2016-09-25

মঈন উদ্দিন চৌধুরী আহবায়ক, মুহাম্মদ আলী শাওন সদস্য সচিব 
সুহেল ইবনে ইসহাক: বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী স্মরণে গত ২৪ সেপ্টেম্বর রবিবার সন্ধ্যা ৮ ঘটিকার সময় কানাডার টোরোন্টোয় সাপ্তাহিক ভোরের আলো পত্রিকা অফিসে বাঙালী কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

বিশিষ্ট সমাজসেবক ও কমিউনিটি নেতা এস আর চৌধুরী রেশাদ এর সভাপতিত্ত্বে ও ভোরের আলো পত্রিকার সম্পাদক আহাদ খন্দকার এর পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মঈন উদ্দিন চৌধুরী ,আখলাক হোসাইন ,মকবুল হোসেন মঞ্জু ,মোহাম্মদ নাসির বদরু ,আমিনুর রহমান চৌধুরী বাবু, রেজাউল হক, আসাদ আহমেদ নিশু, মোহাম্মদ আলী শাওন, আব্দুল মান্নান, ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী ,শাহিদ চৌধুরী, সাইফুল আলম খান, সৈয়দ মাহবুব, মোহাম্মদ কামিল হোসাইন, সুহেল আহমেদ, আরাফাত বকশী সুমন প্রমুখ

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মঈন উদ্দিন চৌধুরী কে আহবায়ক ও মুহাম্মদ আলী শাওন কে সদস্য সচিব করে এক আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দরা হলেন; আহবায়ক: মঈন উদ্দিন চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক(১):আখলাক হোসাইন, যুগ্ম আহবায়ক(২):মকবুল হোসেন মঞ্জু, যুগ্ম আহবায়ক(৩):মোহাম্মদ নাসির বদরু, যুগ্ম আহবায়ক (৪): আমিনুর রহমান চৌধুরী বাবু, সদস্য সচিব: মুহাম্মদ আলী শাওন, সহকারী সদস্য সচিব: আরাফাত বকশী সুমন, সম্মানীয় সদস্য বৃন্দরা হলেন ; এস আর চৌধুরী রেশাদ , আহাদ খন্দকার, সাইফুল আলম খান ,প্রফেসর মাসুদ আহমেদ ,আব্দুল মান্নান ,ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী ,শাহিদ চৌধুরী, সৈয়দ মাহবুব, রেজাউল হক, আসাদ আহমেদ নিশু, মোহাম্মদ কামিল হোসাইন এবং সুহেল আহমেদ I  

সফিউল সাফি,ডেনমার্কঃ  ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উদ্যোগে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতার কন্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের  তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, দেশরত্ন-জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্ম দিন উপলক্ষে কোপেনহেগেনর একটি রেস্তোরাঁয় গত ২৮শে সেপ্টেম্বর রাত ১০টায় এক দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় । 

দোয়া ও মাহফিলে ওনার সুস্বাস্থ্য ও  দীর্ঘায়ু কামনা করে ওনার  নেতৃত্বে  বাংলাদেশকে উন্নয়নের  অগ্রযাত্রা  অব্যাহত রাখার  জন্য মোনাজাত করা হয়। মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেনঃ  ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের   প্রধান  উপদেষ্টা  বাবু সুভাষ ঘোষ, মাহবুবুল হক, রাফায়েত হোসেন মিঠু, রিয়াজুল হাসনাত রুবেল।ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা মজুমদার বাচ্চু ও সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান সহ-সভাপতি নিজাম উদ্দিন, খোকন মজুমদার,নাসির উদ্দিন সরকার, জাহিদ চৌধুরী বাবু, মোহাম্মাদ শহীদ, নাসরু হক , যুগ্ম-সম্পাদক নাঈম বাবু।
নেতৃবৃন্দরা বলেনঃ বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ায় পড় থেকে আজকের বাংলাদেশের এই অবস্থার জন্য পাড়ি দিতে হয়েছে দীর্ঘ কণ্টকাকীর্ণ পথ।১৯৭৫ পরবর্তী শাসকগোষ্ঠী  পাকিস্থানের  মদদপুস্ট  খুনি মোস্তাক, খুনি জিয়া, সামরিক শাসক, বি এন পি- জামাত দ্বারা সর্বনাশগ্রস্ত বাংলাদেশ কিন্তু  এই বাংলাদেশ আবার ঘুরে দাঁড়ানো, দারিদ্র্যমুক্ত সুখী  সমৃদ্ধ ডিজিটাল সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে উঠা সত্যিই  রপকথার গল্পকেও  হার মানায় এটা শুধু সম্ভব হয়েছে   বঙ্গকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব , সুকীর্তি আর সময় উপযোগী সিদ্ধান্তর  জন্য । জননেত্রি শেখ হাসিনার বহুমুখী প্রতিভাসম্পন্ন দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশের সুনাম আজ বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত।এবং তিনি বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত ও নন্দীত হয়েছেন, হচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতির গর্ব ও ভালোবাসা।  বাঙ্গালী জাতি হিসেবে  আমরা ভাগ্যবান  কারণ বঙ্গবন্ধু  স্বাধীনতা এনে  দিয়েছে  বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রি  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিয়েছে অর্থনৈতিক মুক্তি ও জননেত্রি তনয়   ও প্রধানমন্ত্রী তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা  তারুণ্যের অহংকার  সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল বাংলাদেশ  গড়ে দিয়েছেন। বাঙ্গালী জাতি বঙ্গবন্ধুর পরিবারের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। নেতৃবৃন্দরা বলেন  বাংলাদেশর উন্নয়ন ঠেকাতে  জঙ্গি বাদ ,সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের সৃষ্টি করা হচ্ছে এইসবের  বিরুদ্ধে জননেত্রির নির্দেশে সরকারকে সহযোগিতা করার লক্ষ্যে  (বাস্তবে, অনলাইনে , সামাজিক মাধ্যমে )নিরন্তর লড়াই   করতে হবে। সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে জননেত্রি  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত  ভিশন ২০৪১ জন্য সম্ভাব্য কাজ করে যেতে হবে।

জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে  ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী একত্রে   শ্লোগানে উত্তাল করে তুলে বলেন শেখ হাসিনা ভয় নাই, আমরা তোমার লক্ষ ভাই।  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য উত্তরসুরী হিসেবে তিনি তার সততা, আত্মত্যাগ, দূরদর্শীতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছে এবং এটাই হচ্ছে তার সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব, একমাত্র তার নেতৃত্বই পারে বাংলাদেশকে উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও  দীর্ঘায়ু কামনা করি। 

জনপ্রিয় অনলাইন  ডেস্ক : কাশ্মীর সমস্যার এক আজব সমাধান দিয়েছেন ভারতের এক বিচারপতি। তার নাম মার্কণ্ডয় কাটজু।

তিনি পাকিস্তানকে কাশ্মীরের সঙ্গে বিহারকে গ্রহণ করার প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হলে ভারত কাশ্মীর দেবে না বলে তিনি জানান। আর এতেই কাটজুর ওপর বেজায় চটে গেছে বিহারের লোকজন থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদরা। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্র দ্রোহিতার অভিযোগ আনার দাবি করেছেন তারা। খবর এনডিটিভির।
জঙ্গল রাজ বলে খ্যাত ভারতের বিহার। ভারতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অপরাধ হয় বিহারে । এমন এক রাজ্য নিয়ে যদি দেশটির সাবেক এক বিচারপতি কুটুক্তি করে তবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের মাথা ঠাণ্ডা থাকে কি করে? 
ঘটনার সূত্রপাত, সুপ্রিমকোর্টের সাবেক বিচারপতি মার্কণ্ডেয় কাটজুর মন্তব্য ঘিরে। সম্প্রতি তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনাকে ঘিরে। কাশ্মীর নিয়ে ভারত পাকিস্তান উত্তেজনা দীর্ঘদিনের। সেই উত্তেজনা নিরসনে মার্কণ্ডয় কাটজু পাকিস্তানকে একটি পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ভারতের কাছ থেকে পাকিস্তান কাশ্মীর নিয়ে যাক, তবে একটা শর্ত আছে। কাশ্মীরের সঙ্গে বিহারকেও পাকিস্তানের নিতে হবে। এটা একটা প্যাকেজ ডিল। বিহারকে গ্রহণ করা ছাড়া শুধু কাশ্মীর পাকিস্তানকে দেয়া হবে না।
প্রসঙ্গত, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার বিহারে মিডিয়ার স্বাধীনতা নিয়ে সমালোচনা করেন। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে এমন মন্তব্য করেন মার্কণ্ডয় কাটজু।

কাটজুর এই কথা হজম করতে পারছে না বিহারের রাজনৈতিক দলগুলো। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনতে চাচ্ছেন তারা। বিরোধী দল বিজেপি থেকেও একই দাবি তাদের। 

জনপ্রিয় অনলাইন : ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের উরি সেনা ঘাঁটিতে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এখন অনেকটা শত্রুতার।

দুই দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে বাগযুদ্ধে লিপ্ত। সীমান্তে সামরিক উত্তেজনাও কম নয়। এরই মধ্যে ভারতে আলোচনায় আসলো সিন্ধু পানি চুক্তি। পাকিস্তানের সঙ্গে ছয়টি নদ-নদী নিয়ে ভারতের এই চুক্তি। গতকাল সোমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন। বিবিসিসহ ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, নদীর পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারে ভারত।
গতকালের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদী জানিয়েছেন, রক্ত এবং পানি একসঙ্গে বইতে পারে না। তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের ক্রমাগত হিংসার পরিবর্তে ভারত বরাবরই তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলতে চেয়েছে। কিন্তু সবসময় তা আর সম্ভব নয়। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, পানি সম্পদ সচিব শশী শেখর, পররাষ্ট্র সচিব এস জয়শংকর প্রমুখ।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, সিন্ধু, ঝিলম ও চেনাব এই তিনটি নদীর পানিকে কীভাবে ভারত আরও বেশি ব্যবহার করতে পারে সেই রাস্তা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হবে। বর্তমান চুক্তি অনুসারে পাকিস্তান এই তিনটি নদীর পানির সিংহভাগ পেয়ে থাকে। কিন্তু ভারত বলছে, পারস্পরিক আস্থা না-থাকলে সেই চুক্তি বজায় রাখা সম্ভব নয়।
১৯৬০ সালে বিশ্ব ব্যাংকের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তান সিন্ধু অববাহিকার ছটি নদ-নদীর জল ভাগাভাগি নিয়ে যে চুক্তিতে সই করেছিল, গত ছাপ্পান্ন বছরে দুদেশের মধ্যে অনেক যুদ্ধবিগ্রহ সত্ত্বেও তাতে কোনও ছেদ পড়েনি। কিন্তু উরিতে জঙ্গি হামলার পর থেকেই ভারতে এই ভাবনা শুরু হয়েছে এই চুক্তিকে কীভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা সম্ভব। যদিও ভারত সরাসরি এই চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করার কথা ঘোষণা করে নি। বরং প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকে এটাই ঠিক হয়েছে চুক্তি থেকে বেরিয়ে না-এসেও ভারত এখন থেকে পাকিস্তানের ভাগের নদীগুলোর পানি বেশি করে ব্যবহার করবে। এই ধরনের কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের ওপর চাপ ছিল বিজেপির পক্ষ থেকেও।
সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা মনে করেন, চুক্তি অনুযায়ী ৮০ শতাংশ পানিই পাকিস্তান পায় আর তার ফলে ভুগতে হয় জম্মু-কাশ্মিরকে। ফলে দুনিয়ার কে কী বলল, সেসব নিয়ে না-ভেবে এখনই এই চুক্তি পর্যালোচনা করা দরকার। সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব ও বিজেপি এমপি আর পি সিং-ও বলেছিলেন, দুটো সার্বভৌম দেশের মধ্যে চুক্তি ততক্ষণই বহাল থাকে যতক্ষণ তারা একে অন্যের সার্বভৌমত্বকে মর্যাদা দেয়। পাকিস্তান ভারতের সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করছে না সরকারও একই কথা মানে, তবে শেষ পর্যন্ত তারা চুক্তি বাতিল করার কথা ঘোষণা করতে পারল না মূলত আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার কথা ভেবেই। কিন্তু সিন্ধু-ঝিলম-চেনাবের পানি বেশি করে ব্যবহারের মধ্যে দিয়ে ভারত জম্মু-কাশ্মিরে এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চাইছে বলেই মনে করেন সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক বিবেক কাটজু। কাটজু বলেন, এই চুক্তি কিন্তু জম্মু ও কাশ্মিরেই খুব অপ্রিয় কারণ তারা মনে করে এই চুক্তির ফলে তারা তাদের ন্যায্য পানির হিস্যা পায়নি। এখন এই বাড়তি পানি সেখানে ব্যবহার করে ভারত যেমন সেই ক্ষোভ সামাল দিতে চাইছে, তেমনি পাকিস্তানকেও চাপে রাখতে চাইছে। কারণ এটা অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই, এই চুক্তি তার উদ্দেশ্য সিদ্ধ করতে পারেনি, কারণ পাকিস্তানের জন্য এটি বেশিই দরাজ।
১৯৬০ সালের চুক্তি অনুযায়ী, পূর্ব দিকের নদী বিপাশা, ইরাবতী, শতদ্রুর নিয়ন্ত্রণ থাকবে ভারতের হাতে। পশ্চিমের তিন নদী সিন্ধু, ঝিলম, চেনাবের নিয়ন্ত্রণ থাকবে পাকিস্তানের হাতে। সিন্ধুর মাত্র ২০ শতাংশ পানি চাষ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করতে পারবে ভারত। সিন্ধুর উৎপত্তি চীনের ভূখণ্ডে। তবে এর পানিবণ্টন নিয়ে চীন কোনও আন্তর্জাতিক চুক্তি করেনি। চীন থেকে ভারতের ওপর দিয়ে বয়ে সিন্ধু পাকিস্তানে পড়েছে। ভারত এই পানি দেওয়া কমিয়ে দিলে বড় সমস্যায় পড়বে পাকিস্তান। তাদের কৃষিখাতে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে জম্মু-কাশ্মির, পাঞ্জাবে বন্যার ভয়ও থাকছে। তাছাড়া ভারতকে বিপাকে ফেলার জন্য পাল্টা কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে চীনও। সিন্ধু, ব্রহ্মপুত্রের গতিপথে বাধ দিতে পারে। সেক্ষেত্রে পানি সংকট দেখা দেবে উত্তর-পশ্চিম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে। বন্ধ হয়ে যাবে বেশ কিছু কেন্দ্রের জলবিদ্যুৎ উৎপাদন। এদিকে সিন্ধু চুক্তিকে অসাংবিধানিক জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন আইনজীবী এম এল শর্মা। সেই মামলা জরুরি ভিত্তিতে শোনার আবেদন খারিজ করেছেন প্রধান বিচারপতি টি এস ঠাকুর এবং বিচারপতি এ এম খানউইলকারের বেঞ্চ। আবেদনে বলা হয়েছিল, ১৯৬০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ভারতের হয়ে চুক্তিটি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নেহেরু। রাষ্ট্রপতি করেননি। তাই এই চুক্তির সাংবিধানিক বৈধতা নেই।

সুত্র : বাংলানিউজ,ইত্তেফাক,সংগ্রাম

জনপ্রিয় অনলাইন : সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করতে দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে দুই দিনব্যাপী যৌথ মহড়া শুরু হবে মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর)। এতে অংশ নেবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিজিবি হিলি আইসিপি ক্যাম্পে সীমান্ত মহড়া প্রস্তুতি উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানায় বিজিবি।
সভায় বিজিবি জয়পুরহাট-২০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বিজিবির আহ্বানে মঙ্গলবার ও বুধবার বিজিবি-বিএসএফর অংশগ্রহণে যৌথ সীমান্ত মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। এতে হিলি সীমান্ত দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীদের ব্যাগে তল্লাশি ও বন্দরের আমদানি-রফতানি করা পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে দুই বাহিনী নিজ নিজ অবস্থানে থেকে তল্লাশি করার মহড়া অনুষ্ঠিত হবে।
মহড়ায় বিজিবি দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার, ডেপুটি সেক্টর কমান্ডার, ডেপুটি রিজোন কমান্ডার, দিনাজপুর ও ফুলবাড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এবং বিএসএফের পক্ষে তাদের সেক্টর কমান্ডার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক উপস্থিত থাকবেন।

মহড়ায় দুই বাহিনীর মধ্যে বিরাজমান সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি এবং সীমান্তে অপরাধ কমানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয় অনলাইন ডেস্ক: মালয়েশিয়ার লরং পানতাই কেলানাং এলাকা থেকে এক বাংলাদেশির পোড়া লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সে দেশের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বারনামার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সৈয়দ আলী নামের চল্লিশোর্ধ্ব ওই ব‌্যক্তিকে অন‌্য কোথাও খুন করে সৈকতের কাছে নিয়ে আগুনে পোড়ানো হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছেন তদন্তকারীরা।

কুয়ালা লাঙ্গাট জেলা পুলিশের প্রধান জাইলান তাসির জানান, রোববার মধ‌্যরাতে আগুন দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে যাওয়ার পর ওই ব‌্যক্তির পোড়া লাশ উপুর হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন।
নিহতের শরীরের বেশিরভাগ অংশ পুড়ে গেছে এবং তার পিঠ ও কপালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
অন‌্য কোথাও খুন করে প্রমাণ নষ্ট করার জন‌্য এখানে এনে লাশ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টার সম্ভাবনা আমরা উড়িয়ে দিচ্ছি না, বলেন জাইলান।
তিনি জানান, নিহতের দুই হাতের আঙুলে একটি করে আঙটি ছিল, ওয়ালেটে ছিল পাসপোর্ট (নম্বর: BC0214534)। আর বুক পকেটে ১০ ও ২০ রিংগিতের নোট পাওয়া গেছে। পাশেই পড়ে ছিল ক‌্যাস্ট্রল ইঞ্জিন অয়েলের বোতলের মুখ।

এ ঘটনায় হত‌্যার অভিযোগে একটি মামলা করা হয়েছে বলে বারনামার খবরে জানানো হয়।

এনায়েত হোসেন সোহেল,প্যারিস,ফ্রান্স : ফ্রান্সের পিঙ্ক নগরী খ্যাত তুলুজে বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি তুলুজ ফ্রান্সের ঈদ পুনর্মিলনী, আলোচনা সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্টিত হয়েছে।
গত ২৫শে সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১ টা থেকে নিউ দিল্লি রেষ্টুরেন্টে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।তুলুজে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীসহ বিয়ানীবাজারবাসীর প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে দিন ব্যাপী অনুষ্ঠান হয়েছিল এক খন্ড বাংলাদেশ।

ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রবীণ মুরব্বি ফয়জুল হকের সভাপতিত্বে,আব্দুল বাসিত ও শাওন আহমদের পরিচালনা অনুষ্টানে আলোচনায় বক্তব্য রাখেন,সুলতান মাহমুদ মিঠু, রিপন আহমদ,মজু উদ্দিন, আব্দুস শুক্কুর,এমরান হোসেন,জাকারিয়া আহমদ,অলি হোসেন,জাহেদ হোসেন নানু,সুবেল আহমদ,কাজল আহমদ, জহিরুল ইসলাম,জবরুল আমিন,আব্দুর রহমান,জাকারিয়া আহমদ,রুহিন উদ্দিন,জাহাঙ্গীর হোসেন,,মিষ্টু আহমদ,রাজীব আহমদ, আদিল হোসেন,ফরহাদ আহমদ,সুলেমান আহমদ,দেলোয়ার হোসেন,শাহেদুর রহমান,মিন্টু আহমদ প্রমুখ। বক্তারা এ সময় প্রবাসী বিয়ানীবাজার বাসীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেদের সহযোগিতার কথা ব্যক্ত করে দেশ ও দেশের তরে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এ সময় সংগঠনের সংববিধান ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। শুরুতেই পবিত্র কোরান তেলায়াত করেন মুজিবুর রহমান। পরে আকর্ষণীয় কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ কারীদের মধ্যে অতিথিরা পুরস্কার বিতরণ করেন।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget