2016-11-06

এনায়েত হোসেন সোহেল,প্যারিস,ফ্রান্স : ফ্রান্সের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে বাংলাদেশের ব্রাহ্মনবাড়িয়ার নাসিরনগরসহ বিভিন্ন স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর বর্বরোচিত হামলা, সহিংসতা,ঘর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ১০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর সমালোচনা করে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তাদের ব্যর্থতা প্রমাণ করেছে তারা জেনে বুঝে নীরব থেকেছেন। বক্তারা এই নারকীয় ঘটনায় ব্যর্থ প্রশাসনের বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন। 

একই সাথে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে এই ঘটনার দায় তারা এড়াতে পারেন না বলে উল্লেখ করেন এবং প্রকৃত হামলাকারী ও উস্কানীদাতাদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি ও পশু সম্পদ মন্ত্রীর অপসারনের দাবী জানান।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন প্যারিস, ফ্রান্স ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্ঠান ঐক্য পরিষদ ফ্রান্স শাখার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জ্যোতিষ দেবনাথ অজয় দাস, বিমল দাস, প্রকাশ কুমার বিশ্বাস, গীতন চৌধুরী, করুনা রায়, বাসু বনিক, শ্যামল দাশ সানি, সুবল দেব, মন্টু দেব, সুমন দেব, রাধা কান্ত দেব, দুলাল চন্দ্র, পুলক দে, উত্তম পাল, নন্দন ধর, ঝন্টু দাশ, সুমা দাস, শিল্পী দাস, বিভা রানী বিশ্বাস, শ্যামল কান্তি দাস প্রমুখ।

মানববন্ধন চলাকালে এ সময় বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর মধ্যযুগীয় কায়দায় হামলা, লুটপাট ও বাড়ি ঘরে অগ্নি সংযোগের ছবিসংযুক্ত প্লেকার্ড, ব্যানার, পোষ্টার হাতে পুরুষ, মহিলা ও শিশুরা বিক্ষোভ করেন এবং মুহুর্মুহু শ্লোগান দিতে থাকেন। সেই সাথে প্রচন্ড শীত ও বৃস্টি উপেক্ষা করে এসময় ফ্রান্সের গণতন্ত্র চত্বরে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন বিদেশী গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সুফিয়ান আহমদ, বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ নিজ ভুমিতে হাজারো মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হলেন সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ। সদ্য সমাপ্ত দলীয় কাউন্সিলে তিনি আওয়ামীলীগের শীর্ষ এ পদে আসিন হওয়ার পর সোমবার বিয়ানীবাজার সফরে এলে হাজার হাজার মানুষ তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। তাঁর সম্মানে আয়োজিত বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগের গণসমাবেশেও প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা  মন্ত্রীদের মধ্য থেকে একমাত্র আমাকেই দলের শীর্ষ এ পদে টেনে নিয়েছেন। জনসভায় শিক্ষামন্ত্রী  বলেন, আপনারা ভালোবাসা দিয়ে আমাকে তৈরী করেছেন তাই আমি সর্বক্ষেত্রে সম্মানীত হচ্ছি। তিনি তার এই অর্জন নির্বাচনী এলাকার মানুষের প্রতি উৎসর্গ করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বিয়ানীবাজার উপজেলার উন্নয়নের কথা আবারও স্মরণ করে দিয়ে বলেন, সর্ব ক্ষেত্রে দেশের অন্যান্য এলাকার উন্নয়নের চেয়ে বিয়ানীবাজার গোলাপগঞ্জ এলাকার উন্নয়ন বেশি হচ্ছে। তিনি বিয়ানীবাজার উপজেলার একটি বিদ্যালয়কে অল্প দিনের মধ্যেই সরকারী করণের ঘোষণা দেন।
মন্ত্রী নাহিদ বিয়ানীবাজার পৌরসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালত পৌরসভা নির্বাচনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এলাকার উন্নয়নে নির্বাচিত প্রতিনিধির বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে নির্বাচন হতে আর কোন বাধা নেই। তাই নির্বাচিত প্রতিনিধি দায়িত্বে এলে এখানের উন্নয়ন আরো ত্বরান্বিত হবে।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাছিব মনিয়া’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান খাঁনের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খাঁন,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি হারুন হেলাল চৌধুরী, আব্দুল আহাদ কলা, ময়নুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন মাখন, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বাবুল ও জাকির হোসেন,প্রচার সম্পাদক হারুনুর রশীদ দিপু, সহ-দপ্তর সম্পাদক দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবাদ আহমদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস শুক্কুর, চারখাই ইউপি চেয়ারম্যান মাহমদ আলী, দুবাগ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম. মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এম এ কাদির, অধ্যাপক আব্দুল খালিকসহ আরো অনেকে।

সমাবেশের পর শিক্ষামন্ত্রী কসবা গ্রামস্থ তাঁর পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন। এসময় উপজেলা,পৌর আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় অনলাইন : ২৪ ঘন্টাও হয়নি, যে কথা বলে ক্ষমতায় এসেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, সেটাই তুলে দেয়া হলো ডোনাল্ড জে ট্রাম্পের ওয়েবসাইট থেকে। 

একদিকে হিন্দু প্রীতি অন্যদিকে মুসলিম ঘৃণা, ভোট যুদ্ধের আগে এটাই ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের 'নীতি'। ধর্মকে কাজে লাগিয়ে ভোট জেতার পরই সহৃদয় হলেন ট্রাম্প! ক্ষমতায় আসলে 'আমেরিকাতে মুসলিমদের ব্যান' করে দেবেন, এই নীতি থেকে সরে কী তবে সাম্যতার পথেই হাঁটতে চলেছেন আমেরিকার নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প? এই উত্তর দিতে পারে একমাত্র সময়ই।
ভোটের আগে বিশ্ব সন্ত্রাসের জন্য সরাসরি মুসলিমদেরই দায়ী করেছিলেন ট্রাম্প। এমনকি আমেরিকাকে 'মুসলিম ফ্রি' করার ডাকও শোনা যায় তার মুখে।
তবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে জয়ের পর হাঁটলেন উল্টোপথেই। ট্রাম্পের ওয়েবসাইট থেকেই তুলে দেয়া হলো, 'মুসলিম ব্যান' শব্দ।

জনপ্রিয় অনলাইন : যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রাথমিক ফলাফলে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর বিশ্বনেতারা তাঁকে অভিনন্দন জানানো শুরু করেন। অভিনন্দন বার্তায় প্রায় সবাই নতুন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করলেও কেউ কেউ আবার আশঙ্কাও প্রকাশ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের চির প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অভিনন্দন জানিয়েছেন ট্রাম্পকে। তিনি দুই দেশের মধ্যে গঠনমূলক সংলাপ প্রত্যাশা করেন। দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়নে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। অভিনন্দন বার্তায় পুতিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে সংকটপূর্ণ অবস্থা কাটিতে উঠতে দুই দেশই কাজ করবে বলে তিনি আশা করেন।
রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ দুমার স্পিকারও নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আরও বেশি গঠনমূলক আলোচনা সম্ভব বলে আশা প্রকাশ করেন।
ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রণব মুখার্জি বলেন, এই জয় দু দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। আর টুইটারে মোদি বলেন, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আমরা ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছি। আপনার নির্বাচনী প্রচারে ভারতের প্রতি যে বন্ধুত্ব দেখিয়েছেন, আমরা তার প্রশংসা করি। যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫ তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় আপনাকে (ডোনাল্ড ট্রাম্প) অভিনন্দন।
ট্রাম্পের বিজয়কে ঐতিহাসিক জয় বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। ট্রাম্পের এই জয় আমেরিকানদের জয় এবং গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও মুক্ত বাণিজ্যের ওপর তাদের স্থায়ী আস্থার জয়। তিনি বলেন, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে। যার মূলে রয়েছে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বার্থের মিল।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান ফেদেরিকা মোগেরিনি বলেন, ট্রাম্পের জয়ের পরও ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করে যাবে। টুইটারে তিনি লিখেছেন, রাজনীতিতে যেকোনো ধরনের পরিবর্তনের চেয়ে ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধন অটুট। ইউরোপের শক্তি আবিষ্কার করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করে যাব।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট মার্টিন শুলজ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের বিজয় আমাদের কাজকে কঠিন করে তুলবে। তিনি ইউরোপ ওয়ান রেডিওকে বলেন, আগের প্রশাসকদের তুলনায় তাঁর সঙ্গে কাজ করা কঠিন থেকে কঠিনতর হবে। যাই হোক তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।
ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক আশা করেন।
তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইদিরিম বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকা তুরস্কের ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনকে ফেরত দিলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের এক নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন নতুন নেতাকে। আশা করেন, এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বহাল থাকবে। এক বিবৃতিতে আবে বলেন, আমি আপনার বিজয়ে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের স্থায়িত্ব, যা বিশ্ব অর্থনীতি, শান্তি ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। তাঁর কার্যালয় ট্রাম্পের প্রতি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে শান্তিপূর্ণ উপায়ে ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান অস্থিরতার অবসান ঘটাতে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদেইনা এএফপিকে বলেন, দুই দেশের মধ্যকার সমস্যার সমাধানকল্পে আমরা মার্কিন নতুন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।
ফিলিস্তিনের কট্টর ইসলামপন্থী সংগঠন হামাস জানিয়েছে, ফিলিস্তিনের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষপাত নীতি পরিবর্তন হবে বলে তারা আশা করে না।
হামাসের মুখপাত্র সামি আবু জুহরি এএফপিকে বলেন, ফিলিস্তিনি লোকজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে কোনো ধরনের পরিবর্তনের আশা করেন না। কারণ, ফিলিস্তিন ইস্যুতে মার্কিন নীতি সব সময়ই পক্ষপাতমূলক।
এ ছাড়া ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতেরতে ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। বলেছেন, ফিলিপাইন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নে ট্রাম্প একসঙ্গে কাজ করবেন বলে তিনি আশা করেন।

সূত্র : প্রথম আলো

এনায়েত হোসেন সোহেল,প্যারিস,ফ্রান্স : বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে প্যারিসের বিলবিলের পিরণিতে ফ্যাশন হাউস রিভলি ষ্টোরের উদ্বোধন করা হয়েছে। 

গত ৬ই নভেম্বর বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল হোসেন। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে প্রথম বারের মতো বাংলাদেশী ফ্যাশন হাউস রিভলি স্টোরের উদ্বোধন উপলক্ষে এক অনাড়ম্ভর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার মিনা গোমেজের সভাপতিত্বে ও মাইকেল সুমনের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইপিবিএ ফ্রান্সের সভাপতি ফারুক খান,সাংস্মৃতিক ব্যক্তিত্ব ইবনে সোহেল,বিকশিত নারী সংঘ ফ্রান্সের সভানেত্রী তৌফিকা শাহেদ, বাবু খান, হেলাল উদ্দিন, সুস্ময় শরীফ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার বৃষ্টি ও মিষ্টি। এ সময় বক্তারা বলেন, সাহিত্য সংস্কৃতি ও ফ্যাশনের লীলাভূমি ফ্রান্সের প্যারিসে এই প্রথম কোনো বাংলাদেশী প্রবাসীর দ্বারা ফ্যাশন হাউস নতুন দিগন্তের সূচনা করলো। আমাদের বিশ্বাস এ ধারা অব্যাহত থাকলে এবং বাংলাদেশী প্রবাসীদের সার্বিক সহযোগিতা থাকলে বাংলাদেশী ডিজাইন তথা কাপড়ের সুনাম বিস্তার করে আমাদের অর্থনীতিতে আরো ব্যাপক আকারে ভূমিকা পালন করা যাবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ সময় প্যারিসে বসবাসরত বাংলাদেশী কমিউনিটির বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় অনলাইন : লিবিয়া থেকে ভূ-মধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইতালি যাত্রার প্রাক্বালে লিবিয়ান কোস্ট গার্ডের কাছে ৩৭ জন বাংলাদেশী কর্মীসহ তিন শতাধিক অভিবাসন প্রত্যাশী আটক হন। 

লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশী দূতাবাসের অফিসিয়াল পেইজে ছবিসহ এ তথ্য জানানো হয়।আটককৃত সকল অভিবাসন প্রত্যাশীকে লিবিয়ার গারিয়ান শহরের উপকূলে আল-হামরা (রাজধানী হতে ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণে) ডিটেনশন সেন্টারে অন্তরীন রাখা হয়েছে। দূতাবাস হতে গত ০৭ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে একটি প্রতিনিধি দল উক্ত সেন্টারে পরিদর্শনে যায়।


পরিদর্শনের সময় আটককৃতদের সাথে সাক্ষাতকালে জানা যায় যে, তাদের অধিকাংশই অতি সম্প্রতি মানব পাচার কারীদের মাধ্যমে লিবিয়ায় প্রবেশ করেন। দূতাবাস হতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপক্রমে আটককৃত ৩৭ জন বাংলাদেশীকে প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় অনলাইন : আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল আর আলোচিত নির্বাচন শেষে দেশটির ৪৫তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকা ও বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তার আলাদা ধরণের দৃষ্টিভঙ্গি নিজের দল রিপাবলিকান পার্টি, আমেরিকা এবং বিশ্বে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

নির্বাচনী প্রচারণার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প যেসব ঘোষণা দিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সেগুলো যদি তিনি বাস্তবায়ন করেন, তাহলে কয়েকটি ক্ষেত্রে বিশ্বের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের পরিবর্তন ঘটাতে পারে। তার প্রধান পাঁচটি এখানে উল্লেখ করা হলো।
মুক্ত বাণিজ্য
নির্বাচনের আগে যেভাবে ঘোষণা দিয়েছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি সেভাবেই তার বাণিজ্য নীতি অনুসরণ করেন, তাহলে এখন যেভাবে আমেরিকা বিশ্বের সঙ্গে ব্যবসা বাণিজ্য করে, তা পাল্টে যাবে। তিনি বেশ কয়েকটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন। যার মধ্যে কানাডা আর মেক্সিকোর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যের বিষয়গুলোও রয়েছে। এমনকি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা থেকেও আমেরিকাকে প্রত্যাহারের ঘোষণা তিনি দিয়ে রেখেছেন।
জলবায়ু পরিবর্তন
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি নির্বাচিত হলে প্যারিস জলবায়ু পরিবর্তন চুক্তিটি বাতিল করবেন। এমনকি জাতিসংঘের জলবায়ু তহবিলে যুক্তরাষ্ট্রের সব অনুদান দেয়াও বন্ধ করবেন। কোন একক দেশ এই চুক্তিটি হয়তো বাতিল করতে পারে না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র যদি নিজেদের সরিয়ে নেয়, তাহলে তা প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন অসম্ভব করে তুলবে।
সীমান্ত বন্ধ
মেক্সিকোর সঙ্গে একটি সীমান্ত দেয়াল তুলে দেয়া এবং আমেরিকা থেকে ১ কোটি ১০ লাখের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে বের করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও তিনি পরে বলেছেন, আগে লাখ লাখ অপরাধীকে বের করে দেয়া হবে। পরে অন্যদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। কয়েকটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশ নিষিদ্ধেরও তিনি পক্ষে। যদিও নির্বাচনী প্রচারণার সময় দেয়া এসব ঘোষণা যদি তিনি বাস্তবায়ন করতেও চান, তা তার জন্য কঠিন হবে।
নেটো
নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা নেটোর সমালোচনা করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এটি এখন মেয়াদোর্তীণ হয়ে গেছে। নেটোর সহযোগী দেশগুলো থেকে নেটোতে যে অর্থ আসার কথা, সেটি আসছে না। বরং তারা আমেরিকার সামরিক সুবিধা ভোগ করছে। তাই তাদের উপযুক্ত অর্থ নেটোতে দিতে হবে, না হলে আমেরিকান সেনা সরিয়ে নেয়া উচিত বলেও তিনি মনে করেন। কিন্তু সেটি করা হলে আমেরিকার ষাট বছরের দীর্ঘ এই সামরিক জোটে বড় পরিবর্তন আসবে।
রাশিয়া
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রশংসা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরো সহজ করতে পারবেন বলে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দুই দেশের অবস্থান কি হবে, তা পরিষ্কার করেননি। কিন্তু তার কথায় পরিষ্কার, রাশিয়া যদি যুক্তিসঙ্গত আচরণ করে, তাহলে তার ভূমিকা বারাক ওবামা বা হিলারি ক্লিনটনের চেয়ে ভালো হবে।

সুত্র : বিবিসি ।

জনপ্রিয় অনলাইন : ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রায়ই বলতে শোনা যায় যে, তার মা মেরি আন্নে নি মাকলেওদ যুক্তরাষ্ট্রে ঘুরতে গিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবিকতা আসলে ভিন্ন। মায়ের সম্পর্কে মিথ্যা বলেছেন ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নথিপত্রের তথ্য অনুযায়ী, তিনি অভিবাসী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন এবং সেখানে স্থায়ীভাবে থাকার ইচ্ছা ছিল মেরি আন্নের। চরম দারিদ্র আর হতাশার জীবন থেকে বাঁচতে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হিসেবে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি।
১৯৩০ সালে মাত্র ৫০ ডলার নিয়ে নিউ ইয়র্কে পৌঁছান মেরি আন্নে। সেখানে গৃহকর্মী হিসেবে নাম লেখান তিনি। এরপর ১৯৩৯ সালে ট্রাম্পের বাবা ফ্রেডের সঙ্গে বিয়ে হয় মেরি আন্নের। সেসময় একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে বেশ পরিচিত ছিলেন ফ্রেড।

যেখানে ট্রাম্পের মা নিজেই একজন অভিবাসী ছিলেন সেখানে নির্বাচনী প্রচারণায় বার বার কঠোর অবস্থানে ছিলেন ট্রাম্প। অভিবাসী হিসেবে ট্রাম্পের মা যদি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে না পারতেন তবে আজ ট্রাম্পই বা প্রেসিডেন্ট হতেন কিভাবে? তাই প্রেসিডেন্ট যখন হয়েই গেলেন তখন নিজের অতীত ইতিহাস ঘেঁটে ট্রাম্পের উচিত অভিবাসীদের প্রতি একটু নমনীয় আচরণ করা।

জনপ্রিয় অনলা্ইন : ট্রাম্পের পারিবারিক জীবন নিয়ে অনেক কৌতুক আছে। এ কৌতুক সৃষ্টির জন্য তিনি নিজেই দায়ী। কারণ দাম্পত্যজীবন নিয়ে তিনি বিভিন্ন সময় হাস্যরস করেছেন, যা গণমাধ্যমে আলোচিত হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তার পারিবারিক জীবন নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হচ্ছে। তবে এসব খবরের অধিকাংশই ওপেন সিক্রেট। তিনবার বিয়ে করেছেন ট্রাম্প। স্ত্রীদের প্রত্যেকেই কখনো না কখনো মডেল বা অভিনেত্রী ছিলেন। এ থেকে অন্তত এ কথা বুঝে নিতে কষ্ট হয় না যে, সুন্দরী নারীদের প্রতি ট্রাম্পের আকর্ষণ সব সময়ই ছিল।
ট্রাম্পের প্রথম স্ত্রী ইভানা জেলনিকোভা। তিনি চেকোশ্লাভিয়ার নাগরিক। ছিলেন চেক অ্যাথলেট এবং জনপ্রিয় মডেল। ফ্যাশন মডেল হিসেবে নিউ ইয়র্কে ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয় তার। তিন স্ত্রীর মধ্যে ইভানাই ছিলেন ট্রাম্পের সবচেয়ে প্রিয়। এ কথা গণমাধ্যমে স্বীকারও করেছেন তিনি। ট্রাম্প ও ইভানার সংসারে আসে তিন সন্তান। তারা হলেন ট্রাম্প জুনিয়র, ইভাঙ্কা, এরিক। ১৯৯০ সালে ট্রাম্প ও ইভানার সংসার ভেঙে যায়।
তাদের বিচ্ছেদ নিয়ে পশ্চিমা গণমাধ্যমে রমরমা খবর প্রকাশিত হয়। ইভানা সে সময় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন, ট্রাম্প তাকে যৌন নির্যাতন করেছেন। তা ছাড়া সুনাম ক্ষুণ্নেরও অভিযোগ আনেন তিনি। যদিও ইভানা এসব অভিযোগ পরে অস্বীকার করে বলেছিলেন, গণমাধ্যমের খবর ভুয়া ও ভিত্তিহীন। তবে ট্রাম্পের জীবনে দারুণ প্রভাব ছিল বড় বউ ইভানা জেলনিকোভার। ট্রাম্পের প্রতিষ্ঠান ট্রাম্প অরগানাইজেশন-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে ট্রাম্পকে প্রভাবিত করতেন।
ট্রাম্পের অর্জিত সম্পদের বড় একটি অংশ ব্যয় হয়েছে তার প্রথম দুই স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটাতে। নিউ ইয়র্কে অর্থশালী হিসেবে নামডাক ছিল ট্রাম্পের। বিয়েতে যেমন খরচ করেছেন, সম্পর্ক ভাঙতেও তাকে তেমনি অর্থ গুনতে হয়েছে। জেলনিকোভার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ১৯৯৩ সালে আবার বিয়ে করেন ট্রাম্প। আগের বারের মতো দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন আরেক জনপ্রিয় মডেলকে। মডেল মার্লা ম্যাপলসের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন ট্রাম্প। তাদের ঘর আলোকিত করে আসে কন্যাসন্তান টিফানি ট্রাম্প। কিন্তু ছয় বছর যেতে না যেতেই অন্য নারীর প্রেমে মজেন ট্রাম্প। এর মধ্যে ছয় বছরের মাথায় ম্যাপলসের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় ট্রাম্পের। তবে এ জন্য দ্বিতীয় স্ত্রীকে দিতে ২০ লাখ ডলার।
প্রথম স্ত্রীকে প্রিয় হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও তৃতীয় স্ত্রী মেলানিয়া নাউসের সঙ্গে দারুণ সময় পার করছেন ট্রাম্প। সাড়া জাগানো মডেল মেলানিয়া নাউস। বেশ কিছু দিন প্রেম করার পর ২০১৫ সালে বিয়ে হয় তাদের। ট্রাম্প ও মেলানিয়ার বয়সের ব্যবধান ২০ বছর। তবু তাদের সংসার চলছে বহাল তবিয়তে। তাদের সংসারে এক সন্তান। নাম ব্যারন ট্রাম্প উইলিয়াম।
মজার ব্যাপার হলো ট্রাম্প ও মেলানিয়ার বিয়েতে অতিথি ছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও তার স্ত্রী ফার্স্ট লেডি হিলারি ক্লিনটন। ট্রাম্পের মতো তার সন্তানরাও ব্যবসা করে যাচ্ছেন। ট্রাম্প জুনিয়র, ইভাঙ্কা ও এরিক ট্রাম্প অরগানাইজেশনে সহ-সভাপতি হিসেবে কাজ করেন। তবে মূল দায়িত্ব নিজের কাঁধেই রেখেছেন ট্রাম্প।

ধনকুবের ট্রাম্প এখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। আগামী চার বছরের জন্য ট্রাম্পের পরিবার হবে প্রেসিডেন্ট পরিবার। হোয়াইট হাউসের বাসিন্দা হবেন ট্রাম্পের ছেলেমেয়েরা। ফার্স্ট লেডি হচ্ছেন মেলানিয়া নাউস। কারণ, তিনিই এখন ট্রাম্পের সঙ্গে আছেন।

জনপ্রিয় অনলাইন : শেষ হাসি ট্রাম্পেরই। অনেক জরিপের ফল ও বিশ্লেষকদের আভাস উল্টে দিয়ে হোয়াইট হাউসের উত্তরাধিকারী নির্বাচিত হলেন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী চার বছর বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পকেই বেছে নিল মার্কিন জনগণ। পরাজয় মেনে নিয়ে ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন হিলারি।

সিএনএনের দেওয়া তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত পাওয়া ভোটের ফলাফলে ট্রাম্প পেয়েছেন ২৮৯ ইলেকটোরাল কলেজ ভোট। আর হিলারি পেয়েছেন ২১৮টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট। সর্বমোট ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের মধ্যে প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য প্রয়োজন ২৭০ ভোট। পপুলার ভোটও বেশি পড়েছে ট্রাম্পের পক্ষে। তিনি পেয়েছেন পাঁচ কোটি ৮২ লাখ ১০ হাজার ৬৯৭ ভোট। আর হিলারি পেয়েছেন পাঁচ কোটি ৭৭ লাখ ৫৫ হাজার ৪৬৮ ভোট। প্রদত্ত ভোটের ৪৭ দশমিক ৮ শতাংশ পেয়েছেন ট্রাম্প। বিপরীতে হিলারি পেয়েছেন ৪৭ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট। বিভিন্ন সংস্থার জরিপে বলা হয়, এবারের নির্বাচনে প্রায় ৫৪ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়াও মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫ আসনের সবগুলোতে ও উচ্চকক্ষ সিনেটের ১০০ আসনের মধ্যে ৩৪ আসনের নির্বাচনে ভোট দেয় মার্কিনরা। ফলাফলে দেখা যায়, আগে থেকে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে থাকা প্রতিনিধি পরিষদ তাদের হাতেই থাকল। নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্যমতে, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানরা ২৩৬ আসন পেয়েছে। ডেমোক্র্যাটরা পেয়েছে ১৯১ আসন। আর সিনেটে রিপাবলিকানরা ৫১ আসন পেয়েছে। এখানে ডেমোক্র্যাটরা পেয়েছে ৪৭ আসন। প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পেতে প্রয়োজন হয় ২১৮ আসন। অন্যদিকে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পাওয়া যায় ৫১ আসন পেলেই। সব মিলিয়ে প্রেসিডেন্ট পদ, কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেট, নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদসবই পেলেন রিপাবলিকানরা।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্প আলাবামায় ৯, আরকানসাসে ৬, ফ্লোরিডায় ২৯, জর্জিয়ায় ১৬, আইডাহোতে ৪, ইন্ডিয়ানায় ১১, আইওয়াতে ৬, কানসাসে ৬, কেনটাকিতে ৮, লুইজিয়ানায় ৮, মিসিসিপিতে ৬, মিজৌরিতে ১০, মন্টানায় ৩, নেব্রাস্কায় ৫, নর্থ ক্যারোলাইনায় ১৫, নর্থ ডাকোটায় ৩, ওহাইওতে ১৮, ওকলাহোমায় ৭, সাউথ ক্যারোলাইনায় ৯, সাউথ ডাকোটায় ৩, টেনেসিতে ১১, টেক্সাসে ৩৮, ইউটাহতে ৬, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় ৫, ওয়াইওমিংয়ে ৩টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেয়েছেন।
এএফপি জানায়, হিলারি ক্যালিফোর্নিয়ায় ৫৫, কলোরাডোতে ৯, কানেটিকাটে ৭, ডেলাওয়ারে ৩, হাওয়াইতে ৪, ইলিনয়ে ২০, মেরিল্যান্ডে ১০, ম্যাসাচুসেটসে ১১, নিউজার্সিতে ১৪, নিউ মেক্সিকো ৫, নিউইয়র্কে ২৯, অরেগনে ৭, রোড আইল্যান্ডে ৪, ভারমন্টে ৩, ভার্জিনিয়ায় ১৩, ওয়াশিংটনে ১২, ওয়াশিংটন ডিসিতে ৩টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেয়েছেন।
ভোটের প্রাথমিক ফল প্রকাশের শুরু থেকেই ট্রাম্প ও হিলারি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছিল। তবে পরে অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যায়, হোয়াইট হাউসের উত্তরসুরি হচ্ছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই পূর্ণাঙ্গ ফল প্রকাশের আগেই হিলারির সমর্থকদের মুষড়ে পড়তে দেখা যায়। কাঁদতে দেখা যায় অনেক সমর্থককে। সিএনএন অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিউইয়র্কে হিলারির প্রচারণা সদর দপ্তরের পরিবেশ বদলে গেছে। তাঁর সমর্থকেরা কাঁদছেন। বিষণ্ন মনে অনেকে বাড়ি ফিরছেন।
নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরুর দিকে বেশির ভাগ জরিপেই এগিয়ে ছিলেন হিলারি। তবে নির্বাচনের দিনকয়েক আগে হিলারি-ট্রাম্প হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মেলে। একপর্যায়ে দু-একটি জরিপে এগিয়েও যান ট্রাম্প। তবে বেশির ভাগ বিশ্লেষকের রায় ছিল হিলারির পক্ষেই। কিন্তু সব হিসাব উল্টে দিয়ে অবিশ্বাস্য চমক দেখিয়ে জয় পেলেন ট্রাম্প।
পরাজয় মেনে নিলেন হিলারি:
সিএনএন জানায়, ট্রাম্পকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন হিলারি। জয়ের পর ট্রাম্প নিউইয়র্কে নিজের নির্বাচনী সদর দপ্তরে সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের শুরুতে হিলারি তাঁকে অভিনন্দন জানানোয় হিলারিকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বিভেদ ভুলে ঐক্যের ডাক দেন। বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সব মানুষের প্রেসিডেন্ট। এদিকে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে হিলারি ক্লিনটন কিছু বলবেন না বলে ডেমোক্রেটিক দলের প্রচার শিবিরের প্রধান জন পোদেস্তা জানিয়েছেন। তবে বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবেন হিলারি।

বিশ্ব নেতাদের অভিনন্দন:
ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন
গঠনমূলক সংলাপ প্রত্যাশা করেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান ফেদেরিকা মোগেরিনি বলেন, ট্রাম্পের জয়ের পরও ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করে যাবে। ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। তিনি দুই দেশের মধ্যকার সমস্যার সমাধানকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত আছেন বলে জানান।

সেলিম আলম,মাদ্রিদ : ঐতিহাসিক জেল হত্যা দিবস পালন করেছে স্পেন আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন। গতকাল মাদ্রিস্হ বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের হল রুমে শোকাবহ পরিবেশে দিবসটি পালন করেন দলটির নেতাকর্মীরা। 

সংগঠনের সাধারন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নয়নের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্পেন আওয়ামী লীগের ভার প্রাপ্ত  সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম সেলিম । বক্তারা বলেন,স্বাধীনতাবিরোধীরাই চার নেতাকে সেদিন হত্যা করেছিল। এ হত্যাকাণ্ড শুধু স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র নয়, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। দেশ স্বাধীনের পরও ষড়যন্ত্রকারীরা কতটা সক্রিয় ছিল বঙ্গবন্ধুর পর পঁচাত্তরে এ হত্যাকাণ্ড সেটিই প্রমাণ করে। বাংলাদেশিরা জাতির এ শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।  


ভারপ্রাপ্ত সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল কাইয়ুম সেলিম বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনিরা কারাগার প্রকোষ্ঠে আটক চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশদ্রোহীরা বাংলাদেশে স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তিকে একেবারে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তায় আবার বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতার চেতনা ফিরে পেয়েছে।     অতীতের সব ভেদাভেদ ভুলে আজ আমরা এক হয়েছি। এখন সময় সামনে এগোনোর। সময় হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাওয়ার।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন এ কে এম জহিরুল ইসলাম,ফয়জুর রহমান, আব্দুর রহমান,মামুন হাওলাদার,ইব্রাহিম খলিল, আবুল হুসেন, আমিনুল হক লুতফুর, অলিউর রহমান,রোহেল আহ্মেদ, আব্বাস উদ্দিন, আব্দুল মালেক,লুতফুর রহমান প্রমুখ।

সেলিম আলম,মাদ্রিদ : ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা ছিল আওয়ামীলীগ আর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।

স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির সেই ষড়যন্ত্রকে কাটিয়ে উঠে বাংলাদেশ এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে স্পেন আওয়ামীলীগ আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তারা একথাগুলো বলেন।

গত ৬ই নভেম্বর  মাদ্রিদে বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের হলরুমে আয়োজিত  এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন স্পেন আওয়ামীলীগ নেতা আক্তার হোসেন আতা। রিজভী আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান,   সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগ নেতা এস আই রবিন, জাকির হোসেন,আব্দুল গফুর ফরিদ, বদরুল ইসলাম মাস্টার, আক্তার হোসেন, আমিনুল হক লুতফুর, ফয়সল ইসলাম প্রমূখ। বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া জাতীয় এ চার নেতাকে কারাগারের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকাবস্থায় যেভাবে জঘন্য, নৃশংস ও বর্বরোচিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

 তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।আলোচনাসভা শেষে জাতীয় চার নেতার রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।  

অনলাইন ডেস্ক : সিলেট এমসি কলেজের ক্যান্সার আক্রান্ত অনার্স শেষ বর্ষের মেধাবী ছাত্র রোকনুজ্জামানের উন্নত চিকিৎসার জন্য কমিউনিটির মানুষের দানকৃত অর্থের তথ্য জানাতে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে যুক্তরাজ্যের অন্যতম বৃহত কমিউনিটি সংগঠন বিয়ানীবাজার উপজেলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে । সভায় জানানো রুকনুজ্জামানরের চিকিৎসার জন্য ফান্ড রাইজিং ডিনারের মাধ্যমে প্রায় একচল্লিশ হাজার পাউন্ডের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল । এর মধ্যে প্রায় ত্রিশ হাজার পাউন্ড পাওয়া গেছে । আশ্বাস কৃতবাকী ১০হাজার পাউন্ড অবিলম্বে সংগঠনের নেতৃবৃন্ধের নিকট প্রদানের জন্য সভায় অনরোধ জানানো হয়েছে ।

সোমবার ৭নভেম্বর পূর্বলন্ডনের বারাকা রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিয়ানীবাজার উপজেলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সভাপতি মুহিবুর রহমান মুহিব । সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের ট্রেজারার সাবেক কাউন্সিলার মামুনুর রশীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাহেদ আহমদ,বিভিন্ন কমিউনটি সংগঠনের প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর খান, মাসুদ আহমদ, কয়েছ আহমদ, শিহাব উদ্দিন কাজল, মাহবুব আহমদ, সাদিকুর রহমান বকুল, জসিম উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন দেলু, আতিক হোসেন, মিছবা রহমান, নজরুল ইসলাম, কামরুল হোসেন মুন্না, জুবের আহমদ, আলিম উদ্দিন ,আতিক হোসেন , আবু বকর খসরু প্রমুখ ।

সভায় সংগঠনের সভাপতি মুহিবুর রহমান জানান , আগামী সপ্তাহ তারা রুকনের চিকিৎসা সরজমিন পর্যালোচনা করতে ভারত যাচ্ছেন। সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন, জানান, রুকন বতর্মানে মোটামুটি ভাল আছেন। শীঘ্রই তার দেহে বনমেরু স্থাপন করা হবে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা আশা প্রকাশ করছেন, এটি স্থাপন করা হলে রুকনুজ্জামান সুস্থ হয়ে উঠবে। তিনি চিকিৎসার জন্য যারা দান করেছেন, তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

সেলিম আলম, মাদ্রিদ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল স্পেনের আহবায়ক কমিটির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে

সংগঠনের যুগ্ম আহবায়ক নুর হুসেন পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় বক্তারা বলেন সে দিন দেশে এ বিপ্লব না ঘটলে অন্যান্য রাজনৈতিক দল সহ আওয়ামীলীগ ও রাজনীতি করার সুযোগ পেতনা

গত নভেম্বর মাদ্রিদের বাংলাদেশ এসোসিয়েশন হলে তৃণমূল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের উপস্থিতিতে অনুষ্টিত সভা পরিচালনা করেন যুগ্ম আহবায়ক সুহেল ভুইয়া, প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের সাবেক সভাপতি খুরশেদ আলম মজুমদার বলেন, দেশ এখন খুবই সংকটময় সময় পার করছে,দেশ এবং বিদেশে জিয়ার সৈনিকেরা এক হয়ে কাজ করতে হবে 

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে প্রবাসে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে আর সে জন্য পুর্বের ন্যায় স্পেন বিএনপি কে আরো শক্তিশালী করে গঠন করতে হবে,তিনি মনে করেন অতি শীঘ্রই স্পেন বিএনপির নতুন কমিঠি গঠিত হবে। সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম পঙ্কি তার বক্তব্যে বলেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যে খানে তারেক রহমান ভ্রমন করতে পারেন সে সকল দেশে তিনি নিজেই কোটনৌতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য ঠিম গঠন করে কার্যক্রম চালানো হবে যাহাতে করে বাঙলার গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে ভুমিকা রাখবে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোজাম্মেল হুসেন মনু ,মিজানুর রহ্মান বিপ্লব,সৈয়দ মাসুদুর রহমান নাসিম, সুহেল আহমেদ সামসু ,তালাত মাহমুদ উজ্জ্বল, মোখলেচুর রহমান দিদার,ইবনে আল মাসুদ, রমিজ উদ্দিন, কাজী জসিম, আবু জাফর রাসেল, হুমায়ুন কবির রিগ্যান, সায়েদ মিয়া, তাজুল ইসলাম, সিপার আহ্মেদ, জাকির হুসেন, ছাইফুল আলম,এস এম আসলাম প্রমুখ বক্তারা বর্তমান সরকার কে দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেয়া এবং রাজনৈতিক হয়রানী, নির্যাতন, হত্যা ,ঘোম বন্ধের আহবান জানান,পরিশেষে সভায়  জিয়াউর রহমান ও তার পরিবারের মঙ্গল কামনা করেন সবাই

অনলাইন ডেস্ক : পুরুষত্বহীনতা বা পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় আয়ুর্বেদে মধুর ব্যবহার নতুন নয়। আয়ুর্বেদশাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে, মধু মিশিয়ে নিয়মিত এক গ্লাস করে দুধ খেলে স্পার্ম কাউন্ট শূন্য থেকে বেড়ে ৬ কোটি পর্যন্ত হতে পারে।

কীভাবে শুক্রাণু বাড়ে, সে উল্লেখও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দুধের মধ্যে থাকা ভিটামিন এ পুরুষ সেক্স হরমোনের পরিমাণ বাড়ায়। অন্যদিকে, মধুতে থাকা ভিটামিন ই ও জিঙ্ক সেক্স স্টিমুল্যান্ট হিসেবে কাজ করে পুরুষদের যৌনশক্তি বাড়ায়। অনলাইন এক সমীক্ষায় জানা গেছে, ১৮ থেকে ৫০-এর মধ্যে বয়স এমন ১০ শতাংশ পুরুষই লো স্পার্ম কাউন্টের শিকার। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ঘরোয়া বেশ কিছু উপায়ে শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ানো যায়। তবে, দুধ ও মধুই এর মধ্যে সহজলভ্য। এক গ্লাস দুধ ভালো করে ফুটিয়ে নিয়ে, তাতে মধু মিশিয়ে পান করতে হবে। নিয়মিত কিছুদিন খেলে বীর্যে স্বাস্থ্যকর শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়বে। এর বাইরেও যৌনশক্তি বাড়াতে চাইলে আরও কিছু ঘরোয়া দাওয়াই রয়েছে। রাতে শুতে যাওয়ার আগে দুতিন কোয়া রসুন মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন।
যে ১০টি কারণে শুক্রাণু কমতে পারে
১) শারীরিক ও মানসিক ধকল
২) অনিদ্রা
৩) কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করলে বা শুক্রাশয় গরম কিছুর সংস্পর্শে এলে
৪) জিঙ্কের ঘাটতি বা টক্সিক বেড়ে গেলে
৫) ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান
৬) ওবেসিটি বা স্থূলতা
৭) ক্যানসার
৮) বংশগতভাবে
৯) হরমোন সংক্রান্ত সমস্যা

১০) কিছু মেডিসিন ও স্টেরডের কারণেও পুরুষদের শুক্রাণু কমে ইনফার্টিলিটি দেখা দিতে পারে।

এনায়েত হোসেন সোহেল,প্যারিস,ফ্রান্স : ফ্রান্সে নানা কর্মসুচীর মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক জেল হত্যা দিবস পালিত হয়েছে । 

জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে গত ৬ অক্টবর  বিকালে ফ্রান্স আওয়ামীলীগ আয়োজিত প্যারিসের গার দো নর্দের ক্যাফে প্যারিজিয়ানে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। মহান চার নেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালনের মধ্যে দিয়ে ফ্রান্স আওয়ামীলীগের ধর্ম সম্পাদক সালেহ আহমদের পবিত্র কোরান তেলোয়াতের মধ্যে দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সভাপতি এমএ কাশেম। ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মুজিবের প্রাণবন্ত পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন,ফ্রান্স আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান ওয়াহিদ বার তাহের,সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ আবুল কাশেম,সহসভাপতি সোহরাব মৃর্ধা,সামাজিক উপদেষ্টা চেয়ারম্যান মিজান চৌধুরী মিন্টু,সহসভাপতি সাহেদ আলী,সৈয়দ ফয়সল ইকবাল হাসেমী,শুভ্রত ভট্রাচার্য্য শুভ,অবনী চন্দ্র গোপাল,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবি মোস্তফা হাসান,রানা চৌধুরী,নজরুল ইসলাম চৌধুরী,মাসুদ হায়দার,এমদাদুল হক স্বপন,ফয়সল উদ্দিন,নিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী হিরা,সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হোসেন,সৈয়দ রেজা শাকিল,খালেদ গোলাম কিবরিয়া,জহিরুল হক বিপ্লব,সেলিম উদ্দীন,আলী আহমেদ জুবের,প্রচার সম্পাদক আমিন খাঁন হাজারী,আন্তর্জাতিক সম্পাদক তাপস বড়ুয়া রিপন,মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম দুলাল,যুব সম্পাদক সোহেল আহমেদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সালেহ আহমেদ ও বাসু গোস্বামী,বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক কাউসার মোড়ল , স্বাস্হ্য বিষয়ক সম্পাদক মাসুম আহমেদ,কোষাধ্যক্ষ প্রদীপ চন্দ্র,জন সংযোগ সম্পাদক তাজ উদ্দিন,সহ দপ্তর সম্পাদক জাহেদ উর রশিদ,সহ মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক বেদার খাঁন,সহ শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবদুল মান্নান,সহ প্রচার সম্পাদক মহি উদ্দিন সোহেল,সহ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক বেলাল আহমেদ , কার্যকরী সদস্য আহমেদ হাসান,রেজাউল করিম রনি,ওমর ফারুক ও সাংবাদিক দেবেশ বড়ুয়া প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জাতীর জন্য এ দিনটি একটি কলঙ্কের দিন । এই কলঙ্কিত হত্যাকান্ডই প্রমাণ করে যে, বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। কারন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীরা ঠিকই জানত, এই চারজন যদি বেঁচে থাকেন তবে ঠিকই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিতে পারবে, যেমন তাঁরা দিয়েছিল ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে। তাই এদিনে দেশের চার নেতাকে হত্যা করে হত্যাকারীরা বাংলাদেশকে ধবংস করতে চেয়েছিল। এসময় বক্তারা দেশের সকল অশুভ শক্তিকে বিনাশ করে সত্য ও সুন্দর আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মানে সকলের অংশগ্রহনের আহবান জানান।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget