শতাধিক আসন দাবি ১৪ দলের শরিকদের

জনপ্রিয় অনলাইন : আগামী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ১৪ দলের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগের কাছে শতাধিক আসন দাবি করবে জোটটির শরিক দলগুলো। ইতিমধ্যে জোটের বেশির ভাগ শরিক তাদের প্রার্থী তালিকা তৈরি করেছে। অন্তত তিনটি দল আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কাজের সঙ্গে যুক্ত একাধিক গ্রুপের কাছে নিজেদের প্রার্থী তালিকা জমা দিয়েছে। অন্য শরিকদের প্রার্থী তালিকাও চূড়ান্ত হওয়ার পথে রয়েছে। ১৪ দলের শরিক দলগুলোর সঙ্গে কথা বলে এমনটা জানা গেছে।
তবে ক্ষমতাসীন জোটের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগের নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সূত্রগুলো জানিয়েছে, শরিকদের মধ্যে চারটি দলের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। জোট শরিকদের সর্বোচ্চ ১৫টি আসন ছেড়ে দেবে আওয়ামী লীগ।
১৪ দলের শরিক দলগুলোর নেতারা জানান, আগামী নির্বাচনে আসন বণ্টন নিয়ে জোটগতভাবে এখনো কাজ শুরু হয়নি। তবে নির্বাচনের আগে মাঠ জরিপের জন্য আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের তত্ত্বাবধানে যে গ্রুপগুলো কাজ করছে তাদের কাছে প্রার্থী তালিকা দিয়েছে তিনটি দল। অন্য দলগুলোও শিগগির তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করবে। আগামী নির্বাচনে জাসদ (ইনু) ১৫টি, ওয়ার্কার্স পার্টি ১৫টি, জাসদ (আম্বিয়া) ১২-১৫টি, তরীকত ফেডারেশন ৩০টি, জাতীয় পার্টি জেপি ২০টি, ন্যাপ ৪-৬টি, গণতন্ত্রী পার্টি ১০টি, সাম্যবাদী দল তিনটি, কমিউনিস্ট কেন্দ্র দুটি, বাসদ (রেজা) ১৫-২০টি আসন দাবি করবে আওয়ামী লীগের কাছে।
আওয়ামী লীগ বাদে ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে ওয়ার্কার্স পার্টির সংসদ সদস্যের সংখ্যা এখন সবচেয়ে বেশি। বর্তমান সংসদে একজন সংরক্ষিত নারী সদস্যসহ মোট সাতজন সংসদ সদস্য রয়েছেন দলটির। গত নির্বাচনে চারটি আসনে ১৪ দলের মনোনয়ন পেয়ে চারটিতেই জয় পায় ওয়ার্কার্স পার্টি। এর বাইরে এককভাবে দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে আরো দুটি আসনে জয় পায় দলটি। আগামী নির্বাচনে ওয়ার্কার্স পার্টি ৩০টি আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।  
ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক বলেন, আমরা আমাদের তালিকা প্রণয়ন করেছি। তা যথাযথভাবে সংশ্লিষ্ট জায়গায় পৌঁছেও দিয়েছি। তবে সেখান থেকে এখনো কোনো ফিডব্যাক আসেনি।
ওয়ার্কার্স পার্টির একটি সূত্র জানায়, দলটির পক্ষ থেকে ১৫ জনের একটি তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। তালিকায় বর্তমানে দলটির ছয়জন সংসদ সদস্যঢাকা-৮ আসনে রাশেদ খান মেনন, রাজশাহী-২ আসনে ফজলে হোসেন বাদশা, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ইয়াছিন আলী, নড়াইল-২ আসনে শেখ হাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা-১ আসনে মোস্তফা লুত্ফুল্লাহ ও বরিশাল-৩ আসনে টিপু সুলতানের জন্য মনোনয়ন চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মেহেরপুরে নূর আহমেদ বকুল, গাইবান্ধায় আমিনুল ইসলাম গোলাপ এবং দিনাজপুরের চিরিরবন্দর, নাটোরের লালপুর-বাগাতিপাড়া, রংপুর, যশোর, খুলনা, বরিশালের একাধিক আসন স্থান পেয়েছে ওয়ার্কার্স পার্টির তালিকায়।
বিগত সংসদ নির্বাচনের পরে জাসদ দুটি পৃথক দলে বিভক্ত হয়ে গেছে। একটির নেতৃত্বে আছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও আরেকটির সভাপতি শরিফ নুরুল আম্বিয়া। গত নির্বাচনে অবিভক্ত জাসদ চারটি আসনে ১৪ দলের মনোনয়ন পায়। এর মধ্যে তিনটিতে জয় পায় দলটি। জোটের বাইরে দলীয় মশাল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে আরো দুটি আসনে জয় পায় জাসদ। একজন নারী সংসদ সদস্যসহ বর্তমানে সংসদে জাসদের ছয়টি আসন রয়েছে।
এদের মধ্যে ইনুর নেতৃত্বাধীন জাসদে তিনজন ও আম্বিয়ার নেতৃত্বাধীন জাসদে দুজন সংসদ সদস্য রয়েছেন। অন্য এক সংসদ সদস্য দল ভাঙার পরে এখনো তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করেননি। দুই পক্ষের সঙ্গেই তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। ফলে এবারের নির্বাচনে দুই জাসদের মনোনয়ন তালিকাতেই ওই সংসদ সদস্যের নাম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন জাসদের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই ১৫ জনের একটি তালিকা করা হয়েছে। এ তালিকায় কুষ্টিয়া-২ আসনে হাসানুল হক ইনু, বগুড়া-৪ আসনে রেজাউল করিম তানসেন, ফেনী-১ আসনে শিরীন আখতার, ঢাকা-১৩ আসনে নাদের চৌধুরী, নরসিংদী-২ আসনে জায়েদুল কবির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে শাহ জিকরুল আহমেদ, মানিকগঞ্জ-১ আসনে আফজাল হোসেন খান জকি, পটুয়াখালী-১ অথবা ৩ আসনে হাবিবুর রহমান শওকত চট্টগ্রাম-৩ আসনে নুরুল আখতারসহ মোট ১৫ জনের নাম রয়েছে।
অন্যদিকে আম্বিয়ার নেতৃত্বাধীন জাসদের প্রার্থী তালিকা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। জানতে চাইলে শরিফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, আমাদের প্রার্থী তালিকা তৈরির কাজ চলছে। ১২-১৫টি আসনে আমরা মনোনয়ন চাইব। তবে বিষয়টি আমাদের দলের বৈঠকে চূড়ান্ত হবে।
তবে দলটির একটি সূত্র জানায়, নড়াইল-১ আসনে শরিফ নুরুল আম্বিয়া, চট্টগ্রাম-৮ আসনে মঈন উদ্দীন খান বাদল, পঞ্চগড়-১ আসনে নাজমুল হক প্রধান, বরিশাল-২ আসনে আবুল কালাম আজাদ বাদল, বরিশাল-৬ আসনে মোহাম্মদ মহসীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জে) আসনে হোসাইন আহমেদ তফছিরসহ আরো ১২-১৫টি আসনে জোটের মনোনয়ন চাওয়া হতে পারে।
এবারের সংসদে আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি-জেপির দুজন সংসদ সদস্য রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শুধু আনোয়ার হোসেন মঞ্জু জোটের মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন। অন্যজন আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য হন।
জেপির সূত্রগুলো জানায়, গত নির্বাচনে জেপির পক্ষ থেকে কোনো আসন দাবি করা হয়নি। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা, জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলামের মধ্যে একটি বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে জেপিকে একটি আসন দেওয়া হয়। কিন্তু এবার দলটির পক্ষ থেকে অন্তত ২০টি আসন দাবি করা হবে।
জানতে চাইলে জেপির প্রেসিডিয়াম সদস্য এজাজ আহমেদ মুক্তা বলেন, আমাদের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মিলিয়ে অন্তত ২০ জন যোগ্য প্রার্থী আছেন। আমাদের দলের মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলামকে গতবার মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। এবারে আমাদের অনেক প্রার্থীই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বেশ কয়েকটি জেলায় আমাদের খুবই ভালো প্রার্থী রয়েছেন।
জেপির একটি সূত্র জানায়, এ দলের পক্ষ থেকে পিরোজপুর-২ আসনে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে রুহুল আমিন, শেরপুরে সাবেক সংসদ সদস্য শাহ রফিকুল বারী চৌধুরী, কক্সবাজারে সাবেক জেলা পরিষদ প্রশাসক সালাউদ্দিন মাহমুদ, বান্দরবানে নাসির উদ্দিন, বগুড়ায় সাবেক জেলা পরিষদ প্রশাসক আমিনুর রহমান মিন্টুসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের জন্য আসন দাবি করা হবে। চলতি মাসেই জেপির প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হবে।
এবারের সংসদে ১৪ দলের শরিক তরীকত ফেডারেশনের দুজন সংসদ সদস্য রয়েছেন। গতবার ১২টি আসন দাবি করে দুটি আসনে জোটের মনোনয়ন পেয়েছিল তরীকত ফেডারেশন। এবারে দলটির পক্ষ থেকে ৩০ জনের মনোনয়ন চাওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী বলেন, আমরা যে তালিকা জমা দিয়েছি তার মধ্যে অন্তত ১২-১৫ জন জেতার মতো প্রার্থী রয়েছেন। তাঁরা জোটের মনোনয়ন পেলেই নির্বাচনে জয়লাভ করবেন।
নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী জানান, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুষ্টিয়া, পাবনা, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, ফরিদপুর, যশোর, রংপুর, লালমনিরহাট, খুলনা মহানগর, বাগেরহাট, পটুয়াখালীসহ আরো কয়েকটি জেলার আসন স্থান পেয়েছে তরীকত ফেডারেশনের তালিকায়।
সাবেক মন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়ার নেতৃত্বাধীন সাম্যবাদী দল গত নির্বাচনে তিনটি আসন দাবি করেছিল। কিন্তু একটিতেও জোটের মনোনয়ন পায়নি দলটি। এবার তারা পাঁচটি আসনে মনোনয়ন চাইবে।
জানতে চাইলে সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া বলেন, মনোনয়নের বিষয়ে এখনো জোটগত কোনো আলোচনা হয়নি। আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হলে আমরা পাঁচটি আসন দাবি করব।
কমিউনিস্ট কেন্দ্র গত নির্বাচনে তিনটি আসন চেয়েছিল কিন্তু একটিতেও জোটের মনোনয়ন পায়নি। এবার তারা ঢাকা, টাঙ্গাইল অথবা গোপালগঞ্জ জেলা থেকে দুটি আসন দাবি করবে বলে জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক অসিত বরণ রায়।
গণতন্ত্রী পার্টি গতবার পাঁচটি আসন দাবি করলেও একটিতেও মনোনয়ন পায়নি। এবার দলটির ১০টি আসন দাবি করার সম্ভাবনা রয়েছে। গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বলেন, চলতি জুলাই মাসেই আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে আসন দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। তবে ইতিমধ্যে আমাদের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরুর নির্দেশনা দিয়েছি। জোটের মনোনয়ন না পেলেও অন্তত ১০টি আসনে আমাদের প্রার্থীরা এককভাবে নির্বাচন করবেন।
গত নির্বাচনে পাঁচটি আসন দাবি করেছিল ১৪ দলের আরেক শরিক ন্যাপ। কিন্তু একটিতেও তারা মনোনয়ন পায়নি। বর্তমান সংসদে তাদের সংরক্ষিত আসনের একজন সংসদ সদস্য রয়েছেন। আগামী নির্বাচনে দলটি পাঁচটি আসন দাবি করতে পারে। জানতে চাইলে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন  বলেন, আমাদের প্রার্থী তালিকা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। শিগগির আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।
ন্যাপের সূত্রগুলো জানায়, দিনাজপুরে সাবেক সংসদ সদস্য লুত্ফর রহমান চৌধুরী, কুমিল্লার দেবিদ্বারে বর্তমানে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আমিনা আহমেদ, কুমিল্লা সদরে গোলাম ফারুক, সাতক্ষীরায় কাজী সাইদুর রহমান, সুনামগঞ্জে আবিদ আলী, খুলনায় ফজলুর রহমান, চুয়াডাঙ্গায় মনিরুজ্জামানের জন্য আসন দাবি করবে ন্যাপ।
১৪ দলের আরেক শরিক বাসদ গত নির্বাচনে ১৮টি আসন দাবি করলেও একটিতেও মনোনয়ন পায়নি। এবার তারা ১৫-২০টি আসন দাবি করবে বলে জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক রেজাউর রশীদ খান।
১৪ দলের সূত্রগুলো জানায়, জোটের অন্য দুই শরিক গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি ও গণআজাদী লীগের পক্ষ থেকেও বেশ কয়েকটি আসন দাবি করা হবে।
১৪ দলের শরিকদের আসন দাবির প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড ও দলটির সভাপতিমণ্ডলীর একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শরিকরা বরাবরই অনেক বেশি আসন দাবি করে থাকে। তবে বাস্তবতাটাও তারা বুঝবে বলেই আমার বিশ্বাস। আগামী নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। সে নির্বাচনে আমাদের মহাজোটগতভাবেই অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সে ক্ষেত্রে জাতীয় পার্টিকেও অনেকগুলো আসন ছাড় দিতে হবে। ১৪ দলের শরিকদের প্রার্থীদের মধ্যে যাদের জয়ের সম্ভাবনা আছে কেবল তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া হবে। এ সংখ্যা ১৫-এর বেশি হবে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই নেতা আরো বলেন, ১৪ দলের মধ্যে দুই জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টিকে হয়তো ৮-১০ আসন দেওয়া হবে। জেপি, তরীকত ফেডারেশন এবং অন্য সব দল মিলিয়ে পাঁচটি আসন পেতে পারে। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিবেন।
গত নির্বাচনে ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে চারটি দল ১১টি আসনে জোটের মনোনয়ন পায়। জাসদ চার, ওয়ার্কার্স পার্টি চার, জেপি এক ও তরীকত ফেডারেশন দুটি আসনে জোটের মনোনয়ন পায়। এবারে শতাধিক আসন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১৫টির বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। চাওয়া ও পাওয়ার এমন ব্যবধানের বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, গতবার আমরা ১০টা চেয়েছিলাম চারটা পেয়েছি। আমাদের চাওয়া-পাওয়ার ব্যবধান কম। এ ছাড়া গতবার এককভাবে নির্বাচন করেও দুটিতে জিতেছি। এবারে আমরা কমপক্ষে ১২টি আসন পাব বলে আশা করি।
ন্যাপের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বলেন, রাজনীতি হলো বাস্তবতা বোঝার বিষয়। বাস্তবতার মধ্যে থেকে দাবি জানালে হয়তো চাওয়া-পাওয়ার ব্যবধান থাকত না।

তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী বলেন, আমরা আমাদের দাবি জানাব। সিদ্ধান্ত দেবেন জোটনেত্রী শেখ হাসিনা। উনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন আমরা তা মেনে নেব।

Post a Comment

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget