2018-03-04

জনপ্রিয় অনলাইনঃ বোন বড় হয়েছে। বিয়ের কথা বার্তা চলছে। পারিবারিক ভাবে মতের মিল হওয়ার পর আকদ এর দিন ধার্য্য করা হয়। অনুষ্টানের শেষে ছেলের বাড়ি থেকে নাকি রাতে ৫০ জন আমার বোনকে দেখতে আসবে।

নতুন আত্মীয়। তাদের জন্য যেমন তেমন খাবার করা যাবেনা। অনেক টাকার বাজার করলাম। দেখলাম ওরা বেশকিছু মিষ্টি নিয়ে এসেছে।ওরা চলে যাবার পর মা জানালো সকালে বোনের শ্বাশুর বাড়িতে মিষ্টি নিতে হবে আরো সাথে কত কী!! কয়েক কেজি আর সস্তা মিষ্টি চলবেনা। দামী নিতে হবে তাও কমপক্ষে দশ কেজি। বরপক্ষ নাকি সমাজকে দিতে হবে। নয়তো সমাজ নাকি বদনাম করবে।

এ কেমন সমাজ মাথায় আসেনা। ব্যাপারটা এমন যে মিষ্টি কোনোদিন চোখে দেখে নাই। আকদের দিন মসজিদে সমাজীদের মিষ্টি খাওয়ানো হইসে সেটা যথেষ্ট না।

আকদ এর আগে বিয়ের চুক্তি গুলো হয়ে যায়। আমার বাবা এলাকার মুরব্বীদের সাথে কথা বলে ফাইনাল সিদ্ধান্ত নেয় যে কাবিন ১৫ লক্ষ টাকা, স্বর্ণ দশ ভরি দিলে ওনি আত্নীয়তা করতে রাজি। বরপক্ষও কনফার্ম করে যে এক হাজার মানুষ না খাওয়ালে আর ফার্ণিচার ঠিকঠাক না দিলে ওরা আত্নীয়তা করবেনা।শেষ পর্যন্ত সবকিছু মেনে নিয়ে বিয়েটা ঠিক হয়। এসব বিষয়ে বড়দের মুখের উপর বলতে নেই দেখে কিছু বলতে পারলাম না।

বরপক্ষ একহাজার। আমাদের ৫০০-৭০০ মানুষ হবে এমন একটা হিসাব করে আয়োজন করা হয়। বাসায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল অমুকের তমুককেও দাওয়াত করতে হবে। কাজে কামে নাকি আত্নীয়স্বজনের পরিচয়। তাই বলে লতা দিয়ে পাতা!! ঐ যে বড়দের উপর কথা বলতে নেই।

বিয়ের দিন দেখলাম আমি যে বড় ভাইকে দাওয়াত দিলাম ওনি মোটর সাইকেলের পিছনে আরো দুজন নিয়ে হাজির। ছোট ভাইয়ের বন্ধুরা নিজেদের বন্ধুদের নিয়ে হাজির যাদের কিনা ছোট ভাই নিজেই চিনেনা। ফলাফল খাবার সংকট। মানসম্মানের ব্যাপার। দ্রুত অতিরিক্ত বাজার করে রান্না করতে হল।

প্রচলিত নিয়ম মেনে বিয়ের পর দিন বোনের শ্বাশুর বাড়িতে আমাদের দুইশ জনের দাওয়াত। বৌ ভাত যাকে বলে। নিয়মের বাইরে যাওয়া যাবেনা বলে কিছু বলতে পারলাম না। অনেক টাকা গাড়ীভাড়া, অন্যানা খরচ গেলেও লতা দিয়ে পাতা হওয়া আত্নীয়দেরও দাওয়াত খাওয়াতে নিয়ে গেলাম। এরপর নাকি জামাইর বাড়ির দুশজন খাওয়াতে হবে। নয়তো কথা থেকে যাবে। সেটাও করতে হল ইচ্ছার বিরুদ্ধে।

বাসায় প্রশ্ন করলাম এতকিছুর দরকার কি? বলল এটাই করতে হবে। এটাই সঠিক। আমাদের মেয়েকে এরা সুখে না রেখে যাবে কই? কিন্তু আসলেই কি এটা সুখ? লতা দিয়ে পাতা হওয়া আত্নীয়কে দাওয়াত করে খাওয়ালে সুখ!!

যাই হোক সব শেষ করলাম। কিছু টাকা ঋণ নিতে হল বোনের সুখ কেনার জন্য। কিন্তু পরিপূর্ণ সুখ কিনতে রমজানের ঈদে জামাইর বাড়ির চৌদ্দ গোষ্ঠীর জন্য কাপড় দিতে হল। কোরবানীর ঈদে গরু দিতে হল। আর বারো মাসে তেরো রকমের জিনিস দিতে হল।

এর মধ্যে বোনের বাচ্চা হয়। আকীকা করানোর সময় আবার গরু দিতে হল। বোনের দেবর, ননদের বিয়ে হয় স্বর্ণ দিতে হল। দাওয়াত খাওয়াতে হল। এতকিছু করতে করতে ঋণের টাকা অনেক মাথায়। নিজের বিয়ের বয়সটাও চলে যাচ্ছে। ঋণ শোধ করে, নিজের বিয়ের জন্যও এতকিছু করার প্রস্তুতি নিতে হবে। ততদিনে বুড়া হয়ে যাব। বিয়ের আর দরকার কী!!

দুঃখের বিষয় হল যার সুখের জন্য এতকিছু করলাম, পারিবারিক জটিলতার কারণে তারই ডিভোর্স হয়ে গেল। তাহলে সুখ কই? সুখ এমন এক জিনিস যেটা টাকাতে পাওয়া যায় না। এর জন্য শিক্ষা আর সুন্দর একটা মন দরকার।

সুখের জন্য এসব জাস্ট তিন নাম্বার হাত “অযুহাত” এই সিলেটে। এটা নিয়ে গর্বের কিছু নাই। নিজের পরিশ্রমের টাকা লতা দিয়ে পাতা হওয়া আত্মীয়দের খাওয়ানোর দরকার নেই। কেউ খুশি মনে সামর্থ্য আছে বলে এসব করলে বাধা নেই। তবে নিয়ম মেনে করতে গেলে অবশ্যই আমার চুলকানি আছে।

এ কেমন সংস্কৃতি, যে নিয়মে বিয়ে করতে পাচ-সাত লক্ষ খরচ করতেই হবে!! টাকা কি গাছে ধরে? আর দাওয়াত দিলে নিজের সাথে মোটরসাইকেল আছে বলে হুদাই অতিরিক্ত দুজন নেয়া বন্ধ করুন। দুইশ টাকা খরচ করলে খাবার রেষ্টুরেন্টে অভাব নাই। অত ক্লোজ কেউ না হলে দাওয়াত পাওয়া মাত্র দৌড় দিয়েন না।

এসব অপসংস্কৃতির কারণে একটা মেয়ে বিয়ে দিতে যেমন বাপ ভাইয়ের পাছার চামড়া চলে যায়, তেমনি ছেলে বিয়ে করতে গেলেও বয়স হয়ে মাথার চুল চলে যায় এত লক্ষ টাকা ম্যানেজ করতে।

আবার অনেক মেয়েকে এমন বলতে শুনা যায়… আমি বাবার একমাত্র মেয়ে সুতরাং আমার জন্য খরচ না করে কার জন্য করবে…..

আসুন আমরা শিক্ষিত জেনারেশন সব বুঝি, ছেলেমেয়ে উভয়ই নিজ অবস্থান থেকে বদলে যাই।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

জনপ্রিয় অনলাইনঃ  মুসফিকুর রহিম একেকটা বাউন্ডারি মারেন আর পীনপতন নীরবতা নেমে আসে প্রায়  ৩০ হাজার দর্শকে ঠাসা প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। ডিস্ক জকি তাঁর সংগীতায়োজন বন্ধ রাখেন সাময়িক। নৈঃশব্দও যে এতটা উপভোগ্য হয়, প্রেমাদাসায় না এলে বোঝা যেত না! সেটা অবশ্য বাংলাদেশিদের জন্যই। 
জয়ের পর এমন খ্যাপাটে উদ্‌যাপন মুশফিকই তো করবেন। ছবি: শামসুল হক

ফ্লাডলাইটের আলোয় আলোকিত পুরো স্টেডিয়াম। অথচ কী আশ্চর্য অদৃশ্য আঁধার, প্রেমাদাসা ডুবে রইল সেই আঁধারে। জয়সূচক রানটা করে মুশফিক যখন ‘নাগিন’ হলেন, শ্রীলঙ্কানরা পারলে চোখ বুঁজে থাকে! মিরপুর কিংবা চট্টগ্রামে রেকর্ড গড়ে এমন একটা জয়ের পর নিশ্চিতভাবে পুরো স্টেডিয়াম হয়ে উঠত উৎসবের মঞ্চ। সেটি হয়নি তাতে কী, অনেক প্রশ্নের জবাব তো দেওয়া হয়েছে।

আজও সমীকরণটা ছিল ৩ বলে ১ রান, আজও মুশফিক! কোনো ভুল হয়নি, মুশফিক শাপমোচন করলেন ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে, বেঙ্গালুরুর সেই ম্যাচের। তারপর? খ্যাপাটে উদ্‌যাপন, সর্প নৃত্য...কত কী! দ্যুতিময় ইনিংস, উদ্‌যাপন—কত কিছু জানার ছিল মুশফিকের কাছে। এ রাতে কিছুই জানা হলো না। বাংলাদেশের জয়ের নায়ক যে সংবাদ সম্মেলনে এলেন না। এলেন বাংলাদেশকে ভালো শুরু এনে দেওয়ার আরেক কারিগর তামিম ইকবাল।

এক ভারতীয় সাংবাদিকই জিজ্ঞেস করলেন, লর্ডসের ব্যালকনিতে সৌরভ গাঙ্গুলি জার্সি ওড়ানো, ওয়েস্ট ইন্ডিজের গ্যাংনাম ক্রিকেটের আইকোনিক উদ্‌যাপন। মুশফিকও কি এমন কিছু করলেন? তামিম ভারী মজা পেলেন প্রশ্নটা শুনে, ‘আমাদের বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলামের উদ্‌যাপন এটা। ঘরোয়া ক্রিকেট বা বিপিএলে যখন সে উইকেট পায়, এই উদ্‌যাপনটা করে। এটা সাপের নাচ। খুবই মজার। মুশফিক ওটাই দেখিয়েছে। আমরা এটা খুব উপভোগ করি। নাজমুল যদি উইকেট পায় দেখবেন কীভাবে সে নাচে।’

৩৫ বলে ম্যাচ জেতানো ৭২ রানের যে দুর্দান্ত ইনিংসটা খেলেছেন মুশফিক, শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক দিনেশ চান্ডিমাল বলেছেন, তাঁর দেখা মুশফিকের অন্যতম সেরা ইনিংস। আর তামিম ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না, কীভাবে স্তুতি করবেন সতীর্থের ইনিংসের,‘মুশফিক অসাধারণ ব্যাটিং করেছে। ১০-১২ বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছে। এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না। ও যদি আউট হয়ে যেত তাহলে বলতে পারতাম শেষ করে আসতে পারত। সবই তো ঠিক করেছে, কী বলব?’
সূত্রঃ প্রথম আলো।


জনপ্রিয় অনলাইন :  অদ্য ০৯/০৩/২০১৮০ইং রোজ শুক্রবার বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের কো.চেয়্যারম্যান মোঃ আব্দুল বাকী এর সভাপতিত্বে বৃত্তি পরীক্ষা ২০১৭ এর ফলাফল প্রকাশিত হয়। এসোসিয়েশনের সম্মানিত শিক্ষা সম্পাদক মোঃ ফারুক হোসেন বৃত্তি পরীক্ষা ২০১৭ এর ফলাফল ঘোষণা করেন। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ওয়াদুদুর রহমান পান্না, মহাসচিব মনোয়ারা ভূঞা, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ হামিদুর রহমান, প্রচার সম্পাদক আব্দুল আলীম, আইন বিয়ষক সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান ও অন্যান্য আঞ্চলিক কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশে ৭৫টি কেন্দ্রে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ৪০,৪৫০ জন ছাত্র/ছাত্রী অংশগ্রহণ করে তার মধ্যে ৪,৮০৬ জন ছাত্র/ছাত্রী বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়। মেধাতালিকায় ১৩৫ জন ট্যালেন্টপুলে ৭৮৫ জন, সাধারণ গ্রেডে ১,১৭০ জন, বিশেষ গ্রেডে ২,৭২১ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়। নিম্নে মেধাতালিকার রোলগুলো দেওয়া হল।

প্রথম শ্রেণি
মেধা তালিকায় প্রথমঃ খুলনা কেন্দ্রে রোল - ২০৪০, ২০৮৩, পটুয়াখালী কেন্দ্রে রোল - ০৪৮, ০৫৪, ০৬৬, ১০৪, ১০৮, ১১৬, ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রে রোল - ১৮৩, ১৮৫, ১৮৯, ১৯০, ১৯২, ১৯৩, ১৯৫, ২০৮, ২৩৪, ২৩৫, ২৩৭, ২৪০, বালুবাজার কেন্দ্রে রোল - ৪৮৯, চুয়াডাঙ্গা কেন্দ্রে রোল - ১৬৯৭, ১৬৯৯, ১৭১০, ১৭২০, ঝিনাইদহ কেন্দ্রে রোল - ৩৯৬৩, মুগদা কেন্দ্রে রোল - ৫৪১২, রায়পুরা কেন্দ্রে রোল ৪৮১৬, (২৯৯) নম্বর পেয়ে সম্মিলিত ভাবে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে। 
মেধা তালিকায় দ্বিতীয়ঃ  খুলনা কেন্দ্রে রোল - ২০৪৩, ২০৫৪, ২০৫৬, ২০৭৩, ২১৪৮, ২২০৭, ২২৯৮, ২২৯৯, ২৩০০, ২৩৯৫, পটুয়াখালী কেন্দ্রে রোল - ০৬২, ১০৭, ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রে রোল - ১৮৪, ১৮৬, ১৯৯, ২০১, ২৩৮, বগুড়া কেন্দ্রে রোল - ৩৫৭, বালুবাজার কেন্দ্রে রোল - ৪৭৭, ৪৮০, বাগেরহাট কেন্দ্রে রোল - ৬৬৪, মেহেরপুর কেন্দ্রে রোল - ৮৩২, ৮৩৫, কুষ্টিয়া কেন্দ্রে রোল - ৩৮০৫,  ঝিনাইদহ কেন্দ্রে রোল - ৪০৯৫, তানোর কেন্দ্রে রোল - ৪৬৬৪, উত্তরা কেন্দ্রে রোল - ৪৮৫২, (২৯৮) নম্বর পেয়ে সম্মিলিত ভাবে মেধাতালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। 
মেধা তালিকায় তৃতীয়ঃ  খুলনা কেন্দ্রে রোল - ২০২২, ২০২৪, ২০৭১, ২০৭৭, ২০৯৮, ২১০১, ২১১৯, ২১৩২, ২১৩৩, ২২৮০, ২৪০৮, ২৪০৯, ২৪৩৯, পটুয়াখালী কেন্দ্রে রোল - ০৪৩, ০৪৫, ০৬৪, ০৬৫, ০৬৮, ০৭২, ০৭৩, ০৭৪, ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রে রোল - ১৮৮, ১৯৮, ২৪১, বালুবাজার কেন্দ্রে রোল - ৪৭৮, ৪৭৯, ৪৮২, ৪৯০, মেহেরপুর কেন্দ্রে রোল - ১১০৮, চুয়াডাঙ্গা কেন্দ্রে রোল - ১৬৯৬, ১৭১২, ১৭২১, নোয়াখালী সদর (ক) কেন্দ্রে রোল - ২৭৬৩, নোয়াখালী সদর (খ) কেন্দ্রে রোল - ২৮৫৯, কুষ্টিয়া কেন্দ্রে রোল - ৫৪৫৮, ঝিনাইদহ কেন্দ্রে রোল - ৩৮৬৯, ৪০০২, ৪০৩৩, ৪০৯৭, ৪১৪৯, কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রে রোল - ৫০৬২, পাকুন্দিয়া কেন্দ্রে রোল - ৫৩১১, মুগদা কেন্দ্রে রোল - ৫৪২৪, তানোর কেন্দ্রে রোল - ৪৬৬৬, ৪৬৭০, (২৯৭) নম্বর পেয়ে সম্মিলিত ভাবে মেধাতালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে।
দ্বিতীয় শ্রেণি
বালুবাজার কেন্দ্রে রোল - ৮৩১৪, ৮৩১৮, ৮৩২২, ৮৩২৪, ৮৩২৬, মেহেরপুর কেন্দ্রে রোল - ৮৬৩৮, ৮৬৪০, ৮৭৭৮, (২৯৫) নম্বর পেয়ে সম্মিলিত ভাবে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে। ঠাকুরগাও কেন্দ্রে রোল - ৮১২২, বালুবাজার কেন্দ্রে রোল - ৮২৯৩, ৮৩১৫, ৮৩১৯, (২৯৪) নম্বর পেয়ে সম্মিলিত ভাবে মেধাতালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। বগুড়া কেন্দ্রে রোল - ৮১৯৩, বালুবাজার কেন্দ্রে রোল ৮৩২৩, কুষ্টিয়া কেন্দ্রে রোল - ১০৬৮৮, (২৯৩) নম্বর পেয়ে সম্মিলিত ভাবে মেধাতালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে।

তৃতীয় শ্রেণি 
বগুড়া কেন্দ্রে রোল - ১৩১৬৩, (২৯৩) নম্বর পেয়ে সম্মিলিত ভাবে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে। বগুড়া কেন্দ্রে রোল - ১৩১৬৪, ১৩১৬৫, ১৩১৬৭, (২৯২) নম্বর পেয়ে সম্মিলিত ভাবে মেধাতালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। বগুড়া কেন্দ্রে রোল - ১৩১৬৬ (২৮৮) নম্বর পেয়ে সম্মিলিত ভাবে মেধাতালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে।
চতুর্থ শ্রেণি
 ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রে রোল - ১৬০৬৯, বগুড়া কেন্দ্রে রোল - ১৬১৩৫, ১৬১৩৯, (২৯৩) নম্বর পেয়ে যৌথ ভাবে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে। বগুড়া কেন্দ্রে রোল - ১৬১৩৬, (২৯২) নম্বর পেয়ে মেধাতালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রে রোল - ১৬০৫৮ (২৮৯) নম্বর পেয়ে মেধাতালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে।
পঞ্চম শ্রেণি
হাটবোয়ালিয়া কেন্দ্রে রোল - ২০৮৫৭, কুষ্টিয়া কেন্দ্রে রোল - ২২৩৯০, (২৯৩) নম্বর পেয়ে যৌথভাবে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে। ঝিনাইদহ কেন্দ্রে রোল - ২১৫৭০, ২১৫৭৬ (২৮৮) নম্বর পেয়ে যৌথ ভাবে মেধাতালিকায় তৃতীয় অধিকার করে।


সেলিম উদ্দিন,পর্তুগাল :  বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, শোষণ-বৈষম্যহীন সমাজগঠন ও রাষ্ট্রদর্শনের ক্ষেত্রে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে। শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধকালের বাংলাদেশের জন্যই নয়, যুদ্ধপরবর্তী সময়ে জাতি গঠনের অনন্য পথনির্দেশক হিসেবে এই ভাষণ এখনো উপযোগী।
ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যের অনন্য দলিল ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবন কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব রুহুল আলম সিদ্দিক সভাপত্বিতে দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব তৌহিদ আব্দুল পরিচালনায় পবিত্র কোরআন তেলোয়াত মধ্য দিয়ে আলোচনা সভা শুরু হয়, শুরুতে মহামান্য রাষ্ট্রপতির বাণী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তা বৃন্দ ।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সভাপতি জহিরুল আলম জসিম
, সাধারন সম্পাদক শওকত ওসমান ,সর্ব ইউরোপিয়ান প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন, মো স্তফা আনোয়ার ,সহ- প্রচার সম্পাদক রেজাউল বাসেদ,সাবেক ছাত্র নেতা পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সদস্য জাকির হোসাইন,সাবেক ছাত্র নেতা পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সদস্য সাদিকুজজামান চৌধুরী রাজন,পর্তুগাল ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ আনসার আলী ,পর্তুগাল ছাত্রলীগ নেতা শাকিল জিয়া।আলোচনা সভায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চকে জাতীয় দিবস হিসাবে ঘোষনা দেওয়ার জন্য পর্তুগাল আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি জোর দাবী জানানো হয়!মান্যবর রাষ্ট্রদূত সমাপণি আলোচনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আজকের বাংলাদেশ জাতির পিতার সেই লক্ষ্য সামনে নিয়ে তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে বাংলাদেশ ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে।
আমরা আজকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে সারাবিশ্বে সম্মান পেতে যাচ্ছি অতি শীঘ্রই। আমরা এই সম্মান পাবো। আমরা আজ কারও কাছে মাথা নথ করে চলবো না। আমরা বিশ্বসভায় মর্যাদার সাথে চলবো। জাতির পিতা আমাদেরকে সেই শিক্ষা দিয়ে গেছেন
,এবং উপস্তিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত সকলকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অলিখিত ১৮ মিনিটের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণটি বড় পর্দায় ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়।এতে আরও উপস্তিত ছিলেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি পনির আজমল,আন্তর্জাতিক সম্পাদক ওমর ফারুক ও আওয়ামী লীগ ,যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃ বৃন্দ ।রাষ্ট্রদূত রুজুল আলম সিদ্দিকী তার সমাপনী বক্তব্যে ভাষণটিকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দানের মাধ্যমে মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ডরেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করায় তিনি ইউনেসকোকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


কবির আল মাহমুদ,মাদ্রিদ : অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও জঙ্গিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে মাদ্রিদে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন করেছে স্পেন আওয়ামী লীগ। এ উপলক্ষে স্থানীয় সময় বুধবার রাত ৭টায় স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে স্পেন আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা ও নৈশ্য ভোজ এর আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্পেন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি শামীম আহমেদ। স্পেন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রিজভী আলম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল ইসলাম এর চঞ্চালনায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ এর এই ভাষণ ও ইউনেস্কোর স্বীকৃতি নিয়ে বক্তব্য দেন স্পেন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি দুলাল সাফা ,সহ সভাপতিও শিল্পপতি বোরহান উদ্দিন ,সহ সভাপতি বাতেন সরকার। স্পেন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি দুলাল সাফা বলেন ,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে প্রদত্ত ভাষণের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।
তাঁর সেই আহ্বানে বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড বা বিশ্বের স্মৃতি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। স্পেন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতিও শিল্পপতি বোরহান উদ্দিন ৭০-এর নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের কারণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ন্যায্য দাবি এবং আরও আগে থেকে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসনের দাবি থেকে সরে এসে এ ভাষণে সরাসরি বাংলাদেশকে স্বাধীন করার স্পষ্ট ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু। পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনীর নির্যাতন প্রতিরোধের ডাক দিয়ে বঙ্গবন্ধু সেদিন স্পষ্টভাবে ঘোষণা দেন এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
আলোচনা পর্বে উপস্থিত সকলেই তাদের বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর ঐন্দ্রজালিক এই ভাষণের সার্বজনীন আবেদন এবং বাঙ্গালির সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামে জাতির পিতার এই দিক নির্দেশনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। সভাপতির বক্তব্যে শামীম আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ যুগে যুগে বাঙ্গালি জাতির জাতীয় ঐক্যের মূলমন্ত্র হয়ে কাজ করবে। জাতিকে শক্তি ও সাহস যোগাবে। আমাদের মহান নেতার এই ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙ্গালি জাতির ইতিহাসে যেমন চিরন্তন তেমনি আন্তর্জাতিক বিশ্ব পরিমণ্ডলেও তা স্বীকৃত ও সমাদৃত।
তিনি উপস্থিত সকলকে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর অমূল্য বিশ্ব সম্পদ ও ঐতিহ্য হিসেবে তালিকাভূক্তির জন্য অভিনন্দন জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন স্পেন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক জসিম উদ্দিন ,মোঃ হাসান ,সবুজ আলম ,সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম সরকার ,রুবেল খান ,ইফতেখার আলম ,এনাম আলী খান ,প্রচার সম্পাদক জালাল উদ্দিন ,দপ্তর সম্পাদক তাপস দেব নাথ ,অভিবাসন সম্পাদক এডভোকেট তারেক হোসাইন ,তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আই এম এ আমিন ,আওয়ামীলীগ নেতা সুমন নূর ,মাহবুবুল আলম ,আলমগীর হোসাইন ,জাকির হোসাইন ,আলতাফ হোসাইন ,নেজাম উদ্দিন,মাসুম বিল্লাহ ,নজরুল খান ,নাজিম উদ্দিন ,আতিকুর রহমান টিটু ,সাইদুল হক ,বাবু আহমেদ ,মোঃ হোসেন ,ছাত্র নেতা নিয়াজ মোহাম্মদ ,ইফতেহার আলম প্রমুখ।
সভায় বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা ও মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে স্পেন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বোরহান উদ্দিনের সৈজন্যে উপস্থিত দলের নেতা-কর্মীদের সম্মানে নৈশ্য ভোজ অনুষ্টিত হয়।



সাইফুল আমিন,মাদ্রিদ: আঙ্গুলের ছাপ জটিলতায় পাসপোর্ট আটকে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্পেন প্রবাসী শতাধিক বাংলাদেশি।
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় উঠে আসে এমন ভোগান্তির কথা। সভায়, ভুক্তভোগীরা জানান, পাসপোর্ট না পাওয়ায় স্পেন সরকারের স্থায়ী আবাসিক অনুমোদন নবায়ন করতে পারছেন না তারা।
এমনকি রেসিডেন্স কার্ড নবায়নের সময় পাসপোর্ট দেখাতে না পারলে স্থায়ী আবাসিক অনুমোদন বাতিল হয়ে যাবে বলেও জানান প্রবাসীরা। এতে দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন একটি বৈধ রেসিডেন্ট কার্ড পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
এসময়, কর্মকর্তারা জানান, প্রবাসীদের রেসিডেন্স কার্ড আর পাসপোর্টের তথ্যে অমিলের কারণে আঙ্গুলের ছাপ না মেলায় ১শ ২৫ টি পাসপোর্ট আটকে আছে দূতাবাসে। তবে, সমস্যাটি আমলে নিয়ে খুব দ্রুতই পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের মাধ্যমে তা সমাধানের আশ্বাস দেন স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার। বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান সুন্দরের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের মিনিষ্টার এন্ড হেড অব চেঞ্চারী হারুন আল রশীদ,কমার্শিয়াল কাউন্সেলর মোহাম্মাদ নাভিদ সাফিউল্লা, প্রথম সচিব লেবার উইং শরীফুল ইসলাম।


লায়েবুর খাঁন : বাংলাদেশের টিভি চ্যানেল বাংলাভিশনের বার্তা প্রধান মোস্তফা ফিরোজের সাথে স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবের সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২ ফেব্রুয়ারী  স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় বার্সেলোনার একটি রেস্তোরাঁয় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাহাদুল সুহেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আফাজ জনির পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সূচনা বক্তব্য দেন স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবের সদস্য মিরন নাজমুল।
বৈঠবে বিশেষ অিতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ এসোসিয়েশন (আয়েবা) এর সভাপতি জয়নাল আবেদীন, বাংলাদেশ চীফ কো অর্ডিনেটর তানভীর সিদ্দিকী, উমানিতারিয়া দে বাংলাদেশ এন কাতালোনিয়ার সভাপতি মাহারুল ইসলাম মিন্টু।
বৈঠকে প্রধান অতিথি বাংলাভিশনের বার্তা প্রধান মোস্তফা ফিরোজ প্রবাসে বাংলা মিডিয়ার গুরুত্ব আলোচনা করার পাশাপাশি এখানকার প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে স্পেনের মূল ধারার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হবার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রবাসে আপনারা যে সংগঠনই করুন না কেন; মূল শিকড় কিন্তু বাংলাদেশ।
তাই প্রবাসেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি অক্ষুণ রাখতে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। বৈঠকে উপস্থিত কমিউনিটির ব্যক্তিবর্গ প্রবাসীদের মরদেহ সরকারী খরচে বাংলাদেশে প্রেরণ, বাংলাদেশের বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি, প্রবাসীদের ভোটাধিকারসহ প্রবাসীদের বিবিধ প্রসঙ্গ নিয়ে অতিথিদের সাথে মতবিনিময় করেন। বৈঠকে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ এসোসিয়েশন (আয়েবা) এর সভাপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, প্রবাসীদের সমস্যা নিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। রেমিটেন্স প্রেরণের মাধ্যমে প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখছেন।
তাই প্রবাসীদের সমস্যাগুলোও বাংলাদেশ সরকার যাতে আমলে নেয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে সম্মিলিতভাবে দাবি তুলতে হবে । অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন  নুরুল ওয়াহিদ, লোকমান হোসেন, ফয়জুল হক রানা, লায়েবুর রহমান, ইসমাইল হোসেন রায়হান।
কমিউনিটি ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল বাসিত কয়সর, জাহাঙ্গীর আলম, শাহ আলম স্বাধীন, সাব্বির আহমেদ দুলাল, সফিউল আলম সফি, শফিকুর রহমান, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, শফিক খান, আমির হোসেন আমু, আবুল কালাম আজাদ, মনিরুজ্জামান সুহেল, কয়েস খান, মোহাম্মদ কামরুল, ওয়াজিজুর রহমান মুজিব, শাহাব রহমান, মহিউদ্দিন হারুন, জাফার হোসাইন, কামাল বেপারী, সালাহ উদ্দিন প্রমূখ।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget