2017-03-05

জনপ্রিয় অনলাইন : নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া নির্বাচন নয়, নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন দিতে হবে কিংবা প্রয়োজনে কেয়ামতের আগ পর্যন্ত শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাব না- বিএনপি নেতারা এরকম নানা কথা বললেও এগুলো পুরোপুরি বিশ্বাস করছেন না ক্ষমতাসীনেরা। আওয়ামী লীগের ধারণা, মুখে এখন যাই বলুক না কেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো বিএনপি আগামী নির্বাচন বর্জন করবে না। শুধু আওয়ামী লীগ নয়, দলটির নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিকদের বেশিরভাগেরও অভিন্ন বিশ্বাস। ১৪ দল ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের বাইরে থাকা নিবন্ধিত দলগুলোও মনে করে, আর যাই হোক, যে কাঠামোয়-ই হোক না কেন-বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে আসবে। বিএনপি একাদশ সংসদ নির্বাচনে আসছে, এমনটা ধরে নিয়েই আওয়ামী লীগ, ১৪ দল, জাতীয় পার্টি (জাপা) এবং ২০ দলের বাইরের উল্লেখযোগ্য দলগুলো আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বিএনপি আগামী নির্বাচনে আসবে-ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ যে এমনটা মনে করছে সেটির ইঙ্গিত মেলে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কণ্ঠেও। তিনি বলেছেন,
আগামী নির্বাচনে না এলে বিএনপির নিবন্ধন ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। আমার তো মনে হয় না তারা (বিএনপি) এই ঝুঁকি নেবে। আমার মনে হয়, এখন যাই বলুক না কেন, শেষ পর্যন্ত বিএনপি নির্বাচনে আসবে।
ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের কারও কারও এ ধরনের মন্তব্যের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  বলেন,
আমরা তো কখনও বলিনি যে, আমরা নির্বাচন করতে চাই না। বিএনপি একটি নির্বাচনমুখী দল। আমাদের দাবিটা কি? আমাদের দাবিটা হল-নির্বাচনটা সবার অংশগ্রহণে এবং অবাধ ও সুষ্ঠু হতে হবে। সেজন্য নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার প্রয়োজন। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সরকার নির্বাচন দিক, সুষ্ঠু ভোটের ফল আমরা মেনে নেব, এখানে তো আমাদের কোনো আপত্তি নেই।
আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচন যে পাঁচ জানুয়ারির ধাঁচের হবে না, সেটি ইতোমধ্যে পরিষ্কার করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। গতবছর অনুষ্ঠিত দলের কাউন্সিলে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন
আগামীতে আমরা ভালো নির্বাচন দেখতে চাই। সেজন্য এখন থেকেই আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। গ্রামে-গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় গিয়ে সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরতে হবে।
আগামীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বৈঠকে তৃণমূলে দলীয় কোন্দল মেটানোর জন্য দলের সংসদ সদস্যদের নির্দেশনা দিয়েছেন শেখ হাসিনা। যেসব সংসদ সদস্য ইতোমধ্যে নানা বিতর্কিত কার্যকলাপে জড়িয়েছেন তাদের শুধরানোর পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,
সবার আমলনামা আমার কাছে রয়েছে, জনগণের সঙ্গে ভালো আচরণ করুন। জনপ্রিয়তার ভিত্তিতেই আগামীতে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে।
আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক বাস্তবতা, দল ও নেতৃত্বের রাজনৈতিক ভবিষ্যত্ এবং দেশি-আন্তর্জাতিক উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিএনপি আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে, এটা ধরে নিয়েই প্রস্তুতি শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। দলে বিভক্তি এড়াতে ছোটখাটো অপরাধে তৃণমূলের কাউকে দল থেকে বহিষ্কার না করা এবং কমিটি বিলুপ্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। এ সংক্রান্ত চিঠি ইতোমধ্যে সকল সাংগঠনিক জেলা, মহানগর ও উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে।
আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ করা না করার বিষয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, বিএনপিকে নির্বাচনে যেতে হলে সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা থাকতে হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ উন্মুক্ত করতে হলে এখন থেকেই সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা দরকার। তিনি বলেন, বিএনপি আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক সংকটের সমাধান চায়। সরকারের উচিত নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে আলোচনায় বসা। তা না হলে তো বিএনপির সামনে আন্দোলন ছাড়া বিকল্প থাকবে না।
জাতীয় ঐক্যজোট নিয়ে আসছেন এরশাদ: বিএনপি আগামী নির্বাচনে আসছে, এরকম ধরে নিয়ে এগোচ্ছে এইচএম এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টিও (জাপা)। বিএনপি নির্বাচনে এলে আগামীতে রাজনীতি ও সংসদে নিজেদের অবস্থান নিয়েও নানামুখী ভাবনায় পড়েছে দলটি। তবে যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজেদের রাজনৈতিক মূল্য বাড়াতে নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের তোড়জোড় শুরু করেছে দলটি।
জোট গঠনের লক্ষ্যে জাপা চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ গত বুধবার বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। দলটি নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত। এর আগে আরও দুটি নিবন্ধিত ইসলামী দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এরশাদ। আগেরদিন মঙ্গলবার এরশাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে ১৫টি দল। এগুলো হলো- বাংলাদেশ  লেবার পার্টি, আমজনতা পার্টি, গণতান্ত্রিক ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ইসলামী ডেমোক্রেটিক পার্টি, কৃষক শ্রমিক পার্টি, ইউনাইটেড মুসলিম লীগ, গণ-অধিকার পার্টি, তফসিল ফেডারেশন, জাতীয় হিন্দু লীগ, সচেতন হিন্দু পার্টি, বাংলাদেশ পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিপিডিপি) ও ইসলামী গণ-আন্দোলন।
জাপা মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার  বলেন,
এ মাসেই নতুন জোটের ঘোষণা দেওয়া হবে। আমরা চেষ্টা করছি জোটের বেশিরভাগ শরিক যেন নিবন্ধিত দল হয়, অযথা অনিবন্ধিত ছোট ছোট দল নিয়ে  জোট করলে এনিয়ে কথা উঠতে পারে।
জাপার সম্ভাব্য এই জোটের সমন্বয়ক ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়  জানান, সম্ভাব্য এই জোটের নাম হবে
জাতীয় ঐক্যজোট। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলু এমপি বলেন, এ মাসের শেষদিকে এরশাদের নেতৃত্বে নতুন জোট হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, উদার গণতান্ত্রিক, ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী, সামাজিক রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিয়ে এ জোট হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১ জানুয়ারি দলের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত মহাসমাবেশে এরশাদ দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন,
তোমাদের মনে সন্দেহ থাকতে পারে-আগামী নির্বাচন আমরা কীভাবে করব। আমি আজ সেই সন্দেহ দূর করছি, জাপার যে শক্তি দেখছি-আমরা এককভাবেই নির্বাচন করব, অন্য কারও সাথে আর হাত মেলানোর দরকার নেই। এই বক্তব্যের দুই মাসের মধ্যেই জোটবদ্ধ নির্বাচনের উদ্যোগ নিলেন এরশাদ।
ছোট দলগুলোও অংক কষছে: বিএনপি নির্বাচনে আসবে, এমনটা ধরে নিয়ে ১৪ দল ও ২০ দলের বাইরে থাকা নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত হলেও উল্লেখযোগ্য কয়েকটি দল নানা হিসাব-নিকাশ কষছে। দলগুলোর কেউ-ই আর একা থাকতে চাচ্ছে না। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সবাই জোটবদ্ধ হতে চাচ্ছে। কেউ নতুন জোট বাঁধার চেষ্টায় আছেন, কারও লক্ষ্য পুরনো কোনো জোটে ভিড়তে পারা। এক্ষেত্রে সবার লক্ষ্য প্রায় অভিন্ন, তা হলো আগামী সংসদে ঠাঁই পাওয়া। সংসদে যেতে না পারলেও অন্তত ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে থাকতে চায় এসব দল।
আ.স.ম রবের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ওয়ার্কার্স পার্টির একাংশ, গণফোরাম, বাসদ ও মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্যসহ সমমনা কয়েকটি দল নিজেরা জোটবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন। দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বাসদের খালেকুজ্জামান বলেছেন, আমাদেরকে একমঞ্চে আসতে হবে। রব বলেন, এখন আর একা থাকার সুযোগ নেই। কাদের সিদ্দিকীর মতে, সবার এখন এক হওয়ার সময় এসেছে।
এদিকে বিকল্পধারা প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীও নতুন একটি জোট দাঁড় করানোর লক্ষ্যে প্রাথমিক কাজ শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে তিনি আ.স.ম রব, কাদের সিদ্দিকী ও মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ সমমনা কয়েকজনের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করেছেন বলে দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে।

লায়বুর খাঁন : গত ২৬ ফেব্রুয়ারী রবিবার রাত ৯ ঘটিকায় বার্লাসেলোনায় স্থানীয় একটি হলে মাতৃভাষা দিবস ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভায় বক্তারা বলেন ভাষার গুরুত্ব অপরিসীম স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা আমাদের মাতৃভাষার গুরুত্ব দিয়েছেন।হযরত আদম আঃ হতে শেষ নবী পর্যন্ত সব কটি আসমানি কিতাব নবীদের মাতৃভাষায় নাজিল করেছেন।প্রত্যেক রাসুলকে তার জাতির লোকদের মাতৃভাষাতেই প্রেরন করেছেন। যাতে তারা তাদেরকে পরিষ্কার ভাষায় বর্নান করতে পারেন।আমাদের সকলরেই উচিত ভাষা শহীদদের আত্মার প্রতি মাগফিরাত মুক্তি মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা। শাখার সহ সভাপতি মাওঃ আব্দুল গফুরের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মাওঃ বদরুল হকের পরিচালনায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মারজানুল ইসলাম.ইসলামিক সংগিত পরিবেশন করেন সুমন আহমদ বক্তব্য রাখেন স্পেনের আন্দুলস মসজিদের খতিব মাওলানা মুফতি আব্দুল কাদির.ফ্রান্স ভবিনি শাখার সাধারন সম্পাদক মাওঃ ওলীউর রহমান.পর্তুগাল থেকে আগত হাফিজ মাশহুদ আহমদ.শাখার বায়তুল মাল সম্পাদ সাদেক আহমদ লস্কর.হুসাইন মুনশি।পরিশেষে মুনাজাতের মাধ্যমে সভা সমাপ্ত হয়।

জনপ্রিয় অনলাইন:  মিজারুল কায়েস একজন অসাধারণ কূটনীতিক ও নীতিবান মানুষ ছিলেন। মানুষকে খুব সহজেই আপন করে নিতে পারতেন তিনি। বাংলাদেশের অন্যতম চৌকষ ও বুদ্ধিমান কূটনতিক ছিলেন তিনি। তিনি চলে যাওয়ায় যে শূন্যস্থান তৈরি হলো, তা পূরণ হবার নয়।

রাষ্ট্রদূত ও সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েসের স্মৃতিচারণ করে তার সাবেক সহকর্মী ও একুশে টিভির বার্তা প্রধান রাশেদ চৌধুরী এসব কথা বলেছেন।
লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাবেক মিনিস্টার (প্রেস) রাশেদ চৌধুরী বলেন, আমার মনে আছে, একদিন তিনি হাউজ অব কমন্সে বক্তৃতা করার সময় তিনি এত ভালো বক্তৃতা করেছিলেন যে, তাকে মোট ২০ মিনিট সময় দেয়া হয়েছিলো। যেখানে সবাইকে সাধারণত ১ বা ২ মিনিট সময় দেয়া হয়।
কাজের সময় তিনি প্রায়ই আমাকে বিভিন্ন বিষয় দেখিয়ে দিতেন। খুব ভালো সম্পাদনার কাজ পারতেন। তিনি বলতেন চাকরি থেকে অবসর নিলে আমি সাংবাদিকতা করবো। ভীষণ আড্ডাবাজ মানুষ ছিলেন। যেখানে যেতেন, প্রায়ই আমাকে নিয়ে যেতেন। জানি না, মনে হয় আমাদের পছন্দ করতেন খুব। বলছিলেন রাশেদ চৌধুরী।
মিজারুল কায়েস সম্পর্কে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মহিউদ্দিন আহমেদ তার ফেসবুক পাতায় লিখেন, ব্রাজিলের আগে কায়েস লন্ডনে আমাদের হাইকমিশনার ছিলেন। বিএনপি-জামায়াত সরকার তাকে মালদ্বীপে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তাকে অবজ্ঞা ও অবহেলা দেখিয়েছিল। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে রাশিয়াতে রাষ্ট্রদূত হিসাবে বদলি করে তার যথাযোগ্য মূল্যায়ন করে। রাশিয়া থেকে তাকে ঢাকায় পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি আরো লিখেন, তার অফিসের দেয়ালে বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে বঙ্গবন্ধুর একটি ছবি ছিল। এই পোট্রেটটি সরাতে তার উপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। কিন্ত কায়েস আপোস করেনি। পরে তার অফিস কামরাটিই বদলে দেয়া হয়। নতুন অফিস-কামরায় যাওয়ার সময় বঙ্গবন্ধুর পোট্রেটটি নামাতে বাধ্য হয় সে।
ব্রাজিলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস বাংলাদেশ সময় শনিবার সকাল ছয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি গুরুতর অসুস্থ সাবেক এ পররাষ্ট্র সচিবকে ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়ার একটি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছিল।
ওই সময় তার অসুস্থতার বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছেন তিনি।
ব্রাজিলে যাওয়ার আগে মিজারুল কায়েস বাংলাদেশের লন্ডন মিশনে হাই কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

জনপ্রিয় অনলাইন : ব্রাজিলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতরাতে স্থানীয় সময় রাত ৯ টায় (বাংলাদেশ সময় ভোর ৬ টা) ব্রাসিলিয়াতে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মিজারুল কায়েসের পরিবার ও পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ১১ ফেব্রুয়ারি গুরুতর অসুস্থ সাবেক এ পররাষ্ট্র সচিবকে ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়ার একটি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছিল। ওই সময় তার অসুস্থতার বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল,শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছেন তিনি। পরবর্তী পক্রিয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, তার লাশ আনা হবে নাকি ওখানেই দাফন করা হবে সে বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা শুরু হয়েছে। ব্রাজিলে মিজারুল কায়েসের  স্ত্রী এবং মেয়ে আছেন। ঢাকায় তার ভাই মেজর জেনারেল(অব.) মোহাম্মদ ইমরুল কায়েস রয়েছেন বলে জানা গেছে। রাষ্ট্রদূত কায়েস ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ঢাকাতেই ছিলেন। ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে ব্রাজিলের সাও পাউলোর উদ্দেশে তিনি রওনা দেন। সেখানে পৌঁছেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ব্রাজিলে যাওয়ার আগে মিজারুল কায়েস বাংলাদেশের লন্ডন মিশনে হাই কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

লায়েবুর খান : এম.ইলিয়াস আলীকে নিয়ে কটুক্তি করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইলিয়াস মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ কাতালোনিয়া
গত ৮ই মার্চ সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদে চতুর্দশ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদের একমাত্র নারী হুইপ মাহবুব আরা গিনি বক্তব্যের এক পর্যায়ে বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খোঁজ নেবেন কিনা, ইলিয়াস আলীরা সিরিয়ায় গিয়ে আইএসের যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে, নাকি পাকিস্তানে গিয়ে তারা জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। বিএনপির জাতীয় নেতা নিঁখোজ এম.ইলিয়াস আলীকে নিয়ে জাতীয় সংসদে উপরে উল্লেখিত কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইলিয়াস মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ কাতালোনিয়ার নেতৃবৃন্দ, ইলিয়াস মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের প্রতিবাদ বার্তায় বলা হয়, জাতীয় সংসদের হুইপ মাহবুব আরা গিনি আপনাদের লজ্জা শরম থাকলে ইলিয়াস আলীকে নিয়ে কটুক্তি করতে পারতেন না। ইলিয়াস আলীর তুলনা শুধু ইলিয়াস আলী, ইতিমধ্যে ইলিয়াস আলীর জনপ্রিয়তার প্রমাণ পেয়েছে দেশ বিদেশের মানুষ। ইলিয়াস আলীর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা এই বাকশালী শেখ হাসিনা সরকার মেনে নিতে না পেরে গুম নামক কারাগারে আটক করে রেখেছে, আর আজ ঐসব নির্লজ্জ নারীরা সৈরাচার হাসিনাকে সন্তুষ্ট করতে ইলিয়াস আলীকে জঙ্গি, আইএস বানাচ্ছেন ওরা? আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, এবং ইলিয়াস আলীকে নিয়ে বাজে মন্তব্যের জন্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার জন্যে বলছি, এবং অবিলম্বে ইলিয়াস আলীকে ফিরিয়ে দেওয়ার উদার্থ আহবান জানাচ্ছি!!

সাইফুল আমীন,মাদ্রিদ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় জাতীয় নির্বাহী কমিঠির সাংগঠনিক সম্পাদক বাকশালী অবৈদ সরকারের আতংক জননেতা  এম ইলিয়াস আলী ও সংগ্রামী ছাত্র নেতা দিনার সহ অবৈদ সরকার কর্তৃক গুম হয়া সকল নেত্রীবৃন্দ কে তাদের পরিবারের কাছে  সুস্হ অবস্হায়  ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবী জানিয়ে প্রতিবাদ সভা করেছে ইলিয়াস আলী মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ স্পেন ।
গত ৪ মার্চ মাদ্রিস্হ বাংলা টাউন রেষ্টুরেন্টের হল রুমে সংগঠনের আহবায়ক সানুর মিয়া সাদ এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আসাদ খানের পরিচালনায় প্রতিবাদ সভায়  প্রধান অতিথি হিসাবে ব্ক্তব্য প্রধান করেন ইলিয়াস মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের সাবেক প্রতিষ্টাতা আহবায়ক ও সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল স্পেন শাখার সাধারণ সম্পাদক,বর্তমানে বিএনপি স্পেন শাখার সদস্য সচিব জনাব রিয়াজ উদ্দিন লুৎফর,  ইলিয়াস মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের সাবেক প্রতিষ্টাতা সদস্য সচিব ও সাবেক ছাত্র দল স্পেন শাখার আহবায়ক আবুজাফর রাসেল, যুব দল স্পেন শাঁখার  সিনিওর সহ সভাপতি কাজি জসিম, সংগঠনের যুগ্ন আহবায়ক আকাশ ফাহমিদ, শরিফ আহমেদ, আরাফাত আলামীন প্রমুখ 
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসি শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিকেরা দেশ ও বহিবির্শ্বে  এক যোগে এ অবৈদ খুনি সরকারের পতনের গনআন্দোলন গড়ে তুলা হবে হুসিয়ারী উচ্চারন করেন ।

বক্তরা এম ইলিয়াস আলীর সংসদীয় নির্বাচনী আসনে সদ্য অনুষ্টিত উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সহ প্যানালকে বিজয়ী করায় সকল সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা সহ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন । পরিশেষে দেশ ও জাতীর কল্যান কামনা করে বিশেষ মুনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্টানের সমাপ্তি হয়।

সাইফুল আমিন,মাদ্রিদ : গত  ৮ ই মার্চ রাত ৯ টায় মাদ্রিদের স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্পেন প্রবাসী সমিতির এক  আলোচনা ও প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়
নিজেদের মধ্যে ঐক্য,শান্তি,সহযোগীতার আস্থা নিয়ে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া কৃতি সন্তান,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি মোঃ আব্দুল সাত্তার এর সভাপতিত্বে ও সায়েম সরকার এর সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন,মাহবুবুল আলম বকুল,শামিম আহমেদ,সবুজ আলম,সাইফুল আলম সুহাগ,আবুল হুসেন,খবির উদ্দিন,কাজি আল মগীর,হাবিবুর রহমান,মহিউদ্দিন,মোঃ নাহিদ,আবুল হুসাইন,এ কে আরাফাত,ইসমাইল মিয়া,হাবিব হুসাইন সহ আর ও অনেকে
সভাপতি আব্দুর সাত্তার বলেন,আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাসি কিভাবে আগামী দিন গুলী সবাইকে সাথে নিয়ে আরও সুন্দর এবং একে অন্যের পরিপুরক হয়ে চলতে পারি সেই লক্ষ্যে আজকের এই সভা,আমরা স্পেনে অবস্থান রত  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সবাইকে সমাজ এবং দেশের উন্নয়ন মুলক কাজে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেবো। আলোচনা সভা শেষে সকলের মঙ্গল কামনা করে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়

এনায়েত হোসেন সোহেল,প্যারিস,ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের অদূরে গাখ শাখসেলে সন্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে এক বাংলাদেশী যুবক আহত হয়েছেন।তার নাম রুহুল আমিন (২৭)।সে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার কুমারকান্দি গ্রামের মাষ্টার আফরুজ মিয়ার পুত্র। তিনি বর্তমানে শাখসেলের ৩ নং বিল্ডিংয়ের ১ম তলায় বসবাস করে আসছিলেন।বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে তার বাসার নিচে এ ঘটনা ঘটে। গুরুত্বর আহত রুহুল আমিনকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি গণেশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশী কমিউনিটিতে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। আহত রুহুল আমিনের বড় ভাই সেবুল আহমদ জানান,পাঁচ মাস ধরে ফ্রান্সে বসবাসরত রুহুল আমিন বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে জরুরি কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন তিনি।বাসার নিচে আসতেই আগে থেকে উৎপেতে থাকা ৪ জন সন্ত্রাসী (২ জন নিগ্রো ২ জন আরবি) রুহুল আমিনের পথরোধ করে মারধর করে। এ সময় তিনি বাঁধা দিতে চাইলে সন্ত্রাসীরা তার উপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায়।সন্ত্রাসীদের ছোঁড়া ৫টি গুলি তার শরীরের নাকে,মাথায়,চোখে ,পিঠে ও পায়ে বিদ্ধ হয়।
এ সময় সন্ত্রাসীরা তার কাছে রক্ষিত ৩ শত ইউরো ও একটি মোবাইল সেট নিয়ে সটকে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ও পুলিশের সহযোগিতায় রুহুল আমিনকে উদ্ধার পরবর্তী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। আহত রুহুল আমিন ৭ ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি চতুর্থ। মাত্র পাঁচ মাস হলো তিনি ফ্রান্সে এসেছেন। বর্তমানে তিনি গণেশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে স্থানীয়দের ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এ ঘটনায় শাখসেলে বসবাসরত প্রায় ৫ হাজার পরবাসী বাংলাদেশীসহ পুরো বাংলাদেশী কমিউনিটিতে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। সম্প্রতি একই এলাকায় বিভিন্নভাবে সন্ত্রাসীদের হাতে অন্তত আরো ৫/৬ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এ দিকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এ সকল সমস্যা দূরীকরণে বাংলাদেশ দূতাবাস ফ্রান্স বা ফ্রান্সে শতাধিক বাংলাদেশী বিভিন্ন নন্দিত ও নিন্দিত সংগঠন এগিয়ে না আসাতে সাধারণ প্রবাসীদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। উল্লেখ্য , গত ২ বছরে ২৪৭ জন প্রবাসী বাংলাদেশী বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে বিভিন্ন জায়গায় ভিন দেশি সন্ত্রাসীদের হাতে হামলার শিকার হোন। এদের মধ্যে অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেন।

ইমদাদুর রহমান ইমদাদ, সিলেটঃ ৪র্থ রোটারেক্ট ডিসট্রিক্ট কনফারেন্স "জাগরণ ১৭" উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সিলেট মহানগরীতে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় বিকেল ৫ টায় নগরীর সিটি কর্পোরেশন এর সামনে থেকে দায়িত্বশীলরা র‍্যালি শুরু করে জিন্দাবাজার, চৌহাট্রা পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে রিকাবীবাজার কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভায় মিলিত হন। 

প্রোগ্রাম চেয়ারম্যান রোঃ নাহিদ আহমদের পরিচালনায় সভাপতিত্ব করেন রোঃ শাহেদুল ইসলাম শাহেদ। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ডিসট্রিক্ট গভর্নর রোটারিয়ান শহিদ আহমদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডি আর সি সি রোটারিয়ান আলী আজম চৌধুরী তমাল, আই পি ডি আর রোঃ সাজ্জাদ আহমদ, ডি আর আর রোঃ শাহ জুনেদ আলী, ডিসট্রিক্ট ফাউন্ডেশনের মেম্বার রোঃ ইমরান চৌধুরী, ডিসট্রিক্ট ফাউন্ডেশন মেম্বার রোঃ এনামুল হক চৌধুরী সুহেল। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন এডি আর  আর রোটারেক্টর এস রহমান সায়েফ, এডি আর আর হাফিজ আহমদ, এডি আর আর জিয়া উদ্দিন শাকিল, ডিসট্রিক্ট সেক্রেটারি রোঃ মঞ্জুর আহমদ, রিজিওনাল রিপ্রেজেন্টেটিভ রোঃ আফজাল হোসেন তুহিন, রোঃ আবুল হোসেন, রোঃ শিশির সরকার, রোঃ ফয়সাল আহমদ, রোঃ জিয়া উদ্দিন, রোঃ মাহবুব কামালি, রোঃ শাহ আল আমিন, রোঃ রায়হান আহমদ, রোঃ রাসেল মিয়া, রোঃ লোকমান হোসেন, রোঃ ইমদাদুর রহমান ইমদাদ, রোঃ রাজিব আহমদ, রোঃ রাসেল মিয়া, রোঃ শায়েল আহমদ, রোঃ আব্দুল কাদির, রোঃ মিজানুর রহমান, কামরান আহমদ, পলাশ, আবদুল্লাহ রহমান, মাসুম আহমদ, এনামুল হক প্রমুখ। 



বক্তৃতায় এসকল নেতৃবৃন্দ আগামীকাল শুক্রবার ও শনিবার সিলেট মহানগরীর রিকাবীবাজারস্হ কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য রোটারেক্ট কনফারেন্স "জাগরণ ১৭" সফল ও সার্থক করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

মোঃ কামরুজ্জামান, ফ্রান্স : ফ্রান্সের  রাজধানী প্যারিসে গতকাল দুপুর ১২.৩০ ঘটিকার সময় উত্তর প্যারিসের শহরতলী ও বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকা Gare de Garges Sarcelles, Paris এর নিকটে সার্খসেল এলাকাতে  ফ্রান্স প্রবাসী বাংলাদেশী  রুহুল আমিন সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে আহতের বাসায় লিফটের কাছে। ঘটনার সময়  তিনি বাসায় ফিরলে লিফটের নিকট আগে থেকে উৎপেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তার কাছ থেকে চাঁদা দাবী করে, রুহুল আমিন চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে পরপর চার রাউণ্ড গুলি করে । গুলিতে মুহূর্তেই রুহুল আমিন  মাটিতে লুটিয়ে পড়লে  প্রতিবেশীরা ইমারজেন্সি নাম্বারে ফোন করে। দ্রুত এম্বুলেন্স এসে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে রক্ষা করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে আহত রুহুল আমিন প্যারিসের CENTRE HOSPITALIER DE GONESSE এ চিকিৎসাধীন আছেন। রুহুল আমিনের বাড়ি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায়।
   ছবি সংগ্রহ ফেইসবুক ।


ফ্রান্স প্রবাসী বাংলাদেশীদের দাবী, ফ্রান্স প্রশাসন যেন এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করেন। 

রাকেশ রহমান : ১৪ই ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। যদিও বলা হয় পশ্চিমা সংস্কৃতির একটি অংশ ভ্যালেন্টাইন ডে। আমাদের দেশে ভালোবাসা দিবসের চালু বেশ কয়েক যুগ হল। মূলত ইউরোপের প্রাণ কেন্দ্র ইতালিতেই ভালোবাসা দিবসের প্রচলন চালু হয়ে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেইটাইনস নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচার-অভিযোগে তৎকালীন রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস তাঁকে বন্দী করেন। কারণ তখন রোমান সাম্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় তিনি জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেইটাইনের জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই  দিন ১৪ই ফেব্রুয়ারি ছিল। অতঃপর ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইনস স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইনস দিবস ঘোষণা করেন।আমিও একজন সফল প্রেমিক কিন্তু এখন পর্যন্ত এত আয়োজন করে ভালোবাসা দিবস পালন করতে পারিনি। তবে প্রতিটি ছুটির দিনই আমার কাছে নতুন কোন উৎসবের দিন মনে হয়।
ভালোবেসে ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করে আল্লাহ্‌র রহমতে ভালো আছি
আলহামদুলিল্লাহ্‌।ভালোবাসা আসলে হৃদয় থেকে অনুভবের একটি ব্যাপার।
ভালোবাসা যার হৃদয়ে বিন্দু মাত্র আছে সেই অনুভব করতে পারে আসলে ব্যাপারটা কি?
যদি কেউ কাউকে ভালোবাসে তাহলে সেই উপলব্ধি করতে পারবে কি ধরণের পরিবর্তন ভালোবাসা জীবনে  ঘটাতে পারে। সাধারণ মতে, ভালোবাসাকে একটি ব্যক্তিগত অনুভূতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যেটা একজন মানুষ অপর আরেকজন মানুষের প্রতি অনুভব করে।
তবে ভালোবাসা বলতে শুধু বিপরীত লিঙ্গের প্রতি ভালোবাসাই ভালোবাসা নয়। এছাড়াও ভালোবাসার ভিতর পরে মা-বাবা, ভাইবোন , সন্তানদের , বন্ধু , শত্রু-মিত্রু , সমাজের মানুষ সহজীবি, এলাকা শহর দেশ ছাড়াও জড় পদার্থ যেমন পোশাক , কসমেটিক, ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি ইত্যাদি ছাড়াও যানবাহন গাড়ি মোটরসাইকেল সাইকেল সহ আরো অনেক কিছু হতে পারে।
ভালোবাসা একটি মানবিক অনুভূতি এবং আবেগকেন্দ্রিক একটি অভিজ্ঞতা।  বিশেষ কোন মানুষের জন্য স্নেহের শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে ভালোবাসা। তবুও ভালোবাসাকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ভাগ করা যায়।  আবেগধর্মী ভালোবাসা সাধারণত গভীর হয়, বিশেষ কারো সাথে নিজের সকল মানবীয় অনুভূতি ভাগ করে নেওয়া, এমনকি শরীরের ব্যাপারটাও এই ধরনের ভালোবাসা থেকে পৃথক করা যায় না।  ভালোবাসা বিভিন্ন রকম হতে পারে, যেমন: নিষ্কাম ভালোবাসা, ধর্মীয় ভালোবাসা, আত্মীয়দের প্রতি ভালোবাসা ইত্যাদি। আরো সঠিকভাবে বলতে গেলে, যে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর প্রতি অতিরিক্ত স্নেহ প্রায় সময় খুবই আনন্দদায়ক হতে পারে... এমন কি কোনো কাজ কিংবা খাদ্যের প্রতিও।  আর এই অতি আনন্দদায়ক অনুভূতিই হলো ভালোবাসা। ভালোবাসার সংজ্ঞা বিতর্ক, অনুমান, এবং অর্ন্তদর্শনের উপর প্রতিষ্ঠিত।
আমি অন্যদের কথা বলতে পারিনা নিজেরটা বলতে পারি, আমি সহজেই যেকোনো মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীলতা ও ভালোবাসার ছোঁয়া দিতে চেষ্টা করি। অতি অল্পতেই ভালবাসতে শুরু করি এবং আপন   করে নেই। যদিও পরে এর জন্য মাসুল দিতে হয়, এতে সমস্যা নেই কারন যারা বুঝে না তাদের বুঝানো সম্ভব নয়। আমি ব্যাথিত হলাম বা মর্মাহত হলাম তাতে ক্ষতি নেই। তবে ক্ষতির সম্মুখীন তারাই যারা নিঃস্বার্থ ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হল।
ভালোবাসার মধ্যে মূল্যবান ভালোবাসা হচ্ছে পারিবারিক ভালোবাসা। মা-বাবা, ভাইবোন আপনজনের চেয়ে বেশি ভালোবাসা অন্য কারো সাথে হতে পারে না। তবে বিপরীত লিঙ্গের ভালোবাসা তথা স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা অন্য অধ্যায়। এই অন্য অধ্যায়কে আমরা বেশির ভাগরাই মিলিয়ে ফেলি পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে। বিশেষ করে বাবা-মা'র ভালোবাসার সাথে স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা মিলানো একে বারেই উচিত নয়। দুই দিকের সম্পর্ক দুই দিকে রেখেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আজ আমার প্রেমের অর্থাৎ ভালোবাসার কিছুটা স্মরণ করছি।
সাম্প্রতিক দেশের ভয়াবহ রাজনিতিক পরিস্থিতি নিরাপদ জীবন সব মিলিয়ে পাড়ি জমাই ইতালিতে। আসার পর শুরু হয়ে যায় মেয়ে খোঁজার পালা বিয়ে করবো। মনে মনে আমি সেই প্রিয় মানুষের মুখটা কল্পনা করতে থাকি স্বপ্ন দেখতে থাকি আসলে কেমন হতে পারে সেই কাংক্ষিত মুখ।আমার অবসর সময় গুলো অর্থাৎ ব্যস্ত রাস্তায়, চাঁদনী রাতে জোছনার আলোয় একা একা বসে চিন্তা করতাম, যে হবে আমার সঙ্গিনী সে এখন কোথায় কি করছে মাঝে মাঝেই চোখ বন্ধ করে ভাবতাম তার মনের আশে পাশে যাওয়া যায় কিনা। যদিও আমি এক পাগল প্রেমিক, দেশে থাকতেই অনেক খুঁজেছি অর্থাৎ কোন মেয়েকে ভালো লাগলেই জিজ্ঞাসা করেছি সে প্রেম করে কিনা অথবা বিয়ে করতে চাই যদি সম্মতি দেয় তাহলে নিজেদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক করার মাধ্যমে মনের মিলের ভিক্তিতে বিয়ের দিকে এগিয়ে যাবো সারা জীবন এক সাথে চলার জন্যে। তবে কখনও কোন দিনও কোন মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্কের জন্য বিন্দু মাত্র চেষ্টাও করিনি। তাই হয়তো উপর আল্লাহ্‌আমার নেক বাসনা পূরণ করেছেন। ইতালিতে আমি প্রথম বাংলাদেশী যে ইতালির মিউনিশিপাল অফিসে মেয়রের মাধ্যমে রেজিস্ট্রি ম্যারেজ করেছি একটা বাংলাদেশি মেয়েকে।
আমাদের প্রথম দেখা ফেসবুক তারপর বন্ধুত্ব। প্রথম দেখা থেকেই আমি তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেই।সে কি অনুভূতি, ফেসবুকে মেসেজ দেই একবা দুই বার বহুবার তবে কোন উত্তর নাই। আর অন্য দিকে আমার নাওয়া খাওয়া ঘুম হারাম করে যে কবে মেয়েটার কোন উত্তর পাবো। একটু কথা বলতে চেয়েছি তাও বলতে দিচ্ছে না। মেয়েটা এমন কেন করছে আর পারছিনা। আমার ফোন নাম্বার পর্যন্ত দিয়েছি তবুও কোন খবর নাই। সেল ফোনটা বুকে নিয়ে ঘুমাই যদি সে ফোন দেয়। কিযে দুশ্চিন্তায় আছি ফোন বাজলেই অন্তরে ব্যাথা অনুভব করি। উত্তেজিত হয়ে মোবাইলটা দেখি, না অন্য কেউ। কি যে কষ্ট এই অপেক্ষায় সময় পার করেছি তা আমি ছাড়া আর কেউ বুঝবে না।
রোজার মাস, শুধু আল্লাহ্‌কে বললাম আমি এই মেয়েটাকেই চাই তুমি আমার করে দিবে। আমি আর কিছু জানি না। কিভাবে দিবে তা আল্লাহ্‌তোমার ব্যাপার এবং মনটা নরম করে দিও যাতে সে আমার মত করে আসে আর আমার ইচ্ছে মত চলে। একটা ভয়, মেয়েটা ইতালিতে আছে আমার থেকে বেশি দিন আগে পরিবারের সাথে সুতরাং আমার সব কথা হয়তো সে মেনে নিবে না ।তবুও ভাবি যত কঠিনই হোক না কেন তাকে ভালোবাসায় তৈরি করে নিবো ভালোবাসার ছোঁয়ায় আমার ইচ্ছে মত।
দেখতে দেখতে দিন চলে যাচ্ছে কোন ফোনও আসে না হঠাৎ করে আমার জন্মদিনে সে ফোন দেয় ওহ! কিযে শান্তি তা বলে বা লিখে বুঝাতে পারবো না।
অদ্ভুত এক অনুভূতি দুনিয়াটা বাস্তব হয়ে উঠলো। হৃদয়ে নতুন এক অনুভূতির সঞ্চার হল। কি শান্তি এই প্রথম জন্মদিনের দিন মনে হয় কিছু পেলাম। এর জন্যই মনে হয় সারা জীবন অপেক্ষায় ছিলাম। ধন্যবাদ ফেসবুক।
আমার জীবনে ভালোবাসা দিবস কখনও আমি করতে পারিনি না দেশে না বিদেশে।
তবে ভালোবাসা দিবসে আমরাও করতে পারি একদিন সবাইকে নিয়ে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সুন্দরভাবে । আশাকরি এবারের ভালোবাসা দিবসে বয়ে আনবে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা ও সম্মানের বন্ধন আমাদের দেশে। সবার প্রতি লাল গোলাপ ভালোবাসার শুভেচ্ছা রইল।
লেখক: ইতালি প্রবাসী

এনায়েত হোসেন সোহেল,প্যারিস ,ফ্রান্স : যথাযোগ্য মর্যাদায় ফ্রান্সে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন করা হয়েছে।মঙ্গলবার বিকেলে প্যারিসের গার দো নর্দের প্যারিজিয়ান রেষ্ঠুরেন্টে ব্যাপক সংখ্যক নেতা কর্মীদের উপস্থিতে ফ্রান্স আওয়ামীলীগ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,আমরা আমাদের প্রাণের বাংলাদেশকে যতটুকু ভালবাসি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ঠিক ততটুকুই ভালবাসতে হবে। তার আদর্শকে বুকে ধারণ করতে হবে।তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (আজকের বাংলাদেশ) মানুষের শোষণ-বঞ্চনার প্রতিবাদে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করার নির্দেশের জন্য অধীর অপেক্ষায় ছিল বাঙালি জাতি। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সেই অপেক্ষার অবসান ঘটায়। তাই আমাদের চেতনায় বঙ্গবন্ধু থাকতে হবে। তাহলেই বঙ্গবন্ধু তনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়ন তথা সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সভাপতি এম,এ কাশেমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজির আহম্মদ সেলিম, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিমুদ্দিন আহম্মদ, সামাজিক উপদেষ্টা চেয়ারম্যান মিজান চৌধুরী মিন্টু, সহ সভাপতি শাহজাহান শাহী, উপদেষ্টা আকাশ, যুগ্ম সাধারণ কবি মস্তুফা হাসান,মাসুদ হায়দার,ফয়সল উদ্দিন, এমদাদুল হক স্বপন,সাংগঠনিক সম্পাদক খালেকুজ্জামান,প্রচার সম্পাদক আমিন খাঁন হাজারী , সহ প্রচার সম্পাদক সোহেল আহমদ, সহ বাণিজ্য সম্পাদক ছায়েদ আহমদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রচার সম্পাদক শরীফুল ইসলাম স্বপন, ইব্রাহীম, রনি প্রমুখ ।

ইমদাদুর রহমান ইমদাদ,সিলেটঃ মুক্ত অধ্যয়ন, গবেষণা ও লেখালেখি বিষয়ক সংগঠন পেন ক্লাবের উদ্যোগে সিলেট নগরীর রায়নগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুতোষ বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহান ভাষা আন্দোলনের মাস উপলক্ষ্যে ২৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার  দুপুরে আয়োজিত বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র জনাব বদর উদ্দিন আহমদ কামরান।

পেন ক্লাবের সমন্বয়ক শাবিপ্রবি শিক্ষার্থী আসিফ আযহারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বই বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রায়নগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দিলারা বেগম। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি দীপঙ্কর চক্রবর্তী দূর্গা, বিশিষ্ট সমাজসেবক তপন মিত্র এবং মহানগরীর ১৮ নং ওয়ার্ডের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব আব্দুল মুমিত চৌধুরী ও সাজওয়ান আহমদ। 


বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পেন ক্লাবের সদস্য মামুনুর রশীদ চৌধুরী, এস. এম. তানভীর আহমদ, মিল্লাদুর রহমান মাসুম, আবু কাওসার, আব্দুল্লাহ আল লোকমান, মাহফুজুর রহমান রাসেল, মাসুম আহমদ, সাদিকুর রহমান, উজ্জ্বল আহমদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে পেন ক্লাবের সদস্যদের সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থীদের হাতে শিশুতোষ বই তোলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

বাহার উদ্দিন বকুল,জেদ্দা সৌদি আরব : গত ৫ মার্চ রবিবার রাতে জেদ্দার একটি হোটেলে অগ্নিঝরা মার্চের ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর স্মরণে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে  রিপোর্টাস এসোসিয়েশন অব ইলেকট্রনিক মিডিয়া সৌদিআরব, পশ্চিমাঞ্চল ।

সংগঠনের সভাপতি এম ওয়াই আলাউদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ সেলিম এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন গনপ্রজান্ত্রীর বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেদ্দার কনসাল জেনারেল এফ. এম বোরহান উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত যমুনা টিভির ষ্টাফ রিপোর্টার শাহাদাত হোসেন ও মীর মোশাররফ হোসেন। বক্তব্য রাখেন সোহেল রানা, বাহার উদ্দিন বকুল, হানিস সরকার উজ্জ্বল, রুমি সাঈদ, আরিফ আহমেদ, সাজেদুল ইসলাম, সেলিম আহমেদ, মোহাম্মদ ফিরোজ, আল মামুন শিপন, মোবারক হোসেন ভুঁইয়া, এনায়েত উল্লাহ,  রঞ্জু আহমেদ , কাউছার আহমেদ, আনোয়ার হোসেন রাজু  প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্য বলেন, বাঙালি জাতির স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার হাজার বছরের স্বপ্ন ও সংগ্রামের চুড়ান্ত পর্যায় হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ। যারা মুক্তিযুদ্ধকে নিছক সামরিক যুদ্ধ বা ভারত-পাকিস্তানের বিরোধ হিসেবে চিহ্নিত করে তারা বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাসকে অস্বীকার করে। বাঙালিত্বের গৌরব অহংকারকেও অস্বীকার করে।

সাংবাদিকের কিছু প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সৌদিআরবের সাংবাদিকদের মান উন্নয়নে প্রশিক্ষণের ব্যাবস্থা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি সৌদিআরবের একটি প্রেস উইং খোলার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের মান উন্নয়নে ও সাংবাদিক দের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করেছেন বলে তিনি জানান। প্রবাসী সাংবাদিকদের  নিষ্ঠার সাথে সৌদি আরবের আইন মেনে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

কনসাল জেনারেল এফ এম বোরহান উদ্দিন সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন তারা প্রবাসীদের সমস্যা এবং সামাজিকতা তুলে ধরছেন এবং দেশের সেবা করছেন। রিপোর্টাস এসোসিয়েশন অব ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সদস্যদের প্রশিক্ষনের জন্য ওয়ার্রশপের ব্যবস্তা করা হলে, কনসুলেট সহায়তা করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। জেদ্দার দুইটি বাংলাদেশী স্কুলের সম্যসা নিরসনসহ জমি কিনার জন্য কনস্যুলেট কাজ করছে বলে তিনি জানান। কনস্যুলেটে অনৈতিক সব কাজ বন্দের বিষয়ে সিগ্রই ব্যবস্তা নিবেন বলে জানান।
সমাপনি বক্তব্য সভাপতি প্রধান অতিথি,বিশেষ অতিথি ও সাংবাদিকগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

https://ssl.gstatic.com/ui/v1/icons/mail/images/cleardot.gif

জনপ্রিয় অনলাইন : মুক্তির অপেক্ষায় বহু প্রতীক্ষিত শাকিব-পাওলির আলোচিত সিনেমা সত্তা। হাসিবুর রেজা কল্লোল পরিচালিত সিনেমাটির অফিসিয়াল পোস্টার প্রকাশিত হয়েছে। তবে পোস্টারটি সম্পূর্ণ হাতে আঁকা হয়েছে। হাতে আঁকা পোস্টারে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ভারতীয় অভিনেত্রী ও সত্তার নায়িকা পাওলি দাম। 
 
বিষয়টি  অনলাইনকে নিশ্চিত করলেন নির্মাতা কল্লোল। তিনি বলেন, পোস্টারটি এঁকেছেন অসীম চন্দ্র রায়। তিনি ভারতের রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন। 
পোস্টার নিয়ে ভারতীয় অভিনেত্রী ও সত্তার নায়িকা পাওলি দাম উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। পাওলি বলেন, অসীম সত্তার পোস্টারটি ভাল এঁকেছেন। পেইন্টিং দিয়ে সত্তাকে একেবারে জীবন্ত করে তোলা হয়েছে। 

নির্মাতা সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, আসছে পহেলা বৈশাখকে উপলক্ষ করেই সিনেমাটি মুক্তি দেয়া হচ্ছে এপ্রিলে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৭ এপ্রিল মুক্তি পাবে সত্তা। 
সত্তা নিয়ে কল্লোল আরো বলেন, সত্তা দিয়ে বাংলা সিনেমায় নতুন কিছু করার চেষ্টা করেছি। পাওলি ভারতীয় হলেও সমস্ত শুটিং, গল্প, নির্মাণ সব বাংলাদেশি সামাজিক প্রেক্ষাপটে তৈরি করা হয়েছে। বাংলা চলচ্চিত্রের এই দুঃসময়ে সত্তা সাড়া ফেলবে বলে আশা করছি।
উল্লেখ্য, ৩১ জানুয়ারি বিনা কর্তনে সেন্সরবোর্ড থেকে ছাড়পত্র পায় সিনেমাটি। সোহানী হোসেনের মা গল্প অবলম্বনে নির্মিত ছবিটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন কিংখান খ্যাত শাকিব ও ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পাওলিদাম। প্রযোজনা করেছেন সোহানী হোসেন।

আরো অভিনয় করছেন শিমুল খান, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, নাসরিন, রিনা খান, ডন ও কাবিলা। সত্তার চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন ফেরদৌস হাসান। চিত্রগ্রহণ করছেন টিডব্লিউ সৈনিক। বাপ্পা মজুমদারের সুর ও সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন। 

সেলিম উদ্দিন :  বাংলাদেশ এসোসিয়েশন পর্তুগাল নর্থ এর আয়োজনে গতকাল পর্তুর স্থানীয় এক অডিটোরিয়ামে প্রবাসী বাঙালিরা নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করেছে ভাষা শহীদদের।
এ সময় মাতৃভাষা আদায় শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও অমর একুশ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করেন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন পর্তুগাল নর্থ এর সদস্যগণ।বাংলাদেশ এসোসিয়েশন পর্তুগাল নর্থ আয়োজনে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের বর্ণাঢ্য আয়োজনে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ভাষাশহীদকে স্মরণ করে পর্তুর স্থায়ী শহীদ মিনারে প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ রকমারি আয়োজনে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রুহুল আমিন সিদ্দিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পর্তুগাল শাখার সভাপতি জহিরুল আলম জসিম
, পর্তুগাল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নজরুল ইসলাম সিকদার ,
পর্তুগাল আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক ,পর্তুগাল আওয়ামিলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ ,কে রাকিব , পর্তুগাল আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক মিথুন ও শফিকুল ইসলাম , প্রচার সম্পাদক মুজিবুর মোল্লা।
এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ লিসবন থেকে আগত বিশেষ অতিথিবৃন্দ ও প্রধান অতিথিকে ফুল আর বাংলাদেশ এসোসিয়েশন পর্তুগাল নর্থ এর পক্ষ থেকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়. সংগঠনের পক্ষ থেকে অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেস ক্লাব এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদককেও বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা উপলক্ষে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের পরে পর্তু শহরে প্রবাসী বাংলাদেশীদের নিঃশর্ত বৃহৎ মিলনমেলা আয়োজন করে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন পর্তুগাল নর্থ।বাংলাদেশে মাতৃভাষা হিসেবে
বাংলার স্বীকৃতি এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির ইতিহাস তুলে ধরা হয় একটি চমৎকার নাটিকা পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।
দেশের গান এবং নিজ ভাষার প্রতি প্রবাসীরা ভালোবাসায় কতোটা আপ্লুত হয় বোঝা গেলো পুরো হলের পিনপতন নীরবতায়।রাষ্ট্রদূত প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়
,তিনি প্রবাসের তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত করে প্রত্যেকের নিজ নিজ মাতৃভাষাচর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আহ্বান জানান।
পর্তুগাল আওয়ামীলীগের সভাপতি জহিরুল আলম জসিম কিছুটা আবেগ্লাপুত হয়ে বলেন একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।
একুশে ফেব্রুয়ারি শোকাবহ হলেও এর যে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় তা পৃথিবীর বুকে অনন্য। কারণ বিশ্বে এ যাবতকালে একমাত্র বাঙালি জাতিই ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন অবমূল্যায়ন থেকে নতুন শক্তির সৃষ্টি হয়। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ
,কে ,রাকিব তার বক্তব্যে বলেন ১৯৫২ সাল আমাদের অত্যন্ত আপন হয়ে আমাদের হৃদয়ে চিরকালের জন্য ঠাঁই পেয়ে গেছে । আমাদের ভাষা বাংলাকে আমরা নিজের করে পেয়েছি । আমরা একটি দেশ পেলাম যার নাম বাংলাদেশ । আর একটি দিবস পেলাম যাকে সারা বিশ্ব স্বীকৃতি দিল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে । সমাপনী বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি ফারুক হোসাইন বলেন সেদিন বাংলার ছাত্র সমাজ বজ্রদীপ্ত কন্ঠে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন বলে আমি আজ বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারছি। শুভেচ্ছা বক্তব্যে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজল আহমেদ বলেন আমরা বাঙালি, বাংলা আমাদের মাতৃভাষা।
এটা বাংলাদেশের জন্য এক অবিস্মরণীয় অর্জন বলা যায় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পর এটিই সবচেয়ে বড় অর্জন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু বাংলাদেশের জন্য নয় বরং এটি সকল মানুষের সকল ভাষার সারা বিশ্বের জন্য গৌরবের
, সকলের ভাষাকে ভালবাসার জানার এবং উন্নয়নের জন্য ভাবার দিন। তা সত্বেও বাংলাদেশই সবচেয়ে গর্বিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের জন্য কারন বাংলাদেশের এবং ভাষা শহীদদের জন্যই আজ আমাদের সারা বিশ্বের মানুষের এ পাওয়া। বাংলাদেশ এসোসিয়েশন পর্তুগালের অন্যান্য সদস্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক , দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ,মোহাম্মদ শরিফুজ্জামান খোকন সাধারণ সম্পাদক এসেম্বি কমিটি , সহসভাপতি ইদ্রিস মাতব্বর , আব্দুল হয় সাধারণ সম্পাদক অডিট কমিটি , মনিরুজ্জামান সভাপতি অডিট কমিটি , কোষাদক্ষ রাকিব হোসেন সহ বিভিন্ন স্তরের সদস্যগণ।

সুফিয়ান আহমদ, বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ বিয়ানীবাজারের সীমান্তবর্তী দুবাগ ইউনিয়নের গজুকাটা গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পূর্ব বিরোধের জের ধরে রক্তক্ষয়ী এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অর্ধশত আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুত্বর আহত অবস্থায়  ৪ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে সংঘঠিত এঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনদিন পূর্বে গজুকাটা গ্রামের আকদ্দছ আলীর বাড়ির সুপারী চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে উনার গোষ্টির রুবেল আহমদ (১৯)। এ সময় বাড়ির মালিক পক্ষ সুপারী চুরির দায়ে ধৃত রুবেলকে তিরষ্কার ও গালাগালি করেন। এ ঘটনায় একই গ্রামের আফতাব আলী (সাবেক মেম্বার) সুপারী চোরের পক্ষ নিয়ে পরদিন আকদ্দছ আলীর গোষ্টিকে হুমকি দেন। এ নিয়ে আকদ্দছ আলীর গোত্রের লোকজন শনিবার সকালে নিজেদের মধ্যে এক সভায় মিলিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী এ বিষয়টিতে আফতাব আলী জড়িত হওয়ার কারণ জানতে গ্রামের প্রতিনিধিরা আফতাব আলীকে জিজ্ঞাসা করেন। এ নিয়ে আফতাব আলীর সাথে তাদের বাগবিতন্ডা ঘটে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বিয়ানীবাজার থানা থেকে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। জকিগঞ্জ সার্কেল এসপিও ঘটনাস্থলে আসেন। বেলা ১টার দিকে পুলিশ দুপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সংঘর্ষে আহতরা হলেন, ময়নুল ইসলাম (৩৫), মোঃ রায়হান (২৬), তানভীর আহমদ (১৬), হোসাইন (১৮), নাহিদ (১৬), মনজুর ইসলাম (২৬), জুবের (২৬), ডলি বেগম (৪৫), রুসনা বেগম (৩৫), জামান উদ্দিন (৪৬), মনু মিয়া (৪০), মজনু মিয়া (৫০), ছব উদ্দিন (২৪), হেনা বেগম (২৭), দেলোয়ার (২২), জামিল (২৫), ইয়হিয়া (২৫), জুবের আহমদ (২২), বদরুল ইসলাম (৩৮), আশরাফুল আলম (১৯), সুলেমান হোসেন (৫০), ছয়রুন নেছা (৮০), সুফিয়ান আহম্মদ (৪০), হোসেন আহম্মদ (৩০), রোমান আহম্মদ (১০), নাসরিন (৩০), পারভীন (৩০), দুলাল আহমদ (৩০), সাহেদ আহমদ (২৮), হেলাল উদ্দিন (৪৫), সুহেদ আহমদ (২৫), আতিক আহমদ (২৭), ইব্রাহিম (২৯), রাজ উদ্দিন (৩১), মনসুর আহমদ (২২), ফয়জুল আহমদ (৩১), রহমত আলী (৫৮), জসিম আহমদ (৪০), রাসেদ আহমদ (২২), আনোয়ার (২৫), মিলাদ আহমদ (২৯),কাদির আহমদ (২১), হানু মিয়া (৪৪), নুরুল ইসলাম (৩১) ।  এরমধ্যে গুরুত্বর আহত অবস্থায় উভয় পক্ষের সুফিয়ান আহম্মদ (৪০), হোসেন আহম্মদ (৩০) জামিল আহমদ (২৫) ও দেলোয়ার হোসেন (২৩) কে আশংকাজনক অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  প্রেরণ করা হয়েছে। এঘটনায় উভয় পক্ষই বিয়ানীবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এব্যাপারে বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। আমরা সংঘর্ষের খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget