2016-07-17

মোঃ কামরুজ্জামান, ফ্রান্স থেকে  : ফ্রান্সের পিঙ্ক সিটি খ্যাত তুলুজে দীর্ঘ দিন ধরে প্রবাসী বাংলাদেশীরা একে অপরের সাথে সৌহার্দপূর্ণ, ভাতৃত্ববোধ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে বসবাস করে আসিতেছেপ্রবাসের মাটিতে দীর্ঘদিন ধরে ফ্রান্সের তুলুজে বাংলাদেশী কমিউনিটি এসোসিয়েশন তুলুজ ফ্রান্স  বাঙ্গালী কৃষ্টি ও সংস্কৃতি, বাংলাদেশের ঐতিহ্য , জাতীয় দিবস এবং ঈদ পুনর্মিলনী সহ ফরাসীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করার মাধ্যমে প্রশংসনীয় ভুমিকা পালন করে আসছেতাই তুলুজ প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্র্রত্যাশা ২০১৬ সালে স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রবাসীদের নির্বাচনে সুযোগ এবং কমিউনিটির ঐক্যতায় মুখ্য ভূমিকা রাখতে বড় ভূমিকা রাখতে পারবে সংগঠনটি।

 সংগঠনটির নির্বাচন ঘোষণার ইতিহাস নতুন নয়। ২০১৪ সালে বাংলাদেশী কমিউনিটি এসোসিয়েশন তুলুজ ফ্রান্স এর পূর্বের ইতিহাস অনুযায়ী দেখা যায়, সংগঠনের নির্বাচন কমিশ১৮ই মে ২০১৪ তারিখে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ০১লা জুন তারিখে মনোনয়ন বাছাই, ৪ই জুন চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করেছিল এবং সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ ও সাংগঠনিক সম্পাদক এই ৪টি গুরুত্বপূর্ণ পদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী হিসাবে কেউ মনোনয়ন দাখিল না করায়, ০৬ই জুন ২০১৪ তারিখে নির্বাচন কমিশন তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেছিল। উল্লেখ্য ২০১২ সালেও বাংলাদেশী কমিউনিটি এসোসিয়েশন তুলুজ ফ্রান্স একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সুন্দর ও সকলের গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠন করেছিল।এমনকি অনেকে এই সংগঠনকে প্রবাসের সংগঠনের রুল মডেল হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
তাই তুলুজে বসবাসরত প্রবাসীরা মনে করেন, অতীতের গৌরব ও সংগঠনের পূর্বের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনা এবং প্রবাসীদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও ভাতৃত্বের বন্ধন গড়ার লক্ষ্যে ২০১৬ সালে বাংলাদেশী কমিউনিটি এসোসিয়েশন তুলুজ ফ্রান্স এর একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা প্রয়োজন।অপরদিকে তুলুজে বাংলাদেশীদের নাম সর্বস্ব আরও দুইটি সংগঠন রয়েছে। তাই নিজেদের নিরপেক্ষতা ও জনপ্রিয়তা প্রমাণের জন্যও বাংলাদেশী কমিউনিটি এসোসিয়েশন তুলুজ ফ্রান্স এর একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের আয়োজন করা উচিত বলে মনে করেন অনেকে। একই সাথে নির্বাচনের মাধ্যমে তুলুজে বসবাসরত প্রবাসীরা শিক্ষিত, যোগ্য, সৎচরিত্রবান, বিবেকবান এবং সুস্থ মস্থিস্কের ব্যক্তিদেরকে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ নির্বাচিত করার সুযোগ পাবেন।   

তাই  কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ সময়োপযোগী সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য সিদ্ধান্ত ও সর্বোপুরি একটি স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন করে কমিউনিটির ঐক্যতায় বড় ভূমিকা রাখবে এই প্রত্যাশা তুলুজ  প্রবাসী বাংলাদেশীদের।  

এম মাহবুব আলম  : আজ ৪ বৎসর হল সিলেটের কোটি জনতার প্রান প্রিয় জননেতা এম ইলিয়াস আলী নিঁখোজ অবস্থায় রয়েছেন।

সারা বাংলদেশের সর্বস্থরের জাতীয়তাবাদের নেতাকর্মীদের মাঝে স্থান করে নেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর সর্বশেষ অবস্থান আজও প্রসাশনসহ কোনো স্থরই কোন হদিশ দিতে পারে নাই। সেই ২০১২ সালের ১৭ই এপ্রিল থেকে যখন সারা বাংলাদেশে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ঠিক সেই সময় বিএনপির এই প্রভাবশালী নেতার নিজ জন্ম স্থান বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপি ও বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির পক্ষ থেকেই প্রতিবাদ মিছিল, সভা সমাবেশ, রাজপথ অবরোধ, অনশন সহ দোয়া মাহফিল এর আয়োজন অবিরাম চলছে। কিন্তু উপজেলার বিএনপির ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত বৃহত্ত রামপাশা ইউনিয়ন বিএনপি। প্রিয় নেতা নিঁখোজের কিছু দিন আগে আলতাবুর রহমান কে আহ্বায়ক আর আনিসুজ্জামান খান কে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করে একটি আহ্বায়ক কমিটি ঘঠন করে দেন। উন্নয়নের রুপকার এম ইলিয়াস আলী গুম হওয়ার পর এই কমিটির উদ্দ্যোগে কয়েকটি মিটিং ও দোয়ার আয়োজন করা হলেও আর কমিটির নেতৃবৃন্দকে উপজেলার প্রতিটি প্রাগ্রামে দেখা গেলেও কয়েক দিন পরে পাল্টে যায় এই চিত্র। সাবেক সাংসদ ইলিয়াস আলীর আস্তাবাজন এই ইউনিয়ন বিএনপি পরিবর্তিতে দলের এবং দলের বাহিরে থাকা নামধারী বিএনপি নামক থাকা কিছু সংখ্যক দালাল চাটুকার দের কুচক্রের মধ্য পরে যায় ইউনিয়নটি। আর প্রিয় নেতার নিঁখোজের পর দলের হাল ধরা ইলিয়াস পন্তী তাহসিনা রুশদীর লুনা ম্যাডাম কে ভূল তথ্য আর মিস গাইড দিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে অযোগ্য কর্মীদের উচ্চ পদে পদস্থল করে একটি কমিটি ঘোষনা করে এরপর থেকে আজও সেই কমিটির উদ্দ্যোগে বা পক্ষ থেকে কোন প্রতিবাদ এমনকি একটি দোয়া মাহফিলেও আয়োজন করা সম্ভব হয় নাই। অথচ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবদুস সাত্তার ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আজাদুর রহমান আজাদ ইউনিয়নের সহ যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে প্রতিবাদ করে আসছে তারা প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেকেই এই বাকশাল সরকারের সাজানো মামলায় বিভিন্ন ভাবে হয়রানিতে শিকার হচ্ছে। প্রায় এক বৎসর আগে ইউনিয়ন বিএনপির নতুন কমিটি হল। আসা করেছিলাম এই কমিটির মাধ্যমে ইউনিয়ন বিএনপি একটু শক্তিশালী হবে। কয়েকজন দায়িত্বশীল নেতা ছাড়া কোন এক্টিব কর্মীরা কমিটিতে দায়িত্ব পায়নি। এমনও দায়িত্বশীল নেতা আছেন যিনি কমিটি হওয়া পরে গ্রামে ও বসবাস করেননি, বসন্তের কুকিলের মত কমিটি গঠনের সময় এলাকার তথা উপজেলার (কুচক্র মহলের) নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে নেতা হয়ে গেলেন। আর রাতের বেলা আওয়ামীলীগ দিনের বেলা বিএনপি এই ভাবে চলতে থাকেন। বিগত দিনে যে সকল কমিটি ছিল প্রত্যেকটি কমিটির দায়িত্বশীল ও নেতা কর্মীরা এক যোগে কাজ করতেন। কারন সেই সময় একিসুতায় বাঁধা ছিল প্রতিটি নেতা কর্মী আর সেই সময় রামপাশা ইউনিয়ন বিএনপি পরিবারের অভিবাবকের মত দায়িত্ব পালন করেছিলেন বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মরহুম আবদুল খালিক মাস্টার। বিশ্বনাথের প্রতিটি এলাকায় নিজ কর্মের মাধ্যমে প্রতিটি নেতাকর্মীর মুখে ছিলেন সুনামধন্য আর গ্রহন ব্যক্তি। এম ইলিয়াস আলীর খুব কাছের মানুষ ছিলেন মরহুম আবদুল খালিক মাস্টার রামপাশা ইউনিয়নে প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে বিএনপির কর্মী তৈরী করেছিলেন। সেই সময়ে ১নং ওয়ার্ড থেকে ৯নং ওয়ার্ডের প্রতিটি বিএনপির কমিটির সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ও সাংগনিঠক কারা ছিলেন প্রতিটা নেতা কর্মী জানত। কিন্তু এখন কোন ওয়ার্ডের দায়িত্বশীল কে প্রায় নেতা কর্মী জানে না। নতুন কমিটির কোন পরিচিতি সভা ও করা হইনি। গত দুই মাস আগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হল, কিছু চাটুকাদের কারণে বিএনপির নেতা কর্মী কে ধানের শীষ প্রতিক না দিয়ে অন্য দল সমর্থন করেন এমন একজন কে বিএনপির প্রতিক দিয়ে প্রার্থী দেওয়া হয়, যার জন্য বিএনপির ভরাডুবী হল নির্বাচনে যেই সকল নেতাদের কারনে ইউপি নির্বাচনে ভরাডুবী হল সেই নেতারা বিএনপির নেতৃত্ব দিতে এখন উঠে পরে লেগেছে। বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়ন বিএনপির ঘাঁটি বলে পরিচিত, সঠিক নেতৃত্ব না থাকার কারণে কর্মীরা কাজ করতে পারছে না, কর্মীরা কোন অভিবাবক খোজে পাচ্ছে না, পাচ্ছে না প্রিয় নেতার সন্ধান! দেশ ও দলের এই ক্রান্তিকালে দলের হারধরা এম ইলিয়াস আলী সাহেবের সহধর্মিনী তাহসিনা রুশর্দীর লুনা ভাবীর কাছে অনুরোধ করিতেছি দয়া করে রামপাশা ইউনিয়ন বিএনপির মত গুরুত্বপূর্ণ এই পরিবারটি কে চাটুকাদের হাত থেকে রক্ষা করে সঠিক নেতাদের কে দিয়ে ইউনিয়ন বিএনপি কে পূনরায় শক্তিশালী করুন.................. (চলবে)

লেখক পরিচিতি : এম মাহবুব আলম (যুক্তরাজ্য প্রবাসী) সাবেক আহবায়ক রামপাশা ইউনিয়ন যুবদল। সাবেক সভাপতি রামপাশা ইউনিয়ন ছাত্রদল।

মিজান রহমান ,এডিনবরা : আগামী ২৩শে জুন অনুষ্টিত হচ্ছে ঐতিহাসিক  ইইউ রেফারেন্ডাম। ব্রিটেনের সর্বত্রই এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। লিভ ও রিমেইন নিয়ে যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক মাঠ এখন উত্তপ্ত।  অধীর আগ্রহ নিয়ে অনেকেই অপেক্ষা করছেন আগামী বৃহস্পতিবারের। ব্রিটেন পৃথক হয়ে গেলে কি হতে পারে? লিভ ও রিমেইন, উভয় পক্ষই যে যার মত করে লাভ-ক্ষতির বিবরন দিয়ে যাচ্ছেন  মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায়। বরাবরের মত রাজনীতিবিদ দের এসব কথায় আশ্বস্ত হহে পারছেন না জনসাধারন। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে - ফ্রি মুভমেন্ট, ইমিগ্রেশন, ব্যাবসা ও অর্থনীতি ।ইউ রেফারেন্ডাম বিতর্কে এবার যুক্ত হল স্কটল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশী কমিউনিটি। গত সোমবার অপরাহ্নে কাউন্সিল অব বাংলাদেশীজ ইন স্কটল্যান্ড (সিবিএস) এবং এডিনবরা এন্ড লোদিয়ান রিজিওন্যাল ইকুয়ালিটি কাউন্সিল (এলরেক) এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্টিত হয় এক আলোচনা সভা।

এডিনবরাস্থ ব্রিটানিয়া স্পাইস রেষ্টুরেন্টে এলরেক এর চেয়ার ফয়ছল চৌধুরী এমবিই এর পরিচালনায় আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সিবিএস এর প্রতিষ্টাতা চেয়ার ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই।
প্রধান অতিথী হিসাবে অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন লোদিয়ান অঞ্চলের এম.ই.পি ডেভিড মার্টিন, লোদিয়ানের রিজিওনাল এম.এস.পি মাইল্স ব্রিগস এবং এলরেক এর প্রেসিডেন্ট প্রফেসর স্যার জেফ্রি পালমার ওবিই।
এছাড়া অনুষ্টানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ক্যাটারিং এসোসিয়েশন স্কটল্যান্ড এর সেক্রেটারী মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ সোশ্যাল ও কালচারাল এসোসিয়েশন স্কটল্যান্ড এর প্রেসিডেন্ট নাসির আহমদ রনি, চ্যানেল আই বিশেষ প্রতিনিধি সাংবাদিক হুমায়ুন কবির, এস.এন.পি বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আ.স.ম মিরন, এসএনপি ইস্ট এডিনবরা সেক্রেটারী খাইরুন শাহ, লেবার ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশী এর আহমদ আলী জুবু প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই, জেপি অনুষ্টানে আগতদের ধন্যবাদ জানান। আগামী ২৩শে জুন অনুষ্টিত নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য সকল বাংলাদেশী কমিউনিটির সদস্যদের প্রতি অনুরোধ জানান।

হেফাজুল করিম রকিব, লন্ডন :  অর্থ পাচারের দায়ে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত ৭ বছরের জেল ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা করায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তারেক রহমানকে খালাসের রায় বাতিল করে তাকে সাজা দেয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় পূর্ব লন্ডনের বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
ফখরুল বলেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার সংক্রান্ত মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় সরকার দুর্নীতি দমন কমিশনকে ব্যক্তিগত হাতিয়ারে পরিণত করে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছে। বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিরোধী দলকে শেষ করার জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রকে বেপরোয়াভাবে ব্যবহার করছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এখন ন্যায় বিচার চাইতে পারিনা, কথা বলতে পারিনা। সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বললেই রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দিয়ে দেয়া হয়।
ফখরুল বলেন, দেশে সাম্প্রতিক সময়ে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাস বেড়ে যাওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার দায়ী। যারা গণতন্ত্র শরীক দাবী করে তাদের হাতেই গণতন্ত্র নিহত।
এদিকে হাউস অব কমন্সের সেমিনার থেকে জামায়াত নেতা ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লাকে বের করে দেওয়ায় বাংলাদেশ নয়, ব্রিটেনেরই ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করেন ফখরুল। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত ব্রিটেনে এটা মানায় না ।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবিহ উদ্দীন আহমেদ, কেন্দ্রীয় নেতা নিতাই রায় চৌধুরী, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি আবদুল মালিক, সাধারণ সম্পাদক খয়ছর এম আহমদ ।
সুত্র : দৈনিক আমাদের সময় ও এসএটিভি ।


সুত্র :দৈনিক আমাদের সময় ও এসএটিভি ।

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধে  বিয়ানীবাজারে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছে বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রশাসন। 

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা কনফারেন্স হল রুমে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খাঁন, বিয়ানীবাজার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অসীম চন্দ্র বণিক,বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আবুল বাসার মো: বদরুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রঞ্জিত কুমার সাহা, বাংলা টিভির বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি আব্দুল ওয়াদুদ, বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিলাদ জয়নুল, বিয়ানীবাজার জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আহমেদ ফয়সাল,সাপ্তাহিক বিয়ানীবাজার বার্তা সম্পাদক সাদেক আহমদ আজাদ।

আয়োজিত এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবুল মনসুর আসজাদ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা চন্দন চক্রবর্তী, উপজলা কৃষি কর্মকর্তা পরেশ চন্দ্র দাস, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ কামাল হোসেন, রজত কান্তি দাস, বিপুল বালা, উপজেলা আনসার বিএপি অফিসার মাজহারুল ইসলাম, উপ সহকারি প্রকৌশলী জনস্বাস্থ্য অধি: শাহ মো: লুটন, আজির উদ্দিন,সাপ্তাহিক আগামী প্রজন্মের নির্বাহী সম্পাদক জহির উদ্দিন, এশিয়ান টিভির বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি সুফিয়ান আহমদ, দৈনিক মানবকণ্ঠের বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি এম.সিন উদ্দিন, দৈনিক সকালের খবরের বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি শিপার আহমেদ প্রমুখ।

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ সংক্রান্ত এক সভা অনুষ্টিত হয়েছে।  উপজেলার সকল মসজিদের ইমাম ও খতিবদের নিয়ে বুধবার দুপুরে উপজেলা অডিটোরিয়াম হলে এই সভা অনুষ্টিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা মাওঃ আব্দুর রহমানের পরিচালনায় আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খাঁন।
মাওলানা জুবের আহমদের ক্বোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন ও আহমদ হোসেন বাবুল,শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল,বিয়ানীবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুস সবুর আবু,জাতীয় ইমাম সমিতি বিয়ানীবাজার শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা বদরুল ইসলাম, কসবা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরুল ইসলাম,ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপার ভাইজার ইসমাঈল আলী।

সভায় বক্তারা বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। আমাদের প্রিয় এই ধর্ম সন্ত্রাসবাদ,জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না। এমনকি আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সারাজীবন শান্তি প্রতিষ্টায় সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি তো কোন সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বা জঙ্গিবাদের মাধ্যমে ইসলাম কায়েম করেন নি। তাই যারা ইসলামের নাম ব্যবহার করে দেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ কায়েমের চেষ্টা করছে, তারা যেমন এই দেশের শত্রু তেমনি তারা ইসলামেরও শত্রু। এদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য বক্তারা সবাইকে আহবান জানান।

বিশেষ প্রতিনিধি ডেনমার্ক থেকে : ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের দন্ধ,ইউরোপে টক অব পলিটিক্স।সভাপতি সম্পাদকের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বহিষ্কার। এখানে ২ টি কমিটি বিদ্যমান । সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ অনুমোদিত ছিল ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ সভাপতি এম.মুস্তফা মজুমদার বাচ্চুর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী লিংকন মোল্লার নেতৃত্বাধীন কমিটি ।

 আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডেনমার্ক বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে যোগদিতে এসে এম.মুস্তফা মজুমদার বাচ্চুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী লিংকন মোল্লার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন । এর পর সর্ব ইউরোপ আওয়ামীলীগ দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে মোহাম্মদ আলী লিংকন মোল্লাকে দল থেকে বহিষ্কার করে।২০১৫ সালে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সম্মেলন হলে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হলে সম্মেলন পণ্ড হয়ে যায়।এর পর রাতে সর্ব ইউরোপ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ গনি সাবেক সভাপতি মস্তফা মজুমদার বাচ্চু ও মাহবুবুর রহমানকে যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দিয়ে ৭১ সদস্যের কমিটি লিখেন টাইপ করে সকালে নিয়ে আসার জন্য পাঠিয়ে দিয়ে হোটেলে চলে যান । পর দিন সকালে কয়েক জন উশৃংখল কর্মী এম এ গনিকে ধাওয়া করলে এম এ গনি কমিটিকে অনুমোদন না দিয়ে পালিয়ে যান। এরপর এ কমিটিকে পাশ কাটিয়ে তিন মাস পর মোহাম্মদ আলী লিংকন মোল্লা সভাপতি ও বিদ্যুৎ বড়ুয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের আরেকটি কমিটি করা হয় । সে থেকে ২ কমিটি এখানে আওয়ামী লীগের এর পিছনে রয়েছে সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ গণির চরম সাংগঠনিক ব্যর্থতা ।
গত বছর জুন মাসে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে জটিলতা দেখা দিলে অনেক দিন পরে ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ গনি মোহাম্মদ আলী লিংকন ও কে সভাপতি ও বিদ্যুৎ বড়ুয়া কে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি অনুমোদন দেন বলে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কমিটি প্রচার হয়। পরে ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আগের দিন এম এ গনি বিদ্যুৎ বড়ুয়ার কমিটি জাল বলে স্বীকার করে একটি ভিডিও বার্তা দেন। এছাড়া বিদ্যুৎ বড়ুয়া তার স্বাক্ষর জাল ও ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।কিন্তু ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি অনিল দাশ গুপ্ত বিদ্যুতের ব্যাপারে ঘোর আপত্তি জানিয়ে আগের কমিটি তথা মোস্তফা মজুমদার বাচ্চু সাথে মোহাম্মদ আলী লিংকন কে কাজ করে যেতে বলেন , যা কিনা অনিল দাশ গুপ্ত এ প্রতিবেদকে জানিয়েছেন । যখন মস্তুফা মজুমদার বাচ্চু ও মাহবুবুর রহমানের সাথে মোহাম্মদ আলী লিংকন মোল্লার একটি লিয়াজো হওয়ার আবাস পায় বিদ্যুৎ বড়ুয়া তখনই সে ডেনমার্ক ছেড়ে নজর দেয় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে।দলের মধ্যে বিভিন্ন বিভাজন সৃষ্টি এবং পাল্টা কমিটি করতে লিপ্ত হয় ।বিভিন্ন সুত্র জানিয়েছে, স্পেন,পর্তুগাল,গ্রীস,নরওয়ে,ফিনল্যান্ড,সুইডেন সহ কয়েকটি দেশ থেকে কমিটি করে দেয়ার নামে কয়েক হাজার ইউরো হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে বিদ্যুৎ বড়ুয়ার বিরুদ্ধে কে এই বিদ্যুৎ বড়ুয়া ২০০৫ এর শেষের দিকে বিদ্যুৎ বড়ুয়া লেখা পড়ার জন্য সুইডেনে আসে। তিনি সেখানে এসে লেখা পড়ার নিয়মিত না করে কাজ নেন রেষ্টুডেন্টে। এরই মধ্যে তিনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগে তার ভাই বিপ্লব বড়ুয়ার একটি প্রভাব রয়েছে জানিয়ে আওয়ামীলীগের কমিটি করে দেবে সে জন্য জাহাঙ্গীর কবির ও অন্য গ্রুপের কাছ থেকে আলাদা আলাদা ভাবে কয়েক হাজার ইউরো হাতিয়ে নেয়।
২০০৯ সালের আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে বিদ্যুৎ বড়ুয়া মার্চ মাসের শুরুর দিকে চলে যায় দেশে। দেশে গিয়েই সে তার দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আসাদ রাজীবকে ২০০৯ সালের ৩১ মার্চ হত্যা : হলেরফ করে বিদ্যুৎ বড়ুয়া । স্বাধীনতার মাসে ছাত্র লীগের মেধাবী এক ছাত্র নেতার ঘটনায় বিদ্যুৎ কে এক নাম্বার আসামি করে মামলা করা হলে বিদ্যুৎ বড়ুয়া তার ভাইয়ের সহযোগিতায় ভারত হয়ে আবার সুইডেনে চলে আসে। বিদ্যুৎ বড়ুয়া সুইডেনে আসার পর সেখানকার স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা তাকে রাজীব হত্যা মামলার দায়ে কয়েক দফা গণ পিটুনি দেয়। যার ফলে তার সুইডেন থাকা দুষ্কর হয়ে পড়ে। ২০০৯ সালে সে সুইডেন থেকে ডেনমার্কে পালিয়ে আসে আশ্রয় নেয় তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক লিংকন আলী মোল্লার কাছে। এর পর শুরু হয় তার অপকর্মের সূচনা ডেনমার্কে বসে বসে সে ইউরোপিয়ান আওয়ামীলীগের ভিতরে ভিবাজন সৃষ্টির চক্রান্তে লিপ্ত হয়ে উঠে। প্রথমে সে ইউরোপের কয়েকটি বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়ে চক্র গড়ে তুলে। এর পর ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের বড় একটি গ্রুপের সাথে মিশে তাদের কাছ থেকে ও কয়েক হাজার ইউরো হাতিয়ে নিয়ে আবার পাল্টি মারে ।
বছর দু পূর্বে সে রাজনীতি ছেড়ে কাজ শুরু করে একটি বাঙ্গালী দোকানে।সেখানে ও তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ পাওয়া যায়। এর পর সেখান থেকে চাকুরী চলে যায়। এর পর ডেনমার্কের সকল সামাজিক ও আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিদ্যুতকে ডেনমার্ক বাংলাদেশি কমিউনিটি থেকে বয়কট করে।বিদ্যুতের চাকুরী চলে যাওয়ার পর তার নজর পরে সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামীলীগের উপর।
ইউরোপ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ গনি বিদ্যুতের এলাকার লোক হওয়ায় সে সুযোগকে কাজে লাগায়। প্রথমে সে ইউরোপ আওয়ামীলীগের সভাপতি অনিল দাশ গুপ্ত,বেলজিয়াম আওয়ামীলীগের সভাপতি বজলুর রশিদ বুলু,ইউরোপ আওয়ামীলীগের সহ সাধারণ সম্পাদক এম নজরুল ইসলাম সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে নামে বেনামে একাধিক অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার শুরু করে। যার ফলে অনিল দাশ গুপ্ত ও এম গনির সাথে রাজনৈতিক দূরত্ব সৃষ্টি হয়। এই সুযোগে বিদ্যুৎ বড়ুয়া ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিতর্কিত ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ শুরু করে। নতুন কমিটি দেয়া এবং এম এ গনির সাথে সু সম্পর্ক তৈরি করে দেয়ার নাম করে অর্থনৈতিক ফায়দা হাসিল করেছে বলে বিভিন্ন দেশের একাধিক নেতা কর্মী অভিযোগ করেছেন।
ডেনমার্ক আওয়ামীলীগের একাংশ দু দিন পূর্বে সাধারণ সভা করে সকল সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে দলীয় শৃঙ্খলা নষ্ট করার অভিযোগে বিদ্যুৎ বড়ুয়াকে দল থেকে বহিষ্কার করে। এর এক দিন পর বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থানরত সর্ব ইউরোপ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ গনি মুহাম্মদ আলী লিংকন মুল্লাকে ৫ বছরের জন্য দল থেকে অব্যাহতি দেন। এব্যাপারে এম এ গনি টেলিফোনে এ প্রতিবেদককে লিংকন মোল্লাকে অব্যাহতির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, লিংকন মোল্লাকে অব্যাহতির এখতিয়ার তার রয়ছে।তবে দলের সভাপতি কি এই বিষয়ে অবগত করা হয়েছে কি না প্রশ্ন করলে তিনি জানান অনিল দাসকে নিয়ে রাজনীতি করা যাবেনা সে রাজনীতি বুঝেনা।

ইউরোপ আওয়ামীলীগের বর্তমান এই অবস্থার কারণ কি জার্মান আওয়ামীলীগ সভাপতি বাশিরুল ইসলাম সাবু ও বেলজিয়াম আওয়ামী লীদের সভাপতি বজলুর রশিদ বুলুকে প্রশ্ন করা হলে তারা জানান আগামী সেপ্টেম্বরের ৩ তারিখ জার্মানের ফ্রাংফুডে সর্ব ইউরোপ আওয়ামিলীগের সভা বসবে সেখানে ইউরোপের সকল দেশের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এবং বিভক্ত গ্রুপ গুলোর নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে সর্ব ইউরোপ আওয়ামীলীগকে সাজানো হবে।সেখানে নির্ধারণ করা হবে সর্ব ইউরোপ আওয়ামীলীগের নেতৃত্ব। তবে ইউরোপের অন্যান্য দেশের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকদের সাথে আলাপকালে জানা যায় এই সভাতে সর্ব ইউরোপ আওয়ামীলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এম এ গনির উপর অনাস্থা আনার পাশাপাশি বহিষ্কার করা হতে পারে।

রনি মোহাম্মদ,লিসবন : পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের মার্তিম মনিজের কেন্দ্রস্থল বাঙ্গালী অদ্যসিত রুয়া দো বেনফরমসোর ও ইন্তেদেন্তেতে ''কামারা মিউনিসিপাল দি লিসবন'' এবং ''ইজেইএসি'' পর্তুগালের আয়োজনে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্টিত হলো দিনব্যাপি বাংলা মেলা২০১৬।

উক্ত মেলায় বাংলাদেশি খাবারের পাশাপাশি দেশীয় পোষাক ও বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের মাঝে বাংলাদেশ কে তুলে ধরার জন্য আয়োজন করা হয় বিউটিফুল বাংলাদেশ নামক প্রামান্য চিত্র, ফ্যাশান শো এবং কনসার্টের।

মেলায় প্রবাসী বাংলাদেশী, পর্তুগীজ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনীয়। শাড়ির সাথে বাঙ্গালী সাজে বাংলাদেশী মহিলার ছাড়াও পর্তুগীজ নানা বয়সি মহিলাদের উপস্থিতি মেলার সৌন্দর্য বাড়িতে তুলে।

তাছাড়া রুয়া দো বেনফরমসোয় পর্তুগাল প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যাবসায়িরা লুঙ্গি-পাঞ্জাবি আর মাথায় গামছা বেধে নিজদের দোকানের পসরা সাজিয়ে বসতে দেখা যায়। মেলা উপলক্ষ্যে বাংলা জোন মার্তিম মনিজ যেনো সেজেছিল একখন্ড ছোট্র বাংলাদেশে সাজে।

''বাংলা রেস্টুরেন্টে''র সৌজন্যে পর্তুগীজ ও বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের মাঝে বাংলাদেশ কে তুলে ধরার জন্য আয়োজন করা হয় ''বিউটিফুল বাংলাদেশ'' নামক একটি প্রামান্য চিএ। 

দেশীয় পোশাক আর সংস্কৃতির মাধ্যমে অন্য দেশের পোশাক আর সংস্কৃতির সাথে সেতুবন্ধন তৈরি করার জন্য ''শারমিন মৌ''র পরিচালনায় দেশীয় পোষাকের ফ্যাশন শো মেলাকে আরো আকর্ষনীয় করে তোলে।

ফ্যাশন শোর মডেল হিসেবে অংশ নেয় পর্তুগাল, ফ্রান্স, স্পেন, লুক্সেমবার্গ, ইতালী, জার্মান, ব্রাজিল, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল সহ প্রবাসী বাংলাদেশী ও শিশু কিশোররা। সব শেষ পর্তুগিজ শিল্পীদের কনসার্ট মেলাকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলে।


মেলায় বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবনের কর্মকর্তা ছাড়াও কমিউনিটির শীর্ষ এবং প্রবীণ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও ছিল উল্লেখ করার মতো।

ফ্রান্স প্রতিনিধি : লা কর্ণব ইয়ং স্টার এসোসিয়েশন ফ্রান্সের ঈদ পুনর্মিলনী ও সমুদ্র ভ্রমণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার দিনব্যাপী প্যারিসের অদূরে সাগর আর পাহাড়ে আচ্ছাদিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর নয়নাভিরাম এত্রেতাতে এ ঈদ পুনর্মিলনী ও সমুদ্র ভ্রমণ অনুষ্ঠিত হয়।

গত ১৪ জুলাই সকাল ৮টায় লা কর্ণব মেট্রো গার থেকে ৫২জনের সদস্য নিয়ে বাসে করে যাত্রা শুরু হয়। যাত্রার শুরুতেই দোয়া দরূদ পরে মোনাজাত করা হয়। এরপর সংগঠনের সভাপতি শরীফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ওসহ সভাপতি আশরাফ উদ্দিন ছুটনের পরিচালনায় আনন্দ যাত্রার প্রাক্কালে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় ঈদ পুনর্মিলনী ও সমুদ্র ভ্রমণের প্রধান অতিথি প্যারিস-বাংলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন সোহেল। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব সিলেট ডট কমের প্রধান সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান,বিয়ানীবাজার উপজেলা সমাজ কল্যাণ সমিতি ফ্রান্সের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক পারুল হোসেন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক ইসলাম উদ্দিন , সহ সাধারণ সম্পাদক জামিল হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাতিব উদ্দিন,কোষাধ্যক্ষ জাবেদ ইসলাম,সহ কোষাধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন,প্রচার সম্পাদক আসিফ ইফতেখার,সহ প্রচার সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন,সাংস্মৃতিক সম্পাদক ইমরান হোসেন, সহ সাংস্মৃতিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম প্রমুখ। বাস যাত্রায় এ সময় সবাইকে রং রস দিয়ে মাতিয়ে রাখেন ও কৌতুক,গান পরিবেশন করেন সারোয়ার হোসেন। বেলা ২ টায় যাত্রা বিরতি ও নাস্তা শেষে বহুল আকাঙ্খিত এত্রেতাতের সমুদ্র দর্শনে সকলে বের হয়। সমুদ্রের বেলা ভূমিতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা শেষে সমুদ্র স্নান করে সবাই। পরে সমুদ্র ঘেরা নয়নাভিরাম পাহাড় পরিদর্শন শেষে প্যারিস অভিমুখে যাত্রা শুরু হয়। পথিমধ্যে বিকেলের নাস্তা শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কার প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ। এ সময় সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সংগঠনের পক্ষে বক্তব্য রাখেন,সাধারণ সম্পাদক ইসলাম উদ্দিন ও সভাপতি শরীফ উদ্দিন।

আবিদ রাহমান :  ১.ঈদ কেমন কাটলো?
মিরু: ঈদ মানেই আমার কাছে অন্যরকম একটা মুহুর্ত।অন্যরকম একটা দিবস। এবারের ঈদটা আমার জীবনের সবচেয়ে ভাল লাগার ঈদ ছিল। কারন প্রতি ঈদে আমি আমার পরিবারের সাথে টিভিতে আমার ভাল লাগামানুষ গুলোর ঈদ অনুষ্ঠান গুলো উপভোগ করতাম।আর এবার সেই ঈদ অনুষ্ঠান মালায় আমিও ছিলাম। বুঝতেই পারছেন!সপরিবারে আমার অনুষ্ঠান গুলো উপভোগ করছি। আর ঈদের দিন সারাটি বিকেল বাইকে করে মামাতো ভাই নিয়ে সারা গ্রাম ঘুরেছি। অন্যরকম অনুভূতি।

২.ঈদে কি কি কাজ করলেন?
মিরু: ঈদে আমার তিনটি কাজ ছিল।ঈদের দিন বিকেল ৩.০৫ মিনিটে ছিল বৈশাখী টিভিতে কমেডি শো - লাফটার লাউঞ্জ, উপস্হাপনায় ছিল আর জে নীরব।ঈদের দিন রাত ১১.৫০ মিনিটে ছিল,এটিএন বাংলায় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান -কমেডি আওয়ার,উপস্হাপনা- দেবাশীষ বিশ্বাস।এবং ঈদের ৭ম দিন এনটিভিতে ছিল.. কমেডি শো - দি কমেডি কোম্পানি। উপস্হাপনায় ছিল দীপা খন্দকার।
৩.সাড়া পেয়েছেন কোন অনুষ্ঠান থেকে বেশী?
মিরু: সবকয়টা অনুষ্ঠান থেকেই সারা পাইছি।তবে আমার ফেসবুক কমেন্ট দেখে বুঝতে পারছি যে, দর্শক আরও কিছু আমার কাছ থেকে আশা করছিল।
৪.প্রথম বারের মতো আবু হেনা রনির সাথে ডুয়েট করলেন? কেমন লেগেছে?
মিরু: রনি ভাই আমার কাছের অসাধারণ একজন মানুষ।রনি ভাই যখন ক্যাম্পাসে ছিল,আমরা ক্যাম্পাসে অনেক কাজ একসাথে করেছি।রনি ভাইয়ের সাথে বিটিভিতে ১ম কাজ করেছি যেখানে ভাই ছিল উপস্থাপক কিন্তু দুজনে একসাথে পারফর্ম করলাম এবার ঈদে। পারফর্ম করতে গিয়ে ভাই অনেক হেল্প করেছে।আমার বড় বড় ভুল গুলো খুব ছোট ছোট করে ধরিয়ে দিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত ভাইয়ের সাথে এনার্জি ঠিক রেখে পারফর্মটা শেষ করতে পেরেছি।
. হাতে আর কি কাজ আছে?

মিরু: আমার হাতে এখন কাজ আাছে।আসছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কমেডি রিয়েলিটি শো হাশো সিজন -৪ এ এবার আমি মেন্টর/গ্রুমার হিসাবে থাকছি। এনটিভির একটা ধারাবাহিক নাটকে কাজ করবো, শুটিং ডেট এখনও ফাইনাল হয় নি।আর স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ান হিসাবে তো স্টেজ শো গুলোর কাজের অফার আছেই। আর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কমেডি ক্লাব এবং রাজশাহী কমেডি ক্লাব নীয়ে অন্যরকম একটা কাজ করার প্লান চলছে।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget