2016-10-23

আব্দুল করিম,প্যারিস,ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে সিলেট শাহজালাল ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৬ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকেলে লা কর্ণভের ফুটবল মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় লা প্লেইন ফুটবল একাদশকে ১-০ গোলে পরাজিত করে ইলেভেন ষ্টার শিরোপা অর্জন করে। সিলেট শাহজালাল স্পোর্টিং ক্লাব বাংলাদেশ ফ্রান্স প্রতিবছরের ন্যায় এবার ও ব্যাপক জাকজমক ভাবে সিলেট শাহজালাল ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করে। 

এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর প্যারিসের বেশ কয়েকটি দল এ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ শেষে রোববার এর চূড়ান্ত পর্বের খেলা অনুষ্টিত হয়। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশী খেলা দেখতে আসেন।তুমুল প্রতিদ্বন্দিতা পূর্ণ এ খেলায় লা প্লেইন ফুটবল একাদশকে ১-০ গোলে পরাজিত করে ইলেভেন ষ্টার শিরোপা অর্জন করে বিজয়ী হয় । 

খেলা পরিচালনা করেন এনামুল ইসলাম,আব্দুল কাদির,শাহজাহান মিয়া, তাজ উদ্দিন। পরে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ক্লাবের সভাপতি ফয়ছল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলামের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,অল ইউরোপিয়ান এসোসিয়েশনের মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ ইনু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত প্রকাশক মিসবাহ উদ্দিন আহমদ পাশা,ফ্রান্স আওয়ামীলীগের উপদেষ্ঠা মিজান চৌধুরী মিন্টু,ইয়থ ক্লাব ফ্রান্সের সাধারণ সম্পাদক টিএম রেজা, বাংলাদেশ ফ্রান্স বিজনেস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত ভট্টাচার্য, স্বরলিপি শিল্পী গোষ্ঠী ফ্রান্সের সভাপতি এমদাদুল হক সপন,বাংলাদেশ ইয়ূথ ক্লাব ফ্রান্সের ক্রীড়া সম্পাদক মুসলিম রুমেল, গোলাপগঞ্জ এসোসিয়েশন এর সহ সভাপতি সালেহ আহমদ সালেহ, গোলাপগঞ্জ উপজেলা উন্নয়ন পরিষদ এর সাধারন সম্পাদক বিলাল আহমদ বিলাল।

 বক্তব্য রাখেন,বাংলাদেশ ক্রিকেট ক্লাব প্যারিসের সাধারন সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান টিপু,শাহ জালাল স্পোর্টিং ক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল কাদির, প্রচার সম্পাদক আব্দুল আহাদ, লা প্লেন একাদশ এর টিম ম্যানেজার পারভেজ আহমদ, ইলেভেন ষ্টার এর টিম ম্যানেজার সাজু আহমদ,সিলেট শাহ জালাল স্পোর্টিং ক্লাবের সদস্য ফয়জুল হক প্রমুখ । পরে খেলায় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলের মধ্যে অতিথিরা পুরষ্কার ও নগদ অর্থ বিতরন করেন। এ সময় সিলেট শাহজালাল স্পোর্টিং ক্লাব বাংলাদেশ ফ্রান্স আয়োজিত ক্যারেম প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন প্যারিস-বাংলা প্রেস ক্লাবের কর্মকর্তাদের হাতে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

ফিউল সাফি ডেনমার্ক: হাজার বছররে শ্রষ্ঠে বাঙ্গালী স্বাধীন বাংলাদশেরে স্থপতি জাতরি পতিা বঙ্গবন্ধু’ ও বঙ্গমাতা’র কন্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদশে সরকাররে তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্ররে মানসকন্যা, দেশরত্ন-জননত্রেী শেখ হাসিনা  অষ্টমবাররে মতো  বাংলাদশে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও গত কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদরে কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় শুভচ্ছো সহ অভিনন্দন জানিয়েছেন ডেনমার্ক আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ ।

 রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারস ইনস্টটিউিশনে ২০তম সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন রোববার বিকালে শেখ হাসিনা বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা দেয়ার পরপরই নির্বাচনী অধিবেশন শুরু হয় ।
 শুরুতইে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী সভাপতি পদে জননেত্রী শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন । এ পদে আর কোনো নাম না পাওয়ায় নির্বাচন কমিশনার ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন প্রধামন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসাবে ঘোষনা করেন । এসময় আনন্দে ফেটে পড়েন উপস্হিত নেতারা ।স্লোগানে স্লোগানে মুখরতি করে তুলেন ইঞ্জিনিয়ারস ইনস্টটিউিশন অডিটরিয়াম ।
এরপরই সাধারণ সম্পাদক হিসাবে ওবায়দুল কাদেরের নাম প্রস্তাব করনে সয়ৈদ আশরাফুল ইসলাম এবং এ পদে আর কোনো নাম না পাওয়ায় নির্বাচন কমশিনার  ওবায়দুল কাদেরকে  সাধারণ সম্পাদক হিসাবে ঘোষনা দেন ।
অন্যদিকে  প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসাবে  ঘোষণা করা হয় সৈয়দা সাজেদা  চৌধুরী,মতিয়া চৌধুরী,শেখ ফজলুল করিম সেলিম,ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন,রমেশ চন্দ্র সেন,অ্যাডভোকটে সাহারা খাতুন, আব্দুল মান্নান খান, পীযূষ কান্তি ভট্টার্চায, কাজী জাফরুল্লাহ, র্কনলে (অব.) ফারুক খান, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, ড. আব্দুর রাজ্জাক, নুরুল ইসলাম নাহিদ । নতুন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকঃ  নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুর রহমান এছাড়া  গত কমিটির তিন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ,ডা. দীপু মনি ও জাহাঙ্গীর কবরি নানক কেও  এ পদে রাখা হয়েছে ।
অনেক জল্পনা-কল্পনার পর দু’বাররে সফল সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম কে প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসাবে নির্বাচিত করা হয় ।
বিবৃতিতে সম্মতি জানান ডেনমার্ক  আওয়ামী লীগের প্রধান  উপদষ্টো  বাবু সুভাষ ঘোষ, মাহবুবুল হক,রাফায়েত হোসেন মিঠু,রিয়াজুল হাসনাত রুবেল,জাহিদুল  ইসলাম কামরুল, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা মজুমদার বাচ্চু ও সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান,সহ সভাপতি নিজাম উদ্দিন, খোকন মজুমদার,নাসির উদ্দিন সরকার,জাহিদ চৌধুরী,মোহাম্মদ সহিদ,নাসরু হক,
যুগ্ম-সম্পাদকঃ নাঈম বাবু, নুরুল ইসলাম টটিু, সফউিল সাফি, সাংগঠনিক সম্পাদকঃ সরদার সাইদুর রহমান, মোহাম্মদ সেলিম,গোলাম কিবরিয়া  শামীম।ডেনমার্ক আওয়ামী  লীগের র্কাযকরী কমটিরি সদস্য ,মোসাদ্দিকুর রহমান রাসেল,রনি ওমর,আমির জীবন,ফজলে রাব্বি,সামসুল আলম, সোহেল আহমেদ,সাফায়েত অন্তর,শামীম খান,তাসবির হোসেন,মাঞ্জুর আহমেদ মামুন,মনসুর আহমেদ,মোহাম্মদ ইউসুফ,মাসুম বিল্লাহ,শাওন রহমান,সাইদুর রহমান,নাজমুল ইসলাম,আরিফুল ইসলাম,হাসান শাহীন,তুহিন,দেবোশসি দাস,পরিতোষ সাহা,শাহিন মজুমদার,কবির হোসেন,অনু মিয়া,শফিকুর রহমান শাহাজান,আরিফুল হক আরিফ,আজাদুর রহমান,রাজ্জাক, মোফলেছুর রহমান,সামসুজ্জোহা একিন,নাজমুল হোসেন,দোলন সহ সকল নেতৃবৃন্দ ।
এই বিবৃতিতে  আরো সম্মতি জানানঃ বাংলাদশে আওয়ামী যুবলীগ ডেনমার্ক শাখা, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক  লীগ ডেনমার্ক  শাখা ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ডেনমার্ক  শাখার  সকল নেতৃবৃন্দ। 


সুফিয়ান আহমদ, বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ বিয়ানীবাজার ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মরণব্যাধী ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে তামাশায় মেতে উঠেছে । তাদের এরকম তামাশায় যেমন হতাশ রোগীরা তেমনি ক্ষুদ্ধ তাদের পরিবারের সদস্যরা। একদিকে পরিবারের মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তির  করুণ পরিণতি অন্যদিকে রোগী নিয়ে ক্যান্সার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তামাশা সকলের মনে সৃষ্টি করেছে নানা সন্দেহের।

কেনই বা মরণব্যাধী ক্যান্সার রোগীদের সাথে এরকম তামাশায় মেতে উঠেছে ক্যান্সার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা তা বুঝে উঠতে পারছেন না ভুক্তভোগীরা। ভুক্তভোগী পরিবারের মতে, ক্যান্সার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর প্রহরগোনা এসব রোগীদের নিয়ে তামাশা করে বরং নিজেরাই লাভবান হচ্ছেন আর ধুঁকে ধুঁকে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর প্রহর গুণছেন তাদের প্রিয় মানুষটি। যেখানে এই হাসপাতাল নিয়ে বিয়ানীবাজার উপজেলাবাসীসহ গোটা সিলেটবাসী আশায় বুক বেঁধেছিলো, সেখানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এরকম ব্যবহার সত্যিই হতাশাব্যঞ্জক।
সরেজমিনে রোগীদের বাড়িতে গিয়ে রোগী ও তাদের স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিয়ানীবাজার ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতালের আজব এই তামাশার কথা। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের নাম করে প্রতি বৎসর প্রবাসীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করে থাকেন। কিন্তুু সরকারী অনুমোদনহীন এই হাসপাতালে দেয়া হচ্ছে না বিনামূল্য চিকিৎসা। প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করতেও নেয়া হচ্ছে প্রাইভেট ক্লিনিকের মতো টাকা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এই কর্ম দেশে বিদেশে প্রকাশ পাওয়ায় দেখা দিয়েছে ক্ষোভ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে গিয়েও হচ্ছেন প্রশ্নের সম্মূখিন। সেবার নামে রোগীদের বাড়ী বাড়ী গিয়েও নানান প্রশ্নে জর্জরিত তারা। কোথাও যেন তাদের টাই নেই। রোগীদের ছবি তুলে প্রবাসে মিডিয়ায় প্রচার ও প্রকাশ নিয়ে রোগীদের অভিযোগের অন্ত নেই। এ নিয়ে অনুসন্ধানে গেলে বেরিয়ে আসে রোগীদের সাথে প্রতারণার চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মরণব্যাধী ক্যান্সারে আক্রান্ত মাথিউরা ইউনিয়নের দুয়াখা গ্রামের সাব্বির আহমদ ও কুড়ারবাজার ইউনিয়নের খশির ছাতল গ্রামের নাজমা বেগমের বাড়িতে গেলে তাদের নিয়ে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতালের তামাশার চিত্র ফুটে উঠে।
ক্যান্সারে আক্রান্ত মাথিউরা ইউনিয়নের দুয়াখা গ্রামের ৫ সন্তানের জনক সাব্বির আহমদ কথা বলতে না পারলেও তাঁর ৮০ বৎসরের বয়োবৃদ্ধ মা রুপজান বিবি দীর্ঘশ্বাস ফেলে কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ফুয়া  ছেলে) ৭ মাস থেকে ক্যান্সার রোগী। সিলেট, ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে কোন ফায়দা হচ্ছে না। এখন আমার ছেলে বিছনাত। আমি মা হইয়া আমার ছেলের এই অবস্থা সহ্য করতাম পারছি না। তিনি বলেন, প্রায় ২ মাস আগে ক্যান্সার হাসপাতাল থেকে এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ডাঃ জুমারাসহ তিন জন তাদের বাড়ীতে যান। এ সময় তারা আমার ছেলের কাগজপত্র দেখিয়া এবং  আমার ছেলে ছবি তুলিয়া নিয়ে গেলো। আর যাওয়ার সময় বললেন আমরা বেশি করি টাকা লইয়া হাসপাতাল যাইতাম। তাইলে তারা আমার ছেলের চিকিৎসা করবা। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমরা এত টাকা খই পাইতাম । এর পরে তারার আর কোন খবর নাই। আমার ছেলের কাগজরও খবর নাই। ক্যান্সার হাসপাতাল গেলে তারাও কাগজ দেন না। পরে আমার নাতি জোরে একদিন কাগজ আনছে। তিনি আরো বলেন, লন্ডন থাকি আমার আত্মীয়রা ফোনে জানান ইন্টারনেটও আমার ছেলের ছবি দেখিয়া আর অসুখ শুনিয়া  চিকিৎসার টাকা দিছইন। কিন্তু আমরা তো কোন টাকা পাইছি না। আমি যে রকম পারিয়ার নিজের আত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে আমার ছেলেরে ডাক্তার দেখাচ্ছি। এ সময় যোগ হন সাব্বির আহমদের খালাতো ভাই একই এলাকার বাসিন্দা আব্দুল বাছিত। তিনি বলেন, ক্যান্সার হাসপাতালের দায়িত্বশীলরা এসে সাব্বির উদ্দিনকে টাকাসহ নিয়ে যেতে বললে তাদের পরিবারের কেউ টাকার কথা শুনে ওই হাসপাতালে যান নাই। যার কারণে আমরা যেভাবে পারছি সেভাবে তাঁর চিকিৎসা করাচ্ছি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার ভাইয়ের কোন চিকিৎসা করছে না বিয়ানীবাজার ক্যান্সার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, অথচ তারা প্রচার করছে তারাই না কি আমার ভাইয়ের চিকিৎসা করছে। লন্ডন-আমেরিকা থেকে আমাদের আত্মীয়স্বজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাব্বির আহমদের চিকিৎসা হচ্ছে দেখে আমাদের কাছে ঠিকমত তাঁর চিকিৎসা হচ্ছে কি না এ বিষয়ে জানতে চাচ্ছে। তাদের এ রকম প্রশ্নে আমরা বিস্মিত হচ্ছি। আমরা তাদেরকে জানিয়েছি বিয়ানীবাজার ক্যান্সার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাব্বির আহমদের কোন চিকিৎসা করছে না। আর আমাদের কাছ থেকে এবিষয়ে জেনে অবাক হচ্ছেন তারাও। তিনি ক্ষুদ্ধ কন্ঠে বলেন, যেখানে আমরা এই রোগীর চিকিৎসা নিয়ে চিন্তিত সেখানে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মৃত্যু পথযাত্রী এই রোগীকে নিয়ে যে কাজ করেছে, তা সত্যিই অবাক করার মত। আমরা এমনটি অন্তত তাদের কাছ থেকে আশা করি নি।  এটা বলতে গেলে রোগীর সাথে অনেকটা তামাশার শামিল। শুধু সাব্বির আহমদ-ই নয় এরকম অসংখ্য রোগীর সাথেও একই ব্যবহার করেছে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ক্যান্সার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তোলা ছবি সামাজিক মাধ্যমে দেখে বিদেশে থাকা আত্মীয়স্বজনের বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছেন মরণব্যাধী রোগে আক্রান্ত রোগীরা। এ রকমই একজন উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের খশির চাতল গ্রামের জরায়ু ক্যান্সার আক্রান্ত অসহায় লাল মিয়ার স্ত্রী নাজমা বেগম। ৫০ উর্দ্ধো এই রোগী বলেন, ৯/১০ মাস আগে আমার বাড়িত বিয়ানীবাজার ক্যান্সার হাসপাতালর এ্যাম্বুলেন্স লইয়া ২জন মহিলা আর ২জন পুরুষ আসেন। তারা আমার ছবি তুলিয়া লইয়া গেল। আর আমারে খইলা খইতাম তাইন তাইন আমার চিকিৎসা কররা। আমি তান তানর হিকাইল খতা খইলাম। যাইতে তাইন তাইন টেষ্ট দিয়া গেলা। আমি সিলেট গিয়া টেষ্ট করিয়া আইলাম। এর বাদে একদিন আমি গেলাম হাসপাতাল। তাইন তাইন খইলা থেরাপী দিতাম। যা টেখা আয় অর্ধেক টেখা তাইন তাইন দিবা আর অর্ধেক আমি দিতাম। আমি গরীব মানুষ অত টেখা খই ফাইতাম। এর লাগি আর গেছি না, তাইন তাইনও আর খবর রাখছইন না। তিনি বলেন, মাসখানিক আগে আমার ফাশর বাড়ির এক চাচীএ ফোন দিছইন লন্ডন তাকি। খইলা আমার ছবি দেখছইন, আমি বেমার হুনিয়া আমার চাছী ইতায় টেখা দিছইন। কিন্তু আমি ত কোন টেখা ফাইছি না। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আমার চিকিৎসার জন্য দেয়া এসব টাকা গেল কোথায় ?
মৃত্যু পথযাত্রী এরোগীর বড় ছেলে আবুবক্কর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা গরীব হওয়ায় কি আমাদের সাথে এই ব্যবহার করা হলো। যেখানে আমার মায়ের চিকিৎসা নিয়ে আমরা রীতিমত হিমশিম খাচ্ছি, সেখানে ক্যান্সার হাসপাতালের দায়িত্বশীলরা কেন আমাদের সাথে এই তামাশা করলেন তা আমাদের বুঝে আসতেছে না।
এদিকে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ক্যান্সার রোগীদের সেবা দানের সংবাদ এলাকা ভিত্তিক প্রচার করলে প্রথম দিকে বেশ কিছু রোগীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যেত। প্রথম দিকে মাত্র ৬০ টাকা গ্রহণ করে একজন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ রোগীদের সেবা দিতেন। কিন্তুু বর্তমানে তা বাড়িয়ে ৪শ১০ টাকা করায় রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। বলতে গেলে তা এখন শূন্যের কোটায়। অসংখ্য গরীব-অসহায় রোগী অভিযোগ করে বলেছেন, এখানে এসে ৪শ ১০ টাকায় ডাক্তারের সাথে সাক্ষাৎ করে ব্যবস্থাপত্র নিয়ে সিলেট থেকে টেস্ট করিয়ে আবার সমান টাকায় রিপোর্ট দেখানোর চেয়ে একই দিনে সিলেটে গিয়ে ৫শ টাকায় বিশেষজ্ঞ টাকার দেখিয়ে সেখান থেকে প্রেসক্রিপশন নেয়া সম্ভব। তাই এখানে আসার প্রয়োজন নেই। রোগীরা জানান, প্রচার করা হয় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার হাসপাতালে ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। কিন্তুু এখানে এসে তার উল্টো চিত্র পাওয়া যায়। অনেক রোগী অভিযোগ করে বলেন, বিদেশ থেকে আমাদের বলা হয় ক্যান্সার হাসপাতালে তারা টাকা দিয়েছেন, এখানে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়া হয়। আমরা তাদের কথামতো এখানে এসে তা পাই না। তাই এ নিয়ে আমরা প্রবাসে থাকা আমাদের আত্মীয়দের সাথে কথা বললে তারা তা বিশ্বাস না করে তর্কে জড়ান।  
যুক্তরাজ্য থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, বিয়ানীবাজার ক্যান্সার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সারা দেশের ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের সেবা করার নাম করেই তাদের কার্যক্রম শুরু করে। মরণব্যাধি এ রোগের চিকিৎসা দেশের মানুষ একটি উপজেলা থেকে গ্রহণ করতে পারবেন এ খবরে অনেকে আশায় বুক বাধলেও প্রথম থেকেই অনেকে এ নিয়ে দ্বিমত পোষণ করতে থাকেন। এর মধ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষ তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকেন। ট্রাষ্টিদের দেয়া টাকা ছাড়াও ফান্ড রাইজিং এর মাধ্যমে বিশাল অংকের টাকা তারা প্রবাসীদের পকেট থেকে নিয়ে আসেন। নারী পুরুষ সবাই ক্যান্সার রোগীদের সেবার স্বার্থে বিশাল অংকের টাকা দান করতে থাকেন। সূত্রটি জানায়, হাসপাতাল ভবণের প্রতিটি ইট বালু প্রবাসীদের দেয়া টাকার। কিন্তুু সম্প্রতি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রবাসীদের কষ্টার্জিত টাকায় নির্মিত ভবণের বিভিন্ন কক্ষ আবার বিক্রি শুরু করেছেন। প্রবাসীদের টাকায় নির্মিত ভবণের একেকটি কক্ষ এখন একেক জনের নামে হচ্ছে। ইতোমধ্যে ২টি কক্ষ বিক্রি করে দুই জনের নামে করে দেয়া হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, আমাদের টাকায় ভবণ নির্মাণ করা হলো। সমস্ত ই্ট বালু আমাদের কষ্টার্জিত টাকার। কিন্তুু এখন হাসপাতাল ভবণ একে একে অন্যের নামে বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে। যা প্রবাসীদের সাথে প্রতারণার শামিল বলে ওই ব্যক্তি জানান। ওই ব্যক্তির মতে, এখানের সমস্ত কার্যক্রম এখন বাণিজ্যিক ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।   

এ প্রসঙ্গে জানতে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতালের সুপারেনটেনডেন্ট ডাঃ সজিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক রোগীদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারে রশিদ প্রদানের মাধ্যমে টাকা আদায় করা হচ্ছে। তবে রশিদ গুলো ডাক্তাররা তাদের কাছে রেখে দেওয়ার কথাও জানান তিনি। তিনি জানান, গরীব রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষার ক্ষেত্রে সামান্য ছাড় দেওয়ার নির্দেশনা তাদের কাছে রয়েছে। যা তারা দিয়ে যাচ্ছেন। এরপর ক্যান্সার রোগীদের বিষয়ে জানতে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতালের ম্যানেজার ফাতেমা-তুজ জোহরার সাথে যোগোযাগ করা হলে তিনি অসুস্থ বলে ফোন রেখে দেন।

সেলিম আলম,মাদ্রিদ : "এসো আল্লাহর নামে গান গাই" আজকে ছোট কালকে মোরা বড় হবো ,জ্ঞানের আলোয় আমরা আলোকিত করবো চারদিক এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ২২ অক্টোবর সকাল ১১ টায় মাদ্রিদের লাভাপিয়েছে "মুসলিম ফোরাম অফ স্পেনের" লাইব্রেরী মিলনায়তনে আলহামরা একাডেমিয়া কুলতোরালেস এর উদ্যোগে এসো আল্লাহর নামে গান গাই  ব্যানারে মাদ্রিদে বসবাসরত বাঙালী শিশু কিশোরদের নিয়ে একটি ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে
উক্ত অনুষ্ঠানে "মুসলিম ফোরাম অফ স্পেনের" সভাপতি নুরুল আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভা পরিচালনা করেন 'আলহামরা একাডেমিয়া কুলতোরালেস "এর পরিচালক মৌলানা মারুফ বিল্লাহ, মাদ্রিদ বাঙালী কমিউনিটির "বায়তুন নুর" মসজিদের ঈমাম মাওলানা মৌলানা হাছান,
কমিউনিটি মক্তবের শিক্ষক
মৌলানা জামাল উদ্দিন, "বাঙলা টিভি ইউ কে" এর স্পেন প্রতিনিধি সাংবাদিক সেলিম আলম, মাদ্রিদ বাঙালী কমিউনিটির বিশেষ ব্যাক্তিত্ব আবু সায়েম মজুমদার, মোহাম্মেদ ইমন, হাবীব সহ কমিউনিটি ব্যাক্তিবর্গ. অনুষ্ঠানের সভাপতি নুরুল আলম বলেন, প্রবাসে আমাদের বাঙালীদের সন্তানরা যেন ইউরোপিয়ান কালচারের সাথে মিশে না যায় পিতা মাতা হিসেবে আমাদেরকে সেদিকে ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে. "আলহামরা একাডেমিয়া কুলতুরালেস"
এর পরিচালক
মৌলানা মারুফ বিল্লাহ বলেন, স্পেনে বাঙালী কমিউনিটিতে একমাত্র ইসলামি সাংস্কৃতিক সংগঠন হচ্ছে 'আলহামরা একাডেমিয়া কুলতুরালেস "আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে ইসলামি সংস্কৃতিতে বেড়ে উঠতে পারে, জ্ঞানের আলোয় যেন নিজেদের গড়তে পারে এবং বিশ্বকে আলোকিত করতে পারে সেজন্য আমাদের সন্তানদেরকে "আলহামরা একাডেমিয়া কুলতুরালেস" সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন,
অনুষ্ঠানে শিশু কিশোরদের নিয়ে কুরান তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা, এল রেতো দে বতেজা চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতা, একক সংগীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশিত হয়, অনুষ্ঠান শেষে প্রতিযোগীদের মধ্যে আকর্ষণীয় পুরুষ্কার ও সুস্বাদু খাবার পরিবেশন করা হয়।

সেলিম আলম,মাদ্রিদ : মহামায়া শ্রী শ্রী দুর্গাদেবীর পুজা উপলক্ষে স্পেনের মাদ্রিদে নির্মিত হয় দুটি পুজা মন্ডপ পৃথক ভাবে উদযাপিত পূজায় ৫ দিনের বিভিন্ন অনুষ্টান মালায় অংশ গ্রহন করে প্রবাসী হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা

পুজা মন্ডপ গুলো পরিদর্শন করেন স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার সহ দুতাবাসের কর্মকর্তা বৃন্দ হিন্দু শাস্ত্রমতে দুর্গতি নাশিনী মা দুর্গা স্বর্গলোকের কৈলাসে স্বামী গৃহ থেকে মতৈ পৃত্যৃলোকে বেড়াতে আসেন,সঙ্গী হিসেবে আসেন তার কন্যা স্বরসতী ও লক্ষ্মী আর ২ ছেলে গনেশ ও কার্তিক।

সে সময় রাজা সুরত প্রথম দেবী দুর্গার আরাধনা করেন, আর তখন থেকে শুরু হয় শারধীয় দূর্গোতসব, মাদ্রিদে পৃথক দুটি পূজা উদযাপন কমিটির আয়োজনে অনুষ্টিত হল সার্বজনীন শারদীয় দূর্গোৎসব ধর্ম,বর্ন,জাতী বেধাবেধ ভুলে সকলের অংশ গ্রহনে পূজা সার্বজনীনতা লাভ করে। সকল কে শারদীয় শুভেচ্ছা প্রদান করে রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ বলেন প্রবাসে ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সকল বাংলাদেশীদের মিলে মিশে বসবাস করতে হবে

মাদ্রিস্হ কাইয়ে খুয়ানেলো পূজা পরিষদের সভাপতি শ্রী উত্তম মিত্র, সেক্রেটারি স্বপন কোমার শাহা,এবং কাইয়ে ফে পূজা পরিষদের সভাপতি উত্তম ভুঁইয়া, সাধারন সম্পাদক কাজল চন্দ্র দেশ ও বিদেশের সকল কে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন সকলের সার্বীক সহযোগীতা থাকলে আরো ব্যপক পরিশরে প্রতি বছর এ আয়োজন করা হবে ।

মন্ডপে সংগঠনের নেতৃ বৃন্দের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন রুবেল চক্রবতী্‌ ,শ্যমল তালুকদার, বিকাশ চক্রবতী ,পার্থ সারতী দাস সহ কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ। মহাসপ্তমীর মধ্য দিয়ে পুজা শুরুর পর অষ্টমী ,নভমী ও দশমীর মাধ্যদিয়ে শেষ হয় পুজার সকল আনুষ্টিকতা সম্পর্ন হয়

সেলিম আলম , মাদ্রিদ : স্পেনে বাংলাদেশ দূতাবাস এর সম সাময়িক কার্যক্রম ও প্রবাসিদের সার্বিক সেবার পরিধি বৃদ্ধির প্রসঙ্গ নিয়ে স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভা করেছে মাদ্রিদস্থ বাংলাদেশ দুতাবাস ।

বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধি, রপ্তানি খাতে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, কন্সুলেট সেবার মান উন্নয়নসহ মৃত্যুর পর প্রবাসিদের মরদেহ সরকারি খরচে বাংলাদেশে পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করেছে মাদিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। গত বুধবার মিট দা প্রেস অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ দূতাবাসের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে এ সব কথা জানান। নিম্নে প্রদান কৃত লিংক গুলোতে আপনাদের সকল প্রকার নিয়মাবলী সহ  ফেইসবুকে মাধ্যমে সহায়তা প্রদানের সুবিধা রয়েছে ।

বাংলাদেশ দূতাবাস অফিসিয়াল ওয়েবসাইট : (www.bangladeshembassy.es) খোলার পাশাপাশি ফেসবুকেও আইডি : (https://www.facebook.com/Bangladesh-Embassy-Madrid) খোলা হয়েছে, যার মাধ্যমে কন্সুলেট সেবার মান বেড়েছে, বার্সেলোনায় প্রতি দুই মাস পরপর কন্সুলেট সেবা প্রদান করায় সেখানের প্রবাসি বাংলাদেশীরা সময় এবং আর্থিকভাবেও উপকৃত হচ্ছেন বলে জানান কমার্শিয়াল কাউন্সিলর।

স্পেনে বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। রফতানি খাতে বাংলাদেশ স্পেনে বৈশ্বিকভাবে ৪র্থ স্থান অর্জন করেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইপিবি ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে রপ্তানি আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা প্রদান করেছিল, মাদ্রিদ মিশন তা পূর্ণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং স্প্যানিশদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করছে বলেও জানান মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ।

মুক্ত আলোচনায় বাংলাদেশ দূতাবাসের হেড অব চেন্সেরি হারুণ আল রাশিদ, ফার্স্ট সেক্রেটারি (লেবার উইং) মোহাম্মদ শরিফুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুর পর প্রবাসিদের মরদেহ সরকারি খরচে বাংলাদেশে প্রেরণের প্রসঙ্গ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে দূতাবাসের হেড অব চেন্সেরি হারুণ আল রাশিদ বলেন, মরদেহ সরকারি খরচে বাংলাদেশে প্রেরণের কার্যক্রম মাদ্রিদ মিশন ইতোমধ্যে শুরু করেছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। এ আলোচনায় সংবাদকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন একাত্তর টিভির প্রতিনিধি নুরুল ওয়াহিদ, বাংলা ভিশন প্রতিনিধি মিনহাজুল আলম মামুন, বাংলা টিভি স্পেন প্রতিনিধি সেলিম আলম, আমার দেশ ও চ্যানেল আই মাদ্রিদ প্রতিনিধি বকুল খান, দেশকণ্ঠ সম্পাদক এ কে এম জহিরুল ইসলাম ও চ্যানেল আই স্পেন প্রতিনিধি সাহাদুল সুহেদ।









































































জনপ্রিয় অনলাইন : মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক চরমপন্থী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) এবার ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় আনবার প্রদেশের প্রত্যন্ত শহর রুৎবায় হামলা চালিয়েছে। রোববার বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

মসুল শহর পুনর্দখল করতে ইরাকের সরকারি বাহিনী যখন ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে ঠিক তখন আইএস এই শহরে হামলা চালালো। ধারণা করা হচ্ছে সরকারি বাহিনীর মনোযোগ অন্যদিকে আকৃষ্ট করার জন্যই আইএস এ হামলা চালিয়েছে।
রুতবা শহরের মেয়র বলেছেন, আইএস শহরের তিন দিক দিয়ে হামলা চালিয়েছে। তিনি এ হামলাকে ভয়াবহ বলে মন্তব্য করেছেন।
এদিকে কুর্দি পেশমারগা বাহিনী জানিয়েছে, তার মসুলের ‍উত্তর-পূর্বে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। তারা মসুলের কাছাকাছি বাশিকা শহরটি দখল করে নিয়েছে।
এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরাকের কুর্দি অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট মাসুদ বারজানি মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অ্যাশ কার্টারকে জানিয়েছেন ইসলামিক স্টেটের কাছ থেকে কুর্দি বাহিনী বাশিকাকে মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে।

কুর্দি পেশমার্গা বাহিনী জানিয়েছে, তারা শহরের ভেতরে প্রবেশ করেছে। তবে শহরটিতে সাংবাদিকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

জনপ্রিয় অনলাইন : লিবিয়ার সিতরে শহর থেকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বন্দীদশা থেকে এক বাংলাদেশিসহ পাঁচ বিদেশিকে উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ২০ অক্টোবর স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। লিবিয়ার আইএসের সর্বশেষ ঘাঁটি হচ্ছে সিতরে। শহরটি থেকে আইএসকে উচ্ছেদের জন্য গত ছয় মাস ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বনিয়ান মারসুস নামে সরকারি সেনাদের একটি গ্রুপ। বৃহস্পতিবার সিতরে হামলা জোরদার করে গ্রুপটি।

বনিয়ান মাসরুর মুখপাত্র রিদা ইসা জানিয়েছেন, মুক্ত করা বিদেশিদের মধ্যে দুজন তুরস্কের, দুজন ভারতের এবং একজন বাংলাদেশের নাগরিক। তবে তাদের কারো নাম-পরিচয় জানাতে পারেননি তিনি। এদেরকে কবে বন্দী করা হয়েছে তাও জানা যায়নি। তবে গত দুই বছর ধরে লিবিয়ায় কর্মরত বিদেশি শ্রমিকদের অপহরণ করছে আইএস যোদ্ধারা।

জনপ্রিয় অনলাইন : আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদের নির্বাচিত হওয়ায় তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কচি-কাঁচা মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমি তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি, শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
একই সঙ্গে এই প্রত্যাশা করছি, জাতির যে আশা, জাতির যে আকাঙ্ক্ষা- গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেওয়া, অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, এর জন্য তারা কাজ করবেন।
বিশিষ্ট চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব চাষী নজরুল ইসলামের ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে এই আলোচনা সভা ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট

আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে দলটির নতুন নেতা নির্বাচিত হয়েছেন শেখ হাসিনা (সভাপতি) ও ওবায়দুল কাদের (সাধারণ সম্পাদক)।

জনপ্রিয় অনলাইন : আওয়ামী লীগের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়েছে। আগের কমিটি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে নূহ আলম লেনিনকে।
আজ রোববার আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিলের দ্বিতীয় দিনে প্রেসিডিয়াম সদস্যদের তালিকায় তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়। এর আগের কমিটিতে পদাধিকার বলে তিনি সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।
১৯ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যের মধ্যে ১৬ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদাধিকার বলে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। ওবায়দুল কাদের আগের কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।
সভাপতিমণ্ডলীর বাকি ১৪ জনের মধ্যে আটজন পুরোনো সদস্য।
তারা হলেন- সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফরউল্লাহ, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সাহারা খাতুন, মোশাররফ হোসেন।
নতুন ছয় সদস্য হলেন- নুরুল ইসলাম নাহিদ, আবদুর রাজ্জাক, ফারুক খান, আবদুল মান্নান খান, রমেশ চন্দ্র সেন ও পীযুষ ভট্টাচার্য।
বাকি তিনটি পদ ফাঁকা রাখা হয়েছে।
নতুন করে সভাপতিমণ্ডলীর পদে যুক্ত হয়েছেন ছয়জন। বিগত কমিটির সভাপতিমণ্ডলী থেকে বাদ পড়েছেন নূহ আলম লেনিন।
এছাড়া চারটি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদের তিনটিতে পুরোনোরাই বহাল আছেন।
তারা হলেন- মাহবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি ও জাহাঙ্গীর কবির নানক। এর সাথে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন আবদুর রহমান।
কোষাধ্যক্ষ পদে আগের এইচ এন আশিকুর রহমানই বহাল আছেন।

আজকের সম্মেলন থেকে জানানো হয়েছে, ৮৩ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির বাকি ৬০ পদ সভাপতি শেখ হাসিনা সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের সাথে আলোচনা করে ঠিক করবেন।

জনপ্রিয় অলনাইন : আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে দলটির সভাপতি হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

আজ রোববার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন রমনার ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন দলটির সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী।এসময় উপস্থিত কাউন্সিলররা কণ্ঠভোটে সম্মতি জানান।এছাড়া দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নাম প্রস্তাব করেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

পরে কাউন্সিলররা কণ্ঠভোটে সম্মতি দিলে নির্বাচন কমিশনার ইউসূফ হোসেন হুমায়ুন আনুষ্ঠানিকভাবে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের নাম ঘোষণা করেন।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget