’ তিনি জানিয়েছেন, জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিদেশে গমন ঠেকাতে তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ জোরালো করবেন।
২০১৫ সালে আইএসে যোগ দিতে বাসা থেকে পালিয়ে সিরিয়া চলে যান শামীমা। সে সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর। সিরিয়া গিয়ে তিনি আইএস জঙ্গি ইয়াগো রিডিজককে বিয়ে করেন। আইএসের তথাকথিত খিলাফত ভেঙে পড়লে শামীমা তার সন্তানসহ সিরিয়ার আল হোল শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেন। কিন্তু শিবিরে বসবাসরত অপরাপর জঙ্গি ও তাদের স্ত্রীদের হুমকিতে তার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। আইএস নিয়ে তার ধারণার পরিবর্তন আর যুক্তরাজ্যে ফেরার আকুতি শিবিরে বসবাসকারী অন্যদের ক্ষুব্ধ করে তোলে। ধারাবাহিক হত্যার হুমকির এক পর্যায়ে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

মিরন নাজমুলঃ গত ২৭ ফেব্রুয়ারী বুধবার স্পেনের বার্সেলোনায় '৫২ বাংলা টিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের স্থানীয় একটি হলরুমে রাত ৯টায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও কেক কাটার মাধ্যমে লন্ডন থেকে প্রচারিত অনলাইনভিত্তিক এই টিভির ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
টিভি চ্যানেলটির বার্সেলোনা প্রতিনিধি মোঃ ছালাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সংবাদ পাঠিকা জিনাত শফিকের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রিদের বাংলাদেশ দূতাবাসের হেড অব চ্যান্সারি হারুন আল রাশিদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন এন কাতালোনিয়া সংগঠনের সভাপতি মাহারুল ইসলাম মিন্টু, বার্সেলোনার বাংলা স্কুলের সভাপতি আলাউদ্দিন হক নেসা, স্পেন-বাংলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আফাজ জনি, অল ইউরোপ বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও স্পেন-বাংলা প্রেসক্লাবের প্রথম সদস্য মিরন নাজমুল, মহিলা সমিতি বার্সেলোনার সভাপতি মেহেতা হক জানু, বন্ধু সুলভ মহিলা সংগঠন বার্সেলোনার সভাপতি শিউলি আক্তার।
স্পেন-বাংলা প্রেস ক্লাবের প্রচার সম্পাদক এম লায়েবুর রহমানের কোরআন তেলাওয়াতে মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে বিশেষ অতিথিবৃন্দসহ অন্যান্যের মধ্যে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা সমিতি বার্সেলোনার সভাপতি শাহ আলম স্বাধীন, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন এন কাতালোনিয়ার  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিক খান, কাতালোনীয়া যুবলীগের সভাপতি কাজী আমির হোসেন আমু,
বাংলাদেশ এসোসিয়েশন কাতালোনিয়ার সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, গোলাপগঞ্জ এসোসিয়েশনের সভাপতি সাব্বির আহমদ দুলাল, প্রবাস কথা এর স্পেন প্রতিনিধি মোঃএখলাস মিয়া, বার্সেলোনা বাংলা স্কুলের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, গোলাপগঞ্জ সমিতির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, ঢাকা জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, উপদেস্টা জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুহেল, ভয়েস অব বার্সেলোনার সভাপতি ফয়সল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক এ. আর. লিটু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শিপলু রাজ, বার্সেলোনা পুজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিমুল চৌধুরী, স্পেন-বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য জাফার হোসাইন ও সালেহ আহমদ সোহাগ, স্পেন ছাত্রলীগ সভাপতি ইসমাইল হোসাইন রায়হান, বার্সেলোনা যুবদল সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক প্রমূখ।

জাফার হোসাইনঃ সম্প্রতি একুশ উদযাপনকে কেন্দ্র করে বার্সেলোনার বিভাজন আরো প্রকট ভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে। তবে প্রথমে যে জটিল পরিস্থিতি তৈরী হয়েছিল সেখান থেকে বেরিয়ে এসে কমিউনিটির দায়িত্বশীলরা দফায় দফায় দ্বিপাক্ষিক সভা করে কোন রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই একুশ উদযাপন করেছেন। 
প্লাসা পেদ্রোতে স্থায়ী শহীদ মিনার ফলক বসানোর মুহূর্ত
এজন্য কমিউনিটির নেতৃবৃন্দসহ বাংলাদেশী কমিউনিটির সবাই ধন্যবাদ পাবার যোগ্য। গত ২০ ফেব্রুয়ারী রাতের একাধিক বৈঠকে নেতৃবৃন্দ সম্মিলিতভাবে ঐক্যমতের ভিত্তিতে এখানকার বাংলাদেশী কমিউনিটিকে বিবেধ ভুলে একটি  সংগঠনে রূপান্তরিত করার জন্য কাজ করতে সম্মতি দেন। একুশ উদযাপনের দিন তারা বক্তব্যের মাধ্যমেও ঐক্যের বিষয়টি তুলে ধরেন।
তবে এখনো স্পষ্ট হয়নি, কিভাবে বা কারা এই ঐক্যের জন্য জন্য কাজ করবেন এবং কোন প্রক্রিয়ায় এই ঐক্যের কাজ সমাধা হবে। ঐক্যের প্রশ্নে এখানকার সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা ঐক্যের প্রশ্নে খুবই ইতিবাচক ধারণা পোষন করেছেন। বার্সেলোনার সাধারণ প্রবাসী বাংলাদেশীরা মত দিয়েছেন, এমন ঐক্য হলে সমাজে সংগঠনের মাধ্যমে যারা বিশৃঙ্খলা তৈরীর চেষ্টা করে সেটা বন্ধ হবে এবং আমাদের জাতীয় অনুষ্ঠান, মসজিদ, উপাসনালয়, বাংলা স্কুল এসব প্রতিষ্ঠানগুলোতে সব বাংলাদেশীরা সম্মিলিতভাবে সহযোগিতা করবে। 
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই ঐক্যের প্রশ্নে কতোটা প্রস্তুত বার্সেলোনা? 
জানা গেছে, একুশের পরের দিন ঐক্যৈর প্রশ্নে বৈঠক হয়। কিন্তু প্রাথমিক বৈঠকে কোন সিদ্ধান্ত আসেনি। বিষয়টি হতাশার। যারা সত্যি সত্যি ঐক্যের প্রশ্নে ইতিবাচক ভূমিকা নিয়ে কাজ করতে চান, তারা এই হতাশা নিয়ে বসে থাকবেন না বলেই আমরা প্রত্যাশা করি।
অস্থায়ী শহীদ মিনার-বার্সেলোনা, ২১শে ফেব্রুয়ারী ২০১৯
তবে ঐক্যের জন্য কারা কাজ করবেন এবং কিভাবে করবেন –এমন একটি দিক নির্দেশনামূলক তালিকা প্রস্তুত করা জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা না করা হলে কমিউনিটিকে এক করার প্রশ্নে যেসব নেতৃবৃন্দ ওয়াদাবদ্ধ হয়েছেন তাদের কথা শুধু কথাই থেকে যাবে। 

আর এভাবে চলতে থাকলে, সামনের আবার কোন জাতীয় অনুষ্ঠানে নতুন ইস্যুতে কমিউনিটিতে বিভাজন সৃষ্টি হবে। যেটা আর হতে দেয়া অবশ্যই উচিত না। আর এই বাস্তবতা সামনে রেখে ঐক্যের প্রশ্নে বার্সেলোনার বাংলাদেশী কমিউনিটিকে প্রস্তুত করা এখন সময়ের দাবি।

মিরন নাজমুলঃ বার্সেলোনায় বাংলাদেশী কমিউনিটির একুশ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক কামরুল মোহাম্মদ দুবৃত্তকারীদের হামলার শিকার হয়েছেন। আজ ১৮ ফেব্রুয়ারী ভোর রাতে আনুমানিক আড়াইটার দিকে বাংলাদেশীদের ১০/১২ জনের একটি দল একুশ উদযাপনের বিষয়ে হুমকিধামকি দিয়ে কলার ধরে টানাহেচড়া করে ধাক্কা দিলে তিনি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ডান হাত ভেঙ্গে যায় এবং শরীরে বিভিন্ন অংশে আঘাত পেয়ে আহত হন। পরে এম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতাল নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মোহাম্মদ কামরুল একুশ উদযাপনের প্রস্তুতি সংক্রান্ত আলোচনা সভা করে রাতে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় ১০/১২ জনের বাংলাদেশী একটি দল তার পথ রোধ করে এবং তারা সাথে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করে। কামরুলকে চ্যালেঞ্জ করে এবং বলতে থাকে তারা এই একুশ উদযাপন পরিষদ মানে না। তিনি কেন উদযাপন পরিষদের সভা ডেকেছেন --সেই বিষয়ে কৈফিয়ত চান। এ সময় দুবৃত্তরা তার হাতে থাকা একুশ উদযাপন পরিষদের প্রস্তুতি সভার সিদ্ধান্ত ও সভার রেজুলেশন খাতা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরিস্থিতির প্রতিকূলতা বিবেচনা করে মোহাম্মদ কামরুল এই সময় তাদের দু'একজনকে জড়িয়ে ধরে এবং হাত জোড় করে তাকে অপদস্ত করা থেকে মুক্তি দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি যে মস্তিষ্কের স্নায়ুগঠিত রোগে অসুস্থ জীবন যাপন করছেন সেটাও অবগত করেন। কিন্তু দুবৃত্তকারীরা তার প্রতি সহনশীল না হয়ে তার উপর চড়াও হয়ে তাকে আহত করে। 
আজ সকালে এই ঘটনা জানাজানি হলে বার্সেলোনায় বাংলাদেশী কমিউটিতে এ হামলার প্রতিবাদে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকে ক্ষোভে ফেঁটে পড়ে হামলার প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়। মোহাম্মদ কামরুলের উপর এই হামলার প্রতিবাদে আজ সন্ধ্যায় কমিউনিটির সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে বার্সেলোনায় প্রতিবাদ সভা ডাকা হয়েছে। 
এ ব্যপারে কামরুল মোহাম্মদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, গত ৩ ফেব্রুয়ারী বার্সেলোনার সকল সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত সভায় আমাকে একুশে মেলা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক করা হয়েছে। আমি অসুস্থ্য শরীর নিয়ে একুশ উদযাপনের সিংহভাগ কাজ সম্পন্ন করেছি। স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দেবার জন্য বার্সেলোনা পৌরসভার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মেইল করেছি এবং তারা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। প্রস্তুতির ঠিক এই চূড়ান্ত পর্যায়ে আমি যেভাবে দুবৃত্তদের লাঞ্ছনার শিকার হয়েছি এতে আমি চরম হতাশ। তিনি আক্ষেপ ও কান্না জড়ানো কণ্ঠে বলেন, আমি চাইনি তারপরও সব সংগঠন জোর করে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে বলেই আমি দায়িত্ব নিয়েছি। কিন্তু এখন মনে হয়, ভালো কাজে এগিয়ে আসাটাই আমার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি এই জটিল স্নায়ুরোগে অসুস্থ্য মানুষ হিসেবে তাদের দ্বারা যেভাবে মানসিক ও শারীরিকভাবে অপধস্ত হয়েছি। সেটা আমার জন্য মৃত্যুর কারণও হতে পারতো। আমার সেরকমই মনে হয়েছিল সে সময়।
উল্লেখ্য, কামরুল মোহাম্মদ বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য একজন নিঃস্বার্থ সমাজসেবক বলে বহুল পরিচিত। এই হামলার যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

লায়েবুরঃ ‘বাংলাদেশ গ্রীণ ক্রিসেন্ট সোসাইটি’ বার্সেলোনা শাখা গঠন করা হয়েছে। গত  ২৯ জানুয়ারি বার্সেলোনায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কানিজ রাহনুমা রব্বানী ভাষার উপস্থিতিতে কমিটি  গঠন করা হয়। বার্সেলোনায় সংগঠনটির দায়িত্ব পেয়েছেন সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনকি সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ যথাক্রমে সোবহান মিয়া, সালেহ আহমদ সোহাগ,  হোসেন সৈয়দ জুয়েল ও এম লায়েবুর রহমান।




স্থানীয় একটি মিলনায়তনে আয়োজিত কমিটি গঠন আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন সুনামগঞ্জ কুলতুরাল অ্যাসোসিয়েশন এন কাতালোনিয়ার সভাপতি মনোয়ার পাশা। স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবের সদস্য মো: ছালাহ উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে উপস্থিতিদের অংশগ্রহণে ভোটের মাধ্যমে সভাপতি হিসেবে সোবহান মিয়া, সাধারন সম্পাদক ছালেহ আহমদ সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল আহমদ ও কোষাধ্যক্ষ এম লায়েবুর রহমান নির্বাচিত হোন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব খন্দকার মোদাচ্ছির বিন আলী, বার্সেলোনা বাংলা স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন হক, কাতালোনিয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি শাহ আলম স্বাধীন, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ইন বার্সেলোনার আহ্বায়ক কামরুজ্জামান কামরুল, ঢাকা জেলা সমিতির উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম, মনিরুজ্জামান সোহেল, কমিউনিটি নেতা নজরুল ইসলাম আবির, আব্দুস সালাম, নজরুল ইসলাম, আলতাফ হোসেন, মহিলা সংগঠনের খাদিজা আক্তার, ভয়েজ অব বার্সেলোনার সভাপতি ফয়সল আহমদ প্রমূখ।

লায়েবুর খানঃ "ইন্টেলিজেন্ট কানেক্টিভিটি" প্রতিপাদ্য নিয়ে এবারের মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস ২০১৯ আয়োজন করেছে মোবাইল টেলিযোগাযোগ শিল্পের বৈশ্বিক সংগঠন জিএসএমএ। ২০০৬ থেকে টানা ২০১৯ পর্যন্ত এ মেলা আউওজন করছে জিএসএমএ। 



এবারে আয়োজক সংগঠন "ব্রিজ" নামের একটি সেবা চালু করেছে, যে পদ্ধতির মাধ্যমে কোন রকম ব্যাজ পদর্শন ছাড়াই আই কন্টাক্টের মাধ্যমে দর্শনার্থী মেলায় প্রবেশ করতে পারবে। অবশ্য এ এক্টিভ করতে হলে রেজিশট্রেশনের সময় করে নেয়া ভাল, না হলে পরবর্তিতেও করা যেতে পারে।

ফিরা গ্রানভিয়াতে মেলা ২৫শে ফেব্রুয়ারী শুরু হয়ে চলবে ২৮শে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত।বিশ্বের বড় বড় মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে। বার্সেলোনা শহরের ফিরা গ্রান ভিয়া ও ফিরা মনজুয়িকে সম্মেলনের জন্য ৯৪ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিভিন্ন দেশের  নামি দামী ২৪শ মোবাইল  প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পৃথক প্যাভিলিয়ন ও কংগ্রেসের অন্যান্য ইভেন্টে পরিচালনার স্থান নির্ধারিত থাকবে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ১০৭০০০ এক্সপার্ট থাকবেন যারা পরিদর্শকদের সার্বক্ষনিক তথ্যসেবা প্রদান করবেন।



Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget