2019-06-09


জনপ্রিয় অনলাইন : ফ্রান্সের পিংক নগরী খ্যাত তুলুজ শহরে রোববার বৈষাখী মেলা। প্রতিবারের ন্যায় এবারো ফ্রান্সের তুলুজ শহরে বাংলাদেশী কমিউনিটি এ্যাসোসিয়েশন তুলুজের উদ্যুগে অনুষ্টিত হবে বৈশাখী মেলা।
শহরের ৫ সিমা আউদিবেতে দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ মেলা চল্বে।তুলুজ শহরের মেয়র জন লুক মুদানক,বাংলাদেশ দুতাবাসের রাষ্ট্রদুত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন, ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী এলায়েত উল্লাহ বৈশাখী মেলায় অতিথি হিসাবে উপস্হিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশী কমিউনিটি এসোসিয়েশনের সভাপতি ফখরুল আকম সেলিম।এছাড়া অনুষ্ঠানে মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করবেন লন্ডন থেকে আগত লাবণী বড়ুয়া ও স্হানীয় শিল্পীরা।বরাবরের মত বৈশাখী এ অনুষ্ঠানে তুলুজ প্রবাসী রমনীদের হাতের তৈরী পিঠাপুলির আসর বসবে এই মেলায়।অনুষ্ঠানের পূর্বমুহুর্তে প্রবাসী লেখক কাজী এনায়েত উল্লাহ বিশ্ব প্রবাস বইয়ের মোড়ক উম্মোচন করা হবে তুলুজে।সংগঠনের সভাপতি ফখরুল আকম সেলিম আরও জানিয়েছেন,এবারের বৈশাখী মেলার অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের মাটিতে প্রথম শহীদ মিনার স্হাপনের ঘোষনা দেয়া হবে।
যা ফ্রান্সের বাংলাসেশী কমিউনিটির জন্য ইতিহাস হয়ে থাকবে।


জনপ্রিয় অনলাইন : বাংলাদেশী ভাষা-সংস্কৃতি, ধর্ম-বর্ণসহ নানা ধরনের সংস্কার ও জাতিগত ভেদাভেদ ভুলে প্রেম-ভালোবাসার টানে বাংলাদেশে ছুটে আসছেন অনেক বিদেশী তরুণী। এটি এখন বাংলাদেশে নতুন কিছু নয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পরিচয়ের সূত্র ধরে ঘর ছেড়েছেন ভালোবাসার টানে।

সকল ভেদাভেদ ভুলে সাত সাগর তের নদী পাড়ি দিয়ে উড়ে এসেছেন বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে। ভালোবাসার টানে ঘর ছাড়ার ঘটনা সমাজে অহরহ ঘটলেও বর্তমান যুগে দেশ ছাড়ার বিষয়টি যুক্ত হয়েছে। বিষয় গুলো মিডিয়ার বদৌলতে আলোচিত হয়েছে। অনেকেই প্রেমের টানে দেশ ছাড়লেও হয়নি কোন সংসার।
আবার অনেকেই স্ত্রীর সাথে বিদেশে পাড়ি জমিয়ে চুটিয়ে করছে সংসার, হয়েছে সন্তান। সুখের কাটছে তাদের দাম্পত্য জীবন। বিদেশ থেকে পাড়ি জমিয়ে প্রেমের টানে বাংলাদেশে আসা এরকম কয়েকজন দম্পত্তির খোঁজখবর নিয়ে তুলে ধরছি পাঠকদের উদ্দেশ্যে।
ব্রাজিল থেকে রাজবাড়ী
ব্রাজিল কন্যা জেইসা ওলিভেরিয়া সিলভা। তার সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় ঘটে রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর গ্রামের বাসের সুপারভাইজার সঞ্জয় ঘোষের সাথে। মাত্র দেড় বছরের পরিচয়ের সূত্রধরে দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের টানে ২০১৭ সালের ৩ এপ্রিল ছুটে আসে বাংলাদেশে জেইসা। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি জেইসাকে নিজ গ্রামের বাড়ীতে তোলে প্রেমিক সঞ্জয়।
বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতার ঢল নামে। জনতার ভীড় সামাল দিতে হিমসীম খেতে হয় ওই পরিবারের। প্রশাসনের সহযোগিতায় কয়েকদিন বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর গ্রামের বলাই ঘোষের ছেলে ঢাকা-কলকাতা শ্যামী পরিবহনের সুপারভাইজার সঞ্জয় ঘোষের বাড়ীতে অবস্থান করেন জেইসা। সেখানে পারিবারিক সম্মতিতে তারা দু’জনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। জেইসা সরকারী চাকুরীজীবী হওয়ার কারণে সপ্তাহ খানেক বাংলাদেশে অবস্থান করার পর সঞ্জয়কে ব্রাজিলে নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল ব্রাজিলে ফিরে যাওয়ার জন্য জেইসা বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। তবে এখন পর্যন্ত সঞ্জয় ব্রাজিলে যেতে পারেনি।
এ বিষয়ে সঞ্জয় ঘোষের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আশা করছি খুব শীঘ্রই ব্রাজিল যেতে পারবো। কাগজপত্রের অনেক ঝামেলা থাকার কারণে এতদিন দেরী করতে হলো।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফরিদপুরে
প্রেমের টানে গত বছরের ৬ এপ্রিল ঢাকায় আসের যুক্তরাষ্ট্রের নারী শ্যারন খান। তিনি ফরিদপুরের ছেলে আশরাফ উদ্দিনের কাছে এসেছিলেন। আশরাফ ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখোলা গ্রামের মোঃ আলাউদ্দিন মাতুব্বরের ছেলে। আশরাফ ঢাকার কবি নজরুল ইসলাম কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাষ্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্র। তার বাবা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের গাড়ী চালক। পরিবারটি থাকে ফরিদপুর নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্টাফ কোয়াটারে।
আমেরিকান মুসলিম ব্যাংকের চাকুরে শ্যারন খানের সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় ঘটে। এক বছরের পরিচয় ও ৬ মাসের প্রেমের সম্পর্কে বাংলাদেশে আগমন এবং ১০ এপ্রিল বিয়ে করেন। ২১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং আশরাফকেও নিয়ে যান। তাদের ঘরে একটি পুত্র সন্তান হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ আর যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগলিক দুরত্ব কমিয়ে মার্কিন তরুনী এলিজাবেথ এসলিক ছুটে আসে ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার রাখালগাছি গ্রামের মিঠুন বিশ্বাসের বাড়ীতে। অবশেষে খ্রিষ্টান ধর্মের বিধান অনুযায়ী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এলিজাবেথ ও মিঠুন। ২০১৫ সালের মে মাসে ফেসবুকে তাদের পরিচয়। দীর্ঘ আড়াই বছরের সম্পর্কের পর তারা দু’জনে বিয়ে করেন। পরে দেশে ফিরে গেলেও মিঠুন এখন যাওয়ার অপেক্ষায় আছে।
মালয়েশিয়া থেকে চুয়াডাঙ্গা
প্রেম মানে না বয়স। প্রেমের টানে ৪০ বছর বয়সী মালয়েশিয়ান ইসহারি ২১ বছর বয়সী তার প্রেমিক চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের ইউনুছ আলীর ছেলে জহুরুল ইসলামের বাড়ীতে ওঠেন। তার সাথে মালয়েশিয়ায় জহুরুল ইসলামের পরিচয় ঘটে। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক থাকায় জহুরুল বাংলাদেশে আসায় তিনিও ছুটে আসেন। পরে মালয়েশিয়া ফিরে যান।
কাজের সন্ধানে ব্রাক্ষ্রনবাড়িয়া জেলার কসবা থানার মন্দিবাগের আশিকুর রহমান আশিক ২০১৩ পাড়ি জমান মালয়েশিয়া। সেখানে পরিচয় ঘটে মালয়েশিয়ার নাগরিক ফাতেমার সাথে। সে কুয়ালালামপুরে একটি কলেজের ছাত্রী। তার ভালোবাসার টানে বাংলাদেশে আসে এবং তাকে বিয়ে করে। পরে মালয়েশিয়া পাড়ি জমায়।
ফেসবুকে মাত্র ৬ মাসের পরিচয়ে টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার কলেজ ছাত্র মনিরুল ইসলামের ভালোবাসা মালয়েশিয়া থেকে এক মাসের ভ্রমন ভিসায় ছুটে আসেন মালয়েশিয়ান নাগরিক জুলিজা। পরে বিয়ে না করেই পারিবারিক কারণে মালয়েশিয়া ফিরে যান জুলিজা।
থাইল্যান্ড থেকে নাটোর
থাইল্যান্ডে বহু বিবাহ। তার পছন্দ ছিল না এটি। তাই বিয়েও করছিল না। হঠাৎ করেই ফেসবুকে পরিচয় ঘটে অনিক খানের সাথে। ওর ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে থাইল্যান্ড থেকে ছুটে আসে সুপুত্তো ওরফে ওম ওরফে সুফিয়া খাতুন। ২২ বছর বয়সী অনিক খানের সাথে বিয়ে করেন বাংলাদেশে ছুটে এসে ফাস্টফুড ব্যবসায়ী ৩৬ বছর বয়সী সুফিয়া। তারা এখন থাইল্যান্ডে বসবাস করছে।
পোল্যান্ড থেকে রাজারবাগ
ফেসবুকের মাধ্যমে বাংলাদেশী ছেলে লন্ডনে পড়াশোনা করতে যাওয়া ঢাকার রাজারবাগের শামীম আহম্মেদের সাথে পরিচয় ঘটে স্যান্ড্রা পোল্যান্ডের অধিবাসী ক্যাটরিনার। ওই দেশে অবৈধভাবে থাকতে পারছিল না শামীম। ক্যাটরিনার সহযোগিতায় দেশে ফেরে শামীম। জুলাইয়ের ১ তারিখে তার বাংলাদেশে আসার কথা থাকলেও না আসায় সবাই ভেবেছিল আসবে না। কিন্তু আগষ্টে বাংলাদেশে আসে ক্যাটরিনা স্যান্ড্রো ও তাকে বিয়ে মুসলমান হয়ে। তারা এখন দু’জনই লন্ডনে।
অস্টেলিয়া থেকে বরিশাল
প্রেমের টানে অস্টেলিয়া থেকে পরিবারের ১৮ জন সদস্য পিতা, মাতা, ভাই-বোন, খালা-খালু, ফুফু-ফুফাসহ বরিশালের আলেকান্দা এলাকার শামসুল আলম বাবুলের ছেলে সাইদুল আলম রুমানের বাড়ীতে ওঠেন। পরে ধর্মান্তরিত হয়ে রুমানকে বিয়ে করেন। তাদের সংসার সুখেই চলছে অস্টেলিয়ায়।
অস্টেলিয়া থেকে পরিচয়ের সুত্রধরে মাগুরায় শহরে এসে ক্যাথরিন নামের অস্টেলিয়ার নাগরিক তার প্রেমিক কাজী মারুফুজ্জামান চন্দনকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারও ভালোই চলছে।
আয়ারল্যান্ড থেকে বিয়ানী বাজার
২০০৯ সালে বিয়ানী বাজার উপজেলার ঘুঙ্গাদিয়া গ্রামের বাসিন্দা তাজ উদ্দিনের ছেলে মাহবুবুর রহমান আয়ারল্যান্ড যাওয়ার পর ডা. ইফা রায়ানের সাথে পরিচয় ঘটে। পরে বাবা-মা, ভাইদের নিয়ে বিয়ানী বাজারে এসে লাল বেনারশি পড়ে বিয়ের পিড়িতে বসে। পরে স্বামীকে নিয়ে আয়ারল্যান্ড পাড়ি জমায়।
রাশিয়া থেকে শেরপুর
শেরপুরের নলিতাবাড়ী উপজেলার সন্যাসীভিটা গ্রামের ধীরেন্দ্র কান্ত সরকারের ছেলে ধর্মকান্ত সরকার। ১৯৯৭ সালে পড়ালেখার জন্য রাশিয়া যান। সেখানে তার সাথে পরিচয় ঘটে সিভেতলেনা। প্রেমিকের টানে বাংলাদেশে ছুটে এসে সনাতন ধর্মানুসারে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা দু’জনই রাশিয়া পাড়ি জমান।
ভিয়েতনাম থেকে চাঁদপুর
চাঁদপুরের শহরাস্তি উপজেলার পৌর শহরের ৮নং ওয়ার্ডের নদের বাড়ির মোবারক হোসেনের ছেলে মোঃ আলমগীর হোসেন। ১০ বছর আগে জীবন ও জীবিকার তাগিদে মালয়েশিয়া পাড়ি জমান। সেখানে তার সাথে পরিচয় ঘটে ভিয়েতনাম নাগরিক টিউ থিতুর সাথে। প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে দুজন ঘর বাঁধেন।
সর্বশেষ চাকুরী সুত্রে দুবাইয়ে চীনা নাগরিক ইবনাত মরিয়ম ফাইজার সাথে নেত্রকোনার কলমাকান্দার গুতুরা বাজারের জসিম উদ্দিনের সাথে। মাঝে ৩ বছর চাকুরীর কারণে দু’জন দু’দেশে চলে যায়। পরে দু’জন দুবাইয়ে দেখা করেন। তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। ফাইজা খ্রিষ্টান ধর্মত্যাগ করে মুসলমান ধর্মগ্রহন করে জসিমকে বিয়ে করেন। গত রোববার নেত্রকোনার কলমাকান্দার গুতুরা বাজারের আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম আজাদের বাড়ীতে বিবাহোত্তর বৌভাতের আয়োজন করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে তাদের বিয়ে হয় দুবাইতে।
ফেসবুকের বদৌলতে বিদেশী তরুণীরা সামান্য কিছু দিনের পরিচয়ের সূত্রধরেই ছুটে আসছে বাংলাদেশে। বিয়ে করে কিছুদিন থাকার পরই ফিরে যাচ্ছে নিজ দেশে। আবার কেউ কেউ স্বামীকে নিয়েই উড়াল দিচ্ছে। কারো কারো সাথে যোগাযোগ আছে কিনা তাও বোঝা যাচ্ছে না।


জনপ্রিয় অনলাইন : টানা ১১টা ঘন্টা বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে বন্ধ রাখার পর খু্লে দিয়েছে বিক্ষুব্ধরা। রাত ১০টায় মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিক্ষুব্ধদের নেতৃত্বদানকারী অন্যতম নেতা আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, আমরা আমাদের অবস্থান কর্মসূচি একদিনের জন্য স্থগিত করেছি। আশা করি এর মধ্যে আমাদের দাবিসমূহ বিবেচনায় নিয়ে দল। গুলশান কার্যালয়ে দেশ নায়ক তারেক রহমান স্কাইপে সাবেক ছাত্রদল নেতৃবৃন্দসহ বিক্ষুব্ধ নেতাদের সাথে কথা বলেন।

দুপুরে প্রথম সাবেক ছাত্র দলের শামসুজ্জামান দুদু, আমানউল্লাহ আমান, আসাদুজ্জামান রিপন, ফজলুল হক মিলন, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, এবিএম মোশাররফ হোসেন, শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, হাবিবুর রশীদ হাবিব প্রমূখদের সাথে কথা বলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
এরপর তারেক রহমান নয়া পল্টনের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়া বিক্ষুব্ধ নেতাদেরও ডেকে পাঠান। দীর্ঘ বৈঠকের পর রাত সাড়ে ৯টায় গুলশানের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে আসেন বিক্ষুব্ধ নেতারা।
নয়া পল্টনের কার্যালয়ে তালা খু্লে দেয়ার পর নেতা-কর্মীরা তৃতীয় তলায় দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কক্ষের সামনে আসে। তারা অসুস্থ নেতাকে দূরে থেকে দেখে।
রিজভী ছোট কক্ষে স্যালাইন হাতে শুয়ে আছেন। গতকাল থেকে কয়েকবার বমি হওয়ায় তাকে স্যালাইন দিয়ে চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা শুরু করে।


এ টি এম তুরাব, বিয়ানীবাজার: তরুণদের কাছে ইউরোপী মানেই যেন সুখ-শান্তি ও উচ্চবিলাসী জীবন যাপন। আর এজন্য যে কোনো মূল্যে ইউরোপে যেতে চায় তারা। মাত্র কয়েক দিনে বাংলাদেশ থেকে লিবিয়ায় এরপর সাগর পেরোলেই স্বপ্নের দেশ ইতালি। সেখানে যা আয় হবে, অন্তত ৩ চার মাসেই দেশে অট্টালিকা বাড়ি করা যাবে। পরিবারের মানুষ সুখে-শান্তিতে থাকবে। এরকম দুয়েকটি মিথ্যা গল্প শুনিয়ে সিলেটী (সিলেট) তরুণদের উদ্বুদ্ধ করছে মানবপাচারকারীরা। সে অনুযায়ী তরুণদের কাছ থেকে নেয়া হয় জনপ্রতি ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা। করা হয় দালালদের সাথে চুক্তি হয়। নিশ্চিত মৃত্যুঝুঁকি জেনেও ‘জীবনের মোড়’ঘুরে নেয়ার জন্য তারা এই পথ বেছে নেন। দালালদের এমন প্রলোভনের কথায় অনেকে পরিবারের শেষ সম্বলটুকু বিক্রি করেও তাদের ইউরোপে যাওয়া হয়নি। ভূমধ্যসাগরের নৌকা ডুবে সাগরের লোনা পানিতে তাদের স্বপ্ন ফিঁকে হয়ে যাচ্ছে। অকালে নিভে যাচ্ছে সিলেটের তরুণ ও যুবকদের জীবন প্রদীপ।
গত ৩ বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে পাড়ি দিতে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে ভয়ঙ্কর জলপথে মারা যান সিলেটের শত শত তরুণ ও যুবক। নিখোঁজ রয়েছেন হাজারো মানুষ। সন্তান হারিয়ে বাবা-মা ও আত্মীয় স্বজনের আহাজারি যেন কোন ভাবেই থামছে না। আর এসব হতভাগ্য পরিবারগুলোতে চলছে শোকের মাতম।

সাগরে নৌকা ডুবে ভাগ্যগুণে বেঁচে যাওয়া কয়েকজন যুবক ও তরুণ গত কয়েক দিন পূর্বে নিঃস্ব অবস্থায় বাংলাদেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে সিলেটের ৩ জন দৈনিক জালালাবাদের মুখমুখি হন। শোনালেন স্বপ্নের দেশে ছুটতে গিয়ে জীবন বিপন্ন হওয়ার কথাগুলো- তারা হলেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লালাগাওয়ের ছাইদুল ইসলাম জাবের, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার কটালপুরের মুহিদপুর গ্রামের বিলাল ও সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাও ইউনিয়নের ঘোপাল গ্রামের রুবেল আহমদ।
তাদের আতঙ্ক আর ধকল এখনো কাটেনি। রাতে ঘুমতে গেলে হঠাৎ সেই ভয়ানক দৃশ্যগুলো চোখে ভেসে উঠলে পুরো শরীর নিস্তেজ হয়ে যায়। শরীর কাঁপতে থাকে, ওই রাতে আর কোন ভাবেই ঘুম হয় না। জাবের, বিলাল ও রুবেল জানিয়েছেন, সেদিন (৯ মে) তিউনিসিয়ার উপকূল থেকে নৌকাটি ছাড়ার মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে তা ডুবে যায়। তাদের সহযাত্রীদের একে একে মর্মান্তিকভাবে সাগরে ডুবে প্রাণহানির বর্ণনা দিতে গিয়ে বার বার কান্নায় ভেঙে পড়েন। আর জোরেশরে বলতে থাকেন ‘আল্লাহ কোন দূষমনকেও যেন এভাবে মৃত্যুর মুখে ফেল না। হাউমাউ করে কাঁদে কাঁদে বলতে থাকেন, চোখের সামনে তলিয়ে যেতে থাকে মানুষ। ছোট একটি নৌকায় গাদাগাদি করে তাঁদের জোরপূর্বক তোলা হয়েছিল। ৭৬ আরোহীর মধ্যে ৬১ জনই সাগরে ডুবে মারা যায়। আর আমরা ১৫ জন ভাগ্যগুণে বেঁচে যাই। তারা বলেন, লিবিয়ায় ভূমধ্যসাগরের তীরে ‘গেম ঘর’নামক বন্দিশালায় এখনো অর্ধশতাধিক সিলেটী তরুণ ও যুবকদের জিম্মি করে রাখা হয়েছে। তাদেরকে অমানবিক নির্যাতন করা হচ্ছে। গেইম ঘরে এখনো ৫০ জনের মতো বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। এদের যেকোনো মুহূর্তে ইতালি পৌঁছে দেয়ার কথা বলে দালালরা সাগরে ভাসিয়ে দিতে পারে। তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে সরকারের কাছে জোর দাবী জানান তারা।
সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাও ইউনিয়নের ঘোপাল গ্রামের মোঃ রুবেল আহমদ দৈনিক জালালাবাদকে বলেন, জন্মের পর সাঁতার কেটে বড় হয়েছেন। তাই সাগরের ঢেউয়ে সাহস হারাইনি। নৌকা ডুবে যাওয়ার পর কোনোভাবে ভেসে ছিলেন তারা কয়েকজন। পরে জেলেরা এগিয়ে এসে তাঁদের উদ্ধার করে। ৩ দিন সাগরে ভেসে খুব কাছ থেকে দেখেছি সহযাত্রীদের মৃত্যু। এখনও চোখে সামনে দৃশ্যগুলো ভাসলে গাঁ শিউরে উঠে।
রুবেল বলেন, তিনিসহ আরো অনেক মানুষকে লিবিয়ায় উপকুলীয় এলাকার অন্ধকার ঘরে প্রায় এক বছর জিম্মি রাখে মাফিরা। সেখানে তাদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালাতো। প্রতিদিন খাবারের জন্য একটি পাউরুটি দিলেও পানিতে পেট্রোল মিশিয়ে দেওয়া হতো। পেট্রোল মিশানোর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, যাতে যাত্রীদের ওজন কমে এবং ছোট্ট নৌকায় বেশি যাত্রী সংকুলান হয় সেজন্য পাউরুটি ও খাবার পানিতে পেট্রোল মিশানো হতো।
রুবেল জানান, গত ৯ মে লিবিয়ার ভূমধ্যসাগরের পাড় থেকেই শুরু হয় কথিত ‘গেইম’ট্র্যাপ। ১ ঘণ্টার ব্যবধানে জলপথে দুটি নৌকা ইতালির উদ্দেশে সাগরে যাত্রা করে। তিউনিসিয়া সীমান্তে যাওয়ার পর নৌকাটি নষ্ট হয়ে যায়। তারপর টানা ৩ দিন সাগরে ভেসে থাকেন নৌকার ৭৬ জন যাত্রী। একপর্যায়ে তিউনিসিয়ার তেলবাহী একটি জাহাজের নাবিকরা নৌকা ডুবির সংবাদ পেয়ে সাহায্যে এগিয়ে আসলেও তারা জাহাজে তোলেনি। তবে জাহাজের নাবিকরা লাইট জ্বালিয়ে আলো দিয়ে রুবেলদের সাহায্য করেছিলেন। পরে তেলবাহী জাহাজের নাবিকরা মোবাইল দিয়ে সাগরে ভেসে যাওয়ার দৃশ্যটি ধারন করে তিউনিসিয়া কোস্ট গার্ডের কাছে পাঠালে তাতে সাড়া দেয়নি কোস্ট গার্ড। পরে জেলেরা এগিয়ে এসে উদ্ধার করে তিউনিশিয়ার কোস্ট গার্ডের কাছে হাস্তান্তর করেন।
তিনি বলেন, অসুস্থ বাবা-মা, স্কুল ও কলেজ পড়–য়া চার বোনদের খরচ যোগান ও সংসারের হাল ধরতে ভাগ্য বদলের আশায় ইতালিতে যাওয়ার স্বপ্ন দেখি। এজন্য পারভেজ নামের এক দালালের সাথে কথাবার্তা হয়। সে অনুযায়ী পারভেজের সাথে ৯ লাখ টাকার চুক্তি করা হয়। কথা ছিল লিবিয়া থেকে জাহাজে করে ইতালি পাঠানোর।
২০১৮ সালের রমজান মাসে ইতালির উদ্দেশে বাংলাদেশ ছাড়েন রুবেল। তাকে প্রথমে ঢাকা থেকে বিমান যোগে দুবাই পাঠানো হয়। সেখানে বেশ কয়েকদিন থাকার পর দুবাই থেকে-মিশর হয়ে লিবিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। লিবিয়া এয়ারপোর্টে নামার পর সেনা সদস্যরা তাদেরকে রিসিভ করে। এরপর সেনা সদস্যরা ইউরোপগামীদের সেনাবাহিনীর গাড়িতে তোলা হয়। গাড়ীতে শুইয়ে তাদেরকে বস্তা দিয়ে মুড়িয়ে সাগরের উপকূলিয় এলাকায় দালাল পারভেজের নিয়ন্ত্রনাধীন ‘গেইম ঘরে’নামক একটি ছোট্ট ঘরে নিয়ে যায় সেনা সদস্যরা।
তিউনেসিয়া থেকে ফেরত আরেকজন সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লালাগাওয়ের ছাইদুল ইসলাম জাবের। তিনি ও রুবেল এক সাথে একই নৌকায় ছিলেন এবং দুজনই গেইম ঘরে এক সাথে দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকারও হন জানিয়ে জাবের বলেন, দেশে দিনমজুর হিসেবে কাজ করে খাব। তবুও আর বিদেশের নাম মুখে নেব না। আমার কোনো শক্রকেও কোনো দিন অবৈধপথে ইতালি যেতে বলব না। ভবিষ্যতে আর কোনো মানুষকে দালালদের খপ্পরে না পড়ার আহ্বান জানিয়ে জাবের বলেন, সাগরের প্রতিটি ঢেউ আমাদের মৃত্যুর দূত হয়ে এসেছিল। বেঁচে থাকার আশা তো দূরের কথা কল্পনাও করিনি। আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে ও সকলের দোয়ায় আমরা কোনোমতে প্রাণে বেঁচে এসেছি।
রুবেল আহমদ ও ছাইদুল ইসলাম জাবের দুজনই একই দালালের মারফতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ ইতালিতে পাড়ি দিতে বিশ্বনাথ উপজেলার বৈরাগীবাজার কাতলীপড়া গ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে পারভেজ আহমদকে জনপ্রতি ৯ লাখ টাকা করে দুজনে ১৮ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়।
স্বপ্নের পথে ছুটতে গিয়ে জীবন বিপন্ন হওয়ার কথা শোনালেন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার কটালপুর মুহিদপুর গ্রামের বিল্লাল। তিনি বলেন, লিবিয়ায় পৌঁছার পর তাদের রাখা হয় জুয়ারা নামের একটি জায়গায়। সেখানে বিভিন্ন দেশের ৫৭ জন ছিলেন তারা। পরে যোগ দেন আরও ৩০ জন। জুয়ারায় পৌঁছার পর তার পরিবারের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নেয়া হয়। ইতালি রওনা হওয়ার আগে আরও ৪ লাখ টাকা নেওয়া হয়।
বিল্লাল বলেন, সিলেটের জিন্দাবাজারের নিউ ইয়াহিয়া ওভারসিজের পরিচালক এনামুল হকের মাধ্যমে গত বছরের ডিসেম্বরের প্রথম দিকে তারা চারজন ইতালি যাওয়ার চুক্তি করেন। তিনি ছাড়া বাকি তিনজন হলেন তার দুই ভাতিজা আবদুল আজিজ, লিটন শিকদার ও ভাগনা আহমদ হোসেন। চুক্তি অনুযায়ী ভারত থেকে সরাসরি ইতালি যাওয়ার জন্য জনপ্রতি ৮ লাখ টাকা নির্ধারণ হয়। কিন্তু কয়েক দেশ ঘুরিয়ে তাদের লিবিয়ার ত্রিপোলিতে নেয়া হয়।
তিনি জানান, গত ৮ মে তাদের ৬৫ জনকে একটি ছোট নৌকায় তোলা হয়। নৌকায় তার দুই ভাতিজা ও ভাগনে ছিল। ছোট বেলা থেকে সাঁতার কেটেছি। তাই সাগরের উত্তাল ঢেউয়ে সাহস হারাইনি। নিজে বেঁচে থাকার প্রাণপন চেষ্টার পাশাপাশি তাদেরকেও চেষ্টা করি বাঁচাতে, কিন্তু পারিনি। নিজের চোখের সামনে ভাতিজা ও ভাগনে সাগরে ডুবে যায়।
তিউনেসিয়া থেকে দেশে ফেরত সিলেটের ১১ জন হলেন- বিয়ানীবাজারের শাহেদ আহমদ খান, বিশ্বনাথ পালরচক এলাকার মাছুম মিয়া, লালাবাজারের সাইদুল ইসলাম জাবের, সুনামগঞ্জের গোবিন্দগঞ্জ বালিয়াকান্দি এলাকার মতিন মিয়া, গোবিন্দগঞ্জ তাজপুর রাজবাড়ি এলাকার হান্নান মিয়া, একই এলাকার ইকবাল হোসেন, মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার বেড়ফুরি গ্রামের শাহেদ, হবিগঞ্জের সোহেল আহমদ, রাশেদ ও সজিব।
যেভাবে লিবিয়া থেকে ইতালি পাঠানোর কথা ছিল
সাড়ে ৫ লাখ টাকায় বাংলাদেশ থেকে বিমানে লিবিয়া, সেখান থেকে এক মাসের মধ্যে আরো আড়াই লাখ টাকায় জাহাজে করে এবং লিবিয়ার সেনাবাহিনীর হেলিকাপ্টারের প্রহরায় ইউরোপগামীদের ইতালি পৌঁছানোর কথা হয় দালালের সাথে। বাংলাদেশ থেকে ইতালি পৌছানোর জন্য মোট ৮ লাখ টাকা দিতে হয়। সেই অনুযায়ী প্রথমে সাড়ে ৫ লাখ টাকা দেয়ার পর বাংলাদেশ থেকে লিবিয়ায় পাঠানো হয়। লিবিয়া পৌছার পর এক মাসের মধ্যে সেখান থেকে ইতালি পৌছানো হবে। ইতালি পৌছার পর চুক্তির বাকি আড়াই লাখ দেয়া হবে। কিন্ত লিবিয়া পৌঁছার এক সপ্তাহের মধ্যে চুক্তির বাকি টাকা দেওয়ার জন্য যাত্রীর পরিবারকে চাপ দেয় দালালচক্র।
কিভাবে ইউরোপ পাড়ি দিতে হয়
প্রথম ধাপঃ বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ইতালি পৌঁছানোর যে পথ দালালেরা ঠিক করে দেন। ঢাকা থেকে প্রথমে ভারত। সেখান থেকে দুবাই। তারপর তুরস্ক হয়ে লিবিয়া। উড়োজাহাজে ভ্রমণ করলেও ঢাকা থেকে লিবিয়া পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় দুই সপ্তাহ। আবার কোন কোন সময় এর চেয়ে বেশি। দুবাই থেকে লিবিয়া পৌঁছার পর সেখানে কেউ কেউ তিন মাস আবার অনেকে এক বছরও থাকতে হয়। এরপর সময় সুযোগ বুঝে নৌকায় করে ইউরোপগামীদের নিয়ে যাওয়া হয় তিউনিসিয়ার উপকুলে। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের দেখভাল করে কথিত এক বাংলাদেশি। তার নাম ‘গুডলাক’লিবিয়ায় সে ‘গুডলাক ভাই’নামে ব্যাপক পরিচিতি।
দ্বিতীয় ধাপঃ তিউনিসিয়ার উপকুলের নিরাপদ এলাকায় ‘গেইম ঘর’নামের একটি ছোট্ট ঘরে রাখা হয় ইউরোপগামীদের। ঘরের সক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি মানুষ থাকতে হয়। সেখানে চালানো হয় অমানুষিক নির্যাতন, নিপিড়ন। এসব সহ্য করেও বেশ কিছুদিন থাকতে হয় তরুণ ও যুবকদের। তিউনিসিয়ার উপকুল থেকে ইউরোপগামীদের ইতালিসহ ইউরোপিয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে টাকার বিনিময়ে পৌঁছিয়ে দেয় লিবিয়ার মাফিয়ারা।
তৃতীয় ধাপঃ গুডলাক ভাই মাফিয়া সদস্যদের চুক্তি ভিত্তিক দায়িত্ব দেন উপকূল থেকে ইউরোপ পৌঁছাতে। এরপর ভূমধ্যসাগরে উপকূলিয় এলাকা থেকে ইতালির উদ্দেশ্যে নৌকায় যাত্রা। ‘গেইম’ট্র্যাপ নামের এই ভয়ঙ্কর যাত্রা পাড়ি দিতে গিয়ে সাগরেই মারতে হয়েছে হাজারো মানুষ।  
টাকা আদায়ে কৌশল
গেম ঘরে আটকে রাখার পর থেকে প্রতি সপ্তাহে খাবারের জন্য বন্দিদের বাড়ি থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৩হাজার টাকা দালালকে দেয়া লাগে। তাও এই তিন হাজার টাকা থেকে বন্দি ব্যক্তিকে দেয়া হতো মাত্র ৩ শত টাকা। লিবিয়া থেকে ইতালির উদ্দেশ্যে যাত্রার পূর্ব পর্যন্ত বাড়িতে ফোন করেন টাকা নিতে হতো।
‘গেইম ট্র্যাপ’ কীঃ ভূমধ্যসাগরের পাড় থেকেই শুরু হয় কথিত ‘গেইম’ট্র্যাপ। জলপথে ইতালি ও ইউরোপের অন্যান্য দেশে পাঠানোর জন্য মাফিয়া সদস্যরা সময় সুযোগ বুঝে ৮০ জন বা ৯০ জনের একটি গ্রুপকে নৌকায় তোলা হয়। শুরু হয় যাত্রা, কিছু দূর যেতে না যেতে, সাগরের মাঝ পথে নৌকা আটকে দিয়ে অন্য একটি নৌকাতে সকলকে তুলে। এসময় নৌকার সক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী হওয়ায় নৌকাটি সাথে সাথে ডুবে যায়। আর এতেই প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটে।
‘গেইম ঘরে’যেভাবে রাখা হয়
লিবিয়ায় যাওয়ার পর সাগরতীরবর্তী এলাকায় ছোট্ট ঘর। গেইম ঘর নামক তালাবদ্ধ ঘরে ইউরোপগামীদের রাখা হয়। শতাধিক লোককের জন্য একটি মাত্র টয়লেট। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস চলে, খাবার-গোসল ছাড়া পড়নের কাপড় পড়ে থাকতে হয় তাদেরকে। এই গেইম ঘরে লিবিয়ার দালাল ও মাফিয়ারা জিম্মি করে অর্থ আদায় করে। প্রতিদিন একবার মাত্র একটি করে রুটি দেয়া হত। কেউ খাবারের জন্য এক বারের পর দুই বার কল করলে শাস্তি সরুপ সবাইকে ৭২ ঘন্টা পর খাবার দেয়া হত। একজন মাত্র ১০ মিনিট শুয়ে থাকার পর, অন্যজনকে শুবার সুযোগ দিয়ে ৪ ঘন্টা দাড়িয়ে থাকতে হয়। তাদের এভাবেই চলে মাসের পর মাস।
কে এই ‘গুডলাক ভাই’?
ইউরোপে যেতে ইচ্ছুক মানুষদের লিবিয়ার উপকূল থেকে বিদায় জানানোর প্রক্রিয়া থেকে বাংলাদেশী নাসির উদ্দিনের নাম হয়ে যায় ‘গুডলাক ভাই’। তার আসল নাম নাসির উদ্দিন, গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীতে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিবিয়ার ত্রিপোলিতে বসবাস করেন। আর সেখানে বসেই পুরো চক্রটি নিয়ন্ত্রণ করছেন। তার দুই ভাই মনজু ও রিপন এই চক্রের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে কাজ করে। তার দুইজন কখনো লিবিয়া আবার কখনো বাংলাদেশে বসে পুরো প্রক্রিয়া দেখভাল করে।
সুত্র : নয়া দিগন্ত  ।


জনপ্রিয় অনলাইন : ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের চূড়ান্ত বাছাই পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো বাংলাদেশ। প্রাক-বাছাইয়ের দ্বিতীয় লেগে লাওসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে টাইগাররা। ফলে প্রথম লেগে ১-০ গোলের জয়েই চূড়ান্ত বাছাই পর্ব নিশ্চিত করেছে লাল-সবুজের দলটি।



প্রথম লেগে লাওসের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ১-০ গোলের জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে অ্যাওয়ে গোলে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামে জেমি ডে'র শিষ্যরা। বাছাইয়ের প্রথম পর্ব পেরুনো বাংলাদেশসহ ছয় দল এবং র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা ৩৪ দল নিয়ে হবে দ্বিতীয় পর্ব। সেখানে আট গ্রুপে খেলা হবে।

মঙ্গলবার (১১ জুন) বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই লাওসের ওপর আধিপত্য দেখায় স্বাগতিক দল। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে জামাল ভূইয়ার দল। দারুণ ফুটলব প্রদর্শন করলেও শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। তাতেও অবশ্য কোনো সমস্যা হয়নি। বিশ্বকাপের মূল বাছাইপর্বে সুযোগ পেয়ে গেছে


সুনামগঞ্জবাসীর ঐক্যের সংগঠন “এসোসিয়েশন কুলতুরাল দে সুনামগঞ্জ এন কাতালোনিয়া”র আয়োজনে বৃহঃবার (০৬ জুন ২০১৯) অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা।


সংগঠনের সভাপতি মনোয়ার পাশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এ সভা। দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক এখলাছ মিয়ার পরিচালনায় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম আবির, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মির্জা সালাম, সহ শিক্ষা সম্পাদক মাছুদুর রহমান, সদস্য আলাউর রহমান, মনির আলী, মোশারফ হোসাইন, শাহিন উদ্দিন প্রমুখ।  সভায় সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয় আলোচনার পাশাপাশি বর্তমান কার্যকরী পরিষদ সংস্কারের বিষয়ে বিষদ আলোচনার প্রেক্ষিতে  উপদেষ্ঠা পরিষদের প্রতিনিধি সুবহান মিয়া, এলাইস মিয়া, জুলফিকার আলী’র উপস্হিতিতে সর্বসম্মতিক্রমে অনুর্ধ তিন মাসের মধ্যে বর্তমান কার্যকরী পরিষদ  সংস্কার করার সিদ্বান্ত গৃহিত হয় যা উপদেষ্টা পরিষদ এবং কার্যকরী পরিষদের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠন করা হবে।


উল্লেখ্য, গত ১২ই মে কার্যকরি কমিটির সভায় আবু ইউসুফ কে প্রধান উপদেষ্ঠা, আরশ আলী, ফঠিক মিয়া, সুরৎ খাঁনকে উপদেষ্ঠা ও সুবহান মিয়াকে সদস্য সচিব এবং আব্দুল হান্নান,আলতাব হোসাইন,এলাইস মিয়া,জুলফিকার আলী,বদরুল আলম জিয়া,সুবহান মিয়া (রাকিব),আব্দুল হাই,আব্দুল গণি এনাম,আব্দুল জলিল,আবুল মিয়া,আছকন্দর আলী,শামিম হিরা,রোমান চৌধুরীকে সম্মানিত সদস্য করে ১৮ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্ঠা পরিষদ গঠন করা হয়।  পরবর্তীতে গত ৫ই জুন ২০১৯ ইংরেজী, বুধবার সংগঠনের উপদেষ্ঠা পরিষদ বর্তমান কার্যকরী পরিষদকে কমিটি সংস্কারের পরামর্শ প্রদান করেন ।  বিজ্ঞপ্তি


আমিনুল ইসলাম কানাইঘাট, সিলেট থেকে: সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়নের গোয়ালজুর আদর্শ তরুণ সংঘের উদ্যোগে  শুক্রবার (৭জুন ২০১৯) বিকাল ৩ টায়  স্থানীয় গোয়ালজুর দারুল হুদা মাদ্রাসা মিলনায়তনে ঈদপূণর্মিলনি ও সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 

গাছবাড়ি মডার্ন একাডেমির অবসর প্রাপ্ত সিনিয়র শিক্ষক ও তরুণ সংঘের প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রাহেল আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ সাদিকুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন গোয়ালজুর আদর্শ তরুন সংঘের সভাপতি রেজওয়ানুল করিম। 

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা পরিষদের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রাজনীতিবীদ ও সমাজ সেবক ইমাম উদ্দিন চৌধুরী, বিশেষ অথিতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা বেগম। অনুষ্ঠানে সম্মানিত ও সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন ফ্রান্স বাংলা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব  দেলওয়ার হোসেন সেলিম। বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসাতুল দারুল হাদিস ঢাকার সাবেক প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল মালিক, ঢাকনাইল সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কবির আহমদ, সেনগ্রাম এম.এস. দাখিল মাদ্রাসার সুপারেন্টেন্ট মাওলানা ফয়জুল ইসলাম, আলহাজ্ব বশির আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক  এখলাছুর রহমান, আলহাজ্ব বশির আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক শহিদুর রহমান ইমরান, গোয়ালজুর দারুল হুদা মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক জহুর আলি, গোয়ালজুর দারুল হুদা মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক এবাদুর রহমান, ড্রিম লাইট একাডেমির প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট হাবিব উল্লাহ, এ্যাডভোকেট শরফ উদ্দিন, হাফিজ মামুনুর রশীদ, সাস্ট- এর মেধাবী শিক্ষার্থী এহসানে এলাহী। অনুষ্ঠানে তরুণ সংঘের সামগ্রিক কার্যক্রম তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও রোটারেক্ট ক্লাব অব সিলেট এমসি কলেজের সভাপতি  আমিনুল ইসলাম।


অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তরুণ সংঘের পক্ষ থেকে কবি কামরুল ইসলাম, কাওছার আহমেদ,  হাফিজুর রহমান ইমরান, সৈয়দ এবাদুর রহমান, সংঘের সহ-সভাপতি সয়ফুল আলম, সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবুল কালাম আজাদ। দৈনিক দিনকালেরর স্টাফ রিপোর্টার জয়নাল আবদীন আজাদ, কানাইঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মুফিজুর রহমান নাহিদ, গোয়ালজুর আদর্শ তরুন সংঘের সদস্য এহসানে এলাহী, মতিউর রহমান, হাফেজ এরশাদ তারেক মানোয়ার, সইফ উদ্দিন, আব্দুল্লাহ,জসিম উদ্দিন, দিলদার, আঃ গাফ্ফার, আঃখালেক, নাহিদ ,আজাদ জয়নাল আবেদীন, হাফিজ এরশাদ, মতিউর রহমান, সাইফুল আলম, রাহেল আহমাদ, কাওছার আহমদ, কামরুল ইসলাম, নোমান, আব্দুল খালিক, মাহফুজুল হক, আব্দুল্লাহ আল-মামুন, জিয়াউর রহমান, তারেক মনোয়ার, সালমান উদ্দিন, আব্দুল গফফার, হাফিজ সাদিক, আব্দুল আল মাহফুজ, সাইফ উদ্দিন, আব্দুস শহিদ, মোঃআব্দুল্লাহ, কামরান আহমদ, নাজমুল ইসলাম, সুমন আহমদ চৌধুরী, আবুল বশর, হুমান আজাদ, কয়ছর আহমদ, দুলাল আহমদ, জসিম উদ্দিন, এরশাদ আহমদ, সায়েম আহমদ, নাহিয়ান আহমদ, এনায়াতুল মাহফুজ, সাইফুর রহমান, আব্দুল খালিক (পাখি) প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তরুণ প্রজন্মকে পড়ালেখার পাশাপাশি নৈতিক গুণ অর্জন করে আদর্শ নাগরিক হতে হবে। সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।গোয়ালজুর আদর্শ তরুণ সংঘ জন্মলগ্ন থেকে সুন্দর ও মহতি কাজ করছে। আশাকরি এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। (বিজ্ঞপ্তি)।


জনপ্রিয় আনলাইন : আমিরাত রেড ক্রিসেন্ট কর্তৃপক্ষ (ইআরসি) জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী প্রচারণা চালিয়ে ১৮ মিলিয়নের চেয়ে বেশি মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছে।

আজ সোমবার ঢাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) দূতাবাস থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। মে মাসের শেষ সপ্তাহে দেশব্যাপী প্রচারণা চালানো হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ কয়েক হাজার ব্যক্তি অনুদান ও দাতব্য সংস্থা থেকে এ তহবিল সংগ্রহ করা হয়।সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের নির্দেশনায় ও ইউএই নের্তৃবৃন্দের সহযোগিতায় ইআরসি এই প্রচারণা চালায়।
বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত সাঈদ মোহাম্মদ আল মোহাইরি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। আমাদের তাদের সবাইকে বিশেষত নারী ও শিশুদের সহায়তা করা দরকার। এই মুহূর্তে আমাদের সরকার রোহিঙ্গা মুসলিম ভাইদের সহায়তায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের জনগণকে সম্পৃক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকার তাদের অনুদান সংগ্রহ করছে।’
রোহিঙ্গা সংকটের শুরু থেকেই সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের জন্য খাবার, আশ্রয় ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তা দিয়ে আসছে।
ইউএই রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির জন্য প্রথম দেশ হিসেবে ইউএই মানবিক সহায়তা শুরু করে বলে আমরা গর্বিত।ইউএনএইচসিআর এর সহযোগিতায় ইউএই রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের মৌলিক চাহিদা মেটাতে বেশ কয়েকটি প্রকল্প পরিচালনা করে যাচ্ছে।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউএই বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির জন্য কক্সবাজারে অবস্থিত ইউএই-বাংলাদেশে ভলেন্টিয়ার ফিল্ড হসপিটালের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা পরিচালনা করছে। এটা রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ফিল্ড হসপিটাল পরিচালনাকারী প্রথম আরব দেশ।
২০১৮ সালের গোড়ার দিকে কক্সবাজারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আর্থিক সহায়তায় আধুনিক সরঞ্জামে সজ্জিত একটি মালয়েশিয়ান-সৌদি-আমিরাতি ফিল্ড হসপিটালও স্থাপিত হয়।
এছাড়াও কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোতে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য ১০০টি কুয়া খনন করা হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ইআরসি’র তত্ত্ববধানে প্রকল্পটি শুরু করেছে।
অধিকন্তু ইউএই রোহিঙ্গা শিশু ও তাদের মায়েদের অপুষ্টি দূর করার লক্ষ্যে ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দিয়েছে। ঢাকায় অবস্থিত ইউএই দূতাবাস এই সব ত্রাণ অভিযান নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোহিঙ্গা সংকটের শুরু থেকেই ইউএই’র বিভিন্ন সংগঠন এই ত্রাণ কর্মকাণ্ডগুলো পরিচালনা করে যাচ্ছে। বাসস


জনপ্রিয় অনলাইন : একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির রুমিন ফারহানা। আজ রবিবার জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথ অনুষ্ঠানে চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ও এ বি তাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। শপথ গ্রহণ শেষে রুমিন ফারহানা রীতি অনুযায়ী শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। রুমিন ফারহানা বিএনপির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন।


আফাজ জনিঃ কাতালোনিয়া আওয়ামী স্বেচ্চাসেবকলীগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা। বৃহঃবার (০৬.০৬.২০১৯) বার্সেলোনায় কার্রেতেস রোডের একটি হলে অনুষ্ঠিত হয় এ অনুষ্ঠান। যুক্তরাজ্য আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর সাধারণ সম্পাদক সামছুল ইসলাম বাচ্চু বার্সেলোনা সফর উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হয় অনুষ্ঠান।

আলোচনা সভা এবং সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কাতালোনিয়া আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম।
সাধারণ সম্পাদক মির্জা সালামের পরিচালনায় এ সময় স্বেচ্চাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অন্যানের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন বিশেষ অতিথি কাতালোনিয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি শাহ্ আলম স্বাধীন, কাতালোনিয়া স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপদেষ্টা সোবহান মিয়া, উপদেষ্টা ইলিয়াস মিয়া, উপদেষ্টা আমিন আলী রফিক, কাতালোনিয়া আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুর রহমান, সহ সভাপতি সুজিত আচার্য, সহ সভাপতি জুলফিকার আলি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহাগ, সংগঠনের মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সুজাদুর রহমান, সদস্য নিজাম উদ্দিন, ফয়জুল ইসলাম প্রমুখ।

সংবর্ধিত ব্যাক্তি যুক্তরাজ্য আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর সাধারণ সম্পাদক সামছুল ইসলাম বাচ্চু তাঁর বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরোও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রবাস থেকে কাতালোনিয়া আওয়ামী স্বেচ্চাসেবকলীগকে আরোও শক্তিশালী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে আগত নেতাকর্মীসহ প্রত্যেককে অনুষ্ঠানে আসার জন্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি প্রবাস থেকে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করার আহ্বান জানান।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget