2016-10-30

আহমেদ হোসাইন,লিসবন,পর্তুগাল : ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট, জাতীর পিতাকে স্ব-পরিবারে হত্যার পর বাজ্ঞালী জাতীকে নেতৃত্ব শুন্য করার ঘৃন্য চক্রান্তের শিকার হয়ে ইতিহাসের বর্বর হত্যা কান্ডে নিহত হন বাংলার চার জাতীয় নেতা।

পৃথিবীর সভ্য দেশ গুলোর নিরাপদ জায়গা হলো জেলখানা,যেখানে অপরাধীরা ও নিরাপদ থাকে,অথচ পাকিস্তানী হায়েনাদের এজেন্ট এদেশী দালালরা বিপদগামী সেনা সদস্যদের মাধ্যমে,জেলখানার মত নিরাপদ জায়গায় প্রবেশ করে নিষ্টূরভাবে হত্যা করে, সৈয়দ নজরুল ইসলাম,তাজউদ্দীন আহমেদ,ক্যাপ্টেন মনছূর আলী,এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

এই চার জাতীয় বীর দের হত্যা কান্ড দিবসে তাদের প্রতি রইল গভীর স্রদ্ধা,ও ভালবাসা। ৩রা নভেম্বর জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়ছে।এতে সভাপত্বিত করেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সম্মানিত সভাপতি জহিরুল আলম জসিম এবং পরিচালনা করেন সাধারন সম্পাদক শওকত ওসমান। 

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি জনাব মিয়া ফরহাদ,সহ সভাপতি জনাব এম এ খালেক,সিনিয়র নেতা আবুল কালাম আজাদ,গ্রিস আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান,পর্তুগাল আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান মাসুদ,উদিয়মান আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ছাএ নেতা দেলোয়ার হোসাইন,আওয়ামী লীগ নেতা আইয়ুব খাঁন,জাকির হোসেন,সাবেক ছাএ নেতা বিতান বডুয়া ও সাবেক ছাত্র নেতা বেলাল সহ আরও অনেকে, এতে আর ও উপস্তিত ছিলেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি পনির আজমল,প্রচার সম্পাদক মজিবুর মোল্লা ,ত্রান পূনর্বাসন সম্পাদক বাদল,সহ অর্থ-সম্পাদক আফতাব ,সিনিয়র সদস্য জামাল ফকির,৩রা নভেম্বর জেল হত্যা দিবস উৎযাপন সর্বাত্বক সহযোগিতা করেন সাবেক ছাত্র নেতা সিলেটের কৃতি সন্তান জনাব শফিউল আলম শফি।ফাহিম,আমজাদ,সোহেল,সালাউদ্দিন ,হাসান,আরও অনেকে, এতে দোয়া পরিচালনা করেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সদস্য ফাহিম।এতে আর ও উপস্তিত ছিলেন সর্ব ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাব সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব সেলিম উদ্দিন ।

সুফিয়ান আহমদ, বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি : মাইক্রোতে বরযাত্রী উঠানোকে কেন্দ্র  করে বিয়ানীবাজারের পৌরশহরে  শ্রমিক ও গ্রামবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় বিয়ানীবাজার থানার ওসিসহ অন্তত: ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। 

বুধবার বিকেলে পৌরশহরের আলীশা কমিউনিটি সেন্টার ও  উত্তরবাজারে সংগঠিত এ সংঘর্ষে কয়েক রাউন্ড গুলি বিনিময়ের ঘটনাও ঘটে। এসময় বন্ধ হয়ে যায় সিলেট-বিয়ানীবাজার সড়কের যান চলাচল। যার ফলে সৃষ্টি হয় যানজটের। বন্ধ হয়ে যায় দোকানপাঠ। বুধবার বিকেলে সংঘর্ষের এঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পৌরশহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যেকোন সময় আবারো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। তবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পৌরশহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রাপ্ত সূত্রে জানা যায়, পৌরশহরের আলিশা কমিউনিটি সেন্টারে পৌরশহরের  শ্রীধরা গ্রামের বাসিন্দা মৃত বাবু মিয়ার মেয়ের বিয়ে অনুষ্টানের দিনক্ষণ ছিলো আজ বুধবার। এউপলক্ষে বরযাত্রীরা  নির্ধারিত সেন্টারে এসে  প্রীতিভোজ শেষে বাড়ি ফিরতে চান। এ সময় একটি মাইক্রোতে যাত্রী ওঠানোকে কেন্দ্র করে বড়লেখা উপজেলার সুড়িকান্দি গ্রামের বরের পিতা আব্দুল মতিনের সাথে কথা কাটাকাটি হয় চালক বাবুল আহমদের। তাদের উভয়ের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের একপর্যায়ে বরের পিতাকে মারধর করে চালক বাবুল। এসময় বর ও কনে পক্ষের কিছু লোকজন তাদের নিবৃত্ত করলেও বাবুল পৌরশহরের উত্তরবাজারে এসে তাকে মারধর করা হয়েছে মর্মে তাঁর সহকর্মী চালকদের অবহিত করলে তাদের অনেকেই বাবুলের সাথে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সেন্টারে যান। সেন্টারে গিয়েই তারা অতর্কিত হামলা করে সেন্টারে অবস্থানরত লোকজনের উপর। এসময় শ্রীধরা গ্রামের মুরুব্বী হাফিজ শামসুল হক (৫৬), আমান উদ্দিন (৪০), চেরাগ আলী (৪২) ও শাকিল (২০) গুরুত্বর আহত হন। বিয়ের আনুষ্টানিকতার শেষ পর্যায়ে চালকদের হামলায় গ্রামের মুরুব্বীসহ কয়েকজনের আহত হওয়ার খবর শ্রীধরা গ্রামে জানাজানি হলে তাৎক্ষণিক গ্রামের মসজিদের মাইকে বিষয়টি জানানো হয়। এরপরই গ্রামের লোকজন সেন্টারে যেতে উদ্যত হলে খবর পেয়ে হামলাকারীরা বাজারে চলে যায়। এরপর গ্রামবাসী পৌরশহরের উত্তরবাজারে পৌছামাত্র তাদের উপর ইটপাটকেল দিয়ে হামলা চালায় পরিবহণ শ্রমিকরা। শুরু হয় উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ। সংঘর্ষের সময় কয়েক রাউন্ড গুলি বিনিময়ের ঘটনাও ঘটে। এসময় পুলিশ লাটিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও এতে আহত হন বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী, আজিম (৩৫), সাইবুল (২৩), ফরহাদ (৩৪)সহ অন্তত: আরো ১২ জন । আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষ আবারো সংঘর্ষে জড়িয়ে পারতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পৌরশহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এব্যাপারে বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) এবিএম বদরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কেউ অভিযোগ করলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

জনপ্রিয় অনলাইন : আগামী সপ্তাহ থেকে নতুন বেনিফিট ক্যাপ বাস্তবায়ন শুরু হবে, যার ফলে ব্রিটেনের ৩০০,০০০ মতো শিশু আরো গরীব তথা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে, যাতে পরিবার প্রতি ১০০ পাউন্ড করে সপ্তাহে তারা হারাবেন- নতুন এক রিসার্চে এমন তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

সরকারের কাছে সেজন্য জরুরী ভিত্তিতে এই বেনিফিট ক্যাপ পূণর্বিবেচনার আহবান জানানো হয়েছে, না হলে অসংখ্য পরিবার ও শিশু আর্থিক ক্ষতি ও ঝুকির মুখে পড়বে।
গত বছর সাবেক চ্যান্সেলর জর্জ ওসবর্ন এই বেনিফিট ক্যাপের নীতি ঘোষণা করেছিলেন, যেখানে লন্ডনের ভিতরে একেবারে নীচের ক্যাপ ছিলো ২৩,০০০ পাউন্ড আয়, আর লন্ডনের বাইরে ছিলো ২০,০০০ পাউন্ড আয়, যা আগামী সোমবার আবশ্যিকভাবে থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে।
চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব হাউজিং ( সিআইএইচ) তাদের রিসার্চে অবগত হয়েছেন, নতুন বেনিফেট ক্যাপের ফলে হাজার হাজার পরিবার ক্ষতির সম্মুখীন শুধু নয়, তাদের অর্থনৈতিক দৈন্যদশা হবে, যার ফলে হোমলেস পরিবারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে- অথচ বিগত টোরি কনফারেন্সে টেরেজা মে বলেছিলেন তিনি সকলের জন্য ফেয়ারার সোসাইটি তৈরি করতে চান- এমন ওয়াদা সত্যেও পরিবারগুলোর জন্য যে অসহনীয় বার্তা দরজায় কষাঘাত করছে, সেটা নিয়ে এখনি সরকারকে বিবেচনায় নিতে হবে।
সিআইএইচ এর চীফ টেরি আলাফাত বলেন, আমাদের রিসার্চের ফাইন্ডিংস নির্দেশ করছে, অসংখ্য পরিবার নিদারুন কষ্টের মধ্যে পড়বেন, আর তা থেকে পরিত্রানের জন্য অনেকেই অসুস্থ হয়ে বাচার পথ খুজবেন।
চাইল্ড প্রোভার্টি একশন গ্রুপের পলিসি ডিরেক্টর ইমরান হোসেইন বলেছেন, লওয়ার বেনিফিট ক্যাপ খুবই খারাপ যা শিশুদের উপর মারাত্মকভাবে প্রভাবান্বিত করে।
এক নজরে সিআইএইচ এর ফাইন্ডিংস-
০১) ১১৬,০০০ পরিবার যাদের ১-৪ জন সন্তান রয়েছে, তারা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হবেন, যা ইতোমধ্যেই ১০০০০০ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে ২০,০০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।
০২) ঐ পরিবার সমূহ সহ ৩১৯,০০০ শিশু ক্ষতিগ্রস্থ হবে
০৩) তিন বেড রুমের রেন্টেড প্রোপার্টিতে তিন সন্তান সহ পরিবার ৫০.৮০ পাউন্ড করে সপ্তাহে হ্রাস পাবে, লিডসের মতো শহরে হবে ১৫১.৫০ পাউন্ড করে সপ্তাহে কমবে
উল্লেখ্য ২০১৩ সাল থেকে চালু হওয়া বেনিফিট ক্যাপ বছরে ইনকাম ২৬,০০০ পাউন্ড পর্যন্ত বা সপ্তাহে ৫০০ পাউন্ড টোটাল বেনিফিট ক্যাপ করে ২০,০০০ পরিবার এর মধ্যে চালু হয়েছে।ব্রেক্সিটের পরে এই বর্তমান লওয়ার বেনিফিট ক্যাপ পরিবারগুলোর মধ্যে মারাত্মক ধবস এনে দিবে।
আগস্টে ডিপার্টম্যান্ট অব ওয়ার্ক এন্ড পেনশন বলেছিলো ২৪৪,০০০ পরিবার ও সন্তান এর ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হবে, বা সপ্তাহে ৬০ পাউন্ড করে হারাবে। এখন দেখা যাচ্ছে সরকারের হিসেবের চাইতে অধিক সংখ্যক পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হবেন।
বছরে ২৬,০০০ পাউন্ড ইনকাম বা সপ্তাহে ৫০০পাউন্ড বেনিফিট ক্যাপের পরিবর্তে আগামী ৭ই নভেম্বর থেকে লন্ডনে ৪৪২ পাউন্ড সপ্তাহে ও লন্ডনের বাইরে ৩৮৫ পাউন্ড সপ্তাহে লওয়ার বেনিফিট ক্যাপ বাধ্যতামূলকভাবে কার্যকর হবে।

ডিপার্টম্যান্ট অব ওয়ার্ক এন্ড পেনশন এর মুখপাত্র বলেছেন, সিআইএইচ এর ফাইন্ডিংস ফিগার তাদের অজানা এবং তারা হিসেবের মধ্যে নেননি। তবে আরেকটু বাড়িয়ে জানিয়েছেন, লওয়ার বেনিফিট ক্যাপ কার্যকর হলেও এখনো লন্ডনে পরিবারের আয় ২১,০০০ পাউন্ড এবং ২৯,০০০ পাউন্ড সেলারির বিপরীতে বেনিফিট পেয়ে থাকেন।

জনপ্রিয় অনলাইন: বিয়ানীবাজার উপজেলার পূর্ব মুড়িয়া ইউনিয়নে ওয়াহিদুর রহমান(১৬) নামের এক যুবককে রাতের আধারে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বিত্তরা। আজ ১লা নভেম্বর সকাল ৬টার দিকে ইউনিয়নের মিজারচক নামক স্থানে রাস্তার পাশে ধান ক্ষেতে তাহার লাশ দেখতে পায় পথচারীরা। নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায় ৩১শে অক্টোবর রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে তাহাকে কে বা কাহারা মোবাইল ফোনে ঘর থেকে বের হতে বলে,এসময় সে ভাত খাওয়াতে ছিল,খাবার শেষ করে যখন বের হয়ে যায় তখন তার বাবা জিজ্ঞাস করেন এত রাতে কোথায় যাচ্ছ তখন নিহত ওয়াহিদ বলে তার এক পরিচিত লোক ডাকছে ১০মিনিটের মধ্যে চলে আসবে কিন্তু সে আসতে দেরী হওয়ায় তাহার বাবার টেনশন বেড়ে যায়,তখন তিনি তাহার ছেলের ব্যাক্তিগত ব্যবহ্রত মোবাইলে ফোন করলে কেউ ফোন রিসিভ করেনি। অথচ কিছুক্ষন পর তার মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়। আজ সকালে পূর্ব মুড়িয়া ইউনিয়নের মিজারচক নামক স্থানে রাস্তার পাশে ধান ক্ষেতে তাহার লাশ পথচারীরা দেখতে পেয়ে তার বাড়ীতে খবর দেয়।

হত্যাকান্ডের শিকার নিহত ওয়াহিদুর পূর্ব মুড়িয়া ইউনিয়নের পাথারী পাড়া গ্রামের মিজারচক এর মন্নান আলীর পুত্র। মন্নান আলী স্থানীয় শাহবাজপুর বাজারে দারোয়ানের কাজ করেন, নিহত ওয়াহিদ শ্রমিকের কাজ করতো। এদিকে হত্যাকান্ডের খবর পেয়ে পূর্ব মুড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড মেম্বার মো: রফিক উদ্দিন, সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার আসমা বেগম(৭,৮ ও ৯)ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায় তাহার কোন শত্রু নেই। কারো সাথে বিবাদও নেই কিন্তু কি কারনে খুন হয়েছে কেউ বুঝতে পাছেননা। তবে তাদের সন্দেহ হত্যাকান্ডের পিছনে প্রেমঘটিত কোন কারণ থাকতে পারে।

খবর পেয়ে বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ চন্দন কুমার একদল ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। তবে খন ও পর্যন্ত মামলা দায়ের হয়নি। 

জনপ্রিয় অনলাইন : জীবনে ৪২দিন জেলখানায় ছিলাম। যে ওয়ার্ডটিতেছিলাম তা হলো মেন্টাল ওয়ার্ড। সম্ভবত আগে পাগলদের এখানে রাখা হতো।জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন সড়কে কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনী সংগ্রামী জীবনগাঁথা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তব্যে  নিজের কারাজীবনের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত এ কথা জানান। 

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের ধরে প্রথমে লালবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ হলের ছাত্র মাহবুব আহমদ, আব্দুল আওয়াল, আমি ও ফজলুল হক হলের মনসুর আলী ছিলাম। আমাদের সঙ্গে জেল গেটে দেখা হয় নিরোজ নাগের। সঙ্গে ছিল নারায়ণগঞ্জের শামীম ওসমানের বাবা শামসুজ্জামান ও সেখানকার জামিল নামের একজন শ্রমিক নেতা।
আমাদের প্রথমে মেন্টাল ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন,
মেন্টাল ওয়ার্ডে মোট ১২টি কামরা ছিল। আর আমরা সংখ্যায় ছিলাম ৭-৮জন। আমাদের বলা হল আপনারা যেকোনও কামরায় থাকতে পারবেন। তবে প্রতিটি কামরায় ৩ জনের কম থাকা যাবে না। আমাদের দিন কাটছিল। মোট ৪২ দিন কারাভোগের মধ্যে এই ওয়ার্ডে ১১দিন কাটাতে হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

কারাগার জীবনের ১২তম দিন ছিল ১৯৫৫ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি। এই দিনে ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীদের ধরে কারাগারে নিয়ে আসা হয় বলে জানান অর্থমন্ত্রী। বর্তমান সরকারের এই বর্ষীয়ান এ নেতা বলেন, ওইদিন অতিরিক্ত বন্দিদের জায়গা দিতে হিমশিম খাচ্ছিল কারা কর্তৃপক্ষ। তখনই আমাদের বলা হয় আমরা কি এখানেই থাকবো না ওদের সঙ্গে একসঙ্গে থাকবো। তখন আমরা সবাই একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিলাম। এর মাধ্যমে মেন্টাল ওয়ার্ডে কারাভোগ শেষ হলো আমাদের। শুরু হলো নতুন অভিজ্ঞতা।

জনপ্রিয় অনলাইন : ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির কোনো নেতা-কর্মীকে মাঠে নামতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, সিপাহিদের হত্যার দিন কোনো দলের বিপ্লব দিবস পালনের সুযোগ নেই।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় দলটির দুই নেতা এ হুঁশিয়ারি দেন।
আবদুর রাজ্জাক বলেন, বিএনপি মিথ্যাচার করে ৩ নভেম্বর এবং পরে ৭ নভেম্বর বিপ্লবের কথা বলে। জনতা ও সিপাহি বিপ্লব! কীসের বিপ্লব? বিপ্লব হয় আদর্শের ভিত্তিতে। তিনি অভিযোগ করেন, একটা সামরিক বাহিনীর প্রধান এবং সামরিক স্বৈরাচার, তারা সেদিন মানুষকে বিভ্রান্ত করে ঢাকা শহরে নামিয়েছিল। সৈনিকদের বন্দুকের নলের ভয় দেখিয়ে নামিয়েছিল। এটা কোনো বিপ্লব নয়। তারা মানুষকে বিপথে পরিচালিত করেছিল।
রাজ্জাক বলেন, আমরা মনে করি, এই বাংলার মাটিতে যেন আর কোনো দিন ৭ নভেম্বর বিপ্লব দিবস হিসেবে পালিত না হয়। আমরা রাজনৈতিকভাবে এটাকে মোকাবিলা করতে চাই। আমরা মনে করি না, সেদিন কোনো বিপ্লব হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নস্যাৎ করার জন্য সেদিন মানুষকে বিপথে পরিচালিত করা হয়েছিল।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৭ নভেম্বর মাঠে না নামতে বিএনপিকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সব শক্তি এসব অশুভ শক্তিকে যেকোনো মূল্য প্রতিহত করবে। ৭ নভেম্বর কোনো রাজনৈতিক তৎপরতা এই বাংলার মাটিতে বাংলাদেশের জনগণ করতে দেবে না, এটা আমরা প্রত্যাশা করি।

এ সময় এই অশুভ তৎপরতাকে রুখে দেওয়ার জন্য নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জনপ্রিয় অনলাইন : মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ পাঁচ নেতার ফাঁসি কার্যকর করেছে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এবার তদন্ত সংস্থার অনুসন্ধান শুরু হয়েছে নতুন জামায়াত আমিরের বিরুদ্ধে। এখনো আপিল বিভাগে নিষ্পত্তির অপেক্ষমায় জামায়াতের শীর্ষ আরো তিন নেতার আপিল। সঙ্গে সঙ্গে সংগঠন হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বিচার করার জন্য আইন সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে।

এবার দলীয় কার্যক্রম নিয়ে কোণঠাসা সদ্য নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমির মকবুল আহমাদ। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিলেন কিনা সেই বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করার জন্য অনুসন্ধান চলছে। মকবুলের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধান করার পর যদি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায়, তবেই তার বিষয়ে চূড়ান্ত তদন্ত শুরু করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
নতুন আমিরের অপরাধ তদন্তের বিষয়ে তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান বলেন, সদ্য নির্বাচিত জামায়াতের আমির মকবুল আহমাদের নাম ওই এলাকার রাজাকারদের তালিকায় রয়েছে। এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে নেই। তিনি বলেন, বিবিসির সংবাদকর্মী আমাকে এ প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছিল তাদেরও এই বিষয়টি বলেছি।
তিনি বলেন, দু-একটি অনলাইন পত্রিকায় খবর প্রকাশ পেয়েছে মকবুল আহমাদ ১৯৭১ সালে ফেনী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমরা কোনো পত্রপাত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র ধরেই অনুসন্ধান চালাই। পত্রিকা ডকুমেন্ট হিসেবে কাজ করে। তাই মকবুল আহমাদের দ্বারা যুদ্ধাপরাধ সংগঠিত হয়েছে কি না সে বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান করার পর যদি তার বিরুদ্ধে অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায় তখন সেক্ষেত্রে তার বিষয়ে চূড়ান্ত তদন্ত শুরু করা হতে পারে।
তদন্ত সংস্থার সিনিয়র কর্মকর্তা মো. সানাউল হক বলেন, নবনির্বাচিত জামায়াত আমির মকবুল আহমাদের নাম ওই এলাকার রাজাকারদের তালিকায় রয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ এখনো পর্যন্ত নেই। তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিয়ম অনুযায়ী কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আসলে আমরা সংস্থার পক্ষ থেকে প্রাথমিক অনুসন্ধান চালাই। যদি ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাওয়া যায় তবেই আমাদের পক্ষ থেকে তার (অপরাধের) বিষয়ে চূড়ান্ত তদন্ত শুরু করা হয়।
সানাউল হক আরো বলেন, মকবুল আহমাদের মানবতাবিরোধী অপরাধ অনুসন্ধানের জন্য একজন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি হলেন এসএসপি নুরুল ইসলাম। তিনি প্রাথমিক (প্রিলিমিনারি) অনুসন্ধান শুরু করেছেন। তার অনুসন্ধান শেষে চূড়ান্ত তদন্ত করা হবে।
তিনি আরো বলেন, অনেকে মনে করতে পারেন জামায়াতের নতুন আমির নির্বাচিত হওয়ার কারণেই ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চালাচ্ছে। বিষয়টা এমন নয়, আর অপরাধ অনুসন্ধান মানেই তদন্ত নয়। কোনো অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পেলেই তদন্ত শুরু করা হবে।
প্রসঙ্গত, মকবুল আহমাদ গত ৬ বছর ধরে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সম্প্রতি তিনি দলটির আমির হিসেবে নির্বাচিত হন এবং আমির হিসেবে দায়িত্ব পালনের শপথ নেন।
এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লা, অপর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামান ও জামায়াতের নির্বাহী সদস্য মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে ৯০ বছর দণ্ড পাওয়ার পর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচার চলাকালীন সময়ে দলটির সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযম মৃত্যুবরণ করেন।

বর্তমানে জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রিভিউ, সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুস সোবহান এবং জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের আপিল শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

রনি মোহাম্মদ (লিসবন,পর্তুগাল): পর্তুগালের জাতীয় পার্লামেন্টের সামনে অভিবাসন আইন পরিবর্তন না করার দাবি এবং বৈধতা চেয়ে 'সলিডারিটি ফর ইমিগ্রান্ট এর ব্যানারে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানব বন্দন।

প্ল্যাটফর্ম ফর ইমিগ্রেশন এন্ড সিটিজেনশিপ এর ব্যানারে ফাইয়াসকে-কালিকুইসে সেক্টর গিনি বিসাউয়ের এসোসিয়েশন ফেডারেশন, ওয়াচ লাইভ-পরিবেশ সুরক্ষা, হেরিটেজ অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস এসোসিয়েশন,

গিরাসোল সলিডারি- রোগীদের জন্য সমর্থন এসোসিয়েশন বায়ুশূন্য কাপু ভার্দে, আফ্রোলিস-সাংস্কৃতিক এসোসিয়েশন, ম্যান্ডেলা রিগ্গী পরিবার-সাংস্কৃতিক এসোসিয়েশন, পর্তুগাল নেপালী বাসিন্দাদের এসোসিয়েশন,

অদা- এঙ্গলান্স ডিফেন্স এসোসিয়েশন, ব্রাজিল হাউস লিসবন, প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংগঠন ইপিবি পর্তুগাল, বাংলাদেশী বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন সহ বিভিন্ন দেশের হাজারো অবিভাসীদের অংশগ্রহনের মধ্যে দিয়ে পর্তুগিজ পার্লামেন্ট সাও বেন্তো প্যালেস'র সামনে শান্তিপূর্ণ এক মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন অভিবাসীরা।

পার্লামেন্টে শুরু হওয়া ইমিগ্রেশন বিষয়ে এবং অভিবাসন আইনের পরিবর্তন বিষয়ে এক বিতর্ক চলাকালে অভিবাসী প্রত্যাশীরা বিক্ষোভ করেন।

বিক্ষোভে অংশ নেয়া বাংলাদেশী নাগরিক আমির হোসেন এবং জুয়েল বলেন সেই সাথে তাদের স্বরে ছিলো কিছুটা বিষণ্ণতা সঙ্গে বলছেন আমারা এখানে এক জন সাধারন কর্মীর মতই কাজ করছি, এখনে বসবাসের জন্য সকল বাধ্যবাধকতা যা পর্তুগীজ (সেফ) রাষ্ট্র প্রয়োজনে পূরণ করছি, তার পরও পরিস্থিতির রেজোলিউশনের হঠাৎ পরিবর্তন বুঝতে পারছি না।

বিক্ষোভে অংশ নিয়ে 'সলিডারিটি ইমিগ্র্যান্টস' এর সভাপতি তিমোতেও মাচেদো বলেন, দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন থেকে আমরা সরবো না। অভিবাসীদের বিভিন্ন মানবিক দাবি নিয়ে আমরা আজ পার্লামেন্টের সামনে দাঁড়িয়েছি। আজকের এই কর্মসূচির আমাদের দাবি আদায়ের পথ দেখাবে। তবে আজকের বিক্ষোভ আমাদের দাবির পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

তিনি আরো বলেন, অভিবাসীবান্ধব আইনের আর্টিক্যাল ৮৮ বহাল রাখার না হলে বৈধতার জন্য অপেক্ষমানরা ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে পর্তুগালে বসবাসরতরাও অভিবাসীরাও সমস্যায় পড়বেন। তাই আগামী ১৩ নভেম্বর মাতৃম মনিস (বাংলাদেশী পাড়া বলে খ্যাত) আরেকটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা হাল ছাড়ছি না।

উল্লেখ্য, ইমিগ্রেশন আইনের ধারা ৮৮ বহাল থাকবে কি না এ নিয়ে ২৭শে অক্টোবর শুরু হওয়া পার্লামেন্টে বিতর্ক চলছে। তাই অভিবাসীবান্ধব এই ধারা বহাল রাখার দাবিতেই বিক্ষোভটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি বর্তমানে পর্তুগালে বসবাস করলেও এদের বিরাট একটি অংশ এখনও বৈধতা পাননি। নিয়মিত ট্যাক্স দিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে রেসিডেন্ট কার্ড পেতে বেগ পেতে হচ্ছে তাদের। ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশীদের শেষ ঠিকানা পর্তুগালকেই বেঁচে নিয়েছিল।

এ সময় প্রবাসীরা পর্তুগালের পার্লামেন্টের সামনে বিভিন্ন  স্লোগান সম্বলিত পর্তুগালে সমান নাগরিক অভিবাসী,দাসত্বের বিরুদ্ধে ইমিগ্রান্টস,বিতাড়ন সমাধান নয়, একটি ভিসা,সমান কাজ, সমান বেতন 'সব জন্য ডকুমেন্টস" ইত্যাদি লেখা সম্বলিত  ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড ছাড়াও পর্তুগাল এর পতাকা যা ইঙ্গিত করে এই দেশকে ভালোবাসি এ নিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেয়।

আবিদ রাহমান : ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পথ পরিক্রমায় ইংলিশ অল-রাউন্ডার বেন স্টোকসকে আউট করে সাকিব আল হাসানের স্যালুট ভঙ্গিমা কেবল মাঠ নয় মাঠের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে। বলা যায়, স্যালুটময় হয়ে উঠেছে ফেসবুক।

দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনার শুরুটা মূলত ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ থেকে। সেই ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে হেরে যায় ইংল্যান্ড। হারের পর মাঠ থেকে বেরিয়ে আসার সময় তামিম ইকবালের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় হার সহ্য করতে না পারা স্টোকসের। টুইটারে আবার এ নিয়ে বাংলাদেশকে খোঁচাও দেন স্টোকস।। এছাড়া প্রস্তুতি ম্যাচেও বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সাথে হাত না মেলাননি স্টোকস। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা অবশ্য তা নিয়ে মুখে কিছু বলেননি। তবে এসব অপমান ঠিকই মনে রেখেছিলেন তামিম-সাকিবরা। রোববার (৩০ অক্টোবর) ঢাকা টেস্টের তৃতীয় দিনে তখন ব্যাট করছে ইংল্যান্ড। জয়ের পাল্লা তখন বাংলাদেশের দিকেই ভারী। তবে উইকেটে জমে গিয়েছিলেন ইংলিশ ক্রিকেটার স্টোকস। তবে বেশিদূর নিয়ে যেতে পারেননি দলকে। ব্যক্তিগত ২৫ রান করে সাকিব আল হাসানের বলে বোল্ড হয়ে যান স্টোকস। আর সাকিবও পেয়ে যান প্রতিবাদের মওকা। বোল্ড করামাত্র সটান দাঁড়িয়ে স্যালুট করে বসেন স্টোকসকে। সাথে সাথেই সাকিবের এই অভিনব উদযাপন ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা নিজেদের স্যালুট করা ভঙ্গির ছবি পোস্ট করতে শুরু করেন ফেসবুকে। কেউ পোস্ট করেছেন নিজের একার ছবি, কেউ নিজের পরিবারের, আবার কেউ বা বন্ধুদের সঙ্গে স্যালুট দেয়া ছবি পোস্ট করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অনেকে আবার ছবির সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন ক্যাপশন। কেউ লিখেছেন- 'এটি তোমার জন্য, প্রিয় স্টোকস', আবার কেউ লিখেছেন 'স্টোকস ভাইয়া, ধন্যবাদ। আবার আসবেন'। ইংল্যান্ড প্রবাসী বাঙালি রুহুল আলম শিমুল তার সহকর্মী মুমিনুল ইসলামের সাথে স্যালুট ছবি তুলে ফেসবুকে শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেন,টেস্ট ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় পাওয়ায় আমরা গর্বিত। পাশাপাশি তিনি ইংল্যান্ড ক্রিকেট টিমকে বাংলাদেশ সফর করার জন্য ধন্যবাদ জানান। উল্লেখ্য, ঢাকা টেস্টে ২৭৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যাট করতে নামা ইংল্যান্ড মাত্র ১৬৪ রানে অল-আউট হয়। বাংলাদেশ ম্যাচ জেতে ১০৮ রানের বিশাল ব্যবধানে। ইংলিশ ব্যাটসম্যান বেন স্টোকস ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে হারের পর তামিমকে ধাক্কা দিয়েছিলেন স্টোকস। টুইটারে সেটা নিয়ে ঝাল ঝেড়েছেন তিনি। এছাড়া প্রস্তুতি ম্যাচেও হাত না মেলানোর মতো অভব্য আচরণ করেন তিনি। তার উপর টাইগাররা মনে মনে ক্ষিপ্ত হয়ে থাকলেও সেটা প্রকাশ করেনি। শেষবারের মতো বাংলাদেশ সফরে ব্যাট করতে নেমে ২৫ রান করে সাকিবের বলে বোল্ড হয়ে যান স্টোকস। আর সাকিবও নিজের ঝাল ঝাড়ার উপলক্ষ পেয়ে স্যালুট করে বসেন স্টোকসকে। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান অলরাউন্ডার মারলন স্যামুয়েলস এই বেন স্টোকসকেই স্যালুট করেছিলেন।

বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা সৌদি আরব : আজ ১ নভেম্বর বাংলাদেশের সাথে একযোগে সৌদি আরবের জেদ্দায় শুরু হয়েছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জে এস সি) পরীক্ষা- ২০১৬।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবং কারিক্যুলামে পরিচালিত বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ, জেদ্দা কেন্দ্রে অংশগ্রহণ করেছে মোট ২৬৫  জন ছাত্রছাত্রী। উল্লেখ্য যে, প্রবাসের এই স্কুলে বাংলা মাধ্যম এবং ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা চলে।

২৬৫  জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে বাংলা মাধ্যম থেকে অংশগ্রহণ করেছে ২১২  জন। এদের মধ্যে ১০১  জন ছাত্র এবং ১১১  জন ছাত্রী। তাছাড়া ইংরেজি মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেছে ৫৩  জন। এদের মধ্যে ২৭ জন ছাত্র এবং ২৬   জন ছাত্রী রয়েছে। স্বদেশের সাথে সময়ের পার্থক্যের কারণে সকাল ৭ টায় পরীক্ষা শুরু হয় এই কেন্দ্রে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত  অধ্যক্ষ এবং  কেন্দ্র সচিব হামদুর রহমান জানান, ছাত্রছাত্রীরা যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে এবং গত বছরের ন্যায় এবারও শতভাগ পাশের সুনাম অক্ষুন্ন রাখার ব্যাপারে তাঁরা আশাবাদী। 

তিনি আরো জানান, ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনা মেনে এবং অভিন্ন প্রশ্নপত্রে জেদ্দা কনস্যুলেটের তত্বাবধানে পরীক্ষা চলছে এই কেন্দ্রে। পরীক্ষা কেন্দ্রের হল সুপারারের দায়িত্ব পালন করছেন শিক্ষক  মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। সহ কারী হল সুপারের দায়িত্ব আছেন শিক্ষক মোঃ আল আমিন খান। জেদ্দা কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানের জন্যে দায়িত্ব পালন করছেন কনসাল শিক্ষা ও শ্রম মোঃ রেজা-ই-রাব্বি। প্রথম দিনের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে আরো ছিলেন কাউন্সিলর মোঃ মোকাম্মেল হোসেন। তাঁরা পরীক্ষায় সুষ্টু ব্যাবস্থাপনা এবং ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ উদ্দীপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন :


সুফিয়ান আহমদ, বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ সিলেট-বিয়ানীবাজার-বারইগ্রাম সড়কের গুরুত্বপূর্ণ শেওলা সেতুতে টোল আদায় নিয়ে জনমনে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। বছরের পর বছর থেকে এ সেতুর উপর দিয়ে চলাচলকারী যানবাহন টোল প্রদান করলেও কবে তা বন্ধ হবে, এ প্রশ্নের উত্তর নেই কারো কাছে। খোদ সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারাও বলতে পারছেন না, শেওলা সেতুর টোল আদায় আর কতকাল চলবে। ফলে গত কমাস থেকে এ সেতুর উপর দিয়ে যান চলাচল অনেকটা কমে গেছে। বিকল্প রাস্তা দিয়েই চলাচল করছে যানবাহন। তাছাড়া বর্তমান ইজারাদার টোল আদায়ে রশিদ দেন না বলেও রয়েছে অভিযোগ।

জানা যায়, বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে শেওলা সেতুর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান। পরবর্তীতে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে সেতুর নির্মাণ কাজে গতি বৃদ্ধি পায়। ১৯৯৯ সালের ৩১ জুলাই শেওলা সেতুর আনুষ্টানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এরপর থেকে সেতুর উপর দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের কাছ থেকে টোল আদায় শুরু হয়। প্রতি বাংলা বছরের শুরুতে সেতুর তদারকি কর্তৃপক্ষ সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় বেসরকারী উদ্যোক্তাদের টোল আদায়ের দায়িত্ব প্রদান করে। এক্ষেত্রে সরকার প্রতি বছরে কোটি টাকার মত রাজস্ব পেয়ে থাকে। কিন্তু বর্তমান ইজারাদারের নির্ধারিত ব্যক্তিরা টোল আদায়ের সময় গাড়ি চালকদের দিচ্ছেন না কোন রশিদ। যার কারণে সরকার হারাচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব এমন অভিযোগ করেছেন গাড়ি চালকেরা। তবে এব্যাপারে কিছু বলতে রাজি হন নি টোল আদায়কারী কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া টোল আদায়ের ১৬ বছর অতিক্রম হওয়ায় অনেকেই এখন আর টোল আদায় করতে চান না।
সিলেট জেলা পরিবহণ শ্রমিক সমিতির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সেলিম আহমদ ফলিক জানান, শেওলা সেতুতে টোল প্রদান না করার বিষয়ে আমাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছে শ্রমিকরা। অনেক ছোট গাড়ির মালিকও টোল প্রদানে অনাগ্রহী। তাদের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সরকারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন।
সিলেট জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম বলেন, এমনিতেই আমরা বাস মালিকদের ব্যবসা ভালো যাচ্ছেনা। এছাড়া সিলেট-বিয়ানীবাজার সড়কের যে বেহাল অবস্থা, তাতে আমরা গাড়ি মালিকরা ট্রিপ প্রতি খরচ তুলতে পারছিনা। এ প্রেক্ষাপটে শেওলা সেতুতে টোল প্রদান বন্ধে জেলা প্রশাসক কিংবা সওজের স্থানীয় প্রধান নির্বাহী ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি লিখতে পারেন। আমরা বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে অচিরেই দেখা করবো।’
সড়ক ও জনপথ বিভাগের এসও এসএম জাকারিয়া জানান, - আসলে এটা সেতু ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাপার। বিষয়টি নিয়ে উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে হয়তো কিছু একটা হতে পারে।

শেওলা সেতুর টোল আদায় নিয়ে জানতে চাইলে সিলেটের জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীন জানান-সরকারকে রাজস্ব দেয়া উচিত। তা না হলে সরকার চলবে কিভাবে। তবে নির্ধারিত টোলের বেশী কেউ আদায় করলে এবং রশিদ ছাড়া টোল আদায় করার অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সেলিম উদ্দিন, পর্তুগাল : কমিউনিটি নেতা ও পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মিয়া ফরহাদের সভাপতিত্বে ও পর্তুগাল আওয়ামী লীগ নেতা দেলওয়ার হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন

পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সভাপতি জহিরূল আলম জসিম, পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত ওসমান, অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন,পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এম এ খালেক, কমিউনিটি নেতা আবুল কালাম আজাদ, পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ খাঁন ,

আল ইসলাহ পর্তুগালের সভাপতি আহাদ আলী, অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন আল ইসলাহ পর্তুগালের সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, বিয়ানীবাজার প্রবাসী কল্যাণ এসোসিয়েশন নেতা মামুনুর রশিদ, রোহেল আহমেদ, আইয়ুব খান, জাকির হোসেন, রনি হোসাইন, জুবায়ের আহমেদ, শিপলু আহমেদ, বদরুল ইসলাম, শফিউল আলম শফি,নজরুল ইসলাম সুমন, সালাউদ্দিন, মুন্না সহ প্রমুখ । অনুষ্ঠানে ভিডিও স্পিছ রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান । অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে সহযোগিতা করেন বিয়ানীবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনাব আব্দুস শুক্কুর।এবং তিনি বৃহত্তর সিলেট, পর্তুগালের সবাইকে এরকম অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য ধন্যবাদ জানান । আয়োজনে : প্রগতিশীল ইয়ূথ ফোরাম, বৃহত্তর সিলেট, পর্তুগাল ।

সিলেট : দেশ-বিদেশে বহুল আলোচিত কলেজ ছাত্রী খাদিজার সাথে শাবি ছাত্র বদরুলের প্রেমের ঘটনা। যার সূত্র ধরে বদরুল আলমের চাপাতির কোপে গুরুতর আহত হয় খাদিজা বেগম নার্গিস। বেশ কিছুদিন সংজ্ঞাহীন থাকার পর এখন কিছুটা উন্নতির দিকে খাদিজার শারিরীক অবস্থা।
ঢাকার স্কয়্যার হাসপাতালে খাদিজা এখনো চিকিৎসাধীন। এই ঘটনার পর থেকে চাপাতি খ্যাত বদরুল এখন কারাগারে। খাদিজার বাড়িতে লজিং থাকাকালে বদরুল তার প্রেমে পড়ে। বদরুলের দাবি, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় খাদিজাকে নিয়ে ঘুরে বেড়ায় সে। খাদিজার পরিবার বিষয়টি টের পেয়ে বাড়ি থেকে বিদায় করে দেয় বদরুলকে। তারপরও তাদের প্রেম থেমে থাকেনি। সুযোগ সুবিধামতো খাদিজা ঠিকই বদরুলের সাথে দেখা করতো। তাদের এই প্রেম নিয়ে অনেক ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়। একদিকে বদরুলের দাবি তাদের প্রেম ছিল, অপরদিকে খাদিজার পরিবার বিষয়টি পুরোপুরিভাবে অস্বীকার করেছেন। কিন্তু বদরুল-খাদিজার একটি যুগল ছবি এখন ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে। এ নিয়ে তোলাপাড় শুরু হয়েছে গোটা সিলেট জুড়ে। ছবিটি সোমবার বিকেলে অন্তু নামক এক ছাত্রলীগ কর্মী ফেইসবুকে শেয়ার করে। এসময় তিনি লিখেন,এদের দুজনকে চিনতে পারছেন কারা???
তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি এডিট করা বলে দাবি করছেন খাদিজার পরিবার। বদরুলের সাথে খাদিজার কোন যুগল ছবি নেই বলে দাবি করেন তার চাচা আব্দুল কুদ্দুস। তিনি বলেন, মামলাকে ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য বদরুলের পক্ষে কেউ অপপ্রচার চালাতে পারে।
গত ৩ অক্টোবর সোমবার সিলেটের এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে খাদিজাকে গুরুতর আহত করে শাবি ছাত্রলীগ সহ সম্পাদক বদরুল আলম। প্রেম প্রত্যাখ্যান করায় তার উপর হামলা চালায় সে। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করে গণপিটুন দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয় জনতা। ঘটনার পরদিন খাদিজার চাচা আব্দুল কুদ্দুস বাদি হয়ে খাদিজাকে হত্যা প্রচেষ্টার অভিযোগ এনে শাহপরান থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় একমাত্র আসামী করা হয় ছাত্রলীগ নেতা বদরুলকে। হামলার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে বদরুল। শিগগিরই দেশে বিদেশে তোলপাড় সৃষ্টি করা এই ঘটনার চার্জশীট প্রদান করা হবে।
সুত্র: আজকের সিলেট ।

ফয়জুল হক রানা : গত ১৭ অক্টোবর স্পেনের দ্বীপ শহর টেনেরিফের একটি রেষ্টুরেন্ট থেকে কাতালোনিয়া যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন জাহানকে আটক করে স্পেনের ন্যাশনাল পুলিশ । 

২০১০ সালের মার্চে বৃটেনের চেথেল হামে ধর্ষন মামলায় মোহাম্মদ আলম নামের এক বাংলাদেশীকে ১৪ বছরের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছিল ।দীর্ঘ দিন খোজার পর বৃটেনের ন্যাশলান ক্রাইম এজেন্সি  মোষ্ট ওয়ান্ডেড ১০ জন পলাতক আসামি এক হিসাবে মোহাম্মদ আলমের নাম ঘোষনা করে ।মোহাম্মদ আলম স্পেন এসে মোশারফ হোসেন জাহান নাম ধারন করে বার্সেলোনা বসবাস শুরু করে । 

আওয়ামীলীগের সভাপতি বদরুল আলমের ছত্রছায়ায় আওয়ামী রাজনীতিতে আসে ।এবং ২০১৪ সালে কাতালোনিয়া যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয় ।এ ব্যাপারে কাতালোনিয়া যুবলীগের সভাপতি আমির হোসেন আমু সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মোহাম্মদ আলমই যে মোশাররফ হোসেন জাহান, সেটা আমাদের জানা ছিল না।  তিনি বৃটেনে অপরাধের সাথে জড়িত, সেটাও আমরা জানতাম না। আমরা তদন্ত করে দেখছি, তিনি অপরাধের সাথে জড়িত কি না। যদি জড়িত থাকেন অবশ্যই  সংগন থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়া হবে।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন :


সেলিম আলম ,মাদ্রিদ : জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা করেছে আওয়ামী তরুনলীগ স্পেন

মাদ্রিদের বাংলাদেশ এসোসিয়েশন হলে গত ২৫শে অক্টোবর সংগঠনের আহবায়ক এনাম আলী খানের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্টিত হয়সদস্য সচিব জুয়েল আহমেদ মালেকের পরিচালনায় অনুষ্টানে বক্তব্য রাখেন স্পেন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম সেলিম,বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ও সংগঠনের সহ সভাপতি দুলাল শাফা,উপদেষ্টা এ কে এম জহিরুল ইসলাম, ইব্রাহিম খলিল, বদরুল আলম মাষ্টার, আয়ুব আলী সুহাগ,নজরুল ইসলাম, ইফতেখার আলম, মাহমুদুর রহমান পলাশ, সাইফুল আলম,মোহাম্মেদ ইসলাম উদ্দিন প্রমুখ।

জন্ম দিনের কেক কাটার মাধ্যমে আনন্দঘন পরিবেশে বক্তারা বর্তমান সরকারের উন্নয়নের তথ্যচিত্র তুলে ধরেন, তারা ১৫ই আগষ্টের নির্মম হত্যাযগ্যের শিকার শিশু রাসেল সহ জাতীর পিতার পরিবারের হত্যাকারীদের বিদেশ থেকে নিয়ে বিচারের রায় কার্যকর করার জোর দাবী জানান। এ সময় তারা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কাউন্সিলে নব নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সহ নতুন এ কমিঠিকে স্বাগত জানান।

সেলিম আলম ,মাদ্রিদ : প্রবাসে শত ব্যস্ততার মাঝে খেলাধুলায় কিংবা শরীরচর্চার প্রয়োজন আছে। একটি সুন্দর, আধুনিক ও শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে তরুণ ও যুব সমাজকে সুস্থ, মননশীল ও কর্মঠ হতে হবে। স্পেনের মাদ্রিদে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।

গত ২৬ অক্টোবর সংগঠনটির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্পেনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের হেড অব চেন্সেরি হারুন আল রাশিদ।

সংগঠনের সভাপতি জামাল উদ্দিন মনিরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সুন্দরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী সভায় বিশেষ অতিথির মধ্যে বক্তব্য রাখেন আব্দুস সোবহান, কাজী এনায়েতুল করিম, মিজানুর রহমান বিপ্লব, মিনহাজুল আলম মামুন,আল আমিন, আব্দুস সাত্তার,নুর হুসেন পাটয়ারী, জাকির হোসেন, এ কে এম জহিরুল ইসলাম,দুলাল সাফা, আব্দুল কাইউম মাসুক , ইকবাল বাহার, মকলেসুর রহমান দিদার ,সুমন নুর, সাংবাদিক সেলিম আলম, সুহেল ভুঁইয়া, আবুল হোসেন, ফজলে এলাহি,আব্দুল কাইউম সেলিম, সাইদ আহমেদ, আবু জাফর রাসেল, হুমায়ুন কবির রিগ্যান ,আবুল হাশেম প্রমূখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ও হেড অব চেন্সেরি হারুণ আল রাশিদ বলেন, এরকম আয়োজন বাংলাদেশি তরুন প্রজন্মকে খেলার প্রতি আকৃষ্ট করবে। তিনি দূতাবাসের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ এসোসিয়েশনকে সহযোগিতা করারও আশ্বাস প্রদান করেন।

আলোচনা পর সংগঠনের ক্রীড়া সম্পাদক আবু বক্কর তামিমের সঞ্চালনায় অতিথি বৃন্দ ঢাকা ফ্রুতাসকে চ্যাম্পিয়নের পুরস্কার এবং মাদ্রিদ স্পোর্টিং ক্লাবকে রানার আপের পুরস্কার প্রদান করেন।

অন্যান্য বিজয়ীদের মধ্যে ও আকর্ষনীয় পুরুষ্কার ও ট্রপি বিতরন করা হয়। উল্ল্যেখ্য বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের উদ্যোগে গত ৭ আগষ্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা এ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে মোট ৮টি দল অংশগ্রহণ করেছিল । 

অনুষ্টানে উপস্হিত ছিলেন সৈয়দ নাসিম, গোলাম মোস্তফা জাহাঙ্গীর, ইসলাম উদ্দিন,এডভোকেট তারিক হাসান, ফয়জুর রহমান (বড় ভাই), রুবেল মজুমদার ও আব্দুল গফুর , নুর মিয়া,আয়ুব আলী সুহাগ , মহিলা সম্পাদিকা শামিমা আক্তার প্রমুখ, শুরুতে পবিত্র কোরআন পাঠ করেন আবুল হাশেম। অনুষ্ঠানে সকলের দাবির প্রেক্ষিতে তিনজন প্রবাসী ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি আব্দুস সোবহান, আল আমিন ও আব্দুস সাত্তার বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ফ্রান্স প্রতিনিধি : ইউনেস্কোর ভাইস চেয়ারম্যান,বিয়ানীবাজারের কৃতিসন্তান,শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় ফ্রান্সে বসবাসরত আমরা বিয়ানীবাজারবাসীর পক্ষ থেকে আনন্দ উৎসব ও মিষ্টি বিতরণ অনুষ্ঠান ২৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে প্যারিসের গার দো নর্দের ক্যাফে প্যারিজিয়ানে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আমরা বিয়ানীবাজারবাসী আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিয়ানীবাজারের প্রবীণ মুরব্বি আব্দুল হান্নান। সাবেক ছাত্রনেতা জাকির হোসেনের প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় এতে বক্তব্য রাখেন,সাংবাদিক এনায়েত হোসেন সোহেল,সাংবাদিক আবু তাহির,সাংবাদিক লুৎফুর রহমান বাবু, দেলোয়ার হোসেন,মোয়াজ্জেম হোসেন কামাল,সোহেল আহমদ,পারভেজ আহমদ,আলী হোসেন,মিজানুর রহমান মিজান ,আব্দুল মুকিত,পারুল হোসেন,জাবুল হোসেন,আলম আহমদ, সুমন আহমদ,মোক্তাদির হোসেন,এমাদ উদ্দিন,শাহেদ আহমদ,জামিল আহমদ সুমন,ফাহিম চৌধুরী,নজমুল হোসেন,শাহ আলম,জাকির হোসেন,সাঈদ আহমদ প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন,শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ শিক্ষামন্ত্রী হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশে এ যাবৎকালের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন হয়েছে এবং হচ্ছে।তিনি পরিবর্তনের অগ্রদূত।এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামীতে বাংলাদেশে কোনো নিরক্ষর থাকবেনা,স্ব-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পুরো জাতি স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আরো উজ্জ্বীবিত হবে।

পরে উপস্থিত সকলে একে অন্যের মুখে মিষ্টি তুলে দেন।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget