2016-08-21


নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটের বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজ দ্রুত সরকারিকরণের দাবিতে কলেজ গেইটের সম্মুখস্থ বিশ্বনাথ-সিলেট সড়কে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলেজের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে শনিবার সকালে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা সরকারের কাছে দাবি জানান, বিশ্বনাথ উপজেলার উচ্চ শিক্ষার হার ও উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজ সরকারিকরণ করা এখন সময়ের দাবি। তাই শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বিশ্বনাথবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের এ দাবি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন। আর এদাবি যত দ্রুত বাস্তবায়ন হবে, তত দ্রুতই বিশ্বনাথের শিক্ষার উন্নয়ন শুরু হবে। বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী শীতল বৈদ্যের সভাপতিত্বে ও শাহ বোরহান আহমদ রুবেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে কলেজের প্রাক্তন ছাত্রদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী শিপন, বিশ্বনাথ উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ফয়জুল ইসলাম জয়, সদস্য অ্যাডভোকেট সায়েদ আহমদ, উপজেলা ছাত্রদলের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য তারেক আহমদ খজির, বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কামরুল ইসলাম, জুয়েল আহমদ, আলম খান, হৃদয় আহমদ, আবদুর রব, রাজু মিয়া, আব্দুস সালাম জুনেদ, মাহবুব আহমদ, মিয়াদ আহমদ, রাকু মালাকার, সোহান মিয়া, কবির আহমদ, পারভেজ আহমদ, আশরাফ উদ্দিন, মাছুম আহমদ, ইমন আহমদ, অজয় বৈদ্য, মুক্তা রাণী বৈদ্য, তাহমিনা বেগম, তামান্না বেগম, রোকসানা বেগম। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ অসিত রঞ্জন দেব, কার্যনির্বাহী সদস্য নূর উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদল নেতা মোঃ শাহজাহান, ইমরান আহমদ সুমন প্রমুখসহ কলেজের সর্বস্থরের শিক্ষার্থীরা।


জনপ্রিয় অনলাইন : অর্থাভাবে হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে ব্যর্থ এক স্বামী স্ত্রীর লাশ কাঁধে নিয়ে চলেছেন বাড়ির পথে। পাশেই হেটে চলেছে ১২ বছর বয়সী মেয়ে চাওলা। এভাবেই হতদরিদ্র এক স্বামীকে পাড়ি দিতে হলো ১২ কিলোমিটার পথ। এই করুণ চিত্র দেখা গেছে ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যে।


এই ব্যক্তিটির নাম দানা মাঝি। তার স্ত্রী ৪২ বছর বয়সী আমাঙ যক্ষায় আক্রান্ত হয়ে বাওয়ানিপাটনা শহরের হাসপাতালে মারা যান। শহর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে মাঝির গ্রাম। সেখানে লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়ি কিংবা অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার মতো আর্থিক সঙ্গতি তার ছিল না বলেই জানিয়েছেন মাঝি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তাকে কোনও গাড়ি সরবরাহ করতে অপারগতা প্রকাশ করে।


তবে হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ কর্তকর্তা বি বর্মন বলেছেন, ওই নারীকে মঙ্গলবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সে রাতেই তিনি মারা যান। তার স্বামী তার লাশ হাসপাতালের কোনো কর্মীকে না জানিয়েই নিয়ে গেছেন।

অবশ্য দানা মাঝির অভিযোগ, তার স্ত্রী মঙ্গলবার রাতে মারা যাওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে লাশ সরিয়ে নিয়ে যেতে বলে। এরপর বুধবার তিনি লাশ কাঁধে নিয়ে হাঁটা শুরু করেন।

তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আমার স্ত্রীর লাশ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি গাড়ির ব্যবস্থা করে দিতে কাতর মিনতি জানালেও কোনো কাজ হয়নি। আমি গরিব মানুষ, গাড়িভাড়া করার সামর্থ্য নেই। স্ত্রীর লাশ কাঁধে করে নিয়ে যাওয়া ছাড়া আমার কোনও উপায় ছিল না।

তিনি ১২ কিলোমিটার পথ হাঁটার পর পথে কিছু মানুষ তার অবস্থা দেখে একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দেয়।


সেলিম আলম,মাদ্রিদ : সিলেট দক্ষিণ সুরমা ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইন স্পেনের আহ্বায়ক কমিটির উদ্যোগে মাদ্রিদে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন হল রুমে এক সাধারন সভা অনুষ্টিত হয়েছে গত ২৪ আগষ্ট সংগঠনের আহবায়ক খালিকুজ্জামান কামালের সভাপতি এবং সদস্য সচিব ছাইফুর রহমান লিটনের পরিচালনায় অনুষ্টিত সাধারন সভায় বিশিষ্ট জনের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন জালাল আহমেদ,কামরুজ্জামান সুন্দর , নুর মিয়া সহ মাদ্রিদে বসবাসরত সিলেট ও দক্ষিণ সুরমার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বসন্মতি ক্রমে খালিকুজ্জামান কে সভাপতি সাইফুল ইসলাম কে সাধারন সম্পাদক এবং আলী আহমেদ কে সাংগঠনিক  করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিঠী ঘোষনা করা হয়।

একে অন্যের সাথে পরিচয়,সৌহার্দ বৃদ্দি,স্পেনে নবাগতদের সার্বিক সহযোগিতা এবং বাঙ্গালী কালচার লালন করে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কে সঠিক দিকনির্দেশনার লক্ষ্যে তাদের এ সংগঠন কাজ করবে বলে জানান বক্তারা  

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আবুল কালাম ,মাজহারুল ইসলাম,সাকির আহমেদ,সুমেল,লালাশাহ,আফজাল হুসেন,জাহিদুল ইসলাম, আব্দুল মুহিত প্রমুখ ।


এনায়েত হোসেন সোহেল,প্যারিস:  ফ্রান্স থেকে নব গঠিত নড়াইল জেলা এসোসিয়েশন ফ্রান্সের বার্ষিক বনভোজন ও সমুদ্র ভ্রমণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রবিবার দিনব্যাপী প্যারিসের অদূরে সাগর আর পাহাড় আচ্ছাদিত প্রাকৃতিক নয়নাভিরাম দোভিলে এ বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়। সকালে প্যারিসের পখ দো পারি থেকে ৬১ জন সদস্যকে নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু হয় বনভোজনের। শুরুতেই সংগঠনের আহবায়ক হাফিজুর রহমান শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

যুগ্ম আহবায়ক মনির হোসেন প্রথমে দোয়া দরূদ পাঠ করে দিন ব্যাপী অনুষ্ঠান মালা নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা করেন। এরপর প্যারিসের অদূরে সাগর আর পাহাড় আচ্ছাদিত প্রাকৃতিক নয়নাভিরাম দোভিলে যাত্রা শুরু হয়। পথিমধ্যে সবাইকে সকালের নাস্তা পরিবেশন করা হয়। বেলা সাড়ে ১১ টায় বাস পৌঁছে যায় নড়াইল এসোসিয়েশন ফ্রান্সের গন্তব্য স্থানে। এরপর দুপুরের খাবার শেষে সবাই অবলোকন করতে থাকেনা দোভিল সি বিচের প্রাকৃতিক নয়নাভিরাম। দল বেঁধে সমুদ্র স্নান ,সাঁতার খেলা,বেলাভূমিতে ফুটবল খেলা চলতে থাকে। বনভোজনে আগত পরিবার গুলো ছেলে মেয়ে নিয়ে আনন্দ আড্ডায় মেতে উঠেন। 

বিকেল ৫টায় শুরু হয় মহিলাদের বালিশ বদল খেলা। মনো মুগ্ধকর এ খেলা উপস্থিত সবাই মনভরে উপভোগ করে। খেলায় তিনজন বিজয়ীদের মধ্যে ১ম হোন মনিরা সুলতানা হীরা। পরে বনভোজনে আগত সকলকে নিয়ে শুরু হয় আকর্ষণীয় রাফেল ড্র। এতে ৭জন সৌভাগ্যবান বিজয়ী আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতে নেন। প্রথম হোন মোহিত খান। পরে সংগঠনের আহবায়ক হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক মুনির হোসেনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাটির সুর সভাপতি আমিন খান হাজারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, স্বরলিপি শিল্পী গুষ্টি ফ্রান্সের সভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী। এইচ এস মাল্টি সার্ভিসের কর্ণধার মনিরা সুলতানা হীরা। বক্তব্য রাখেন,আল হেলাল,আলী মর্তুজা শিমুল,বেলাল আহমদ,সেলিম উদ্দিন,শাকিল সরকার ,মাহদুদুল হক,আরমানুজ্জামান,ফরিদুর রহমান,শাকিব, রাশেদ,জাহিদ,লোকমান,সোহেল,রিকু প্রমুখ ।


জনপ্রিয় অনলাইন : দুই লক্ষ বাংলাদেশী অধ্যুষিত ইতালীতে বুধবার ভোরে প্রচন্ড ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোন বাংলাদেশী হতাহত হবার খবর পাওয়া যায়নি। জাতীয় সংবাদ সংস্থা আনসার সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ৩৮। 

বাংলাদেশীরা নিরাপদে থাকার বিষয়টি ভূমিকম্পের ৯ ঘন্টা পর নিশ্চিত করেছেন রোমে দায়িত্বরত রাষ্ট্রদূত শাহদৎ হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, এখানকার পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি এবং তারা আমাদের যেমনটা জানিয়েছেন, এখন অবধি বাংলাদেশের কোন নাগরিক হতাহত হবার তথ্য তাদের কাছে নেই। রাষ্ট্রদূত আরো জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো ও তার আশপাশে কিছু বাংলাদেশীর বসবাস আছে তবে তাদের কারো হতাহত হবার খবর বেসরকারীভাবেও আমরা এখনো পাইনি

ঘড়ির কাটায় তখন ভোররাত তিনটা ছত্রিশ। ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে মধ্য ইতালী। লাৎসিও অঞ্চলের রিয়েতি প্রভিন্সের আমাত্রিশে পৌর এলাকার অর্ধেকই পরিণত হয় ধ্বংসস্তুপে। রিয়েতির আককুমোলি এবং মার্কে অঞ্চলের পেস্কারা দেল ত্রোনতো এবং আস্কোলি পিশেনোর আরকুয়াতাতে প্রাণ হারান অনেকে। স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ৩৮টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যাপক ধ্বংসস্তুপের ভেতর অনেকেই এখনো আটকে আছেন। জীবিতদের উদ্ধারে জোর তৎপরতা চলছে তবে মৃতের সংখ্যা বাড়ার আশংকা করা হচ্ছে জোরেশোরে। ভোররাতের ভূমিকম্পের পর মধ্য ইতালীতে সকাল অবধি আরো অন্তত ৫০ বার ছোট আকারে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। ধ্বংসযজ্ঞের শিকার বিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে বুধবার দিনের প্রথম ভাগেই জরুরি ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর সদস্যদের তলব করা হয়েছে।
 সুত্র: দৈনিক ভোরের কাগজ ।


জনপ্রিয় অনলাইন : স্ত্রী খুন হওয়ার প্রায় দুই মাস পর অবশেষে পুলিশ সদর দফতরে নিজের কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার।

বাবুল আক্তারের শ্যালিকা শায়লা মোশাররফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বাবুল ঢাকায় যোগ দেওয়ার তিন দিনের মাথায় গত ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর ও আর নিজাম রোডের বাসার কাছে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় খুন হন তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু। মোটর সাইকেলে করে আসা তিন হামলাকারী মিতুকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। চট্টগ্রামের পুলিশ বলে আসছিল, গত দুই বছরে চট্টগ্রামে জঙ্গি দমন অভিযানে বাবুলের ভূমিকার কারণে জঙ্গিদেরই৷
সন্দেহের তালিকায় প্রথমে রেখেছেন তারা; সেভাবেই মিতু হত্যার তদন্ত করছেন তারা। এমনটাই সন্দেহ করা হচ্ছিল। পরবর্তীতে বাবুল আক্তার গভীর রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে ডিবি
কার্যালয়ে ডেকে নেওয়ার ১৪ ঘণ্টা পর বাড়ি ফেরেন আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তার। জানা গেছে, বাবুল আক্তার গতকাল সকালে পুলিশ হেড কোয়ার্টারে নিজের কাজে যোগ দিয়েছেন।


জনপ্রিয় অনলাইন : দলের নির্যাতিত নিপীড়িত নেতাকর্মীদের বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
 এক বিএনপি কর্মীর একটি ঘটনা বর্ণনা করতে মঙ্গলবার এক সভায় তিনি কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, প্রতিদিন গাড়িতে যাওয়া আসা করি। যানজটে গাড়ি থামলে দেখি সব ইয়াং ছেলে-পেলে ছুটে আসে। বলে স্যার আমি তো বিএনপি করতাম লক্ষীপুরে। এখন মামলার ভারে পালিয়ে চলে এসেছি ঢাকায়। এখানে হকারি করেছি। রিক্সা চালায় আমাদের ছেলেরা। এসময় কিছুক্ষণের জন্য বক্তৃতা থেকে যায়। কাঁদতে থাকেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, আমি দুঃখিত, আবেগ ধরে রাখতে পারছি না। আমাদের ছেলেদের এরকম করুন ---। এক ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আমরা আছি। গুম করলে খুঁজে পাওয়া যায় না। এজন্য কী আমরা একাত্তর সালে যুদ্ধ করেছিলাম? নতুন নতুন আইন হচ্ছে, এই আইনে এখন কথাও বলা যাবে না, আকারে ইঙ্গিতে যেকোনো কথা বললে সাজা হবে।
তিনি বলেন, আমরা যারা রাজনীতি করি, তারা ধরেই নিয়েছি শেষ জীবনে হয়ত জেলেই কাটাতে হবে। যতগুলো মামলা আছে, সেই মামলায় যদি ৫/১০ বছর করে জেল হয়, তাহলে ২৫০/২৬০ বছর সাজা হবে। হে মাবুদ তুমি রক্ষা করো।
রাজধানীর সেগুন বাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বন্ধ থাকা দৈনিক আমার দেশ পরিবার। পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ বন্ধ করার প্রতিবাদে এই আলোচনা সভা হয়। ২০১৩ সালের ১১ এপ্রিল আমার দেশ পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়। তবে অনলাইন সংস্করণ চালু ছিল। এরই মধ্যে গত ৪ আগস্ট আমার দেশ অনলাইন ভার্সনসহ ৩৫টি নিউজ সাইট বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশন- বিটিআরসি। 'আমার দেশ পড়তে চাই, মাহমুদুর রহমানের মুক্তি চাই
শীর্ষক এ সভার সার্বিক তত্ত্বাবধান করে অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিসিয়ার্স বাংলাদেশ (অ্যাব)।
সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে কবি ফরহাদ মজহার, আমার দেশ
র নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব ও আমার দেশ এর নগর সম্পাদক এম আবদুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, আমার দেশ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী, সিনিয়র প্রতিবেদক কাদের গণি চৌধুরী, বিএনপির সহ-প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক শাকিল ওয়াহেদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবদুল হাই শিকদার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমানে দেশে
ডেমোক্রেটিক স্পেস একেবারেই নেই। আমরা যেটাকে রাজনৈতিক পরিসর বলি সেটা এখন একেবারেই অনুপস্থিত। একই কক্ষের বাইরে গিয়ে কথাও বলতে পারবেন না। কথা বললে হিসাব করে বলতে হবে বাইরে গিয়ে গ্রেফতার হবেন কিনা। সাধারণ মানুষগুলো আজ বড় কষ্টে আছে। তারা একটা দম বন্ধ করা পরিবেশের মধ্যে আছে। তারা স্বজন হারাচ্ছে, পুত্র হারাচ্ছে। তাদের জন্য আপনাদের সকলকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে। আপনি যদি চান একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বাস করবেন, আপনি যদি আপনার স্বকীয়তা ও নিজস্বতাকে রক্ষা করতে চান। তাহলে অবশ্যই আপনাদের রুখে দাঁড়াতে হবে, সেই ঘুরে দাঁড়াতে হবে।
রাজধানীতে জনসভা করার স্থান ক্রমশ সঙ্কুচিত করে ফেলা হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এখন পল্টন ময়দান আর নেই। এটা এখন আউটার স্টেডিয়াম, ভাসানী স্টেডিয়াম, জিমনিসিয়াম- পুরোটাই দখল হয়ে গেছে। শুধু এটাই নয় মুক্তাঙ্গন, সেখানে গিয়ে আমরা কথা বলতাম- সেটাও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। মানিক মিয়া এভিনিউতে বড় জনসভাগুলো করা হতো, সেখানে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার আসার পরে মাঝখানে আইল্যান্ড নির্মাণ করে সেই রাস্তাকে বন্ধ করে দিয়ে সেখানে সভা-সমাবেশ বন্ধ করে দিয়েছে।
বর্তমানে সভা-সমাবেশ করার ক্ষেত্রে পুলিশের অনুমতির বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, এখন পুলিশের অনুমতি ছাড়া কোনো সভা করা যাবে না। সেই পার্টি অফিসের সামনেও সভা করতে দেবে না। আবার সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে সভা করতে চাইলে দিনক্ষণের ব্যাপার আছে। আগস্ট মাসে আমরা কোনো সভা করতে পারবো না। আমরা ৩১ আগস্ট দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনার জন্য ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তন চেয়েছিলাম। কর্তৃপক্ষ বলে দিয়েছে, ৩১ তারিখ পাবেন না, ১ সেপ্টেম্বর পাবেন। ৩১ আগস্ট আমরা দেবো না।
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, আমাদের জেলা অফিসগুলোর অনেকগুলো খুলতেই পারে না, তালা-চাবি দিয়ে রাখা হয়। খুললেও পুলিশ বসে থাকবে, অনেক সময় অফিসের ভেতরে বসে থাকবে। আর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রায় দেখবেন, বেশ কিছু পুলিশ কার্যালয়ের সামনের জায়গাটাতে বসে আছে অথবা সাদা পোশাকধারীরা রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকে। হঠাৎ কর্মীদের ছোঁ মেরে সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। এই একটা অবস্থার মধ্যে আমরা আছি।
৩৫ টি অনলাইন ভার্সন বন্ধ হওয়ার পর গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ তেমন জোরালো না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ৩৫টি অনলাইন পত্রিকার একমুহূর্তে বন্ধ করে দেয়া হলো। একটা প্রতিবাদ আপনাদের (গণমাধ্যম) থেকে দেখিনি। আমরা বিবৃতি দিয়ে শেষ করে দিয়েছি। সাংবাদিক ভাইয়েরা কিন্তু জোরালো বাধার সৃষ্টি করতে পারেনি। এর যে প্রতিবাদ সেটা আপনারা করতে পারেননি, সেই পরিস্থিতি সেই পরিবেশ নেই। রাস্তায় বেরুলে আপনাদের গ্রেফতার করে নিয়ে যায়, শুধু আপনাকে না, আপনার সন্তানকে তুলে নিয়ে যাবে বলে হুমকি দেয়।
জঙ্গি অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে হত্যার ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিদিন ক্রসফায়ার- একটা-দুটা-তিন চলছে। যতজনকে এই জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের একজনও কি বেঁচে আছে? সবাইকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হচ্ছে। তাহলে আপনারা তদন্ত কী তদন্ত করছেন? কোথায় জঙ্গিবাদ হচ্ছে, কিভাবে খবর নিচ্ছেন। গয়রহ জঙ্গিবাদের কথা বলে এখন হাজার হাজার বিরোধী দলের একেবারে গ্রাম পর্যায়ের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এটাতে একদিকে ভয়ভীতি দেখানো হয় আর অন্যদিকে বাণিজ্যটা ভালো মতো হয়। প্রচুর পয়সা আমদানি হচ্ছে।
জাতীয় ঐক্য প্রসঙ্গ জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় খালেদা জিয়ার জাতীয় ঐক্যের আহবানের বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমি বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে যখন যোগাযোগ করি, কথা বলি, তারা বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দেন। ঠিক আছে শর্ত জুড়ে দিচ্ছেন। যখন আপনার উপরে খড়গটা এসে পড়ছে, তখন আপনি কাকে শর্ত জুড়ে দেবেন। আজকে কিন্তু মাহমুদুর রহমান মান্না ছাড়া পাননি, আজকে কিন্তু রামপালে কয়লার উপরে ভিত্তি করে পাওয়ার প্ল্যান্ট তৈরি করার যারা প্রতিবাদ করছেন, রাস্তায় নামছেন, তাদের পা ভেঙে দিতে কিন্তু কুন্ঠাবোধ করছে না। আনু মুহাম্মদের মতো পন্ডিত ব্যক্তিকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে মারতে কিন্তু কুন্ঠাবোধ করে না। কারণ সেটা তাদের স্বার্থের ব্যাপার আছে, সেটা তারা করবে।
সকলের প্রতি আহবান রেখে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আজকে আমরা একটা বিষয়ে একমত হই, আমরা এখানে গণতান্ত্রিক পরিসর তৈরি করব, আমরা এখানে কথা বলার স্বাধীনতা নিশ্চিত করবো- এজন্য আমরা একবার এক হয়ে আওয়াজ তুলি। বার বার আমরা আহবান করছি। আসুন আমরা নিজেদের ভুল-ক্রটি, বিভেদ-দ্বন্দ্ব না বাড়িয়ে একসাথে আমরা আমাদের দাবিটাকে, আমাদের পাওনাগুলোকে বুঝে নেয়ার জন্য সোচ্চার হই।
নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস জানার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আজকে দেশের বই-পত্রে যেসব ছাপা হচ্ছে তাতে ইতিহাসকে একেবারে ভিন্নভাবে দেখানো হচ্ছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে তা করা হচ্ছে।
প্রবীণ সাংবাদিক শফিক রেহমান, আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার মুক্তির দাবি জানান বিএনপি মহাসচিব।
আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে বিভক্ত করেছে অভিযোগ করে অনুষ্ঠানে কবি ফরহাদ মজহার বলেন, তিনটি বড় আদর্শের ওপর ভিত্তি করে আমরা সেদিন ঐক্যবদ্ধ হতে পেরেছিলাম। তাহলে বিরোধটা তৈরি করলো কারা? বাংলাদেশেকে বিভক্ত করলো কারা? তিনি বলেন, আমরা তিনটি আর্দশের ওপর যুদ্ধ করছি। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার। এই তিন আর্দশের ভিত্তিতে ওসমানি, জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করেছিলেন এবং বাঙ্গালীদের সঙ্গে যুদ্ধ হয়েছিলো। কোনো আওয়ামী লীগের দলীয় ডাকে যুদ্ধ হয়নি। যতক্ষণ আপনারা এই বিষয়টি বুঝতে না পারবেন, ততক্ষণ বাংলাদেশটাকে আপনারা দিল্লির হাতে তুলে দেবেন এবং দিচ্ছেন।
তাহলে কি জন্যে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করেছিলাম এমন প্রশ্ন করে ফরহাদ মজহার বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের জন্যে? না সেটা নয়। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্রের জন্য যুদ্ধ করেছিলাম? না সেটাও না। ইতিহাস খুঁজতে চান বাড়িতে গিয়ে আমাদের সংবিধানটা একটু খুলবেন সেখানে পপুলেশন অব ইন্ডিপেনডেন্ট নামে সেখানে একটা ঘোষণা আছে। সেটা এপ্রিল মাসে ঘোষণা হয়েছিলো।
তিনি বলেন, জাতীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে এখন যারা লড়াই করছেন তাদের মত প্রকাশের অধিকার আর্ন্তজাতিকভাবে স্বীকৃত আছে। বিরোধী দলে থেকে সমাবেশের অধিকার, কথা বলার অধিকার, সমালোচনা করার অধিকার এগুলো এখন খর্ব করা হয়েছে। তাদের ওপর হামলা মামলা নির্যাতন চলছে।

বিএনপি যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিলো তখন আপনারা সমালোচনা করেননি এ মন্তব্য করে ফরহাদ মজহার বলেন, বিএনপির কাছে সুযোগ নিয়েছেন, ননী মাখন খেয়েছেন। এখন এসে বলছেন, বিএনপিকে দিয়ে কিছু হবে না। আমি এটা শুনতে চাই না। আমি পুরনো দালালদের চিনি। দয়া করে বলবেন না। আর আপনি যদি পারেন সেটা কেনো বলছেন না।
তিনি বলেন, আমি বিএনপিকে সমালোচনা করেছি, খালেদা জিয়াকে বলেছি, যেদিন ইরাক আক্রমণ হয়েছে সেদিন আমি আমার বইতে লিখেছি এধরনের ঘটনা আপনার ক্ষেত্রেও হতে পারে।
ফরহাদ মজহার বলেন, বিএনপি জামায়াতের সঙ্গে জোট করলো। এ নিয়ে আপনি সারাদিন কাটিয়ে দিলেন। কিন্তু প্রশ্নটা হলো জামায়াতকে সমালোচনা করেন, ইসলামপন্থিদের সমালোচনা করেন। বিএনপিকে আপনি কঠোর ভাষায় সামলোচনা করেন। কিন্তু আপনি কী চান? আপনি কী কথা বলার অধিকারে বিশ্বাস করেন?
তিনি বলেন, আপনি রাতের বেলায় ঘর থেকে মানুষকে ধরে নিয়ে যাবে র‌্যাব সাদা পোশাকে। তারপর দিন তার লাশ পাবে। এটা কি আপনি চান? আপনি কি চান দেশে একটি ঘাতক বাহিনী থাকুক? যদি আপনি না চান, তাহলে দয়া করে আপনি ক্যামেরার পেছনে থাকেন কিংবা সামনে থাকেন, আপনি কথা বলেন। আপনি কথা না বললে, বাংলাদেশকে ধ্বংস করার ক্ষেত্রে আপনার দায় ষোল আনা। এর সাথে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। এরসঙ্গে শেখ হাসিনার কোনো সম্পর্ক নেই।


অনলাইন ডেস্ক : অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় খালাসের হাইকোর্টের রায় বাতিল করে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের দেয়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার রিভিউ পিটিশন খারিজ করে দেয়া হয়েছে। 

প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ রবিবার এই আদেশ দেয়। এর ফলে আপিল বিভাগের ইতপূর্বে দেয়া আদেশই বহাল রইল।গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে খালাসের হাইকোর্টের রায় বাতিল করে দেয়। একইসঙ্গে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে তার করা আপিল পুনরায় শুনানির নির্দেশ দেয়া হয়। আপিল বিভাগের এই আদেশ পুনর্বিবেচনা চেয়ে রিভিউ পিটিশন দায়ের করেন নাজমুল হুদা।
আবেদনের পক্ষে নাজমুল হুদা নিজে এবং দুদকের পক্ষে খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন। বিগত সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা দায়ের করে। এই মামলায় ২০০৮ সালের ৩ এপ্রিল বিশেষ জজ আদালত নাজমুল হুদাকে মোট ১২ বছরের কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা জরিমানা করে। এই রায় বাতিলের আপিলে হাইকোর্ট ২০১০ সালের ১৮ আগস্ট নাজমুল হুদাকে বেকসুর খালাস দেয়


জনপ্রিয় অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে অনলাইনে অবমাননা করলে সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে যাবজ্জীবনের বিধান রেখে নতুন একটি খসড়া আইনের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ খসড়া আইনের অনুমোদন দেয়া হয়।
নতুন এ খসড়া আইনটির নাম হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৬'।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, এ খসড়া আইনটি এখন আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

এরপর সেখান থেকে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মতির পর সেটি আবারও মন্ত্রিসভায় ফিরে আসবে।
মন্ত্রিসভায় এই আইনের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর সেটিকে সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হবে। সংসদীয় কমিটির যাচাই বাছাইয়ের পর সেটি সংসদে তোলা হবে।
সুতরাং এই আইনে আরও সংযোজন ও বিয়োজনের সুযোগ থেকে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
Image caption তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
এই আইনের ১৫ নং ধারায় ৫ এর উপ-ধারায় বলা হয়েছে, "কোন ব্যক্তি যদি ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে জাতির পিতার বিরুদ্ধে কোন প্রকার প্রপাগান্ডা, প্রচারণা বা তাহাতে মদদ প্রদান করে; তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি, সত্ত্বা বা বিদেশী নাগরিক ডিজিটাল সন্ত্রাসী কার্যসংঘটনের অপরাধ করিয়াছে বলিয়া গণ্য হবে"।

এই একই ধারায় আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা আদালত কর্তৃক মীমাংসিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বিষয়াবলীর বিরুদ্ধে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে কোন প্রপাগান্ডা বা প্রচারণা করে তাহলে সেটিও অপরাধ বলে বিবেচিত হবে।

এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন তিন বছর কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
Image copyright Getty Image caption বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে অনলাইনে অবমাননা করলে সর্বোচ্চ সাজা হবে যাবজ্জীবন।

এ ধরনের অপরাধকে ডিজিটাল বা সাইবার সন্ত্রাসী কাজ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
এই আইনটির উদ্যোক্তা বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। কর্মকর্তারা বলছেন বাংলাদেশে অনলাইনে অপরাধ তৎপরতা বেড়ে যাবার কারণে এ ধরনের আইনের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশে এরই মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন নামে আলাদা আরেকটি আইন রয়েছে। এই আইনের ৫৭ ধারা নিয়ে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। এই ৫৭ ধারাকে অনেকে নিপীড়নমূলক আইন হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এই বিতর্কের প্রেক্ষাপটে নতুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করা হলো।
Image caption ফেসবুকে বিভিন্ন মানুষের বক্তব্য।
নতুন এ আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, অনলাইনে কী করা যাবে আর কী করা যাবে না।
এই খসড়া আইনের ১৭নং ধারায় বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তি যদি অসৎ উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে অন্য কোন ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া তার ব্যক্তিগত ছবি তোলে এবং প্রকাশ করে কিংবা বিকৃত করে, তাহলে সেটি ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর এবং দশ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
এছাড়া কোন ব্যক্তি যদি স্বেচ্ছায় কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক মাধ্যমে এমন কিছু প্রকাশ করে তাহলে সেটিও অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
নতুন এই আইনের অধীনে মামলা হলে অভিযোগ গঠনের তারিখে হতে ৬ মাসের মধ্যে বিচার কাজ শেষ করার বিধান রাখা হয়েছে।

Image copyright Alamy Image caption এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর এবং দশ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশে এ ধরনের একটি আইনের কোন প্রয়োজন আছে কিনা?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ইন্সটিটিউটের শিক্ষক বি এম মাইনুল হোসেন মনে করেন এ ধরনের আইনের প্রয়োজন আছে।
তবে সেটির প্রয়োগ কিভাবে হচ্ছে তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আসলে আইন যদি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে জিনিসটা ইফেক্টিভ (কার্যকরী) হবে"।
মি: হোসেন মনে করেন, অনলাইন ব্যবহারকারীরা এ ধরনের আইনকে প্রথমে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং সে অনুযায়ী পরবর্তীতে তাদের কার্যক্রমে পরিবর্তন আনবেন।
তিনি বলেন অনলাইনে যারা অপরাধের সাথে জড়িত তাদের চিহ্নিত করা বেশ কঠিন কাজ। কিন্তু বিষয়টি শুরু করতে হবে। এ ধরনের আইন সে সুযোগ তৈরি করবে বলে মি: হোসেন উল্লেখ করেন।
Image caption ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ইন্সটিটিউটের শিক্ষক বি এম মাইনুল হোসেন মনে করেন এ ধরনের আইনের প্রয়োজন আছে।
এই খসড়া আইনে এমন কিছু বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে যেগুলোর ব্যাখ্যা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন-ভিন্ন হতে পারে।
বাংলাদেশে ফেসবুক যখন মতামত প্রকাশের একটি বড় জায়গা হয়ে উঠছে, সেক্ষেত্রে এ ধরনের আইন কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে কিনা?
প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সেটি মনে করেন না। তিনি মনে করেন অপরাধকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। সেটা অনলাইনে হোক আর অফলাইনে হোক।
মি: পলক বলেন , অনলাইনে একটি ভুল তথ্য দিলে কোটি-কোটি মানুষ জেনে যেতে পারে। ধর্মীয় উসকানী দিয়ে প্রাণহানি ঘটতে পারে"।
তিনি বলেন, বিশ্ব পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশের বাস্তবতা বিবেচনা করে নতুন এ খসড়া আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন নতুন আইনটি বাস্তবায়ন হলে অযথা মানুষকে হয়রানি বা অমর্যাদা করার বিষয়টি বন্ধ হবে।
 সুত্র : বিবিসি ।


অনলাইন ডেস্ক :  যুদ্ধ অপরাধের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে মৃত্যু হওয়া গোলাম আযমের ছেলে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (চাকরীচ্যুত) আব্দুল্লাহিল আমান আযমীকে আজ রাতে মগবাজারের বাসা থেকে পুলিশ আটক করেছে।

পুলিশের একটি সোর্স জানায়, আজ সোমবার রাতে আযমীকে তার ১১৯/২ মগবাজারের বাসা থেকে আটক করা হয়েছে। তবে কি কারণে তাকে আটক করা হয়েছে তা নিশ্চিত করেনি পুলিশ।
এর আগে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশি শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন আযমী। পরবর্তীতে নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ভারতীয় শহীদদের সংখ্যা নিয়েও প্রশ্ন তুলে তোপের মুখে পড়েন তিনি।


সেলিম আলম ,মাদ্রিদ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ইউ কে প্রবাসী মাহিদুর রহমান কে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সৌদি আরব প্রবাসী আহমেদ আলী মুকিম কে কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত করায় শুভেচ্ছা জানিয়ে এক আলোচনা সভা করেছে জাতীয়তাবাদী ফোরাম স্পেন শাখা ।

গত ২২ আগষ্ট মাদ্রিদের স্থানীয় এক রেষ্টুরেন্টে সংগঠনের আহবায়ক ছানুর মিয়া ছাদের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সিফার আহমেদের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সুহেল আহমেদ সামসু
স্পেন বিএনপি সহ বহির্বিশ্বে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সংগঠিত করতে ত্যাগী নেতৃবৃন্দ কে সঠিক মূল্যায়ন করার আহবান জানিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রধান বক্তা আবু জাফর রাসেল, আকাশ ফাহমিদ এর সুভেচ্ছা বক্তব্য এবং ইসলাম উদ্দিনের কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাইফুল আলম, হুমায়ুন কবির রিগ্যান, ছায়াদ মিয়া, মাহবুব আলম,জাকির চৌধুরী, আসাদ খান, খিজির আহমেদ, রাহেল চোধুরী,ফজির আলী নাদিম সহ অনেকে।

এ সময় বক্তারা বলেন বাকশালী সরকারের মোকাবিলা করতে ইলিয়াছ আলীর মতো সাহসী নেতাকে আমাদের খুবই প্রয়োজন । তারা দালাল মুক্ত বিএনপি গড়তে তৃন মুল পর্যায়ে যতাযত মূল্যায়নের মাধ্যমে বহির্বিশ্বে পদবী বন্টনের ও আহবান জানান।

জনপ্রিয় অনলাইন : ১০১ বছর বয়সে সন্তানের জন্ম দিয়ে রীতিমত আলোচনার জন্ম দিলেন এক বৃদ্ধা। চামড়া ঝুলে গেছে, শরীর ভঙ্গুর। এই বয়সে যেখানে নিজের দেখভাল করতেই সক্ষম নন কেউ সেই বয়সে ইতালির আনাতোলিয়া ভার্তাদেলার কোল আলো করে এলো ফুটফুটে পুত্রসন্তান। তবে ওভারি ট্রান্সপ্লান্টের মাধ্যমে মা হয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন শতায়ু এই বৃদ্ধা।
ইউরোপীয় আইন অনুযায়ী ওভারি ট্রান্সপ্লান্ট বেআইনি। তবে আনাতোলিয়া জানিয়েছেন, তুরস্কের এক বেসরকারি হাসপাতালে তিনি তার সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তুরস্কে ওভারি ট্রান্সপ্লান্ট বৈধ। তবে যেখানে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সেই ক্লিনিকের নাম প্রকাশ করতে চাননি তিনি।

তিনি বলেন, যারা আমার অস্ত্রোপচার করেছেন সেই চিকিৎসকদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। এতদিন ধরে আমার ভগবানের কাছে নিজেকে অপ্রয়োজনীয় মনে হতো। ৪৮ বছর বয়সে ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে আমি আর সন্তানের জন্ম দিতে পারিনি। মাঝে মাঝে ভাবতাম মাত্র ১৬টি সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্য ভগবান আমাকে শাস্তি দিচ্ছেন। কিন্তু ভগবানের কৃপায় আবারও আমি মা হতে পারলাম। ১৭তম সন্তান এল আমার কোলে। কথাগুলো বলতে বলতে কেঁদে ফেলেছিলেন আনাতোলিয়া।

তার চিকিৎসক আলেক্সান্দ্রো পোপোলিচি জানান, তিনি ফুটফুটে এক শিশুর জন্ম দিয়েছেন। অবশ্যই এটা ভগবানের উপহার। তুরস্কে এই অস্ত্রোপচার সম্পূর্ণ আইনি এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাই তার অস্ত্রোপচার করেছেন। এই বয়সেও তার স্বাস্থ্য বেশ ভালো। আশা করছি আরও বেশ কিছু বছর বেঁচে থাকবেন তিনি।

১৯৯৮ সালে আনাতোলিয়ার স্বামী মারা যান। ইন্টারনেটে শুক্রাণুদাতা খুঁজতে গিয়ে ২৬ বছরের এক ক্যাথলিক যুবকের সঙ্গে যোগাযোগ হয় এই বৃদ্ধার। এটাই তার কাছে যথেষ্ট ছিল। তিনি শুধু চেয়েছিলাম তার সন্তানকে যেন ক্যাথলিক চার্চ গ্রহণ করে।

তিনি বলেন, তিনি তার সন্তান ফ্রান্সেস্কোর বাবাকে বিয়ে করেননি। তার সন্তানের জীবনেও ওই যুবকের কোনো ভূমিকা থাকবে না। এই কথা তিনি পোপকে লিখে জানিয়েছিলাম। পোপের নামানুসারে সন্তানের নামও রেখেছেন। তিনি বলেন, আমার বিশ্বাস, পোপ আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। এখনও আমি আমার মৃত স্বামীকে ভালোবাসি। যত দিন বাঁচবো তার বিধবা হয়েই বাঁচতে চাই। সদ্যজাতকে বুকে জড়িয়ে কথাগুলো বলে যাচ্ছিলেন সবচেয়ে বয়স্ক ওই মা।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বয়সে মা হওয়ার রেকর্ড করেছেন আনাতোলিয়া। এত দিন এই রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার মালেগওয়ালে রামোকগোপা। ৯২ বছর বয়সে সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন ওই নারী। তার সেই রেকর্ড ভাঙলেন ১০১ বছর বয়সী আনাতোলিয়া।

জনপ্রিয় অনলাইন ডেস্ক: ছোট সবুজ রঙের ফল আমলকি। টক স্বাদ হওয়ার কারণে অনেকেই আমলকি খেতে চান না। বিশেষত বাচ্চারা এই ফলটি খেতে একদম পছন্দ করে না। অথচ এই আমলকিতে রয়েছে নানা পুষ্টি গুণ। চুল পড়া রোধ করা থেকে শুরু করে সর্দি কাশি সারিয়ে তুলতে আমলকি অনেক উপকারী। আমলকিতে রয়েছে পেয়ারা এবং লেবুর তুলনায় ১০ গুণ বেশি ভিটামিনি সি। কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে। আমলকির স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে আজকের এই ফিচার।

১। চোখের যত্নে
দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে ভিটামিন এ গুরুত্বপূর্ণ তা আমরা সবাই জানি। আমলকিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ রয়েছে। এক গ্লাস আমলকির রসের সাথে মধু মিশিয়ে পান করুন। এটি চোখের জ্যোতি বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।
২। গলা ব্যথা এবং ঠান্ডা দূর করতে
দুই টেবিল চামচ আমলকির গুঁড়ো এবং দুই টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এটি দিনে ৩-৪ বার খান। এই মিশ্রণ গলা ব্যথা এবং ঠান্ডা দূর করতে বেশ কার্যকর।
৩। হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে
উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। আমলকি খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে। এবং ধমনীর ব্লক খুলে দিতে সাহায্য করে। নিয়মিত আমলকি খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে থাকে।
৪। ব্লাড সুগার কমাতে
গবেষণায় দেখা গেছে যে, আমলকিতে থাকা পলিফেনল রক্তে অক্সিডেটিভ শর্করা থেকে শরীর রক্ষা করে। এটি শরীরে ইনসুলিন শুষে নিতে সাহায্য করে। যা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে।
৫। চর্বি হ্রাস করতে
আমলকি ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে। এটি শরীরের প্রোটিনের স্তর বৃদ্ধি করে, যা দেহের চর্বি কাটতে সাহায্য করে। ওজন কমাতে চাইলে প্রতিদিন আমলকি খাওয়ার চেষ্টা করুন।
৬। হাড় মজবুত করতে
আমলকিতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে। যা হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এটি osteoclasts কমিয়ে দেয় যা হাড় ভাঙ্গার কারণ তৈরি করে।
৭। রক্ত পরিষ্কার করতে
রক্ত পরিষ্কার করতে আমলকি বেশ কার্যকর। এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান শরীর থেকে টক্সিন উপাদান সব দূর করে দেয়। নিয়মিত খাওয়ার ফলে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে।


জনপ্রিয় অনলাইন : রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ জনগণের অধিকার ব্যাহতকারী জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রসাবাদের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কর্মসূচি গ্রহণের জন্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের আট সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রবিবার বিকেলে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হকের নেতৃত্বে বঙ্গভবনে তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদেরকে একথা জানান। বৈঠকে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ প্রকাশ করেন, সাধারণ জনগণের মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে কমিশন সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে।
প্রতিনিধিদল কমিশনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তারা বলেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কে জনমত গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার জনগণের সঙ্গে কমিশন মতবিনিময় কর্মসূচির আয়োজন করবে।
প্রতিনিধিদলটি কমিশনের নিজস্ব কার্যালয় প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। এ ছাড়াও তারা আরও কার্যকরভাবে কর্মকাণ্ড পরিচালনায় দিকনির্দেশনা কামনা করেন।


জনপ্রিয় অনলাইন : ২১ আগ‌স্টের হত্যাকান্ডের ঘটনা জা‌তির জন্য এক‌টি কলঙ্কময় দিন ব‌লে মন্তব্য ক‌রে‌ছেন বিএন‌পির মহাস‌চিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তি‌নি ব‌লেন, এই ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভী রহমানসহ একটি রাজনৈতিক দলের ২২ জন নেতা-কর্মী নিহত হয়েছেন। তিনি নিহত ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

আজ রোববার ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ ন্যাপের সাবেক চেয়ারম্যান শফিউল গানি তপনের স্মরণে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ ন্যাপ এ সভার আয়োজন করে। রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সমালোচনা করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, যদি বর্তমান সরকার নির্বাচিত সরকার হতো, রামপালে এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হতো না। কারণ, তাদের জবাবদিহি থাকত।
মির্জা ফখরুল প্রশ্ন রাখেন, যদি ভবিষ্যৎই ধ্বংস হয়ে যায়, তবে এ বিদ্যুৎকেন্দ্র কী কাজে আসবে? স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি। অন্যদের মধ্যে জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মর্তুজা, ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফাই ভূঁইয়া প্রমুখ বক্তব্য দেন।


জনপ্রিয় অনলাইন : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২১ আগস্টের বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলার জন্য পুনরায় বিএনপি-জামায়াত জোটকে অভিযুক্ত করে বলছেন, এই ঘটনা বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিলেও বিএনপি নেত্রী বা তাদের জোটের বিবেককে নাড়া দেয়নি।

তিনি বলেন, আমার প্রশ্ন এই যে- এতবড় একটা ঘটনা। যেখানে বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছে। কিন্তু বিএনপি নেত্রী বা তাদের জোট তাদের বিবেককে নাড়া দেয়নি। উল্টা তারা দোষারোপ শুরু করলো এটা আওয়ামী লীগ নিজে নিজেই করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,
আমরা বিরোধীদলে থাকলেও জাতীয় সংসদে এ বিষয়ে কোন কথা তুলতে পারিনি। এনিয়ে সংসদে কোনো আলোচনাই হয়নি। একটি শোক প্রস্তাবও আনা হয়নি। .. এ থেকেই বোঝা যায় এই হামলা কারা ঘটিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভেনিউ
তে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন।
২০০৪ সালের এদিনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সন্ত্রাসবিরোধী একটি সমাবেশ শেষে র‌্যালি শুরু হবার পূর্বে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আইভী রহমান এবং আওয়ামী লীগের ২২ নেতাকর্মীসহ ২৪ জন নিহত এবং অন্তত ৫ শতাধিক আহত হয়।
এই হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পাওয়া তৎকালীন বিরোধীদলের নেতা শেখ হাসিনা
গ্রেনেড হামলা আওয়ামী লীগ নিজেরাই ঘটিয়েছে বলে সে সময়ে বিএনপি নেত্রী এবং তাদের নেতৃবৃন্দের কিছু বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য তুলে ধরার পাশাপাশি বেগম জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের ক্যান্টনমেন্টের বাসা ছেড়ে ধানমন্ডি ৫ নম্বরে শ্বশুড়ের বাসায় ৮-১০ মাস পড়ে থেকে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার কথা উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন,
এর কয়েক দিন আগে বেগম খালেদা জিয়া প্রকাশ্য জনসভায় বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা, শেখ হাসিনা বিরোধীদলের নেত্রীও কোনদিন হতে পারবে না। তারপরে এই হামলা দেখলে কী দাঁড়ায়। আমাদের ভুললে চলবে না এরাই জাতির পিতার হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করেছে।
প্রধানমন্ত্রী দিবসটির স্মরণে দলীয় কার্যালের সামনে নির্মিত বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে সেদিনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে তিনি আরেকটি শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন।
মন্ত্রী পরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, শীর্ষস্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, ১৪ দলীয় নেতৃবৃন্দ এবং ২১ আগস্ট নিহতদের স্বজন এবং সেদিনের আহতরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আহতদের খোঁজ-খবর করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,
এই ঘটনার পর তাঁরা সংসদে বসে এ বিষয়ে আলোচনা করতে চাইলেও একটিবার আলোচনার সুযোগ দেয়া হয়নি। একটি শোক প্রস্তাবও আনা হয়নি। উপরন্তু বিএনপি নেত্রীসহ তারা বলল আমাকে (শেখ হাসিনা) আবার কে মারবে। আমরা নিজেরাই নাকি এটা ঘটিয়েছি।
ভ্যানিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে গিয়ে সমাবেশে নিজেরই মেরেছি এমন কথাও তাদের নেত্রী এবং দলের নেতারা বলেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
এটাকে তারা হাস্যস্পদ একটি বিষয়ে পরিণত করতে চাইল। অন্যদিকে এই হামলাস্থলের আলামত ধ্বংসের জন্য সবরকমের প্রচেষ্টা শুরু করল। একটি গ্রেনেড যেটি অবিস্ফোরিত ছিল সে সবসহ সকল আলামত সিটি কর্পোারেশন থেকে পানির গাড়ি এনে ধুয়ে ফেলা শুরু করল।
তিনি বলেন, এতবড় একটা ঘটনা ঘটার পর সরকারের পক্ষ থেকে কোন আলামত সংগ্রহ করা হবে না, সংরক্ষণ করা হবে না। সেটা কিভাবে সম্ভব। বরং আমরা দলীয় উদ্যোগে আলামত সংরক্ষণের চেষ্টা করেছি এবং তাদের ওপরও বারবার পুলিশি হামলা হয়েছে। বিএনপি সারা বাংলাদেশে রটালো এটা নাকি আমরাই হামলা করেছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার তারা এই ঘটনার কোন তদন্ত করল না, কোন আলামতও সংগ্রহ করল না, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক চাপের কাছে বাধ্য হয়ে কোথাকার কোন গ্রামের এক ছেলে জজমিয়া তাকে নিয়ে এসে তাকে আসামী সাজিয়ে গ্রেনেড হামলা মামলার নাটক তারা করলো।
শেখ হাসিনা বলেন,
আমার প্রশ্ন এইযে এতবড় একটা ঘটনা। যেখানে বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছে। কিন্তুু বিএনপি নেত্রী বা তাদের জোট তাদের বিবেককে নাড়া দেয়নি। উল্টা তারা দোষারোপ শুরু করলো এটা আওয়ামী লীগ নিজে নিজেই করেছে।
শেখ হাসনিা পুনরায় প্রশ্ন তোলেন-আওয়ামী লীগ কেন এটা করবে, আমরা কি সুইসাইড করতে এসেছিলাম সেখানে। আমরা সেদিন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে র‌্যালি করতে যেয়ে নিজেরা সন্ত্রাসের শিকার হলাম।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দিন পুলিশের তৎপরতায় বিস্ময় প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরআগে কোথাও মিটিং করতে চাইলে আমাদের মিটিং করতে দেয়া হতো না। হাজার হাজার পুলিশ দিয়ে মিটিংয়ের জায়গা ঘিরে রাখা হত। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় সেদিন কোন পুলিশের তৎপরতাই ছিল না। সেদিন পুলিশের কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থাই ছিল না। পুলিশ ছিল নীরব। এমনকি আমাদের নিজস্ব ভলান্টিয়ারদের পর্যন্ত বিএনপি সরকার আশপাশের ভবনের ছাদে উঠে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে দাঁড়াতে দেয় নেই। নিজস্ব কোন নিরাপত্তাবলয় সৃষ্টি করতেও সেদিন দেয়নি। তিনি প্রশ্ন তোলেন- এটি কেন দেয়নি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাবতে অবাক লাগে যে এতবড় একট ঘটনা ঘটার পরেও সেখানে কোন পুলিশি তৎপরতা বা আহতদের উদ্ধারের কোনো তৎপরতা ছিল না। উপরন্তু যেসব নেতা-কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাচ্ছিল পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে এবং উপুর্যপুরি টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে।
তিনি বলেন, আমি জানি না পৃথিবীতে কেউ এরকম ঘটনা শুনেছে কি না।
শেখ হাসিনা বলেন, শুধু লাঠিচার্জ করে ও টিয়ারসেল মেরেই তারা ক্ষান্ত হয়নি এখানে কোন একটি রিক্সা, ভ্যান কোনকিছুই তারা আসতে দেয়নি।
তিনি বলেন, যারা হামলাকারি তারা যেন নিরাপদে এই জায়গা থেকে চলে যেতে পারে সে সুযোগ সৃষ্টির জন্যই তখন বিএনপি সরকারের নির্দেশে পুলিশ একান্ড ঘটিয়েছে।
তিনি সেদিনের কথা স্মরণ করে বলেন, আমি যে মুহুর্তে আমার বক্তব্য কেবল শেষ করে জয়বাংলা বলে হাতের মাইকটা টেবিলে রেখেছি এরমধ্যেই সে গ্রেনেড হামলা শুরু হল। একটার পর এক গ্রেনেড মারা হচ্ছে। আমরা তখন ট্রাকে দাঁড়িয়ে ছিলাম, ঐ ট্রাকেই বক্তৃতা দিয়ে আমরা তখন র‌্যালি নিয়ে রওয়ানা হবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলাম। প্রথম তিনটা গ্রেনেড মারার পরে কয়েক সেকেন্ড সময় যায়, এরপর আবার একটার পর একটা গ্রেনেড। প্রকাশ্য দিবালোকে এই ভাবে গ্রেনেড ছুড়ে মানুষ হত্যা, তখন আমি জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা, এ ট্রাকে আমাদের সকল নেতা-কর্মীরা ছিলেন। আমাদের হাজার হাজার নেতা-কর্মীরা তাঁরা ঐ র‌্যালিতে সমবেত। একটার পর একটা গ্রেনেড ছোঁড়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, জানি না আমার কি ভাগ্য গ্রেনেড ঐ ট্যাকের ওপরই পড়ার কথা কিন্তু ডালায় লেগে পাশে পড়ে যায়। আমাকে সাবেক মেয়র হানিফসহ আমাদের যে নেতা-কর্মীরা ছিলেন তাঁরা আমাকে ঘিরে ধরে। আমি টের পাচ্ছিলাম সমস্থ স্পিল্টারগুলি হানিফ ভাইয়ের মাথায় এসে পড়ছে আর তাঁর শরীরের রক্ত এসে পড়ছে আমার গায়ে। ১৩টা গ্রেনেড তারা ছুঁড়েছিল। তারমধ্যে ১২টি গ্রেনেডই বিস্ফোরিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐ অবস্থা যখন চলে মনে হয়েছিল কেয়ামত এসে গেছে। আমার চোখের চশমা ছিটকে যায়, দূরে কিছু দেখা যাচ্ছিল না ঐ অবস্থা কিছুটা কাটলে শুরু হল গুলি। আমার সঙ্গেও নিরাপত্তাকর্মীরা যারা ছিল তারা পাল্টা গুলি ছোঁড়ার পরই সেটা থামলো। আমার গায়ে যে পরিমাণ রক্ষ লেগেছিল, অনেকে ভেবেছিল আমি আহত। কিন্তু আল্লাহরই রহমত আমার গায়ে কোন স্লিন্টার লাগেনি কিন্তু আমাকে আগলে যারা ছিল হানিফ ভাইয়ের সারা মাথা, অন্যদের সারা শরীর তখন স্লিন্টারের রক্ত ঝড়ছিল।
সে অবস্থায় গাড়িতে উঠতে গেলে পুনরায় গুলি করলে বুলেটপ্রুফ গাড়ির জন্য গুলি লাগেনি কিন্তু আমার দেহরক্ষি আর্মির সাবেক সিপাই মাহবুব সেই গুলিতে মারা যায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই গাড়ি নিয়ে যখন বের হই চারিদিকে শুধু লাশ পড়ে আছে। আমার দূরে দেখার ক্ষেত্রে সমস্যা থাকায় আরও আমি কিছু দেখতেই পাচ্ছিলাম না। যাবার সময় মাইক নিয়ে আামি রাস্তায় বলে যাই এখানে হামলা হয়েছে। রাস্তায় যেতে যেতে সকলের সহযোগিতা চেয়েছি। গাড়িটি যখন ধানমন্ডি ৫ নম্বরের পৌঁছল গাড়িটিও তখন বসে গেল। কারণ স্লিন্টারে গাড়িটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ।
প্রধানমস্ত্রী বলেন, আমাদের প্রেসিডিয়াম সদস্য জিল্লুর রহমান সাহেবও ঐট্রাকে ছিলেন কিন্তু বুঝতে পারেননি যে তাঁর প্রাণপিয় সহধর্মিনী আর নেই। আইভি রহমানসহ আওয়ামী লীগের ২২ জন নিহত, ২ জন অজ্ঞাতনামা নিহত এবং অন্তত হাজার খানেক নেতা-কর্মী আহত হয়। যাদের অনেকে এখনও শরীরে স্লিন্টারের দুঃসহ যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে আছেন। সারা জীবনের মত পঙ্গুত্ববরণ করেছেন।
সূত্র : বাসস


জনপ্রিয় অনলাইন ডেস্ক: সম্প্রতি রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর কাছে একটি ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার দায় স্বীকার করেছে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। সন্ত্রাসী হামলার হুমকি দেয়ার কয়েক সপ্তাহ পর ওই হামলা হয়।

আইএস পরিচালিত বার্তা সংস্থা আমাক বৃহস্পতিবার এ দায় স্বীকার করে জানায়, তাদের সদস্যরা মস্কোর বালাশিখা এলাকায় রুশ পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়েছে।
বুধবার দুই সন্ত্রাসী আগ্নেয়াস্ত্র ও কুড়াল নিয়ে ওই ফাঁড়িতে হামলা চালায়। রাশিয়া বলেছে, হামলাকারীদের দুজনই নিহত হয়েছে।
সন্ত্রাসীদের হামলায় রাশিয়ার অন্তত দুই পুলিশ আহত হয়। এর মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। রুশ গণমাধ্যম বলছে, সন্ত্রাসীরা দুজনই চেচেন বংশোদ্ভূত নাগরিক।


জনপ্রিয় ডেস্ক : সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশকে কার্যকর সহায়তা দেয়ার উপায় নিয়ে আলোচনা চলছে উল্লেখ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট বলেছেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের বিভিন্ন এজেন্সি থেকে পাওয়া সহায়তার অনুরোধগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। কিভাবে এসব অনুরোধগুলোতে সাড়া দেয়া যায়- তার উপায় নিয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আমরা সহায়তার বিভিন্ন প্যাকেজ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করছি।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা জানান। এর আগে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের সাথে বৈঠক করেন।
আগামী অক্টোবরে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তা সংলাপের ব্যাপারে জানতে চাইলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, নিরাপত্তা সহযোগিতার বহু ক্ষেত্র রয়েছে। সংলাপে নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপকভিত্তিক এজেন্ডা থাকে। তাই নির্দিষ্ট কোনো এজেন্ডার কথা এখন বলা যাচ্ছে না।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সচিবের সাথে বৈঠক প্রসঙ্গে বার্নিকাট বলেন, নিরাপত্তা সহায়তা ছাড়াও নিউ ইয়র্কে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া জাতিসঙ্ঘ সাধারণ অধিবেশন এবং এর পাশাপাশি অন্যান্য অনুষ্ঠানগুলো নিয়ে আমরা আলাপ করেছি। এছাড়া বাংলাদেশের সমুদ্র অর্থনীতির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার উপায় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
আগামী অক্টোবরে পঞ্চম নিরাপত্তা সংলাপের তারিখ নির্ধারণ নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা চলছে। এই সংলাপে নিরাপত্তা সহায়তা, সাইবার সিকিউরিটি, জাতিসঙ্ঘের অধীনে শান্তিরক্ষা কার্যক্রম, দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা ও সন্ত্রাসবাদ দমন নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকে। চতুর্থ নিরাপত্তা সংলাপটি গত বছর সেপ্টেম্বরে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।


জনপ্রিয় অনলাইন ডেস্ক : তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় গাজিয়ানতেপ নগরে গতকাল শনিবার রাতে বিয়ের একটি অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছে। এটি আত্মঘাতী বোমা হামলা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। আহত হয়েছে ৯৪ জন। দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

গাজিয়ানতেপ নগরটি সিরিয়া সীমান্তের কাছে অবস্থিত। গাজিয়ানতেপের গভর্নর আলী ইয়ারলিকেয়া এক বিবৃতিতে বলেন, বিয়ের একটি অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসীদের ঘৃণ্য বোমা হামলায় ৫০ জন নিহত ও ৯৪ জন আহত হয়েছে।

গভর্নর বলেন, যে বিশ্বাসঘাতকেরা এই হামলা চালিয়েছে, আমরা তাদের নিন্দা জানাই।
হামলার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার অঙ্গীকার করেছেন গভর্নর।
গাজিয়ানতেপে ক্ষমতাসীন দল একেপির আইনপ্রণেতা মেহমেদ এরদোয়ান বলেন, এই বিস্ফোরণের জন্য কে বা কারা দায়ী, এখনো তা স্পষ্ট নয়। তবে বিস্ফোরণটি আত্মঘাতী হামলা হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো।
আইনপ্রণেতা মেহমেদ এরদোয়ানের ভাষ্য, হামলার ধরন দেখে মনে হচ্ছে, জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) বা বিদ্রোহীগোষ্ঠী পিকেকে এই কাজ করেছে।
এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ হাতেগোনা কয়েকজন নেতাকে নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ২১ আগষ্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামীলীগের সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলার স্মরণ ও প্রতিবাদ সভা করেছে বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ। রোববার দুুপুরে আয়োজিত এই প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন না উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান খাঁন,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেনসহ উপজেলা পর্যায়ের দায়িত্বশীল বেশিরভাগ নেতা। ছিলেন না অঙ্গসংগঠনের কোন নেতাকর্মীও। তাছাড়া পৌর আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, ছাত্রলীগও দিনটি উপলক্ষ্যে হাতে নেয় নি আলাদা কোন কর্মসূচী। এনিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে অনেকে বলেছেন, নেত্রী তো এখন ক্ষমতায় তাই মনে হয় উপজেলার নেতারা এই দিনটি স্মরণ করতে চাচ্ছেন না?
ক্ষুদ্ধ এসব নেতারা বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বিরোধীদলীয় নেতা থাকাকালীন ২০০৪ সালের ২১শে আগষ্ট তৎকালীন বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গ্রেনেড হামলা চালিয়ে  তাকে হত্যা করতে চেয়েছিলো। কিন্তু সেদিন দলের ২৪ জন নেতাকর্মী তাদের তাজাপ্রাণ দিয়ে প্রিয় নেত্রীকে রক্ষা করেছেন। এই দিনটি আমাদের জন্য একটি কালো দিন। নির্মম হত্যাকান্ডের এই দিনে বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ বড় পরিসরে সবাইকে নিয়ে প্রতিবাদ ও স্মরণ সভা করতে পারতো। কিন্তু তারা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে হাতেগোনা কয়েকজন নেতাকে নিয়ে এমনভাবে স্মরণ ও প্রতিবাদ সভা করায় আমরা বিস্মিত। আমরা চাই, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ বৃহৎ পরিসরে সবাইকে নিয়ে জননেত্রীকে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদ করুক, স্মরণ সভা করুক।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্পাদক পর্যায়ের এক নেতা ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, এখন তো দল ক্ষমতায় তাই এরকই কিছু করার প্রয়োজনীয়তা মনে হয় নেতাদের কাছে নেই, তাছাড়া এই বিষয়ে আমাকে অবগতও করা হয়নি। আর উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আওয়ামীলীগের মত দলের এরকম সভাকেও তিনি দল ও নেতাকর্মীদের সাথে তামাশা বলে আখ্যায়িত করেন। 
তিনি বলেন, উপজেলা নেতৃবৃন্দ দলের সবাইকে নিয়ে বড় পরিসরে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড হামলা মেরে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদ ও স্মরণ সভা করতো তাহলে দলের নেতাকর্মীরাও উজ্জীবিত হত। কিন্তু উপজেলা আওয়ামীলীগ হাতেগোনা কয়েকজনকে নিয়ে এভাবে ২১ আগষ্টকে স্মরণ করার মানে নিজেদের অনীহা প্রকাশ করা। তিনি ভবিষ্যতে এই দিনটি বড় পরিসরে দলের সর্বস্থরের নেতাকর্মীদের নিয়ে আয়োজনের জন্য দলীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান।
এব্যাপারে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বাবুল বলেন, আমরা দিনটি পালনে সবাইকে জানিয়েছি। উপজেলা চেয়ারম্যানসহ অনেকেই উপস্থিতও ছিলেন কিন্তু মুড়িয়া ইউনিয়নের দুটি গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়ায় অনেকেই সেখানে চলে যান। অনেকে এই সভা সম্পর্কে জানেন না বললে তিনি এ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান।

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের সারপার ও নয়াগ্রামের লোকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পূর্ব বিরোধের জের ধরে রোববার দুপুরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় গ্রাম। সংঘর্ষের এঘটনায় উভয় গ্রামের অন্ততঃ ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের অনেকেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এঘটনায় এলাকাজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বন্ধ রয়েছে যানবাহন চলাচল। যার ফলে বিপাকে পড়েছেন উপজেলা শহরে যাতায়াতকারী চাকুরীজীবি,ছাত্রছাত্রীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা। যেকোন সময় উভয় গ্রাম আবারো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। তবে উদ্ভট পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা যায়, বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের স্থানীয় পূর্ব মুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে সারপার গ্রামের বাসিন্দা সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম এর সাথে নয়াগ্রাম এলাকাবাসীর বিরোধ চলে আসছিল। এনিয়ে বিগত বছর উভয় গ্রাম বেশ কয়েকবার সংঘর্ষেও জড়ায়। পরে উভয় গ্রামের মুরুব্বী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ ক্ষমতাসীন দলের বেশ কয়েকজন নেতার মধ্যস্থতায় তা শেষ হয়। কিন্তু মীমাংসার লক্ষ্যে অনুষ্টিত সেই বৈঠকে নয়াগ্রামে বসবাসকারী সেলিম উদ্দিন নজরুল চেয়ারম্যানের পক্ষে সাক্ষ্য দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে নয়াগ্রামের বাসিন্দারা। এদিকে রোববার দুপুরে  স্থানীয় ফাটাই বিলে নয়াগ্রাম এলাকার বেশ কয়েকজন সেলিম উদ্দিনের জায়গা দখল করতে গেছেন এমন খবরে সেখানে যান সারপারে বসবাসকারী সেলিম উদ্দিনের মহল্লার লোকেরা। এনিয়ে উভয় গ্রামের বাসিন্দারা প্রথমে বাগবিতন্ডা ও পরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় গ্রামের মস্তকিন আলী, ছানা মিয়া, কয়েছ আহমদ,গৌছ উদ্দিন,সেলিম উদ্দিনসহ অন্ততঃ ১০জন আহত হয়েছেন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। এঘটনায় উভয় গ্রামবাসী আবারো রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়াতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার সাথে গাড়ি চলাচলও বন্ধ হয়ে পড়েছে। যার ফলে দূর্ভোগে পড়েছে উপজেলা শহরে যাতায়াতকারী ছাত্রছাত্রীসহ এলাকার বাসিন্দারা। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সংঘর্ষের বিষয়ে মুড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের জানান, সারপার ও নয়াগ্রাম এলাকাবাসীর সংঘর্ষের এই ঘটনায় উভয় গ্রামের মধ্য সমাধানের লক্ষ্যে আলাপ আলোচনা হচ্ছে। আশা করি, এই ঘটনার সুষ্টু সমাধান হবে।
এবিষয়ে বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, আমরা সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। তবে উভয় গ্রাম যাতে আর সংঘর্ষে জড়াতে না পারে সেজন্য অতিরিক্ত পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে।
Newer Posts Older Posts

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget