2019-12-22

জনপ্রিয় অনলাইন : মরক্কো থেকে গত ২৬ নভেম্বর স্পেনে প্রবেশ করতে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত ১ জন বাংলাদেশির লাশ শনাক্ত করা হয়েছে। স্পেনের সমুদ্র উপকূলবর্তী শহর ম্যালিয়ার একটি হাসপাতালে সংরক্ষিত লাশ বাংলাদেশি মো. আমির হোসেন জুনায়েদের। স্পেনে বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ২৬ নভেম্বরের নৌকাডুবিতে ৭ জন অভিবাসন প্রত্যাশী বাংলাদেশি নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছে মুমূর্ষু অবস্থায়- এমন একটি ছবি স্পেনের জাতীয় দৈনিক ’এল পাইস’ সহ কয়েকটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ছবিটি দেখে মো. আমির হোসেন জুনায়েদকে চিনতে পারেন তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজন। তাদের পক্ষ থেকে স্পেনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে জুনায়েদের ডকুমেন্ট পাঠিয়ে যোগাযোগ করা হয়।
এছাড়াও নিখোঁজ বাংলাদেশিদের পরিবার ও আত্মীয় স্বজনরাও যোগাযোগ করেন বাংলাদেশ দূতাবাসে। বাংলাদেশ দূতাবাসের তরফ থেকে  ম্যালিয়া হাসপাতালে যোগাযোগ করার পর গত ১৯ ডিসেম্বর মিনিস্টার ও মিশন উপপ্রধান এম হারুণ আল রাশিদ লাশ শনাক্তের জন্য ম্যালিয়ায় গিয়েছেন।
তিনি জানান, ম্যালিয়া হাসপাতালে তিন জনের লাশ সংরক্ষিত আছে। এরমধ্যে একজনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে তিনি বাংলাদেশের জুনায়েদ। বাকি দুই জনের মৃতদেহের মধ্যে একজন আফ্রিকান এবং অপরজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা ভেবেছিলাম বাংলাদেশি। দুই একটা পাসপোর্টের ছবির সাথে মিলেও গেছে। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে আনা পাসপোর্টের ফিঙ্গারপ্রিন্টের সাথে মিলেনি। নিয়ম হচ্ছে, চেহারা মিললেও ফিঙ্গারপ্রিন্ট কিংবা ডিএনএ টেস্ট করার পর যদি না মিলে, তবে লাশ দাবি করা যাবে না।
এম হারুণ আল রাশিদ আরো বলেন, নিখোঁজদের ডকুমেন্ট নিয়ে ম্যালিয়া ক্যাম্পের কর্তৃপক্ষের সহায়তায় সেখানে অবস্থানরত ৪১ জন বাংলাদেশির সাথেও আমি দেখা করেছি। সেখানেও নিখোঁজদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, যদি কেউ নিখোঁজ থাকেন এবং তাদের পরিবার থেকে আমাদের পাসপোর্ট তথ্য প্রদান করা হয়; তবে আমরা সেই পাসপোর্ট তৈরীর সময় তার প্রদত্ত ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করে হাসপাতালে সংরক্ষিত ওই লাশ (ধারণা-বাংলাদেশি) শনাক্তকরণে চেষ্টা করবো।
শনাক্তকৃত নিহত জুনায়েদের লাশ দ্রুত বাংলাদেশে প্রেরণের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে মিশন উপপ্রধান জানান। তিনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে দ্রুত লাশ প্রেরণে প্রয়োজনীয় যাবতীয় ব্যবস্থাই আমরা করবো। তবে এখানে (স্পেনে) প্রশাসনিক কিছু নিয়ম কানুন আছে। সেগুলো পূরণ করতেও কিছুটা সময় লাগবে।
মৃত জুনায়েদের বাড়ি সুনামগঞ্জ সদরের ইব্রাহিমপুর গ্রামে। তার পিতার নাম আলাউদ্দিন।
বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ২৬ নভেম্বর ভূমধ্যসাগরে ডুবে যাওয়া নৌকায় ৭৯ জন অভিবাসন প্রত্যাশী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১৮ জন বাংলাদেশি ছিলেন। এরমধ্যে ১১ জন বাংলাদেশিকে উদ্ধার করার পর ম্যালিয়া ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। বাকি ৭ জন বাংলাদেশির মধ্যে এক জন বাংলাদেশির লাশ ম্যালিয়া হাসপাতালে শনাক্ত করা হয়েছে। বাকি ৬ জনের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। শনাক্তকৃত লাশসহ নিখোঁজ ৭ জনের মধ্যে মোট পাঁচ জন বাংলাদেশির পরিচয় জানা গেছে। পরিবার ও বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এ পাঁচজনেরই বাড়ি সিলেট বিভাগের বিভিন্ন থানায়।  সুনামগঞ্জ সদরের ইব্রাহিমপুর গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে মো. আমির হোসেন জুনায়েদ ( লাশ শনাক্ত করা হয়েছে),  বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের পেছিখুমরা গ্রামের আশিক মিয়ার ছেলে অবু আশরাফ (নিখোঁজ), বড়লেখা উপজেলার সুড়িকান্দি গ্রামের আফতাব উদ্দিনের ছেলে জাকির হোসেন (নিখোঁজ)  ও একই উপজেলার পকুয়া গ্রামের জালাল উদ্দীন (নিখোঁজ) এবং সিলেটের দক্ষিণ সুরমার শাহীন আহমেদ (নিখোঁজ)।
নিহত ও নিখোঁজদের পারিবারিক সূত্রে আরো জানা গেছে, প্রায় এক বছর দুই মাস আগে স্পেনে যাওয়ার উদ্দেশে এক দালালের মাধ্যমে প্রথমে তারা আলজেরিয়ায় যান। সেখান থেকে ২০ দিন আগে আফ্রিকার মরক্কোয় পৌঁছান। পরে কয়েক দফায় দালালরা তাদের স্পেনে পাঠানোর চেষ্টা করে  ব্যর্থ হয়। সর্বশেষ গত ২৫ নভেম্বর দালালদের সহায়তায় মরক্কোর নাদুর এলাকা থেকে নৌকায় সাগরপথে বাংলাদেশি ১৮ জনসহ মোট ৭৯ জন স্পেনের ম্যালিয়্যার উদ্দেশে যাত্রা করেন। ২৬ নভেম্বর স্পেনের উপকূলবর্তী শহর ম্যালিয়ার নিকটে নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাডুবির পর স্পেনের উদ্ধারকর্মীরা চার জনের মৃতদেহ ও ৫৫ জন আহত অভিবাসন প্রত্যাশীকে উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে অন্তত তিন জনের অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক। স্পেনের জাতীয় পত্রিকা ’এল পাইস’ সূত্রে জানা যায়, নৌকা ডুবির ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিখোঁজ রয়েছে।
একাধিক সূত্র এবং মৃত ও নিখোঁজদের পরিবার থেকে আরও জানা যায়, ইউরোপে যাবার আশায় দালালদের সঙ্গে ১৫ লাখ টাকার চুক্তি হয়। টাকার বড় অংশও পরিশোধ করা হয়।


সুত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন ।

কবির আল মাহমুদ, মাদ্রিদ : নরসিংদী ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সিনিয়র সহ-সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী খলিলুর রহমানের মা মরহুমা মোছাম্মৎ শহিনা বেগমের মৃত্যুতে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সময় (২১ ডিসেম্বর ) শনিবার রাতে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের বাংলা টাউন রেস্তোরাঁয় স্পেনে বসবাসরত নরসিংদী কর্তৃক ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এই আলোচনা ও দোয়ার অনুষ্ঠিত হয়।
নরসিংদী ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি ও বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ইন স্পেনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলামীন মিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত শোকসভায় বিভিন্ন শ্রেণী পেশা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ মাদ্রিদে বসবাসরত প্রবাসী নরসিংদীবাসীরা উপস্থিত ছিলেন। নরসিংদী ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর মিলনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শোক সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আবদুস সাত্তার। বিশেষ অতিথি ছিলেন গ্রেটার ঢাকা অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের সভাপতি এম এইচ সোহেল ভূঁইয়া, ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ শাহ আলম, আল হুদ জামে মসজিদের খতিব নূরুল আলম, মানবাধিকার সংগঠন ভালিয়ান্তে বাংলার সভাপতি মোঃ ফজলে এলাহী, আঞ্জুমানে আল ইসলাহ স্পেনের সভাপতি মাওঃ আসাদুজ্জামান রাজ্জাক, স্পেন আওয়ামী লীগ নেতা সায়েম সরকার,জালাল হোসাইন, মাহবুবুর রহমান বকুল, স্পেন জাতীয় পার্টির সভাপতি আবুল হুসেন, গ্রেটার সিলেট অ্যাসোসিয়েশনের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাজু ইসলাম, সাবেক সাধারন সম্পাদক ইসলাম উদ্দিন পংকি, ফ্রান্স যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাওন আহমেদ, রাজু আহমদ, জগলু হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও নরসিংদী ওয়েলফেয়ার সোসাইটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য দেন বাদল হোসেন, এস বি রবিন, সাইদ আনোয়ার, আবুবকর সিদ্দিক, ইকবাল আহমেদ, হাবিবুর রহমান, ইয়াসমিন সিকদার, তোফাজ্জল হোসেনসহ আরও অনেকে। সভায় বক্তারা বলেন, মানুষ এ পৃথিবী থেকে চলে গেলেও তার কর্মের মাধ্যমে তিনি বেঁচে থাকেন আজীবন। প্রতিটি মানুষই তার কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকে। আমরা যদি অপরের কল্যাণে কাজ করতে পারি তবেই আমাদের জীবনের সার্থকতা।
সকলেই যদি এই মহান আদর্শ ধারণ করে জীবন অতিবাহিত করে তবে সমাজের সকলেরই কল্যাণ হয়। সভাপতির বক্তব্যে আলামীন মিয়া বলেন
, মানুষের ক্ষণস্থায়ী জীবন থেমে যেতে পারে যেকোনো মুহূর্তে। কিন্তু নিজ কর্মের মাধ্যমে মানুষ বেঁচে থাকে অনন্তকাল।খলিলুর রহমানের মা মোছাম্মৎ শহিনা বেগম এমনই একজন মহিয়সী নারী ছিলেন, যাকে আজীবন মনে রাখবে নরসিংদীর খুদাদিলা অঞ্চলের মানুষ। দলমত নির্বিশেষে সবার সাথেই ছিল তার হৃদতার সম্পর্ক। তার এ শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। সবশেষে মরহুমা মোছাম্মৎ শহিনা বেগম এর রূহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ আকতার হোসেন। পরে শিরন্নি বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য, নরসিংদী ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সিনিয়র সহ-সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী খলিলুর রহমানের মা মোছাম্মৎ শহিনা বেগম (৭৫) গত মঙ্গলবার (১০ডিসেম্বর) রাত ১২:৩০ মিনিটে নরসিংদীর খুদাদিলাস্থ নিজ বাড়ীতে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি.রাজেউন)। মৃত্যুকালে তিনি পাঁচ পুত্র ও তিন কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন, গুণগ্রাহী রেখে যান।

জনপ্রিয় অনলাইন  : মৌলভীবাজার জুড়ী ইউরোপীয়ান এসোসিয়েশন এবং একতা যুব সংঘ বাহাদুরপুর এর পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবস ২০১৯ইং উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্টিত হয়।
জায়ফরনগর ইউপি মেম্বার আজন মিয়া সভাপতিত্বে একতা যুব সংঘের সভাপতি জাবেদ আহমদের পরিচালনায় এসময় প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন জায়ফরনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মাছুম রেজা,বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন বাহাদুর পুর মাদ্রাসা সুপার সাইদুল ইসলাম,জুড়ী ইউরোপীয়ান এসোসিয়েশন যুগ্ম সম্পাদক ও একতা যুব সংঘের দাতা সদস্য আব্দুল্লাহ আল তারেক,
একতা যুব সংঘের সাধারন সম্পাদক আবুল হাসান,হামিদুর সমাজকল্যাণ সংস্থার সাধারন সম্পাদক জাকারিয়া মাহমুদ,রাজু আহমদ প্রমুখ। এলাকা বাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন রেমান মিয়া, মাসুক মিয়া সফিক মাস্টার সহ অন্যানরা।



ফয়জুল হক : বাংলাদেশের ৪৯তম বিজয় দিবস উদযাপন করেছে বার্সেলোনার বাংলাদেশীদের দারা পরিচালিত একমাত্র স্কুল বার্সেলোনা বাংলা স্কুল।
 ২০শে ডিসেম্বর স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকাল ০৬ঘটিকায় বার্সেলোনা বাংলা স্কুলের হলরুমে সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান। স্কুল শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলা স্কুলের সভাপতি আলা উদ্দিন হক নেসা।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কুয়েলা পিয়া এর পরিচালক আদোয়ার্দ মাখা হীরাও,ইউনিভার্সিটি অব বার্সেলোনার প্রফেসর ডেভিড বনদিয়া গার্ছিয়া,স্কুল পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি শাহ আলম স্বাধীন,স্কুল পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা মো.আউয়াল ইসলাম । ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরে বক্তব্য দেন বাংলা স্কুলের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মো.শাহ আলম স্বাধীন।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অংশে বাংলা স্কুলের শিক্ষিকা মুন্নি শফিকের সঞ্চালনায় শুরু হয় স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান কবিতা আবৃত্তি
,নাচ,গাণ, নৃত্য,ছবি আঁকা,অভিনয় ও যেমন খুশি তেমন সাজ। অনুষ্ঠানে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলা স্কুলের উপদেষ্ঠা এম নজরুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি বনি হায়দার মান্না, স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক আফাজ জনি,সদস্য সালাউদ্দিন,সদস্য সালেহ আহমেদ,বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুহেল,বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক সুহেল খাঁন,মহিলা সমিতি বার্সেলোনার সভাপতি মেহতা হক,বন্ধু সুলভ মহিলা সংগঠনের সভাপতি শিউলি আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক খাদিজা আক্তার মনিকা,
ভয়েস অব বার্সেলোনার সভাপতি  ফয়ছল আহমেদ, বিএনপি নেতা আযমল আলী, ভয়েস অব বার্সেলোনার সাধারন সম্পাদক এ আর লিঠু, স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক লায়েবুর খাঁন, কাতালোনিয়া রাজনৈতিক দল ইআরসির সংসদ সদস্য রর্বাড মাসিহ নাহার,কমিউনিটি নেতা শফিক ইসলাম  সহ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবক বৃন্দ সহ বার্সেলোনার বিভিন্ন সামাজিক,রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া বিজয়ী ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।


জনপ্রিয় অনলাইন : আফ্রিকার দেশ বতসোয়ানায়, বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের উদ্যোগে,৪৯তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
 গত ২১শে ডিসেম্বর দেশটির রাজধানী গ্যাবরনের ওয়েসিস মোটেলে এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাব্বির আহমদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বতসোয়ানার জুয়ানেং আসনের সরকার দলীয় এমপি মিস্টার রাটিলে, গানচি আসনের এমপি মি. মুসামাই ও ফারমার মিনিষ্টার সেরেলেটসু। বক্তব্য রাখেন, ব্যাবের চেয়ারম্যান আজিজুল হাকিম, সেক্রেটারি জেনারেল লায়ন লোকমান হাকিম ,ব্যাবের সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম বাবুল, ফাউন্ডার সেক্রেটারী জেনারেল শাহজাহান সিরাজ ও সদ্য বিদায়ী ভাইস চেয়ারম্যান এমএকে আজাদ। এতে, বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত ও বাংলাদশের সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত পরচালনা করেন আলীমুল হাকিম।