বার্সেলোনা, স্পেন | সোমবার , ৩ মে ২০২১ | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. #টপ৯
  2. #লিড
  3. অপরাধ
  4. অভিবাসন
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা
  8. ইউরোপ
  9. ইসলাম ও ধর্ম
  10. এশিয়া
  11. কমিউনিটি
  12. ক্যাম্পাস
  13. খেলাধুলা
  14. গণমাধ্যম
  15. জাতীয়

২ মাসের বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস বিল মওকুফ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন

প্রতিবেদক
jonoprio24
মে ৩, ২০২১ ৪:৪০ অপরাহ্ণ

করোনা নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী চলছে সরকার ঘোষিত লকডাউন। এমতাবস্থায় রোজগার বন্ধ থাকায় সরকারের নির্বাহী আদেশে দুই মাসের বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস বিল মওকুফ চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।

সোমবার (৩ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এসএম জুলফিকার আলী জুনু জনস্বার্থে এ আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী আপনি দেশের মানুষের অভিভাবক ও নির্বাহী প্রধান। দেশে বর্তমানে করোনার সংক্রমণ ও মহামারিতে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে ও অসংখ্য মানুষ মারা যাচ্ছেন। জনগণকে করোনার সংক্রমণ ও মহামারি থেকে রক্ষায় আপনি ও আপনার সরকার জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় সারাদেশে গত ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১৮ দফা স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত দিক নির্দেশনাও দিয়েছে।

আবেদন পত্রে আরো বলা হয়, দেশে লকডাউন চলছে। মৃত্যুহার ও করোনায় আক্রান্তের হারও কিছুটা কমে এসেছে। দীর্ঘ লকডাউনে মধ্যবিত্ত ও নিন্নবিত্ত মানুষের আয় রোজগার প্রায় শূন্যের কোটায় চলে এসেছে। এর মধ্যে চলছে পবিত্র রমজান মাস, সামনে ঈদ। পরিবার পরিজন ও সন্তানদের নিয়ে জীবিকা নির্বাহে মানুষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আয় রোজগার না থাকায় নির্দিষ্ট সময়ে বাসা ভাড়া দিতে না পারায় সমাজের অনেক সম্মানিত পেশার শিক্ষিত লোকজনদের অপমানিত হতে হচ্ছে। লকডাউনে আয় রোজগার না থাকায় দেশের অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত লোকজন যথাসময়ে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির বিলের টাকা নিয়মিত পরিশোধ করতে না পারায় সংযোগ বিচ্ছিন্নের আশঙ্কায় রয়েছেন।

এতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী আপনার একটি নির্বাহী আদেশে দেশের মানুষ কিছুটা শান্তিতে থাকতে পারে। তাই করোনার মহামারি ও দীর্ঘ লকডাউনের বিষয় বিবেচনা করে জনস্বার্থ ও জনদুর্ভোগ বিবেচনায় বেসরকারি পর্যায়ের দুই মাসের পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল মওকুফ করে দেওয়ার নির্বাহী নির্দেশনা জারি করতে আপনার মহানুভবতা কামনা করছি।

সর্বশেষ - অভিবাসন