Latest Post


জনপ্রিয় অনলাইন : সামর্থবান মুসলমানদের জন্য হজ একটি অত্যাবশ্যকীয় ইবাদত।তাছাড়া পবিত্র ঘর কাবা শরীফ স্পর্শ করার ইচ্ছে কার মনে না জাগে। প্রতিবছরই লাখ লাখ মানুষ হজ করার উদ্দেশ্যে মক্কায় যান।

যাওয়ার মাধ্যম হিসেবে সবাই বিমানকেই বেছে নেন। তবে মাঝেমধ্যে সাইকেলে মক্কা যাওয়ার খবরও শোনা যায়। তেমন তিনটি ঘটনা নিয়ে এ আয়োজন-ইন্দোনেশিয়ার এক পরিবার
বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া। দেশটি থেকে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মুসলিম হজ ও ওমরা পালনে সৌদি আরব গমন করে থাকেন। সাধারণত আকাশপথেই এই ধর্মীয় কাজটি পালন করতে যান তারা।
কিন্তু ২০১৮ সালে হাজারো দ্বীপপুঞ্জের দেশটি থেকে পাঁচ সদস্যের এক পরিবার বাইসাইকেল চালিয়ে মক্কায় যান হজ পালন করার জন্য।
এই পুণ্যের যাত্রায় ছিলেন মুসলিস আবদুল্লাহ (৪৭), তার স্ত্রীজুলিয়ান্তি হুসিন (৪৭), তাদের সন্তান মির্জা হাকিম (১৫), আহমদ জাকি হাফিজ (১১) এবং ছয় বছর বয়সী অলিভিয়া ইয়ুমনা।
তাদের দিক-নির্দেশনায় সঙ্গে ছিলেন মুসলিসের বন্ধু মোহামেদ দামাহুরি মুতালিব (৬২)।শুধু সাইকেল নয় পায়ে হেঁটেও হজ পালন করেছেন অনেকে। এরমধ্যে অন্যতম বসনিয়ার সেনাদ হাদজিক।
২০১২ সালে ৪৭ বছর বয়সী ওই বসনিয়ান নাগরিক পায়ে হেঁটে পবিত্র মক্কা নগরীতে গিয়ে পৌঁছান। এ যাত্রায় তাকে ৫ হাজার ৯০০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে পাড়ি দিতে হয়।


জনপ্রিয় অনলাইন:  দীর্ঘ ৪৮ বছর নিখোঁজের পর সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সন্ধান মিলেছে হাবিবুর রহমানের (৭৮)। ছবি: মানাউবী সিংহ, সিলেট দীর্ঘ ৪৮ বছর নিখোঁজের পর সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সন্ধান মিলেছে হাবিবুর রহমানের (৭৮)। ছবি: মানাউবী সিংহ, সিলেট ১৯৭২ সালে সিলেটের বিয়ানীবাজার থেকে চট্টগ্রামে গিয়ে ব্যবসা করার জন্য বাড়ি ছেড়েছিলেন হাবিবুর রহমান। তাঁর বয়স ছিল তখন ৩০ বছর। বিয়ানীবাজারের মাথিউরার বেজগ্রামে রেখে গিয়েছিলেন চার ছেলে ও স্ত্রী জয়গুন নেছাকে। এরপর থেকে তাঁর আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ১৯৭২ থেকে ২০২০ সাল। কেটে গেছে ৪৮ বছর। এত দিন পর ফিরে এলেন তিনি।

বাড়ি ছাড়ার সময় হাবিবুর রহমানের পরিবারের অবস্থা ভালোই ছিল। স্বামীর রেখে যাওয়া জমিজমা দিয়ে সন্তানদের মানুষ করেছেন জয়গুন নেছা। এর মধ্যে পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছু। চার ছেলেই বিয়ে করেছেন, আছে নাতি-নাতনি। স্বামীর অপেক্ষায় প্রহর গুনতে থাকা জয়গুন নেছা মারা যান ২০০০ সালে। পুরোনো বাড়ি ছেড়ে এখন তাঁর পরিবার উঠেছে বিয়ানীবাজার পৌরসভার কসবা গ্রামে। তবে দীর্ঘ চার যুগ পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বদৌলতে হাবিবুরকে তাঁর স্বজনেরা ফিরে পেয়েছেন। হাবিবুরের বয়স এখন ৭৮ বছর। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমানের চার ছেলে। তাঁরা হলেন সাহাবুদ্দিন (৬০), মাহাতাব উদ্দিন (৫৮), জালাল উদ্দিন (৫০) ও আলীম উদ্দিন (৪৮)। তাঁদের মধ্যে মাহাতাব উদ্দিন ও আলীম উদ্দিন পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্যে থাকেন। সাহাবুদ্দিনের বড় ছেলে তাহির হোসেনও স্ত্রী–সন্তান নিয়ে থাকেন যুক্তরাজ্যে। হাবিবুর রহমানের হারিয়ে যাওয়ার কথা তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানতেন। তাঁরাও বিভিন্নভাবে তাঁকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে হাবিবুর রহমানের নাতি তাহির হোসেনের স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক বৃদ্ধের ভিডিও দেখতে পান। বিষয়টি তিনি স্বামীকে জানিয়ে বাংলাদেশে পরিবারের স্বজনদের ভিডিওটি কাছে পাঠান। সেই ভিডিওর সূত্র ধরে জালাল উদ্দিন গতকাল শুক্রবার সকালে চলে যান সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাবিবুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেন। জালাল উদ্দিন নিশ্চিত হন, হাবিবুর রহমানই তাঁর হারিয়ে যাওয়া বাবা। দীর্ঘদিন পর বাবাকে ফিরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন জালাল উদ্দিন।
জালাল উদ্দিন জানান, তাঁর বাবা ৪৮ বছর আগে চট্টগ্রামে যান ব্যবসা করতে। সেখানে তিনি অসুস্থ হয়ে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। এরপর থেকে হাবিবুর রহমানের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।
হাসপাতালে জালাল উদ্দিন বলেন, ‘রাজিয়া বেগমের কাছ থেকে শুনেছি, হারিয়ে যাওয়ার পর আমার বাবা মাজারে মাজারে ঘুরেছেন। দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর মৌলভীবাজারের শাহাবুদ্দিন মাজারে বসবাস করতেন। মাজরসংলগ্ন রায়েশ্রী গ্রামের বাসিন্দা রাজিয়া বেগম প্রায় ১২ বছর ধরে নিজের বাবার মতো হাবিবুর রহমানকে দেখাশোনা করেছেন। কিছুদিন ধরে কিছুটা অসুস্থ ছিলেন হাবিবুর রহমান। গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে বিছানা থেকে পড়ে ডান হাতে আঘাত পান তিনি।’
জালাল উদ্দিন বলেন, হাবিবুর রহমানকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন রাজিয়া বেগম। যাঁকে বাবা বলে ডেকেছেন, তাঁকে একা ফেলে যেতে মন মানছিল না রাজিয়া বেগমের। হাসপাতালে হাবিবুর রহমানের পাশে চিকিৎসাধীন অন্য এক রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা হয় রাজিয়া বেগমের। পরিচয়ের একপর্যায়ে তাঁদের হাবিবুর রহমানের হারিয়ে যাওয়া ঘটনা বলেন তিনি। পরে ওই রোগীর স্বজনরাই হাবিবুর রহমানের ভিডিও করে সহযোগিতার জন্য সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগযোগমাধ্যমেই আকস্মিক হারিয়ে যাওয়া বাবাকে ফিরে পেয়েছি। পরে আমরা তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট নগরের সোবহানীঘাট এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে এসেছি।’
আজ শনিবার দুপুরে দেখা গেছে, বেসরকারি ওই হাসপাতালের ষষ্ঠ তলার একটি কক্ষে চিকিৎসা চলছে হাবিবুর রহমানের। তাঁকে দেখতে কক্ষটিতে ছিল স্বজনদের ভিড়। ছেলে জালাল উদ্দিন ব্যস্ত বাবার চিকিৎসার ওষুধপথ্য সংগ্রহে। বড় ছেলে সাহাবুদ্দিনের ছেলে জামিল হোসেন ব্যস্ত স্বজনদের সামাল দিতে। শয্যাশায়ী হাবিবুর রহমানকে স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। তিনি কথা বলছেন অল্প। স্ত্রী, নিজের নাম, বাড়ির ঠিকানা বলছেন হাবিবুর রহমান। তবে বেশির ভাগ সময় ফ্যালফ্যাল করে তাকাচ্ছেন তিনি।
হাবিবুর রহমানের নাতি জামিল হোসেন বলেন, ‘দাদা আমার দাদির নাম, বাড়ির ঠিকানা এবং শ্বশুরের নাম মনে করতে পারছেন। দাদা যখন নিখোঁজ হয়েছিলেন, তখন বাবার বয়স ছিল ১২-১৩ বছর। তিনিও দাদার চেহারা দেখে নিশ্চিত হয়েছেন। ছোটবেলা থেকে গল্প শুনে এসেছি, আমাদের দাদা হারিয়ে গেছে। আজ ফিরে পেয়ে খুব ভালো লাগছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন ডান হাতের হাড় ভেঙেছে। অস্ত্রোপচারের পর বাড়ি নিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।’


জনপ্রিয় অনলাইন : আবহাওয়া পরিবর্তিত হচ্ছে। আর এই সময়েই উপদ্রব পোহাতে হয় কাশি ঠান্ডার মত ভাইরাসজনিত রোগের। যারা কর্মস্থলে যান তারা নিশ্চিন্তেও পারেন না কাশি দিতে। দ্বিধা দ্বন্দে পড়তে হয় অনেক সময়। এর থেকে মুক্তির জন্য অনেকেই জানি না সঠিক উপায়।

চলুন সহজেই কাশি নিরাময় করতে জেনে নেই কিছু পরামর্শ:-
১। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভাইরাসের কারণে এই কাশির সমস্যা হয়ে থাকে। যা সব সময় অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা করা যায় না। বরং এটি নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যায়। তাই অ্যান্টিবায়োটিকের পরিবর্তে করতে পারেন মধুর ব্যবহার। এতে বারবার কাশির কারণে বুক ব্যাথাও ভাল হবে। ভাল ফলাফলের জন্য ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম দুধের সাথে ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন।
২। গরম পানিতে সামান্য মধু, লেবুর রস আর আদার রসের মিশ্রণ  মিশিয়ে সেবন করুন ফল পাবেন।
৩। কাফ ক্যান্ডি খেয়ে দেখতে পারেন। কারণ, ক্যান্ডি কফ নরম করতে সাহায্য করে এবং কাশি কমায়।
৪। কাশি কমাতে করতে পারেন হলুদের ব্যবহার। এক গ্লাস গরম দুধে আধা চা চামচ হলুদের গুড়া ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। দ্রুত কাশি কমাতে এটি সাহায্য করে।
৫। ধুমপানের অভ্যাস থাকলে ছেড়ে দিন। তামাক কাশিকে আরো শক্তিশালী করে।
৬। এক গ্লাস পানিতে ১ চা চামচ গোলমরিচের গুঁড়া এবং ১ টেবিল চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। হালকা কুসুম পানি ব্যবহার করতে পারেন। এই পানীয় দিনে দুই বার ব্যবহার করলে তাড়াতাড়ি কাশি সেরে যাবে।
৭। লবণ পানি গারগিল করার ফলে গলা অনেক পরিষ্কার এবং আরামদায়ক হয়। এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ লবণ দিয়ে গরম করে নিন। যতক্ষণ না লবণ পানির সাথে একবারে মিশে যায়। এরপর হালকা গরম পানি মুখে নিয়ে ১৫ সেকেন্ড ভালভাবে গড়গড়া করতে থাকুন। দিনে ৩ বার এটা করতে পারেন। ঘুমানোর আগে করলে কাশির কারণে ঘুমের সমস্যা থেকে আরাম পাওয়া যায়।


জনপ্রিয় অনলাইন : মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের প্রয়াণ দিবস আজ। তার অভিনয় বাংলা সিনেমায় যোগ করেছে অনন্য এক মাত্রা। রূপ, লাবণ্য, আকর্ষণীয় শারীরিক গড়ন এবং অনন্য অভিনয়ের জাদুতে তিনি মুগ্ধতা ছড়িয়েছিলেন কোটি মানুষের হৃদয়ে। সুচিত্রা সেনের প্রকৃত নাম রমা দাশগুপ্ত। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল বাংলাদেশের বৃহত্তর পাবনার সিরাজগঞ্জ মহকুমার ভাঙাবাড়ি গ্রামে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পাবনা শহরের বাড়িতে কেটেছে তার শৈশব-কৈশোর।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের আগে পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় চলে যান তিনি। ১৯৫২ সালে ‘শেষ কোথায়’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্র যাত্রা শুরু হয় এই কিংবদন্তি অভিনেত্রীর। ‘শেষ কোথায়’ তার প্রথম সিনেমা হলেও মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম বাংলা সিনেমা ‘সাত নম্বর কয়েদি’। আর প্রথম হিন্দি সিনেমা ‘দেবদাস’ মুক্তি পায় ১৯৫৫ সালে। সব মিলিয়ে ৬০টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। এর মধ্যে বাংলা ভাষার সিনেমা ৫৩টি এবং হিন্দি ভাষার সিনেমা ৭টি।
১৯৫৪ সালে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ও ‘অগ্নিপরীক্ষা’ সিনেমা দুটি সুচিত্রাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যায়। রূপালি পর্দায় সুচিত্রা সেনের নায়ক হিসেবে অভিনয় করে সবচেয়ে বেশি সফল হয়েছেন মহানায়ক উত্তম কুমার। উত্তম-সুচিত্রার ৩০টি বাংলা সিনেমা সাফল্য পায়। এর মধ্যে ‘অগ্নিপরীক্ষা’, ‘সবার উপরে’, ‘পাপমোচন’, ‘শিল্পী’, ‘সাগরিকা’, ‘পথে হল দেরি’, ‘হারানো সুর’, ‘গৃহদাহ’, ‘প্রিয় বান্ধবী’ ইত্যাদি সিনেমা উল্লেখযোগ্য। ১৯৬৩ সালে মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘সাত পাকে বাঁধা’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান। ১৯৭২ সালে পান ভারতের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’। এছাড়া ২০১২ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাকে বাংলাবিভূষণ সম্মাননা প্রদান করেন। সুচিত্রা সেন ছিলেন অভিমানী।

কোনো এক অজানা কারণে প্রায় ৩৬ বছর ছিলেন লোকচক্ষুর অন্তরালে। কলকাতায় একাকী থাকতেন বালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে। স্বেচ্ছায় নির্বাসনে গিয়ে রহস্যময়ী ছিলেন আমৃত্যু। ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৮২ বছর বয়সে কলকাতার বেল ভিউ হাসপাতালে মারা যান তিনি। তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) সারা দিনব্যাপী পাবনা জেলা প্রশাসনসহ স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছে। সকালে মহানায়িকার পৈত্রিক বাড়িতে আয়োজন করা হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। এছাড়া বিকেলে সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা চত্বরে প্রদর্শিত হবে তার অভিনীত বাংলা সিনেমা।


জনপ্রিয় অনলাইন : সন্তান জন্ম দিলেই বাবা-মা পাবেন সাড়ে ছয় লাখ টাকা আর্থিক পুরস্কার। এমনটাই ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্বের ক্ষমতাধর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

দেশের জন্মহার কমে যাওয়াকে ভবিষ্যতের জন্য ‘প্রত্যক্ষ হুমকি’ বলে আখ্যা দিয়ে গত বুধবার (১৫ জানুয়ারি) টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে পুতিন বলেন, ‘জনসংখ্যার বৃদ্ধি স্থিতিশীল রাখা আমাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব।’
সন্তান জন্ম দেয়া নতুন মা-বাবার জন্য আর্থিক প্রণোদনারও অঙ্গীকার করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। ফলে প্রথম সন্তান জন্ম দিলে মা-বাবারা এককালীন ৭৬০০ মার্কিন ডলার পাবেন। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে ছয় লাখ টাকা।
এর আগে ২০০৭ সাল থেকে দ্বিতীয় সন্তান জন্মদানের জন্য মা-বাবাকে এই পরিমাণ টাকা দেয়া হচ্ছে। পুতিন জানান, অন্তত ২০২৬ সাল পর্যন্ত এই প্রণোদনা দেয়া হবে।
রাশিয়ায় এখন যে প্রজন্ম সন্তান জন্ম দিচ্ছে, তাদের নিজেদের জন্ম হয়েছিল গত শতকের নব্বইয়ের দশকে। ঐ সময় আর্থিক মন্দার কারণে জন্মহার অনেকখানি কমে গিয়েছিল। তার প্রভাব এখন আবার পড়ছে।
এছাড়া শিশু সন্তান আছে এমন দরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন পুতিন। বর্তমানে শিশুর তিন বছর বয়স পর্যন্ত টাকা পেয়ে থাকেন মা-বাবা। নতুন পরিকল্পনায় শিশুর সাত বছর হওয়া পর্যন্ত অর্থ সহায়তা পাবেন তারা।


জনপ্রিয় অনলাইন : ‘পাখির ডানা বয়ে আনুক শুভ্র সকাল বয়ে যাক জরা, গ্লানি, এসো সঙ্গী হই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে শুরু হয় ১১তম সম্মেলন ও কাউন্সিল বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন সাভার থানা সংসদের ১১তম কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন ইসহাক হোসেন সাগর, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন খালিদ রাব্বি রেদোয়ান।
শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) সাভারের কলমার জিটিএফসি স্কুলে অনুষ্ঠিত কাউন্সিল অধিবেশনের মধ্য দিয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়।

১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যরা হলেন, সহ-সভাপতি সুমন আহমেদ রিয়ান, সহকারি সাধারণ সম্পাদক আকাশ রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, কোষাধ্যক্ষ আরমান মেহেদী, দপ্তর সম্পাদক লিমন, শিক্ষা গবেষণা ও প্রচার প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল বাকী, স্কুল ছাত্র ও বিজ্ঞান প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মাঈশা, ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক জিহাদ গাজী। কমিটিতে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সাইফুল ইসলাম শাওন, বাবলু ইসলাম অর্ণব ও মমিন।
নবনির্বাচিত কমিটি আগামী এক বছর দায়িত্ব পালন করবে।
এর আগে “পাখির ডানা বয়ে আনুক শুভ্র সকাল বয়ে যাক জরা, গ্লানি, এসো সঙ্গী হই” এই স্লোগানকে সামনে রেখে শুরু হয় ১১তম সম্মেলন ও কাউন্সিল।
সকালে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি দীপক শীল, ঢাকা জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি আরিফুল ইসলাম সাব্বির, সাধারণ সম্পাদক ফাহিম পবন ও জেলা-উপজেলার নেতা-কর্মীরা।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget