2017-09-17

জনপ্রিয় অনলাইন : রোহিঙ্গা ইস্যুতে পুরো দেশবাসীকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হয়াইং। তিনি দাবি করেন, তার দেশের সঙ্গে রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের কোনো সম্পর্ক নেই।
এএফপি’র খবরে প্রকাশ, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রাখাইন প্রদেশে তাদের ‘উচ্ছেদ অভিযানের’ উদ্দেশ্য হলো ২৫ আগস্ট যেসব রোহিঙ্গা বিদ্রোহী পুলিশ পোস্টে হামলা চালিয়েছে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়া। তাদের এই অভিযানে অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে সহিংসতা। আর এই সহিংসতা থেকে বাঁচতে ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

পালিয়ে আসা শরণার্থীরা জানাচ্ছে, সেনাবাহিনীরা তাদেরকে হত্যা করছে ও তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিচ্ছে। জাতিসঙ্ঘের কর্মকর্তারা এই অভিযানকে রোহিঙ্গাদের জাতিগত নিধনযজ্ঞ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
খবরে বলা হয়, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের অবস্থান বহু সময় ধরেই ব্যাপক আলোচিত বিষয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অনেকেই এই সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়টিকে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অবৈধ অভিবাসী হিসেবে দেখে। এমনকি তাদেরকে রোহিঙ্গা বলেও স্বীকৃতি দেয় না। তাদের কাছে রোহিঙ্গাদের পরিচয় বাঙ্গালি।
মিয়ানমার সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হয়াইংয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে শনিবার এক পোস্টে বলেন, ‘তারা রোহিঙ্গা হিসেবে স্বীকৃতি দাবি করছে; যা মিয়ানমারে জাতিগত গোষ্ঠী হিসেবে কখনো ছিল না। বাঙালি ইস্যু আমাদের জাতীয় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং সত্য প্রতিষ্ঠা করতে আমাদেরকে একত্রিত হতে হবে।’
পুরো বিশ্বজুড়ে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর এই নৃশংস অভিযানের সমালোচনা করা হচ্ছে, নিন্দা জানানো হচ্ছে। মিয়ানমারের কার্যত বেসামরিক নেত্রী অং সান সু চির হাতে সেনাবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নেই। তবে সামরিক বাহিনীর এই অভিযানের প্রতি নিন্দা প্রকাশ না করায় তিনিও সমালোচিত হয়েছেন ব্যাপকভাবে।
মঙ্গলবার এই নোবেলজয়ী দেশনেত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে দেশবাসীর কাছে বক্তব্য রাখবেন। অনেকের ধারণা এই বক্তব্যে তিনি এতদিন কেন এই ইস্যুতে চুপ ছিলেন তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে।

রোহিঙ্গারা সন্ত্রাসী নয় : মমতা

জাতিসঙ্ঘের ডাকে সাড়া দিয়ে রোহিঙ্গাদের সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সাথে তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গারা সন্ত্রাসী নয়, তারা নিরীহ সাধারণ মানুষ। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার যখন রোহিঙ্গাদের দেশ থেকে বিতাড়িত করার পরিকল্পনা করছেন, ঠিক তখনই এমন মন্তব্য করলেন মমতা।
শুক্রবার এক টুইটবার্তায় মমতা বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের সাহায্য করার ব্যাপারে জাতিসঙ্ঘ যে আবেদন রেখেছিল আমরা তাকে সমর্থন করি। আমরা বিশ্বাস করি, সব মানুষই সন্ত্রাসবাদী নয়। আমরা এই বিষয়টি নিয়ে সত্যিই খুব উদ্বিগ্ন।’
মমতা এমন এক সময়ে রোহিঙ্গাদের পে কথা বললেন, যখন দেশটির স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজু রোহিঙ্গাদের অবৈধ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। রোহিঙ্গা শরণার্থী ইস্যুতে ভারতকে ভিলেন বানানোর অপচেষ্টা চলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ইন্ডিয়া টুডে

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকবে ব্রিটেন : হাইকমিশনার
শুধু মানবিক সহায়তা নয়, রোহিঙ্গা সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধানেও বাংলাদেশের পাশে থাকবে ব্রিটেন।
বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক গতকাল নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা জানান। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের জন্য ব্রিটেন সম্প্রতি দুই কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে।
ব্লেক বলেন, ব্রিটেন রাখাইন সঙ্কটের একটি টেকসই সমাধান এবং আনান কমিশনের প্রতিবেদনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন চায়। রাখাইনে কী ঘটেছে তা তদন্ত করতে জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার কমিশনের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনকে সহায়তা দেবে ব্রিটেন। রাখাইনে সহিংসতায় জড়িত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা সঙ্কটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য জরুরি।
হাইকমিশনার বলেন, সম্প্রতি কক্সবাজারের কুতুপালং সফরকালে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের দুঃসহ অভিজ্ঞতার কথা শুনেছি। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদে এবং অধিকার নিয়েই নিজ বাসভূমিতে ফিরতে পারা উচিত। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়া এবং দীর্ঘ মেয়াদে শান্তি ও সমাধানের পথে মিয়ানমারকে আসতেই হবে।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থন ও সহানুভূতি বাড়ছে উল্লেখ করে ব্লেক বলেন, চলতি মাসে জাতিসঙ্ঘ সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের অন্যান্য বন্ধু রাষ্ট্রের পাশাপাশি রোহিঙ্গা ইস্যুতে ব্রিটেনও সক্রিয় থাকবে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সাথে বৈঠক করবেন।

সম্প্রতি জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান জানিয়ে ব্রিটেন ও সুইডেন আলোচনার প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতা বন্ধে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানানোর পাশাপাশি উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করে নিরাপত্তা পরিষদ।
সুত্র : নয়াদিগন্ত ।

জনপ্রিয় অনলাইন : বাংলাদেশে কক্সবাজার অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের দুর্দশাকে পুঁজি করে এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী ও লোকজন মোটা অঙ্কের মুনাফা লুটছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত নৌকায় পৌঁছাতে দুপাশেই অনেকে বড় অংকের অর্থ দিয়েছেন বলে অভিযোগ করছেন। থাকার খুপরি বানাতে বাঁশ আর পলিথিনের দাম বেড়েছে বহুগুণ।
যাতায়াতেও তাদের কাছ থেকে অনেক বেশি অর্থ নেয়া হচ্ছে। তবে বিজিবি ও স্থানীয় পুলিশ বলছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এধরনের লোকদের সাজা দেয়া হচ্ছে।

মংণ্ডূর শিগদাপাড়ার আজিজুর রহমান গত রাতে নৌকায় করে এসে পৌঁছেছেন শাহপরীর দ্বীপ। সেখান থেকে আবারো নৌকায় করে টেকনাফের নয়াপাড়া।
আজিজুর রহমান বলছেন পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে নিয়ে নৌকায় করে আসতে ওপারেই তাকে বার্মিজ মুদ্রায় ১৮ লাখ দিতে হয়েছে।
তিনি বলছেন তার পাড়ার প্রায় সব বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তাই জীবনের ভয়ে বাঁচতে এই অর্থ তাকে খরচ করতে হয়েছে।
বাংলাদেশ অংশে পৌঁছানোর পর তার মতো বিপদগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের সহায়তা করছে বহু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। কিন্তু একই সাথে কক্সবাজার অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের দুর্দশাকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের ব্যবসা গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
কীভাবে সেটি হচ্ছে তার খানিকটা ধারণা দিয়ে টেকনাফের স্থানীয় সাংবাদিক এম আমানুল্লাহ আমান বলছেন, "ওরা বৃষ্টি থেকে বাঁচতে অনেকেই ছোট খুপরি বানাচ্ছে। বাঁশ ব্যবসায়ীরা একটা বাঁশ যেখানে বিশ টাকা করে বিক্রি করতো সেটা ধরেন চল্লিশ পঞ্চাশ টাকায় বিক্রি করেছে।"

"পলিথিনের দাম তাও দ্বিগুণ হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা রোহিঙ্গাদের নিয়ে ভালোই নানা রকম ব্যবসা শুরু করেছেন। আমাদের এলাকায় চালের দামও বস্তায় পাঁচ থেকে সাতশো টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।"
মিয়ানমারের রাখাইনে নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে আগস্টের ২৫ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম বলছেন নৌকায় করে তাদের আনা-নেয়ার একটি ব্যবসা তারা দেখেছেন এবং সেটি তারা বন্ধ করারও চেষ্টা করছেন।
তিনি জানিয়েছেন, "সাগরপথে যারা এসেছেন তাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যাদের বাংলাদেশ থেকে নৌকায় গিয়ে তাদের নিয়ে আসা হয়েছে। নৌকার মাঝিরা তাদের কাছ থেকে তিন হাজার থেকে শুরু বিশ হাজার টাকা পর্যন্তও নিয়েছে।"
"রোহিঙ্গারা এখন খুব দামি প্যাসেঞ্জার। তারা এত বিপদগ্রস্ত তারপরও তাদের কাছ থেকে এভাবে টাকা পয়সা নেয়া হচ্ছে।"
তিনি আরো বলছেন, "তারা মাছ ধরার নাম করে সাগরে যাচ্ছে এবং এ ধরনের কাজ করছে। তো এখন আমরা জেলা প্রশাসনের সাথে কথা বলে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেছি।"
কিন্তু বাংলাদেশে একবার পৌঁছানোর পরও তাদের বেশ অর্থ খরচ করতে হচ্ছে মাথার উপর একটু খুপরি তৈরি করতে বা ক্যাম্প পর্যন্ত যাতায়াতে।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার একেএম ইকবাল হোসেন বলছেন এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি বলছেন, "কেউ যেন অসহায় মানুষদের নিয়ে ব্যবসা না করতে পারে সেজন্য আমরা তৎপর আছি। যদি আমরা এরকম খোঁজ পাই তাহলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে নানা মেয়াদে সাজা দেয়া হচ্ছে।"
"এখনো পর্যন্ত আমরা আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত দিয়ে এপর্যন্ত আমরা ২৭০ জনকে সাজা দিয়েছি।"
তিনি দাবি করছেন গত কয়েক সপ্তাহে যে ধরনের পরিস্থিতি ঐ অঞ্চলে তৈরি হয়েছিল তার অনেকটাই তারা নিয়ন্ত্রণে এনেছেন।

সুত্র : বিবিসি বাংলা ।

জনপ্রিয় অনলাইন : টিপটিপ বৃষ্টি টেকনাফে প্রায় প্রতিদিনই হয়। দিনের শুরুতে অথবা শেষে। আজ রোববার সকাল থেকেই বেগ বেড়েছিল বৃষ্টির। বিশেষ করে উখিয়া উপজেলায় বেশ ভারী বৃষ্টিই হয়েছে। বৃষ্টিতে ভিজে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
ত্রাণের আশায় রোহিঙ্গাদের অনেকেই তাদের জন্য তৈরি করা উখিয়া ও টেকনাফের নতুন আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে না গিয়ে বসে ছিল সড়কের দুই পাশে। উখিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের গতকাল সড়কে পাশ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বৃষ্টির মধ্যেই ঝুপড়ি বস্তি ভেঙে পাহাড়ের ঢালের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে যেতে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে কাদাপানিতে পিচ্ছিল পথে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা চলতে-ফিরতে সমস্যায় পড়েন।
মিয়ানমারের মংডুর মংলাপাড়া এলাকা থেকে দিল মোহাম্মদ আটজন সদস্য নিয়ে আজ সকালে টেকনাফের গোলারচর আসেন। সেখান থেকে দুপুরে এসে পৌঁছান টেকনাফ সদরে। আজ দুপুরে যখন এই পরিবারটির দেখা মেলে, তখন তাদের কাছে কোনো ছাতা ছিল না। বৃষ্টিতে ভিজছিল।
রোহিঙ্গাদের এসব নতুন আশ্রয়কেন্দ্র করা হয়েছে উখিয়ার থাইংখালি, বাগগুনা ও টেকনাফের পুটিবুনিয়ায়। উখিয়ার কুতুপালং এবং টেকনাফের লেদা ও নয়াপাড়ার পুরোনো আশ্রয়কেন্দ্রেও উঠেছেন হাজার হাজার রোহিঙ্গা। এ ছাড়াও এই দুই উপজেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে মাঝারি ও ছোট আকারের অনেকে রোহিঙ্গা বস্তি গড়ে উঠেছে। এসব নতুন বস্তিতে এখনো শক্তপোক্ত অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি। অসমতল মাটির ওপরে বাঁশের খুঁটি পুঁতে তার ওপর ত্রিপল বা লবণ খেতে ব্যবহৃত প্লাস্টিক সিট বিছিয়ে ছাউনি করা হয়েছে। এই ছাউনি হালকা ছিটেফোঁটা বৃষ্টির পানি আটকাতে পারলেও একটু ভারী বর্ষণ থেকে রক্ষা পাওয়ার উপযোগী নয়। সে কারণে গতকাল আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর অনেক ঝুপড়ি ঘরেই পানি প্রবেশ করেছে। 

উখিয়ার থাইংখালি, বালুখালি ও কুতুপালং আশ্রয়কেন্দ্রে এখন নতুন আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা চার লাখ ছাড়িয়ে গেছে। টেকনাফেও নতুনদের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দেড় লাখ। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় লাখ নতুন রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ঘটেছে গত ২৫ আগস্টের পর থেকে। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ অব্যাহত আছে। এখন টেকনাফের শাহপরী দ্বীপের বঙ্গোপসাগর প্রান্ত দিয়ে নৌকায় করে রোহিঙ্গারা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসছে।
নতুন আসা রোহিঙ্গাদের আবাসনসংকটের পাশাপাশি খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, জ্বালানি, শৌচাগার ও চিকিৎসার সংকট দিনে দিনে বেড়েই চলছে। আচমকা এত বিপুল মানুষের স্রোত আসায় তাদের সামাল দেওয়ার কোনো পূর্বপ্রস্তুতি প্রশাসনের ছিল না। এসব মানুষের আশ্রয় ও অন্যান্য জীবনোপকরণ সরবরাহ করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের সবাইকেই যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে।
সরেজমিনে উখিয়া ও টেকনাফের নতুন-পুরোনো আশ্রয়কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা গেছে, পুরোনো কেন্দ্রে আগে যে বিশুদ্ধ পানি ও শৌচাগারের ব্যবস্থা ছিল, নতুন আসা লোকের চাপে তা নাজুক হয়ে পড়েছে। আর নতুন আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে এখনো পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাই করা যায়নি। একই অবস্থা শৌচাগারের ক্ষেত্রেও।
বিশুদ্ধ পানির অভাবে বিশেষ করে শিশুরা ব্যাপকভাবে ডায়রিয়া ও পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। বৃষ্টিতে ভিজে বা ভেজা মাটির ওপর শুয়ে থেকে শিশু ও বয়স্ক অনেকেই সর্দি-জ্বরে রোগে আক্রান্ত হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে কিছু কিছু মেডিকেল ক্যাম্প বসানো হয়েছে। তবে লাখ লাখ মানুষের জন্য তা পর্যাপ্ত নয়।

সুত্র : প্রথম আলো ।

জনপ্রিয় অনলাইন : রাখাইনে যখন আগুন জ্বলছে, রোহিঙ্গারা যখন পালিয়ে যাচ্ছে; এমন সময়েই মিয়ানমারের পুরো জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন দেশটির গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি। এই ভাষণেই তিনি প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা ইস্যুতে কথা বলবেন।

তার এই ভাষণের উদ্দেশ্য রোহিঙ্গাদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর চলমান জাতিগত নিধনযজ্ঞের ফলে বিশ্বব্যাপী যে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে তা একটু প্রশমিত করা।
অথচ দেশটির সেনাবাহিনীকে তিনি কিছুই বলছেন না। যে সেনাবাহীনি তাকেও বহুবছর বন্দী করে রেখেছিল। আর এখন পুনরায় নিজেদের হিংস্র দাঁত দেখাচ্ছে।
দীর্ঘ ৫০ বছরের সামরিক শাসনের পর গত বছর সু চি মিয়ানমারের প্রথম বেসামরিক নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
কিন্তু এরপরও  সেনাবাহিনীর জেনারেলরা দেশটির ক্ষমতার মূল চাবিকাঠিগুলো কব্জা করে রেখেছে।
মঙ্গলবারই সু চি ক্ষমতায় আসার পর সবচেয়ে বড় ভাষণ দিতে যাচ্ছেন। এবারই প্রথম সু চি রাখাইনে চলমান রোহিঙ্গা নিধন ইস্যুতে কথা বলবেন।
জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ওই ভাষণেই সেনাদের রোহিঙ্গা বিরোধী অভিযান বন্ধে শেষ সুযোগ পাবেন সু চি।
‘তিনি (সু চি) যদি অবস্থার পরিবর্তন না করেন, তাহলে আমি মনে করি এই ট্র্যাজেডি ভয়াবহ রূপ নেবে এবং এর পর আগামী দিনে এই সমস্যা কীভাবে বদলাবে, তার দিশাও আমি দেখছি না’, বলেন জাতিসংঘের মহাসচিব।
সু চি-র মঙ্গলবারের ভাষণটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের একটি বিশেষ বৈঠকের আগে আগে আসছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই বৈঠকে রোহিঙ্গা নিধন ইস্যুতে মিয়ানমারের কড়া সমালোচনা করবে বিশ্ব সম্প্রদায়।
কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোহিঙ্গা নিধন থেকে সেনাবাহিনীকে থামানোর ব্যাপারে সু চি-র ক্ষমতা খুবই সীমিত। আর তার প্রতিক্রিয়া দেখেও বুঝা যায় তিনি তার সরকারের ও নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য সেনাবাহিনীর পক্ষেই থাকবেন। তিনি ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, তার সরকার এবং সেনাবাহিনীর সম্পর্ককেই তিনি বেশি গুরুত্ব দেন। রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করাটা তার প্রধান বিবেচ্য বিষয় নয়। এমনটাই মত আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ফ্রাঙ্কিস ওয়েড এর। যিনি ‘Myanmar's Enemy Within: Buddhist Violence and the Making of the Muslim ‘Other” নামের একটি বইয়ের লেখক।
এছাড়া দেশটির জনসংখ্যার বেশিরভাগও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মতোই রোহিঙ্গা মুসলিমদেরকে ‘বাঙ্গালি’ মনে করে। তাদের দাবি এই বাঙ্গালিরা বৌদ্ধদের জমি ও সম্পদ কেড়ে নিয়ে সেখানে বসতি গড়েছে।
ফলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কথা শুনলে সু চি-র তার নিজ দেশের মানুষের আস্থা হারানোর ভয়ও আছে।
শনিবার মিয়ানমার সেনা প্রধানের ফেসবুক পোস্টেও এই মতেরই প্রতিফলন দেখা যায়। যেখানে তিনি রোহিঙ্গাদেরকে ‘চরমপন্থী বাঙ্গালি সন্ত্রাসী’ বলে আখ্যায়িত করেন। এছাড়া তার লেখায় রোহিঙ্গাদেরকে বহিরাগত বলেও আখ্যায়িত করা হয়। বলা হয়, রোহিঙ্গারা কখনোই মিয়ানমারের নিজস্ব নৃগোষ্ঠী ছিল না।
রোহিঙ্গাদেরকে আন্তর্জাতিক ইসলামি সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর সঙ্গেও যুক্ত করে দেখা হয়। যারা রাখাইন দখল করে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়। গত ২৫ আগস্টের হামলাকেও এমন একটি আন্তর্জাতিক ইসলামি সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সু চিও সম্প্রতি রাখাইনে ইসলামি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন। বেসামরিক নাগরিকদের ওপর কোনো হামলা চালানোর কথাও অস্বীকার করেছেন তিনি। ফলে মঙ্গলবারের ভাষণে রোহিঙ্গা নিধন বন্ধে সু চির কোনো বক্তব্য থাকবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৫ আগস্ট শুরু হওয়া ওই নিধনযজ্ঞে ৪ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে। এছাড়া ৩০ হাজার রাখাইন বৌদ্ধ এবং হিন্দুও আভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

সূত্র: দ্য ডন

প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) থেকে:  সবুজ ও পরিচ্ছন্ন রাজারহাট গড়ার লক্ষে মাত্র ১ ঘন্টায় ৭লাখ বৃক্ষরোপন করে বিশ্বের মধ্যে অনন্য রেকর্ড গড়েছে রাজারহাট।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরাই আজকের গাছ রোপনে সবচেয়ে বেশী ভূমিকা রেখেছে। এজন্য তারা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। রাজারহাটের মতো সারা দেশে এ কার্যক্রম চললে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর বুধবার কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলাজুড়ে  একযোগে মাত্র ১ ঘন্টায় ৭ লাখ বৃক্ষরোপন উদ্বোধনের সময় উপজেলার হ্যালিপ্যাড মাঠে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদ এসব কথা বলেন। এসময় উপজেলা নির্বার্হী অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান, জেলা পুলিশ সুপার মেহেদুল করিম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি চাষী আঃ সালাম ও সাধারন সম্পাদক আবুনুর মোঃ আক্তারুজ্জামান।  উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ এবং ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ৪০হাজার শিক্ষার্থীসহ ১লাখ ২০হাজার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগে উপজেলার ৫০১টি রাস্তার ৭০০কিলোমিটার জুড়ে আনন্দমুখর পরিবেশে এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে ২শটি কমিটি কাজ করে। এসময় বিভিন্ন জাতের ৬৩টি প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষুধি গাছের ৭ লাখ চারা রোপন করা হয়।
এব্যাপারে বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদ জানান, বৃক্ষরোপন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এটি বিশে^র মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে এই প্রথম। আশা করছি, সবুজ ও পরিচ্ছন্ন রাজারহাট হিসেবে গির্নিস বুকে  রাজারহাট উপজেলার নাম অন্তর্ভূক্ত হবে। শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির তাৎপর্য তুলে ধরে প্রেস ব্রিফিং  দিয়েছেন।

প্রহলাদ মন্ডল সৈকত,রাজারহাট(কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা: কুড়িগ্রামের রাজারহাটে মাষ্টার্স পাস শামসুজ্জামানের সম্পন্নরুপে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যেতে বসেছে।
সে উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের আঃ জলিলের দ্বিতীয় পুত্র এবং রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে ইসলামী ইতিহাসে মাষ্টার্স পাস করে। পড়া লেখার চাপে মেধাবী এই ছাত্রের ২০১১ সালে চোখের অসুখ দেখা দেয়। প্রথমে সে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ রিপন সরকারের শ^রনাপন্ন হলে তাকে ঢাকায় প্রেরন করে। সেখানে তার প্রায় ১০লক্ষাধিক টাকা খরচ হলেও কোন লাভ হয়নি। সেখানকার চক্ষু বিশেষজ্ঞ তাকে ভারতের চেন্নাই প্রেরন করেন। ২০১৩ সালে সে ইউনিট অফ মেেিকল রিসোর্স ফান্ডেশনের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শ^রণাপন্ন হলে চিকিৎসা শুরু হয়। এসময় তার ডান চোখের দৃষ্টি হারায়। বাম চোখে রেটিনায় সানিসহ অন্যান্য সমস্যা রয়েছে। বর্তমানে সে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ রুপক রায়ের অধিনে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ডাক্তার তাকে দ্রুত অপারেশন করার পরামর্শ দিয়েছেন। তার চিকিৎসা বাবদ সব মিলে ৩লাখ টাকার প্রয়োজন।  কিন্তু সহায় সম্বল বিক্রি করে চিকিৎসা করায় তার কাছে কোন টাকা পয়সা নেই। তার একটি চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর অপর চোখটিও নষ্ট হওয়ার আশংকা করছে ওই যুবক। সে সম্পূর্ণরুপে দৃষ্টিহীন হয়ে গেলে ভবিষ্যতে তার জীবন বিফল হয়ে যাবে। তাকে নিয়ে তার পরিবার শঙ্কিত হয়ে পড়েছে। তাই সে সমাজের বিত্তবানদের কাছে আর্থিক সাহায্যের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। সাহায্য সহযোগীতা পেলে শামসুজ্জামান সেই অর্থ দিয়ে অপর চোখটি অপারেশন করে ফিরিয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করবে। তাকে আর্থিক সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা-ইসলামী ব্যাংক কুড়িগ্রাম শাখার হিসাব নম্বর ১৭৫১৮ অথবা বিকাশ নম্বর ০১৭৬৩২৯৮৯৫১ অথবা ডাচ্ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং ০১৭৬৩২৯৮৯৫১+৬।

আমিনুল ইসলাম,সিলেট : গোয়ালজুর আদর্শ তরুণ  সংঘের উদ্যোগে গাছবাড়ী এলাকার ঐতিহ্যবাহী গোয়ালজুর দারুল হুদা মাদরাসার মিলতায়ন কক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রতিবারের ন্যায় ৪র্থ তম  দ্বি-বার্ষিক(২০১৭-১৯) ১৯ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরি পরিষদ গঠন করা হয়। 
গত ১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইংরেজী রোজ শুক্রবার সকাল ০৮:০০ ঘটিকার সময় গোয়ালজুর আদর্শ তরুণ সংঘের সভাপতি মোঃ সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং গোয়ালজুর আদর্শ তরুণ সংঘের প্রতিষ্টাতা সাধারণ সম্পাদক এম.সি.কলেজের শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম এর পরিচালনায় প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামিক টিভি ও পিস টিভির সু-মধুর বক্তা গোয়ালজুরের অহংকার শায়খ হারুন হোসাইন।
প্রধান আলোচক বলেন এই পৃথিবীতে যত বিজয় এসেছে সব তরুণদের হাত ধরে এসেছে, গোয়ালজুর আদর্শ তরুণ সংঘের আদর্শবান তরুণদের হাত ধরে আমাদের এলাকা তথা দেশের ঐতিহ্য নিয়ে আসবে।বিশেষ অথিতি ছিলেন গাছবাড়ী মর্ডাণ একাডেমীর শিক্ষার কারিগর সাবেক শিক্ষক সংঘের উপদেষ্টা মাষ্টার আব্দুল মতিন,বিশেষ অথিতি ঢাকা দারুসুন্নাহ মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা ঈসমাইল মাদানী এবং আলহাজ্ব বশির আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক সংঘের উপদেষ্টা মাষ্টার এখলাছুর রহমান।
 সভায় আরো বক্তব্য রাখেন
সৈয়দ এবাদুর রহমান রেজওয়ানুল করিম,শাবিপ্রবি শিক্ষার্থী এহসানে এলাহী এবং অনুষ্টিত সভায় মূল্যবান মতামত ব্যক্ত করেন গোয়ালজুর আদর্শ তরুণ সংঘের সর্বস্তরের শিক্ষার্থীবৃন্দ। শিক্ষা-দীক্ষায় পিছিয়ে পড়া এলাকাকে আলোকিত করে সমৃদ্বির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নানা পরিকল্পনা ও মতামত পেশ করেন বক্তারা।প্রাণবন্ত আলোচনা শেষে   দ্বি- বার্ষিক (২০১৭-২০১৯)নির্বাচক মন্ডলীর দায়িত্ব পালন করেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মাষ্টার আব্দুল মতিন,মাষ্টার  এখলাছুর রহমান ও বর্তমান সভাপতি সেলিম উদ্দিন,সীমান্তিক কলেজের প্রভাষক সৈয়দ এবাদুর রহমান। উপস্থিত ৪৫ জন সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরি পরিষদ গঠন করা হয়।
কার্যকরি কমিটির সদস্যবৃন্দ হলেন
১.সভাপতিঃ রেজওয়ানুল করিম
২.সহঃসভাপতিঃ সয়ফুল আলম
৩.সাধারণ সম্পাদকঃ রাহেল আহমদ
৪.সহঃ সাধারণ সম্পাদকঃ কাওছার আহমদ
৫.সাংগঠনিক সম্পাদকঃ কামরুল ইসলাম
৬.অর্থ সম্পাদকঃ তারেক মনোয়ার
৭.শিক্ষা- সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদকঃ সালমান আহমদ
৮.ক্রিড়া সম্পাদকঃ আব্দুল্লাহ
৯.প্রচার সম্পাদকঃ শামিম আহমদ
১০.সহঃপ্রচার সম্পাদকঃ মারুফ আহমদ
১১.সমাজ কল্যাণ ও আপ্যায়ন সম্পাদকঃ মিজানুর রহমান
১২.দপ্তর সম্পাদকঃ আব্দুল গাফ্ফার।

কার্যকরি সদস্যঃ
১৩.সৈয়দ এবাদুর রহমান
১৪.আবুল কালাম
১৫.সেলিম উদ্দিন
১৬. আমিনুল ইসলাম
১৭.হাফেজ ইমরান
১৮.শহিদুর রহমান ইমরান
১৯.এহসানে এলাহি
সংঘের সদস্যবৃন্দ,গ্রামের যুবকবৃন্দ ও অত্র এলাকার মুরব্বী সহ জন-সাধারণের  উপস্থিতিতে নির্বাচন সম্পন্ন হয়। এবং সভাপতির বক্তব্যর মধ্যে দিয়ে  অনুষ্টানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

সাইফুল আমিন,মাদ্রিদ : রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন স্পেন প্রবাসী ও মাদ্রিদস্থ ভূঁইয়া মানি ট্রান্সফার এর সত্ত্বাধিকারী নাহিদ আনোয়ারুল।
অসহায় রোহিঙ্গাদের প্রায় ৪ শতাধিক পরিবারের মাঝে তিনি শনিবার সকালে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। এসময় তার সাথে ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশ এর স্পেশাল ব্রাঞ্চ সদস্য আল এমরান সুহাগ ,আব্দুল হান্নান প্রমুখ এবং রোহিঙ্গা সেচ্ছাসেবকবৃন্দ তাকে ত্রাণ বিতরণে সহায়তা করেন।
ত্রান সামগ্রীর মধ্যে ছিল শুকনো খাবার ,নগদ টাকা ,খাবার সালাইন। এসময় তিনি সমাজের সকল বিত্তবান ও প্রবাসীদের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। 

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget