Latest Post

মিরন নাজমুলঃ স্পেনের বার্সেলোনায় স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করার জন্য সিটি করপোরেশন স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবকে আশ্বাস প্রদান করেছে। আজ ১৭ জুলাই (বুধবার) স্পেন বাংলা প্রেসক্লাব বার্সেলোনা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে মত বিনিময় সভা করেছে। সভায় সিটি কাউন্সিলর নাতালিয়া মারটিনেস রোদ্রিগেজ ও কাউন্সিলর জরদি রাবাসসাসহ সিটি করপোরেশনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আফাজ জনি, সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান হোসেন ও সভার সমন্বয়ক কামরুল মোহাম্মদসহ অন্যান্য নেতৃবন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সিটি করপোরেশনকে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মানের জন্য আনুষ্ঠানিত আবেদন পত্র পেশ করা হয়। 
গত দুই সপ্তাহ ধরে মহান একুশ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ইতিহাসে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংশ্লিষ্টতা এবং বাংলাদেশে একুশ উদযাপনের জন্যে শহীদ মিনারের গুরুত্ব বোঝানোর জন্য সমন্বয়ক কামরুল মোহাম্মদ ও স্পেন বাংলা প্রেসক্লাব বিভিন্ন নথিপত্র ও তথ্য উপাত্ত প্রস্তুত করেন। এর মধ্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ছিলো প্রবাসী সাংবাদিক মিরন নাজমুলের তৈরী করা বিশেষ ভিডিও চিত্র। ভিডিও চিত্রে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও প্রভাত ফেরী অনুষ্ঠানে প্রস্তুতিসহ একুশ সংক্রান্ত বিষয়ের সাথে নেপথ্যে ছিলো স্প্যানিশ ভাষায় গাওয়া ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী’ গানটির প্রথম অন্তরা। স্প্যানিশ ভাষায় একুশের গান শুনে সিটি করপোরেশনে কর্মকর্তাবৃন্দ একুশ সংক্রান্ত পুরো প্রেজেন্টেশনের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবকে ধন্যবাদ জানান।
পরে উপস্থিত সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ আশ্বাস দেন, শহরের সিউতাদ ভেইয়াতে সিটি করপোরেশন সৌধ নির্মাণের জন্য পুনরায় অনুমতি দিলে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করা হবে। বার্সেলোনায় বাংলাদেশী কমিউনিটির ‘প্রাণের দাবি’ একটি স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশী কমিউনিটি বিভিন্নভাবে দাবি করে আসছিলো। কিন্তু বার্সেলোনা শহরের বাংলাদেশী অধ্যুষিত এই এলাকা সিউদাদ ভেইয়াতে আপাততঃ কোন ধরণের সৌধ নির্মাণের অনুমতি না থাকায় এতোদিন শহীদ মিনার প্রশ্নে সিটি করপোরেশন বিশেষ ইতিবাচক আশ্বাস দেয়নি। দাবির প্রেক্ষিতে শুধু প্লাসা পেদ্রোতে গত ২১ ফেব্রুয়ারীর আগে একটি একুশের শহীদ মিনারের ছবি ও বাংলা লেখা সম্বলিত একটি স্থায়ী প্লাকা (সিল্ড) স্থাপন করে। কর্মকর্তারা আরো জানান, সিউতাদ ভেইয়াতে ভবিষ্যতে কোন প্রকার সৌধ নির্মাণের অনুমাতি যদি নাও আসে তাহলে সিউতাদ ভেইয়ার বাইরে হলেও মহান ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার সম্মানে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করা হবে।
সিটি করপোরেশনের এই ঘোষণার মাধ্যমে বাংলাদেশী কমিউনিটি একান্ত দাবী এই স্থায়ী শহীদ মিনার তৈরী বাস্তবায়িত হবার ক্ষেত্রে হতাশার মধ্যে আশার আলো সঞ্চারিত হলো বলে মনে করছেন বার্সেলোনায় বসবাসকারী বাংলাদেশীরা। 


এম লায়েবুর রহমানঃ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কাতালোনীয়া (বার্সেলোনা) আয়োজন করে ঈদ পূনর্মিলনী ও কর্মী সভা । রোববার (৭ই জুলাই ২০১৯)  বার্সেলোনার স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে কাতালোনীয়া আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি কাজী আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান বিজয় ও সাংগঠনিক সম্পাদক ছালাহ উদ্দিন এর যৌত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাতালোনীয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি শাহ আলম স্বাধীন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্পেন আওয়ামীলীগ নেতা মুহিবুল হাসান কয়েস এবং সান্তা কলমা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি নাজমুল আলম শফি।
এছাড়াও যুবলীগের মিলনমেলায় অন্যানের মধ্যে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সান্তাকলমা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোকলেছুর রহমান নাসিম, সান্তা কলমা আওয়ামীলীগ নেতা মিজানুর রহমান, বঙ্গবন্ধু পরিষদ কাতালোনীয়ার সহ সভাপতি হানিফ শরিফ, কাতালোনীয়া স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, কাতালোনীয়া আওয়ামী যুলীগের উপদেস্টা বিশিস্ট ব্যাবসায়ী করিম উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা কামরুল মোহাম্মদ।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কাতালোনীয়া যুবলীগ নেতা জাফর হোসাইন, যুবলীগ নেতা উজ্জ্বল হাসান, কাতালোনীয়া যুবলীগের সহ সভাপতি নুরু ভুইয়া, কাতালোনীয়া যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান, কাতালোনীয়া যুলীগ নেতা রবিউল হাসান, যুবলীগ নেতা পেয়ার আলী, যুবলীগ নেতা ইদ্রিস হাওলাদার, যুবলীগ নেত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান জিনাত সুলতানা, কাতালোনীয়া যুবলীগ নেতা মুকিত হোসেন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের প্রশংসা করে বলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে একটি উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি কাতালোনীয়া যুবলীগের প্রশংসা করে বলেন বার্সেলোনায় একমাত্র সংগঠন কাতালোনীয়া যুবলীগ তারা সবসময় বাংলাদেশের জাতীয় সকল দিবস সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর আয়োজন করে থাকে। এরকম কোন সংগঠন সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশকে প্রবাসে উপস্থাপন করতে পারেনা, সে জন্য কাতালোনীয়া যুবলীগের সকল নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
কাতালোনীয়া যুবলীগের সভাপতি কাজী আমির হোসেন আমু তার বক্তব্যে বলেন যুবদের মেধা শক্তিই সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। আমরা প্রবাসে থেকে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজের কথা মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে । কারন আমাদের সরকার "জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়নের সরকার, আর এই উন্নয়নের অংশীধার আমরা প্রবাসীরাও ।আমরা প্রবাস থেকে রেমিটেন্স পাঠিয়ে দেশের উন্নয়নের চাকা শক্তিশালী করতেছি। আমাদের নেত্রীর সৎ ও সাহসীক নেতৃত্বের দেশ আজকে একটি মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে পরিণত হয়েছে এবং আজ দেশের প্রতিটা মানুষ শান্তিতে আছে। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তারা বর্তমান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজের প্রশংসা করে বক্তব্য রাখেন।
এসময় অন্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা মুক্তার আলী, যুবলীগ নেতা সাইদুর রহমান কাসেম, যুবলীগ নেতা শিহাব আহমদ, যুবলীগ নেতা সাবেল আহমদ, যুবলীগ নেতা লিমন আহমদ, যুবলীগ নেতা রাসেল আহমদ প্রমুখ।
এছাড়াও  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ পরিবারের মহিলা শিশু সহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ বিভিন্ন অংগ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।
আলোচনা সভা শেষে প্রীতিভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।


আফাজ জনি : প্রবাসে মুসলমানদের ধর্মীয় কর্মকান্ড, মসজিদ পরিচালনা এবং স্থানীয় স্প্যানিশদের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করতে বার্সেলোনার বাংলাদেশী দ্বারা পরিচালিত মসজিদ দারুল আমাল আয়োজন করে খরনাদা দে পুয়েরতাস আবিয়েরতাস (ওপেন ডে)।
কাতালোনিয়ার ইসলামিক ইউনিয়ন কমিশনের সহযোগিতায় ২৮শে জুন মসজিদ সড়ক ভিস্তালেগরে দু’ঘন্টার জন্য বন্ধকরে সড়কের উপরে বসানো হয় পিঠাপুলি থেকে সমস্থ বাংলাদেশী মুখরোচক খাবার। এ খাবারগুলো প্রতিবেশী মুসলীম, ননমুসলিম এবং আগত অতিথিদের জন্য উন্মোক্ত রাখা হয়। আগতদের খাবার পরিবেশনের পাশাপাশি মসজিদ পরিদর্শনেরও সুযোগ করেন দেন মসজিদ পরিচালনা কমিটি।

পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি মাসরুর আহমেদের পরিচালনায় এবং সভাপতি হাবিবুর রহমানের সার্বিক তত্বাবধানে  স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ, সিটি কাউন্সিল ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সরকারের ইমিগ্রেন বিষয়ক সম্পাদক কারলেস মাসিয়ান, ধর্মীয় সম্পাদক জরদি মরেরাস,  কাতালোনিয়ার ইসলামিক ইউনিয়ন কমিশনের সভাপতি মোহাম্মেদ গাইদউনি, অনারারি কাউন্সিলর রামন পেদ্রো প্রমূখ। আগত অতিথিরা ইসলাম ধর্মকে শান্তির ধর্ম আখ্যায়িত করে বার্সেলোনায় ইসলাম ধর্ম পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।


মো.ছালাহ উদ্দিন প্যারিস থেকে ফিরে : মুক্তি সংগ্রামের চেতনার ধারক ও বাহক সর্ব ইউরোপীয়ান হৃদয়ে একাত্তর ফাউন্ডেশন তাদের মৌলিক আয়োজন  ত্রৈ-মাসিক পাঠ চক্র  আনুষ্ঠানিক যাত্রা ফ্রান্সে শুরু করেছে। শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতির নগরী ফ্রান্সে এ উপলক্ষে   বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।গত ১ জুলাই প্যারিসের স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে সন্ধ্যা ৭টায়  সর্ব ইউরোপিয়ান হৃদয়ে একাত্তর ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক মো.ছালাহ উদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও   সাধারণ সম্পাদক আলিম উদ্দিন সুমন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ৫২বাংলা টিভির সম্পাদক ও কবি আনোয়ারুল ইসলাম অভি। প্রধান আলোচক ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জামিরুল ইসলাম মিয়া জামিল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স আওয়ামী লীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক আলি হোসেন (আলি)।
প্রধান অতিথি ৫২বাংলা টিভি সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম অভি বলেন, হৃদয়ে একাত্তর ফাউন্ডেশন এর সাথে জড়িতরা মূলত মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তি প্রজন্ম। বাংলাদেশের হীরন্ময় ইতিহাস মুক্তিযুদ্ধকে হৃদয়ে লালন এবং এর আদর্শিক চিন্তা, চেতনায়  দেশে -বিদেশে পাঠচক্রের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ঐতিহ্য চর্চায় কাজ করছে। বর্তমান সময়ে খুবই ইতিবাচক।
 তিনি বলেন, প্রবাসে বাংলাদেশকে আলোকিতভাবে তুলে ধরতে এবং বিশেষ করে নতুন প্রজন্মদের কাছে পজিটিভ বাংলাদেশকে তুলে ধরার প্রয়াস হতে পারে পাঠচক্রের অন্যতম কাজ। প্রবাসে বাংলাদেশকে যারা নানাভাবে উজ্জ্বল  উপস্থাপন করছেন, তাদের নিয়েও পাঠচক্র কাজ করা উচিত বলে অভিমত প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক বীর মুক্তিযুদ্ধা জামিরুল ইসলাম মিয়া জামিল বলেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা প্রজন্মদের কাজে মুক্তিযুদ্ধে ইতিহাস তুলে ধরা  জরুরী। তাহলে,  তাদেরর রুর্ট্রসকে না ভুলে তারা বাংলাদেশকে  ভালোবাসবে। প্রবাসে ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য পাঠ ও এর চর্চাই পারে  দেশক ভিন্ন জাতিসত্তার কাছে আলোকিত ভাবে প্রকাশ করা।
বীর মুক্তিযুদ্ধা জামিরুল ইসলাম মিয়া জামিল  ত্রৈ মাসিক পাঠ চক্রের জন্য তার পরিচালিত বাংলা স্কুলের  অফিস ব্যবহারের আহবান জানিয়ে বলেন, সর্ব ইউরোপীয়ান হৃদয়ে একাত্তর ফাউন্ডেশন এর যে কোন কাজে আত্নরিকভাবে সর্বাত্নক সহযোগিতা থাকবে।
ভূমিকা বক্তব্যে সর্ব ইউরোপিয়ান হৃদয়ে একাত্তর ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক মো.ছালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, পাঠ চক্রে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং চর্চার প্রতি প্রধানত গুরুত্ব দেয়া হবে। এছাড়াও প্রবাসে বিভিন্ন জাতীয় দিবসে প্রবাসে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য সংস্কৃতি তুলে ধরতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন  ফ্রান্স যুবলীগ নেতা সুমন আহমদ, ফরহাদ হোসেন , রুবেল আহমদ। ফ্রান্স আওয়ামী লীগ এর জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মাসুম আহমদ,সর্ব ইউরোপিয়ান হৃদয়ে একাত্তর ফাউন্ডেশন এর সহ সভাপত আজাদ আহমদ,ফ্রান্স ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ, নাহিয়ান আহমদ,মাসুদ আহমদ,সুমন আহমদ প্রমুখ।
বক্তাগণ সর্ব ইউরোপিয়ান হৃদয়ে একাত্তর ফাউন্ডেশন এর নীতি ও আদর্শ মেনে প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের বাংলাদেশকে  তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


মিরন নাজমুল : স্পেনের বার্সেলোনায় একমাত্র বাংলা স্কুলের সমাপনী (বার্ষিক) পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। গত ৪ ও ৫ জুলাই এই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। শিশু শ্রেণীর ইউনিটসহ প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীর মোট ৫৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যবহৃত বাংলা, ইংরেজি পাঠ্যবইসহ সামাজিক শিক্ষা, ধর্মশিক্ষা, বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য সংবলিত বাংলা স্কুল কর্তৃপক্ষের তৈরী সিলেবাস অনুসারে পাঠদানের পর এই সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

বার্ষিক পরীক্ষায় মোট ১০০ নাম্বারের পরীক্ষার মধ্যে বাংলায় ৪০ ও ইংরেজিতে ৪০ নাম্বারের পরীক্ষা এবং ২০ নাম্বারের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মৌখিক পরীক্ষায় বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্যসহ সামাজিক শিক্ষাসহ বাংলা ভাষায় কথা দক্ষতাও যাচাই করা হয়। বার্ষিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নাম্বারের ভিত্তিতে বাংলা স্কুলের শিক্ষকগণ ছাত্র-ছাত্রীদের মেধাতালিকা নির্ধারণ করে শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।

স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতি বছরের ন্যয় এবারও আগামী ২১ জুলাই বার্ষিক শিক্ষাসফর ও বনভোজন অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার প্রদান করা হবে। স্কুল কর্তৃপক্ষ উক্ত শিক্ষা সফর ও বনভোজন অনুষ্ঠানে সকল শিক্ষার্থী ও অভিবাবকদের অংশগ্রহনের মাধ্যমে বাংলা স্কুলকে উৎসাহ ও সহযোগিতা দান করার জন্য সকলের কাছে অনুরোধ জানান।


কবির আল মাহমুদ, মাদ্রিদ : সংগ্রাম ও অর্জনে গৌরবময় পথচলার ৭০ বছর, গৌরবের অভিযাত্রায় ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে স্পেনে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

রবিবার (২৩ জুন) রাতে দেশটির রাজধানী মাদ্রিদের সোনার রেস্টুরেন্টে কেককাটা, নৈশভোজ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্পেন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা এস আর আই এস রবিনের  সভাপতিত্বে ও মোঃ দুলাল সাফার সঞ্চালনায় আয়োজিত আলোচনা সভায়  বক্তব্য দেন স্পেন আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতা জাকির হোসেন, আয়ূব আলী সোহাগ, আব্দুল কাদের ঢালী,একরামুজ্জামান কিরণ, এ কে এম জহিরুল ইসলাম, সায়েম সরকার, জসিম উদ্দিন, রফিক খান, শামীম আহমদ, এম আই আমীন, জালাল হোসাইন, ফতেহ আহমদ, আনোয়ার কবির পরান, সেলিম আহমদ, হোসেন মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগ আর বাংলাদেশ’ ইতিহাসে এই ৩টি নাম অমলিন, অবিনশ্বর এবং একই সূত্রে গাঁথা। আওয়ামী লীগ মানেই দেশের স্বাধীনতা, স্বাধীন মানচিত্র, স্বাধীন পতাকা। তেমনি খেটে খাওয়া বাঙালির মুখে হাসি ফুটানোর নামও হচ্ছে আওয়ামী লীগ।
সভাপতির বক্তব্যে এস আর আই এস রবিন বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাস ও আওয়ামীলীগ এক অবিচ্ছেদ্য নাম। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন,৬৬ সালের ৬ দফা, ৬৯’র গণ অভ্যুত্থান, ৭১এর মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বাঙালি জাতির প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে আওয়ামীলীগ নেতৃত্ব দিয়েছে। আওয়ামী লীগই পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন শুরু করেছিল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও আওয়ামীলীগই জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি অল ইউরোপ আওয়ামীলীগের নব গঠিত কমিটির হাতকে শক্তিশালী করতে স্পেন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ও আহবান জানান।

পরে তরুন শিল্পী হানিফ মিয়াজী ও এম আই আমিনের কণ্ঠে দলীয় ও দেশাত্ববোধক সংগীত পরিবেশিত হয়।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget