2017-02-12

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ বিয়ানীবাজারের পঞ্চখন্ড হরগোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে রেজিষ্ট্রশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এম.পি।আজ সকাল সাড়ে ৯টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে নির্মিত মুক্ত মঞ্চে  এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে আরো একাডেমিক ভবণ নির্মাণ করে দেয়ার আশ্বাস প্রদান করে  তিনি বলেন, তৎকালীন সময়ে এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান অনেক ভালো ছিলো এবং এখান থেকে ড. জিসি দেবসহ  অনেক গুনীজনের জন্ম হয়েছে। মন্ত্রী বিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বলেন, শুধু বাহ্যিক উন্নয়ন করলে চলবে না। শিক্ষার মান আরো বাড়াতে হবে।

১৯১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত পঞ্চখন্ড হরগোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়য়ের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপণ অনুষ্ঠানের রেজিষ্ট্রশন করার জন্য দেশ বিদেশে অবস্থানরত সাবেক শিক্ষার্থীদের প্রতি আহবান জানান শিক্ষামন্ত্রী।
শতবর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে গঠিত রেজিস্ট্রেশন উপ-কমিটির যুগ্ম আহবায়ক গৌছ উদ্দিনের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শিক্ষাবিদ আলঅ আহমদ ও সদস্য সচিব, অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাছিব জীবন।


অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খাঁন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুঃ আসাদুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুল হাছিব মনিয়া, এডভোকেট মহব্বত আলী খাঁন, খলিল চৌধুরী আদর্শ বিদ্যা নিকেতনের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক লায়ন কাজী মতিউর রহমান, বর্তমান প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালিক,বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির জাকির হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সালেহ আহমদ বাবুল, পঞ্চখন্ড গোলাবিয়া পাবলিক লাইব্রেরীর সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ সাহেদ,প্রচার উপ-কমিটির আহবায়ক আব্দুল বাছিত টিপু, শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল, পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুশ শুক্কুরসহ বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষক,শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি: নাটকে নাটকে উঠুক জ¦লে একাত্তর শ্লোগানে প্রতিষ্ঠিত বিয়ানীবাজার সাংস্কৃতিক কমান্ড প্রবর্তিত বিসাক নাট্যজন সম্মাননা পদক-২০১৬ ও আব্দুল ওয়াদুদ রচিত নাট্যচর্চায় বিয়ানীবাজার গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠেয় এ সম্মাননা পদক ও প্রকাশনায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
বিসাকর সভাপতি নাট্যকার আব্দুল ওয়াদুদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড সিলেটের চেয়ারম্যান অধ্যাপক একেএম গোলাম কিবরিয়া তাপাদার, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুঃ আসাদুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাছিব মনিয়া, বিসাক’র সাবেক সভাপতি ও নাট্যচর্চায় বিয়ানীবাজার গ্রন্থের প্রকাশক সভাপতি আব্দুস শুকুর।
বিসাক’র সাধারণ সম্পাদক আবিদ হোসেন জাবেদ এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সহকারি সচিব দেওয়ান মাকুসুদল ইসলাম আউয়াল, সাংস্কৃতিক কর্মী এবাদ আহমদ, বিসাক’র নাট্য সম্পাদক আতিকুল ইসলাম রুকন, সহ-সভাপতি ছালেহ আহমদ শাহীন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, বৃটিশ শাসন আমল থেকে আমাদেরকে নিজস্ব সংস্কৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন করার পায়তারা শুরু হয়েছে; পরবর্তীতে পাকিস্থানের বিভ্রান্ত আর মিথ্যাচারে বাঙালির আবহমান সংস্কৃতির মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, জাতীয় জীবনে চেতনা ছাড়া কোনো টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক সামগ্রিক উন্নয়নে সংস্কৃতির বিকাশ তথা উন্নতি খুবই প্রয়োজন। এজন্য সবার সহযোগিতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়াতে হবে। বাস্তবায়িত করতে হবে অসাম্প্রদায়িক চিন্তার সম্ভবনাময় বাংলাদেশ। 
সম্মাননা পদক গ্রহন করার অনুভূতি জানিয়ে গোলাম কিবরিয়া তাপাদার বলেন, কাজের স্বীকৃতি যদিও আনন্দের তথাপি আজকের এই সম্মাননার যোগ্য আমি নই। এই পদক আমার আগামীর পাথেয় হয়ে থাকবে। 

অনুষ্ঠানে নাট্যাঙ্গণে স্থানীয় পর্যায় বিশেষ অবদানের জন্য প্রয়াত তাজ উদ্দিন (মরণোত্তর), মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড সিলেটের চেয়ারম্যান একেএম গোলাম কিবরিয়া তাপাদার নাট্যজন পদক এবং ২০১৫ সালে ঘোষিত নাট্যাঙ্গণে সহযোগিতার অবদান রাখায় সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শহীদুল ইসলাম চৌধুরীকে নাট্যজন পদক (বিশেষ) প্রদান করা হয়। আয়োজিত অনুষ্টানে বিয়ানীবাজারের সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

খালেদুর রহমান : বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ন্যানোসফটের তৈরি সেভ মি অ্যাপের সাহায্যে ইমার্জেন্সি কল, টেক্সট, কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির অবস্থান শনাক্তসহ নানা সুবিধা পাওয়া যায়।

ঘটনা-১
অফিস থেকে ফিরতে রাত বেশিই হয়েছে সেদিন। বাসস্ট্যান্ডে নেমে রিকশা না পেয়ে হেঁটেই বাসার পথ ধরলেন রউফুল আলম। হঠাৎ পাশে এসে থামল একটি মাইক্রোবাস। কয়েকজন লোক টেনেহিঁচড়ে গাড়িতে তুলল তাঁকে। শীতের রাতের নির্জন রাস্তায় দুয়েকবার গোঙানির মতো চিৎকার কারো কানে গেল না। সাত দিন পর ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন তিনি।

ঘটনা-২
রাজধানীর নামি স্কুলে ছেলেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করিয়েই নিশ্চিন্ত ছিলেন আরিফুল হক। ভালো স্কুলে নিয়মিত ক্লাস করলে আর শিক্ষকের দিকনির্দেশনা পেলে ভালো ফল করবেএমন অপেক্ষায়ই ছিলেন। ছেলে নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছে দেখে খুশিও হয়েছিলেন। স্বপ্ন ভাঙল প্রথম সাময়িক পরীক্ষার আগে। স্কুল থেকে ফোন করে জানানো হলো, ছেলে ঠিকমতো ক্লাসে আসছে না। ক্লাস টিচারের সঙ্গে দেখা করে ছেলের অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে যান। ক্লাসের যাওয়ার নাম করে ছেলে এত দিন ঠিক কোথায় গিয়েছিল, তা জানার সঠিক উপায় নেই আরিফুল হকের।

ঘটনা-৩
স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। অফিসের ব্যস্ততার কারণে সঙ্গে যাওয়া সম্ভব হয়নি আবুল হাশেমের। ঠিকমতো যাচ্ছে কি না তা জানার জন্য ঘণ্টায় ঘণ্টায় ফোন করে খবর নিতে হচ্ছে তাঁর। টেনশনে দুবার ভুলও করে ফেললেন কাজে। যথারীতি বসের বকা।
প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন সব সমস্যার সমাধানে প্রায় দুই বছর ধরে কাজ করছে দেশি প্রতিষ্ঠান ন্যানোসফট। সম্প্রতি সেভ মি নামে একটি অ্যানড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ন্যানোসফটের প্রধান নির্বাহী কামরুল হাসান বলেন, নিরাপত্তা বা দুর্ঘটনা সমস্যা আমাদের দেশে অনেক বেশি। আবার মা-বাবা জানতে চান, তাঁদের ছেলেমেয়ে ঠিকমতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে কি না, প্রিয়জন তাঁর গন্তব্যস্থলে পৌঁছাল কি না। এমন জরুরি বা প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সেভ মি অ্যাপ ব্যবহার করে জানা যাবে।

সেভ মি অ্যাপের সুবিধা
ইমার্জেন্সি কল
অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে সেভ মি ব্যবহারকারী আগে থেকে নির্ধারণ করা ব্যক্তিদের ফোন ঝাঁকিয়ে কল দিতে পারবে। যেসব ব্যক্তির কাছে কল যাবে, তাদের নম্বর আগে থেকেই এসএমএসের মাধ্যমে ভেরিফাই করা থাকে। ঝাঁকুনি কেমন হবে তা ভেরি হাই, হাই, লো, ভেরি লোএ চার ক্যাটাগরির নির্ধারণ করা যায়।
ইমার্জেন্সি টেক্সট
বিপদে পড়লে সেভ মি ব্যবহারকারী আগে থেকে নির্ধারণ করা সর্বোচ্চ তিন ব্যক্তিকে মেসেজ পাঠাতে পারবেন। যাদের কাছে মেসেজ যাবে, তারা সে ব্যক্তির অবস্থান গুগল ম্যাপে দেখতে পাবেন।
ফোনবুক ব্যাকআপ
ফোনবুকের মোবাইল নম্বর সেভ মি অ্যাপেও সংরক্ষণ করা যাবে।
ম্যাপ নির্দেশনা
অ্যাপটিতে বর্তমান অবস্থান এবং লক্ষ্য ঠিক করে দিলে যাত্রাপথ দেখা যায়।
নিজের অবস্থান জানা
ব্যবহারকারী নিজের অবস্থানের ইতিহাস নির্দিষ্ট সময় পর পর সংরক্ষণ করে রাখতে পারে।
এফএনএফ ট্র্যাকিং
ব্যবহাকারীরা তার প্রিয়জনদের অবস্থান গুগল ম্যাপের সাহায্যে জানতে পারবে। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই দুই পক্ষ থেকে এসএমএস ভেরিফিকেশন করে রাখতে হবে। একজন ব্যবহারকারী একসঙ্গে সর্বোচ্চ ১০ জন ব্যবহারকারীর নম্বর ট্র্যাকিং করতে পারবে।
লোকেশন নোটিফাইয়ার
কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানো মাত্র ব্যবহারকারীর নম্বরে মেসেজ আসবে।
নিউজ ফিড
নিউজ ফিডে হালনাগাদ খবর পাওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে বাংলানিউজ, বিডিনিউজ, বিবিসি এবং ইএসপিএন থেকে তথ্য নেওয়া হচ্ছে।
গুগল প্লেস্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ৩০ দিন বিনা মূল্যে এ অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে।
ডাউনলোড

লিংক : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.nanosoft.bd.saveme

খালেদুর রহমান :  কিউ৩৯৮ মডেলের স্মার্টফোন বাজারে এনেছে মাইক্রোম্যাক্স। নতুন এই স্মার্টফোনে রয়েছে সাড়ে ৫ ইঞ্চি পর্দা, ১.৩ গিগাহার্টজ প্রসেসর, ১ গিগাবাইট র্যাম, ১৬ গিগাবাইট রম, পেছনে ও সামনে ৮ ও ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং ৪,৭০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। দাম ৭,৪৯০ টাকা।
     বিজ্ঞপ্তি

খালেদুর রহমান :  ৭১১ সালে মুসলমানেরা স্পেন (যার মধ্যে বর্তমান পর্তুগালও অন্তর্গত ছিল) আক্রমণ করে ও শিঘ্রই সমগ্র স্পেন দখল করে। 

১০ম শতকের শুরুতে গৃহযুদ্ধের কারণে স্পেনের কেন্দ্রে মুসলমান শাসকদের পতন ঘটে।
১১৪৩ সালে পর্তুগাল কাস্তিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
১২শ শতকের শেষার্ধে স্পেনে গ্রানাদা ছিল মুসলমানদের শেষ ঘাঁটি।
১৪৬৯ সালে আরাগোনের রাজা ফের্দিনান্দ এবং কাস্তিয়ার রাণী ইসাবেলা বিয়ে করেন। এর ফলে স্পেনের সবচেয়ে শক্তিশালী দুই খ্রিস্টান রাজ্য একত্রিত হয়ে একটি রাজ্যে পরিণত হয়। রাজা ফের্দিনান্দ ও রাণী ইসাবেলার ঘরে ১৪৯৫ সালে জন্ম নেন কন্যাসন্তান কাতেরিনা।
১৪৯২ সাল নাগাদ নতুন এই রাজ্যের সেনারা স্পেনে মুসলমানদের শেষ ঘাঁটি গ্রানাদা দখল করে এবং মুসলমানদের সেখান থেকে বিতাড়িত করে। স্পেনে মুসলমান শাসনের সমাপ্তি ঘটে। মুসলমানদের রেখে যাওয়া সমৃদ্ধ স্থাপত্যকলার নিদর্শন এখনও দক্ষিণ স্পেনের গ্রানাদা ও কর্দোবার মত শহরগুলিতে দেখতে পাওয়া যায়।
একই বছরে (১৪৯২) নাবিক ক্রিস্তোফার কলম্বাস নতুন রাজা-রাণীর সমর্থন নিয়ে পশ্চিম অভিমুখে জাহাজ নিয়ে যাত্রা শুরু করেন, উদ্দেশ্য আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে ভারতে পৌঁছানো।
স্পেনের নতুন শাসকেরা অন্যান্য ধর্মের ব্যাপারে সহানুভূতিশীল ছিল না। তারা বিপথগামীদের খুঁজে বের করতে বিশেষ ধর্মবিচারসভার (inquisition) ব্যবস্থা করে। এই তথাকথিত বিপথগামীদের মধ্যে রোমান ক্যাথলিক গির্জার চেয়ে ভিন্ন মতাবলম্বী খ্রিস্টানরাও যেমন ছিল, অন্য ধর্মবিশ্বাসের লোকেরাও যেমন ইহুদীরাও ছিল। ইহুদীদেরকেও স্পেন থেকে বিতাড়িত করা হয়।
১৫০৯ সালে ফের্দিনান্দ ও ইসাবেলের কন্যা কাতেরিনার সাথে ইংল্যান্ডের রাজা অষ্টম হেনরির বিয়ে হয়।
১৫১২ সালে রাজা ফের্দিনান্দ নাভার রাজ্য দখল করেন এবং এর মাধ্যমে স্পেনের পুনঃএকত্রীকরণ সম্পূর্ণ করেন।
১৬শ শতকে স্পেন ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী জাতিতে পরিণত হয়। তাদের স্থলসেনাবাহিনী ইউরোপের বিভিন্ন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করত (যেমন ওলন্দাজদের বিরুদ্ধে)। তাদের নৌবাহিনী নব্য আবিষ্কৃত আমেরিকা মহাদেশে স্থাপিত স্পেনীয় সাম্রাজ্য থেকে সোনা ও রূপার লাভজনক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করত।
রাজা প্রথম কার্লোস-এর শাসনামলে (১৫১৬-১৫৫৬) স্পেনীয় শক্তি উন্নতির শিখরে পৌঁছেছিল। তিনি ১৫১৯ সালে পবিত্র রোমান সম্রাটের উপাধি লাভ করেন, এবং ফলশ্রুতিতে তিনি জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হল্যান্ড, ফ্রান্সের কিছু অংশ ও ইতালির অংশবিশেষ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা লাভ করেন।
১৫২১ সালে স্পেন মেক্সিকোর আজতেক সাম্রাজ্য দখল করে।
১৫৩৫ সালে তারা পেরুর ইনকা সাম্রাজ্য করায়ত্ত করে।
১৫৫৬ সালে রাজা কার্লোসের মৃত্যুর পর তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চলগুলি তাঁর ছেলে দ্বিতীয় ফিলিপ এবং তাঁর ভাই প্রথম ফের্দিনান্দের মধ্যে বিভক্ত হয়ে যায়। ফিলিপ স্পেন, হল্যান্ড এবং স্পেনের আমেরিকান উপনিবেশগুলির শাসনাধিকার লাভ করেন। অন্যদিকে ফের্দিনান্দ পবিত্র রোমান সম্রাটের উপাধি নেন।
রাজা দ্বিতীয় ফিলিপ ১৫৫৬ সালে যখন স্পেনের শাসনভার গ্রহণ করেন, তখন স্পেন ছিল উন্নতির শিখরে। তিনি ১৫৯৮ সাল পর্যন্ত স্পেন শাসন করেন। ফিলিপ ধর্মপ্রাণ ক্যাথলিক ছিলেন। তিনি স্পেনের নেতৃত্বে ইউরোপ ও আমেরিকা মহাদেশকে নিয়ে একটি ক্যাথলিক সাম্রাজ্য গঠনের স্বপ্ন দেখতেন।
১৫৬৫ সালে স্পেন ফিলিপিনে উপনিবেশ স্থাপন করে।
১৫৬৮ সালে স্পেনীয় হল্যান্ডে যুদ্ধ শুরু হয়। অরেঞ্জের উইলিয়ামের নেতৃত্বে ওলন্দাজরা স্পেনীয় শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে।  
১৫৭১ সালে লেপান্তোর যুদ্ধে স্পেন ও অস্ট্রিয়া তুর্কি একটি নৌবহরকে পরাজিত করে।
১৫৮০ সালে স্পেন পর্তুগাল বিজয় করে এবং ফলে পর্তুগাল স্পেনীয় সাম্রাজ্যের অংশে পরিণত হয়। স্পেন ১৬৪০ পর্যন্ত পর্তুগালকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল।
১৫৮১ সালে হল্যান্ড স্পেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
পর্তুগাল মহাসমুদ্রে ইউরোপীয় অভিযানগুলিতে পথপ্রদর্শক ও নেতার ভূমিকা পালন করেছিল। পর্তুগিজ নাবিকেরা এশিয়ার সাথে নতুন নতুন বাণিজ্যপথ উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। পর্তুগিজেরা ইতিমধ্যেই সাগরের ওপারে একটি সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল যার মধ্যে অন্তর্গত ছিল আফ্রিকার পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলের দীর্ঘ কিছু অংশ, ব্রাজিল, ভারতের বাণিজ্যবন্দর গোয়া, চীনের বাণিজ্যবন্দর মাকাও এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বহু দ্বীপ।

১৫৮৮ সালে স্পেনের নৌবহর আর্মাদা (Armada) ইংল্যান্ড আক্রমণ ও দখলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়, কিন্তু পথে ইংরেজদের সাথে নৌযুদ্ধে পরাজিত হয়।

ইয়াসিন মামুন ,দুবাই : বিশ্বের ৪৪ টি দেশের সুবিধাবঞ্চিত স্কুল পড়ুয়া শিশুদের সাহায্যার্থে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই কেয়ারস (Dubai Cares) প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আয়োজন করেছে ওয়াক ফর এডুকেশন নামে বিশেষ র‌্যালি। দুবাই কেয়ার বিগত ৯ বছর থেকে ওয়াক ফর এডুকেশনের র‍্যালির আয়োজন করে আসছে। 

শুক্রবার দুবাই ক্রিক পার্কের এক ননাম্বর গেটে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে নয়টায় অনুষ্ঠিত ৪৫ মিনিটের এ বিশেষে র‌্যালিতে আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশীদের সামাজিক সংগঠন টিম বাংলাদেশের ব্যানারে লাল সবুজ পতাকা সহ দুবাই কেয়ারস এর টি-শার্ট ও পরিধান করে র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেছে বিভিন্ন দেশের প্রায় আট হাজার নাগরিক। 

র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারী সকলের কাছ থেকে ৩০ দেরহাম করে নেওয়া হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের থেকে অর্জিত অর্থ বাংলাদেশসহ ৪৪ টি দেশের ১৬ মিলিয়ন সুবিধাবঞ্চিত স্কুল পড়ুয়া শিশুদের সাহায্যার্থে ব্যয় করবে দুবাই কেয়ারস।ওয়াক ফর এডুকেশন এ টিম বাংলাদেশের হয়ে অংশগ্রহণকারী শেখ তাওহীদ বলেন, মানুষ মানুষের জন্য তাইতো আমরা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দুবাই কেয়ারের মহৎ উদ্যোগকে সমর্থন জানাতে আমরা অংশগ্রহণ করেছি। আজকের র‍্যালিতে অংশগ্রণের মূল কারণ হচ্ছে বাংলাদেশের সুবিধা বঞ্চিত শিশুরাও আর্থিক সহযোগিতা পাবে। জাহিরুল ইসলাম মজুমদার নামের আরেক অংশগ্রহণকারী বলেন, আমাদের অংশগ্রহণের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের দুবাই কেয়ারের নজরে আনা। আমাদের উপস্থিতির মাধ্যমে জানান দিয়েছি, তাদের(দুবাইয়ের) মহৎ কাজকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভাল ভাবেই গ্রহণ করে। তাছাড়া দুবাই কেয়ার বাংলাদেশে ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের জন্য কাজ করছে তাই এতে অংশ গ্রহনের চেষ্টা করি।

ওয়াক ফর এডুকেশনে টিমের প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে আব্দুল্লাহ আল শাহীন, মোহাম্মদ ইসমাইল, কাজী ইসমাইল,কাইসার হামিদ, রুবেল, জুয়েল, সাইদুল, ইয়াসিন, আমিনুল, ছোটন, রাসেল, মাহবুব, সেলিমসহ অনেকেই অংশগ্রহণ করেন।

জনপ্রিয় অনলাইন : জিয়া অরফানেস চ্যারিটি দুর্নীতি মামলা আদালতে প্রমাণিত হলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অবশ্যই শাস্তি ভোগ করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার মিউনিখের ম্যারিয়ট হোটেলে আয়োজিত জার্মানি আওয়ামী লীগের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এ মন্তব‌্য করেন।
খালেদা জিয়ার শাস্তি হলে দেশে নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না বিএনপির এমন হুশিয়ারির প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন চোরকে রক্ষা করতে তারা নির্বাচন হতে দেবে না, এটা কোন ধরনের আচরণ।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন যদি কোনও দুর্নীতি না করে থাকেন তবে কেন তিনি আদালতে হাজিরা দিতে ভয় পান? তিনি বারবার সময় চেয়েছেন। এমনকি একটি মামলায় হাজিরা দিতে তিনি ৫৩/৫৪ বার সময় আবেদন করেছেন। আদালতকে এড়িয়ে যাওয়ার কারণ কী?
এসব প্রশ্নের জবাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে এটা স্পষ্ট যে খালেদা জিয়া এতিমদের টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন বন্ধের দাবিতে বিএনপি দেশে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালায়। তাই দেশের সাধারণ মানুষ বিএনপির ধ্বংসাত্মক রাজনীতি প্রত্যাহার করেছে। অভিযোগ আছে খালেদা জিয়া সব সময় নেতিবাচক ভূমিকা রাখেন। এমনকি রাজনীতিতেও।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের প্রবাসী নেতারানতুন গঠিত নির্বাচন কমিশন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,আওয়ামী লীগ ও বিএনপির তালিকা থেকে মাত্র একজন করে কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিএনপি তাতেও সন্তুষ্ট নয়। তারা সবসময় নেতিবাচক আচরণ করে।
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদান প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আমাকে সব কিছুর নিরাপত্তার কথা ভাবতে হয়। দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, খাদ্য, পানি, জলবায়ু এবং অন্যান্য নিরাপত্তার বিষয়ে আমাকে ভাবতে হয়।
তিনি সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের কথা উল্লেখ করে আরও বলেন,নতুন নতুন নিরাপত্তার ঝুঁকি বিশ্বের জন্য হুমকি সরূপ।
এ সময় তিনি বাংলাদেশে কোনও ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সহ্য করা হবে না জানান। তিনি বলেন,সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যা যা প্রয়োজন তার সবই করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বিদেশে বাংলাদেশের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে প্রবাসীদের কঠোর পরিশ্রম করার অনুরোধ জানান।

সূত্র: ইউএনবি

জনপ্রিয় অনলাইন :  জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সের ফাঁকে আজ শনিবার মিউনিখের বাইরিশার হফ হোটেলে এই দ্বিপক্ষীয় ‌বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এই দুই নেত্রীর মধ‌্যে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

যদিও জার্মানির উদ্দেশ‌ে ঢাকা ত‌্যাগের আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী জানিয়েছিলেন, এই দুই নেতার বৈঠকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস জঙ্গিবাদ মোকাবেলাসহ উন্নয়ন সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পারস্পরিক সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি হ্রাস, ইউরোপে চলমান শরণার্থী ও অভিবাসন সংকট মোকাবেলাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা।
উক্ত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, থিঙ্ক ট্যাঙ্ক কনফারেন্স হিসেবে বিবেচিত মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে এবারই প্রথম বাংলাদেশের কোনো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন শেখ হাসিনা। কনফারেন্স শেষ করে আজ শনিবার রাতেই দেশের উদ্দেশ‌ে যাত্রা করার কথা রয়েছে তাঁর। আগামীকাল রাতে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

রনি মোহাম্মদ,পর্তুগাল : পর্তুগালের বর্তমান সরকারী দল পর্তুগাল সোস্যালিস্ট পাটির লিসবন শহরের সভাপতি সহ ৬৫ জন বিশেষ ব্যক্তিত্ব অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার পক্ষে মতামত দিয়েছেন।

বর্তমানে প্রচলিত অভিবাসী অাইন ২৩/২০০৭ অনুযায়ী যারা নিয়ম মেনে টেক্স প্রদান করে অাসছেন, তাদেরকে বৈধ অভিবাসীর স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানিয়েন তারা। দেশের বর্তমান জনসংখ্যার ৪% অভিবাসী। পর্তুগালের ইমিগ্রেশন সার্ভিস (সেপ) এর দেয়া তথ্যমতে, পর্তুগালে অবৈধ হয়ে পড়া মোট অভিবাসীর সংখ্যা ৩০ হাজার। 

পর্তুগাল উন্নায়নের ক্ষেএে বিশিষ্টজনরা দাবি করেন, বছরের পর বছর অভিবাসীরা ব্যাবসাসহ বিভিন্ন রকমের পেশায় নিয়োজিত থেকে এবং নিয়ম মেনে পর্তুগাল সরকারকে বৈধ ভাবে টেক্স-পে করে সছে যার ফলে বিশ্ব মন্দা অর্থনীতির মাঝেও পর্তুগালের অর্থনীতিকে করছে সমৃদ্ধ। অভিবাসীরা সবসময়ই পর্তুগালের অর্থনীতির এবং কৃষি ক্ষেএের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ইস্যু।

পর্তুগালের জনপ্রিয় সংবাদ দ্য জার্নাল ইকোনোমিকোর মাধ্যমে, পর্তুগালে অবৈধদের বৈধতা দিতে সরকারকে লুয়েটি বেইরাও, রিকার্ডো পাইস মাসেদো, ফ্রান্সিসকো লুইসা, সিনর কাপাকুয়া, না জেনেট্টি, সেক্রেটারি অব স্টেট অানা বেনানেন্তে বুদ্ধিজীবী সহ পর্তুগালের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, লেখক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও নানা পেশার বিশিষ্টজন দৃষ্টি আকর্ষণ করান।


অভিবাসীদের অধিকার অাদায়ে সংগ্রাম করে যাওয়া পর্তুগিজ সলিদারিটি ইমিগ্রান্ট সভাপতি তিমোতেও মাসেদো পর্তুগালের ইমিগ্রেশন সার্ভিস (সেপ) ও অভিবাসী সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের প্রতি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, অভিবাসীদের মানবিক দাবি না মেনে অাপনারা এদেশের মানুষদের জন্য ভালো ফলাফল বয়ে অানবেন না। দেশের অর্থনীতি এবং কৃষি ক্ষেএে র নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা বিবেচনা করে অতিশয় অভিবাসীদের বৈধকরণ প্রক্রিয়া সহজ করুন।

রনি মোহাম্মদ,পর্তুগাল : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনদিনের সরকারি সফরে বৃহস্পতিবার সকালে জার্মানিতে আসছেন। জার্মানির মিউনিখে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশগ্রহণই এ সফরের উদ্দেশ্য। পাশাপাশি জার্মান চ্যান্সেলর এঞ্জেলা মার্কেলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। এমএসসি বিশ্ব নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে সম্মেলনের আয়োজন করে আসছে। বিভিন্ন দেশের প্রায় চার শতাধিক নীতি-নির্ধারক, সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান, মন্ত্রী, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গবেষক, সিভিল সোসাইটি প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে যোগ দেবেন।

আগামী শনিবার জার্মান চ্যান্সেলর এঞ্জেলা মার্কেলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জলবায়ু, নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা হবে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জার্মান সফর উপলক্ষে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের আওয়ামী লীগ এর নেতৃবৃন্দ জার্মান আসতে  শুরু করেছেন। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারী জার্মান আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর এক গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। জার্মান আওয়ামী লীগের সভাপতি বশিরুল আলম  চৌধুরী সাবু ও সাধারণ সম্পাদক শেখ বাদল আহমেদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর গণ সংবর্ধনার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আমরা আশা করছি স্মরণকালের একটি সুন্দর গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্রী অনিল দাশ গুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক এম এ গনি , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম হক, এম নজরুল ইসলাম, গোলাম কিবরিয়া, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান শরীফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ইতালি আওয়ামী লীগের সভাপতি ইদ্রিস ফারাজী, সাধারণ সম্পাদক হাসান ইকবাল, ফ্রান্স আওয়ামী লীগ এর সভাপতি এম এ কাশেম, সাধারণ সম্পাদক মুজিবর রহমান, একাংশের সভাপতি মহসিন উদ্দিন লিটন সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগ এর সভাপতি হাফিজুর রহমান খন্দকার , সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ আহমেদ ,বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল হক, সাধারণ সম্পাদক  জাহাঙ্গীর চৌধুরী রতন, হল্যান্ড আওয়ামী আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন তপন, সাধারণ সম্পাদক মুরাদ খান, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ এর সভাপতি ইকবাল হোসেন মিঠু, সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, ফিনল্যাণ্ড আওয়ামী লীগ এর সভাপতি আলী রমজান, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন, নরওয়ে আওয়ামী লীগ এর সভাপতি রুহুল আমিন মজুমদার  সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সুইডেন আওয়ামী লীগ এর আহবায়ক খেতু মিয়া, সদস্য সচিব লাভলু মনোয়ার, স্পেন আওয়ামী লীগ এর সভাপতি শাকিল খান পান্না, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল নয়ন, রিজভি আলম পর্তুগাল আওয়ামী লীগ এর সাবেক সভাপতি রাফিক উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক শওকত ওসমান, সিনিয়র নেতা আবুল কালাম আজাদ, মজিবুর মোল্লা  গ্রীস আওয়ামী লীগ এর আহবায়ক রাকিব মৃধা, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান, সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগ এর আহবায়ক ইমরান খান মুরাদ, সদস্য সচিব এম রহমান, সাবেক সভাপতি জহির, সাবেক সাধারণ সমপাদক তাজুল ইসলাম, আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন, রফিক খান সহ আরো অনেকে।

সুফিয়ান আহমদ, বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ শিবির থেকে ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ করার পর থেকে দুর্ধর্ষ ক্যাডারে পরিণত হয়েছে বখাটে নাঈম। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই সে কোন না কোনভাবে কারো সাথে সংঘর্ষে জড়ায়। মানুষের সাথে মারামারি এখন তাঁর জন্য নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপনে তার উপর ক্ষুদ্ধ ও ক্ষীপ্ত তার এলাকার জনসাধারণও। অনেকে তার এই আচরণকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বলছেন। আবার অনেকে বলছেন, এর জন্য তারাই দায়ী; যারা তাকে ছাত্রলীগে টাই দিয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের কোনাগ্রামের বাসিন্দা নাঈম আহমদ (২০) বিয়ানীবাজার সরকারী কলেজের একাদশ ২য় বর্ষের ছাত্র। দক্ষিণ মুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে থাকাকালীন অবস্থায়ই ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়ে সে। শিবিরের সাথে জড়িত হওয়ার পর থেকেই প্রায় প্রতিটি সভা সমাবেশে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিলো। একপর্যায়ে সে মাধ্যমিক স্কুল শেষ করে কলেজে ভর্তি হলে বর্তমান পরিস্থিতি আঁচ করে সে উপজেলা ছাত্রলীগের পল্লব গ্রুপে যোগদান করে। আর এই গ্রুপে যোগদানের পরই বেপরোয়া হয়ে উঠে সে। তুচ্ছ বিষয় নিয়েই সে ঝগড়া লাগিয়ে দিত যে কারো সাথে। এরপর শুরু করত মারামারি। প্রতিপক্ষ গ্রুপের অনেক কর্মীকেও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে সে। তার এমন কান্ডে অনেক সময় বেকায়দায় পড়তে হয়েছে তাঁর গ্রুপকেও।  একের পর এক মারামারিতে তাকে  নিয়ে অতিষ্ট তাঁর গ্রুপের নেতারাও। কারো কথাই যেন শোনার তাঁর সময় নেই। সম্প্রতি নাঈম পৌরশহরের একটি দোকানে তাঁর সাঙ্গ-পাঙ্গ নিয়ে হামলার চেষ্টা করলেও ব্যবসায়ীদের ধাওয়ায় তারা পালিয়ে যায়। পরবর্তিতে এটা নিষ্পত্তিও হয় এবং ভবিষ্যতে এভাবে আর মারামারি করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেয় তাঁর পরিবারকে। কিন্তু তা বেশিদিন না গড়াতেই আবারো প্রতিপক্ষ গ্রুপের সাথে সংঘর্ষে জড়ায় সে। যদিও সোমবার সংঠিত সংঘর্ষটি ছিলো দুগ্রুপের মধ্যে কিন্তু এতে সে ছিলো অগ্রভাগে। যার জন্য পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৩ জনকে তাৎক্ষণিক আটক করে নিয়ে যায়। আটকৃতদের মধ্যে নাঈমও রয়েছে। বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ কার্যবিধির ১৫১ ধারায় তাদের আটক দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করলে বুধবার আদালত তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
এদিকে নাঈমের মত উঠতি বয়সী ক্যাডারদের দাপটে অসহায় হয়ে পড়েছেন পৌরশহরসহ আশপাশ এলাকার ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা। তারা এখন নিজেদের নিরাপত্তা ও ব্যবসায় পরিচালনা নিয়ে চিন্তিত। এসব উঠতি বয়সী ক্যাডাররা কখন কার উপর হামলা করে তাঁর কোন ঠিক নেই। গত সোমবার রাতে সাড়ে ৮ার দিকে এরকমই কয়েকজন উঠতি বয়সী ক্যাডারদের চোঁরাগুপ্তা হামলায় গুরুত্বর আহত হয়েছেন উপজেলা ছাত্রলীগের পল্লব গ্রুপের সমর্থক বাহারুল আলম রমজান।  যদিও বর্তমানে  রমজান রাজনীতির সাথে যুক্ত নয় কিন্তু পৌরশহরের ব্যস্ততম ব্যবসায়ীক এলাকা ইনার কলেজ রোডস্থ রাধুনী হোটেলের সামনে তার উপর এমন ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় আতংকিত হয়ে পড়েন ব্যবসায়ীরা। চোঁরাগুপ্তা হামলায় নিজের প্রাণ বাঁচাতে পাশর্^বর্তী একটি কসমেটিক দোকানে গিয়ে আশ্রয় নিয়ে এযাত্রায় প্রাণ রক্ষা পায় তাঁর। এসময় বন্ধ হয়ে যায় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। গুরুত্বর আহত অবস্থায় রমজানকে  সিলেট প্রেরণ করা হলে সেখান থেকে মঙ্গলবার রাতে তাকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে সে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এব্যাপারে বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, আমরা পৌরশহরসহ আশপাশ এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছি। ব্যবসায়ীরা যাতে নিরাপদে ব্যবসায় করতে পারেন সেজন্য আমরা তাদের যথাযথ সহযোগীতা করছে। তিনি বলেন, বিয়ানীবাজারের শান্তিশৃংখলা বিনষ্টে যেসকল উঠতি বয়সী ক্যাডাররা সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাচ্ছে, আমরা তাদের তালিকা তৈরী করছি। তারা যে দলের, যে গ্রুপেরই হোক না কেন তাদের ছাড় দেয়া হবে না।

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ পূর্ব বিরোধের জেরে আবারো বিয়ানীবাজার পৌরশহরে সংঘর্ষে জড়ালো উপজেলা ছাত্রলীগের বিবদমান স্বাধীন ও পল্লব গ্রুপ। হামলা পাল্টা হামলায় উভয় গ্রুপের ৫ জন আহত হয়েছেন। গুরুত্বর আহত অবস্থায় রমজান (২৭) নামক পল্লব গ্রুপের সিনিয়র এক নেতাকে সিলেট প্রেরণ করা হয়েছে। এঘটনায় উভয় গ্রুপের ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পৌরশহরসহ আশপাশ এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, গহ বৃহস্পতিবারের মারামারির জের ধরে সোমবার বেলা দুটায় পৌরশহরের কলেজ রোডে আবারো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উপজেলা ছাত্রলীগের বিবদমান স্বাধীন গ্রুপ ও পল্লব গ্রুপ । আধা ঘন্টাব্যাপী উভয় গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ উভয় গ্রুপের ৩ জন আহত হন। এসময় পৌরশহরসহ আশপাশ এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দিগ¦ীদিগ ছুটোছুটি করতে থাকেন পথচারীরা। বন্ধ হয়ে যায় দোকানপাঠ। সংঘর্ষের খবর পেয়ে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয় গ্রুপের নাঈম, হাবিব ও ইমনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

এদিকে এ সংঘর্ষের পর পৌরশহরের সমবায় মার্কেটস্থ উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও স্বাধীন গ্রুপের পৃষ্টপোষক আব্দুল কুদ্দুস টিটুর কার্যালয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালায় পল্লব গ্রুপের নেতাকর্মীরা। খবর পেয়ে স্বাধীন গ্রুপের নেতাকর্মীরা সমবায় মার্কেটে আসতে চাইলে তাদের বাধা দেয় থানা পুলিশ। এর আগেই চলে যায় পল্লব গ্রুপের নেতাকর্মীরা।
অপরদিকে, এই সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও উভয় গ্রুপ নিজেদের মধ্যে শক্তিসঞ্চয় করতে থাকে। বিকেলে স্বাধীন গ্রুপের আদনান (২২) নামক এক কর্মীকে একা পেয়ে কুপিয়ে জখম করে পল্লব গ্রুপের কয়েকজন কর্মী। তাকে আহত অবস্থায় বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়। এরপর রাত সাড়ে ৮টায় পল্লব গ্রুপের সিনিয়র নেতা রমজানকে পৌরশহরের ইনার কলেজ রোডে একা পেয়ে তার উপর হামলা চালায় স্বাধীন গ্রুপের কয়েকজন কর্মী। আকস্মিক হামলায় নিকটস্থ একটি দোকানে গিয়ে প্রাণ বাঁচালেও গুরুত্বর অবস্থায় তাকে সিলেট প্রেরণ করা হয়েছে।

আর এঘটনার পর থেকে পৌরশহরে আবারো উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে আশপাশ এলাকায়। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পৌরশহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে বলে জানান থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী।


উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ছাত্রলীগের স্বাধীন গ্রুপের কয়েকজন কর্মী পল্লব গ্রুপের সিনিয়র নেতা জাফর আহমদের উপর বিয়ানীবাজার সরকারী কলেজ ক্যাম্পাসে হামলার চেষ্টা চালায়। এসময় জাফরের গ্রুপের কর্মীরা তাকে রক্ষা করলেও পরবর্তীতে তা সংঘর্ষে রুপ নেয়। আর এরই জের ধরে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ বিয়ানীবাজার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন "গোলাবশাহ কিশোর সংঘ" এর ব্যবস্থাপনায় আব্দুল মুছব্বির- আকতারুন নেছা ও ছিদ্দেক আলী মেধা বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্টান সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার বিকেল ৩টায় পৌর এলাকার কসবা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজিত বৃত্তি প্রদান অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কাজী আতাউর রহমান।

সংঘের সভাপতি আফজাল হোসেন সাজু'র সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্টানে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষাবিদ আলী আহমদ, বৃটেনপ্রবাসী সাংবাদিক ও কলামিস্ট ফারুক যোশী, সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য ও গোলাবশাহ সমাজকল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নজরুল হোসেন, বৃটেন প্রবাসী ডাঃ কাওছার হক, মুজিবুর রহমান রানা, অভিভাবক মাওলানা মোঃ নজরুল হোসেন ও রত্মজিৎ রায়, সংঘের গভর্ণিং বডির চেয়ারম্যান আবু আহমেদ সাহেদ, সহ সভাপতি আবিদ হোসেন জাবেদ, শিক্ষা সম্পাদক ছিদ্দিকুর রহমান ও সাহিত্য সম্পাদক জায়েদ আহমদ নয়ন।
সংঘের সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন লাভলু'র পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্টানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কসবা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য প্রবীণ মুরুব্বী গিয়াস উদ্দিন আহমদবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান, দাসউরা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মিছবাহ উদ্দিন, কসবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান, জলঢুপ দ্বীননাথ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসেন আহমদ, নয়াগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সজল কুমার পাল, বাহাদুরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য আব্দুল খালিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সহিদ আলী, শ্রীধরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আতাউর রহমান চুনু, সাপ্তাহিক দিবালোক পত্রিকার সম্পাদক হাসান শাহরিয়ার, গোলাবশাহ সমাজকল্যাণ সংস্থার দপ্তর সম্পাদক মোস্তাক আহমদ কাজল, সাবেক সমাজকল্যাণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মজনু, গোলাবশাহ কিশোর সংঘের গভর্ণিং বডির সদস্য সাইফুদ্দিন আহমদ নোমান, সাইফুল ইসলাম সুয়েল,মারুফ আহমদ,সংঘের সাবেক সহ সভাপতি কাওসার আহমদ উজ্জল, বিয়ানীবাজার সাংস্কৃতিক কমান্ডের সহ সভাপতি সালেহ আহমদ শাহিন,সরোয়ার হোসেন, সংঘের সহ সভাপতি কামরান হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিয়ান আহমদ, অর্থ সম্পাদক জাফর আহমদ, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সাব্বির হোসেন ও মাহমুদুর রহমান লিয়ন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফুরাদ আহমদ, ক্রীড়া সম্পাদক মাসুদ আহমদ জনি, সদস্য পায়েল আহমদ, মাসুদ আহমদ সানি, তোফায়েল আহমদ, নাদিম হোসেনসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ কর্ণধার। তারাই আগামীতে এই দেশের নেতৃত্ব দিবে। তাই আমাদের উচিত, তাদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা। তাদের সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে পারলেই তারা এদেশকে নেতৃত্ব দিতে পারবে। সোনার বাংলা হিসেবে এদেশকে রুপান্তরিত করতে পারবে। আর তা না হলে তাদের নিয়ে আমাদের যে স্বপ্ন তা কখনো বাস্তবায়ন হবে না। বক্তারা শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদানের জন্য এরকম বৃত্তি প্রদান করায় এর পৃষ্টপোষকদের ধন্যবাদ জানান।

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পিইডিপির অর্থায়নে বিয়ানীবাজার উপজেলার ৪৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর বিতরণ করা হয়েছে । শনিবার বিকেলে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রজেক্টর বিতরণ করেন বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ (সিলেট-৬) আসনের সংসদ সদস্য শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এম.পি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুঃ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ার হার দিন দিন কমে যাচ্ছে। পুরোপুরি রোধ করতে সরকার আগামীতে ১ম থেকে ৮ম শ্রেনী পর্যন্ত শিক্ষাকে অবৈতনিক করতে যাচ্ছে। এ নিয়ে কাজ চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আগামীতে আমরা এ বিষয়ে সিন্ধান্ত গ্রহণ করবো। তিনি বলেন, অভিভাবকদের শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। যাতে তাদের মাথায় কেউ জঙ্গিবাদের ভুত না ঢুকিয়ে দিতে পারে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুম মিয়ার পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাসিব মনিয়া, সহ সভাপতি আবদুল আহাদ, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বাবুল, সহ দপ্তর সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল, পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুশ শুক্কুরসহ আরো অনেকে।

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, পাঠ্য বইয়ে কিছু ত্রুটি রয়েছে, এগুলো সংশোধনের ব্যবস্থা হচ্ছে। তিনি শিক্ষকদের সচেতন ভাবে পাঠদান করানোর জন্য তাগিদ দেন। এছাড়াও তিনি শিক্ষকদের আধুনিক ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করতে উপজেলা শিক্ষা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। প্রজেক্টরের পাশাপাশি ধাপে ধাপে আরো ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর আসবে, এজন্য সবাইকে ধৈর্য্য ধরতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা প্রদান বাধ্যতামুলক করেছে। যদিও আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতার কারণে এখন পর্যন্ত দশ ভাগ শিশুকে বিদ্যালয়মুখী করতে পারা যায় নি। সরকার চেষ্টা করছে শতভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ের আওতায় নিয়ে আসতে।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী বিয়ানীবাজার পৌরশহর ঘুরে ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করেন। এরপর নির্মিতব্য উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম ও প্রশাসনিক ভবনের  নির্মান কাজ পরিদর্শন করেন।

জনপ্রিয় অনলাইন : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক জাকারবার্গকে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ থেকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন শেয়ারহোল্ডাররা। ফেসবুকের চারটি শেয়ারহোল্ডার গ্রুপের দাবি, প্রধান নির্বাহী এবং বোর্ড কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষমতার সামঞ্জস্যের ওপর কোম্পানির সাফল্য নির্ভর করে।

কিন্তু জাকারবার্গের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষমতা একেবারেই নেই। আর এ কারণেই পরিচালনা পর্ষদ থেকে তার পদত্যাগের দাবি তোলা হয়েছে। এছাড়া জাকারবার্গের পরিবর্তে একজন স্বাধীন সিইওকে বোর্ডের দায়িত্ব দেয়ার প্রস্তাবও করেছেন তারা।
সাম অব ইউএস নামের কোম্পানির একটি দল গ্রাহকদের সেবা দেয়ার কাজে নিযুক্ত রয়েছে। এছাড়া সংস্থার কর্মীদের মানবাধিকার, দুর্নীতি, করপোরেট ক্ষমতাসহ বিভিন্ন কাজকর্ম দেখার দায়িত্ব রয়েছে তাদের কাঁধে। জাকারবার্গকে পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরিয়ে দেয়ার প্রস্তাব উঠলেও এ বিষয়ে ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী এই কর্মকর্তা কোনো মন্তব্য করেননি।
ওই কোম্পানিটির মার্কেটিং উপদেষ্টা লিসা লিন্ডলে বলেছেন, ফেসবুকের করপোরেট সিটিজেনশিপের উন্নতির জন্য ৩ লাখ ৩০ হাজার মানুষ আবেদনে সই করেছেন। এদের মধ্যে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার রয়েছেন মাত্র দেড় হাজার। এদিকে কোম্পানির অধিকাংশ শেয়ার ফেসবুকের সিইও
র হাতে থাকায় পদত্যাগের দাবি উঠলেও অন্য সদস্যদের নিয়ে তা উপেক্ষা করতে পারবেন জাকারবার্গ। গেল বছর ডিসেম্বরে প্রকাশিত ফেসবুকের এক পরিসংখ্যান বলছে, প্রত্যেক মাসে ফেসবুকের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৮৬ কোটি। এ সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে ১৭ শতাংশ। সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস

জনপ্রিয় অনলাইন : বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিককে ২০১৭ সালের একুশে পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০ ফেব্রুয়ারি ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে একুশে পদক দেবেন।

আজ রবিবার সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে। পদকের জন্য মনোনীত বিশিষ্ট নাগরিকেরা হলেন : ভাষা আন্দোলনের জন্য ভাষাসৈনিক অধ্যাপক শরিফা খাতুন, শিল্পকলায় (সংগীত) সুষমা দাস, জুলহাস উদ্দিন আহমেদ, ওস্তাদ আজিজুল ইসলাম, শিল্পকলায় (চলচ্চিত্র) তানভীর মোকাম্মেল, শিল্পকলায় (ভাস্কর্যে) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ, শিল্পকলায় (নাটক) সারা যাকের, সাংবাদিকতায় আবুল মোমেন ও স্বদেশ রায়, গবেষণায় সৈয়দ আকরম হোসেন, শিক্ষায় প্রফেসর ইমেরিটাস আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী, সমাজসেবায় অধ্যাপক মাহমুদ হাসান, ভাষা ও সাহিত্যে (মরণোত্তর) কবি ওমর আলী, ভাষা ও সাহিত্যে সুকুমার বড়ুয়া, শিল্পকলায় (নৃত্য) শামীম আরা নীপা এবং শিল্পকলায় (সংগীত) রহমতউল্লাহ আল মাহমুদ সেলিম।

জনপ্রিয় অনলাইন : আমার বেগ কোথায় হারিয়ে গেল তাও বলতে পারি না।পাহাড়ের উঁচুনিচু গর্তে যে ঝাকুনি হচ্ছিলো তা ছিলো আরও ভয়াবহ।এভাবে একঘণ্টা পর আমাদের একটি ঘরে নামানো হলো।কেউ হাত সোজা করতে পারছে না আবার কেউ পা।

গরে ঢুকার পর আনুমানিক আমরা ৬০ জন। ৩০ মিনিট  পরে কয়েকভাগে গাড়ি করে আমাদের মূল স্পটে নিয়ে আসা হলো।একটি কারে কমপক্ষে দশজন করে।একটি পাহাড়ের খাঁদে আমাদের সবাইকে জড়ো করে সবার হাতে স্প্রে দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। ইতিমধ্যে আরও ১৫০জনের মতো আমাদের সাথে যুক্ত হলো। দালালের সাথে আমাদের কথা ছিলো বর্ডার থেকে আধঘণ্টা হাঠলেই আমরা তুরস্ক ডুকে যাবো।আমরা ভাবছিলাম যেহেতু ৩০মিনিট বলেছে তাহলে বেশ থেকে বেশী হলে দুই অথবা তিন ঘন্টা হাঁটা লাগবে। লাইন ধরে প্রায় ২০০ জনের গ্রুপের হাঁটা শুরু।
জীবনের প্রথম এতো উঁচু উঁচু পর্বত সম পাহাড় দেখি।তুষার পড়ে পিচ্ছিল হয়ে আছে রাস্তা।আমরা বেশীর ভাগ সময় পাহাড়ের কিনারা দিয়ে হাটছিলাম।এই সময় নিচের দিকে চুখ গেলে মাথা গুরে যাওয়ার উপক্রম,তার উপর তুষার পড়তেছে।এইভাবে হাঠতে হাঠতে সকাল ৮ টায় প্রায় ১২ ঘন্টা পর একটি পাহাড়ের খাঁদে আমাদের দাঁড় করিয়ে বললো আমরা এখন তুরষ্ক আছি।কিছু সময় পর গাড়ি আসবে,আমরা বিভিন্ন ভাগ সেভহুমে যাবো।

আমি চারিদিকে থাকালাম, যে যেখানে আছে সেখানেই তুষারের মধ্য়ে শুয়ে পড়েছে। সবাই একে অপরের দিকে কেবল থাকিয়ে আছে, কারও কথা বলার শক্তিও নেই। এম্বুলেন্সের মতো করে তিনটা গাড়ি আসলো, এই দুইশত মানুষকে এই তিনটার মধ্যেই জায়গা করে নিলো। সেই ভ্যানের চাইতেও মারাত্মক অবস্থা। প্রায় ঘন্টা খানিক পর আমাদের একটি বাসায় নিয়ে আসা হলো। যাকে সেভহোম বলা হয়। সাধারনত গেইম শেষে টাকা পরিশোধের আগ পর্যন্ত এখানে রাখা হয়। টাকা পরিশোধ হয়ে গেলে তাঁরা ইস্তাম্ভুলের বাসে তুলে দেয়।
এখানে আরও অনেক করুন কাহিনী। কয়েকজনকে পাওয়া গেল যারা টাকা পরিশোধ না হওয়ার কারণে মাসের পর মাস পরে আছে। আবার কারও টাকা মধ্যেখানের দালাল নিয়ে লাপাত্তা।

আবার তাঁদের কাছে শুনলাম কাউকে মাফিয়াদের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার গল্প।আমরা ঘরে ঢুকে ৩০মিনিট বিশ্রাম নিয়ে আস্তে আস্তে যখন পায়ের জুতা খুললাম তখন দেখি মুজার সাথে পায়ের তলার চামড়ার একটি প্রলেপ উটে আসতেছে।পায়ের তলায় নক লাগলেই রক্ত বের হবে এই রকম অবস্থা।ঠান্ডা আর বরফে তের ঘন্টা হাঠার দুঃস্বপ্নের এই রাত জীবনে ভুলবার নয়।আমরা সেভ্রুম থেকেই দালালের কাছ থেকে ৫০ ডলার দিয়ে একটা সিম কিনলাম।

জনপ্রিয় অনলাইন : আগামীকাল সোমবার পয়লা ফাল্গুন। ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। শীতের শেষে ঋতুচক্রের এই মাস বাঙালির জীবনে প্রকৃতির রুপ বদলে যায়। শুরু হয় অন্যরকম জীবনধারা।  ফুল ফুটবার এই দিন। ঝরে পরা শুকনা পাতার মর্মর ধ্বনির দিন । কচি পাতায় আলোর নাচনের মতই বাঙালির মনেও দোলা লাগায়। একই সাথে বাসন্তি রং এর শাড়ি ও পাঞ্জাবি গায়ে জড়িয়ে আনন্দে মেতে ওঠার আবাহন।  

এ সময়েই শীতের জীর্ণতা সরিয়ে ফুলে ফুলে সেজে ওঠে প্রকৃতি। গাছে গাছে নতুন পাতা, স্নিগ্ধ সবুজ কচি পাতার ধীর গতিতে বাতাসে সঙ্গে বয়ে চলা জানান দেয় নতুন কিছুর।
শীতে খোলসে ঢুকে থাকা বনবনানী অলৌকিক স্পর্শে জেগে উঠে। পলাশ, শিমুল গাছে লাগে আগুন রঙের খেলা। প্রকৃতিতে চলে মধুর বসন্তে সাজ সাজ রব।  
এছাড়াও পাতার আড়ালে আবডালে লুকিয়ে থাকা বসন্তের দূত কোকিলের মধুর কুহুকুহু ডাক, ব্যাকুল করে তুলবে অনেক বিরোহী অন্তর । যদিও এই ব্যাস্ত নগরীতে এ চিত্র দেখা বা শুনা দুস্কর । তবুও কবির ভাষায় ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্ত ।
বাংলা সাহিত্যে বসন্ত বন্দনা যেভাবে হয়েছে তেমনি রাজনীতিতেও এ বসন্তের গুরুত্ব কম নয় । এ বসন্তেই ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালির স্বাধীনতার বীজ রোপিত হয়েছিল। যা পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে পূর্ণতা লাভ করেছিল।  
বসন্ত মানেই পূর্ণতা। বসন্ত মানেই নতুন প্রাণের কলরব। মিলনের এ ঋতু বাসন্তী রঙে সাজায় মনকে, মানুষকে করে আনমনা। অন্যদিকে শহরের নাগরিক জীবনে বসন্তের আগমন বার্তা নিয়ে আসে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি ও একুশের বইমেলা।
জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদ ২২ বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বসন্তের প্রথম দিনে বসন্ত উৎসবের উদ্যোগ নিয়েছে ।  
এ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় দিনব্যাপী এবং ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর মঞ্চ ,লক্ষীবাজারের বাহাদুর শাহ পার্ক এবং উত্তরার ৩ নং সেক্টরের রবীন্দ্রসরণীর উন্মুক্ত মঞ্চে বিকাল থেকে রাত অবধি বর্নঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে গানের দল সমগীত বনার্ঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।  
দিনের শুরুতেই মতিয়ারের সারেঙ্গী বাদন ও অসিত কুমার দের শাস্ত্রীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হবে ।  
সভাপতি আলী যাকের এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানজার চৌধুরী সুইট স্বাক্ষরিত পরিষদের এক বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়েছে , উৎসবে ত্রিপুরার আগরতলা থেকে একটি নৃত্য দল অংশগ্রহণ করবে। এ ছাড়াও শিশু-কিশোরদের পরিবেশনা আদিবাসী পরিবেশনা, বসন্তকথন পর্ব, বসন্ত শোভাযাত্রা, আবীর ও প্রীতিবন্ধনী বিনিময় , রংতুলীতে বসন্ত ও দলীয় সঙ্গীত, দলীয় আবৃত্তি, একক সঙ্গীত, একক আবৃত্তি পরিবেশিত হবে।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget