2019-06-02


জনপ্রিয় অনলাইন : স্পেনের বার্সেলোনায় এক বাস্তুহারাকেব কৌশলে টুথপেস্ট খাওয়ানোর অভিযোগে ১৫ মাসের কারাদণ্ড পেলেন দেশটির এক ইউটিউবার। কাঙ্গুয়া রেন নামে ওই ইউটিউবার প্র্যাঙ্কএর নামে টুথপেস্ট দিয়ে অরিও বিসকিট খাইয়েছিলেন ওই ব্যক্তিকে।
বার্সেলোনার আদালত জানায়, রেনের ইউটিউব চ্যানেল রিসেটও বন্ধ করে দিতে হবে। ২০২৪ সালের আগ পর্যন্ত তিনি কোনও ভিডিও পোস্ট করতে পারবেন না। এছাড়া এই ঘটনার শিকারকে ২০ হাজার ইউরো ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে তার। 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, রেনকে হয়তো কারাভোগ করতে হবে না। স্পেনের আইন অনুযায়ী প্রথম অপরাধের ক্ষেত্রে ২ বছরের কম কারাদণ্ড ভোগ করতে হয় না।  
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, ওই বাস্তুহারার নাম জর্জ এল। তিনি একজন রোমানিয়ান নাগরিক। বার্সেলোনা আসার আগে তিনি একজন রাখাল ছিলেন।
আদালতের নথিতে বলা হয়, ওই প্র্যাংক ভিডিওর মাধ্যমে ২ হাজার ইউরো বিজ্ঞাপনী আয় এসেছিলো রেনের। আর এমন আচরণ তার এবারই প্রথম নয়। 
টুথপেস্ট খাওয়ানোর ভিডিওতে দেখা যায় জর্জ বমি করতে শুরু করে। এই ভিডিওতে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। এরপর পুনরার্য় জর্জের কাছে গিয়ে ২০ ইউরো প্রস্তাবব দেন রেন। একসময় মামলা না করার শর্তে তাকে ৩০০ ইউরোর প্রস্তাবও দেন।


জনপ্রিয় অনলাইন : ভালো শুরুর পর ফিরে গেলেন ওপেনার সৌম্য সরকার। ইনিংসের নবম ওভারে ম্যাট হেনরির বলে বোল্ড হয়েছেন তিনি। ফেরার আগে ২৫ বলে তিনটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২৫ রান করেছেন তিনি। আর তামিম ইকবাল ৩৮ বল খেলে ২৪ রান করে সাঁজঘরে ফেরেন। ১৪তম ওভারে লকি ফার্গুসনের বাউন্সার ডেলিভারিতে পুল শট খেলতে চেয়েছিলেন তামিম। কিন্তু বল ব্যাটে ভালো মতো না লাগায় বল উপরে উঠে যায়। সহজ ক্যাচটি ধরে ফেলেন ট্রেন্ট বোল্ট। সাকিব ও মুশফিকের  ভুল বুঝাবুঝির ফলে মুশিফিকুর রহিম ৩৫ বলে ১৯ রান করে  রান আউট হন । রানের জন্য মুশফিক  দৌড়ে পিচের মাঝ বরাবর গেলেও সাকিবের কোনো সাড়া না পেয়ে ফিরে আসেন ততখনে যা হবার তাই হলো । এর কিছু সময় পর সাকিবও ৬৮ বল খেলে ৬৪ রান করে আউট হয়ে বিদায় নিলেন। চাপে পড়ে গেল বাংলাদেশ। দলের হাল ধরেন মাহমুদুল্লাহ ও মিঠুন।  কিন্তু  ২৩ বলে ২৬রান করে সাঁজঘরে ফিরেন মিঠুন । ৪২ তম ওভারে  ২০ রান করে মাহমুদুল্লাহ বিদায় নেন। প্রবল চাপে পড়ে  বাংলাদেশ । সকলের ভরসা ছিল মাহমুদুল্লার উপর ।  সাইফুদ্দিন এর ঝড়ের সূচনালগ্নে মোসাদ্দেক ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন ওভারের ৪৬.০২ বলে। শেষের  দিকে মোসাদ্দেকের  কাঁধের উপর ভর করে ২৪৫ রানের টার্গেট  দিলো বাংলাদেশ

গত ২ জুন টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২১ রানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ওই ম্যাচের একাদশ নিয়েই আজ টাইগাররা মাঠে নেমেছে। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডও তাদের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছিল। ১ জুন শ্রীলঙ্কাকে ১০ উইকেটে হারিয়েছিল তারা।
বাংলাদেশ একাদশ : তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ মিথুন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), মোস্তাফিজুর রহমান।
নিউজিল্যান্ড একাদশ : মার্টিন গাপটিল, কলিন মুনরো, কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), রস টেইলর, টম লাথাম (উইকেটরক্ষক), জেমস নিশাম, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, মিচেল স্যান্টনার, ম্যাট হেনরি, লকি ফার্গুসন, ট্রেন্ট বোল্ট।


জনপ্রিয় অনলাইন  : প্রথম বারের মত হাসপাতালে ঈদ করছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ঈদের দিনটি কেমন কাটালেন তিনি? তার জন্য এবারের ঈদের অভিজ্ঞতা একেবারেই ভিন্ন। এরআগে তিনি ঈদ কাটিয়েছেন কারাগারে। এবার হাসপাতালে। অসুস্থতার কারণে তাকে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে থাকতে হচ্ছে বন্দি অবস্থায়। এরমধ্যে স্বজনদের মাধ্যমে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে ভুলেননি সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। ২০১৮ সালের কোরবানীর ঈদ করেছিলেন পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দীন আলম রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারে। তখন তার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি পেয়েছিলেন ২০জন। আর এবার ঈদে ৭জন স্বজন তার সঙ্গে সাক্ষাৎতের অনুমতি পায়। তারা প্রায় দেড় ঘন্টার মত অবস্থান করেন হাসপাতলের ৬২১নম্বর কেবিনে। এরপর তারা বেরিয়ে আসেন। দেখা করার সুযোগ পাননি দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, পরিবারের সাত স্বজন ঈদের দিন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাসপাতালেই দেখা করেছেন। তারা বাসা থেকে রান্না করা খাবারও নিয়ে যান। খালেদা জিয়ার বোন সেলিনা ইসলাম ও তার স্বামী রফিকুল ইসলাম, ভাই সাঈদ ইস্কান্দরের স্ত্রী, তারেক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমানের বড় বোন, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি, ভাই শামীম ইস্কান্দরের ছেলে অভিক ইস্কান্দর হাসপাতালে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারা বেলা একটার দিকে হাসপাতালে যান। বেলা দেড়টার দিকে কেবিন ব্লকের ৬২১ নম্বর কক্ষে প্রবেশ করেন। চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দীন দিদার বলেন, স্বজনদের মাধ্যমে বিএনপির চেয়ারপারসন দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। জানা গেছে, হাসপাতালে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকা গৃহকর্মী ফাতেমার তৈরি খাবার ও পরিবার থেকে পাঠানো খাবার ঈদের দিন খেয়েছেন তিনি।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুব আলম বলেন, একজন বন্দির মতো খালেদা জিয়া কারা জেল কোড অনুযায়ী খাবার পাবেন। ঈদের দিন অনুমতি সাপেক্ষে পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। সেদিন তারা বেগম জিয়ার জন্য খাবারও নিয়ে আসতে পারবেন। কারা কর্তৃপক্ষ সেসব খাবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে খেতে দেবে।

এছাড়া কারাবিধি অনুসারে ঈদের দিন সকালে তাকে পায়েস, সেমাই ও মুড়ি দেয়া হয়। তার খাবার তৈরি হয় চিকিৎসকের পরামর্শ ও ডায়েট চার্ট অনুযায়ী। দুপুরের খাবারে ভাত অথবা পোলাও। এর সঙ্গে তার জন্য বরাদ্দ রয়েছে ডিম, রুই মাছ, মাংস আর আলুর দম। রাতের মেন্যুতে থাকছে পোলাও। এর সঙ্গে গরু অথবা খাসির মাংস, ডিম, মিষ্টান্ন, পান-সুপারি এবং কোমল পানীয় থাকবে।


সাহাদুল সুহেদ : যথাযথ মর্যাদা, আনন্দ উৎসব ও ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে স্পেনে ঈদ উল ফিতর উদযাপন হয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার স্পেনে বসবাসরত মুসলমান প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের প্রধান এ ধর্মীয় উৎসব নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেন। রাজধানী শহর মাদ্রিদ, পর্যটন নগরী বার্সেলোনাসহ স্পেনের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের নামাজ আদায়, একে অপরের বাসায় গিয়ে ঈদের কুশলাদি বিনিময় করে ঈদের দিনকে আনন্দময় করার চেষ্টা করেন। তবে ঈদের দিন সরকারী ছুটি না থাকায় নামাজ আদায় করেই কাজে ছুটতে দেখা গেছে অধিকাংশদের।

মাদ্রিদ : রাজধানী মাদ্রিদে স্পেনের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে ইসলামিক কালচারাল সেন্টার (এম৩০ মসজিদ, ভেনতাস)এ। সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত এ ঈদের জামাতে বিভিন্ন দেশের মুসলিম কুটনীতিকরা অংশগ্রহণ করেন। এ মসজিদে স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার, দূতালয় প্রধান এম হারুণ আল রাশিদ, প্রথম সচিব (শ্রম) মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম ঈদের নামাজ আদায় করেন।

বাংলাদেশি অধ্যুষিত লাভাপিয়েসের বায়তুল মুকাররম বাংলাদেশি মসজিদের তত্ত্বাবধানে প্রথমবারের মতো রেইনা সুফিয়া মিউজিয়াম সংলগ্ন খোলা ময়দানে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট ও ৮টা ৪৫ মিনিটে ঈদের ২টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাত দুইটিতে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মরোক্ক, সেনেগালসহ কয়েক হাজার মুসল্লী অংশ গ্রহন করেন। মহিলাদের জন্য ছিল নামাজের বিশেষ ব্যবস্থা।

বাংলাদেশ দূতাবসের বাণিজ্যিক সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব খোরশেদ আলম মজুমদার, বাংলদেশ অ্যসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী এনায়েতুল করিম তারেকসহ স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, আঞ্চলিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ রেইনা সুফিয়া মিউজিয়াম সংলগ্ন খোলা ময়দানে ঈদের নামাজে অংশগ্রহণ করেন।

নামাজ শেষে খুতবায় বিশ্বের মুসলমানদের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় রেইনা সুফিয়া মিউজিয়াম প্রাঙ্গনটিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আধিক্য ছিল লক্ষ্যনীয়। ঈদকে ঘিরে মিউজিয়াম প্রাঙ্গনটি যেন হয়ে ওঠে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলার একটি ক্ষেত্র। তবে সরকারী ছুটি না থাকায় নামাজ শেষে অনেককেই কাজের উদ্দেশে ছুটতে দেখা গেছে।

মাদ্রিদের সান ক্রিস্টোবাল এর ফ্রন্টন মিনি কাম্পোতে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করেন।
বার্সেলোনা:
পর্যটন নগরী বার্সেলোনায় বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা রাভাল সংলগ্ন শাহ জালাল জামে মসজিদ, লতিফিয়া ফুলতলী জামে মসজিদ ও দারুল আমাল জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে পৃথকভাবে অনেকগুলো ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। শাহ জালাল জামে মসজিদের উদ্যোগে মসজিদে সকাল ৬টা ৪৫ মিনিট, মসজিদ সংলগ্ন খোলা মাঠে সকাল ৭টা ২০ মিনিট, মসজিদে সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে ৩টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় জামাতে মহিলারাও অংশগ্রহণ করেন। লতিফিয়া ফুলতলী জামে মসজিদের উদ্যোগে মসজিদে সকাল ৬টা ৫০ মিনিট, সকাল ৭টা ৩০ মিনিট, সকাল ৮টা ৩০ মিনিট ও মাকবা প্রাঙ্গনে খোলা ময়দানে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। দারুল আমাল জামে মসজিদের তত্ত্বাবধানে সকাল ৬টা ৪০ মিনিট ও সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ঈদের ২টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও পেদ্রো প্রাঙ্গনে সকাল ৬টা ৪৫ মিনিট, ৭টা ২৫ মিনিট ও ৮টা ৫ মিনিটে ঈদের ৩টি বিশেষ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সান্তা কলোমায় পলি ডিপোর্টিভোতেও অনুষ্ঠিত হয় ঈদের ১টি জামাত।

বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত ঈদের প্রতিটি জামাতেই ছিলো প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপচে পড়া ভিড়। নামাজের পর বিশেষ মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করা হয়। নামাজ শেষে বাংলাদেশিরা একে অপরের সাথে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন।
এছাড়াও স্পেনের টেনেরিফ, লানজারোতে, মালাগা, আলিকান্তে, মুরছিয়া, সেভিয়া, গ্রানাদাসহ বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা মুসলিম প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের নামাজ আদায় ও আনন্দ উচ্ছ্বাসে ঈদ উল ফিতর উদযাপন করেছেন।


আফাজ জনিঃ ইফতার আয়োজনের মধ্যদিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মানবিক ফাউন্ডেশন স্পেন। এ উপলক্ষ্যে ২রা জুন  বার্সেলোনার  ব্যস্ততম সড়ক খোয়াকিন কোষ্টার একটি রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয় ইফতার মাহফিল।

মির্জা সালাম এবং মাসুদুর রহমানের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশীয় বিভিন্ন সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বার্সেলোনায় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের অনানারি কন্স্যুলেট জেনারেল রামন পেদ্রো।  
অনুষ্ঠানের আয়োজক আমীন আলী রফিক বলেন, প্রবাসে এবং দেশে দূস্থ মানবতার সেবায় এ সংগঠন সার্বক্ষনিক নিয়োজিত থাকবে। তিনি তার বক্তব্যে বার্সেলোনা প্রবাসী বাংলাদেশীদের সাহায্য এবং সহযোগীতাও কামনা করেন।  

প্রধান অতিথি রামন পেদ্রো আয়োজকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের পাশাপাশি বলেন, এ ধরনের মানবাধিকার সংগঠন যদি আসলেই সমাজের নিপিড়িতদের পাশে থাকে তাহলে সংগঠনগুলো সমাজের উপকারে আসবে এবং  এ সময় তিনি প্রবাসী সকল বাংলাদেশীদের পাশে থাকার আশ্বাস ব্যক্ত করেন।



লায়েবুর রহমানঃ ঈদকে ঘিরে স্পেন প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রস্তুতি লায়েবুর রহমান ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো স্পেন প্রবাসী বাংলাদেশিরাও ঈদের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। ঈদের কেনাকাটাতো আছেই; পাশাপাশি দেশে স্বজনরা যাতে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সেজন্য দেশে অর্থও প্রেরণ করছেন তারা।
স্পেনের প্রধান দু‘টি শহর মাদ্রিদ ও বার্সেলোনায় মানিট্রান্সফার দোকানগুলোতে প্রবাসীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দেশিয় আমেজে প্রবাসেও ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার চেষ্টা করলেও তাদের মন পড়ে আছে বাংলাদেশের স্বজনদের নিয়ে। মাদ্রিদে বাংলাদেশি মালিকানাধীন ‘ভূঁইয়া মানি ট্রান্সফার’, ‘বাংলা বাজার মানিট্রান্সফার’, ‘আমানাহ মানি ট্রান্সফার’, ‘নূর জাহান মানি ট্রান্সফার’ এবং বার্সেলোনার ‘ডট মিডিয়া’, ‘ভিক্টোরিয়া মানি ট্রান্সফার’, ‘শাপলা মানি ট্রান্সফার’, ‘এশিয়া মানি ট্রান্সফার’ দোকানগুলোতে গিয়ে দেখা গেছে দেশে অর্থ পাঠাতে আসা প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভিড়।  দোকানগুলোর স্বত্ত্বাধিকারীরা জানালেন, প্রতিবছর দুই ঈদেই প্রবাসীরা সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স পাঠান। তাই এবারের ঈদেও বরাবরের মতো তাদের ব্যস্ততা বেড়েছে। মাদ্রিদের একটি মানিট্রান্সফার দোকানে দেশে অর্থ পাঠাতে আসা হুমায়ূন কবির রিগ্যান বলেন, প্রবাসে দেশের মতো ঈদের আমেজ নেই। দেশে বাবা মা, আত্মীয় স্বজনদের জন্য ঈদের জামা কাপড় কেনার টাকা পাঠাতে এসেছি।  দেশের স্বজনদের মুখে ঈদের হাসি ফুটাতে পারলেই আমাদের তৃপ্তি।  নিজেদের বাচ্চার জন্য ঈদের জামা কিনেছেন নাজমুল ইসলাম নাজু ও আফরোজা ইসলাম দম্পতি। তারা জানালেন, আমাদের নতুন জামা কেনার শখ সেই কবে শেষ হয়েছে! দেশের মতো তো এখানে আর ঈদ উদযাপন করা যায় না।  বাচ্চার জন্য কেবল জামা কিনে আনলাম। আমাদের ছোট বেলার ঈদের আনন্দ খুঁজবো ওর মাঝে।  মাদ্রিদ ও বার্সেলোনায় বাংলাদেশি গ্রোসারি দোকানগুলোতে ঈদের জন্য বাঙালিয়ানা নানা উপকরণ মজুত করে রেখেছেন দোকানের মালিকরা।  ঈদের দিন নানা মুখরোচক খাবার তৈরীর জন্য সদাই কেনা শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যে।  দোকানীরা জানালেন- সেমাইর চাহিদা সবচেয়ে বেশি।  তবে চটপটি, পিঠার উপকরণও বিক্রি হচ্ছে।  বার্সেলোনায় বাংলাদেশি পোষাকের দোকানগুলোতে শেষ সময়ের কেনা কাটার ভিড় লক্ষ্য গেছে। ‘টেক এন পে’ দোকানের স্বত্ত্বাধিকারী সফিউল আলম সফি বললেন, এবারের ঈদকে ঘিরে শিশু কিশোর, পুরুষ-মহিলাদের জন্য পণ্যসামগ্রী মজুত করে রেখেছেন।  প্রবাসী বাংলাদেশিরাও ভিড় জমাচ্ছেন দোকানে। বাংলাদেশি পন্য ক্রয় করতে পেরে প্রবাসীরাও খুশি। ‘লেবাসুত ত্বাকওয়া’ নামের দোকানের স্বত্ত্বাধিকারী রুহুল আমিন জানালেন- পুরুষদের পাঞ্জাবি বিক্রি হচ্ছে বেশি।  তাছাড়া মহিলাদের দেশিয় সংস্কৃতির আদলে শাড়ি, থ্রিপিসসহ নানা আইটেমেরও কাটতি আছে। স্পেনে ঈদের দিন সরকারী ছুটি না থাকায় ঈদের দিনও কাজে ছুটতে হবে অনেককেই। বাংলাদেশি মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান; বিশেষ করে রেস্তোরাঁয় কর্মকরত বাংলাদেশিদের অন্যান্য দিনের মতো ঈদের দিনও কাজ করতে হবে বলে জানা গেছে।  স্পেনের বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় স্থাপিত মসজিদগুলোর তত্ত্বাবধানে ঈদের নামাজের ব্যবস্থা করা হয়। রাজধানী শহর মাদ্রিদে প্রতি বছর বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা লাভাপিয়েস সংলগ্ন কাসিনো পার্কে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হলেও এবছর ‘রেইনা সোফিয়া মিউজিয়াম’ সংলগ্ন ময়দানে স্থানীয় স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ ঈদের নামাজ আদায়ের অনুমতি দিয়েছেন- জানালেন মাদ্রিদ বায়তুল মুকাররম জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার।  পর্যটন নগরী বার্সেলোনায় বাঙালি অধ্যুষিত রাভাল সংলগ্ন শাহ জালাল জামে মসজিদ, লতিফিয়া ফুলতলী জামে মসজিদ ও দারুল আমাল জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির উদ্যোগেও ঈদের বেশ কয়েকটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।  



লায়েবুর রহমানঃ বার্সেলোনায় তারুন্যের সংগঠন ভয়েস অব বার্সেলোনা বিগত বছরের ন্যায় এবারও আয়োজন করে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের। রবিবার (২রা জুন ২০১৯) বার্সেলোনায় বাংলাদেশী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত প্রথম মসজিদ শাহ জালাল জামে মসজিদে এবং কার্রেতেস রোডের একটি হলে  পৃথক ভাবে পুরুষ এবং মহিলারা এ মাহফিলে অংশগ্রহন করেন।

ভয়েস অব বার্সেলোনার নেতৃবৃন্দ ছাড়াও এ মাহফিলে বার্সেলোনার প্রবাসী বাংলাদেশী সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, সাংবাদিক ব্যাক্তিবর্গ সহ বিভিন্ন দেশীয় মুসল্লী উপস্থিত ছিলেন।
সুন্দর এবং পরিপাটি এ অনুষ্ঠানের স্বার্বিক দায়িত্বে ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্ঠা হুসাইন আহমেদ সুমন, সভাপতি ফয়সল আহমেদ, সিনিয়র সভাপতি এস ইউ আহমেদ জুয়েল, সহ সভাপতি মোহন রহমান, সাধারণ সম্পাদক এ আর লিটু প্রমুখ।

আগত অতিথিবৃন্দ এবং মুসল্লীদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ আর লিটু।
ইফতার পূর্ববর্তী ইসলামিক আলোচনায় অংশগ্রহন করেন শাহ জালাল জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ ইসমাইল হোসেন এবং মাওলানা মোঃ আবদাল হোসাইন।  এ সময় বিশ্ব মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাতও পরিচালনা করা হয়।


লায়েবুর রহমানঃ বার্সেলোনার শাহ জালাল জামে মসজিদ কর্তৃপক্ষের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে দোয়া ও ইফতার মাহফিল। শনিবার (২৭ রমজান) মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় এ মাহফিল।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির সার্বিক তত্বাবধানে এ সময় বার্সেলোনায় বসবাসরত বাংলাদেশী কমিউনিটির সর্বস্থরের ব্যাক্তিবর্গ ছাড়াও পাকিস্থানী ও মারক্কিশ মুসল্লীরা উপস্থিত ছিলেন।
ইফতারপূর্ব আলোচনায় বনি হায়দার মান্নার পরিচালনায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন মসজিদ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সুরুজ্জামান জামান, আফাজ জনি, আব্দুল বাসেত কয়সর, ইকবাল আহমেদ জুনায়েদ, লুৎফুর রহমান সুমন,ইলিয়াস মিয়া,আবুবক্কর প্রমূখ।

এ সময় সভাপতি সুরুজ্জামান জামান আগত মুসল্লীদের ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি যারা ইফতার আয়োজনে সার্বিক সহযোগীতা করেছেন তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ ইসমাইল হোসেন এবং মাওলানা মোঃ আবদাল হোসাইন বিশ্ব মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।
উল্লেখ্যঃ বাংলাদেশী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এ জামে মসজিদ বিভিন্ন ইসলামিক অনুষ্ঠান আয়োজন করার পাশাপাশি প্রতি বছর ২৭ রমজান স্থানীয় মুসল্লীদের জন্য ইফতারের আয়োজন করে থাকে।



আফাজ জনিঃ কাতালোনিয়া স্বেচ্ছাসেবকলীগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে দোয়া ও ইফতার মাহফিল। বার্সেলোনার কার্রেতেস রোডের একটি হলে শনিবার (১লা জুন ২০১৯) অনুষ্ঠিত হয় এ অনুষ্ঠান। 
কাতালোনিয়া স্বেছাসেবকলীগ সভাপতি এম নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মির্জা সালামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাতালোনিয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি শাহ আলম স্বাধীন। কাতালোনিয়া স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুর রহমান ও ইদ্রিস হাওলাদারের স্বাগতিক বক্তব্যের মধ্যদিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানিকতা।
এ সময় অন্যানের মধ্যে আওয়ামীলীগ নেতা মহিবুল হাসান খান কয়েস, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ সভাপতি মোঃ হানিফ শরীফ,
সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুহেল, স্বেচ্ছাসেবকলীগের উপদেষ্ঠা সোবহান মিয়া, শান্তাকলমা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনামুল কবির মজনু, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ সভাপতি রাজিব হোসাইন, সহসভাপতি জুলফিকার আলী, প্রচার সম্পাদক মোজাফ্ফর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহাগ, মানবাধিকার সম্পাদক সুজাত আহমেদ, মহিলা সম্পাদিকা হীরা জামান, সদস্য নিজাম উদ্দিন, নূর ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক আবদাল মিয়া, সদস্য আব্দুল আলীম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ইফতারপূর্বে ইসলামী আলোচনা এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় মোনাজাত করেন মাওলানা আবুল হাসান।
আগত অতিথিদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন সভাপতি এম নজরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মির্জা সালাম।


Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget