2017-03-19

আমিনুল ইসলাম,কাতার প্রতিনিধি : মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারের মাইজার এলাকায় কর্মস্থল থেকে এক বাংলাদেশির গলায় ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত ব্যক্তির মো. নুরুজ্জামান (২৪)।কক্সবাজার পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে তার বাড়ি।তিনি সৌদি আরব প্রবাসী মো. নুরুল কবিরের ছেলে। শুক্রবার (২৪ মার্চ) সকাল ১০টায় এ ঘটনা ঘটে।তিনি কাতারে একটি কোম্পানিতে চার বছর ধরে কর্মরত ছিলেন।কাতার পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দোহা হামাদ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে। নিহতের মামা জানান, দুইমাস আগে দেশ থেকে বিয়ে করে ছুটি কাটিয়ে কাতারে ফিরে আসেন নুরুজ্জামান।কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা এখনো স্পস্টভাবে বলতে পারেননি।তবে তিনি ধারণা করছেন তার ভাগ্নে আত্মহত্যা করেছেন।মামার ধারণা, বউয়ের সঙ্গে ফোনালাপে কোনো কিছু ঘটতে পারে। কাতার বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম শ্রম সচিব রবিউল ইসলাম জানান,আইনি সব প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দ্রুত দেশে পরিবারের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

জনপ্রিয় অনলাইন : ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যার ভয়াল স্মৃতির কালরাত ২৫শে মার্চ ও গণহত্যা দিবস আজ। নির্মম, নৃশংস ও ভয়াবহ এক হত্যাযজ্ঞের মর্মন্তুদ দিন।
১৯৭১ সালের এই রাতে মুক্তিকামী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায় রক্তপিপাসু হিংস্র পাকিস্তানি হানাদার দল। অপারেশন সার্চলাইট নামে এ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মৃত্যুপুরীতে পরিণত করে পুরো ঢাকা শহরকে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরীহ, নিরস্ত্র মানুষদের ওপর চালায় গণহত্যা ও বর্বর নির্যাতন। তাদের হাত থেকে রেহায় পাননি শিক্ষক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, নারী, শিশু, দিনমজুরসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। একটি মুক্তিকামী জাতির স্বাধীনতা ঘোষণার ঠিক আগ মুহূর্তে হায়েনার হিংস্র নখরে ক্ষতবিক্ষত হয় মানবতা। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পরও তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি করতে থাকে। বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে আলোচনার নামে গোপনে সামরিক প্রস্তুতি নিতে থাকে। কিন্তু ক্ষোভে ফেটে পড়ে বাংলার মানুষ। বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) স্বাধীনতার দিক-নির্দেশনামূলক ঐতিহাসিক এক ভাষণ দেন। যা প্রকৃতপক্ষে ছিল বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের মূলমন্ত্র। শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে অসহযোগ আন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় এই রাতে নৃশংস এক হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনা করে হানাদার বাহিনী। এ রাতে ইয়াহিয়ার লেলিয়ে দেয়া বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস, শিক্ষক কলোনি, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স, ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) ব্যারাকসহ বিভিন্ন আবাসিক এলাকা এবং বস্তিবাসী, ঘুমন্ত মানুষের ওপর আক্রমণ চালিয়ে শুরু করেছিল বিশ্ব ইতিহাসের এক নজিরবিহীন গণহত্যা, নিপীড়ন ও অত্যাচার।
২৫শে মার্চ রাতে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় হানাদার বাহিনীর অগ্নিসংযোগে চারদিকে আগুন জ্বলতে থাকে। চতুর্দিকে বিরামহীন গুলি ও বিস্ফোরণের শব্দে বিনিদ্র রাত কাটায় নগরবাসী। হঠাৎ করে হানাদার বাহিনীর আক্রমণ ও রাস্তায় রাস্তায় তাদের সশস্ত্র টহলে ভীতসন্ত্রস্ত মানুষ ঘরের কোণে আশ্রয় নিয়েও শেষরক্ষা করতে পারেনি। স্বাধীনতাকামী বাঙালির স্বাধীনতার স্পৃহা চিরতরে মুছে দেয়ার জন্য ঢাকার বাইরেও চলেছে গণহত্যা। এ হত্যাযজ্ঞে স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিল বিশ্ববিবেক। তবে, বর্বরতার বিপরীতে প্রতিরোধে জেগে ওঠতে বেশি সময় নেয়নি অদম্য বাঙালি। বাঙালি জাতির এগিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে ধূলিসাৎ করতে হানাদার বাহিনী এ হত্যাযজ্ঞ শুরু করলেও নির্যাতিত মানুষের প্রতিরোধ স্পৃহার স্ফুলিঙ্গ এ রাত থেকেই দাউ দাউ করে জ্বেলে ওঠে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রতিরোধে এগিয়ে আসে সেনাবাহিনী ও পুলিশের বাঙালি সদস্যরা। শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। এরই ধারাবাহিকতায় নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত হয় স্বপ্ন সাধের স্বাধীনতা।  বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়ালো লাল সবুজের স্বাধীন ভূখণ্ড, স্বাধীন বাংলাদেশ।
পরিকল্পনা অনুযায়ী অপারেশন সার্চলাইট শুরুর জন্য রাত সাড়ে ১১টায় ছাউনি থেকে বেরিয়ে আসে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। ফার্মগেটের মুখে হানাদার বাহিনী প্রথম প্রতিরোধের মুখোমুখি হয়। সেখানেই তারা চিৎকার করে পুরো ঢাকায় কারফিউ ঘোষণা করে। ছাত্র-জনতা বাধা দিলে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের। ডিনামাইটের মাধ্যমে ব্যারিকেড উড়িয়ে দিয়ে শহরে প্রবেশ করে সেনারা। রাস্তায় রাস্তায় শুরু হয় ব্যারিকেড। প্রতিরোধকারী বাঙালি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ট্যাংক, মর্টার, রকেট ব্যবহার করে সেনাবাহিনী। শুরু হয় চারদিকে গোলাগুলির বিস্ফোরণ, মানুষের আর্তচিৎকার। এরই মধ্যে হানাদাররা  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে  হানা দেয়। বাসভবনে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে থাকে। রাতেই বঙ্গবন্ধুকে বন্দি করে সেনানিবাসে নিয়ে যাওয়া হয়। অবশ্য গ্রেপ্তারের আগেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ও সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রামের ঘোষণা দেন। মধ্যরাতে সেনাবাহিনী পিলখানা, রাজারবাগ ও নীলক্ষেত আক্রমণ করে। হানাদার বাহিনী পিলখানা ও নীলক্ষেতে প্রচণ্ড প্রতিরোধের মুখোমুখি হয়। পাকিস্তানি সেনারা ট্যাংক, মর্টারের মাধ্যমে নীলক্ষেতসহ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা দখল করে ফেলে। প্রচণ্ড লড়াইয়ের পর পিলখানার ইপিআর ব্যারাকের পতন হয়। রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে হানাদার বাহিনীর সঙ্গে প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত হন অসংখ্য পুলিশ সদস্য। সেনাবাহিনীর মেশিনগানের গুলিতে, ট্যাংক-মর্টারের গোলায় আগুনের লেলিহান শিখায় একদিকে নগরীর রাত হয়ে ওঠে বিভীষিকাময়। অন্যদিকে এ রাতের বিসর্জিত রক্তের ওপর দিয়েই পরদিন সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে সূচিত হয় নতুন প্রতিজ্ঞার ইতিহাস, শুরু হয় মুক্তির জন্য যুদ্ধ। নয় মাস বাঙালির মরণপণ যুদ্ধে অর্জিত হয় রক্তের পতাকা। স্বাধীনতাকামী মানুষের রক্তভেজা ২৫শে মার্চ তাই বাংলাদেশের মানুষের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ একটি ক্ষণ। এ দিনে শুরু হওয়া রক্তের স্রোতে ভেসেই জন্ম হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের।
এদিকে এবারই প্রথম দিবসটিকে
গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হবে। ইতিমধ্যে  ১১ই মার্চ জাতীয় সংসদে এ প্রস্তাব পাস হবার পর ২০শে মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একাত্তরের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নৃশংস ও বর্বর  হত্যাযজ্ঞের দিনটিকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের জন্য জাতিসংঘে যোগাযোগ এবং এ বিষয়ে জাতিসংঘে প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি আরো জানান, জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৯ই ডিসেম্বর গণহত্যা দিবস পালিত হয়ে আসছে। এটি পরিবর্তন করে ২৫শে মার্চ আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস পালনে বাংলাদেশের যে যুক্তি, সেগুলো জাতিসংঘে তুলে ধরা হবে। এ দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে এর প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে বহির্বিশ্বে কূটনৈতিক তৎপরতাও চালানো হবে বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।
প্রথমবারের মতো
গণহত্যা দিবস উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারিভাবে নানা কর্মসূচি পালন করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনও নানা আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করবে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সভা, সমাবেশ, র‌্যালি, প্রদীপ প্রজ্বলন, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোকচিত্র, তথ্যচিত্র ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচি। দিবসটি উপলক্ষে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ সংলগ্ন স্থানে রক্তাক্ত ২৫ মার্চ: গণহত্যা ইতিবৃত্ত শীর্ষক আলোকচিত্র  প্রদর্শনী, আলোচনা সভা এবং গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গীতিনাট্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া সারা দেশে ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা এবং গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গীতিনাট্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন করার জন্য আওয়ামী লীগসহ সকল সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সর্বস্তরের  নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে পৃথক দুটি জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। বিকাল ৩টায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রাজধানীর লালবাগ আজাদ মাঠে এবং একই সময়ে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মিরপুর বাংলা কলেজ মাঠে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকা এবং যশোরে সমাবেশ করবে কেন্দ্রীয় ১৪ দল। আজ মিরপুর বধ্যভূমিতে এবং ৩০শে মার্চ যশোরের চুকনগরে ১৪ দলের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি বিকাল ৩টায় দলীয় কার্যালয় চত্বরে আলোচনা সভা, প্রদীপ প্রজ্বলন ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন ও শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ যৌথভাবে আজ বিকাল ৩টায় শাহবাগস্থ জাতীয় জাদুঘরের সামনে মোমবাতি প্রজ্বলন, আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে।

জনপ্রিয় অনলাইন : ১৯৯৩ সালের ২৫শে মার্চ। সেদিনই চলচ্চিত্রপ্রেমী দর্শকেরা প্রথম রূপালী পর্দায় প্রিয়দর্শিনী নায়িকা মৌসুমীকে দেখতে পান কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবির মধ্য দিয়ে। এটি নির্মাণ করেছিলেন সোহানুর রহমান সোহান।
তার সঙ্গে জুটি হয়েছিলেন প্রয়াত অমর নায়ক সালমান শাহ। প্রথম চলচ্চিত্র দিয়েই মৌসুমী দর্শকের মনে স্থান করে নেন। কেয়ামত থেকে কেয়ামত-এর মুক্তির দিন থেকে আজকের দিন পর্যন্ত চলচ্চিত্রে অভিনয়ে মৌসুমী দুই যুগ পূর্ণ করলেন। এ সময়টাতে অনেক দর্শকপ্রিয় চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন তিনি। পেয়েছেন তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তিনি নিজেও চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। চলচ্চিত্রে দুই যুগ পূর্ণ হওয়া প্রসঙ্গে মৌসুমী বলেন, দেখতে দেখতে এতটা বছর পেরিয়ে গেল ভাবাই যায় না। আজ ভীষণভাবে মনে পড়ছে আব্বুর কথা। মনে পড়ছে আমার প্রথম চলচ্চিত্রের হিরো সালমান এবং মান্না ভাইয়ের কথা। কৃতজ্ঞ ফটোগ্রাফার চঞ্চল মাহমুদ ভাইয়ের কাছে যিনি তার ক্যামেরা দিয়ে আমাকে প্রথম দেখেন এবং পরে রফিকুর রহমান রেকু ভাই। কৃতজ্ঞ ক্যাসেন্ড্রা লিমিটেডের প্রধান শাকিব লোহানী, পরিচালক সোহান ভাই, যাদের চলচ্চিত্রে অভিনয় করে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছি, চাষী ভাই, নারগিস আপা এবং রাজের প্রতি। কৃতজ্ঞ পাঠকপ্রিয় ম্যাগাজিন আনন্দ বিচিত্রা, সিনেমা, প্রিয়জন, চিত্রালী এবং প্রয়াত সাংবাদিক বড় ভাই শ্রদ্ধেয় আওলাদ ভাইয়ের কাছে। আমার মা, দুই বোন ইরিন, স্নিগ্ধা আমার পাশে থেকেছে সবসময়। আর যে মানুষটির ভালোবাসায় এবং সহযোগিতায় আমি পরিপূর্ণ তিনি আমার স্বামী ওমর সানী। আফজাল হোসেন নির্দেশিত সুন্দরী প্রিন্ট শাড়ির বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেও ওই সময় চারদিকে হইচই ফেলে দেন মৌসুমী। এই বিজ্ঞাপনের সুমনা হকের কণ্ঠের প্রিয় প্রিয় সুন্দরী, সুন্দরী প্রিন্ট শাড়ি সুন্দরী জিঙ্গেলটি ছিল সবার মুখে মুখে। মৌসুমী প্রসঙ্গে আফজাল হোসেন বলেন, সেই সময় আমার সঙ্গে যারা কাজ করেছিল প্রত্যেকেই সংস্কৃতি অঙ্গনে তার কর্ম দিয়ে জায়গা করে নিয়েছে। মৌসুমীও ঠিক তাই। কোনো কোনো মানুষ একধরনের
বিশেষত্ব নিয়ে জন্মায়, নায়িকাদের মধ্যে মৌসুমীর সেই বিশেষত্ব আছে। মৌসুমী প্রসঙ্গে সোহানুর রহমান সোহান বলেন, মৌসুমী মৌসুমীই। সে এমনই একজন মানুষ যে কী না মানুষকে মূল্যায়ন করতে জানে, মানুষকে সম্মান দিতে জানে। মৌসুমী এমনই একজন অভিনেত্রী তাকে যে চরিত্রেই অভিনয় করতে দেয়া হোক না কেন সে ঐ চরিত্রের রূপ নিয়ে ঠিকই বেরিয়ে আসে। তাই মৌসুমীর তুলনা শুধুই মৌসুমী। উল্লেখ্য, মৌসুমী বর্তমানে মনতাজুর রহমান আকবরের দুলাভাই জিন্দাবাদ এবং এ কে সোহেলের পবিত্র ভালোবাসা চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন।

জনপ্রিয় অনলাইন : বাংলাদেশ ব্যাংকে আগুনে পুড়ে যাওয়া জিনিসিপত্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাগজপত্র ছিল না। তবে বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক ও তার ব্যক্তিগত সহকারীর চেম্বার পুরোপুরি পুড়ে গেছে।

আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত কমিটি আগুনে পুড়ে যাওয়া কক্ষ সরে জমিন পরিদর্শন করে এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির এক সদস্য।
ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, মহাব্যবস্থাপকদের রুমে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ নথি থাকে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নথি থাকে ডেস্ক অফিসারদের নিয়ন্ত্রণে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক ও তার ব্যক্তিগত সহকারীর চেম্বার ছাড়া অন্য কোথাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
তিনি বলেন, আজ আনুমানিক রাত ৯টা ২০ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার আগেই অর্থাৎ ১০টার মধ্যে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিকে আগামী ২৮ মার্চের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা রয়েছে।

জনপ্রিয় অনলাইন : জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি পাঠানপাড়া এলাকার একটি পাঁচতলা বাড়ি ঘিরে রেখেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ওই বাড়িতে অভিযান চালাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে সোয়াত বাহিনী।

শুক্রবার বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে সোয়াটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযান শুরু হবে বলে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে।
মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আখতার হোসেন জানান, বেলা ১টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত হ্যান্ডমাইকে জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হয়েছে। এর মধ্য ১টা ৪৮ মিনিট থেকে ২টা ১৬ মিনিট পর্যন্ত জঙ্গিরা সাড়া দিয়েছিল। এরপর থেকে আর কোনো উত্তর নেই।
সোয়াতের টিম আসায় এখন অভিযান শুরু করার একটি পরিকল্পনা নিচ্ছে তারা। পুলিশ ইতোমধ্যে সাধারণ উৎসুক মানুষদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিচ্ছে।
বেলা আড়াইটা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ১০ বারের বেশি পুলিশের ফাঁকা গুলির শব্দ শোনা গেছে।
বাড়ির নিচতলার ফ্ল্যাটে সন্দেহভাজন কয়েকজন জঙ্গি অবস্থান করছে বলে ধারণা পুলিশের। দোতলা থেকে পাঁচতলা পর্যন্ত ২৯টি ইউনিটে ২৯টি পরিবার রয়েছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাত ৩টা থেকে সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি পাঠানপাড়া এলাকার সাবেক সরকারি কর্মকর্তা উস্তার মিয়ার আছিয়া মহল নামের পাঁচতলা বাড়ির নিচতলায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বাড়িটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ, র‌্যাব ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা।

সুফিয়ান আহমদ, বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি : আগামী ২৫ শে এপ্রিল মঙ্গলবার দীর্ঘ ১৬ বৎসর পর অনুষ্টিত হতে যাচ্ছে বিয়ানীবাজার পৌরসভার প্রথম নির্বাচন। বহুল প্রত্যাশীত এ নির্বাচনে ইতোমধ্যে "মেয়র" পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ মনোনয়ন পেয়েছেন আব্দুশ শুক্কুর।
তিনি মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন তার নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। তারা তাকে নিয়ে চালাচ্ছেন জোর প্রচার প্রচারণাও। পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক এ সাধারণ সম্পাদক আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও ব্যক্তি হিসেবে সব দলের কাছেই রয়েছে তার আলাদা ইমেজ। দলীয় নেতাকর্মীদের কাছেও তিনি সমাদৃত। বিয়ানীবাজার পৌরসভার বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচনে তিনিই হবেন "প্রথম মেয়র" এমনটাই তার সমর্থকদের বিশ্বাস।এদিকে আওয়ামীলীগ থেকে আব্দুশ শুক্কুর মনোনীত হওয়ার পরই প্রকাশ্যে এলেন রাজপথের বিরোধী দল বিএনপি'র প্রার্থী আবু নাসের পিন্টু। তিনি পৌর বিএনপি'র সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দীর্ঘদিন থেকে পৌর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করার জন্য কৌশলী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। যার ফলে ইতোমধ্যে তিনিও চলে এসেছেন আলোচনায়। ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে  তিনি লড়বেন "মেয়র" পদে। ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনে মূল লড়াই হতে পারে শুক্কুর ও পিন্টুর মধ্যে। তাছাড়া ক্ষমতাসীন দলের শরীক জাসদও (ইনু) প্রার্থী দিচ্ছে এই নির্বাচনে। জাসদের একমাত্র মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে মাঠে আছেন উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক শমসের আলম। ভোটের হিসেবে উপজেলায় জাসদ ভালো অবস্থানে না থাকলেও নিজেদের অবস্থান জানান দিতে নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনী মাঠে থাকবেন না কি ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে সমর্থন দিবেন তা দেখার অপেক্ষায় ভোটাররা। অপরদিকে নিজেদের ভোটের অবস্থান জানান দিতে জামায়াতে ইসলামীও এই নির্বাচনে তাদের প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতোমধ্যে তারা দলীয় প্রার্থী নির্ধারণ করলেও তা এখনো প্রকাশ করে নি। ধারণা করা হচ্ছে, পৌর জামায়াত নেতা মোঃ জাকির হোসেন অথবা ডাঃ মাহবুবুল আলম সোজাকে দেখা যেতে পারে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে।
অন্যদিকে আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাসদের "মেয়র" প্রার্থী নির্ধারণ হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। তারাও "মেয়র" প্রার্থী দেয়ার জন্য তৎপরতা চালাচ্ছেন। তৎপর রয়েছেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতিক প্রত্যাশী আব্দুন নুর ও সাহেদ আহমদ। ইতোমধ্যে আব্দুন নুর যুক্তরাষ্ট্র ও সাহেদ আহমদ যুক্তরাজ্য থেকে দেশে এসে পৌছেছেন। আব্দুন নুর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি ও সাহেদ আহমদ উপজেলা জাতীয় পার্টির একাংশের আহবায়ক। শেষ পর্যন্ত এই দু'জনের মধ্যে কে হন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতিকের "মেয়র" প্রার্থী তা এবার দেখার পালা।

প্রসঙ্গত, সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আগামী ২৫ এপ্রিল মঙ্গলবার অনুষ্টিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশীত বিয়ানীবাজার পৌরসভার নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে কাউন্ট ডাউন শুরু করে দিয়েছেন প্রার্থীরা। যে যার মত চালাচ্ছেন প্রচার-প্রচারণা। তবে নতুন কোন আইনী জটিলতা সৃষ্টি না হলে এই দিনই অনুষ্টিত হবে নির্বাচন। এরই মধ্যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্থানীয় নির্বাচন কমিশন অফিসে প্রেরণ করেছে। নির্বাচন কমিশনের চিঠি পেয়ে নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে স্থানীয় নির্বাচন অফিসও। আগামী ২৫ এপ্রিল উপলক্ষ্যে ২৭ মার্চ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ, ২৯ মার্চ বাছাই ও ৫ এপ্রিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। তফশীল অনুযায়ী অফিস চলাকালীন সময়ে স্থানীয় নির্বাচন অফিস থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা যাবে। নির্বাচনে রিটার্ণিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনির হোসেন আর সহকারী রিটার্ণিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন উপজেলা নির্বাচন সৈয়দ মো: কামাল হোসেন।

ফ্রান্স প্রতিনিধি : ফ্রান্স বাংলা প্রেসক্লাবের ২০১৫-২০১৬ এর কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে প্যারিসের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে ফ্রান্স বাংলা প্রেসক্লাবের এক সভায় এই কমিটি গঠন হয়।
ফ্রান্স বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি চ্যানেল এস ও একাত্তর টেলিভিশনের ইউরোপ প্রতিনিধি নুরুল ওয়াহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফ্রান্স বাংলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ফ্রান্স থেকে প্রকাশিত জনপ্রিয় পত্রিকা প্রবাসে বাংলার সম্পাদক অধ্যাপক অপু আলম, ট্রেজারার ও বিএনএ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব হোসাইন, সহ-সভাপতি ও দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার ফ্রান্স প্রতিনিধি মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলা ভিশন টেলিভিশনের ইউরোপ প্রতিনিধি ফয়সাল আহমেদ দ্বীপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও এস এ টিভির ফ্রান্স প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল মালেক হিমু, সিনিয়র সদস্য ও এটিএন বাংলার ফ্রান্স প্রতিনিধি দেবেশ বড়ুয়া, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ও বাংলার আলো ফ্রান্স প্রতিনিধি ফরিদ আহমেদ রনি, দপ্তর সম্পাদক ও শ্যামল সিলেট ফ্রান্স প্রতিনিধি বাসুদেব গোস্বামী এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও দেশ কন্ঠ ফ্রান্স প্রতিনিধি মুহাম্মদ ইব্রাহিম ভুইয়া প্রমূখ । সভায় সকলের পরামর্শের ভিত্তিতে সাবেক সভাপতি নুরুল ওয়াহিদ ফ্রান্স বাংলা প্রেসক্লাবের ২০১৫-২০১৬ এর কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেন। বাংলা ভিশন টেলিভিশন ইউরোপ প্রতিনিধি ফয়সাল আহমেদ দ্বীপকে আহ্বায়ক এবং এস এ টিভির ফ্রান্স প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল মালেক হিমুকে সদস্য সচিব করে তিন মাসের জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয় । ২০১৫-২০১৬ এর সাবেক কমিটির সকল সদস্য নতুন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে গন্য হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই কমিটি আগামী তিন মাসের মধ্যে সকলের সাথে পরামর্শ করে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে পূর্নাঙ্গ কমিটি উপহার দেবে বলে নতুন আহ্বায়ক কমিটিকে সময় বেধেঁ দেওয়া হয়।

জনপ্রিয় অনলাইন : সীমানা পেরিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা যে অনেক দূর ছড়িয়েছে, সেটাই আরো একবার স্পষ্ট হল। বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট (MQM)-এর প্রধান আলতাফ হুসেন নরেন্দ্র মোদীর কাছে আবেদন জানান, তিনি যেন মুহাজির বা পাকিস্তানি রিফিউজিদের কথা বলেন।

জানা যায়, আলতাফ হুসেন পাকিস্তানের একজন নেতা। যিনি এখন লন্ডনে থাকেন। তিনি বলেন, বালোচিস্তানে পাকিস্তানি সেনার অত্যাচার নিয়ে যখন ভারত সরব, তখন কেন মুহাজিরদের কথা বলা হচ্ছে না। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর যেসব মুসলিম ভারত থেকে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন তাদেরকে সেদেশে মুহাজির বলা হয়।

আলতাফ হুসেন আরো বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি অভিযোগ জানাতে চাই যে, মোদী কখনও তাদের কথা বলেন না যারা কয়েকশ বছর ধরে ভারতে থেকেছিলেন। আমাদের পূর্বপুরুষ ভারত পাকিস্তানে গিয়ে ভুল করেছিলেন। আমাদের কোনোদিনই পাকিস্তানি নাগরিকের সম্মান দেওয়া হয়নি। তাই পাকিস্তানের আর্মি, প্যারামিলিটারির বিরুদ্ধে সরব হওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

জনপ্রিয় অনলাইন : সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।  বৃহস্পতিবর সকালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের তিন সদস্যের বেঞ্চ নো অর্ডার (কোনো আদেশ নয়) আদেশ দেন।

আপিল বিভাগের এ আদেশের ফলে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রয়েছে। ফলে মেয়র পদে ফিরতে আরিফুল হক চৌধুরীর আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছে আইনজীবীরা।  
এদিন, আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আরিফের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন।  

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর কিবরিয়া হত্যা মামলায় হবিগঞ্জের একটি আদালত আরিফুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠান। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি আরিফুল হক চৌধুরীকে মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। দীর্ঘ কারাবাসের পর উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে চলতি বছর ৪ জানুয়ারি তিনি কারামুক্ত হন। পরে এ বরখাস্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়েরের পর ১৩ মার্চ হাইকোর্ট সরকারের আদেশ স্থগিত করেন। এছাড়াও রুল জারি করেন।  

জনপ্রিয় অনলাইন :  রাজধানীর মতিঝিলস্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ১৪ তলায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। 

এর আগে ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, আজ রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই আগুন লাগে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪ তলায় আগুনের খবর পেয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।মতিঝিল থানার ডিউটি অফিসার এমদাদ হোসেন জানান, আগুন লাগার পর কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গেছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে, তবে কিভাবে এই আগুন লেগেছে তা এখনো জানা যায়নি।

সেলিম আলম,মাদ্রিদ : বাংলাদেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন যেমন অত্যাবশ্যক তেমনি অবাধ সুষ্ট নির্বাচন ,জনগনের ভোটাদিকার প্রয়োগ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে পুনঃ প্রতিষ্টা করতে সকল দলের অংশ গ্রহন খুবই প্রয়োজন, ভয়েছ ফর বাংলাদেশ স্পেইন এর আয়োজনে '' নিরপেক্ষ নির্বাচন ও আগামীর বাংলাদেশ '' শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন ।
গত ২২ মার্চ মাদ্রিদের স্থানীয় একটি হলে অনুষ্টিত সেমিনার সংগঠনের  আহবায়ক সেলিম আলমের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আবুজাফর রাসেলের পরিচালনায় অনুষ্টিত হয় সভায় প্রধান অতিথির আলোচনা রাখেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও বাংলাদেশ কালচারাল এসোসিয়েশনের সভাপতি খুরশেদ আলম মজুমদার, তিনি বলেন বাংলাদেশকে স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্টা করতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রয়োজন আর সেজন্য আগামী নির্বাচন হতে হবে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ,অনুষ্টানের প্রধান আলোচক সাংবাদিক মিনহাজুল আলম মামুন বলেন দেশে আইনের শাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্টার পাশাপাশি বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে আমাদের ভুমিকা রাখতে হবে, বক্তব্য রাখেন রিয়াজ উদ্দিন লুতফুর, ইসলাম উদ্দিন পঙ্কি,আবু সায়েম মিয়া, কাজী আলমগীর,সায়াদ মিয়া প্রমুখ। তারা আশা প্রকাশ করেন দেশে গনজাগরন সৃষ্টি হবে এবং গনতন্ত্র মুক্তি পাবে। সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি জাহিদুল আলম মাসুদ, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মাসুদুর রহমান নাসিম, মোজাম্মেল হুসেন,হাবিব আলী,দিদারুল কারিম, আব্দুল মোতাল্লিব বাবুল, জাকির হুসেন চৌধুরী,আমিরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম সহ অনেকে।


সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনের আহবায়ক সেলিম আলম বলেন যোগ্য এবং সৎ সাহসী লোকের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হলে দেশে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন জনগন আশা করতে পারেন, আর গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশ অ জাতির কাছে জবাবদিহিতা ও থাকবে।

জনপ্রিয় অনলাইন : লিবিয়া উপকূলে শরণার্থীদের দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ থাকা ১৩ জন সিলেটীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। নৌকায় থাকা মোট ৭৮ বাংলাদেশির মধ্যে ৫৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ বুধবার লিবিয়ায় ভুমধ্যসাগরে লিবিয়া উপকূলে অভিবাসী প্রত্যাশীদের নৌকাডুবিতে মঙ্গলবার পর্যন্ত ১৩ সিলেটী আভিবাসী নিখোঁজ ছিলেন। আশঙ্কা করা হয়েছিল তারা সকলেই নিহত হয়েছেন। ওই নিখোঁজ ১৩ জনের সকলেরই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। নৌকায় মোট ৭৮ জন বাংলাদেশি অভিবাসী ছিলেন।এ ঘটনায় বাকী ৫৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১২ জন মহিলা কয়েকজন শিশুও রয়েছেন। বর্তমানে তাদের ত্রিপোলির একটি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। অন্যদের লিবিয়ার কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। গত সোমবার ভূমধ্যসাগরের লিবিয়া উপকূলে প্রায় ৫০০ অধিবাসী প্রত্যাশীদের নিয়ে দুটি ডিঙি নৌকা ডুবে যায়। এতে দুইশরও বেশি অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নৌকা দুটিতে পাঁচশ অভিবাসীর মধ্যে ৭৮ জন বাংলাদেশী অভিবাসী প্রত্যাশী ছিলেন। তারা সকলেই লিবিয়া থেকে ইউরোপে আসার চেষ্টা করছিলেন।

নাঈম হাসান পাভেল,কোপেনহেগেন,ডেনমার্ক থেকে: বাঙ্গালি জাতির ইতিহাসে এক নৃশংস, ভয়ঙ্কর ও বিভীষিকাময় কালরাত্রির নাম ২৫ মার্চ।
মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক কলঙ্কিতদিন। একাত্তরের অগ্নিঝরা ২৫ শে মার্চে বাঙ্গালি জাতি তথা বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করেছিল পাকিস্তানি জারজ বাহিনীর ইতিহাসের জঘন্যতম নৃশংসতা। তাই ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের কথা স্বরণ করতে গিয়ে অনেকেই ওই দিনকে নানাভাবে সঙ্গায়িত করেন। কারণ ২৫শে মার্চের কালোরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর অতর্কিত নিরস্ত্র-নিরীহ বাঙ্গালি নিধনযজ্ঞ ইতিহাসের সর্বকালের ঘৃণিত বর্বর সেই ঘটনা জও বাঙ্গালিদের মনে তীব্র প্রতিশোধ স্পৃহার জন্ম দেয়। দিনটির বিভীষিকাময় ইতিহাস বাঙ্গালীদের জও প্রতিটি মুহুর্তে পীড়া দেয়, কলঙ্কময় এদিনটির কথা মনে করে সকল বাংলাদেশীদের হৃদয়ে সর্বদা রক্তক্ষরিত হলেও এদিসবটি এখনো বিশ্ববাসীর অনেকের কাছে অজানা।
র সে লক্ষ্যে দিবসটিকে ন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবসের স্বীকৃতি দিতে জেগেছেন বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশীরা। জাগরণের শুরু ডেনমার্ক প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাধ্যমে। ২৫ শে মার্চকে ঘিরে এজন্য ডেনমার্ক প্রবাসী বাংলাদেশীরা গ্রহণ করেছেন বিভিন্ন কর্মসূচির। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস পালন করার জন্য বিল পাশ করা হয়েছে। র সে সুত্র ধরে ২৫ শে মার্চ'কে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদানের জন্য ডেনমার্ক পার্লামেন্ট এর স্পীকার পিয়া কারসগার্ড বরাবর স্মরকলিপি প্রদান এবং গণহত্যা এর নিহত সকল শহীদের স্মরণে ডেনমার্ক পার্লামেন্ট ভবনের সামনে সন্ধ্যা ৬ টায় মোমবাতি প্রজ্জলন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অার এই মহতী উদ্যোগটি এসেছে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিসহ যৌথভাবে এসকল আয়োজনগুলো হাতে নিয়েছে। ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, ডেনমার্ক যুবলীগ সভাপতি জামিল আখতার কামরুল ও সাধারণ সম্পাদক আমির জীবন, ডেনমার্ক ছাত্রলীগ সভাপতি ইফতেখার সম্রাট ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ডেনমার্ক এর সদস্য সচিব মোতালেব ভূঁইয়া এক যৌথ বিবৃতিতে আগামী ২৫ শে মার্চ শহীদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য ডেনমার্কে বসবাসরত সকল বাংলাদেশীদের অনুরোধ জানিয়েছেন।

সুফিয়ান আহমদ, বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আগামী ২৫ তারিখ মঙ্গলবার অনুষ্টিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশীত  বিয়ানীবাজার পৌরসভার নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে কাউন্ট ডাউন শুরু করে দিয়েছেন প্রার্থীরা। যে যার মত চালাচ্ছেন প্রচার প্রচারণা। তবে নতুন কোন আইনী জটিলতা সৃষ্টি না হলে এই দিনই অনুষ্টিত হবে নির্বাচন। এরই মধ্যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্থানীয় নির্বাচন কমিশন অফিসে প্রেরণ করেছে। নির্বাচন কমিশনের চিঠি পেয়ে নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে স্থানীয় নির্বাচন অফিস।

এবিষয়ে বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ মোঃ কামাল হোসেন জানান, আগামী ২৫ এপ্রিল বিয়ানীবাজার পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। এ উপলক্ষ্যে ২৭ মার্চ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ, ২৯ মার্চ বাছাই ও ৫ এপ্রিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। তফশীল অনুযায়ী অফিস চলাকালীন সময়ে স্থানীয় নির্বাচন অফিস থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা যাবে। নির্বাচনে রিটার্ণিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনির হোসেন আর সহকারী রিটার্ণিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি (সৈয়দ মো: কামাল হোসেন)।
এদিকে বিয়ানীবাজার পৌরসভার বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন আয়োজনে আইনী সকল বাধা দূর হওয়ায় স্থানীয় ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। প্রার্থীরাও কৌশলে চালাচ্ছেন জোর প্রচার প্রচারণা। পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঝড় উঠেছে চাঁয়ের কাপে। দীর্ঘদিন পর যখন বহুল কাংখিত নির্বাচন নিয়ে ভোটাররা ব্যস্ত ঠিক সেই সময়েই ভোটারদের সেই বাধভাঙ্গা আনন্দ উচ্ছাস ধ্বংস করে দেয়ার জন্য ও ভোটারদের ভোটাধিকার আবার হরণ করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন পৌরসভার আলোচিত-সমালোচিত কমিশনার মনির আলী। তিনি গত ১৯/৩/২০১৭ ইং ও ২১/৩/২০১৭ ইং তারিখে পরপর দুটি রিট দায়ের করেছেন হাইকোর্টে। তার দায়েরকৃত রিট পিটিশনগুলোর নাম্বার হচ্ছে ৩৩৩৫/২০১৭ এবং ৩৮৪০/২০১৭। তাঁর এই রিট পিটিশনের খবর পৌরশহরে ছড়িয়ে পড়লে ফিঁকে হয়ে আসে পৌর নির্বাচনের আনন্দ। পৌরশহরে গুজব ছড়িয়ে পড়ে নির্বাচন স্থগিত হয়ে গেছে বলে। ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেন পৌর নাগরিকরা। তবে এই রিট পিটিশনে পৌরবাসীকে না ঘাবড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে পৌর নির্বাচন আদায় সংগ্রাম কমিটির অন্যতম নেতা ও পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুশ শুক্কুর বলেন, আমরা যতবার বিয়ানীবাজার পৌরসভার নাগরিকদের ভোটাধিকার প্রয়োগের চেষ্টা করছি ; ঠিক ততবারই তা বানচাঁল করারও চেষ্টা হয়েছে। বর্তমানেও তা হচ্ছে। কিন্তু তারা কখনো সফল হবেন না। তিনি বলেন, আগামীতেও যদি কেউ নির্বাচন বানচাঁল করার চেষ্টা করেন, তাহলে তারা ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন এবং পৌরবাসীর কাছে আজীবন অসম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবেন।
এবিষয়ে রিট পিটিশনকারী পৌর কমিশনার মনির আলীর বলেন, আমি ও আমার বাড়ির আশপাশ এলাকা পৌর সীমানার বাহিরে চলে যাওয়ায় এলাকাবাসীর হয়ে আমি এই রিট পিটিশন দায়ের করেছি। তবে কবে এই রিট পিটিশনের শুনানী হবে তা তিনি জানেন না।

জানা যায়, বিগত ১৯শে আগষ্ট ২০০১ সালে বিয়ানীবাজার সদর ইউনিয়নকে পাশর্^বর্তি মুল্লাপুর ইউনিয়নের কিছু সীমানা অর্ন্তভুক্ত করে পৌরসভা ঘোষণা করা হয় এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের এক স্বাক্ষরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব দেয়া হয়। এ আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট মামলা দায়ের করেন তৎকালীন সদর  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তফজ্জুল হোসেন। উক্ত মামলা বিগত ১লা ডিসেম্বর ২০০৯ সালে মহামান্য হাইকোর্ট শুনানী শেষে খারিজ করে দিলে তফজ্জুল হোসেন সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে আপীল মামলা দায়ের করে প্রশাসক হিসেবে আবারো বহাল হন। এরপর বিয়ানীবাজার পৌরবাসী নির্বাচনের দাবীতে সোচ্চার হয়ে বিয়ানীবাজার পৌর নির্বাচন আদায় সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন। এই পরিষদের ব্যানারে পৌর প্রশাসক তফজ্জুল হোসেনের সীমাহীন দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে পৌরশহরে মিছিল মিটিং ও সভা সমাবেশ অনুষ্টিত হয়। যার ফলশ্রুতিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় দূর্নীতির অভিযোগে বিগত ২০১২ সালের নভেম্বরে পৌরপ্রশাসককে বহিষ্কার করেন। উক্ত বরখাস্তের আদেশের বিরুদ্ধে পৌর প্রশাসক হাইকোর্টে রীট মামলা দায়ের করলে আদালত তা গ্রহণ করে স্থগিতাদেশ দেন। অবশেষে পৌর নির্বাচন আদায় সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ পৌর প্রশাসকের সিভিল আপীল মামলা (৬০১/০৯) নিষ্পত্তির জন্য রাষ্ট্রপক্ষের স্মরণাপন্ন হলে দীর্ঘ দুই বৎসর রাষ্ট্র পক্ষের সহায়তায় আইনী কার্যক্রম চলে। এরই অংশ হিসেবে গত ২০ জানুয়ারী ২০১৬ ইং তারিখে সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে  প্রধান বিচারপতি এস.কে সিনহার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানী শেষে পৌরপ্রশাসকের মামলাটি খারিজ করা হয় এবং খরচ বাবত একশত টাকার রায় প্রদান করা হয়। আর এই আদেশের পুর্ণাঙ্গ সত্যায়িত রায় প্রকাশের ফলে পৌরপ্রশাসক তফজ্জুল হোসেন প্রশাসক হিসেবে াকার আইনগত সুযোগ হারান। কিন্তু সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে একই আদালতে প্রশাসক তফজ্জুল হোসেন আবারো রিভিউ পিটিশন করায় নতুন প্রশাসক নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে গেলে গত ৭ই নভেম্বর ২০১৬ তারিখে তা খারিজ হয়ে যায়। সর্বশেষ গত সোমবার হাইকোর্টে পৌর প্রশাসকের রিট পিটিশন (নং ৯০৬/২০১৩ ও ৯৪৪২/২০১৪ ) দুটি খারিজ করে দেন মহামান্য হাইকোর্টের বিচারপতি নাঈমা হায়দার, আবু তাহের ও মোঃ সাইফুর রহমানের বেঞ্জ । আর এই রিট পিটিশন দুটি খারিজ করার ফলে পৌরসভার প্রশাসককে তার পদ থেকে সরাতে কোন আইনী বাধ্য বাধকতা আর থাকলো না। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের মহামান্য প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত একটি বেঞ্চের রায়ে অবিলম্বে বিয়ানীবাজার পৌরসভার নির্বাচন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এদিকে অপর একটি সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় থেকে ইতোমধ্যে বিয়ানীবাজার পৌরসভার নির্বাচন করার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। পত্র পাওয়ার পরই নির্বাচন কমিশন আগামী ২৫ শে এপ্রিল বিয়ানীবাজার পৌরসভার নির্বাচনের তফশীল ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই চলছে প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা। এবার কেবল বহুল প্রত্যাশীত সেই দিনের অপেক্ষা।


নাঈম হাসান পাভেল, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড থেকে :গামী ১৬ ই এপ্রিল ২০১৭ সুইজারল্যান্ড বি এন পি'র সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবার তারিখ নির্ধারিত হয়েছে। সন্ন সম্মেলনের জন্য হাজী রফিকুল ইসলাম'কে প্রধান করে গঠন করা হয়েছে নির্বাচন কমিশন।
সুইজারল্যান্ডের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব, জেনেভা বি এন পি'র বর্তমান সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান সন্ন সুইজারল্যান্ড বিএনপির সম্মেলনে সাধারন সম্পাদক পদে ফরম সংগ্রহ করেছেন। সুইজারল্যান্ডে স্থানীয় সময় বুধবার সম্মেলনের জন্য গঠিত প্রধান নির্বাচন কমিশনার জনাব হাজী রফিকুল ইসলাম এর কাছ থেকে সাধারন সম্পাদক পদে জনাব মাহবুবুর রহমানের পক্ষে ফরম সংগ্রহ করেন জনাব তাজুল ইসলাম শামীম ও কুদরতে এলাহী টুকু। উল্লেখ্য, জেনেভা বিএনপি, একুশে উদযাপন পরিষদ সুইজারল্যান্ড, সুইস-বাংলা কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন, বাংলা পাঠশালা সুইজারল্যান্ড, ইউরোপে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংগঠন (ইপিবিএ) সহ সুইজারল্যান্ডের সব ধরনের দেশীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন ও দেশীয় সব ধরণের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে সরব মাহবুবুর রহমান। সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
এছাড়াও,সভাপতি পদে আরো ফরম সংগ্রহ করেছেন, সুইজারল্যান্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি, জনাব মিজানুর রহমান (জুরিখ), লিটন মিয়াজি (জুরিখ), কাওয়ার মিয়া (লুসান), নোয়ার শেখ (জুরিখ). এছাড়াও সাধারন সম্পাদক পদে রো ফরম সংগ্রহ করেছেন, কবির মোল্লা (জুরিখ), হুমায়ুন কবির (জুরিখ), মোঃ মাসুদ (জুরিখ) ১৬ ই এপ্রিলের সন্ন সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বি এন পি'র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মহিদুর রহমান, সহ-ন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নোয়ার খোকন, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বু সায়েমসহ সর্ব ইউরোপীয়ান বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

নাঈম হাসান পাভেল,সিনত্রা,পর্তুগাল : মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পর্তুগালের দ্বিতীয় বৃহত্তর শহর পর্তোতে বসবাসরত বাংলাদেশীরা আয়োজন করতে যাচ্ছে এক প্রীতি ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট।
পর্তোর প্যাভিলিয়াও ব্যাডমিন্টন ভ্যেনু'তে ২৫ শে মার্চ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে টুর্নামেন্টটির। সন্ধা ৭:৩০ মিনিটে শুরু হয়ে ফাইনাল খেলা সহ একইদিনে টুর্নামেন্টটির সব খেলা শেষ হবে। টুর্নামেন্টে মোট ১২ টি দল অংশ নেয়ার ব্যাপারে চুড়ান্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ কমিউনিটি অব পোর্তোর আয়োজনে টুর্নামেন্টটি পরিচালনায় থাকবেন মাহিন, মাসুদ, রাহুল, শামীম,ইমন প্রমুখ। ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট আয়োজনের পাশাপাশি স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরে পর্তোর রুয়া দ্যা সা সড়কে নির্মিত পর্তুগালের দ্বিতীয় স্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বাংলাদেশ কমিউনিটি অব পোর্তোর নেতৃবৃন্দ। ২৮ মার্চ স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ৭:৩০ মিনিটে পোর্তোর ব্লাস্মাও রেস্টুরেন্টে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী ও মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা এবং ডিনারের য়োজন করেছে বাংলাদেশ কমিউনিটি অব পোর্তো। সেখানে পর্তুগালের রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ও স্থানীয় সিটি কাউন্সিলের ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কমিউনিটি অব পোর্তোর সভাপতি শাহ লম কাজল।

আমিনুল ইসলাম,কাতার প্রতিনিধিঃ সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এহসানুল হক মিলন-কে সংবর্ধনা দিয়েছে কাতার প্রবাসী কচুয়া জাতীয়তাবাদী ফোরাম।
গত ২১ মার্চ কাতারের রাজধানী দোহার রমনা হোটেলে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ফারুক হোসেন ও মো: হানিফের যৌথ সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ হোসেন ইমাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাতারস্থ ধানসিড়ি বিএনপির আহ্বায়ক মো: শহীদুল হক।প্রধান বক্তা ছিলেন ইউ.এ.বিএনপির সাবেক সভাপতি মো: সালাউদ্দিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধানসিড়ি বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক পেয়ার মোহাম্মদ, সদস্য সচিব শরিফুল হক সাজু, যুগ্ম-আহ্বায়ক মকবুল হোসেন, মেজবাহুল করিম বাবলা, জিয়া পরিষদের উপদেষ্টা মো: ইয়াসিন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল আলম খান।স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাফেজ আহমদ সেলিম, অধ্যাপক এ.কে.এম.আমিনুল হক, জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, শাহ আলম রানা, ফয়সাল মাঝি, আক্তার হোসেন,কামরুল, মাসুদ, আরিফ, মাসুম সহ আরও অনেকে।
বক্তরা বলেন,বর্তমান সরকারের আমলে জেল, জুলুম, হত্যা এখন বিএনপির নেতাকর্মীদের নিত্য সঙ্গী হয়ে দাড়িয়েছে অনেকেই নির্মম অত্যাচারের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাদক বহনকারী বাংলাদেশী শ্রমিকরা কাতারে এসে ধরা পড়ে দেশের সুনাম নষ্ট করছে বাংলাদেশের বিমান বন্দরে তদারকির গাফিলতির কারণেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।দায়িত্বে অবহেলার দায় বাংলাদেশের জনগণের নয় সরকারের। প্রবাসীরা দেশের এক একজন রাষ্ট্রদূত অভিহিত করে তিনি দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হয় এমন কাজ না করার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশীদের আহ্বান জানান।

ইমদাদুর রহমান ইমদাদ, সিলেটঃ সিলেটের কানাইঘাট পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন আল মিজানের মাতার মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে। শোক জ্ঞাপনকারীগণ হলেন; কানাইঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম রানা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম বেগম, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক, সাতবাক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ পলাশ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এমাদ উদ্দিন মানিক, কানাইঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক ও সাবেক মেয়র লুৎফুর রহমান, কানাইঘাট উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও কলামিস্ট মহি উদ্দিন, কানাইঘাট নিউজ কম'র সম্পাদক মাহবুবুর রশীদ, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের প্রতিষ্টাতা সভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক এম এ হান্নান, প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সহ সভাপতি ও ফ্রান্স প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক দেলওয়ার হোসেন সেলিম, ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিন, ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান, আজমল চৌধুরী, মামুন রশীদ বাবুল, কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ মামুন, দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদ আহমদ, নবাব চৌধুরী এডুকেশন এন্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্টাতা ও লন্ডন প্রবসী আহমেদ ইকবাল চৌধুরী, সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি হারুন রশীদ, লন্ডন মহানগর যুব লীগের অর্গানাইজেশন সেক্রেটারী খালেদ আহমদ শাহীন, বশির আহমদ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল আমিন, ঢাকনাইল সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি নুরুল আম্বিয়া, ঢাকনাইল মডেল কিন্ডার গার্ডেনের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও আরব আমিরাত প্রবাসী ফয়জুল ইসলাম জাহিদ, সহ শিক্ষক ফখরুল ইসলাম, সিলেট জর্জ কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, এডভোকেট তাজ উদ্দিন মাখন, গোয়ালজুর আদর্শ তরুণ সংঘের সেক্রেটারি রোটারেক্টর আমিনুল ইসলাম, সাবেক ছাত্র লীগ নেতা ও ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সহ প্রচার সম্পাদক মহি উদ্দিন সুহেল, সাবেক যুবলীগ নেতা ও দুবাই প্রবাসী ফারুক আহমদ, যুব রেড ক্রিসেন্ট সিলেট ইউনিটের যুব প্রধান মোঃ মিনহাজুল আবেদিন, যুব রেড ক্রিসেন্ট সিলেট ইউনিটের জনসংযোগ ও পরিকল্পনা বিভাগীয় প্রধান আফজাল হোসেন তুহিন, রোটারেক্ট ক্লাব অব সিলেট গ্রীণ বাডস এর সভাপতি রোটারেক্টর মাহবুব কামালি, কানাইঘাট উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক সুহেল আহমদ চৌধুরী, সিলেট ছাত্র ও যুব কল্যাণ ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এইচ এম আব্দুর রহমান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রোটারেক্টর ইমদাদুর রহমান ইমদাদ প্রমুখ। 
পৃথক বিবৃতিতে এসকল মেয়র মাতার মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, মেয়র নিজাম উদ্দিন আল মিজানের মাতা বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে গত রাতে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ......... রাজিউন)। তিনির নামাজে জানাযা আজ বুধবার বাদ যোহর কানাইঘাট দারুল উলুম মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে। (বিজ্ঞপ্তি)।

সুফিয়ান আহমদ, বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ বিয়ানীবাজারের ঘুঙ্গাদিয়া-বড়দেশ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী রেহানা আক্তার ইভা (১৫) যথাসময়ে চিকিৎসা না পেয়ে নিজ বিদ্যালয়েই করুণ মৃত্যুবরণ করেছে। ইভার এমন মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁর পরিবার, সহপাঠিসহ গোটা এলাকায়। রহস্যজনক এমন মৃত্যুতে এলাকাবাসী কেউ মুখ না খুললেও ইভার পরিবার দায়ী করছেন শিক্ষকদের। তারা বলছেন, শিক্ষকরা যদি খেলায় মগ্ন না হয়ে ইভাকে যথাসময়ে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতেন, তাহলে ইভার এমন মৃত্যু হত না।

প্রাপ্ত তথ্য মতে ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের ঘুঙ্গাদিয়া ফুলআলা গ্রামের ফখর উদ্দিনের কনিষ্ট মেয়ে ও ঘুঙ্গাদিয়া বড়দেশ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী রেহানা আক্তার ইভা প্রতিদিনের মত সোমবারেও নিজ বিদ্যালয়ে যায়। বিদ্যালয়ে গত কয়েকদিন ধরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা থাকায় সহপাঠিদের সাথে বসে গল্পগুজব করছিলো সে। দুপুরের দিকে ইভা বিজ্ঞানাগারের দিকে যায়। যদিও সে দিকে জি¦ন-ভুতের ভয়ে কেউ যান না। সেখান থেকে আসার কিছু সময় পর ইভা মাথায় ব্যাথা অনুভব করছে বলে তাঁর সহপাঠিদের জানায়। আস্তে আস্তে তার শরীর খারাপ হতে থাকে। একপর্যায়ে ইভা শিক্ষিকা ফাতেমা খাতুনকে অসুস্থতার কথা বললে তিনি ছুটি দেন নি। এরপর তার অবস্থা আরো অবনতির দিকে যেতে থাকে। বিকেল ৩টার দিকে ইভার মাথাব্যাথা অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেলে সে মাথা ঘুরে পড়ে যায় এবং তার মুখ দিয়ে ফেনা আসতে থাকে। ইভা পড়ে যাওয়ার পর খেলায় মগ্ন শিক্ষকদের তাঁর সহপাঠিরা জানালে শিক্ষকরা এসে ইভার বাড়িতে ফোন দেন। ফোন পেয়ে ইভার বড় ভাই আলী আহমদ বিদ্যালয়ে এসে ইভাকে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ ফাতেমা খানম ও ডাঃ রাবিয়া বেগম ইভাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর লাশ বাড়িতে নিয়ে এসে রাতেই ইভাকে পারিবারিক গোরস্থানে সমাহিত করা হয়।


ইভার সহপাঠি শামীমা আক্তার শাম্মী ও ফাহমিদা ইয়াসমীন জানায়, প্রতিদিনের মত সোমবার বিদ্যালয়ে গিয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা থাকায় আমরা ক্লাসে বসে গল্প করছিলাম। দুপুরের দিকে গল্পের মধ্য থেকে উঠে ইভা বিজ্ঞানাগারের দিকে যায়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সেই জায়গায় কোন শিক্ষার্থী যান না জি¦ন-ভুতের ভয়ে। সেখান থেকে আসার কিছু সময় পর ইভা মাথায় খুব ব্যাথা করছে বলে জানায়। এরপর তারা তাকে সুস্থ করার জন্য চেষ্টা করলেও কোনভাবে কাজ হয়নি। বরং তার মাথার ব্যাথা আরো বাড়তে থাকে। সময় যত গড়ায় ইভা আরো নিস্তেজ হতে থাকে। বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে ইভা দ্বিতীয়বারের মত পড়ে গেলে , তার মুখ দিয়ে ফেনা আসতে থাকে। ইভার মুখ দিয়ে ফেনা আসার খবর  তারা শিক্ষক আব্দুল হামিদকে জানান-এরপর তারা আর কিছুই বলতে পারে নি।

জনপ্রিয় অনলাইন : আমি জামায়াতে ইসলামীর বিরোধী। তবে তার চেয়েও বেশি হজ ও তাবলিগ জামাতের বিরোধী, এমন বিতর্কিত মন্তব্য করে রাজনীতির ময়দান থেকে ছিটকে পড়েন আওয়ামী লীগের একসময়কার প্রভাবশালী নেতা আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। কিন্তু না। এবার তার মুখে ভিন্ন সুর। তিনি হজে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এমনটাই মনস্থির করেছেন বলে জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠজনরা। এজন্য প্রথমিকভাবে নিবন্ধন প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করেছেন তিনি।

শুধু তাই নয়, প্রবীণ এ রাজনীতিক এখন নিয়মিত নামাজও আদায় করেন। কোরআন-হাদিস পড়েন। ধর্মচর্চায় অনেকখানি মনোনিবেশ করেছেন। এর প্রমাণও মিলেছে তার ফেসবুকে। ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করে দেশ-বিদেশে কোণঠাসা হয়ে পড়া লতিফ সিদ্দিকী গত বছর ১৩ ডিসেম্বর নিজের ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন, বিশ্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব ও শান্তির ধর্ম ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও মৃত্যু (ওফাত) দিবস আজ মঙ্গলবার। আমি তাঁর প্রতি হৃদয় উৎসারিত আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদন করছি। একই সঙ্গে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের প্রত্যাশায় তাঁর দোয়া কামনা করছি।
আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর ঘনিষ্ঠজনদের মতে, রাজনীতি থেকে হারিয়ে যাওয়ার পর অনেকটাই বদলে গেছেন তিনি। অনেকটাই অন্তরীণ এ রাজনীতিক। আচার-আচরণেও বেশ পরিবর্তন এসেছে তার। কথায় কথায়
ধমক দেয়ার অভ্যাসটাও আর আগের মতো নেই। পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনার বাইরে বেশিরভাগ সময় গুলশানের এক নম্বরের বাসায় কাটান। আত্মীয়স্বজন, পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে গল্প করে, আড্ডা দিয়ে, কখনও নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে, কখনও বই পড়ে সময় কাটাচ্ছেন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। সময় পেলেই লেখালেখি করছেন, লিখছেন আত্মজীবনী। এর বাইরে প্রতি শুক্রবার নির্বাচনী এলাকা টাঙ্গাইলের কালিহাতি যান তিনি। সপ্তাহে দুদিন তিনি সেখানেই অবস্থান করেন। এলাকাবাসীর সঙ্গে শুক্রবারের জুমার নামাজ সেখানেই আদায় করেন। মূলত এসবের মধ্য দিয়ে রাজনীতির মাঠে আবার ফিরে আসার চেষ্টা করছেন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মাঝেমধ্যে আওয়ামী লীগের শীর্ষনেতাদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করেন।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে এ বছর হজে যাওয়া, নিয়মিত নামাজ আদায় এবং ধর্মচর্চা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। তিনি বলেন,
এটা আমার ব্যক্তিগত বিষয়। অন্যকিছু জানতে চাইলে প্রশ্ন করতে পার। এ নিয়ে কোনো কথা বলব না। সময় কীভাবে কাটছে? জানতে চাইলে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, আমি তো সময়ই পাই না। আমার হাতে সময় নেই। রাজনীতি থেকে এখন আপনি নির্বাসনে, কেমন লাগছে এ নির্বাসিত জীবনযাপন? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি নির্বাসনে নই। আমি অবকাশ জীবনযাপন করছি। আমি উত্থানপতনে বিশ্বাসীও নই। আমি আর নতুন করে সংবাদও হতে চাই না। আর আমি মিডিয়াবান্ধবও নই। কেউ আমার পক্ষে লিখলেও কিছু যায় আসে না। বিপক্ষে লিখলেও কিছু যায় আসে না। এসব নিয়ে কখনও আমি ভাবি না। রাজনীতিতে আবার ফিরবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, আমি রাজা নই, যে রাজনীতি করব। আমি জনগণের সেবক। কালিহাতির জনগণের সঙ্গে ছিলাম, আছি, ভবিষ্যতেও থাকব।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ বলেন, অবশ্যই নির্বাচনে অংশ নেব। আওয়ামী লীগ থেকে যদি মনোনয়ন না পান- তখন কী করবেন? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাব না। দল থেকে ছিটকে পড়ার পরেও কি শেখ হাসিনার প্রতি আপনি আস্থাশীল? জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবশ্যই। আমি মনে করি তিনি (শেখ হাসিনা) দেশকে ভালোবাসেন, দেশের মানুষকে ভালোবাসেন, দেশের মানুষের কিভাবে ভাগ্যের পরিবর্তন করা যায় তা নিয়ে ভাবেন, কাজ করেন। তার প্রতি কেনো আস্থাশীল থাকব না। অপর এক প্রশ্নের জবাবে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, আমি এমনিতেই কম জানা মানুষ। তাই সময় পেলে বই পড়ি, জানার চেষ্টা করি। লেখালেখিও করার চেষ্টা করি। আর বেশির ভাগ সময় বাসায় থাকি এটা যেমন সত্যি, তেমনি নিয়মিত কালিহাতি যাই এটাও সত্যি।

প্রসঙ্গত, হজ, তাবলিগ জামাত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাংবাদিকদের সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করে বেকায়দার পড়েন সে সময়কার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী
আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। ২০১৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের একটি হোটেলে নিউইয়র্কের টাঙ্গাইল সমিতির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে পবিত্র হজ প্রসঙ্গে বলেন, আমি কিন্তু হজ আর তাবলিগ জামাতের ঘোরতর বিরোধী। আমি জামায়াতে ইসলামীরও বিরোধী। তবে তার চেয়েও হজ ও তাবলিগ জামাতের বেশি বিরোধী। তিনি আরও বলেন, এই হজে যে কত ম্যানপাওয়ার (জনশক্তি) নষ্ট হয়। হজের জন্য ২০ লাখ লোক আজ সৌদি আরবে গিয়েছে। এদের কোনো কাম নাই। এদের কোনো প্রডাকশন নাই। শুধু রিডাকশন দিচ্ছে। শুধু খাচ্ছে আর দেশের টাকা দিয়ে আসছে। আবদুুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, এভারেজে (গড়ে) যদি বাংলাদেশ থেকে এক লাখ লোক হজে যায়; প্রত্যেকের পাঁচ লাখ টাকা করে ৫০০ কোটি টাকা খরচ হয়।
একই অনুষ্ঠানে তাবলিগ জামাতেরও সমালোচনা করেন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। তিনি বলেন, তাবলিগ জামাতও প্রতি বছর ২০ লাখ লোকের জমায়েত করে। নিজেদের তো কোনো কাজ নেই। সারা দেশের গাড়িঘোড়া তারা বন্ধ করে দেয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধেও একহাত নেন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। তিনি বলেন, জয় বাংলাদেশ সরকারের কেউ নয়। এখানে জয়ের কিছু করার নেই। সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কার্যকর করেন মন্ত্রী। টেলিভিশনের টকশো প্রসঙ্গে বলেন, ওদের আমি বলি
টকমারানি। তিনি বলেন, যারা টকশোতে যায় তারা টক ম্যান। নিজেদের কোনো কাজ না থাকায় ক্যামেরার সামনে গিয়ে তারা বিড়বিড় করে। টকমারানিদের আর কোনো কাজ নেই। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে বারবার উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। তার এই বক্তব্য মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে দেশে বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী।
এ ঘটনার পর সরকারি দল আওয়ামী লীগের ভেতরেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর পদত্যাগ ও গ্রেফতারের দাবিতে জাতীয় পার্টি এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা সংসদে অনির্ধারিত বক্তব্য দেন। বিএনপিসহ বিভিন্ন ইসলামিক রাজনৈতিক দলগুলো সভা-সমাবেশ করে তার পদত্যাগ ও গ্রেফতারের দাবি জানান। এ ছাড়া হরতালের ডাক দেয় হেফাজতে ইসলামসহ কয়েকটি ইসলামিক দল। আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর এ বক্তব্য ধর্মীয় অনুভূতিতে
আঘাতের শামিল এমন দাবি করে ঢাকাসহ দেশের ১৮টি জেলায় তার বিরুদ্ধে ২২টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় তাকে আদালতে তলব করা হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাজির না হওয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। কিন্তু আবদুল লতিফ সিদ্দিকী তার বক্তব্যে অনড় থাকেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি একজন দায়িত্বশীল লোক। আমি যা বলব, তার দায়িত্ব নেব না, কে বলল? কোনো কিছুতেই আমি বক্তব্য প্রত্যাহার করব না।
এ বক্তব্যে সৃষ্ট বিতর্কের মধ্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রীর পদ থেকে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে অব্যাহতি দেয়া হয়। মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের প্রায় দেড় মাস পর গত ২৪ নভেম্বর রাতে কলকাতা থেকে ঢাকায় ফেরেন তিনি। এরপর অজ্ঞাত স্থানে চলে যান। গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকার পরেও বিমানবন্দরে তাকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। তাকে গ্রেফতার না করা নিয়ে জনমনে প্রশ্নের উদ্রেক হয়। জন্ম দেয় আরেক আলোচনা-সমালোচনার। সরকারের ভেতরেও দেখা দেয় এক ধরনের অস্বস্তি। এরকম পরিস্থিতিতে পরদিন দুপুরে রাজধানীর ধানমণ্ডি থানায় গিয়ে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী আত্মসমর্পণ করেন। তখন ধানমণ্ডি থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক জানান, বেলা দেড়টার দিকে আচমকা তার কক্ষে ঢুকে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ওসি সাহেব, চলে এলাম আপনার কাছে। সাবেক মন্ত্রীকে দেখে কিছুটা চমকে গেলেও নিজেকে সামলে নিয়ে ওসি বলেন, ভালোই হয়েছে স্যার, পুলিশ তো আপনাকে খুঁজছে। জবাবে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, পুলিশ আমাকে খুঁজবে কেন, আমি নিজেই চলে এসেছি। এরপর ওসি তাকে চা পান করতে বলেন। কিন্তু তিনি তাতে রাজি হননি। আইনি প্রক্রিয়ায় কী আছে, কী করতে হবে তা করেন। এরপর সেখান থেকে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে পাঠানো হয়। কিন্তু আদালতে জামিন চাননি তিনি। এরপর মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। পরে গত বছর ২৯ জুন কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে একদিন আকস্মিক সংসদে গিয়ে ১৫ মিনিটের আবেগময় এক বক্তৃতা দিয়ে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন। নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ আসন থেকে নির্বাচিত হন। এর আগে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। হারাতে হয় দলের প্রাথমিক সদস্য পদও।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget