2017-11-26

লায়েবুর খাঁন :: পর্তুগাল আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে সংবর্ধণা দেওয়া হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক আইন মন্ত্রী,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল মতিন খসরু (কুমিল্লা ৫ আসনের এমপি )
পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব জহিরুল আলম জসিম এর সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক শওকত ওসমানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন পর্তুগাল আওয়ামীলীগের সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব মাহাবুব আলম ,সিনিয়র সহ সভাপতি মিয়া ফরহাদ,
যুব বিষয়ক সম্পাদক ইমরান হোসেন ভূইয়া, সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক সৌরভ সুমন ,সাবেক ছাত্র নেতা পর্তুগাল আওয়ামীলীগের সদস্য দেলোয়ার হোসাইন , পর্তুগাল আওয়ামীলীগ সমর্থক জাকির হোসাইন, পর্তুগালে নবগঠিত ছাত্রলীগ নেতা আনসার আলী ও বিতান বডুয়া।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আর ও উপস্তিত ছিলেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি পনির আজমল,বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন,দপ্তর সম্পাদক শাফিউল আলম বাচচু,ইমরান হোসেন,জামাল ফকির,রেজাউল বাসিদ,তারেক হোসেন ,জাহাঙ্গীর আলম,আনন্দ
বডুয়া,মুকিতুর রহমান মুকিত,আলিম উদ্দিন,বদরুল আলম ,মাজেদুল,জিয়া,বাপপী ,৯০ দশকের সাবেক ছাত্র নেতা আওয়ামী লীগের সদস্য শফিউল আলম,পর্তুগালে অবস্থিত দূতাবাস প্রতিনিধি ,বাংলদেশ কমিনিউটির নেতৃবৃন্দ।
পর্তুগাল আওয়ামী লীগ ,যুবলীগ ,স্বেচ্ছাসেবক লীগ,বঙ্গবন্ধু পরিষদ,ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্থরের নেতৃবৃন্দ।

সেলিম উদ্দিন,পর্তুগাল : দয়াময় আল্লাহতাআলার সম্পর্কের মূল এবং দুনিয়ার সব মানুষের জন্য সত্যের কেন্দ্র ও জীবনের সবদিকে সর্বকল্যাণের উৎস ও সকল বিণাশ থেকে সুরক্ষার উৎস প্রাণাধিক প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মহান শুভাগমন ঈদে আজম উদযাপন উপলক্ষ্যে গত ২৮শে নভেম্বর বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন পর্তুগাল শাখার উদ্যোগে লিসবন-এর রাধুনী রেস্টুরেন্ট হলে এক একাডেমীক কনফারেন্স ও সালাতুসালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ব সুন্নী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা এবং আহলে সুন্নাতের নির্দেশিত জীবন ব্যবস্থার মানবিক রূপরেখা খেলাফতে ইনসানিয়াত তথা সর্বজনীন মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও মানবিক সাম্যের রূপরেখায় মুক্ত মানবতার অখন্ড বিশ্বব্যবস্থার দিকদর্শন বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের আহ্বায়ক আল্লামা ইমাম হায়াত-এর দিক নির্দেশনায়, সোহাগ মুন্সী-র সভাপতিত্বে নাজিম উদ্দিন-এর পরিচালনায় কনফারেন্স-এ বক্তব্য রাখেন কাজী জুলহাস মামুন, আল-মাহজাব, খাইরুল ইসলাম, আবু বাক্কার সিদ্দিক আবীর, শাহ্‌নূর আজাদ, আব্দুল্লাহ আল-মামুন ও আল-আমীন সহ আরও অনেকে। বক্তাগন বলেন, অস্তিত্বের প্রাণ প্রবাহ এ মহান শুভাগমনের দান ঈমান-দ্বীন-নাজাতের আলোকধারা প্রবাহিত রাখার জন্য দুনিয়ায় সত্য ও মানবতার মুক্ত রূপরেখা প্রতিষ্ঠায় এবং বাতিল জালিম অপশক্তির গ্রাস থেকে মুক্তির সাধনায় এ মহান শুভাগমনের লক্ষ্য বাস্তবায়নের একমাত্র পথ- প্রাণাধিক প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রদত্ত সত্য ও জীবনের মুক্ত বিশ্বকাঠামো তথা ধর্ম-জাতি নির্বিশেষে সব মানুষের নিরাপত্তা-স্বাধীনতা- অধিকার-কল্যাণ ভিত্তিক সর্বজনীন মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও মুক্ত মানবতার অবিভাজ্য বিশ্বব্যবস্থা বা একক গোষ্ঠির স্বৈরতামুক্ত শান্তিময় জীবন ও রহমতের দুনিয়া খেলাফতে ইনসানিয়াত। সত্য ও মানবতা এবং জীবনের জন্য প্রিয়নবীর শুভাগমনের চেয়ে বড় কিছু নেই উল্লেখ করে বক্তাগন ঈমান, দ্বীন ও নাজাতের মূল হিসাবে এ দুনিয়ায় প্রিয়নবীর শুভপ্রকাশ শুভাগমনের চির মহাউপলক্ষকে অন্য কোন সাধারন শব্দে নয়, আল্লাহতায়ালার পরম শুকরিয়া হিসেবে ঈদে আজম হিসেবে উদযাপন করার আহবান জানান।
কনফারেন্স-এ অন্যান্যদের মধ্যে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন রাজধানী লিসবনের সান্তা মারিয়া মাইওর -এর কাউন্সিলর রানা তসলিম উদ্দিন, ফ্রেন্ডশিপ এসোসিয়েশন-এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট জনাব বাবুল সরকার, বিশিষ্ট সাংবাদিক সেলিম উদ্দিন সহ কমিউনিটির আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। সালাতুসালাম ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিলের সমাপ্তি হয়।

জনপ্রিয় অনলাইন : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বনানী কবরস্থানে মা ও ছোট সন্তান শারাফের সঙ্গে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তিনি।

আজ শনিবার বিকেল ৫টা ১২ মিনিটে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে বিকেল সোয়া ৪টায় রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়। গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর লন্ডনের সেন্ট্রাল মসজিদে আনিসুল হকের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজার আগে আনিসুল হকের একমাত্র ছেলে নাভিদুল হক বলেন, ‘আমার বাবা ছিলেন একজন শৌখিন মানুষ। তিনি সুখী ও হাসি-খুশি মানুষ ছিলেন। দেশবাসীর কাছে বাবার জন্য দোয়া চাই। কাজের খাতিরে কেউ যদি আমার বাবার ব্যবহারে দুঃখ পেয়ে থাকেন, তাহলে আপনারা তাঁকে ক্ষমা করে দিয়েন।’ প্রয়াত এই মেয়রের কুলখানি ৬ ডিসেম্বর বুধবার। সেদিন গুলশানের আজাদ মসজিদে বাদ আসর তাঁর কুলখানি অনুষ্ঠিত হবে।

আজ শনিবার বেলা একটার দিকে আনিসুল হকের মরদেহ বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের উড়োজাহাজটি (বিজি ০০২) হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
সেখানে পরিবারের পক্ষে ভাই সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক মরদেহ গ্রহণ করেন।
 বিমানবন্দরে মেয়রের লাশ গ্রহণ করতে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শফিউল আলম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সেখান থেকে বেলা ১টা ২০ মিনিটের দিকে মরদেহ বনানীর বাসায় নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনিসুল হকের বনানীর বাসায় যান। তিনি মরহুমের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তাদের সঙ্গে কিছু সময় কাটান।
ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বিএনপির নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ শত শত মানুষ আনিসুল হকের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাতে তাঁর বাসায় ছুটে যান।

সেখান থেকে আনিসুল হকের মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটি বেলা সাড়ে তিনটায় আর্মি স্টেডিয়ামে পৌঁছায়। সেখানকার চারটি ফটক দিয়ে হাজারো মানুষ সারিবদ্ধভাবে স্টেডিয়ামে ঢোকেন। ছিল উপচে পড়া ভিড়। বাইরেও ছিল সাধারণ মানুষের ঢল।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের পক্ষে সামরিক সচিব মেজর জেনারেল সরোয়ার হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন, স্পিকার শিরীন শারমিনের পক্ষে ক্যাপ্টেন মোশতাক আহমেদ, আওয়ামী লীগের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন এবং সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরীর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ ছাড়া বিজিএমইএ, এফবিসিসিআই, বিকেএমইএসহ সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় সিক্ত হন তিনি।

বাদ আসর জানাজায় রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষের ঢল নামে। মেয়রের একান্ত সচিব আবরাউল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, মেয়রের মরদেহের সঙ্গে দেশে এসেছেন তাঁর স্ত্রী রুবানা হক, ছেলে নাভিদুল হক, দুই মেয়ে ওয়ামিক উমায়রা ও তানিশা ফারিয়াম্যান হক।
গত ২৯ জুলাই ব্যক্তিগত সফরে সপরিবার যুক্তরাজ্যে যান মেয়র আনিসুল হক। অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১৩ আগস্ট তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর শরীরে মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত রোগ ‘সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস’ শনাক্ত করেন চিকিৎসকেরা। এরপর তাঁকে দীর্ঘদিন আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। একপর্যায়ে মেয়রের শারীরিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় তাঁর কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র খুলে নেওয়া হয়। কিন্তু মঙ্গলবার মেয়রের পরিবারের একজন সদস্য বলেন, রক্তে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তাঁকে আবার আইসিইউতে নেওয়া হয়। এরপর তাঁর ফুসফুসও আক্রান্ত হয়। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারা যান মেয়র আনিসুল হক।
এফবিসিসিআই ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি, ব্যবসায়ী ও একসময়কার জনপ্রিয় টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব আনিসুল হক ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। ১৯৫২ সালে নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তবে তাঁর শৈশবের একটি বড় সময় কাটে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় নানার বাড়িতে। আশি ও নব্বইয়ের দশকে টিভি উপস্থাপক হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিলেন আনিসুল হক। তাঁর উপস্থাপনায় ‘আনন্দমেলা’ ও ‘অন্তরালে’ অনুষ্ঠান দুটি জনপ্রিয়তা পায়। তবে পরে টেলিভিশনের পর্দায় মানুষ তাঁকে বেশি দেখেছিল ব্যবসায়ী নেতা হিসেবেই। ২০০৫-০৬ সালে বিজিএমইএর সভাপতির দায়িত্ব পালনের পর ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি হন তিনি। ২০১০ থেকে ২০১২ সাল মেয়াদে সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন আনিসুল হক।
সুত্র : দৈনিক প্রথম আলো ।

জনপ্রিয় অনলাইন : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র, বিজিএমইএ ও এফবিসিসিআই'র সাবেক সভাপতি আনিসুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

বৃহস্পতিবার রাতে এক শোক বার্তায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'একজন সজ্জন মানুষ হিসেবে মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আনিসুল হক তার জীবদ্দশায় নানামুখী কর্মকাণ্ডে যুক্ত রেখে সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট নিজেকে ঘনিষ্ঠ করে তুলেছিলেন। সফল উদ্যোক্তা আনিসুল হকের সুনাম ছিলো সর্বজনবিদিত।'
তিনি আরো বলেন, 'আনিসুল হক তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। একজন কর্মনিষ্ঠ এবং বিনয়ী মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন সর্বমহলে সমাদৃত।'
'আনিসুল হক সমাজ সেবার নানা কর্মকাণ্ডের মধ্যেও নিজেকে যুক্ত রেখে ছিলেন' উল্লেখ করে বেগম জিয়া আরো বলেন, 'না ফেরার দেশে চলে গেলেও সামাজিক-অর্থনৈতিক- রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তার ভূমিকা দেশবাসীর কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার পৃথিবী থেকে চলে যাওয়া দেশবাসীর মধ্যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। আমি তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি জানাচ্ছি সমবেদনা।

সুত্র : দৈনিক ইত্তেফাক

জনপ্রিয় অনলাইন : ব্যক্তিগত সফরে গত ২৯ জুলাই সপরিবারে লন্ডন যান আনিসুল হক। আগস্টেই তার ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তিনি আর ফেরেননি। সব মায়া কাটিয়ে সবাইকে ছেড়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসযন্ত্র খুলে নিয়ে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

মেয়র আনিসুল হক সেরিব্রাল ভাসকুলাইটিসে (মস্তিষ্কের রক্তনালীর প্রদাহ) আক্রান্ত হয়েছিলেন। আগস্টে অসুস্থ হয়ে পড়ায় লন্ডনে একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রথমে এই সমস্যা ধরা পড়েনি। হাসপাতালে ভর্তির আগে প্রায় দুই মাস মস্তিষ্কজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। রোগ ধরা পড়ার পর চিকিৎসকরা পুরোপুরি বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেন। কথা বলতেও নিষেধ করেন।
তারপরও আশঙ্কামুক্ত ছিলেন। শিগগিরই দেশে ফিরবেন- এমন আশায় ছিল দেশবাসী। কিন্তু সে আশা আর পূরণ হয়নি।
সেরিব্রাল ভাসকুলাইটিস রোগটির আরেক নাম সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম ভাসকুলাইটিস। এটি খুবই জটিল এবং বিরল রোগ। মস্তিস্কের রক্তনালীতে সাধারণত এ ধরনের সমস্যা দেখা যায় না। এতে মস্তিষ্কের রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং রক্ত প্রবাহে বাধার সৃষ্টি হয়। মস্তিস্কে রক্তক্ষরণের মতো ভয়াবহ ঘটনাও ঘটতে পারে। অনেক সময়ই প্রাথমিকভাবে এ ভয়াবহ রোগটির তেমন কোনো উপসর্গ চোখে পড়ে না।

সেরিব্রাল ভাসকুলাইটিস রোগীদের মস্তিস্ক ছাড়াও সব সময় দুর্বল অনুভব করা, অনুভূতি লোপ পেতে থাকা,  মাথা ব্যথা, স্কিন র‌্যাশ বা ত্বকে দানা বের হওয়া, জয়েন্ট পেইন, চলাফেরা করতে কষ্ট হওয়া, এমনকি আচরণগত সমস্যার মতো নানা নিউরোলজিক্যাল সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিভিন্ন রোগের জটিলতা হিসাবেও সেরিব্রাল ভাসকুলাইটিস হতে পারে এবং এটির ডায়ালাইসিসও বেশ দুরূহ। 
সুত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন ।

জনপ্রিয় অনলাইন : লন্ডনে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হককে ফের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে- রক্তে সংক্রমণের কারণে আনিসুল হককে আবার আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

গত ২৯ জুলাই ব্যক্তিগত সফরে সপরিবার যুক্তরাজ্যে যান মেয়র আনিসুল হক। অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৩ আগস্ট হাসপাতালে চেকআপ করাতে যান। চেকআপ শেষে বাসায় ফিরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। ১৪ আগস্ট তাকে হাসপাতালে ভর্তির পর তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছিলো। তাঁর শরীরে মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত রোগ সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস (মস্তিষ্কের রক্তনালীর প্রদাহ) শনাক্ত করেন চিকিৎসকেরা। 
অবস্থার উন্নতি ঘটার পর গত ৩১ অক্টোবর তাকে আইসিইউ থেকে রিহ্যাবিলিটেশনে স্থানান্তরের খবর জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছিলো ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। এক মাসের মধ্যে ফের আইসিইউতে নেওয়া হয় ৬৫ বছর বয়সী আনিসুল হককে।
হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন বেশ কয়েকবার আনিসুল হকের মৃত্যুর গুজব ছড়ায়। তখন স্ত্রী রুবানা হক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বামীকে নিয়ে এধরণের খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দেন।
৬৫ বছর বয়সী আনিসুল হক টেলিভিশনে অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পান। তৈরি পোশাক খাতের এই ব্যবসায়ী একসময় এই খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতি ছিলেন। সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তিনি ব্যবসায়ীদের সংগঠন এফবিসিসিআই’র সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
২০১৫ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে তিনি এফবিসিসিআইর সভাপতি ছিলেন। তার আগে বিজিএমইএর সভাপতিও ছিলেন আনিসুল হক।

সুত্র : দৈনিক নয়াদিগন্ত ।

সেলিম উদ্দিন ,পর্তুগাল : বরগুনা ২ এর সাংসদ হাসানুর রহমান রিমন ব্যাক্তিগত সফরে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন ভ্রমণ করেন ।
এই সময় তার সফর সঙ্গী হিসেবে ছিলেন নিউজ ২৪ টেলিভিশন এর ইউরোপ প্রতিনিধি রিয়াজ হোসাইন। গত ১৯শে নভেম্বর রাতে পর্তুগালে কর্মরত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে রাতের ডিনারে যোগ দেন হাসানুর রহমান রিমন(সাংসদ বরগুনা ২) ।
ডিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন পর্তুগাল আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত ওসমান , সিলেট এমসি কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা দেলোয়ার হোসাইন , লিসবনের বিশিষ্ট রেস্তোরা ব্যাবসায়ী শাহজাহান আহমদ , অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেস ক্লাব এর সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাংলা টিভির পর্তুগাল প্রতিনিধি সেলিম উদ্দিন ও অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেস ক্লাব এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চ্যানেল আই ইউরোপ এর পর্তুগাল প্রতিনিধি মোহাম্মদ নুরুল্লাহ,সফিউল আলম সহ।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget