2016-10-16

জনপ্রিয় অনলাইন : দাওয়াত ছাড়াই আওয়ামী লীগ কাউন্সিলে আতিথেয়তা নিতে চেয়েছে জাতীয় পার্টি। জাতীয় পার্টিকে সম্মেলনে যাওয়ার জন্য কোনো আমন্ত্রণ পাঠায়নি আওয়ামী লীগ। এমনকি দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশন এরশাদকেও চিঠি বা ফোনে কোনো দাওয়াত দেওয়া হয়নি।

তারপরও জাতীয় পার্টিতে সরকারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং জিয়াউদ্দিন বাবলু আওয়ামী লীগ কাউন্সিলে দলের প্রতিনিধি পরিচয়ে গিয়েছেন। সেখানে এরশাদের একটি বাণী পোঁছে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
তবে জাতীয় পার্টির ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং জিয়াউদ্দিন বাবলু নিজেদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে আওয়ামী লীগ সম্মেলনে গিয়েছেন। জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ শনিবার তার কার্যালয়ে যাননি। দলের মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে টেলিভিশন দেখে নেতাকর্মীদের নিয়ে আওয়ামী লীগ কাউন্সিল পর্যবেক্ষণ করছেন। জিএম কাদের আছেন রংপুরে। এরশাদও শনিবার তার আনুষ্ঠানিক কোনো কর্মসূচি রাখেননি।
আওয়ামী লীগ কাউন্সিলে দাওয়াত পেয়েছিলেন কি না জানতে চাইলে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায় টেলিফোনে পরিবর্তন ডটকমকে সরাসরি কোনো উত্তর না দিয়ে বলেন, টেলিভিশনে ২ জন নেতার জাতীয় পার্টির প্রতিনিধিত্ব করতে দেখেছি।
এ বিষয়ে জিএম কাদেরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তার ব্যাক্তিগত সহকারী আবু তৈয়ব জানান, জাপার কো চেয়ারম্যান রংপুর অঞ্চলে একটি ইউনিয়ন কাউন্সিল নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে ব্যস্ত।

তৈয়ব জানান, জিএম কাদের তার কাছে শনিবার নিজেই জানতে চেয়েছিলেন যে জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগ কাউন্সিলের দাওয়াত দেওযা হয়েছে কি না? জিএম কাদের নিজেই এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে আবু তৈয়ব জানান।

জনপ্রিয় অনলাইন : আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দলের সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরকে ঠেকাতে শেষ চেষ্টা করেও পারেননি।

জেলখানায় নিহত জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদের পুত্র সোহেল তাজকে নিয়ে শেষ ট্রাম কার্ড ছুড়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেশে ফিরে আসা সোহেল তাজের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক শেষে তিনি গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে নিজের মতো করে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। এমনকি দলীয় আবেগ জড়ানো আওয়ামী লীগ পরিবারের আরো দুএকজনকে নিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন ওবায়দুল কাদেরকে সাধারণ সম্পাদক না করে সোহেল তাজকে সাধারণ সম্পাদক করলে তিনি সার্বক্ষণিক সংগঠনকে সময় দিতে পারবেন। এমনকি সোহেল তাজের দলের ভেতরে বাইরে যে ইমেজ রয়েছে তাও তুলে ধরেন। শুক্রবার রাতেই হোটেল সোনারগাঁয়ে দলীয় সম্মেলনে আসা বিদেশী মেহমানদের সঙ্গে নৈশভোজ শেষে সাংবাদিকদের বলেন, সকল জল্পনা কল্পনা ভুয়া পরিণত হবে। কাউন্সিলে নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে। কোন স্লোগানে কাজ হবে না। চমক নেত্রী আর তিনিই শুধু জানেন। এরপর থেকেই কাউন্সিলে একাংশ ছড়িয়ে দিতে থাকেন সৈয়দ আশরাফই বহাল থাকছেন না হয় সোহেল তাজ সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন।  
শনিবার সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে সৈয়দ আশরাফ আবেগঘন বক্তৃতা করেন। কিছুদিন আগেও তিনি নেতাকর্মীদের যেখানে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন খাই খাই স্বভাব ছাড়তে। পঁচাত্তরেও দল ক্ষমতায় ছিল। সংগঠন ছিল। সকল বাহিনী ছিল। তবুও বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করা যায়নি। সেখানে সম্মেলনে বলেছেন, আওয়ামী লীগ অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে এখন বেশি শক্তিশালী এবং পৃথিবীর একটি শ্রেষ্ঠ দল। তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের সন্তানই নয়, তার পিতাকে যে হত্যা করা হয়েছে অশ্রুসজল নয়নে আবেগআপ্লুত কণ্ঠে তাও তুলে ধরেন। তিনি বলেছেন, তিনি দুবার সাধারণ সম্পাদক থাকা কালে শেখ হাসিনার পরামর্শেই দল চালিয়েছেন। দলে কোন ভাঙন ধরেনি। কোন ইজম তৈরি হয়নি। তার এই বক্তব্য কাউন্সিলর, ডেলিগেটদেরই নয় শেখ হাসিনাকেও অশ্রুসজল করেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের অনেকে বলছেন, সৈয়দ আশরাফ দলের নেতাকর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্য ও সম্মানিত হলেও তার দুই মেয়াদে সংগঠনকে সময় দেননি। দলীয় কার্যালয়ে নিয়মিত যাওয়া দূরে থাক মাঠের নেতাকর্মীরাও তাকে পাননি। সম্মেলন ছাড়া সংগঠনের জন্য জেলা সফরও করেননি। এমনকি ইতিহাসের সর্ববৃহৎ ও বর্ণীল এবারের উৎসবমুখর জাতীয় সম্মেলন আয়োজনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যারা কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন ওবায়দুল কাদের তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য। ছাত্রলীগের সভাপতি থেকে আজ পর্যন্ত রাজনীতিতে দীর্ঘ পথ হাঁটা ওবায়দুল কাদের তৃণমূল থেকে নিরন্তর কাজ ও সংগ্রামের ভেতর দিয়ে দল ও তার নেত্রীর প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েই সরকার ও দলের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। জেল নির্যাতন বারবার ভোগ করেছেন। অনেক আগেই শেখ হাসিনা দলের সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরকে আনতে চেয়েছেন। কিন্তু ১/১১এর পর সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে সংগঠন ও মন্ত্রণালয়য়ে সময় না দেওয়ার পরও তিন দফা মন্ত্রী ও দুই দফা দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেছেন। কারণ তার পিতার আত্মত্যাগ এবং সৈয়দ আশরাফের প্রতি স্নেহশীল হৃদয়েরই উপহার ছিল এটি।
সোহেল তাজের জন্য অতীতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ দীর্ঘদিন খালি রেখেছিলেন। শেখ হাসিনা তার মন্ত্রিত্বের জায়গাও খালি করেননি। কিন্তু শেখ হাসিনা ও তার সরকারকে বিব্রত করে সোহেল তাজ মন্ত্রিত্ব, সংসদ সদস্য পদ ছেড়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেলেও বারবার তাকে মাতৃস্নেহ দিয়ে ফিরিয়ে আনতে চেয়েছেন। এমনকি সোহেল তাজ না আসায় শেখ হাসিনা ছোটবোন শেখ রেহানাকে নিয়ে সৈয়দা জহুরা তাজউদ্দিনের কাছে গেছেন এবং তাজউদ্দিন কন্যা সিমিন হোসেন রিমিনকে সংসদ ও দলে ঠাই দিয়েছেন। শহীদ তাজউদ্দিনের আত্মত্যাগের প্রতি শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা থেকে এবারও তিনি সোহেল তাজকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়ে আগামী দিনের রাজনীতির জন্য অভিজ্ঞ করে গড়ে তুলতে চান। কিন্তু এবার সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরকে দায়িত্ব দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত তিনি গ্রহণ করেছেন সেটি থেকে নড়বেন না। দলের মাঠকর্মীদের সঙ্গে ওবায়দুল কাদেরের যে যোগাযোগ, তার প্রতি যে নিঃশর্ত আনুগত্য এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তিনের সমন্বয়ে আগামী দিনের রাজনীতি ও নির্বাচনের উপযোগী শক্তিশালী সংগঠন দিতেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে সভাপতির বক্তৃতায় জেলা নেতাদের বলেছেন ঘরহীন ও ভূমিহীনদের তালিকা দিতে। সংগঠনকে দারিদ্রমুক্তির সংগ্রামে যুক্ত করতে সক্রিয় সাধারণ সম্পাদকের প্রয়োজন। সেখানে ওবায়দুল কাদেরকেই দায়িত্বশীল মনে করছেন। অন্যদিকে ওবায়দুল কাদের বরাবরই বলে এসেছেন, তিনি সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নন। সবাই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। শেখ হাসিনা যাকে দায়িত্ব দেন তাকেই দল মেনে নেব। শেখ হাসিনা কাউন্সিলরদের রোববারের কাউন্সিল অধিবেশনে উপস্থিত থাকতে বলেছেন। রোববার সাড়ে নয়টা থেকে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হবে। মধ্যাহ্ন ভোজের পর শেষ অধিবেশনে বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত ও নতুন সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হবে। দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ আর উত্তেজনার প্রহর যাচ্ছে। এবারের কাউন্সিলে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লবের নায়ক সজীব ওয়াজেদ জয়ের অভিষেক ঘটছে। সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে আগামী দিনের নেতৃত্ব হিসেবে তাকে কাউন্সিলদের সামনে পরিচয়ও করিয়ে দেন। মুহুর্মুহু করতালিতে দল তাকে অভিনন্দিত করে। এবারের নবগঠিত কমিটিতে সজীব ওয়াজেদ জয় থাকছেন ওয়ার্কিং কমিটির এক নম্বর সদস্য। শেখ হাসিনার রানিং মেট হিসেবে সাধারণ সম্পাদক হতে যাচ্ছেন ওবায়দুল কাদের। প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হবেন সোহেল তাজ। জেল হত্যাকাণ্ডে শহীদ বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ চার নেতার সন্তানদেরকে শেখ হাসিনা দলীয় রাজনীতিতেই মর্যাদা ও সম্মান দেননি, রাষ্ট্রপরিচালনায় তাদের যুক্ত করেছেন। তাদের পিতাদের দেশ ও দলের জন্য আত্মত্যাগের ঋণ শোধ করতে তিনি কার্পণ্য করেননি।

সুফিয়ান আহমদ, বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ রোটারী ক্লাব ডিষ্ট্রিক্ট ৩২৮২ এর গভর্ণর রোটারিয়ান শহিদ আহমদ চৌধুরী পিএইচএফ বলেছেন, রোটারীয়ানরা হলেন মানব কল্যাণের অগ্রদূত।

অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে রোটারীয়ানরা সব সময় অগ্রণী ভুমিকা পালন করে থাকেন। যার কারণে বিশ্বে একটি রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্টিত হয়ে আছে রোটারী ক্লাব। তিনি বলেন, রোটারী ক্লাব অব বিয়ানীবাজার তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে সিলেটসহ গোটা বাংলাদেশে পরিচিত লাভ করেছে।

যা প্রশংসার দাবী রাখে। তিনি মানব কল্যাণে কাজ করে সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য রোটারী ক্লাব অব বিয়ানীবাজারের নেতৃবৃন্দসহ সকল রোটারীয়ানদের আহবান জানান।
শনিবার সকাল ১১ টায় রোটারী ক্লাব অব বিয়ানীবাজারে অফিসিয়াল ভিজিটে এসে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ক্লাবের প্রেসিডেন্ট রোটারীয়ান সালেহ আহমদের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডেপুটি গভর্ণর রোটাঃ একেএম শামসুল হক দিপু ও  ডিষ্ট্রিক্ট  ট্রেজারার রোটাঃ পিপি ইকবাল হোসেন।


রোটারীয়ান আব্দুল হাদীর ক্বোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সেক্রেটারী রোটাঃ মিজানুর রহমান, আ্ইপিপি রোটাঃ ফখর উদ্দিন, পিপি রোটাঃ গৌছ উদ্দিন আহমদ খোকা, পিপি রোটাঃ সাব্বির আহমদ, পিপি রোটাঃ আবুল কালাম, ট্রেজারার রোটাঃ ইমরান হোসেন দিপক, প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটাঃ নজরুল ইসলাম লিটন, রোটাঃ কামাল হোসেন, রোটাঃ লোকমান হোসেন, রোটাঃ জামিল হোসেন, রোটাঃ নাসির উদ্দিন, রোটাঃ ডাঃ আবু ইসহাক, রোটাঃ ফয়জুল ইসলাম সুজেল, রোটাঃ আব্দুল মতিন, রোটাঃ সাব্বির আহমদ, রোটাঃ দেলওয়ার হোসেন, রোটাঃ বাবুল আহমদ, আইপিপি রোঃ জুবায়ের আহমদ,পিপি রোঃ আতাউর রহমান, পিপি রোঃ আহমদ মহিউদ্দিন মিশু, পিপি রোঃ হাজী মাহবুবুর রহমান, প্রেসিডেন্ট রোঃ সিদ্দিক আহমদ, সেক্রেটারী রোঃ সালেক আহমদ, এডিটর রোঃ সুফিয়ান আহমদ, জয়েন্ট এডিটর রোঃ জাফর আহমদ, ট্রেজারার রোঃ লোকমান খন্দকার প্রমুখ। সভা শেষে রোটারীয়ান জামিল আহমদের সৌজন্যে  রোটারী ক্লাব অব বিয়ানীবাজার থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দুব্যক্তির হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন ডিষ্ট্রিক্ট গভর্ণর রোটারীয়ান শহিদ আহমদ চৌধুরী।

সফিউল সাফি : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগেরর কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে যোগ দিতে সকলের শ্রদ্ধাভাজন জননেত্রি শেখ হাসিনার বিশ্বস্থাতার প্রীতক  সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্রী  অনীল দাশ গুপ্ত ঢাকায় পৌঁছেছেন। 

শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে বেলা ১১টার আগেই  ইউরোপের ২৯টি দেশের নেতাকর্মীরা  তাকে স্বাগত জানাতে হাজির হন।বিমানবন্দরে  নেতৃবৃন্দ তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।   বিমানবন্দর থেকে কয়েকশ মোটর সাইকেল,প্রাইভেটকার,মাইক্রোবাস ও জীপ গাড়ী সহ অনীল দাশ গুপ্তকে গুলশানের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যান।


এসময় উপস্থিথ ছিলেন র্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম হক, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মোহাম্মাদ শরীফ,সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফারুক,বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সভাপতি বজলুর রশিদ বুলু,তুরস্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ ফারুক প্রিন্স, ইতালি আওয়ামী লীগের  সভাপতি ইদ্রিস ফরাজি, জার্মান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ  বাদল আহমেদ,ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  মাহবুবুর রহমানযুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী,বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আবদুস সালাম ভুইয়া  সহ আরো অনেকে।

জনপ্রিয় অনলাইন ডেস্ক :  বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামকে টেলিফোনে জানতে চাইলাম, আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে আপনারা যাচ্ছেন কি না? বললেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বিষয়টি সন্ধ্যা নাগাদ জানাবেন আশা করছি।
আমাকে একটুও অবাক না করে তিনি বললেন, জ্যেষ্ঠ নেতারা এই আমন্ত্রণের বিষয়ে খুবই ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন তিনি।
বেগম খালেদা জিয়ার সামনে আবারও একটি বিরাট সুযোগ এসেছে। তাঁর উচিত হবে মির্জা ফখরুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে নিজেই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে উপস্থিত হওয়া। মধ্যম সারির কোনো প্রতিনিধি পাঠিয়ে দায় সারার সময় এটা নয়। অবশ্য কোনো প্রতিনিধি না পাঠানো হবে গণতন্ত্রবিরুদ্ধ, এমনকি আত্মঘাতী।
বিএনপিকে ভাবতে হবে সামনে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। সুতরাং আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার যেকোনো প্রক্রিয়ায় বিএনপির উচিত হবে সম্পৃক্ত হওয়া।
আর জাতীয় রাজনীতি কোনো কালেই কোনো দেশেই কখনোই বদ্ধ জলাশয় হওয়ার নয়। এটা অন্তর্গতভাবে পরস্পরবিরোধী এবং প্রধানত কম যুক্তিসংগত।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নৈশভোজের আমন্ত্রণ গ্রহণ না করা, টেলিফোনে বাদানুবাদ করা, আরাফাতের বিয়োগান্তক মৃত্যুর পরে শেখ হাসিনাকে প্রধান ফটক থেকে বিদায় দেওয়া এবং সর্বোপরি ২০১৪ সালের নির্বাচন বয়কট করা, এই সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে অনেক বিতর্ক দেখেছে জনগণ। এবং এর বেশির ভাগ সম্পর্কেই বিএনপির মধ্যে প্রবল মত হলো, শেখ হাসিনা তাঁর নৈশভোজ কিংবা আরাফাতের মৃত্যুর পরে দেখা করার বিষয়ে আন্তরিক ছিলেন না। রাজনীতি ছিল তাঁর মুখ্য।
এই মতের প্রবক্তারা অবশ্য অস্বীকার করতে পারেন না যে, সেই কথিতমতে লোক দেখানো রাজনীতি শেখ হাসিনাকে কিছু সুবিধা দেওয়া ছাড়া অন্তত বেকায়দায় ফেলেনি। বিএনপি বিব্রত হয়েছে।
উন্নত গণতন্ত্রেও কিন্তু লোক দেখানো রাজনীতিরও একটা মূল্য আছে।
হিলারি-ট্রাম্প টিভি বিতর্কের শেষ পর্বটিতে তিক্ততা এত বেশি মাত্রায় তীব্রতা পেয়েছিল যে, সেটা শুধু একটা বিচ্যুতি ঘটিয়েছে। তাঁরা এদিন করমর্দন করেননি। কিন্তু এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়নি যে তাঁরা টিভি বিতর্ক বয়কট করবেন। নারী-বিষয়ক টেপ-গেট কেলেঙ্কারির পরে ট্রাম্পের রিয়েলিটি শো আরও উপভোগ্য হয়েছে। কিন্তু মাইক বন্ধ বা লাইভ সম্প্রচারে বিঘ্ন ঘটেনি। ট্রাম্প-হিলারির মধ্যকার যে ব্যক্তিগত বিদ্বেষ সারা বিশ্ব দেখেছে, সেটা কি একেবারেই প্রকৃত বাস্তবতা?
আমার কিন্তু তাতে সন্দেহ আছে। দুই প্রার্থীর বাগাড়ম্বরের অনেক উপাদানই লোক দেখানো। প্রথম দুই পর্বে উভয়ে উভয়ের প্রতি উদ্ভাসিত হাসিমুখে করমর্দন করেছেন। সেটা কি লোক দেখানো ছিল না? কিন্তু সেটা তাঁরা যে করতে পেরেছেন, তাতে আমেরিকান গণতন্ত্রের সৌন্দর্য ম্লান হয়নি, উজ্জ্বল হয়েছে।
আমি জানি, বাংলাদেশ রাজনীতির ধর্ম ও সংস্কৃতি খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ সমর্থন করে না। সারা বিশ্ব থেকে ৫৫ জন অতিথি আওয়ামী লীগের সম্মেলনে আসবেন। কিন্তু এ বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ কম যে খালেদা জিয়া গেলে তিনিই হয়ে উঠবেন মিডিয়ার প্রধান আকর্ষণ, সেটাই হবে আন্তর্জাতিক মিডিয়ার মূল খবর। কারও ঘোষণার দরকার নেই, তিনি অঘোষিত প্রধান অতিথি বা মধ্যমণি গণ্য হবেন! আর তাঁকে বক্তৃতা দিতে দেখা গেলে তো গিনেস বুকে নতুন এন্ট্রি যুক্ত হবে!
জানি এটা হবে না। কিন্তু এ-ও ঠিক কোনো না কোনো দিন পারস্পরিক অনাস্থার চলমান ধারা বদলাতে হবে। যদি নতুন প্রজন্ম একটি সহনশীল গণতান্ত্রিক ধারাকে সকল উন্নয়নের ভিত্তি মনে করে, তবে রাজনীতির বর্তমান ধারাকে তারা অচল হিসেবেই দেখবে।
আজ সকালেই এ বিষয়টি নিয়ে আমি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা নূহ-উল আলম লেনিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলি।
তাঁরা উভয়ে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। এবং তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে আমি মোটামুটি নিশ্চিত যে, অতীতে বিভিন্ন সময়ে পরস্পরকে তাঁরা তাঁদের কাউন্সিলে দাওয়াত দিয়েছেন। কিন্তু তাই বলে শেখ হাসিনাকে বিএনপির কাউন্সিলে বা বেগম খালেদা জিয়াকে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে কখনো দেখা যায়নি।
তবে ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বিএনপির কাউন্সিলে আওয়ামী লীগের সহ-প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর অংশগ্রহণ অনুমোদিত ছিল।
উভয় দলের প্রতিনিধিরাই এর আগে পরস্পরের কাউন্সিলে গেছেন। কিন্তু বিএনপির প্রতিনিধি বক্তৃতা দেননি বা সেই সুযোগ পাননি। অসীম কুমার ইতিহাসের একমাত্র ব্যতিক্রম, যিনি আওয়ামী লীগার হয়ে বিএনপির সম্মেলনে অতিথি বক্তা হয়েছেন। অবশ্য অসীমকে সে জন্য দলে তাঁকে সমালোচিত হতে হয়েছে। তিনি তাঁর বক্তৃতায় জেনারেল এরশাদের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির সঙ্গে তাঁদের যুগপৎ আন্দোলনের স্মৃতিচারণা করেছিলেন। অসীমকে মূলধারার নেতা বলা কঠিন। কারণ দলের সহ-প্রচার সম্পাদক পদে একাদিক্রমে তাঁকে তিন মেয়াদে স্থির থাকতে দেখা যাচ্ছে। জাতীয় রাজনীতি এখন বেশ কম আশাবাদের জায়গা। কিন্তু তার মধ্যেও একটা দীর্ঘ সময়ের বিরতিতে রাজনীতিতে একটা নতুন আশাবাদের খবর এসেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ তাদের গত সম্মেলনে বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানায়নি। এটা লোক দেখানো হলেও এর গুরুত্ব যে অসামান্য তার প্রমাণ আওয়ামী লীগকে তার সিদ্ধান্ত বদলাতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরেছে। বিএনপি কিন্তু গতবারের আগের সম্মেলনে যোগ দিয়েছিল। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ-উল আলমের সঙ্গে আমি একমত যে বিএনপি আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যোগ দিলে তা বাংলাদশ রাজনীতিতে একটা নতুন মাত্রা যুক্ত করবে।
মির্জা ফখরুল স্মরণ করেছেন যে, আওয়ামী লীগ তাঁদের গত ১৯ মার্চের সম্মেলনে আসেনি। কিন্তু সেটা মনে রেখে তাঁদের বয়কট ঠিক হবে না। সামনে যেতে হবে। সার্বিক বিচারে আমি আশা করব, বেগম খালেদা জিয়া ও মির্জা ফখরুলই ব্যক্তিগতভাবে যোগ দেবেন। আওয়ামী লীগ নির্দিষ্টভাবে দুই শীর্ষ নেতাকে দাওয়াত দিয়েছে। প্রতিনিধি পাঠানো কিন্তু প্রটোকলে পড়ে না।
অনেকে বলবেন ২০১৩ সালের সেই নৈশভোজ কবে তামাদি হয়ে গেছে। আমি বলব, প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজের আমন্ত্রণ বাসি হয় না। কারণ সেটা ছিল রাজনৈতিক নৈশভোজ। তাই সেখানে সময় চলে যাওয়ার কোনো ব্যাপার থাকতেই পারে না। নৈশভোজের দাওয়াত তো দিলেন, কিন্তু সময়টা কখন তা কখনো বলেননি, শেখ হাসিনার আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গিয়ে খালেদা জিয়া তো সহাস্যে এই প্রশ্ন রাখতেই পারেন!

জনপ্রিয় অনলাইন : খাদিজাকে খাবার দেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। এদিকে, শিগগীরই এই মামলায় আদালতে চার্জশীট প্রদান করা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

গত ৩ অক্টোবর ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলমের চাপাতির আঘাতে সিলেটের কলেজ ছাত্রী খাদিজা গুরুত্বর জখম হলে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরদিন ৪ অক্টোবর তাকে আনা হয় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে। এ ঘটনায় খাদিজার চাচা আব্দুল বাসেত বাদি হয়ে শাহপরান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। হত্যার প্রচেষ্টার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে স্কয়ার হাসপাতালে আসেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিলেটের শাহপরান থানার এসআই হারুনুর রশীদ। এ সময় তিনি খাদিজার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। সকাল ১০ টায় স্কয়ার হাসপাতালে যান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে তাকে প্রথমবারের মতো খাবার দেয়া হচ্ছে। আমি সকালে যখন তাকে দেখতে যাই তখন তাকে পুডিং তরল করে খাওয়ানো হচ্ছিলো। পরে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তার চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেই। তার শরীরের ডান অংশ সঠিকভাবে নড়াচড়া করলেও বাম অংশে এখনও অবশ রয়েছে। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা দেওয়া হলে শরীরের বাম অংশ স্বাভাবিক হয়ে যাবে। হাসপাতাল সূত্র বলেছে, খাদিজার শরীরে ১০টি ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। যেগুলোর মধ্যে প্রায় সব ক’টিই মারাত্মক। এরমধ্যে ৫ টি জখম খুবই গুরুতর। মাথা ও হাতে এই আঘাতগুলো করা হয়েছে।   
এদিকে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের প্রথম কার্য দিবসে খাদিজার উপর হামলাকারী বদরুল আলমের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করার সম্ভাবনা রয়েছে। এই মামলায় এ পর্যন্ত ৩০ জনের বক্তব্য নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সাতজন প্রতক্ষ্যদর্শী। তারা আদালতে সাক্ষীও দেবেন। সাক্ষীর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। এছাড়া চার্জশীট তৈরির ক্ষেত্রেও খুবই সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
একটি সূত্র বলেছে, খাদিজার চার্জশীট প্রায় তৈরি করা হয়ে গেছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা ঢাকায় এসেছেন খাদিজার চিকিৎসকদের বক্তব্য গ্রহণের জন্য। ওই সূত্রটি বলেছে, এখন যদি স্কয়ার হাসপাতাল থেকে তার চিকিৎসা শুরু থেকে বর্ণনাসহ একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয় তাহলে এটি আদালতে দ্রুত দাখিল করা যাবে।
শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজালাল মুন্সি সাংবাদিকদের বলেছেন, মামলাটি চাঞ্চল্যকর। পুলিশ খুব দ্রুত চার্জশিট দাখিল করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। চার্জশীট দাখিলের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। আরো কিছু খুটিনাটি বিষয় আছে। আমরা সেগুলো ভালো ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ জানায়।
খাদিজার চিকিৎসার ব্যয় ভার সরকার বহন করেছে। খাদিজার উপর হামলাকারী বদরুলের বিচার দাবি জানিয়ে আসছেন সর্বস্তরের মানুষ। স্কয়ার হাসপাতালে খাদিজাকে দেখতে গিয়ে সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী খাদিজার দ্রুতবিচারের আশ্বাস দিয়েছেন।

গত ৩ অক্টোবর বিকেলে খাদিজাকে কুপিয়ে আহত করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রথম দফা অস্ত্রোপচারের পর অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে রাজধানীর স্কোয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ৪ অক্টোবর বিকেলে খাদিজার মাথায় অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসকেরা। ৯৬ ঘন্টা পরে চিকিৎসকরা জানায় তার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। আরো উন্নতি হলে লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হবে। ৯ অক্টোবর তার শরীরে আরো একটি অস্ত্রোপচার করা হয়। ১৭ অক্টোবর হাতে অস্ত্রোপচার করা হয় খাদিজার। আস্তে আস্তে খাদিজা সুস্থ হয়ে উঠছে বলে পরিবার ও হাসপাতাল সূত্র জানায়।

জনপ্রিয় অনলাইন ডেস্ক : বিয়ে করলেন নরেন্দ্র মোদির বোন৷ এক বালোচ নেতাকেই বিয়ে করেছেন তিনি৷ পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই বিয়ের খবর ছড়িয়ে দিয়েছেন৷ তাতেই আসছে শুভেচ্ছার স্রোত৷ পাকিস্তানের বালোচিস্তান থেকেও আসছে শুভেচ্ছা৷ বালোচ মানবাধিকার নেত্রী করিমা বালোচের বিয়ে নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে৷

সম্প্রতি তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে রাখী পাঠিয়েছিলেন৷ সেই থেকে ভারতে মোদির পাতানো বোন হিসেবেই পরিচিত করিমা৷ একইসঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বালোচ নীতির প্রবল সমর্থক৷ এই করিমা বালোচ বিয়ে করেছেন তার বালোচ আন্দোলনের সাথী হমাল হায়দারকে৷ দুজনেই এখন কানাডায় থাকেন৷

বালোচিস্তানের মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে পাকিস্তান৷ তারই প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক স্তরে আন্দোলন চালান দুজনেই৷ পাকিস্তান বিরোধী বালোচ নেতৃত্বের তরফেও ভারতের সাম্প্রতিক বালোচ নীতির প্রবল প্রশংসা করা হয়েছে৷ তাদের দাবি, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশ সরাসরি বালোচিস্তানে পাক সেনার লাগাতার অত্যাচারের বিরুদ্ধে সরব হোক৷ এই বালোচ বিদ্রোহী নেতৃত্বের অন্যতম প্রবাসী নেত্রী করিমা৷

অনলাইন ডেস্ক : গোপনে বিয়ে করেছেন একসময়ের আলোচিত অভিনেত্রী নাজনীন আকতার হ্যাপি। রাজধানীর রূপনগর আবাসিক এলাকায় নিজ বাসায় সোমবার (১৭ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় হ্যাপির।
হ্যাপির গোপন বিয়ের খবর প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছেন হ্যাপির পার্শ্ববর্তী বাসার এক বাসিন্দা। এছাড়াও হ্যাপির ছোটবোন শারমিন পপি কালের কণ্ঠকে হ্যাপির বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হ্যাপির মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। তারপর হ্যাপির মায়ের নম্বরে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেন হ্যাপির ছোট বোন শারমিন পপি। পপি বলেন, আপুর সুন্নত তরিকায় বিয়ে সম্প্ন্ন হয়েছে। বর কি করেন এমন প্রশ্নের জবাবে পপি বলেন, আপাতত এটুকুই, আর কিছু বলা যাবে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হ্যাপির পাশের বাসার এক ব্যক্তি জানান, হ্যাপি বিয়ে করেছেন এটা সত্য। প্রতিবেশীদের বাসায় আজ সকালে বিয়ের মিষ্টি পাঠিয়েছেন তিনি। রাতে তার বাসায় ঘরোয়া আয়োজনে অনুষ্ঠানও হয়েছে।
জানা গেছে, হ্যাপির বর মিরপুরের এক মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। বিয়ের সময় দুই পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আপাতত কাবিনের মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বাকি আনুষ্ঠানিকতা কয়েকদিনের মধ্যেই শেষ হবে।

রনি মোহাম্মদ : প্রতিবাদ আর কিভাবে করবো জানি না,পুরুষশাষিত সমাজে আমরা এতটা মূল্যহীন হয়ে পড়ছি যে ১৬০ বা ১৭০ টাকার ছুরির নিচে জীবনটাকে বিসর্জন দিতে হচ্ছে। শিক্ষাকেন্দ্রে যাবার পথে আমরা নিরাপদ নয়, পোশাক তৈরীর দোকানে আমরা নিরাপদ নয়। একজন শিক্ষিত মা জাতীর মেরুদন্ড। কিন্তু পুরুষ আমাদের শিক্ষার প্রতি অনীহা তৈরী করাচ্ছে। পোশাক তৈরীর ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করছে। তবে কি পুরুষ সমাজ আমাদের শিক্ষাহীন বা বস্রহীন করতে চাচ্ছে?
সঠিক তদন্ত বা সঠিক আইনি ব্যবস্হা কি নারীর প্রতি এমন অবহেলা বা নিযার্তন বন্ধ হবে? মনে হয় না। দরকার মানসিক সচেতনতা, বিবেক আর সুস্হ চিন্তাবোধ। কিন্তু এই পুরুষগনের এমন বোধদয়ের জন্য আর কতকাল অপেক্ষা করতে হবে আমাদের? নারীর এগিয়ে যাওয়ার দূর্বার গতি যত বেড়ে যাচ্ছে ততই নারী পথে, ঘরে অত্যাচারিত হচ্ছে। সরকারে পক্ষ থেকে বলা হচেছ নারীর ক্ষমতায়নে বর্তমান সরকারের নাকি রয়েছে উল্লেখযোগ্য সফলতা !!! তাহলে কেন সরকার বরাবরই নারীর নিরাপত্তার ভুমিকায় প্রশ্নবিদ্ধ হচেছ..??? এবার আমরা নয়, আমরা নারীরা নয়। তোমরা সচেতন পুরুষরা এগিয়ে আসো, আমাদের সম্মানের কথা বলো, নিরাপত্তার কথা বলো। তোমরাই তোমাদের জাগিয়ে তোলো। তোমাদের ভাষায় বলো, তোমাদের মত করে বলো। নারীদের নিরাপত্তা চাই...

নয়তো প্রতিফল ভালো হবে না !!! চরম প্রতিবাদ হবে !!! পৃথিবী দেখার অধিকার থেকে বন্চিত করে দেব। আমরা সৃষ্টিকর্তা নয়। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত প্রজনন কাজে অংশগ্রহন বন্ধ করে দেব। দেখবো পুরুষ তুমি কিভাবে জন্মাও ???

মোঃ কামরুজ্জামান, ফ্রান্স থেকে :  ত ১৬ অক্টোবর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের একটি হলে বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন ফ্ৰান্স (বি ,সি ,এফ ) ফেসবুক গ্রূপ কর্তৃক আয়োজিত আনন্দ সুপার কুইজ গ্রান্ড ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

অনুষ্টানে সাধারণ জ্ঞান কুইজ প্ৰতিযোগিতায় মার্সেই দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। প্রায় তিন মাস ধরে চলতে থাকা অনলাইন ভিত্তিক এ কুইজ প্রতিযোগীতার শেষ দশে টিকে থাকা নয় জন প্রতিযোগীকে প্যারিস, মার্সাই এবং লিয়ন নামে তিনটি দলে ভাগ করা হয়েছিল। প্রতিটি দলকে সাতটি করে প্রশ্ন করেন বিচারকরা। বিচারকদের রায়ে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম হওয়ার পুরস্কার জিতে নেন মার্সেই দল। এ দলে ছিলেন নাজমুল ইসলাম নাঈম, মামুনুর রশিদ ও শেখ মাহমুদুল হাসান। প্রতিযোগীতায় রানার আপ হয় লিওন গ্রুপ। এ দলে ছিলেন আবুল হাসান,রুপা টিপুল বড়ুয়া এবং রাশনা শারমিন। এছাড়া দ্বিতীয় রানার আপ হন প্যারিস গ্রুপ। এ দলে ছিলেন জাভেদ আহমেদ, কাওসার আহমেদ এবং ইকবাল হোসাইন। এর আগে বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহিত আহমেদ ও ফ্রান্সের সরবন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী সালওয়া জাহান এর যৌথ উপস্থাপনায় শুরু হয় কুইজের সমাপনী অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাস হেড অব চ্যান্সরি হজরত আলী খান। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন Cour Nationale du Droit d’Asile এর আইনজীবী এডভোকেট পারভেজ দুখী, ইয়ং বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের সভাপতি দেলোয়ার হোসাইন এবং ফ্রান্স বাংলা দর্পণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিসিএফ ফেসবুক গ্রুপের এডমিন ও আয়োজকদের প্রধান, ইউরোপিয়ান ইয়ুথ পার্লামেন্ট মেম্বার জনাব মো নুর ইসলাম হক স্বাগত বক্তব্য রাখেন। তিনি সংক্ষেপে ফেসবুকের এই গ্রুপের কিছু সাফল্য আগত অতিথিদের সামনে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের বিচারক প্যানেলে ছিলেন ফ্রেঞ্চ-বাংলা স্কুলের পরিচালিকা হাসনাত জাহান, ফ্রঁন্সে আবেক রাব্বানীর পরিচালক রাব্বানী খান ও ফ্রান্স আর্মীতে কর্মরত বাংলাদেশী অফিসার আশরাফুল আদম।কুইজ প্রতিযোগীতা সহ অনুষ্ঠানের সার্বিক তদারকিতে ছিলেন মোহাম্মাদ মোজাম্মেল, এম ডি নূর ,আজহার আহমেদ , ফারহাদ পাটোয়ারী ,মীর রাজ, সেলিম শরীফ, এলিন খান চৌধুরী, এমরান হোসাইন ,নাজমুল কবির, ফয়ছল মিয়া, আশরাফুল মোমেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানের অন্যতম আরেকটি আকর্ষণ ছিল উপস্থাপকের একান্ত অনুরোধে প্রধান অতিথি ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাস হেড অব চ্যান্সরি জনাব হজরত আলী খানের কবিতা আবৃত্তি, যা উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে। ফ্রান্সের ভাষা , শিক্ষা , সংস্কৃতি ,ইতিহাস ঐতিহ্য নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা ফ্রান্স বাংলাদেশ কমিউনিটির ইতিহাসে এটি প্রথম। ফ্রান্স প্রবাসীদের মধ্যে জ্ঞান চর্চা এবং একটি জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এই ধরণের সুম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন সর্বমহলের প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য যে, ফেসবুকের ভিন্নতর ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন ফ্ৰান্স (বি,সি,এফ) গ্রুপটি ফ্রান্সে উচ্চ শিক্ষা , আবাসন এবং অভিবাসন বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে ফ্রান্সে বসাসরত বাংলাদেশী প্রবাসীদের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। ফেসবুকের ছয় হাজার চারশত এর অধিক সদস্যের এই গ্রূপটি ইতিমধ্যে ফ্রান্স প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ বিয়ানীবাজারের লাউতায়  এক অপ্রাপ্ত  কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ। ১৫ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টায় তাদের উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের লতাই মিয়ার বাড়ি থেকে আটক করা হয়। আটককৃতরা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানায়।গত ১৬ অক্টোবর রোববার তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


পুলিশ জানায়, লাউতা ইউনিয়নের নন্দিরফল গ্রামের অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরীকে বারইগ্রামের মৃত আসাদ আলীর পুত্র গিয়াস উদ্দিন বাড়ী থেকে তুলে নিয়ে আব্দুল্লাহপুরের লতাই মিয়ার বাড়িতে ২৬ দিন আটকিয়ে রেখে সে ও তার ৪ সহযোগীরা মিলে ধর্ষণ করে। তাদের হাত থেকে কিশোরী পালিয়ে এসে তার মাকে বিষয়টি অবগত করলে মা আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিলে পুলিশ মামলাটি রেকর্ড করে। মামলা নং-১২ তারিখ ১৫/১০/২০১৬ইং। এ ঘটনায় বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ শনিবার রাতে লতাই মিয়ার বাড়ি থেকে অভিযুক্ত বারইগ্রামের মৃত আসাদ আলীর পুত্র গিয়াস উদ্দিন (৪৫) ও নন্দিরফল গ্রামের ময়না মিয়ার পুত্র আব্দুস সামাদ (৩৫) আটক করে। বাকীদের আটকে অভিযান চলছে বলে পুলিশ জানায়।  এব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিয়ানীবাজার থানার ওসি (তদন্ত) এবিএম বদরুজ্জামান জানান, আটক ২ ব্যক্তি ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। বাকী ২ অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ সিলেটের প্রবাসী অধ্যুষিত বিয়ানীবাজার উপজেলায় বেশ কয়েকদিন ধরে আলোচনায় ছিলো উপজেলার জনপ্রিয় নির্বাহী কর্মকর্তা  মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের বদলীর বিষয়টি। অনেকে প্রাণচঞ্চল  ও স্পষ্টভাষী এই কর্মকর্তার বদলীতে ব্যতিত হয়েছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও তাঁর নতুন কর্মস্থল সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে যাওয়ার জন্য সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছিলেন।  নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা মশিউর রহমানও যোগদানের জন্য প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু শেষমেষ এর কোনটাই হলো না। অবশেষে বাতিল হলো তাঁর বদলী।  আজ রোববার তাঁর এই বদলী আদেশ বাতিল হয়। নিজ কর্ম দক্ষতার গুণে জনপ্রিয় হয়ে উঠা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে থাকতে হচ্ছে তাঁর প্রিয় বিয়ানীবাজারেই। এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বদলী বাতিলের খবরে আনন্দিত উপজেলার সচেতন মহলসহ জনসাধারণ।

জানা যায়, প্রায় ১৬ মাস পূর্বে  সিলেট বিভাগীয় কমিশনার অফিস থেকে মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে বিয়ানীবাজার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বিয়ানীবাজারে নিয়োগ দেয়া হয়। বিয়ানীবাজারে নিয়োগ পেয়ে তিনি সিলেটের বর্তমান এডিসি (সার্বিক) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হন। শহিদুল ইসলামও উপজেলার সর্বমহলে জনপ্রিয় ও জনসম্পৃক্ত একজন দক্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। 

কিন্তু শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর পদোন্নতি হওয়ায় অনেকেই এউপজেলার পরবর্তি নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলামের মত জনসম্পৃক্ত হতে পারবেন কি না তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। যদিও বিয়ানীবাজার  উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর পূর্বের অনেকের অবস্থান সুখকর ছিলো না। যার কারণে তাদের অনেককেই খুব কম সময়েই এখান থেকে চলে যেতে হয়েছিলো। কিন্তু শহিদুল ইসলাম চৌধুরী এ উপজেলায় আসার পর তাঁর কর্মদক্ষতা, সাধারণ মানুষের সাথে আন্তুরিকতা ও জনসম্পৃক্ততা তাকে আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছিলো এই উপজেলাসহ সর্বমহলে। যার জন্য তাঁর বিদায় বেলায় অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েছিলেন তাঁর সহকর্মীসহ শুভাকাংখী অনেকেই। এরপরও অনেকের আশা ছিলো এউপজেলায় অন্তত দক্ষ ও জনসম্পৃক্ত একজন কর্মকর্তা নিয়োগ পাবেন। শেষ পর্যন্ত তাই হলো। সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হিসেবে মোঃ শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর পদোন্নতি হওয়ায় এখানে নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান। গত বছরের ৩১শে মে তিনি এখানে যোগদানের পর উপজেলার সাধারণ মানুষের সাথে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করে, আন্তরিকতা, সততা ও দক্ষ কর্মগুণে সহকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মনে স্থান করে নেন। যার ফলে খুব কম দিনেই তিনি এ উপজেলায় জনপ্রিয় কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়ে যান। নির্ভীক ও নির্লোভ অমায়িক ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের  দৃঢ়তা, সততা ও দক্ষতার ফলে বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিয়ানীবাজারে স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা বিরোধীদলও স্বীকার করে। কিন্তু দায়িত্ব পালনের মাত্র ১৬ মাসের মাথায় হহঠাৎ করে তাঁর এই বদলী অনেককেই ব্যতিত করে তুলেছিলো। আকস্মিক এই বদলীর বিষয়টি উপজেলার সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধিদের কাছে বোধ্যগম্য হয়ে ছিল না। সকলেরই প্রত্যাশা ছিল তিনি আরো কিছু দিন বিয়ানীবাজারে দায়িত্ব পালন করবেন। এরপরও অপ্রত্যাশীত বদলীর আদেশ হওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনসহ তাঁর সহকর্মীরা তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়। মঙ্গলবার কর্মস্থল থেকে চলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষমেষ তারঁ চলে যাওয়া আর হলো না। এখানেই থাকতে হচ্ছে তাকে। রোববার তাঁর এই বদলীর আদেশ বাতিল হয়ে যায়। আর এমন খবরে আন্দোলিত হয়ে পড়েন তাঁর সহকর্মীসহ অনেকেই। মোবাইল ফোনে এবং অফিসে গিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান অনেকেই। এসময় উৎফুল্ল অনেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনপ্রিয় সেই উক্তির প্রথম লাইনটি মনের আনন্দে বলে উঠেন, যেতে নাহি দেব হাঁয় । আর শেষ পর্যন্ত এই উক্তিটিই বাস্তবে পরিণত হলো তাঁর এই বদলীর আদেশটি বাতিল হওয়ায়। 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, আপনাদের ভালোবাসাই আমাকে এখান থেকে যেতে দিলো না।  নিজ থেকে চলে যেতে চেয়েছিলাম, কিন্তু এই উপজেলার মানুষের আন্তরিতা ও ভালবাসা বিদায় বেলায় আমাকেও আবেগাপ্লুত করে তুলেছিল। অবশেষে আমার যাওয়া আর হলো না। তিনি বলেন, আমি কৃতজ্ঞ এই উপজেলার মানুষদের কাছে-তারা যেভাবে আমাকে তাদের কাছে টেঁনেছেন। আমি কখনো তাদের এ ভালোবাসা ও আন্তরিকতা ভুলতে পারবো না। তাঁর দায়িত্ব পালনে তিনি আবারো সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।

বাহার উদ্দিন,বকুল জেদ্দা সৌদি আরব : জীবিকার তাগিদে অচলায়তন ভেঙ্গে বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে পড়া বাংলাদেশিদের একটি বিশাল অংশ সৌদি আরবে, প্রায় দুই মিলিয়ন, যেন এক চিলতে বাংলাদেশ। রোদ্দুর, রাইটার্স, মরুপলাশ এমনি বেশ কিছু সাহিত্য-সাময়িকী প্রবাস সাহিত্যাঙ্গনকে উজ্জ্বীবিত রেখে আসছে। তাছাড়া বিশেষ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠন প্রকাশ করে আসছে সাময়িকী। 

তবে প্রবাসে বেড়ে উঠা নতুন প্রজন্মের সাহিত্য-ভাবনা লালনের তেমন কোন আয়োজন নেই। মূলতঃ স্কুল বার্ষিকী ছাড়া প্রবাসী প্রজন্মের সাহিত্য চর্চার কোন মাধ্যম গড়ে উঠেনি দীর্ঘদিন। এই অভাব থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে শিশুসাহিত্যিক এবং সাহিত্যপ্রেমিদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয় জেদ্দায়।

স্বনামধন্য শিশুসাহিত্যক সিকদার নাজমুল হক সৌদি আরব প্রবাসী দীর্ঘদিন। মূলতঃ তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৪ অক্টোবর, শুক্রবার সন্ধ্যায়, জেদ্দায় স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত সাহিত্য সভায় সভাপতিত্ব করেন রোদ্দুর- সাহিত্য সাময়িকী সম্পাদক, আবুল বাশার বুলবুল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলঙ্কৃত করেন সিকদার নাজমুল হক।

শিশুসাহিত্যিক ইসমাইল জসীমের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় স্বরচিত ছড়া-কবিতা আবৃত্তি ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন অতিথিগণ।

আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত-নাগরিক। ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার আগ্রাসনের যুগে নতুন প্রজন্মকে সাহিত্য-সংস্কৃতির সাথে সম্পৃক্ত করা, তাদের সুপ্ত প্রতিভা জাগ্রত ও বিকশিত করা এবং সত্য-সুন্দর-আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এ প্রয়াসের অংশ হিসেবে গঠিত হয়, শিশুসাহিত্য পরিষদ, সৌদি আরব। নবগঠিত সাহিত্য সংগঠনের আহ্বায়ক, সিকদার নাজমুল হক এবং সদস্য সচিব মনোনীত হন, ইসমাইল জসীম। কার্যকরী সদস্যগণ হলেন আবুল বাশার বুলবুল, ডা. গোলাম মোর্শেদ, মঈনুদ্দিন শামিম, সৈয়দ রাশেদ রেজা, বাহার উদ্দিন বকুল।

সৌদি প্রবাসী শিশুসাহিত্যিকগণকে সমন্বিত করে শীঘ্র পূর্ণাঙ্গ পরিষদ ঘোষণার আশাবাদ ব্যক্ত করেন নবগঠিত শিশুসাহিত্য পরিষদের আহ্বায়ক এবং অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সিকদার নাজমুল হক। তাছাড়া একটি ওয়েভপেজ এবং অনলাইন শিশুসাহিত্য প্রকাশনার উদ্যোগ গ্রহণের কথাও জানান তিনি।

শিশুসাহিত্য পরিষদ, সৌদি আরব এর শুভ সূচনায় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিশুসাহিত্যিক এবং সাহিত্যপ্রেমিগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জনান অনুষ্ঠানের সভাপতি আবুল বাশার বুলবুল। নবীন এ সাহিত্য সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, সৌদি আরব প্রবাসী নতুন প্রজন্মের সাহিত্য-সংস্কৃতি-মেধা-মননশীলতা বিকাশে ভূমিকা রাখবে এই আশাবাদও জানান তিনি। নৈশভোজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়। তবে শেষ হয়েও হয়নি শেষ ছড়া-কবিতার আনন্দ রেশ।

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ বিয়ানীবাজারের চারখাইয়ে ডাকাতি শেষে প্রাইভেট কার নিয়ে পালানোর সময় এক যুবককে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার দিবাগত রাতে জকিগঞ্জ-সিলেট সড়কের বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাইয়ে এ  ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত গাড়ি ভাংচুর করে এবং চালককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এঘটনায় বিয়ানীবাজার থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে একদল ডাকাত জকিগঞ্জ-সিলেট সড়কের বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই ইউনিয়নের  কাঠলী ব্রীজ এলাকায় কালো রংয়ের একটি কার (ঢাকা মেট্টো ০২-১৩২২) তৃপ্তি কোম্পানীর ভ্যান গাড়ির (সিলেট ম- ১১-০১৬৭) গতিরোধ করে। এসময় ডাকাতরা অস্ত্র দেখিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ডাকাতির শিকার তৃপ্তি কোম্পানীর লোকজন চারখাই বাজারে এসে স্থানীয় লোকজনকে ঘটনাটি অবগত করলে স্থানীয়দের চরিয়া বাজার এলাকায় কালো রংয়ের কারটি আটক করতে চাইলে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। তবে পালাতে পারে নি কারের চালক সৌরভ। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতা সৌরভ আহমদকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। আটককৃত সৌরভ বড়লেখা উপজেলার নিজবাহাদুর ইউনিয়নের গল্লাসাঙ্গন এলাকার মৃত শফিক উদ্দিনের পুত্র। বিকেলে তাকে  আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এঘটনায় তৃপ্তি কোম্পানির ম্যানেজার আতাউর রহমান খোকন বাদী হয়ে বিয়ানীবাজার থানায় মামলা (১১-১৪/১০/১৬) দায়ের করেছেন।

এবিষয়ে বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চন্দ কুমার চক্রবর্তী জানান, ডাকাতির ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন কোম্পানীর ম্যানেজার। আমরা আটক চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। বাকীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

বিশেষ প্রতিনধি : একদিকে ফেসবুক এবং ইউটিউব মাতাচ্ছে ফোক সম্রাজ্ঞি মমতাজের লোকাল বাস গান।অন্যদিকে ঠিক এ কি গানের প্যারোডি দিয়ে ইউটিব এবং ফেসবুক মাতাচ্ছেন হালের আলোচিত ইউটিউবার এবং অভিনেতা সোহান বাবু।
"জান ও বেবি" "আই সি সি ফানি ফ্ল্যাশ মব" "ময়দা বিদ্যা" প্যারোডি করে তারকা খ্যাতি পাওয়া সোহান বাবুর "বন্ধু তুই লোকাল বাস" গানের প্যারোডি "বন্ধু তুই ধোঁকাবাজ" গানটি ফেসবুকে রীতিমতো ঝড় তুলছে।।গান টি লোকাল বাস গানের প্রতিউত্তর দিয়ে অনেক মজার ভঙ্গিতে উপস্থাপন করেছেন হালের আলোচিত ইউটিউবার মোঃ সোহান বাবু এবং তার "নেটখোর ফিল্মস" এর সদস্য বৃন্দ। জনপ্রিয় ২৪ডটকমের জন্য তার সাক্ষাতকার নিয়েছেন আবিদুল ইসলাম রিমন
জনপ্রিয়আপনার বন্ধু কি আসলেই ধোঁকা বাজ?
সোহান : হা হা আমরা আসলে সবাই ধোঁকাবাজ।কেউ নিজেকে আবার কেউ অন্যকে ধোঁকা দেই।এই যেমন এখন আপনাকে সত্য কথা না বলে ধোঁকা দিয়েছি হা হা।
জনপ্রিয় : "বন্ধু তুই ধোঁকাবাজ" "ভিডিও টি বানানোর পূর্বের কিছু কথা যদি বলতেন?
সোহান বাবু : হঠাত মাথায় আসে আইডিয়া , তারপর আমি "নেটখর ফিল্মস" এর টিম মেম্বার দের সাথে বসি।তবে লিরিক লেখার ক্ষত্রে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন আমার নাট্য গুরু জুলফিকার হুসাইন সোহাগ ভাই।
জনপ্রিয় : প্রডিউসার নিয়ে কি আসলেই কোন ঝামেলা হইছিলো?
সোহান বাবু : মজার ব্যাপার হল ভিডিওটির জন্য আমরা ভাল প্রডিউসার পাচ্ছিলাম না। বুয়েটে আমার খুব কাছের বন্ধু রাতুলের সাথে একদিন গান টি নিয়ে আলোচনা হয়।গান টি শোনার সাথে সাথে সে প্রডিউসার করতে রাজি হয়।
জনপ্রিয় : বর্তমানে কি কি নিয়ে ব্যস্ততা চলছে ?
সোহান বাবু : সম্প্রতি একটি টেলিফিল্মের কাজ শেষ করলাম "সুপার বয়ফ্রেন্ড" পরিচালনায় আহমেদ জিহাদ,"জিরো পজেতিভে" নামে মেগা ধারাবাহিকের কাজ চলছে পরিচালনায় জুলফিকার হুসাইন সোহাগ, চ্যানেল আই এর ধারাবাহিক নিয়ে কথা চলছে পরিচালক সজল আহমেদ এর সাথে,এ ছাডাও শর্ট ফিল্ম ,অনলাইন টিভিসি , নিজের ইউটিউব চ্যানেল "নেটখর"নিয়ে সবমিলিয়ে বেস্ত সময় যাচ্ছে ।
জনপ্রিয় : শুনেছি এনটিভির কমেডি রিয়েলিটি শো হা-শো সিজন ফোরে আপনি চান্স পাওয়ার পর অংশগ্রহণ করেননি।ঘটনা কি সত্যি?
সোহান বাবু : আমি অংশগ্রহণ করতে চাইছিলাম।সবার সাথে ক্যাম্প এবং গ্রুমিং এ থেকেছি দুইদিন। কিন্তু হঠাত পারিবারিক সমস্যা থাকায় ক্যাম্প থেকে চলে আসি।তবে সুযোগ পেলে ইনশাল্লাহ পরের বার অংশগ্রহণ করবো।
জনপ্রিয় : আপনার পড়াশুনা কেমন চলছে?
সোহান বাবু : আলহামদুলিল্লাহ ভালই। আহসানউল্লাহ উনিভারসিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি থেকে বি'বি'এ শেষ করে এখন এম'বি'এ করছি 
জনপ্রিয় : আপনার অভিনিত শর্ট ফিল্ম এর সংখ্যা কত ?
সোহানবাবু : এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ টির মত
জনপ্রিয় : এটিএন এর নাট্যা যোধ্যাতেও আপনি অংশগ্রহণ করেছিলেন।
সোহান বাবু : গাজীপুর অঞ্চল থেকে সেটা তে আমি প্রথম হই।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন : https://www.youtube.com/watch?v=zk9cUwd2Two

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget