2017-06-04

পীর হাবিবুর রহমান : জাওয়াদ নির্ঝর সংবাদকর্মি হলেও জানে বিলেত প্রবাসী সিলেটিরা কতটা দিয়েছে তার দেশকে! সংবাদকর্মি হয়ে গেছে,টিভি ক্যমেরা আমার এই অনুজকে স্টার হবার আত্মঅহংকারে বেহুশ করেছে। দেয়নি শিক্ষা, ইতিহাস জানার গভীরতা! বিনয়ী করেনি পেশাদারিত্ব, উপলব্ধি করতে শেখেনি স্বজনের মায়া মমতা।
ব্যথিত করেছে প্রবাসীদের। জাওয়াদের অনুশোচনা হচ্ছে কিনা জানিনা, গ্লানিতে প্রবাসীদের মনে আঘাত করার কারনে ক্ষমা চেয়ে স্টেটাস দিয়েছে তাও দেখিনি। অনুরোধ করবো নিজেকে বড় করতে এতো বড়ো ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাও। অনুতপ্ত হও। জিটিভি তাকে অব্যাহতি দিয়েছে। কিন্তু মানসিক ভাবে তার মন অনেকেই পুষেন। তারা জানেননা আমাদের পূর্বপুরুষরা কিভাবে সাগর পাড়ি দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সেখানে কঠিন আবহাওয়া ও পরিবেশ আর বর্নবাদের আগ্রাসনের মুখে নিজেদের জায়গা করেছিলেন। তাদের কারণেই আজ বিলেতে বাংলাদেশ বড় জায়গা করেছে প্রজন্মের পর প্রজন্ম। জাওয়াদ নির্ঝরসহ অনেকে জানেননা সিলেটি বিলেত প্রবাসীরা ১০হাজার রেষ্টুরেন্টই করেননি, অর্থনীতিতেই ভূমিকা রাখছেননা, স্থানীয় সরকার থেকে পার্লামেন্টে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। জানেনা আজকের প্রজন্ম প্রশাসন সহ সব পেশায় উচ্চ শিক্ষা নিয়ে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে। আজকের ক্রিকেটদল খেলতে গেলে লালসবুজের পতাকায় গভীর দেশপ্রেমে আবেগ নিয়ে স্টেডিয়াম গ্যালারি দখল করে সমর্থন দেন। আন্তরিক আতিথেয়তাও করেন।সাংবাদিক লেখক সংস্কৃতি কর্মি আমলা রাজনীতিবিদ যেই বেড়াতে বা কাজে যান তাদের গভীর মায়া মমতায় আদর আপ্যায়ন করেন! তারা জানেনা সেই কবে থেকে ব্যরিস্টারি সহ উচ্ছ শিক্ষা নিতে যাওয়া সন্তানদের তারা কত সাহায্য সহযোগিতা করছেন।মুক্তিযুদ্ধ, গনতন্ত্রের সংগ্রামেই নয় অর্থনীতি প্রাকৃতিক দূর্যোগে তাদের সাহয্য ঐতিহাসিক। খেলা কাভার করতে গিয়ে জাওয়াদ নির্ঝর স্টেটাস দিয়েছে,ভাই লন্ডনে থেকে যাবেন নাকি? লন্ডনের রাস্তায় অপরিচিত বাঙ্গালিদের এই বিরক্তিকর কমন প্রশ্ন! ফইন্নির ঘরের ফইন্নিদের লন্ডন থাইকা টাকা পয়সা হইছে ঠিকই, মানুষ হইতে পারে নাই! সে আরো লিখেছে, যতটানা লন্ডন তারচেয়ে খারাপ এখানকার সিলেটিরা! না হইছে বাঙ্গালী না হইছে বৃটিশ! হইছে শূয়োরের বাচ্ছা! ছিছিছি! একজন সংবাদ কর্মি দূরে থাক,পাগল উন্মাদ এভাবে বলে!এতো মানসিক বিকৃতি???? এই স্টেটাসে জাওয়াদ নির্ঝর সবার মনে আঘাত করেছে। নিজেই জানেননা কি বলেছে, মানুষ হলে গোটা দেশ যাদের নিয়ে গর্ব করে তাদের এমন বলতে পারতোনা! একদিন সে অবশ্যই এ জন্য অনুশোচনায় ভুগবে। কুতুব আফতাব কবি ও লেখক। স্টেটাসে বলেছেন খেলার মাঠে তাকে খবর প্রচারে সাহায্য করেছেন। কেউ তাকে থাকার কথা বলেননি। ধরে নেই কেউ থাকার কথা জানতে চেয়েছেন, যদি চেয়ে থাকেন সে তো আন্তরিকতা! ভুল কই। জাওয়াদের চেয়ে বড় বড় সাংবাদিক লেখক আমলা রাজনীতিবিদ থাকেননি? সিলেটিরাইতো দেশের ভাই বলে বুকে টেনে আশ্রয় দেন সাহায্য দেন! আব্দুল গাফফার চৌধুরী থেকে সালেহ শিবলীরা যখন গেলেন সিলেটিরাইতো বুকে টানলেন! শেখ হাসিনার প্রথম শাসনামলে প্রেস সেক্রেটারী হয়ে যান আবু মূসা হাসান। মেয়াদ শেষে ফিরতে চাননি, সিলেটিরাইতো থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন! একুশে টিভির অনেকেও চাকরি হারিয়ে যখন গেলেন সিলেটিরাই পাশে দাঁড়ালেন। পলাশকে পুলিশ পরিবারসহ প্লেনে তুলে দিতে গেলে সিলেটি সাংবাদিকরাই আটকালো! ভারত ছাড়াও পৃথিবীর দুটি দেশ আমার প্রিয়। বৃটেন ও আমেরিকা। সিলেটি স্বজনদের কারনে সেকেন্ডহুম মনে হয়। শক্তিও সাহস পাই। সিলেটি ছাড়াও কত প্রিয়মুখ কত স্বজন প্রবাসী। বিলেত ও আমেরিকায় গেলে মনে হয় বাড়ি গেছি, ওতো আদর।সিলেট প্রবাসীদের মায়ার শরীর, দেহ থেকে বড় মন, মাটির চেয়েও কোমল হৃদয়! সেখানে আঘাত করলে তারা ছোট হননা, আঘাতকারীর মাথাই অকৃতজ্ঞ বলে নীচু হয়।বিলেত আমেরিকা রক্তাক্ত হয় সন্ত্রাসবাদের হামলায়,আমাদের হৃদয়ে রক্তঝরে কেন? আমাদের আপনজনদের ঠিকানা আমাদের পরম আদর লাভের জায়গা বলে।
জাওয়াদ নির্ঝর ক্ষমা চাও, প্রবাসীরা তাকে ক্ষমা করে দিন।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক (ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে)

ফ্রান্স প্রতিনিধি : প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাব ফ্রান্সের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়েছে। ফ্রান্সে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্মানার্থে এ ইফতারের আয়োজন করা হয়। ইফতারে বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার অংশ গ্রহণ ছিল লক্ষণীয়।
বুধবার প্যারিসের প্লাস দু লা ফাতের মেহরাব রেষ্টুরেন্টে  প্রেসক্লাব সভাপতি এনায়েত হোসেন সোহেলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লুতফুর রহমান বাবুর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ইফতার ও মিলাদ মাহফিল পূর্বক আয়োজিত আলোচনায় এ সময় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ওসমানী নগর ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ফ্রান্সের সভাপতি  মুক্তিযোদ্ধা নুর শিকদার ,সিলেট বিভাগ সমাজকল্যান সমিতির উপদেষ্ঠা সোনাম উদ্দিন খালিক,আমি ভয়াজের চেয়ারম্যান এস এইচ হায়দার,ফ্রান্স আওয়ামীলীগ সহ সভাপতি জসিম উদ্দিন ফারুক,আশরাফুল ইসলাম,,প্যারিস- বাংলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু তাহির,ফ্রান্স জাতিয়তাবাদি নাগরিক মুক্তি পরিষদের সভাপতি শামিমা আক্তার রুবি, তৃনমূল বিএনপি ফ্রান্সের  সভাপতি ইকবাল হোসেন আলী, ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হোসেন,ফ্রান্স আওয়ামী লীগের যুগ্ম সহ সাধারণ সম্পাদক মিজান সরকার, বাংলাদেশ দূতাবাস কর্মকর্তা আবুল হোসেন,লেখক শরীফ আহমদ সৈকত,সাহিত্য জমিনের সম্পাদক সাইফুল ইসলাম,বিকশিত নারী সংঘের সভানেত্রী তৌফিকা শাহেদ ,সাধারণ সম্পাদিকা সুমা দাস,সাংগঠনিক সম্পাদক বিউটি চৌধুরী প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন
,ফ্রান্স প্রায় পঞ্চাশ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশিদের সার্বিক কল্যানে প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাব  প্রতিনিধিত্ব করছে।  ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ও প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে এ সংগঠন  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বক্তারা প্রেসক্লাবের অগ্রযাত্রায় সকলের সর্বাত্বক সহযোগীতা কামনা করেন। ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন,প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি শামসুল ইসলাম, ফ্রান্স আওয়ামী লীগ নেতা হারুন আল রশীদ,ড্রিম ওয়ার্ল্ড ইলেক্ট্রনিক্সের স্বত্বাধিকারী আকরাম হোসেন মিন্টু, বিয়ানীবাজার উপজেলা সমাজ কল্যাণ সমিতি ফ্রান্সের উপদেষ্ঠা জাহিদ হোসেন,কুলাউড়া সমিতি ফ্রান্সের সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,মৌলভীবাজার জেলা যুব সমিতি ফ্রান্সের আব্দুল্লাহ আল তায়েফ,সাইদুল সাঈদ, বিকশিত নারী সংঘের সাধারণ সম্পাদিকা সুমা দাস,সাংগঠনিক সম্পাদক বিউটি চৌধুরী,প্যারিস- বাংলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক নয়ন মামুন,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন, সহ সভাপতি ফেরদৌস করিম আখঞ্জি,সহ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ সেলিম,আব্দুল করিম,প্রচার সম্পাদক রেজাউল করিম,দপ্তর সম্পদ আবুল কালাম মামুন, প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাবের কার্যকরী কমিটির সদস্য আজিজুর রহমান, মিজানুর রহমান। আব্দুল্লাহ তায়েফ ,ওমর ফারুক, সাইমন ইভান,নারী নেত্রী সরকার দে,লোয়ারা বেগম,এনআরাফ পরিচালক মো আবুল ফজল,নাজমুল ইসলাম মিঠু, মো রিয়াজুল ইসলাম টিটু সহ আরো অনেকে।

পরে ইফতার ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা কাজী আব্দুল মুহিত ও মাওলানা আব্দুল্লাহ।

এনায়েত হোসেন সোহেল,প্যারিস : ফ্রান্সে মৌলভীবাজার জেলা যুব সমাজ কল্যাণ পরিষদের  ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার লা কর্ণভের একটি অভিজাত হলে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিদের সরব উপস্থিতিতে এ ইফতার অনুষ্ঠিত হয় ।
ফ্রান্সের বাংলাদেশি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক
,সাংবাদিক সংগঠনের নেতারাসহ বিভিন্ন শ্রেণি
পেশার প্রবাসীরা ইফতারে অংশগ্রহণ করেন।  পরিষদের সভাপতি আহমেদ মালেকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ও নাজিম উদ্দিনের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে পবিত্র কোরান তেলায়াত করেন,সেলিম উদ্দিন।
ফ্রান্স যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম শিপারের উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে শুরু হওয়া  ইফতার ও মিলাদ মাহফিল পূর্ব আলোচনায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন
, ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সভাপতি মহসিন উদ্দিন খান লিটন,ফ্রান্স বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কবির হোসেন পাঠোয়ারী,ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন কয়েস ,ফ্রান্স বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি শাহেদ আলী,ঢাকা বিভাগ এসোসিয়েশন ফ্রান্সের সভাপতি শাহজাহান শারু,সাধারণ সম্পাদক মিজান সরকার,ওসমানী নগর ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নূর শিকদার,মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম খান,ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি শাহজাহান রহমান সাজু,সুনামগঞ্জ পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি জসিম উদ্দিন ফারুক, বঙ্গবন্ধু  পরিষদ ফ্রান্সের  সাধারণ সম্পাদক ও ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম,ফ্রান্স আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক অপু আলম,জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদ ফ্রান্সের সভানেত্রী শামীমা আক্তার রুবি,গোলাপগঞ্জ হেল্পিং হ্যান্ডস সভাপতি আমিনুর রহমান,ফ্রান্স আওয়ামীলীগের যুব বিষয়ক সম্পাদক কামাল আহমদ,বিয়ানীবাজার উপজেলা সমাজকল্যাণ সমিতির সাবেক সভাপতি আমিনুর রশিদ টিপু,সাংবাদিকমিজানুর রহমান ও সাংবাদিক আজিজুর রহমান আজিজ প্রমুখ। ইফতার ও দোয়া মাহফিল পূর্বক আলোচনা সভায় এ সময় বক্তব্য রাখেন,দেলোয়ার হোসেন,শামীম মিয়া,হাবিবুর রহমান,আবুল কাশেম,বেলাল আহমদ,সাইফুল ইসলাম রনি,সৈয়দ জাহেদুল ইসলাম ,আব্দুল হামিদ,তাজেল আহমদ,মইনুল ইসলাম,কয়সর আহমেদ,আসাদ উদ্দিন খোকন,মালিক মুন্না,আব্দুল হাদি,জিল্লু খান,রিয়াদ চৌধুরী,রাজীব তালুকদার,মিজানুর রহমান,হাফিজুর রহমান রাহাত,জাকির হোসেন,আব্দুল হান্নান কুটি প্রমুখ।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,আব্দুস শহীদ চৌধুরী,আব্দুর রব,আকরাম খান,সৈয়দ খালেদ আলী, হাসান সিরাজ,মোনাই মিয়া,শামসুল খান হাফিজ,জয়নাল আবেদীন সিদ্দিকী,লুৎফুর রহমান,খুরশেদ আলম তালুকদার,আশরাফুর রহমান,আব্দুল গফুর,কোমর উদ্দিন,তৈমুর হাসান,খসরুজ্জামান খসরু প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, ঐতিহ্যের ধারক বাহক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি খ্যাত মোলভীবাজার।এ জেলায় মাধবকুন্ড জলপ্রপাত, দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ চা বাগান, পাহাড়ী আদিবাসীদের জীবনধারা, হাকালুকি হাওর আর আগর বাগানের মোহময় আকর্ষণ করে দেশ বিদেশের দর্শনার্থীদের। তেমনি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন এ জেলার লোকজন। ফ্রান্সে ও এ জেলার প্রবাসীরা বিভিন্ন পেশায় স্ব-মহিমায় বিচরণ করে চলেছেন। প্রবাসীদের দাবি আদায় সহ সকল কর্মক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতা চোখে পড়ার মত। মৌলভীবাজার জেলা যুব সমাজ কল্যাণ পরিষদ ফ্রান্স সবাইকে নিয়ে আরো এগিয়ে যাবে বহুদূর।

বাহার উদ্দিন বকুল,জেদ্দা, সৌদি আরব : গত ২জুন শুক্রবার   জেদ্দার একটি হোটেলে বিশিষ্ট-জন ও সাধারণ নাগরিকদের নীয়ে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে বৃহত্তর নোয়াখালী প্রবাসী কল্যাণ সমিতি জেদ্দা।
ইফতারের আগে পবিত্র কোরান থেকে তেলোয়ত এবং সিয়াম সাধনার উপর রোজার গুরুত্ব, ফজিলত সহ রোজা কায়েম করার বিষয়ে কুরান ও হাদিসের আলোকে বয়ান রাখেন মাওলানা মোহাম্মদ মাশকুরুর রহমান।
অতঃপর প্রবাসী সমাজ এবং বাংলাদেশের সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। ইফতারের পর সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আক্কাস মিয়া।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমির মোহাম্মদ ফিরোজ ও মোঃ সাহজান, এর যৌথ পরিচালনায়, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেদ্দাস্থ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল এফ এম বোরহান উদ্দিন। বিশেষ অতিথিগণের মধ্যে ছিলেন, শ্রম কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম, প্রথম সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, সোনালি ব্যাঙ্ক প্রতিনিধি সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম, সমিতির প্রধান পৃষ্ট পোষক, আলহাজ আব্দুল রহমান, আব্দুল মান্নান, নুরমোহাম্মদ ভুঁইয়া, প্রধান উপদেষ্টা এ,কে,এম শাহজাহান সীরাজী, শামীম চৌধুরী, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবুল কাশেম, শহিদ হোসেন পাটোয়ারি, এচ এম সেলিম রেজা, সাইফুল ইসলাম বাবুল, আবুল বাশার ইসলাম,
মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, কাযিম উদ্দিন,বাহার উদ্দিন বাদল,মোহাম্মদ খায়রুল আলম চৌধুরী, এ,কে,এম শাহআলম, ওয়াজি উল্লাহ, আল মামুন শিপন,খোরশেদ আলম, রৌশন জামিল শিপু, জাকির হসেন,আবুল খায়ের ভুঁইয়া, কাশেম ভুঁইয়া, মোহাম্মদ আকরাম, মনির পাটোয়ারি, গাজি ওয়াজিউল্লাহ্‌, প্রকৌশলী লেয়াকত হোসেন, টিপু সুলতান, এম এ আজাদ চয়ন, প্রকৌশলী আশরাফ হোসেন বি এম হান্নান সহ বিভিন্য পেষার নেতৃব্রিন্দ উপস্থিত  ছিলেন।
প্রধান অতিথি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য বলেন, সামাজিক সংগঠন হেসাবে বৃহত্তর নোয়াখালী প্রবাসী কল্যাণ সমিতির যথেষ্ট সুনাম রয়েছে।কেবল প্রবাসে নয়, স্বদেশেও সমাজ সেবায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিশেষ করে দুস্থ ও অসহায় মানুষের চিকিৎসা ও আর্থিকভাবে সহযোগিতার ক্ষেত্রে এ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের আন্তরিকতা সাধুবাদযোগ্য। প্রবাসীদের নানাবিদ সমস্যায় বৃহত্তর নোয়াখালী প্রবাসী কল্যাণ সমিতির সেবা কার্যক্রম অভ্যাহত থাকবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget