পর্তুগালে গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস পালন

সেলিম উদ্দিন,পর্তুগাল : ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালো রাতে বর্বরতার শিকার শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্যে দিয়ে গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবসটির মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর গণহত্যা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ এবং নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী। দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব ও দূতাবাসের প্রধান হাসান আব্দুল্লাহ তৌহিদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে , পর্তুগাল আওয়ামী লীগের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় পুর্তগাল আওয়ামীলীগের সভাপতি জহিরুল আলম জসিম, সাধারণ সম্পাদক শওকত ওসমান, পর্তুগাল বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ এসোসিয়েশনের সভাপতি রানা তসলিম উদ্দিন, পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মিয়া ফরহাদ, দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ কমিউনিটির পর্তু নর্থ সভাপতি ফারুক আহমদ, বাংলাদেশ কমিউনিটির পর্তু নর্থ সাধারণ সম্পাদক কাজল আহমেদ সহ অনেকেই গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন. পর্তুগাল আওয়ামীলীগ জহিরুল আলম জসিম বলেন -পাইকারি এই গণহত্যার স্বীকৃতি খোদ পাকিস্তান সরকার প্রকাশিত দলিলেও রয়েছে।
পূর্ব পাকিস্তনের সঙ্কট সম্পর্কে যে শ্বেতপত্র পাকিস্তানি সরকার মুক্তিযুদ্ব চলাকালে প্রকাশ করেছিল
, তাতে বলা হয়, ১৯৭১ সালের পয়লা মার্চ থেকে ২৫ মার্চ রাত পর্যন্ত এক লাখেরও বেশী মানুষের জীবননাশ হয়েছিল। সাধারণ সম্পাদক শওকত ওসমান বলেন -শহীদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিশ্বের সামনে ন্যায় বিচারের দাবি তুলে ধরতে প্রবাস থেকে গণ আন্দোলনের আহ্বান জানান উপস্থিত নেতৃবৃন্দের প্রতি। বাংলাদেশ এসোসিয়েশন পর্তু নর্থ এর সভাপতি ফারুক আহমেদ মনে করেন প্রবাসে গণহত্যা দিবস পালনের মাধ্যমে সারা পৃথিবী ১৯৭১ এর প্রকৃত ঘটনা জানতে পারবে। রাষ্টদূত মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী সমাপনী বক্তব্যে বলেন দৃশ্যমানভাবে এবং অনুভবে ঐ দিন ছিল লক্ষ মানুষের মৃত্যু, ধ্বংস এবং সর্বোপরি স্বপ্নভঙ্গের দিন। এর প্রভাব রয়ে যায় প্রায় এক কোটি পরিবারের জীবন প্রবাহে। চুড়ান্ত বিচারে ঐ ২৫ মার্চের আঘাতটি ছিল মানুষের জীবনের ন্যায্য অধিকারের প্রতি, মানব মর্যাদার প্রতি, স্বাধীন সত্তা-সংশ্লিষ্ট চিরন্তন আকাঙক্ষার প্রতি নিষ্ঠুরতম আঘাত।দেশে দেশে ঘটে যাওয়া সভ্যতাবিনাশী, মর্যাদাবিধ্বংসী এমন নিষ্ঠুর ও ভয়াবহ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের জন্যই ২৫ মার্চের মতো দিনগুলো স্মরণীয় করে রাখা প্রয়োজন।
এটি স্মরণ করতে হবে এই কারণে যাতে এমন দিন আর কখনও ফিরে না আসে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্তিত ছিলেন কমিনিউটি ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব লেহাজ উদ্দিন
,পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি পনির আজমল,সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ খাঁন,গ্রীস আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান মোল্লা,আবু সাঈদ,রেজাউল বাসেদ,মামুনুর রশিদ ,মুহিবুর রহমান মুকিত,আইয়ুব খাঁন,শফিউল আলম কাজী বাপ্পী ,মামুন,,সহ পর্তুগাল আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ।

Post a Comment

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget