2017-10-01

জনপ্রিয় অনলাইন : ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দুর্দান্ত সাফল্যের রেশ ধরে বিশ্বজুড়ে নানা সংস্থা গড়ে ওঠছিল। মুক্ত বাজার, অবাধ চলাচল, অভিন্ন মুদ্রার গুণগান বর্ণনা করে নানা তত্ত্ব আকাশ-বাতাস মুখরিত করে রেখেছিল। মনে হচ্ছিল, জাতিরাষ্ট্রের অস্তিত্বই বুঝি বিপন্ন হতে চলেছে। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই মুছে যাবে দেশগুলোর নাম। ইইউ, আসিয়ান, সার্ক ইত্যাদির মাধ্যমেই দেশগুলো নিজেদের পরিচিত করবে। 

কিন্তু সেটা এখন সুদূরের স্বপ্ন। খোদ ইইউই ভেঙে যাচ্ছে। ব্রিটেনের মতো দেশ তা থেকে সরে গেছে। উগ্র জাতীয়তাবাদীরা নির্বাচনে জিতলে ফ্রান্স ও জার্মানিও এত দিন বের হয়ে আসত এবং সংস্থাটি ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে পড়ে থাকত। তবে অদূর ভবিষ্যতে যে তা হবে না, তা কেউ বলতে পারে না। উদার আন্তর্জাতিকবাদের বদলে সঙ্কীর্ণ জাতীয়তাবাদের ঢেউ তীব্র বেগে আছড়ে পড়ছে খোদ ওই আঁতুরঘরেই।
এর ধারাবাহিকতায় এখন যুক্ত হয়েছে কাতালোনিয়া। গত রোববার স্পেনের এই অঞ্চলটির ৯০ শতাংশ বেশি ভোটদাতা স্বাধীনতার পক্ষে রায় দিয়েছে। এখন তারা স্বাধীনতা ঘোষণা করার যৌক্তিকতা প্রমাণ করার দাবি করছে। একসময় বার্সেলোনার মাধ্যমে রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে যে লড়াই চালিয়ে আসছিল, এখন সেটা সরাসরি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে পরিণত হবে। গণ ভোটকে রুখতে সম্ভব সবকিছু করেছিল স্প্যানিশ সরকার। কিন্তু কাজ হয়নি। কাতালানদের দুর্বার আকাক্সক্ষার কাছে ভেসে গেছে তাদের দমিয়ে রাখার চেষ্টা।
অবশ্য কাতালানদের স্বাধীনতার এ দাবি সহজে মানবে না স্প্যানিশ সরকার। এমনকি ইউরোপের মোড়লরাও স্বাধীন কাতালোনিয়াকে গ্রহণ করতে করতে নারাজ। কাতালোনিয়া স্বাধীন হয়ে গেলে খুবই ঝুঁকির মুখে পড়ে যাবে আগে থেকেই টালমাটাল অবস্থার মধ্যে থাকা স্প্যানিশ অর্থনীতি। খুব কাছেই সতর্কবার্তা হয়ে ঝুলে আছে গ্রিস ট্র্যাজেডি। গ্রিসের মতো ঋণগ্রস্ত স্পেনেরও আছে দেউলিয়া ঘোষণা হওয়ার আশঙ্কায়। ফলে স্পেনের পাশাপাশি ইউরোপের ওইসব দেশও হয়তো চাইবেন না কাতালোনিয়ার আলাদা হয়ে যাওয়া। তারা স্কটিশদের স্বাধীনতার ডাকও বানচাল করে দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছিল। কারণ তাহলে নতুন করে আরেকটি বড় সঙ্কটের মধ্যে পড়তে হবে ইউরোপের নীতিনির্ধারকদের। এমনিতেই গ্রিস ও সাম্প্রতিক অভিবাসী পরিস্থিতি বেশ জর্জরিত করে রেখেছে তাদের। কিন্তু কাতালানরাও নাছোড়বান্দা। বহু দিনের লালিত স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে এবার বাস্তবে রূপ দিতে বদ্ধপরিকর কাতালোনিয়ার মুক্তিকামী মানুষ।
অনেক প্রাচীন ইতিহাসের অধিকারী এই কাতালোনিয়া। ১১৬৪ সাল পর্যন্ত খুবই শক্তিশালী একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল কাতালোনিয়া। তারপর এটি যুক্ত হয় অ্যারাগনের সাথে। আর ১৪৬৯ সালে অ্যারাগনের রাজা ফার্দিনান্দ ও স্পেনের রানী ইসাবেলার বিবাহবন্ধনের মধ্য দিয়ে স্পেনের সাথে মিলন ঘটে অ্যারাগন ও কাতালোনিয়ার। তখন থেকেই ধীরে ধীরে স্পেনের কেন্দ্রীয় শাসনের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে থাকে কাতালানরা। ১৭১৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করে দেয়া হয় কাতালান রাষ্ট্র। তারপর থেকেই নিজেদের স্বকীয় সংস্কৃতি-ঐতিহ্য-ভাষা চর্চার স্বাধীনতা হারাতে হয়েছে বলে অভিযোগ কাতালোনিয়ার মানুষদের।
যে নিপীড়নের চরম রূপ দেখা গেছে জেনারেল ফ্রাঙ্কোর সামরিক শাসনের (১৯৩৯-১৯৭৫) সময়। ১৯৭০-এর দশকের শেষে স্পেনে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর কাতালোনিয়াকে দেয়া হয় স্পেনের ১৭টি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের মর্যাদা। তবে ভেতরে ভেতরে স্বাধীনতার সুপ্ত বাসনাটাও সবসময় লালন করে গেছে কাতালানরা। সেই দাবি আরো জোরালো হয়েছে ২০০৭-০৮ সালের অর্থনৈতিক ধসের পর। নানাবিধ কৃচ্ছ্রতানীতি মারাত্মক অসন্তোষ তৈরি করেছে কাতালোনিয়ায়। ২০১০ সালে কাতালানরা স্প্যানিশ সরকারকে কর দিয়েছে ৬১.৮৭ বিলিয়ন ইউরো। আর তাদের কাছে এসেছে ৪৫.৩৩ বিলিয়ন। কেন্দ্রীয় স্প্যানিশ সরকারের হাতে বিপুল পরিমাণ টাকা চলে না গেলে আরো উন্নয়ন করা যেত বলে কড়া মন্তব্য করেছিল কাতালোনিয়া সরকার। ঠিক যেন তারা স্কটল্যান্ডেরই আরেক রূপ। ব্রিটিশরা দিতে চাইছে না স্কটল্যান্ডকে স্বাধীনতা।
গত বছরের নভেম্বরে কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা নিয়ে আয়োজন করা হয়েছিল একটি অনানুষ্ঠানিক গণভোট। মাদ্রিদে স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকার অনেক চেষ্টা করেছিল সেটা রুখে দিতে। কিন্তু শেষপর্যন্ত সফল হয়নি। ২.২ মিলিয়ন ভোটারের ভোটে বিপুলভাবে জয়ী হয়েছিল স্বাধীনতার দাবি। ৮০.৭ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার পক্ষে। এবার আরো বেশি লোক স্বাধীন হতে চাইছে। এই দাবি যতই দিন যাচ্ছে, আরো প্রবল হচ্ছে।
কাতালোনিয়াার পরিচয়
কাতালোনিয়ার জনসংখ্যা ৭৫ লাখ। আয়তন ৩২,১১৪ বর্গ কিলোমিটার। সুইজারল্যান্ডের জনসংখ্যার সমান। স্পেনের মোট জনসংখ্যার ১৬ শতাংশ এ কাতালোনিয়ায়। স্পেনের উত্তর-পূর্বের এই প্রদেশটির রাজধানী বার্সেলোনা। এটি স্পেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী। মোট চারটি প্রদেশ নিয়ে গঠিত কাতালোনিয়া : বার্সেলোনা, গিরোনা, লেইদা ও তারাগোনা।
তাদের আছে নিজস্ব ভাষাও। বার্সেলোনা বিশ্বের অত্যন্ত জনপ্রিয় শহরগুলোর একটি, ফুটবল এবং একই সাথে পর্যটনের কারণে।
কাতালোনিয়া অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল। এর লিখিত ইতিহাস এক হাজার বছরেরও বেশি পুরনো।
স্পেনের গৃহযুদ্ধের আগে এই অঞ্চলের ছিল বড় রকমের স্বায়ত্তশাসন। কিন্তু ১৯৩৯ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জেনারেল ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর স্বৈরশাসনের সময় কাতালোনিয়ার স্বায়ত্তশাসনকে নানাভাবে খর্ব করা হয়।
কিন্তু ফ্রাঙ্কোর মৃত্যুর পর সেখানকার জাতীয়তাবাদ আবার শক্তিশালী হতে শুরু করে। এবং তীব্র আন্দোলন ও দাবির মুখে ওই অঞ্চলকে স্বায়ত্তশাসন ফিরিয়ে দেয়া হয়। আর সেটা করা হয় ১৯৭৮ সালের সংবিধানের আওতায়।

স্পেনের পার্লামেন্ট ২০০৬ সালে একটি আইন প্রণয়ন করা হয়, যেখানে কাতালোনিয়াকে আরো কিছু ক্ষমতা দেয়া হয়। কাতালেনিয়াক উল্লেখ করা হয় একটি জাতি হিসেবে। কিন্তু সংবিধানে কাতালোনিয়াকে দেয়া এরকম অনেক ক্ষমতা পরে স্পেনের সাংবিধানিক আদালত বাতিল করে দেয় যা কাতালোনিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। পরিণতিতে তাদের মধ্যে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা আরো বেড়ে যায়।

এনায়েত হোসেন সোহেল,প্যারিস, ফ্রান্স থেকে : ফ্রান্সের পিঙ্ক সিটি খ্যাত তুলুজে দীর্ঘদিন ধরে সততার সাথে ব্যবসা ও বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকান্ডে বিশেষ অবদানের জন্য হিউম্যানিটিজ অ্যাওয়ার্ড পেলো তুলুজের নিউ দিল্লি রেষ্টুরেন্ট।
গত রবিবার(১ অক্টোবর) বিকেলে স্থানীয় একটি মেরির হলে জাকজমক পূর্ন আয়োজনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিষ্টানের কর্ণধার জাহেদ হোসেন নান্নুর নিকট এওয়ার্ড প্রদান করা হয়। তুলুজ সিটি ডেপুটি মেয়র জিললী লাহিয়ানী এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন। ফ্রান্স-বাংলাদেশ সোশ্যাল অ্যান্ড এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের বন্যার্ত ও মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সহযোগিতার জন্য চ্যারিটি শো,আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্টানে বিভিন্ন ব্যক্তি,প্রতিষ্টান এবং সংগঠনকে তাদের স্ব-স্ব কাজে বিশেষ অবদানের জন্য অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। চ্যারিটি শোর আগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি প্রকৌশলী ওসমান হোসেন।
প্রধান অতিথি ছিলেন তুলুজ সিটির ডেপুটি মেয়র জিল্লি লাহিয়ানি। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইপিবিএর সভাপতি শাহনুর খান, লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটের সাবেক মেয়র খালেছ উদ্দীন আহমেদ, ইপিবিএর বাংলাদেশ কো-অর্ডিনেটর ও গাজি টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক ইকবাল করিম,প্যারিস-বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এনায়েত হোসেন সোহেল । বক্তব্য দেন জেন জাকুস বোলজান, উইলি বারডিন, আবদুস সাকির, বরিশাল বিভাগীয় সমিতি ফ্রান্সের সভাপতি মো. মোতালেব খান, কামরুল হাসান, নাহার মমতাজ, ডা. মো. খলিলুল কাইয়ুম, শওকত হোসেন, আবদুর রহিম, জাকির প্রকাশ, কিটন শিকদার, অলিউদ্দীন শামিম, ফারুক খান, লায়লা সাহা, শাহরিয়ার আহমেদ, মহসীন উদ্দীন, জসিম মজুমদার, শামীম উদ্দীন খান, আবুল কালাম, আলী হোসেইন, জাহিদ হোসেন, ইমরান হোসেন ও ফরহাদ হোসেন প্রমুখ। আলোচনা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মিম হোসেন। বক্তারা বন্যার্ত ও রোহিঙ্গাদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমাদের সকলকে এসব ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। তারা ইউরোপসহ বিশ্বের সকল প্রবাসীদের দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। দিল্লি হোটেলের কর্ণধার জাহেদ হোসেন নান্নু হিউম্যানিটিজ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তি প্রসঙ্গে জানান,দীর্ঘ দুইযুগ ধরে তুলুজে আমাদের প্রতিষ্ঠান সেবা দিয়ে আসছে।আমার পিতা জুবের হোসেন মজনু,র সততা নিষ্টা ও কঠোর শ্রমের কারণে আজ আমাদের এই সফলতা। সকলের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে আগামীতে দেশ ও দশের কল্যানে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানের শেষে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পী মিতুয়া ও প্যারিস প্রবাসী শিল্পী সুমা দাসসহ অনেকে। নৃত্য পরিবেশন করেন ফ্রান্স প্রবাসী নৃত্যশিল্পীরা। অনুষ্ঠানে তুলুজ প্রবাসী বাংলাদেশিসহ ইতালি, যুক্তরাজ্য, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, পোল্যান্ড ও প্যারিস থেকে প্রচুর বাংলাদেশি এবং অনেক ফরাসি উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় অনলাইন : ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজেট কমিশনার সতর্ক করে বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষণা দিলে কাতালোনিয়া গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। ব্যাপক পুলিশি সহিংসতায় গণভোট আয়োজনের পর স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে কাতালোনিয়া ও স্পেন সরকারের মধ্যে চলছে উত্তেজনা। এ সংকটের মুখে অনেক বড় বড় ব্যাংক কাতালোনিয়া থেকে তাদের সদর দফতর সরিয়ে নেওয়া ঘোষণা দিয়েছে। শুক্রবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এই খবর জানিয়েছে।


সোমবার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন অঞ্চলটির নেতারা। আঞ্চলিক পার্লামেন্টে এই ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন কাতালানের এমপিরা। তবে বৃহস্পতিবার স্পেনের সাংবিধানিক আদালত কাতালোনিয়া পার্লামেন্টের অধিবেশন স্থগিত করলে পরিস্থিতি নতুন দিকে মোড় নেয়। শুক্রবার কাতালোনিয়ার কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে সোমবার পার্লামেন্টের অধিবেশন বসবে এবং স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হবে।এই পরিস্থিতিতে ইইউ বাজেট কমিশনার গানথার অতিঙ্গা স্পেনের বিবদমান দুই পক্ষকে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন।   তিনি বলেন, এই পরিস্থিত খুবই কঠিন। ইউরোপই একটি গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।  তিনি মনে করেন একমাত্র ইউরোপীয় ইউনিয়নই এই সংকটে মধ্যস্ততা করতে পারে। স্পেনের অন্যতম বৃহত্তম ব্যাংকিং গ্রুপ বাঙ্কো সাবাদেল ঘোষণা দিয়েছে তারা আলিকান্তেতে সদর দফতরে চলে যাচ্ছে। কাইজাব্যাংকেরও একই পরিকল্পনা। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এল মুন্দোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতালোনিয়াকে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হলে ব্যালেরিক দ্বীপে চলে যেতে পারে ব্যাংকটি।বীমা কোম্পানি কাতালান অক্সিডেন্টও বলেছে যেকোনও কিছুর জন্য প্রস্তুত তারা। স্পেন সরকারও চাইছে কাতালোনিয়া থেকে বেরিয়ে আসুক  প্রতিষ্ঠানগুলো। তাই তাদের প্রক্রিয়াও সহজ করার চেষ্টা করছে তারা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‍শুক্রবার এই বিষয়ে নির্দেশনা আসবে। বুধবার স্প্যানিশ শেয়ারবাজারেও ধস নামে। ব্রেক্সিটের পর এটিই সর্বোচ্চ দরপতন। মাদ্রিদ সম্মেলনে যোগ দিতে আসা সংগঠনগুলোও শোনাচ্ছে অশনি সংকেত। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থাগুলোও কাতালোনিয়ায় ভোটারদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর বিনিযোগে আগ্রহ হারাচ্ছে। কাতালোনিয়া বংশদ্ভূত ব্রিটিশ ব্যবসায়ী জ্যাভিয়ের এডাম দ্য টেলিগ্রাফকে বলেছেন, তিনি এই পরিস্থিতিতে স্পেনে সবরকম বিনিয়োগের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন। লন্ডনে স্প্যানিশ দূতাবাসে পাঠানো এক চিঠিতে অ্যাডাম বলেন, তার এএমসি নেটওয়ার্ক কোম্পানি ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। নেতিবাচক প্রচারণা, শুধু ভোট দিতে চাওয়া নিরপরাধ মানুষের উপর চড়াও হওয়ায় তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্পেনর অর্থমন্ত্রী লুইস দে গুইন্দোও কাতালোনিয়ায় আলাদা হওয়ায় ব্যাংকগুলো চলে যাবে ও অস্থিতিশীল অবস্থার তৈরি হবে বলে ইঙ্গিত দেন। ব্লুমবার্গ নিউজকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, এ থেকেই বোঝা যায় কাতালোনিয়ার সরকার কতটা পাগল।অবশ্য কাতালান প্রেসিডেন্ট কার্লেস পুইজেমন্ত বুধবার নিজ অবস্থা অটল থাকলে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্বাধীনতার ঘোষণা তারিখ সম্পর্কে নিশ্চিত করতে পারেননি। স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয়ের ভাষায় কাতালোনিয়ার সংলাপের আশা আরও কমে গেছে। তিনি জানান, তিনি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন এবং কোনোরকম স্বাধীনতার ঘোষণা আসবে না।

জনপ্রিয় অনলাইন : রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে শুক্রবার (৬ অক্টোবর) মাদ্রিদের আদালতে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন কাতালানের পুলিশ প্রধান জোসেফ লুই ট্রাপেরো। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, কাতালানের স্বাধীনতা আন্দোলনের দুই নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তির পাশাপাশি ট্রাপেরোও আদালতে হাজিরা দেন।
স্পেন থেকে কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার প্রশ্নে ১ অক্টোবরের গণভোটকে সামনে রেখে ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বরের সহিংস বিক্ষোভ ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়েছে। স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের দাবি, ট্রাপেরোর নেতৃত্বাধীন ১৭০০০ সদস্যের পুলিশ বাহিনী কাতালানে স্বাধীনতা প্রশ্নে অনুষ্ঠিত গণভোট ঠেকাতে তেমন কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। সিএনএন জানিয়েছে, আদালত থেকে বের হওয়ার সময় ট্রাপেরো সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তবে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত থাকছে।
বিদ্রোহী গোষ্ঠী ওমনিয়াম কালচারাল এর প্রধান জোরডি কুইজার্ট সাংবাদিকদের বলেছেন, আদালতে তিনি বিচারপতিকে জবাব না দেওয়ার অধিকার চর্চা করেছেন। জোরডি বলেন, আমি এ ব্যাপারে আদালতের কর্তৃত্বের স্বীকৃতি দিই না।

রাজনৈতিক ইস্যুকে আদালতের মাধ্যমে সুরাহা করতে চাওয়ায় স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করেছেন তিনি। তার আশা, স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ শিগগিরই আলোচনার পথে আসবে।

প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, রাজারহাট(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ অবশেষে উদ্যমী ২২ যুবক ও ছিনাই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যানের অক্লান্ত পরিশ্রমে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়া ব্রীজটির উপর বাঁশের সাঁকো নির্মিত করা হয়।
ফলে ওই বিছিন্ন এলাকার ৬টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের যাতায়াতের দূর্ভোগ লাঘব হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওই বাঁশের সাঁকোটি উন্মুক্ত করে উদ্বোধন করেন কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি আলহাজ¦ মোঃ জাফর আলী। এ সময় প্রধান উদ্যাক্তা ছিনাই ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক সাদেকুল হক নুরুর সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন-রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি চাষী এম এ করিম, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আবুনুর মোঃ আক্তারুজ্জামান, ওসি মোখলেসুর রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ আব্দুস সালাম, সাহেদুল হক বসুনিয়া, প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এ বাবলু, সাধারন সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, এলাকাবাসীর পক্ষে হাসান আলী মন্ডল ও  কোরবান আলী প্রমূূূূখ। উল্লেখ্য, গত ১৩ আগষ্ট দিবাগত রাতে ধরলা নদীর বাঁধ ভেঙ্গে স্বরণকালের এক ভয়াবহ বন্যায় ছিনাই গেট-কালুয়া বাজার পর্যন্ত রাস্তার পথিমধ্যে পাকা রাস্তার ব্রীজটি ভেঙ্গে  জনদূভোর্গের সৃষ্টি হয়।
এ দুর্দশা লাঘবে অত্র এলাকার ২২ যুবকের উদ্যোগে এলাকার মানুষের নিকট কয়েক শতাধিক বাঁশ সংগ্রহ করে অত্র ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সাদেকুল হক নুরুর সার্বিক সহযোগীতায় ৮০ ফিট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফিট চওড়া মনোমুগ্ধকর সাঁকোটি মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে তৈরি সম্পন্ন করে। বিছিন্ন এলাকার মানুষের যাতায়াতের জনদূর্ভোগ লাঘব হওয়ায় এলাকাবাসীরা উদ্যাক্তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

কবির আল মাহমুদ,মাদ্রিদ,স্পেন :: স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বাংলাদেশি শিল্পী কুলাকৌশলীদের ও সাংস্কৃতিককর্মীদের নিয়ে আঠকুঠুরি নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন এর আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। স্পেন প্রবাসী বাংলাদেশী সাংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ়করণ, তাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, কল্যাণ ও সংহতির প্রয়োজন পূরণ এবং বাংলাদেশের সঙ্গে প্রবাসী প্রজন্মের মধ্যে আস্থা, নির্ভরতার এবং বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের সাংস্কিতির সেতুবন্ধন গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে গঠিত হয়েছে আঠকুঠুরি। গত কাল (৫অক্টবুর) বৃহস্পতিবার স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের বাংলা সেন্টারে আয়োজিত এক সভায় আঠকুঠুরি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সাংস্কিতিক কর্মী আবু তাহের সাজুর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক কবির আল মাহমুদ ,বাউল শিল্পী গোলাম কিবরিয়া ,আধুনিক শিল্পী ইমরান খান ,গোলাম শাহরিয়া ,তানিম আহমেদ প্রমুখ। সভায় কবির আল মাহমুদ কে আহবায়ক এবং বাউল শিল্পী গোলাম কিবরিয়া কে সদস্য সচিব ১১ সদস্য আঠকুঠুরির বিশিষ্ট একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। আগামী ১ মাসের মধ্যে একটি পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

সাইফুল আমিন।মাদ্রিদ থেকে: মাদ্রিদে স্পেন বিএনপির সদস্য নবায়ন ও ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।এ উপলক্ষে গত বুধবার মাদ্রিদের বাংলা সেন্টার হলে বিএনপি স্পেন শাখার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্পেন বিএনপির সভাপতি আব্দুল কায়ূম পংকি। ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মো: হুমায়ুন কবির রিগ্যান এর পরিচালনায় আয়োজিত সভায় বক্তারা বলেন, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে সমস্যা সমাধানে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এ ছাড়া গণমানুষের রাজনৈতিক দল বিএনপিকে চিরতরে ধ্বংস করতে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার উঠে পড়ে লেগেছে।
এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দলের চেয়ারপারসনসহ সিনিয়র নেতাদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। সভায় বক্তব্য দেন স্পেন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি সুহেল আহমেদ সামসু,সাধারন সম্পাদক মনোয়ার হোসাইন মনু ,সহ সভাপতি আব্দুল গফুর মিলন ,সহ সভাপতি সাইফুল আলম,সহসভাপতি ফজির আলী নাদিম ,স্পেন যুবদল সভাপতি রমিজ উদ্দিন সরকার ,যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আব্দুল মোতালিব বাবুল ,সাবেক সেচ্ছাসেবক দল নেতা সেলিম মিয়া,বি এন পি নেতা ওলিউর রহমান ,সালেহ আহমেদ ,স্পেন যুবদলের সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান ,বিএনপি নেতা আজিজুর রহমান,মাহবুবুর রহমান ,
সাজু ইসলাম সাবেক সেচ্ছাসেবক দল নেতা মোহাম্মদ হাদী ,ফারহান আহমেদ ,ফয়েজ উদ্দিন ও হাবিব আলী প্রমুখ। বক্তারা আরও বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। বিএনপি গণমানুষের দল। দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে বিএনপির আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। অচিরেই দেশের মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরিয়ে আনতে বিএনপি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের কর্মসূচি ঘোষণা করবে

সেলিম আলম ,মাদ্রিদ: শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিন আজ। নানা আচারের মধ্য দিয়ে গত ( ২৯ সেপ্টেম্বর )শুক্রবার স্পেনের মাদ্রিদে মহা নবমী পালিত হয়েছে।
 
শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শুভ বিজয়া দশমী। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আজ সমাপ্তি ঘটবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ এই ধর্মীয় উৎসবের। পূজা উদ্‌যাপন কমিটি জানান, গতকাল মহানবমী বিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে এখানে আরতি প্রতিযোগিতা ও প্রসাদ বিতরণ হয়েছে। তবে আজ সব মণ্ডপেই থাকবে বিষাদের সুর। কারণ, আজ বিজয়া দশমীর দিনে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মর্ত্য ছেড়ে কৈলাসে স্বামীগৃহে ফিরে যাবেন দুর্গতিনাশিনী দুর্গা।
পেছনে ফেলে যাবেন ভক্তদের পাঁচ দিনের আনন্দ-উল্লাস আর বিজয়ার অশ্রু। মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মহাষষ্ঠীর মাধ্যমে শুরু হয় পাঁচ দিনের দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। প্রতিবারের মতো মহাষষ্ঠী, মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী ও মহা নবমীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ ধর্মীয় নানা আচার অনুষ্ঠান পালন করেছেন। প্রতি বছরের মতো গত ২৭ সেপ্টেম্বর পুজা মন্ডপ গুলি পরিদর্শন করেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার,তিনি বলেন বাংলাদেশে এবার অনেক বেশি নিরাপত্তা ও সৌহার্দ্য পুর্ন পরিবেশে পুজা উদযাপিত হচ্ছে এবং স্বাধীন ভাবে সেখানে লোকজন অংশ গ্রহন করছে, তিনি আরো বলেন ,বর্তমান সরকারের আমলে সকল ধর্মের মানুষ নিরাপত্তার সাথে সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে নিজেদের ধর্মানুষ্ঠান পালন করতে পারছেন যা অন্য কোন সরকারের আমলে সম্ভব হয়নি, পরিদর্শক হিসেবে দুতাবাসের কমার্স মিনষ্টার নাবিদ সাফিউল্লাহ,প্রথম সচিব শরিফুল ইসলাম সহ দূতাবাসের কর্ম কর্তা বৃন্দ ও উপস্থিত ছিলেন।
২৮ সেপ্টেম্বর সকালে স্পেনে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত ডি বি ভেনকাতেষ ভার্মা মন্ডপ পরিদর্শনে আসেন,এ সময় তিনি বলেন, দশমীই মূলত দুর্গাপূজার প্রধান অনুষঙ্গ। তবে দেবী দুর্গার বিদায় অর্থাৎ স্বামী গৃহে গমনের পাঁচ দিন পরেই লক্ষ্মীপূজার মধ্য দিয়ে আবার পিতৃগৃহে ফিরে আসবেন তিনি। মানুষের মনের আসুরিক প্রবৃত্তি যেমন কাম, ক্রোধ, হিংসা, লালসা বিসর্জন দেওয়াই বিজয়া দশমীর মূল তাৎপর্য। সার্বজনীন পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি উত্তম মিত্রের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক স্বপন কুমার সাহার সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় উপস্থিত ছিলেন মান্না চক্রবর্তী ,বনলতা মিত্র,সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদের সিনিয়র সহ সভাপতি শ্যামল তালুকদার ,সহ সভাপতি সু শান্ত দে বাপ্পি ,সাংগঠনিক সম্পাদক বিকাশ চক্রবর্তী প্রমুখ। পূজামন্ডপ পরিদর্শনে সংগঠনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূত দয়কে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়।মাদ্রিদের বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় বাংলাদেশ এসোসিয়েশন এর হল রুমে সার্বজনীন পূজামণ্ডপ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া আরো দুইটি স্থানে অস্থায়ী পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করেছে মাদ্রিদে বসবাসরত বাংলাদেশি হিন্দু সম্প্রদায়।

বিজ্ঞপ্তি: উচ্চতর শিক্ষা অর্জনের জন্য যুক্তরাজ্য যাত্রা করেছেন বিশ্বনাথের এম. আফতাব আহমেদ। তিনি বিএনপি নেতা ড. মুজিবুর রহমান, সিলেট শাহজাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রফেসর ও টক শো ব্যাক্তিত্ব ড. মুজিবুর রহমান, রামপাশা তাফসীরুর কোরআন সংস্থার সভাপতি এম. মাহবুব আলম এবং কাতালোনিয়া বিএনপি নেতা এম. লায়েবুর রহমানের ছোট ভাই। বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্যের উদ্দ্যেশে আফতাব আহমেদ যাত্রা করেন। তিনি যে উদ্দেশ্য, স্বপ্ন ও আশা নিয়ে যুক্তরাজ্যে যাত্রা করেছেন তা যেন পূর্ণ হয় এজন্য আফতাব আহমেদ সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন। 

জনপ্রিয় অনলাইন : কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা ঠেকাতে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটির আগামী সোমবারের (৯ অক্টোবর) অধিবেশন স্থগিত করেছে স্পেনের কেন্দ্রীয় সাংবিধানিক আদালত। ৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার আদালত এই আদেশ জারি করে। এতে বলা হয়, কাতালোনিয়ার পার্লামেন্টের আগামী সপ্তাহের অধিবেশনে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরও অধিবেশনের আয়োজন করা হলে তা হবে সংবিধান লঙ্ঘন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

আগামী সোমবার কাতালোনিয়ার পার্লামেন্টে স্বাধীনতার ঘোষণার কথা জানিয়েছিলেন স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটির নেতারা। তবে এর আগেই বৃহস্পতিবার এ ইস্যুতে স্পেনের সাংবিধানিক আদালতের নিষেধাজ্ঞা এলো।
ব্যাপক পুলিশি সহিংসতার মুখে স্পেন সরকার কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত ওই গণভোটের আয়োজন করে কাতালোনিয়ার কর্তৃপক্ষ। আগেই নেতারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, গণভোটে স্বাধীনতাপন্থীরা জয়ী হলে কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হবে।
গণভোটের পর কাতালান প্রেসিডেন্ট কার্লেস পুইজমেন্ট জানিয়েছিলেন তিনি সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক মধ্যস্ততার পক্ষপাতী। কিন্তু স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকার তা প্রত্যাখ্যান করে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয় জানান, যে কোনও ধরনের সমঝোতার আগে কাতালোনিয়াকে আইনের পথে ফিরে আসতে হবে।
কাতালোনিয়ার স্বাধীনতাপন্থী পপুলার ইউনিটি ক্যান্ডিডেসি (সিইউপি)-এর এমপি বয়া বলেন, আমরা জানি বাধা ও গ্রেফতার করা হতে পারে। কিন্তু আমরা প্রস্তুত এবং কিছুতেই থামানো যাবে না।
কাতালান প্রেসিডেন্ট কার্লেস পুইজমেন্ট জানান, তিনি কাতালোনিয়ার পার্লামেন্টে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার প্রস্তাব তুলবেন। তিনি বলেন, এখন সময় মধ্যস্ততার। আমরা অনেক প্রস্তাব পেয়েছি শেষ মুহূর্তে এবং আরও অনেক পাবো।
নির্দিষ্ট তারিখের কথা উল্লেখ না করে পুইজমেন্ট জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কাতালোনিয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, গতকালের চেয়ে আজ আমরা নিজেদের ঐতিহাসিক আকাঙক্ষার অনেক কাছে। তবে স্পেন সরকার জানিয়েছে, পুইজমেন্ট কাতালোনিয়াকে আইনের পথে নিয়ে আসার সুযোগ নষ্ট করেছেন।

উল্লেখ্য, ১ অক্টোবর গণভোটে কাতালোনিয়ার ৯০ শতাংশ মানুষ স্বাধীনতার পক্ষে রায় দিয়েছেন। গণভোটে ভোটারদের উপস্থিতির হার ৪২ শতাংশ। মাদ্রিদকেন্দ্রিক স্প্যানিশ সরকারের আবেদনের প্রেক্ষিতে দেশটির সাংবিধানিক আদালত কাতালোনিয়ার গণভোটকে অবৈধ ঘোষণা করে। ভোটের দিন ব্যাপক পুলিশি সহিংসতায় ৮ শতাধিক মানুষ আহত হন।

জনপ্রিয় অনলাইন : গণভোটের পর এবার স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করতে যাচ্ছেন কাতালোনিয়ার নেতারা। কাতালোনিয়ার নেতারা  জানিয়েছেন সোমবার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হবে।ব্যাপক পুলিশি সহিংসতার মুখে স্পেন সরকার কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত গণভোট আয়োজন করে কাতালোনিয়া। আগেই নেতারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, গণভোটে স্বাধীনতাপন্থীরা জয়ী হলে কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হবে। এই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সোমবার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা দেবেন নেতারা।
গণভোটের পর কাতালান প্রেসিডেন্ট কার্লেস পুইজমেন্ট জানিয়েছিলেন তিনি সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক মধ্যস্ততার পক্ষপাতী। কিন্তু স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকার তা প্রত্যাখ্যান করে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয় জানান, যে কোনও ধরনের সমঝোতার আগে কাতালোনিয়াকে আইনের পথে ফিরে আসতে হবে।
কাতালোনিয়ার স্বাধীনতাপন্থী পপুলার ইউনিটি ক্যান্ডিডেসি (সিইউপি)-এর সংসদ সদস্য মেরিয়া বয়া জানান, সোমবার কাতালোনিয়ার সংসদে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা জানি বাধা ও গ্রেফতার করা হতে পারে। কিন্তু আমরা প্রস্তুত এবং কিছুতেই থামানো যাবে না।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে পুইজমেন্ট জানান, তিনি কাতালোনিয়ার সংসদে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার প্রস্তাব তুলবেন। তিনি বলেন, এখন সময় মধ্যস্ততার। আমরা অনেক প্রস্তাব পেয়েছি শেষ মুহূর্তে এবং আরও অনেক পাবো।
নির্দিষ্ট তারিখের কথা উল্লেখ না করে পুইজমেন্ট জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কাতালোনিয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, গতকালের চেয়ে আজ আমরা নিজেদের ঐতিহাসিক আকাঙক্ষার অনেক কাছে।
তবে স্পেন সরকার জানিয়েছে, পুইজমেন্ট কাতারোনিয়াকে আইনের পথে নিয়ে আসার সুযোগ অপচয় করেছেন।
উল্লেখ্য, ১ অক্টোবর গণভোটে কাতালোনিয়ার ৯০ শতাংশ মানুষ স্বাধীনতার পক্ষে রায় দিয়েছেন। গণভোটে ভোটারদের উপস্থিতির হার ৪২ শতাংশ। মাদ্রিদকেন্দ্রিক স্প্যানিশ সরকারের আবেদনের প্রেক্ষিতে দেশটির সাংবিধানিক আদালত কাতালোনিয়ার গণভোটকে অবৈধ ঘোষণা করে। ভোটের দিন ব্যাপক পুলিশি সহিংসতায় ৮ শতাধিক মানুষ আহত হন। রয়টার্স

জনপ্রিয় অনলাইন: কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা প্রসঙ্গে স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ স্প্যানিশ সরকারের অবস্থানকেই গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন কাতালান নেতা কার্লেস পুইজমন্ট। তবে কাতালানরা নিজেদের পথেই হাঁটবে জানিয়ে আগামী সপ্তাহেই নিজেদের স্বাধীনতার ঘোষণা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, একটি টিভি চ্যানেলে দেওয়া ভাষণে পুইজমন্ট রাজা ষষ্ঠ ফিলিপের বক্তব্যের এমন কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, রাজা ইচ্ছাকৃতভাবেই লাখ লাখ কাতালানকে উপেক্ষা করছেন। তার অবস্থান স্প্যানিশ সরকারের অবস্থানকেই তুলে ধরেছে।
এর আগে, রবিবার (১ অক্টোবর) স্বাধীনতার প্রশ্নে কাতালানদের গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার একদিন পর মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) টেলিভিশনে ভাষণ দেন রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ। ওই ভাষণে তিনি কাতালানদের গণভোটকে বেআইনি ও অগণতান্ত্রিক বলে উল্লেখ করেন।
স্প্যানিশ রাজার এমন অবস্থানকে স্পেন সরকারের অবস্থানের সঙ্গেই তুলনা করেছেন কাতালান নেতা পুইজমন্ট। স্পেনের সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজার ওপর স্পেন ও কাতালোনিয়ার মধ্যে মধ্যস্ততাকারীর ভূমিকা পালন করার কথা থাকলেও রাজা সেই দায়িত্ব প্রত্যাখ্যান করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
এদিকে, স্পেন সরকারের পক্ষ থেকে পুইজমন্টের বক্তব্য খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, কাতালান এই নেতা স্পেনকে ব্ল্যাকমেইল করতে চাইলেও তাতে সাড়া দেবে না মাদ্রিদ। স্প্যানিশ সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কোনও ধরনের আলোচনা করার আগেই পুইজমন্টকে আইনের পথে ফিরতে হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাজার সমালোচনা করেই পুইজমন্ট প্রমাণ করেছেন যে তিনি বাস্তবতাবিবর্জিত হয়ে পড়েছেন।

এর আগে, মঙ্গলবার পুইজমন্ট বিবিসিকে বলেছিলেন, এ সপ্তাহের শেষের দিকে বা সামনের সপ্তাহের শুরুর দিকেই কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা আসতে পারে। অন্যদিকে, কাতালান সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সোমবার সংসদে তারা বিশেষ এক অধিবেশনে বসবেন, যেখানে আলোচিত এই গণভোটের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
উল্লেখ্য, নিজেদের স্বাধীনতার দাবিতে স্পেন সরকারের বিরোধিতার মুখে গণভোটে অংশ নেয় কাতালানরা। এখনও আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করা না হলেও গণভোটে ৯০ শতাংশ কাতালান স্বাধীনতার পক্ষেই রায় দিয়েছে বলে জানিয়েছে কাতালান কর্তৃপক্ষ।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget