2016-09-11

জনপ্রিয় অনলাইন ডেস্ক : রাশিয়া-পাকিস্তান যৌথ সামরিক মহড়া ফ্রেন্ডশিপ-২০১৬ নিয়ে ভারতের উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন মস্কোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তা। মহড়া বিতর্কিত এলাকায় চালানো হবে না বলে নিশ্চিত করেন রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেকেন্ড এশিয়ান ডিপার্টমেন্টের পরিচালক জামির কাবুলভ।

তিনি বলেন, রুশ-পাক যৌথ সামরিক মহড়া নিয়ে ভারতের উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু নেই। বিতর্কিত এলাকায় যৌথ মহড়া চালানো হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি কোথায় হবে তা ভারতকে অবহিত করা হয়েছে। মহড়ায় দুদেশের প্রায় দুইশ সেনা অংশ নেবে।
ফ্রেন্ডশিপ-২০১৬ যৌথ মহড়া চলতি মাসের ২৪ তারিখ থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় রাত্তুতে অবস্থিত আর্মি হাই অলটিচ্যুড স্কুল এবং চেরাতে স্পেশাল ফোর্সেস ট্রেনিং সেন্টারে এ মহড়া আগামী মাসের ৭ তারিখ পর্যন্ত চলবে।

কাশ্মিরকে কেন্দ্র করে পাক-ভারত উত্তেজনা যখন তুঙ্গে তখন এ মহড়া হতে চলেছে। আসন্ন এ মহড়ার ফলে দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত বিন্যাস পাল্টে যাবে বলে ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। পাকিস্তান শুধু রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়াই চালাবে না; দেশটির কাছ থেকে অত্যাধুনিক জঙ্গিবিমানও কেনার কথা ভাবছে। আর এতে ভারত উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন অনেক রাজনৈতিক ও সামরিক বিশেষজ্ঞ।

টাইম লাইন ডেস্ক : সকালে গরুর উপরে উঠে সেলফি আর বিকালে গরুর মাংস নিয়ে যাওয়ার সময় মৃত্যু।

এ যেন পূর্বের অমানবিক কাজটির নগদ সাজা। অন্ততপক্ষে এলাকার মানুষ জনের আমনই ধারনা।জানা গেছে, সকালে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোরবানী করা গরুর উপরে অমানবিক ভাবে বসে মোবাইলে সেলফি তুলেছিলো এই তরুন। বিকেলে সেই গরুর মাংশ নিয়ে এক বাসায় যাবার সময় যুবকটির মৃত্যু হয়। মারা যাবার আগে সেই গরুটির মাংস খাওয়ার সৌভাগ্যও তার হয়নি। ঘটনাটির সংবাদ ফেসবুক ওয়াল থেকে সংগ্রহ করা। অনেকেই মন্তব্য করছেন, আল্লার বিচার বড়ই কঠিন। অমানবিক কাণ্ডের ফল ভোগ করলো এই যুবকটি। আরিফ নামে  এক তরুণ মন্তব্য করেন- সব কিছু নিয়ে তামাসা নয়, মানুষ যখন চরম অপরাধ করে ফেলে, তখন স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা তার ফল দেখান।

জনপ্রিয় ডেস্ক :  ইসলাম গ্রহনের পর সৌদিতে আরবে কর্মরত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত সিনম কলিস এবারে হজব্রত পালন করেন। সৌদি আরবের ইতিহাসে এই প্রথম কোন ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হজ্জ পালন করল। সৌদি আরবে নিয়োজিত ব্রিটিশ কূটনৈতিক সিমন কলিস এই বছর হজ্জ পালন করেন। তিনি হলেন প্রথম ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত যিনি মুসলিম হয়ে এই প্রথম হজ্জ পালন করলেন। 

জনাব কলিস ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে সৌদি আরবের বৃটিশ রাষ্ট্রদূত নিয়োজিত হন। তিনি সাম্প্রতিক সময়ে ইসলাম গ্রহন করেন। টুইটারে প্রকাশিত এক ছবিতে মিঃ কলিস এবং তার সহধর্মিণী হুদা মুজারকেচ কে সাদা ইহরাম পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়। রাষ্ট্রদূত কলিস তাঁদের ইহরাম পরিহিত ছবি টুইটারে প্রকাশ করায় ফাওজিয়াহ আলবকর নামক এক তরুনিকে ধন্যবাদ জানান। সেই তরুনি এক টুইটার বার্তায় বলেনসৌদিআরবে নিয়োজিত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত এই প্রথম হজ্জ পালন করলেন। যিনি সাম্প্রতিক সময়ে ইসলাম গ্রহন করেছেন আলহামদুলিল্লাহ্‌। সিনম কলিণের সাথে তার স্ত্রী সায়্যেদা হুদা 
১৯৭৮ সালে ব্রিটিশ বৈদেশিক কমিশন এবং কমনওয়েলথ অফিসে যোগদানের অব্যবহিত পরেই, মিঃ কলিন ইরাক, সিরিয়া এবং কাতারে রাষ্ট্রদূত হিসাবে দায়িত্ত্ব পালন করেন। তিনি দুবাই এবং বসরা তে কনস্যুলেট জেনারেল এর দায়িত্ত্বও পালন করেন। তিনি নয়া দিল্লি, তিউনিসিয়া এবং আম্মানেও দায়িত্ত্ব পালন করেন। হাজীগণ এখন শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ, মাথা মুণ্ডন এবং কিরবানী করার মিনায় অবস্থান করছেন। এর পর তারা মক্কায় ফরে আসবেন এবং বিদায়ী তাওয়াফ করবেন। 
পাঁচদিন ব্যাপী এই হজ্জ শনিবারে শুরু হয়েছে এবং বৃহস্পতিবারে শেষ হবে। 

সুত্রঃ গালফ নিউজ, সাউদী গেজেট, টিআরটি ওয়ার্ল্ড 

বকুল খান,মাদ্রিদ : উৎসব মুখর পরিবেশে ও সকল ভেদাভেদ ভুলে আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে  ঈদ উল আযহা উদযাপন করেছে স্পেন প্রবাসিরা।

স্পেনের মাদ্রিদের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশি অধ্যুষিত লাভা-পিয়াসের কাসিনো পার্কের খোলা মাঠে ঈদের নামাজ দুই জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।প্রায় ৭ হাজার প্রবাসিদের উপস্তিতে গোটা এলাকা মিলন মেলায় রুপ লাভ করে। শত ব্যস্ততার মাঝে এই একটা দিন সবাই একত্রে মিলিত হন উৎসবই আমেজে।এবার প্রতি বছরের চেয়ে বেশি কুরবানি দিয়েছেন প্রবাসিরা।


বাংলাদেশির  পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধর্ম প্রাণ মুসলমানরা কাসিনো পার্কে জড়ো হতে থাকেন সকাল থেকে। নানা দেশের নানা বর্ণের ভিন্ন ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষ এক কাতারে শামিল হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন।প্রথম নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ৮ টা আর দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয় ৯টা ৩০ মিনিটে।ঈদ জামাতে সামাজিক, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ছাড়াওকমিউনিটির শীর্ষ ব্যক্তিরা অংশ নেন।

স্পেনের সবচেয়ে বড় মসজিদ ভেনতাসে সকাল ৯টায় হাজারো মুসল্লীর উপস্থিতিতে ঈদের নামাজের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া মালাগা, আলিকান্তে, মুরছিয়া, সেভিলা, গ্রানাদা, কর্দোভাসহ অনেক শহরে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।অনেক বাংলাদেশি নারীও এখানে ঈদের নামাজ আদায় করেন।নামাজ শেষে  মুসলিম বিশ্বের শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির জন্য দোয়া করা হয়।

এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী ধনী-গরিব, সাদা-কালো, হিন্দু-মুসলিম সব ভেদাভেদ ভুলে হানাহানি ও প্রতিহিংসা ভুলে ভালোবাসা ও ন্যায়ের মূল্যবোধে জেগে ওঠারও আহ্বানও জানানো হয়।নামাজ শেষে প্রবাসীরা শুভেচ্ছা বিনিময় আর নিজেদের মাঝে সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করে কিছুটা হলেও খুজেঁ পান শিঁকরের টান, আবার কেউ কেউ জানালেন গ্রীষ্মের ছুটি থাকায় এবারের ঈদে থাকবে বাড়তি আনন্দ।

বাহার উদ্দিন বকুল,জেদ্দা সৌদি আরব : পবিত্র ভূমি সৌদি আরবে আজ সোমবার ১২ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদুল আযহা। সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশীরা প্রতিবারের মত আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করেছে। সৌদি আরবের প্রায় বিশ লাখ বাংলাদেশী কর্মরত যেন এক টুকরো বাংলাদেশ। স্বপরিবারে বসবাসরত বাংলাদেশী আছেন উল্লেখ করার মত। সৌদি প্রবাসীরা হজের মাসে ব্যস্ত থাকেন দেশ থেকে আসা হাজীদের খোঁজ খবর আর সহায়তার চেষ্টায়। দেখা করে বা মোবাইলে চলে যোগাযোগ।

 ঈদুল আযহায় পশু কোরবানিতে বাংলাদেশীদের আগ্রহের কমতি নেই। জেদ্দা মহা নগরের পশুর হাট শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে। 

সৌদিরা সাধারণত ঊঠ, দুম্বা কোরবানি করে থাকে। তবে বাংলাদেশীদের প্রথম পছন্দ গরু বা ছাগল।

আর সৌদি আরবে গরু কোরবানিতে বাংলাদেশীরা সবার উপরে। 

এদেশে কশাইখানা ছাড়া পশু জবাই করা নিষেধ। তারপরও অনেকে লুকিয়ে দেয়াল ঘেরা স্থানে কোরবানি করে থাকে। তবে তা উত্তম ভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে ফেলেন যাতে পরিবেশ দুষিত না হয়। 

তাছারা এখানে কোরবানি ৩/৪ দিন আগে পশু কিনে সবাই হাটেই রেখে আসে পশুর গায়ে নম্বর লিখে। কোরবানির আগের রাতে নিয়ে জায় নির্দিষ্ঠ স্থানে।

বারো মাসে তেরো পার্বণের ঐতিহ্যে লালিত বাংলাদেশীরা প্রবাসেও ঈদ উদযাপনে আয়জনের কমতি রাখে না। 

বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজন করেন ঈদ পুর্নমিলনী অনুষ্টান। মাস ব্যাপী চলে এই আয়োজন। তাছারাও ঈদের দিন বিকেলে লোহিত সাগর তীরে হুমড়ি খেয়ে পড়ে জেদ্দা প্রবাসী নাগরিক সমাজ। ২৫/৩০ কিলোমিটার ব্যাপী সাগর পাড়ে রাতভর চলে আড্ডা, খাওয়া-দাওয়া। আছে ছেলে মেয়েদের খেলাধুলার ব্যবস্থা।


মোটের উপর সৌদি প্রবাসীরা একটি সুন্দর সামাজিক জীবন যাপন করেন, যেন প্রবাসে স্বদেশ।  

সেলিম উদ্দিন (লিসবন,পর্তুগাল ) : পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের মার্তিম মনিজ পার্কে অনুষ্ঠিত হয় ঈদের সবচেয়ে বড় জামাত যেখানে বিভিন্ন দেশের মুসল্লীদের উপস্থিতি দেখা যায়।

সকাল সাড়ে ৮.৩০টায় এই ঈদের জামাত শুরু হয়এতে প্রায় ৫হাজার লোক এক সাথে খোলা ময়দানে নামাজ আদায় করেন। জামাতে ইমামতি করেন লিসবনস্ত বায়তুল মোকাররম জামে মসজিদের খতিব অধ্যাপক আবু সায়েদ।

এই জামাতে পর্তুগালে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক ,সামাজিক ও আঞ্চলিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের ব্যাপক উপস্তিতি লক্ষ্য করা গেছে। জামাত শেষে সারা মুসলিম বিশ্বের শান্তি ও সংপ্রীতি সম্মৃদ্ধের জন্য দোয়া করা হয়
বিশ্বব্যাপী ধনী-গরিব, সাদা-কালো, হিন্দু-মুসলিম সব ভেদাভেদ ভুলে হানাহানি প্রতিহিংসার সব অস্ত্রকে ছুড়ে ফেলে ভালোবাসা ও ন্যায়ের মূল্যবোধে আমরা জেগে উঠি সবাই।
শুধু ঈদের দিন নয় বছরের ৩৬৫ দিনই রঙিন হয়ে আনন্দ নিয়ে আসুক সবার জীবনে। বছরের প্রতিটি দিনই হোক ঈদের দিনের মতো বিদ্বেষহীন, এ প্রত্যাশা আমাদের সবার ৷

এ ছারা পর্তুগালের লিসবনে,আরো তিনটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় ৷

এনায়েত হোসেন সোহেল,প্যারিস,ফ্রান্স : বিপুল উৎসাহ ও আনন্দ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে সোমবার সকাল থেকে হাজারো মুছল্লীদের ভিড় উপেক্ষা করে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বাংলাদেশি অধ্যুষিত মসজিদ গুলোতে পালিত হলো পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত।

জামাতে অংশ গ্রহণ করেন ওভারবিলিয়ে মেয়র সহ ফ্রান্স নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাসহ প্যারিসে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। এক কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ শেষে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রত্যাশা করেন ঈদের আনন্দের মতো প্রতিটি দিন আরো বেশি আনন্দময় হওয়ার। 

সকাল ৮ টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশী অধ্যুষিত খ্যাত এলাকা ওভারবিলিয়ে জিমনেষ্টি হলে। মুছল্লীদের শুভেচ্ছা জানাতে এখানে উপস্থিত হন স্থানীয় মেয়র। এর পরে সকাল ৮ টা থেকে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ৬ টি জামাত অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশিদের প্রধান জামে মসজিদ ওভারভিলা বাংলাদেশি কমিউনিটি জামে মসজিদে। 

দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়া ও ঈদুল আজহার নামাজে অংশ গ্রহণ করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। যাদের জায়গা হয়নি মসজিদে তাদের অনেকেই প্রখর রোদ উপরক্ষা করে রাস্তায় দাঁড়িয়ে দেশের কল্যানে মোনাজাতে শরিক হোন। নামাজ শেষে বুকে বুক মিলিয়ে ঈদ আনন্দে মেতে উঠেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। সব অপশক্তিকে পরাজিত করে দেশের জন্য এক সঙ্গে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ঈদ কেবল আনন্দের বার্তাই নিয়ে আসেনা , প্রবাসে সবাইকে উদ্ভাসিত করেছে ইসলামের পরিচয়ে। সকল রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে ঈদের দিনের মতো প্রতিটি দিনই মানুষ খুশিতে মেতে উঠবে এমন প্রত্যাশা ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget