2017-01-22

বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা সৌদি আরব : গত ১৬ জানুয়ারী সিলেটের কানাইঘাট থানার গাজীপুর গ্রামের সৌদিআরব প্রবাসী মনির উদ্দিনের নাবালিকা মেয়ে মাসুমা বেগম(১৫)অপহরণ হয় ।
মাসুমা  সিলেটের কানাইঘাট থানার সুরমা স্কুলের নবম শ্রেনির ছাত্রী।রাত ১২ টার পর পাশের বাড়ির রাজা মিয়ার ছেলে জাবের ৫/৬ জন সন্ত্রাসী এনে মনির  উদ্দিনের স্ত্রী দিলারা বেগমকে মারধোর করে মেয়ে মাসুমা বেগমকে জোরপূর্বক তুলে নীয়ে যায় । প্রবাসী মনির উদ্দিনের স্ত্রীর চীৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসেন । ঘটনার পরের দিন সকালে প্রবাসী মনির উদ্দিনের স্ত্রী বাদী হয়ে কানাইঘাট থানায় জাবের এর নামে অপহরণের অভিযোগ একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নাম্বার ৩০৭ । পুলিশ মামলাটি আমলে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে গেলে এলাকার চেয়ারম্যান ও মেম্বার বিষয়টি তারা সমাধান করবে বলে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন।
ঘটনার দুদিন পর থেকে জাবের মামলা তুলে নিতে প্রবাসী মনিরের স্ত্রী দিলারাকে হুমকি দিচ্ছেন । এমনকি মামলা তুলে না নিলে মেয়ে মাসুমা বেগমকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন। অপহরণের প্রায় দশ দিন হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত স্কুল ছাত্রী মাসুমা বেগমকে উদ্ধার করতে পারেনি।গত দশ দিনেও মেয়েকে না পেয়ে সৌদিআরব প্রবাসী মনির উদ্দিন কান্না ভেঙ্গে পড়ে।মেয়ে মাসুমা কে উদ্ধারের জন্য প্রবাসী সাংবাদিকদের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জেলা প্রশাসক, কানাইঘাট থানার চেয়ারম্যান এবং ইউপি মেম্বারসহ সকলের কাছে দাবী জানান সৌদি প্রবাসী মনির উদ্দিন।


বাহার উদ্দিন বকুল,জেদ্দা,সৌদি আরব: জীবন জীবিকার তাগিদে হাজারো বাঙালির পদচারণায় মুখর আজ সৌদি আরব। মরুদেশে খরতাপে উঁচা টনমন,সময় সুযোগ পেলেই ছুটেযায় সাগর সৈকতে বা পাহাড়ের ঢালে। কখনো বা মরুদ্যানে সবুজের আহ্বানে।
এমনি এক আয়োজনে জেদ্দায়
ফ্যামিলি বনভোজন। প্রিয়াহীন মরুদেশে এক ঘেয়ে মিকাটাতে বনভোজনের আয়োজনে জাগে আনন্দের জোয়ার, পড়ে সাজ সাজরব। আমন্ত্রিত হয়ে  ওদের সাথে আমিও অস্থির। সবার মাঝে সুর আর ছন্দ; চলোনা ঘুরে আসি যেখানে নদী আছে।
গত ২০ জানুয়ারি 
শুক্রবারজেদ্দায়  অর্ধশতাধিক পরিবার পরিজনদের নিয়ে  জেদ্দা-জিজান মহাসড়ক সংলঙ্গ এলাকায় আয়োজন করে ফ্যামিলি বনভোজন , গাড়ি বোঝাই হয়ে জেদ্দার উপকন্ঠে এক পেট্রোল পাম্পে জড়ো হই আমরা সকলে। গাড়িতে পেট্রোল
বোঝাই করে, সেখান থেকে গাড়ি ছাড়ে সবাই এক সঙ্গে। গাড়ির বহর ছুটে চলে জেদ্দা-জিজান  মহাসড়ক ধরে। ত্রিশ-চল্লিশ কিলো পাড়ি দিয়ে মহাসড়ক ছেড়ে গাড়ি ছোটে  রাস্তাধরে।
ততক্ষণে দূরের পাহাড় ডিঙিয়ে সূর্য উঁকি দেয় পূব আকাশে। 
পাহাড়ের গায়ে পাহাড় হেলান দিয়ে তখনো ঘুমুচ্ছে অলস আমেজে।
সকালের মৃদুমন্দ 
ঠান্ডা হাওয়া শীতল পরশ বুলিয়ে যাচ্ছে আমাদের দেহমনে। আরো বিশ- পচিঁশ কিলো পাড়ি দিয়ে পীচ ঢালা পথ ছেড়ে গাড়ি নামে মরুপথে। ধু-ধুমরুর বুক চিড়ে একে
বেঁকে এগিয়ে গেছে গাড়ি চলাপথ। গাড়ি চলতে চলতেই তৈরি হয়েছে এই গাড়ি চলাপথ। কোথাও ঢালুতে নামছেকোথাও মাড়িয়ে যাচ্ছে পাহাড়ের পাদদেশ, কখনো বা উঠে যাচ্ছে পাহাড়ে।
ঘন্টা দুই উঁচু- নিচু পথ পাড়িদিয়ে
, নরম রোদ গরম হওয়ার আগেই গাড়ি বহর পৌঁছে নির্ধারিত
আল- বাহারা বনভোজন-স্থান মরুদ্যানে। দীগন্ত বিস্তৃত মরুভূমির মাঝখানে এক খানি জলাশয়।
তবে হ্রদ বলা চলেনা। 
কাছেই বেশ কিছু গাছ গাছালিলতাগুল্ম, সবুজের সমারোহ। অদূরে মাঝারি উচ্চতার একটি পাহাড়।
দূরে দৃষ্টি সীমায় এক পাশে পাহাড়ের সারি
, বাকিতি নদিকেধু- ধুমরুভূমি, বালি আর বালিয়াড়ি। মন জুড়িয়ে যায় মরুর বুকের জলাশয়ের কিনারে দাঁড়িয়ে। স্বচ্ছ পানি টল টল করছেমাছের রূপালী ঝিলিক নজর কেড়ে নিচ্ছে আচমকায়।
নাস্তা অবশ্য সারা হয়ে গেছে গাড়িতে আসার পথেই। গাড়ি থেকে 
নামানো হয় ত্রিপালখুঁটিদড়াদঁড়ি। সামিয়ানার মতো টাঙিয়ে, কার্পেট
পেতে চলে বসার আয়োজ। রান্নার আয়োজনে লেগে যায় কতক। কার ও গিটারে টুং টাং সূরের মুর্ছনা। জমে যায় আড্ডা, হৈ- হুল্লুর, বাচ্চারা নেমে যায় পানিতেনাচা নাচি করতে থাকে তাদের মন ভরে, বড়রা ও নেমে পরে বল নিয়ে পানিতে ,
কেও বা আবার বরসি নিয়ে যায় মাছ ধরতে, গাছগাছালির বনে, পাহাড়ের ঢালে ছুটে যায় অনেকে। আনন্দে সবাই আটখানা,
আজ হারিয়ে যেতে নেইমানা। আচার-আচরণে সকলেই ফিরে তাকায়, হারিয়ে যায় শৈশবে। খুঁজেফিরে, আজ আমাদের ছুটি ও ভাই আজ আমাদের ছুটি, কি করি আজ ভেবে না পাই, পথ হারিয়ে কোন বনে যাই, অমন অনাবিল আনন্দের দিনগুলো। পাহাড়ে চড়ে, বন বাদারে ঘুরে, ছোট্ট হ্রদের স্বচ্ছ জলে ডুব-সাঁতার খেলে ক্লান্ত-শ্রান্ত সবাই। তখন চলে ভোজন-আয়োজন। কার্পেটে পলিথিনের ফরাশ পেতে বসি সবাই। ততক্ষণে রাজ্যের ক্ষুধায় অস্থির আমরা। আর বেনা কেন, সেইব কখন থেকেই বাসমতি চালের পোলাও, খাসির রেজালা, মাছ ভাজিশুঁটকির ভর্তা, কাট জ্বালিয়ে বেগুণ পুঁইয়ে ভর্তা, মুরগির ঝাল- কারির ঘ্রাণ নাকে ঢুঁ-মেরে যাচ্ছে থেকে থেকে। সুজন- সখাদের রান্না, ভোজন হয় অসাধারণ। পেট পুরে খেয়ে, মন ভরে পেপসি- সেভেনআপ পান করে মহাতৃপ্ত আমরা সকলে। পরন্ত বিকেলে সুরের ভূবন, সাংস্কৃতিক আয়োজন। কৌতুক বলে হাসায় কেহকেহ করেন একক অভিনয়, কবিতা আবৃত্তি। ভাবীরা বসে বালিশ খেলায়অতঃপর চলে গান। সুরের মূর্ছনা ছিল, ছিল বেসুরো কন্ঠের আবেগ ঘন পরিবেশনা। মোটের উপর সবার অংশগ্রহ ণই অনন্দময় করে তোলেবনভোজন। আনন্দঘন এ আয়োজনে নেতৃ স্থানীয়রা হচ্ছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন, আলমগির হোসেন, বাহার উদ্দিন বকুল,হানিস সরকার, আল মামুন শিপন, গাজী শাহেদ রতন, রঞ্জু আহমেদ, আনোয়ার জাহিদ, জাহাঙ্গীর সরকারহারুন, আমির উদ্দিন আহমেদ, বোরহান সহ আরও অনেকে।  সবমিলিয়ে তারুণ্যের উদ্বীপনায় ভেসে, হেসে- খেলে, খেয়ে- গেয়ে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে। সময় হয় ফিরে যাবার, অসাধারণ একটি বনভোজন! সবার ভাবনায়- ফিরে আসবো আবার, আসবো বার বার।

ইমদাদুর রহমান ইমদাদ,সিলেটঃ কক্সবাজার বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পর্যটন কেন্দ্র। বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্র সৈকত এই কক্সবাজারে অবস্থিত। দেশী বিদেশী অসংখ্য পর্যটকরা এই সমুদ্র সৈকত দেখতে আসেন। বিস্তীর্ণ বেলাভুমি, সারি সারি ঝাউবন, সৈকতে আছড়ে পড়া বিশাল ঢেউ, সমুদ্রে চলা মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলার, সকাল বেলা পাহাড় ভেদ করে রক্তবর্ণের থালার মতো সুর্য উদয়, সন্ধ্যায় দিগন্তে সুর্যাস্তের মায়াবী আলো এসব সৌন্দর্যের পসরা নিয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ - পূর্ব উপকুলে রচনা করেছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। কক্সবাজার তার নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের জন্য বিখ্যাত। 

সমুদ্রকে ভালবেসে বার বার কাছে ছুটে যেতে আমার মতো অনেকেরই মন চায়। কেননা সমুদ্রের বিশালতা আমাদের মনকে বিশাল করে। নীলের বৈচিত্র্য মুগ্ধ করে মনকে। স্বচ্ছ জলরাশি  আমাদের ভাবতে বাধ্য করে, আমি কোথায়? স্বর্গে না কি পৃথিবীতে? দীর্ঘ গরমের তীব্র তাপ কাটিয়ে শিশির ভেজা ঘাস যখন স্নিগ্ধ মিষ্টি সুবাস ঠান্ডা হাওয়া, কুয়াশার আভাস জানান দিচ্ছে চলে এসেছে শীত। ঠিক এমনই সময়ে রোটার‍্যাক্টরা মেতে উঠেন বিভিন্ন আনন্দ আয়োজনে। এরই ধারাবাহিকতায় রোটার‍্যাক্ট জেলা সংঘঠন ৩২৮২ বাংলাদেশ এর সকল রোটার‍্যাক্টরা মেতে ওঠেছিলেন পিকনিক ও সমুদ্র সৈকত ভ্রমণে।

রোটার‍্যাক্ট জেলা সংগঠন ৩২৮২ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে গত ২২ডিসেম্বর ২০১৬ ইংরেজী তারিখে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার কবিতা চত্বর স্থানে অনুষ্ঠিত হয় ৪র্থ রোটার‍্যাক্ট ডিসট্রিক্ট পিকনিক "জয়আস ১৬।" এতে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগ, জেলা, উপজেলা থেকে আগত রোটার‍্যাক্টদের উপস্থিতিতে  মিলনমেলায় মুখরিত হয়ে উঠে লাল-নীল আলোর অতিশবাশীর শহর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। এতে অনেক মহিলারাও অংশ নেন।
সিলেট রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল ১০ টায় ট্রেন যোগে রওয়ানা দেন সিলেটের রোটার‍্যাক্টরা। প্রায় ১২ ঘন্টা জার্নির পর চট্রগ্রামে পৌঁছে ৪৫ মিনিট বিরতি দিয়ে সেখান থেকে বাস যোগে আরো প্রায় ৩ ঘন্টা পর গন্তব্যস্থলে পৌঁছান। যাত্রার শুরুতে শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানিয়ে কতিপয় দিক নির্দেশনা ও পরামর্শ তুলে ধরেন এ ডি আর আর রোটারেক্টর এস রহমান সায়েফ, জেলা সেক্রেটারি রোঃ মিনহাজুল আবেদীন, মঞ্জুর আহমদ, কো- অডিনেটর রোঃ আবুল হোসেন , শিশির সরকার প্রমুখ।
লং জার্নির সময় ট্রেনে আনন্দ দিতে গান
, কৌতুক, অভিনয় করে মাতিয়ে রাখেন রোটারেক্টর মাহবুব কামালী, রোঃ ইমদাদুর রহমান ইমদাদ, রোঃ এনামুল হক, রোঃ উবায়েদ আহমদ সায়মন, রোঃ আবদুল্লাহ রহমান, রোঃ সুমন চক্রবর্তী ও রোঃ রিজু। টানা ১৫ ঘণ্টা লং জার্নি শেষে রাত ৪ টায় গন্তব্যস্থলে পৌঁছে স্থানীয় একটি ভাড়াটে হোটেলে আমরা অবকাশ যাপন করি । হোটেলে রাত্রিযাপন করে পরদিন সকাল ৮ টায় ঘুম থেকে উঠে রেস্টুরেন্টে সকালের নাস্তা শেষে বেরিয়ে পড়ি দিগন্ত বিস্তৃত নীল সমুদ্র, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে। উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে সকাল ১০ টায় কবিতা চত্বরে শুরু হয় কালচার প্রোগ্রাম ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ডি.আর.আর শাহ জুনেদ আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ডি.আর.সি.সি রোটারীয়ান আলী আজম চৌধুরী তমাল, রোটারিয়ান মোস্তফা আশরাফুল ইসলাম আলভীআই.পি.ডি.আর মোঃ সাজ্জাদ, ডিসট্রিক্ট ফাউন্ডেশনের মেম্বার রোঃ ইমরান চৌধুরী, এ.ডি.আর.আর রোঃ মোঃ হাফিজুল হক, রোঃ এস রহমান সায়েফ, রোঃ জিয়া উদ্দিন হায়দার শাকিল, রোঃ শরিফুল ইসলাম অপু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ডি আর সিসি কর্তৃক বেষ্ট রোটারেক্ট, বেষ্ট প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি ও কো-এডিটর নির্বাচিত করা হয়। এবং বিভিন্ন ক্লাবকে বেষ্ট রেজিস্ট্রেশন এওয়ার্ড প্রদান করা হয়। সিলেটের বেষ্ট রোটারেক্টর নির্বাচিত হন রোটার‍্যাক্টর আবু বশর শাকু। এবং বেষ্ট প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব সিলেট পাইনিওয়ারে সভাপতি রোঃ খয়রুল ইসলাম এবং রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব সিলেট সেন্ট্রাল এর সভাপতি রোঃ শাহ আল আমিন। বেষ্ট সেক্রেটারি নির্বাচিত হন রোঃ মঞ্জুর আহমদ এবং বেষ্ট কো-এডিটর নির্বাচিত হন রোঃ আবুল হোসাইন ও রোঃ শিশির সরকার। অনুষ্ঠানে ছেলে মেয়েদের জন্য বিভিন্ন ইভেন্ট এর আয়োজন করা হয়। ছেলেদের জন্য ছিল দৌড় ও রশি টান প্রতিযোগিতা। রশি টান প্রতিযোগিতায় সিলেট, চিটাগাং, কুমিল্লা ও ফেনী জেলা অংশ গ্রহণ করে। টানটান উত্তেজনায় খেলার ফাইনালে সিলেট তাদের নিজস্ব শক্তি সামর্থ্য দেখিয়ে ফেনী জেলাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ার গৌরব অর্জন করেন। খেলা শেষে ভ্রমণ পিপাসু অংশকারীরা সমুদ্র সৈকতে দুপুরের খাওয়া-দাওয়া করেন। খাওয়া শেষে অনেকেই আনন্দ মনে মোঠোফোনের সাহায্যে বারবার সেলফী তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এর পর শুরু হয় সমুদ্র তীরে, জ্যোৎস্নার ঝিকিমিকি বালুকার চরে, লবণাক্ত পানিতে সাঁতার কাটা, হৈ হুল্লোড়, হ্যান্ডবল খেলা ও গ্রুপ ছবি তোলা। দিনব্যাপী সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণ ও পিকনিকের আনন্দ উপভোগ করতে করতে যখন সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে তখন শুরু হয় সূর্যের লুকোচুরি দেখার দৃশ্য। সূর্য তার সব রুপ বৈচিত্র্য নিয়ে হেলে পড়ে সাগর পাড়ে। সূর্যাস্তের এই দৃশ্যটি খুবই চমৎকার। সত্যিই এই সময়টি স্মরণীয় হয়ে থাকবে চিরকাল। 
এবার ঘরে ফিরার পালা। আনন্দে আতঙ্কে, নিশি নন্দনে, উৎসবে উল্লাসে, সাগরের উত্তাল ঢেউ আর লাল নীল সূর্যের আয়নাবাজী দেখতে দেখতে ফিরতে হলো হোটেলে। মন তখনো মগ্ন। ফিরতে চায়না যান্ত্রিক শহরে। ঘরে ফেরা সবার অন্তরে তখন  উচ্চারিত হয়েছিল, "এমন যদি হতোআমি উড়ে উড়ে বেড়াই সারাক্ষণ, পাখির মতো। "


লেখকঃ রোটারেক্টর ইমদাদুর রহমান ইমদাদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট ছাত্র ও যুব কল্যাণ ফেডারেশন। উড়াল সংযোগ +8801753496830 তারিখঃ ২১ জানুয়ারী ২০১৭।

রনি মোহাম্মদ : সুইজারল্যান্ড ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এই সফরকে ঘিরে ইউরোপ বিএনপি নেতৃবৃন্দ  সকাল থেকে নির্ধারিত কনফারেন্স হলের সামনে বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। কালো পতাকা, বিভিন্ন প্লে কার্ড প্রদর্শন সহ স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত ছিল।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে লাইভ সম্প্রচারের মাধ্যমে প্রতিবাদ মুখর সুইজারল্যান্ড চিত্র দেখা গেছে। এসময় বর্তমান সরকার বিরোধী নানা শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে গোটা এলাকা। বিশাল বিক্ষোভের মধ্যে দিয়ে সুইজারল্যান্ড ডাবসে ওয়ার্ড ইকনোমিক ফোরাম যোগ দেন শেখ হাসিনা।


বিক্ষোভ সমাবেশে বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এ সালাম, সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক, সুইডেন বিএনপির উপদেষ্টা জিন্টু আহমেদ, জার্মান বিএনপির সভাপতি আকুল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক গনি সরকার, যুগ্ম-সম্পাদক মুস্তাক খান,আন্তর্জাতিক বিষয়কসম্পাদক শরিয়ত খান বেলজিয়াম বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন বাবু, রাকিব হাসান প্রধান, যোসেফ দাশগুপ্ত, আবু বক্কর ফারুক, ফ্রান্স বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইফুল সাধারণ সম্পাদক এম এ তাহের, অষ্ট্রিয়া বিএনপির সভাপতি নেয়ামুল বশির, সাধারণ সম্পাদক হানিফ ভুইয়া। সুইডেন বিএনপির সভাপতি এমদাদ হোসেন কচি সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আবেদীন মোহন ডেনমার্ক বিএনপির সভাপতি গাজী মনির সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক ইতালী বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সাধারণ সম্পাদক ঢালী নাসির উদ্দিন হলান্ড বিএনপির সভাপতি শরিফ উদ্দীন সুইজারল্যান্ড বিএনপির সভাপতি আনোয়ার শেখ সাধারণ সম্পাদক কবির মোল্লা ফিনল্যান্ড বিএনপির সভাপতি কামরুল হাসান জনি জামান সরকার মিজানুর রহমান মিঠু ইউকে জাতীয়তাবাদী ফোরাম এর সভাপতি হাসনাত করিম রিপন অষ্ট্রিয়া বিএনপি নেতা পলাশ রহমান হেলাল উদ্দিন যুক্তরাজ্য সেচ্ছাসেবক দলের সদস সচিব আবুল হোসেন অষ্ট্রিয়া ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি মাইদুল মিয়া সাধারণ  সম্পাদক শামসুজ্জামান চৌ: শাহীন ও সহ-সভাপতি জামাল হোসেন  সাংস্কৃতিক সম্পাদক সারোয়ার হোসেন,সিনিয়র সদস্য রুবেল মিয়া,ছাত্রদল নেতা বুলবুল, দিদার বেপারী, সাজ্জাদ,আকমল,নেয়ামত, দুলাল,ইমন, সুমন, আজিজ, অনিক,সাগর সহ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ইউরোপের যুবদল,ছাত্রদল স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেত্রীবৃন্দরা অংশনেয়। 

রনি মোহাম্মদ : ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম এর আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে বাংলাদেশ সরকার এর মাননীয়  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডাব্লিউইএফ) ৪৭তম বার্ষিক সভায় যোগ দিতে পাঁচ দিনের সরকারি সফরে সোমবার সুইজারল্যান্ড পৌঁছেছেন।

ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের (ডাব্লিউইএফ) নির্বাহী চেয়ারম্যান প্রফেসর ক্লাউস সোয়াবের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম বাংলাদেশী নির্বাচিত নেতা হিসেবে এই ফোরামে যোগ দিতে যাচ্ছেন।
সুইজারল্যান্ডের পূর্বাঞ্চলীয় আল্পস অঞ্চলে গ্রাউবান্ডেনে পার্বত্য রিসোর্ট ডাভোসে আগামী ১৭ থেকে ২০ জানুয়ারি চার দিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে- প্রতিবেদনশীল এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্ব
প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী ইতিহাদ এয়ার ওয়েজের ফ্লাইট সকাল ৬টা ০৬ মিনিটে (স্থানীয় সময়) জুরিখ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে।
সুইজারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি শামিম আহ্সান বিমান বন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।
সুইজারল্যান্ড সফরকালে তিনি  সিলভ্রেটা পার্ক হোটেলেই অবস্থান করবেন। ডাভোস যাবার পথে শেখ হাসিনা সংযুক্ত আরব আমীরাতের আবুধাবি আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে প্রায় এক ঘন্টা ২০ মিনিট যাত্রা বিরতি করেন। 

এর পরে ডাভোস শহরের সিলভেটরা পার্ক হোটেল এ পৌঁছলে সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ এর সভাপতি অনিল দাশ গুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক এম এ গনি এর নেতৃত্বে ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ এর সভাপতি সুলতান শরীফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম হক, নজরুল ইসলাম জার্মান আওয়ামী লীগ এর সভাপতি এ কে এম বশিরুল আলম চৌধুরী সাবু, ফ্রান্স আওয়ামী লীগ এর সাবেক সভাপতি বেনজির আহমেদ সেলিম, সভাপতি এম এ কাশেম, সাধারণ সম্পাদক মুজিবর রহমান, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, সুইডেন আওয়ামী লীগ এর যুগ্ম আহবায়ক মনজুরুল  হাসান, সিরাজুল রানা  ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমান, শফিকুল আলম লিটন, হেদায়েতুল ইসলাম, স্পেন আওয়ামীলীগের পরিশ্রমী নেতা রিজভী আলম, সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম, হারুন রশিদ ব্যাপারী, জাহানারা বাশার, নজরুল জমাদ্দার, আমজাদ চৌধুরী প্রমুখ।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget