বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ভাষণ


সেলিম উদ্দিন,পর্তুগাল :  বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, শোষণ-বৈষম্যহীন সমাজগঠন ও রাষ্ট্রদর্শনের ক্ষেত্রে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে। শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধকালের বাংলাদেশের জন্যই নয়, যুদ্ধপরবর্তী সময়ে জাতি গঠনের অনন্য পথনির্দেশক হিসেবে এই ভাষণ এখনো উপযোগী।
ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যের অনন্য দলিল ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবন কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব রুহুল আলম সিদ্দিক সভাপত্বিতে দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব তৌহিদ আব্দুল পরিচালনায় পবিত্র কোরআন তেলোয়াত মধ্য দিয়ে আলোচনা সভা শুরু হয়, শুরুতে মহামান্য রাষ্ট্রপতির বাণী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তা বৃন্দ ।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সভাপতি জহিরুল আলম জসিম
, সাধারন সম্পাদক শওকত ওসমান ,সর্ব ইউরোপিয়ান প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন, মো স্তফা আনোয়ার ,সহ- প্রচার সম্পাদক রেজাউল বাসেদ,সাবেক ছাত্র নেতা পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সদস্য জাকির হোসাইন,সাবেক ছাত্র নেতা পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সদস্য সাদিকুজজামান চৌধুরী রাজন,পর্তুগাল ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ আনসার আলী ,পর্তুগাল ছাত্রলীগ নেতা শাকিল জিয়া।আলোচনা সভায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চকে জাতীয় দিবস হিসাবে ঘোষনা দেওয়ার জন্য পর্তুগাল আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি জোর দাবী জানানো হয়!মান্যবর রাষ্ট্রদূত সমাপণি আলোচনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আজকের বাংলাদেশ জাতির পিতার সেই লক্ষ্য সামনে নিয়ে তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে বাংলাদেশ ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে।
আমরা আজকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে সারাবিশ্বে সম্মান পেতে যাচ্ছি অতি শীঘ্রই। আমরা এই সম্মান পাবো। আমরা আজ কারও কাছে মাথা নথ করে চলবো না। আমরা বিশ্বসভায় মর্যাদার সাথে চলবো। জাতির পিতা আমাদেরকে সেই শিক্ষা দিয়ে গেছেন
,এবং উপস্তিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত সকলকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অলিখিত ১৮ মিনিটের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণটি বড় পর্দায় ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়।এতে আরও উপস্তিত ছিলেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি পনির আজমল,আন্তর্জাতিক সম্পাদক ওমর ফারুক ও আওয়ামী লীগ ,যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃ বৃন্দ ।রাষ্ট্রদূত রুজুল আলম সিদ্দিকী তার সমাপনী বক্তব্যে ভাষণটিকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দানের মাধ্যমে মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ডরেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করায় তিনি ইউনেসকোকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

Post a Comment

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget