2017-10-22


কবির আল মাহমুদ,বিশেষ প্রতিনিধি : স্পেনের বাংলাদেশ দূতাবাসের সমসাময়িক কার্যক্রম ও প্রবাসীদের সেবা প্রদানের পরিধি বৃদ্ধির প্রসঙ্গ নিয়ে মাদ্রিদে দূতাবাসের উদ্যোগে বাংলাদেশি সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ২৪ অক্টোবর দূতাবাসের হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ দূতাবাসের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে মতবিনিময় ও মুক্ত আলোচনা করেন।
স্পেনে বাংলাদেশ দূতাবাসের সমসাময়িক অর্জন প্রসঙ্গে মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ জানান, স্পেন-বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। মাদ্রিদ মিশনের প্রচেষ্টায় গত বছর বাংলাদেশ রপ্তানি খাতে স্পেনে বৈশ্বিকভাবে চতুর্থ ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। বাংলাদেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট সামগ্রী, ওষুধ পণ্য, সিরামিক সামগ্রী, হিমায়িত খাবার, মাছ ও কৃষিজাত পণ্য সামগ্রীকে স্পেনের বাজারজাত করার প্রক্রিয়াও মাদ্রিদ মিশন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে রপ্তানি আয় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের যে লক্ষ্যমাত্রা প্রদান করেছিল, মাদ্রিদ মিশন তা পূর্ণ করতে সক্ষম হয়েছে বলেও তিনি সাংবাদিকদের জানান।
মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ আরও বলেন, মাদ্রিদ মিশন স্প্যানিশদের বাংলাদেশে বিনিয়োগেও উৎসাহিত করছে। এর ফলে ইসোলাক্স করসান নামে স্পেনের একটি বহুজাতিক কোম্পানি ঢাকা, খুলনা ও সিলেটে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে সহযোগিতা করছে। ঢাকার মিরপুর জোনের ১০ জেলায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশনে সহযোগিতা করার চুক্তি করেছে স্প্যানিশ প্রতিষ্ঠান কবরা-তেদাগুয়া।
মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা প্রদানে বাংলাদেশ দূতাবাস অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (www.bangladeshembassy.es) করার পাশাপাশি ফেসবুকেও বাংলাদেশ দূতাবাসের পেজ খোলা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডিজিটাল পাসপোর্টসহ (এমআরপি) দূতাবাসের যাবতীয় তথ্যাবলি পাওয়া যাবে। তিনি আরও জানান, ২০১৫ সালের ২৯ মার্চ থেকে স্পেনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয় এবং এখন পর্যন্ত সাড়ে ১২ হাজার মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট প্রদান করা হয়েছে। বার্সেলোনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংখ্যা বেশি থাকায় সেখানে ও মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট প্রদানের কার্যক্রম এর পাশাপাশি প্রতি দুই মাস পরপর কনস্যুলেট সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বার্সেলোনার প্রবাসী বাংলাদেশিদের অর্থ ও সময় খরচ কমে গেছে।
মুক্ত আলোচনায় বাংলাদেশ দূতাবাসের হেড অব চ্যান্সারি হারুন আল রাশিদ ও প্রথম সচিব (লেবার উইং) মোহাম্মদ শরিফুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান প্রসঙ্গটি সাংবাদিকেরা তুললে হারুন আল রাশিদ বলেন, স্পেন দূতাবাস প্রতিনিয়ত স্পেনের পররাষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে রোহিঙ্গাদের পূনর্বাসন কল্পে মায়ানমারের বিরুদ্ধে শক্ত ভূমিকা পালন করে আসছে । এছাড়া ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন এব্যাপারে সজাগ রয়েছে। 
এ আলোচনায় সংবাদকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্পেন বাংলা প্রেস ক্লাব এর উপদেষ্টা ও বাংলা ভিশন প্রতিনিধি মিনহাজুল আলম মামুন,দেশকণ্ঠ সম্পাদক এ কে এম জহিরুল ইসলাম , আমার দেশ ও চ্যানেল আই মাদ্রিদ প্রতিনিধি বকুল খান,ইউকে বিডি নিউজ এর ইউরোপীয়ান প্রতিনিধি কবির আল মাহমুদ ,সাংবাদিক ফকরুদ্দিন রাজী ,সাইফুল আমীন ও তারেক আহমেদ প্রমুখ । 

কবির আল মাহমুদ, মাদ্রিদ : দিবালোক সংরক্ষণ বা ডে লাইট সেভিং পদ্ধতিতে আজ ২৮ অক্টোবর থেকে স্পেনের ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।

স্পেনের সময় রাত ২টায় এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে সময়ের এ পরিবর্তন করা হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে চার ঘণ্টার পরিবর্তে এখন স্পেনের সময়ের ব্যবধান পাঁচ ঘণ্টা। দিবালোক সংরক্ষণের এ পদ্ধতির আজ প্রথম দিনে তাই এক ঘণ্টা কম ঘুমিয়েছে লাখ লাখ স্পেনবাসী । বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের মতোই গ্রীষ্মকাল শুরুর আগেই দিবালোক সংরক্ষণ চালুর প্রচলন রয়েছে স্পেনে । এই ধারাতেই এ বছর এক ঘণ্টা এগিয়ে গেছে ঘড়ির কাঁটা। স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ সহ বার্সেলোনা, মালাগা, আলিকান্তে, মুরছিয়া, সেভিলা, গ্রানাদা ও কর্দোভাসহ বিভিন্ন শহরে ও এ পরিবর্তন হয়েছে। আগামী বছরের ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এ ডে লাইট সেভিং পদ্ধতি। দিনের আলো সংরক্ষণ করতে দিনের আলোতেই কর্মঘণ্টা শেষ করার লক্ষ্যে এ পদ্ধতির ব্যবহার করা হয়। পরিবর্তিত সময়ের সাথে প্রয়োজনীয় কার্যাবলী নির্ধারন করতে হয়।

জনপ্রিয় অনলাইন :  কাতালোনিয়ার পার্লামেন্টে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং পরে মাদ্রিদের পক্ষ থেকে আঞ্চলিক সরকারকে বরখাস্ত করার একদিন পর স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকার বলছে, তারা এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করতে যাচ্ছে।
মাদ্রিদ সরকার ইতোমধ্যেই কাতালোনিয়ার স্বায়ত্তশাসন কেড়ে নিয়ে সেখানে প্রত্যক্ষ শাসন জারি করার কথা ঘোষণা করেছে।

স্পেনের উপ-প্রধানমন্ত্রী এখন কাতালোনিয়ার ক্ষমতা নিয়েছেন। কাতালান পুলিশ বাহিনীর প্রধানকে বরখাস্ত করা হয়েছে, পার্লামেন্টকেও ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং আগামী ডিসেম্বর মাসে নতুন নির্বাচনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। 
স্পেনের সরকারি কৌশুলিরা এখন কাতালান নেতাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের অভিযোগ আনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
পাশাপাশি স্পেনের ঐক্যের পক্ষে আজ মাদ্রিদে বড় আকারের সমাবেশ হওয়ারও কথা রয়েছে। তবে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা বলছেন, এরকম কোনো সমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা তাদের এখনো নেই।
কাতালোনিয়ার স্বঘোষিত এই স্বাধীনতার ঘোষণাকে কোনো দেশও এখন পর্যন্ত সমর্থন করেনি।
কাতালোনিয়ার পরিচয়
কাতালোনিয়ার জনসংখ্যা ৭৫ লাখ। সুইজারল্যান্ডের জনসংখ্যার সমান। স্পেনের মোট জনসংখ্যার ১৬ শতাংশ এই কাতালোনিয়ায়।
স্পেনের উত্তর-পূর্বের এই প্রদেশটির রাজধানী বার্সেলোনা। তাদের আছে নিজস্ব ভাষাও। বার্সেলোনা বিশ্বের অত্যন্ত জনপ্রিয় শহরগুলোর একটি, ফুটবল এবং একই সঙ্গে পর্যটনের কারণে।
স্পেনের মোট জিডিপির এক পঞ্চমাংশ আসে এই বার্সেলোনা থেকে।
কিভাবে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো?
কাতালোনিয়া স্পেনের অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল। এর লিখিত ইতিহাস এক হাজার বছরেরও বেশি পুরনো।
স্পেনের গৃহযুদ্ধের আগে এই অঞ্চলের ছিল বড় রকমের স্বায়ত্তশাসন। কিন্তু ১৯৩৯ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জেনারেল ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর স্বৈরশাসনের সময় কাতালোনিয়ার স্বায়ত্তশাসনকে নানাভাবে খর্ব করা হয়।
কিন্তু ফ্রাঙ্কোর মৃত্যুর পর সেখানকার জাতীয়তাবাদ আবার শক্তিশালী হতে শুরু করে। এবং তীব্র আন্দোলন ও দাবির মুখে ওই অঞ্চলকে স্বায়ত্তশাসন ফিরিয়ে দেওয়া হয়। আর সেটা করা হয় ১৯৭৮ সালের সংবিধানের আওতায়।
স্পেনের সংসদে ২০০৬ সালে একটি আইন প্রণয়ন করা হয় যেখানে কাতালোনিয়াকে আরো কিছু ক্ষমতা দেওয়া হয়। কাতালেনিয়াকে উল্লেখ করা হয় একটি 'জাতি' হিসেবে।
কিন্তু সংবিধানে কাতালোনিয়াকে দেওয়া এরকম অনেক ক্ষমতা পরে স্পেনের সাংবিধানিক আদালত বাতিল করে দেয় যা কাতালোনিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে ক্ষুব্ধ করে তোলে।
স্বায়ত্তশাসন কাটছাঁট করার ফলে ক্ষুব্ধ হয় কাতালানরা, এর সঙ্গে যুক্ত হয় বছরের পর বছর ধরে চলা অর্থনৈতিক মন্দা, সরকারি খরচ কমানো। এই পরিস্থিতিতে তারা ২০১৪ সালে অনানুষ্ঠানিক-ভাবে স্বাধীনতার প্রশ্নে একটি গণভোটের আয়োজন করে।
তখন ভোটার ছিল ৫৪ লাখ। ভোটে অংশ নেয় ২০ লাখেরও বেশি ভোটার। এবং কর্মকর্তারা ঘোষণা করেন যে ৮০ শতাংশেরও বেশি ভোটার স্পেন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে রায় দেন। অর্থাৎ জনরায় ছিল- কাতালোনিয়া চায় স্বাধীনতা। কিন্তু সেটা ছিল অনানুষ্ঠানিক এক গণভোট।
বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ২০১৫ সালে কাতালোনিয়ার নির্বাচনে জয়লাভ করে। তখন তারা এমন একটি গণভোট আয়োজনের কথা বলে যার আইনি বৈধতা থাকবে এবং সেটা মানতে কেন্দ্রীয় সরকার বাধ্য হবে।
স্পেনের সংবিধানকে লঙ্ঘন করেই তারা এই ঘোষণা দেয়। কারণ সংবিধানে বলা আছে, স্পেনকে ভাগ করা যাবে না।
তাহলে সমস্যা কোথায়?
কাতালান পার্লামেন্টে গণভোটের প্রসঙ্গে একটি আইন তৈরি করা হয় এবছরের সেপ্টেম্বর মাসে। সেখানে রাখা হয় মাত্র একটি প্রশ্ন: আপনারা কি চান কাতালোনিয়া প্রজাতন্ত্রের কাঠামোয় একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হয়ে উঠুক?
আর সেখানে দুটো ভোট দেওয়া উপায় রাখা হয়: হ্যাঁ অথবা না।
বিতর্কিত এই আইনটিতে ভোটের ফলাফলকে মানতে বাধ্যতামূলক করা হয় এবং বলা হয় কাতালোনিয়ার নির্বাচন কমিশন গণভোটের ফলাফল করার দু'দিনের মধ্যে পার্লামেন্টে কাতালোনিয়াকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।
আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও মাদ্রিদের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় ছিলো স্বাধীনতার পক্ষে। শেষ পর্যন্ত কাতালান পার্লামেন্টেও স্বাধীনতার ঘোষণার পক্ষে ভোট পড়ে। পক্ষে ৭০টি আর বিপক্ষে ১০টি।
এর কিছুক্ষণ পর মাদ্রিদে সেনেট কাতালোনিয়ায় সরাসরি শাসন জারির পরিকল্পনা অনুমোদন করে। এবং তার পরপরই প্রধানমন্ত্রী রাহয় কাতালান সরকারও প্রেসিডেন্ট এবং পুলিশ বাহিনীর প্রধানকে বরখাস্ত করেন।
এর আগে কাতালান প্রেসিডেন্ট পুজডেমন ঘোষণা করেছিলেন, অন্য কোনো আদালত বা রাজনৈতিক শক্তি তার সরকারকে ক্ষমতা থেকে বরখাস্ত করতে পারবে না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী রাহয় বলেন, "কাতালোনিয়ায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্যে সেখানে প্রত্যক্ষ শাসন জারি করা জরুরি হয়ে পড়েছে। "
গণভোটের ব্যাপারে মাদ্রিদের প্রতিক্রিয়া কি ছিল?
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয় এই ভোটকে অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করে। বলেছিলেন, "আমি অত্যন্ত নরম সুরো কিন্তু কঠোর করে বলতে চাই কোন গণভোট হবে না। এটা হবে না। "
প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে স্পেনের সাংবিধানিক আদালত কাতালোনিয়ার ওই আইনটিকে বাতিল করে দেয়। এতে কাতালানরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। এবং তারপর থেকেই স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকার কাতালোনিয়ার অর্থনীতি ও পুলিশের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে।
কাতালানরা কি আসলেই স্বাধীনতা চায়?
স্বাধীনতার পক্ষের সমর্থকরা স্পেন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার দাবিতে সম্প্রতি বড় ‌আকারের সমাবেশ করেছে। ১১ সেপ্টেম্বরে জাতীয় দিবস উপলক্ষে জড়ো হয়েছিল ১০ লাখেরও বেশি মানুষ।
কাতালান সরকারের উদ্যোগে চালানো এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ৪১ শতাংশ স্বাধীনতার পক্ষে, আর বাকি ৪৯ শতাংশ স্বাধীনতা চায় না।
ধারণা করা হয়েছিল স্বাধীনতার সমর্থনে গত কয়েক বছরে হয়তো ভাটা পড়েছে। কিন্তু স্পেন সরকার যেভাবে দমনপীড়ন চালিয়ে গণভোট বন্ধ করেত চেয়েছিল তাতে অনেকেই হয়তো স্বাধীনতার দিকে ঝুঁকেও পড়েছেন, তবে আসল চিত্রটা যে কি বলা কঠিন।

সূত্র: বিবিসি

জনপ্রিয় অনলাইন : ইউরোপের বড় বড় কোনো শক্তিই কাতালোনিয়ার স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেবে না। যুক্তরাষ্ট্রও কাতালোনিয়ার স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেবে না বলে জানানো হয়েছে। স্পেনের সার্বভৌমত্বের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে জার্মানি। অন্যদিকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানা রাহয়ের কাজের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ফ্রান্স।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের একজন মুখপাত্র বলেন, স্পেনের অখণ্ডতা অটুট থাকুক এবং তাদের সংবিধান সমুন্নত থাকুক এটি তাদের প্রত্যাশা। যে গণভোটের উপর ভিত্তি করে কতালোনিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে সে গণভোট অবৈধ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, কাতালোনিয়া স্পেনের অখণ্ড অংশ।
কাতালোনিয়া স্পেন থেকে নিজেদের স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার প্রতিক্রিয়ায় কাতালোনিয়ার সংসদ ভেঙে দিয়ে সেখানে কেন্দ্রের শাসন জারি করেছে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানা রাহয়।


তবে বড় কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের কোনো স্বীকৃতি বা সমর্থন না পেলেও স্বাধীনতার দাবীতে অনড় রয়েছে কাতালোনিয়া বিরাট একটি অংশ। সুত্র : বিবিসি

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget