ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবস পালন ও স্বাধীনতা কন্সার্ট

সফিউল সাফি,কোপেনহেগেনঃ ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খোকন মজুমদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের সঞ্ছারনায়  আলোচনা সভা ও স্বাধীনতা কন্সার্ট ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের    মাধ্যমে  ২৬  মার্চ   মহান স্বাধীনতা দিবস পালন করেছেন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান শুরুতে  হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান, জাতীয় চারনেতা, ভাষা শহীদ , ১৯৭৫এর ১৫ই আগস্ট শহীদ  ও  মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

স্বাধীনতা কন্সার্ট সঙ্গীত পরিবেশন করেন ফ্রান্স থেকে আগত বাংলাদেশ বংশোঁদ্ভুত  কণ্ঠ শিল্পী তাহসিন মাহফারা সহ স্থানীয় শিল্পীবৃন্দ।  আলোচনা অনুষ্ঠানে  বাংলাদেশ থেকে মঠোফনের মাধমে বক্তব্য  ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা মজুমদার বাচ্চু ,আলোচনা অনুষ্ঠানে   বক্তব্য রাখেন  ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের  ভারপ্রাপ্ত সভাপতিঃ খোকন মজুমদার, সাধারণ  সম্পাদক মাহবুবুর রহমান,সহসভাপতিঃ নাসির উদ্দিন সরকার,মোহাম্মদ সহিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ  সফিউল সাফি,ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের    উপদেষ্টা মাহবুবুল হক ,রাফায়েত হোসেন মিঠুরিয়াজুল হাসনাত রুবেল, সাবেক ছাত্রনেতা ফজলে এলাহি জুয়েল   ও  বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ডেনমার্ক শাখার যুগ্ম সম্পাদক ফজলে রাব্বি  , বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ডেনমার্ক শাখার সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদকঃ বদরুল আলম রনি।   
 
বক্তারা বলেনঃ লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত জাতীয় দিবস আজ। ২৬ র্মাচ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক রক্তাক্ত আনন্দের নাম। ২৬ মার্চ বিশ্বের বুকে লাল সবুজের পতাকা ওড়ানোর দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ঘুমন্ত নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। বাঙালির স্বাধীকার আন্দোলন, এমনকি জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলে প্রাপ্ত আইনসঙ্গত অধিকারকেও রক্তের বন্যায় ডুবিয়ে দিতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী শুরু করেছিল সারাদেশে গণহত্যা। সেইরাতে হানাদাররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল, ইকবাল হল, রোকেয়া হল, শিক্ষকদের বাসা, পিলখানার ইপিআর সদরদপ্তর, রাজারবাগ পুলিশ লাইনে একযোগে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে হত্যা করে অগণিত নিরস্ত্র দেশপ্রেমিক ও দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের।২৫ মার্চ দিবাগত রাত  ১২টা ২০  মিনটে  বঙ্গবন্ধুর  স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে লিখে গেছেন যেটা আপনারা  সমাপ্ত আত্মজীবনীর ২৯৯ পৃষ্ঠায় পাবেন।
ঘোষণাটা ছিল এমনঃ "This may be my last message, from today Bangladesh is Independent. I call upon the people of Bangladesh wherever you might be and with whatever you have, to resist the army of occupation to the last. এর বাংলা অনুবাদ দাঁড়ায় এমন: এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। বাংলাদেশের জনগণ, তোমরা যে যেখানেই আছ এবং যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শেষ পর্যন্ত দখলদার সৈন্য বাহিনীকে প্রতিরোধ করার জন্য আমি তোমাদের আহ্বান জানাচ্ছি।

এটাই ইতিহাস কিন্তু আমরা  খুব অভাগা  জাতি  সঠিক ইতিহাসটাও  আমাদের জানতে দেয়া হয় নাই ২১ টি বছর , মুক্তি্যোদ্ধের ইতিহাসকে  কালে কালে করেছিল বিকৃত।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও  জননেত্রী  যদি ক্ষমতায় না আসতো   মুক্তি্যোদ্ধের ইতিহাস বইয়ের ভিতরে আবদ্ধ  থাকত।  ধিক্কার জানাই  স্বাধীনতার ঘোষণার , মুক্তিযোদ্ধের দল  দাবিদার দল যখন এই গনহত্যার  নিয়ে  নিশ্চুপ  থাকে।  কিন্তু  না তারা  নিশ্চুপ  থাকে না তারা প্রশ্ন তোলে বাংলার স্বাধীনতা কে নিয়ে ,মুক্তিযোদ্ধের শহীদের সংখ্যা নিয়ে, আর প্রতিনিয়ত ব্যস্ত থাকে মুক্তি্যোদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করারা জন্য। একটা আইন করা হোক যার মাধ্যমে মক্তিযোদ্ধ, শহীদের সংখ্যা নিয়ে কোনও বিতরক করা যাবেন না। ২৬ মার্চ ১৯৭১ সন্ধ্যাবেলায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে ৮৭০ কিলোওয়াট ট্রান্সমিটার থেকে এই বেতারকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ ও ২৫শে মার্চ ১৯৭১-এ পাঠানো স্বাধীনতার ঘোষণাভিত্তিক তারবার্তার আদলে স্বাধীনতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কিত অনুষ্ঠান ২৬শে মার্চ ১৯৭১ কালুরঘাট থেকে সম্প্রচার করেন এম এ হান্নান, সুলতানুল আলম, বেলাল মোহাম্মদ, আবদুল্লাহ্ আল ফারুক, আবুল কাশেম সন্দ্বীপ, কবি আবদুস সালাম এবং মাহমুদ হাসান। এ সময় তারা বারবার বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়া বার্তা পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেনঃযুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ  নাইম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম টিটুএবং সাংগঠনিক সম্পাদকঃ সরদার সাইদুর রহমান, গোলাম  কিবরিয়া  শামিম, মোহাম্মদ সেলিম , আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ রাসেল, অভিবাসন বিষয়ক সম্পাদকঃ আরিফুল হক আরিফ,কৃষি বিষয়ক সম্পাদকঃ সাজ্জাদ হোসেন,তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদকঃ সম্রাট ,ত্রাণ ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদকঃ ইউসুফ আহম্মেদ,সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ কোহিনুর আক্তার মুকুল, ধর্ম-বিষয়ক সম্পাদকঃ কচি মিয়া,প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকঃ নীরু সুমন,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকঃ কামরুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকঃ রেজাউল হক রেজা,মহিলা বিষয়ক সম্পাদকঃ তানিয়া সুলতানা চাপা,যুব ও ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদকঃ মোহাম্মদ সেলিম,শিক্ষা ও মানব বিষয়ক সম্পাদকঃ নাজিম উদ্দিন খান,শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদকঃ মোতালেব হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদকঃ গোলাম রাব্বি,সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ লায়লা আক্তার সীমা,স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদকঃ সামছু উদ্দিন,দপ্তর সম্পাদকঃ দেবাসীষ দাস,প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকঃ নয়ন,কার্যকরী কমিটির সদস্য , মোসাদ্দিকুর রহমান রাসেল, রনি, ওমর,আমির জীবন , ফজলে রাব্বি , সামসুল আলম, সোহেল আহমেদ, সাফায়েত অন্তর, শামীম খান ,তাসবির হোসেন,মাঞ্জুর আহমেদ মামুন, মনসর আহমেদ, মোহাম্মাদ ইউসুফ, মাসুম বিল্লাহ, শাওন রহমান , সাইদুর রহমান, নাজমুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, হাসান শাহীন, তুহীন, আরিফুল হক আরিফ, আজাদুর রহমান, রাজ্জাক, নাজমুল হোসেন, দোলন, সহ সকল নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত নেতৃবৃন্দদের   সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজের   মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি করা হয়। ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ উদ্যোগে  "মহান স্বাধীনতা দিবস "  পালন ও  সফল করতে সার্বিক সহযোগিতা করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ডেনমার্ক শাখা, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ডেনমার্ক শাখা ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ডেনমার্ক শাখার  নেতৃবৃন্দ।

Post a Comment

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget