2016-06-26

অনলাইন ডেস্ক :  গুলশানে হোলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে আক্রমণের সাথে জড়িত পাঁচ জঙ্গির সংক্ষিপ্ত পরিচয় প্রকাশ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বা ডিএমপি। রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি নিহত পাঁচ জঙ্গির মৃতদেহের ছবির এবং তাদের সংক্ষিপ্ত নামগুলো প্রকাশ করে। নামগুলো হলো- আকাশ, বিকাশ, ডন, বাধন ও রিপন। তবে বিজ্ঞপ্তির সাথে সংযুক্ত মৃতদেহগুলোর কোনটি কার সে বিষয়ে কোন তথ্য দেয়া হয়নি।

ওদিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আইএসপিআর রেস্টুরেন্টে হামলার ঘটনায় জিম্মি উদ্ধার অভিযানে নিহত ২০ জনের জাতীয়তা প্রকাশ করেছে। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী নিহতদের মধ্যে ১৭ জন বিদেশী। এর মধ্যে নয় জন ইটালির, সাত জন জাপানের ও একজন ভারতীয় নাগরিক। তাদের মরদেহ সিএমএইচ মর্গে রাখা হয়েছে।
এর আগে জঙ্গি তৎপরতার ওপর নজর রাখে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এরকম একটি ওয়েবসাইট সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ পাঁচজন তরুণের ছবি প্রকাশ করে বলেছে, এরাই গুলশানের রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়েছে।
শনিবার রাতে এই ওয়েবসাইটের টুইটার একাউন্টে তাদের ছবি প্রকাশ করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে এদের সবার পরনে কালো রঙের পাঞ্জাবি। অস্ত্র হাতে একটি ব্যানারকে পেছনে রেখে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের সবার মুখে হাসি। ছবিগুলো প্রকাশ করেছে সাইট ওয়েবসাইটের পরিচালক রিটা কাটজ।

সূত্র বলছে, কিছুদিন আগে কুড়িগ্রামে ধর্মান্তরিত মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যা মামলায় এরা সম্পৃক্ত ছিল। ওই সময় এ মামলায় গ্রেফতারকৃতদের দেয়া ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ডন ও বাঁধনের নাম বেরিয়ে আসে। ডন ছিল রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যা মামলার আসামি। কিন্তু এরা এতই ধূর্ত ছিল যে আইনশৃংখলা বাহিনী এদের নাগাল পাচ্ছিল না। এদের মূল পরিকল্পনাকারী দুই ব্যক্তির ডাক নাম জাহাঙ্গীর ও সাকিব মাস্টার। এ দুজন উত্তরাঞ্চলে অবস্থান করে এ পর্যন্ত বেশ কিছু নাশকতামূলক ঘটনা ঘটাতে সক্ষম হয়েছে। পুলিশের কাছে তথ্য ছিল জাহাঙ্গীর উত্তরাঞ্চলে ছদ্মনাম রাজীব ঘোষ ধারণ করে অবস্থান করছে। জাহাঙ্গীরের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সাঘাটায়। তবে এ দুজনকেও আইনশৃংখলা বাহিনী এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি।

রনি মোহাম্মদ (লিসবন,পর্তুগাল): পর্তুগালের লিসবনে বালাগঞ্জ ওসমানীনগর ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন পর্তুগালে আয়োজনে লিসবনের স্থানীয় বায়তুল মোকারম মসজিদে এক আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রামাদ্বান বালাগঞ্জ ওসমানীনগর ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে রোজাদার পথচারী মুসল্লী ও বিশিষ্ট সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের উপস্থিতে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমদ।

আরো উপস্থিত ছিলেন বালাগঞ্জ ওসমানীনগর ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের আহবায়ক ফরহাদ মিয়া ও সদস্য সচিব শেখ খালেদ আহমদ মিনহাজ এবং পর্তুগালের কমিউনিটি প্রবীণ সামাজিক ব্যক্তিত্ব ওলিউর রহমান চৌধুরী , হাজী লিয়াজ উদ্দিন, জহিরুল আলম জসিম, নজরুল ইসলাম সিকদার, সুয়েব মিয়া,কাজী এমদাদ, মঈন উদ্দিন, শওকত ওসমান, আবুল কালাম আজাদ, ইউসুফ তালুকদার, হাবীব আহমদ, মুহিবুল হক হায়দার, দিলোয়ার হোসেন, কামাল আহমদ, খছরু মিয়া, জহির আহমদ, মিজানুর রহমান মাসুদ, শামীম আহমদ, সিদ্দিকুর রহমান, খালেকুজ্জামান, নজরল ইসলম সুমন।

ইফতারের পূর্বে রমজানের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও মুসলিম উম্মার শান্তি ও নাজাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন বংলদেশ ইসলামিক সেন্টার ও  বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব মাওলানা আবু সাইদ এবং এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা মাওলানা সফিকুল ইসলাম খাঁন। 


এছাড়াও বালাগঞ্জ ওসমানীনগর ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের আহমদ আলী, রাসেল আহমদ, সালমান রশিদী,শাহনুর আহমদ, আব্দুল ওয়াদুদ জাহেদ, শাহ তুফাজ্জুল হক, নজরুল ইসলাম সোহেল, লিটন মিয়া, ফখর উদ্দিন মিনার, আলাউর রহমান,আমিনুর রহমান আমীন,শামীম আহমদ,আখলাকুর রাহমান,শামীম আহমদ, রুয়েল আহমদ, ইউছুফ আলী, আব্দুর রহিম, লিটন মিয়া,জালাল মিয়া, লিকসন মিয়া,সোহেল আহমদ, মিজানুর রাহমান চৌ:,রনি মিয়া, লুৎফুর রাহমান মাজিদ,গিলমান চৌ:,সাবিরুল ইসলাম সেজু, রুহেল খাঁন,আব্দুর রহিম,আব্দুল ওয়াহিদ, আনহার আলী, কাশেদ আহমদ সহ অন্যান্য নেত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফ্রান্স প্রতিনিধি : প্যারিসে বিয়ানীবাজার উপজেলার ঐতিহ্যবাহি সামাজিক সংগঠন মোল্লাপুর ইউনিয়ন প্রবাসী কল্যাণ সমিতি ফ্রান্সের উদ্যেগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

গত ২৪ জুন গার দো নর্দের প্যারিজিয়ান রেষ্টুরেন্টে প্যারিসে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক;ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নেতৃবৃন্দের সরব উপস্থিতিতে এ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের সভাপতি মনোন উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সহ সাধারণ সম্পাদক মহি উদ্দিন সবুজের পরিচালনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিলে জবরুল ইসলাম লিটন,শুভ্রত শুভ,সারোয়ার হোসেন টিপু,পারভেজ উদ্দিন,জামাল উদ্দিন। 

বক্তব্য রাখেন,সুমন আহমদ,আবু বক্কর খাইরুল,সাইফ শাওন,রাসেল আহমদ,অতিথি হিসেবে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সাংবাদিক উনিয়ন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এম এ মান্নান আজাদ। এসময় রমজানের তাৎপর্য ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনায় বক্তারা বলেন, আল্লাহ্ তাআলা এ মাসটিকে স্বীয় ওহি সহিফা ও আসমানি কিতাব নাজিল করার জন্য মনোনীত করেছেন। সুতরাং এ মাসে বেশি বেশি আমল করা সব মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরে মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।দোয়া পরিচালনা করেন হাজী আলকাস উদ্দিন।

অনলাইন ডেস্ক : লাইলাতুল কদর আরবী শব্দ যার অর্থ হলো বরকতময়, সম্মানিত বা মহামান্বিতরাত রাত। ফারসি ভাষায় একে শবে কদর বলা হয়। এই রজনীতে মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সারারাত নফল নামাজ, কোরাআন ও হাদীসের আলোকে জিকির, কবর জিয়ারত এবং নিজের কৃত গুনাহের জন্য মহান আল্লাহর নিকট ক্ষামা প্রার্থনা করে থাকেন।

মহান আল্লাহ্‌ বলেনঃ
"নিশ্চয়ই আমি (কোরআন)কে অবতীর্ণ করেছি এই মর্যাদাপূর্ণ রাত্রিতে (লাইলাতুল কদরে)। আর মর্যাদাপূর্ণ রাত্রি সম্বন্ধে আপনি কি জানেন? মর্যাদাপূর্ণ রাত্রি হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। ঐ রাত্রিতে ফেরেশতাগণ ও রূহ (জিবরীল) অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক কাজে তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে। শান্তিময় সেই রাত্রি ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত।" (সূরা কদর)
"নিশ্চয় আমি এ (কুরআন) অবতীর্ণ করেছি এক বরকতময় রাতে (লাইলাতুল কদরে), নিশ্চয়
আমি সতর্ককারী। এ রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়। আমার আদেশক্রমে, আমিই প্রেরণকারী। আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।" (সূরা দুখান, আয়াতঃ ৩-৬)
নামাজের নিয়ত আরবীতে :
নাওয়াইতুআন্ উছল্লিয়া লিল্লা-হি তাআ-লা- রাকআতাই ছালা-তি লাইলাতুল কদর-নাফলি, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা-জিহাতিল্ কাবাতিশ্ শারীফাতি আল্লা-হু আকবার
বাংলায় নিয়ত:- আমি ক্বেবলামূখী হয়ে আল্লাহ্ এর উদ্দেশ্যে শবে কদরের দুরাকআত নফল নামাজ আদায়ের নিয়ত করলাম- আল্লাহু আকবার
শবে কদরের নামাজ :
শবে কদরের নামাজ দু
রাকাত করে যত বেশী পড়া যায় তত বেশি ছওয়াব। নামাজের প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার পর সূরা ইখলাছ, সূরা ক্বদর, আয়াতুল কুরছী বা সূরা তাকাছুর ইত্যাদি মিলিয়ে পড়া অধিক ছওয়াবের কাজ। এই ভাবে কম্পক্ষে ১২ রাকাত নামাজ আদায় করা উত্তম। এর বেশি যত রাকাত আদায় করা যায় ততই ভালো।
কেউ যদি উপরে উল্লেখিত সূরাগুলো না পারেন তাহলে সূরা ফাতিহা পড়ার পর যে সূরাগুলো আপনি পারেন তার মধ্য থেকে প্রতি রাকাতে একটি করে সূরা মিলিয়ে নিতে হবে। এই ভাবে কম্পক্ষে ১২ রাকাত নামাজ আদায় করা উত্তম। এর বেশি যত রাকাত আদায় করা যায় ততই ভালো।
প্রতি ৪ রাকাত পর পর কিছু তাসবিহ-তাহলীল আদায় করে মহান আল্লাহর নিকট দোয়া কামনা করা অতি উত্তম। এই ভাবে সারা রাত নামাজ আদায় করা যেতে পারে।

পবিত্র শবে কদরে এই ভাবে নামাজ আদায় করে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যেতে পারে। তাই আসুন এই পবিত্র মাসের বিজোড় রাতগুলোতে মহান আল্লাহর নিকট নিজেকে সপে দিয়ে হাজার বছর ইবাদতের সওয়াব অর্জন করি। এই পবিত্র রাতে আমরা বেশী বেশী করে নফল নামাজ এবং কোরআন তিলাওয়াত করি।

ইসলাম ডেস্ক : সাদাকাতুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা রমজানুল মুবারকের শেষে ঈদুল ফিতরের আগেই আদায় করতে হয়। এটি যাকাতেরই একটি প্রকার। যা আদায় করার জন্য মহান আল্লাহ তায়ালা সূরাতুল আলায় (৪-১৫) ইশারা করেছেন-
قد افلح من تزكى وذكر اسم ربه فصلى
রাসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদীস ও সুন্নায় ফিতরা আদায়ের তাকিদ দিয়েছেন এবং এর নিয়ম-নীতি শিক্ষা দিয়েছেন। এ কারণেই নবী রাসুলদের  যুগ থেকে আজ পর্যন্ত মুসলিম উম্মাহ ইসলামের পাঁচ রোকন ও দ্বীনের অন্যান্য মৌলিক আমল ও ইবাদতের মতো ছদাকাতুল ফিতর নিয়মিত আদায় করে আসছে। একটি হাদীসে এই ইবাদতের দুটি হিকমত ও তাৎপর্য স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সাদাকাতুল ফিতরকে তোমাদের জন্য অপরিহার্য করা হয়েছে। অর্থহীন, অশালীন কথা ও কাজে রোজার যে ক্ষতি তা পূরণের জন্য এবং নিঃস্ব লোকের আহার যোগানোর জন্য। (সুনানে আবু দাউদ ১/২২৭)
তাই সকলের কর্তব্য খুশি মনে এই ইবাদতটি আদায় করা। যাতে আল্লাহর গরীব বান্দাদের খেদমত হয় এবং নিজের রোজার ত্রুটি-বিচ্যুতির ক্ষতিপূরণ হয়। সর্বোপরি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নির্ধারিত একটি ইবাদত আদায়ের সৌভাগ্য অর্জিত হয়।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র সুন্নাহর আলোকে এই ইবাদতের বিস্তারিত আহকাম ও বিধান ফিকহের কিতাবে সংকলিত হয়েছে। সাদাকাতুল ফিতর কার উপর ওয়াজিব হয়, কাদের পক্ষ থেকে আদায় করতে হয়- এইসব বিবরণ হাদীস ও ফিকহের কিতাবে বিস্তারিতভাবে আছে।

ইসলাম ডেস্ক : আমাদের দেশে প্রতি বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন ইসলামিক সেন্টার মাথাপিছু একটি পরিমাণ ঘোষণা প্রদান করে এবং সে ঘোষণা অনুযায়ী কোটিপতি ও মধ্যবিত্ত নির্বিশেষে সবাই ফিতরা প্রদান করে। আমাদের জেনে রাখা প্রয়োজন, নবীজি (সা.)-এর যুগে মোট চারটি পণ্য দ্বারা সাদকাতুল ফিতর আদায় করা হতো, যেমন খেজুর, কিশমিশ, জব ও পনির।

হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, আমাদের সময় ঈদের দিন এক সা খাদ্য দ্বারা সাদকা আদায় করতাম। আর তখন আমাদের খাদ্য ছিল জব, কিশমিশ, পনির ও খেজুর। [সহিহ বোখারি] ইসলামের বানী.নেট এর এক প্রতিবেদনে এ বিষয়ে তুলে ধরা হয়।রাসুল (সা.)-এর যুগে গমের ভালো ফলন ছিল না বিধায় আলোচিত চারটি পণ্য দ্বারাই ফিতরা আদায় করা হতো। এরপর হজরত মুয়াবিয়ার (রা.) যুগে গমের ফলন বেড়ে যাওয়ায় গমকে আলোচিত চারটি পণ্যের সঙ্গে সংযোজন করা হয়। আর তখন গমের দাম ছিল বাকি চারটি পণ্যের তুলনায় বেশি। আর মূলত এই দাম বেশি থাকার কারণেই হজরত মুয়াবিয়া গমকে ফিতরার পণ্যের তালিকভুক্ত করেছিলেন।
অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর বলেন, নবীজি (সা.) এক সা খেজুর বা এক সা জব দিয়ে ফিতরা আদায় করার আদেশ দিয়েছেন। পরবর্তী সময় লোকজন (সাহাবা আজমাইনরা) দুই মুদ গমকে (আধা সা) এগুলোর সমতুল্য মনে করে এবং আদায় করে। [বোখারি] অতএব, ওপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায়, গম দ্বারা আদায় করলে আধা সা বা এক কেজি ৬২৮ গ্রাম দিলেই ফিতরা আদায় হয়ে যাবে। আর বাকি চারটি পণ্য অর্থাৎ খেজুর, জব, পনির ও কিশমিশ দ্বারা আদায় করার ক্ষেত্রে জনপ্রতি এক সা বা তিন কেজি ২৫৬ গ্রাম দিতে হবে। দেখা যাচ্ছে যে গম ছাড়া অন্য পণ্য দ্বারা ফিতরা আদায় করলে এক সা পরিমাণ দিতে হচ্ছে, যা গমের ওজনের দ্বিগুণ এবং মূল্যের দিক দিয়েও অনেক তফাত। হাদিসে এক সা আদায় করার কথা উল্লেখ থাকার পরও তখন এর মূল্য অনেক বেশি হওয়ায় সাহাবারা আধা সা পরিমাণ গম আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তখন আধা সা গমের মূল্যও অন্য চারটি পণ্যের এক সা-এর চেয়েও বেশি ছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে আলোচিত পাঁচটি পণ্যের মধ্যে গমই হচ্ছে সবচেয়ে কম দামি পণ্য।
তাহলে এখন প্রশ্ন হলো, বর্তমানে গমের পরিমাণ হিসেবে আধা সা ফিতরা আদায় করলে হবে? হাদিসের আলোচনা থেকে এ কথাটি স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে সাহাবারা খেজুর, জব, পনির ও কিশমিশ থেকে হলে এক সা পরিমাণ এবং গম থেকে হলে আধা সা পরিমাণ ফিতরা আদায় করতেন। কারণ তখন গমের দাম অন্য সব পণ্যের তুলনায় বেশি ছিল। আর বর্তমানে অন্য চারটি পণ্যের তুলনায় গমের দাম কম। এ পর্যন্ত হাদিসের এমন কোনো সূত্র পাওয়া যায়নি যে সাহাবারা সবাই সর্বনিম্ন দামের বস্তু দ্বারা ফিতরা আদায় করেছেন। বরং তাঁদের সবার আগ্রহ ছিল সর্বাধিক দামি পণ্য দ্বারা ফিতরা আদায় করা। তাহলে বর্তমানে সবাই সর্বনিম্ন দামের পণ্য দ্বারা ফিতরা আদায় করছে কেন? আমাদের সময়ের সম্পদশালী আর মধ্যবিত্ত নির্বিশেষে আধা সা গম বা তার সমপরিমাণ মূল্য দ্বারা সাদকাতুল ফিতর আদায় করা সমীচীন হচ্ছে কি? এবং এতে সাদকাতুল ফিতরের আসল হক কি আদায় হচ্ছে?

শরিয়তের বর্ণনা ও হাদিসের আলোচনা অনুযায়ী সমাধান হলো- যার সামর্থ্য অনুযায়ী উলি্লখিত পাঁচটি পণ্যের যেকোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণে ফিতরা আদায় করতেন। যার সামর্থ্য আছে উন্নতমানের খেজুর দ্বারা সে খেজুর দ্বারাই আদায় করবে। আর যার সামর্থ্য আছে কিশমিশ কিংবা জব দ্বারা আদায় করার সে তা দ্বারা আদায় করবে। যার গম দ্বারা আদায় করা ছাড়া অন্য পণ্য দ্বারা আদায় করার সামর্থ্য নেই সে গম দ্বারা ফিতরা আদায় করবে। বেশি সম্পদশালী এবং কম সম্পদশালী নির্বিশেষ গম বা সর্বনিম্ন দামের পণ্য দ্বারা সাদকাতুল ফিতর আদায় করার বিষয়টি বিবেকবর্জিত এবং হাদিস ও শরিয়তের নির্দেশনার পরিপন্থী। তাই আসুন! আমরা সবাই নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী সাদকাতুল ফিতর আদায় করি এবং দায়সারা আদায় পদ্ধতি ত্যাগ করি।

কিশোরগঞ্জ: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অনেক দিন পর তাঁর নিজ গ্রাম কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কামালপুরে গেছেন। নিজ পৈত্রিক বাড়িতে গিয়ে তিনি যেন হয়ে গেছেন গ্রামের অন্যসব সাধারণ মানুষের মতোই। হাওর এলাকা অধ্যুষিত নিজ গ্রামের সাধারণ মানুষগুলোর খোজ নিতে তিনি এখন বেজায় ব্যস্ত। তবে আশ্চর্য বিষয় হলো তিনি লুঙ্গি পরে সাধারণ মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি হিসেবে নয় বরং তাদের হামিদ ভাই হিসেবে।

হাওরবেষ্টিত এই এলাকাটিতে যোগাযোগের জন্য একমাত্র বাহন হলো নৌকা কিংবা বিশেষ কোন জলযান। অনেকদিন পর রাষ্টপতি এখানে এসে তাই তো বিশেষ একটি জলযান নিয়ে বেরিয়ে পরেছেন এলাকার মানুষের খোজ খবর নিতে। সেই সাথে জিয়ারত করেন চিরনিদ্রায় শায়িত নিজ মা-বাবার কবর। দুরন্ত শৈশব-কৈশোর ও যৌবনের হাজারো স্মৃতিবিজড়িত ঘোড়াউত্রা নদীপাড়ের কামালপুর গ্রামের হিজল তমাল তরুর শ্যামল ছায়ায় এসে তিনি যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছেন। এর আগেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দুবার ছুটে এসেছিলেন কামালপুর গ্রামে।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের আগমনে কামালপুর গ্রাম তথা গোটা মিঠামইন উপজেলায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ১৯৭৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৪ বছর কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বটবৃক্ষের মতো ছায়া দিয়ে কাণ্ডারির ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। আর এ কারণে নিজ নির্বাচনী এলাকা কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) এলাকার পাশাপাশি জেলা শহরের রাজনীতিক, সমাজকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক। আর সে কারণে কামালপুর পৈতৃক ভিটায় অবস্থানকালে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোকজন এবং বন্ধুবান্ধব ও স্বজনদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন তিনি। ঘুরে দেখছেন প্রয়াত মা-বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। চিরচেনা পথ-ঘাট, প্রান্তর ও হাওরবাসীকে।

এর আগে, বুধবার দুপুর ২টার দিকে তাকে বহনকারী বিশেষ হেলিকপ্টারটি মিঠামইনের কামালপুর গ্রামে অবতরণ করে। তিন দিনের সরকারি সফরের শেষদিনে তিনি শুক্রবার বিকালে হেলিকপ্টারযোগে বঙ্গভবনের উদ্দেশে কামালপুর ত্যাগ করবেন।


অনলাইন ডেস্ক :  খুনিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চট্টগ্রাম ব্যুরো : পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মিশনের মূলহোতা আবু মুছাকে নিয়ে রহস্যের ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। তাকে নিয়ে রহস্যময় আচরণ করছে পুলিশ। 
পুলিশ বলছে, মিতুকে হত্যা করতে ৮ সদস্যের যে কিলিং মিশন হয় তার নেতৃত্বে ছিল কামরুল শিকদার ওরফে আবু মুছা। হত্যাকা-ের আগের দিন রাতে মুছার বাসায় বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে হত্যার ছক তৈরী হয়। সেখানে হত্যাকান্ডে অস্ত্র সরবরাহকারী হানিফুল হক ওরফে ভোলাইয়াও উপস্থিত ছিল। কিলিং মিশনের সদস্য ওয়াসিম ও আনোয়ারও আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মূলহোতা হিসাবে মুছাকে চিহ্নিত করেছে। ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দিতে তারা স্পষ্ট উল্লেখ করেছে টাকার বিনিময়ে তাদের ভাড়া করা হয়েছে। মুছার নেতৃত্বে তারা হত্যাকা-ে অংশ নিয়েছে। তাদের জবানবন্দির সূত্র ধরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার মো. ইকবাল বাহার বলেছেন হত্যা মিশনের প্রধান মুছা। সে বাকিদের টাকা দিয়ে ভাড়া করেছে। মুছাকে ধরতে পারলে হত্যাকা-ের সকল রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, মুছাকে ধরা গেলে কার নির্দেশে সে ভাড়াটে খুনি নিয়ে মিতুকে হত্যা করেছে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। অর্থাৎ মিতু হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের পথে এখন একমাত্র সূত্র আবু মুছা। অথচ সেই মুছাকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। এক সপ্তাহ আগে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল মুছাসহ হত্যা মিশনে অংশ নেয়া সবাই তাদের হাতে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা তখন স্বীকার কলেছিলেন, তাদের আটক করে দামপাড়া পুলিশ লাইনে রাখা হয়েছে। এমন শোনা গেছে যে মুছাসহ আরও দুইজন আসামিকে ঢাকায় নিয়ে বাবুল আক্তারের মুখোমুখি করা হয়েছে। খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বীকার করেছেন কয়েকজন আসামীকে মুখোমুখি করতে বাবুল আক্তারকে ঢাকায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে সিএমপির পক্ষ থেকে ওই আসামী কারা তা স্পষ্ট করা হয়নি। এবিষয়ে পুলিশ কমিশনারের দৃষ্টি আর্কষণ করা হলে তিনি তা এড়িয়ে যান। রোববার সকালে পুলিশ এই হত্যাকা-ে জড়িত থাকার অভিযোগে ওয়াসিম ও আনোয়ার নামে দুইজনকে গ্রেফতার করার দাবি করে। ওই দিনই তাদের আদালতে পাঠিয়ে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। সোমবার রাতে আটক করা হয় হত্যাকা-ে ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহকারী ভোলাইয়া ও তার সহযোগী মরিনকে। তাহলে আবু মুছা কোথায়, সেকি এখনও পুলিশের হাতে আটক আছে নাকি, তাকে আড়াল করা হচ্ছে- এমন প্রশ্ন এখন সবত্রই। এদিকে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারি কমিশনার মো. কামরুজ্জামান গতকাল বলেন, চাঞ্চল্যকর মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকা-ের পলাতক খুনিদের গ্রেফতার করতে জোরদার অভিযান চালানোর পাশাপাশি তাদের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সেজন্য মূলহোতা কামরুল সিকদার ওরফে আবু মুছাসহ অন্যদের ছবিসহ সকল তথ্য দেশের সকল বিমান, নৌ ও স্থলবন্দরে পাঠিয়েছে সিএমপি। তবে কখন থেকে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বিষয়ে কিছু বলতে চাননি তিনি। তিনি বলেন, মিতু হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে জোর অভিযান চলছে। এরপরও তারা যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে সেজন্য ছবিসহ সকল তথ্য দেশের সকল বিমান, নৌ ও স্থল বন্দরে পাঠানো হয়েছে। নগরীর পাঁচলাইশ থানায় এসপি বাবুল আক্তারের দায়ের করা মিতু হত্যা মামলায় আসামি অজ্ঞাত তিনজন হলেও কিলিং মিশনে অংশ নেয়া গ্রেফতার দুই আসামির জবানবন্দিতে উঠে আসে মোট আটজনের নাম। এরা হলো, মূলহোতা কামরুল সিকদার ওরফে আবু মুছা, কিলিং মিশনে থাকা ওয়াসিম ও নবী। এছাড়া অস্ত্র সরবরাহকারী এহতেশামুল হক ভোলা, ঘটনাস্থলে হত্যাকারীদের সহযোগী হিসাবে থাকা রাশেদ, কালু, শাহজাহান ও আনোয়ার। এদের মধ্যে ভোলা, ওয়াসিম, আনোয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ভোলার সহযোগী মনির হোসেনকেও অস্ত্র রাখার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর গ্রেফতারের জন্য দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে ঘটনার মূলহোতা কামরুল সিকদার ওরফে আবু মুছা এবং সহযোগী রাশেদ, কালু, শাহজাহানের। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ওয়াসিম জানিয়েছেন, আবু মুছার নির্দেশে জিইসি মোড় এলাকার বাবুল আক্তারের স্ত্রীকে খুনের জন্য তারা গত ৫ জুন ভোরে জড়ো হয়। এই হত্যা মিশনের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব ছিল মুছার ওপরই। তার নির্দেশনা মতে টাকার বিনিময়ে মোট সাতজন এই হত্যাকা-ে জড়িত ছিল। ওয়াসিম জানান, জিইসি মোড়ের অদূরে ও আর নিজাম রোডে সাতজনের একটি দল মিতু হত্যার মিশনে অবস্থান নেয়। মূল হত্যা মিশনে অংশ নেন ওয়াসিম ছাড়াও মুছা ও নবী। এর মধ্যে মিতুকে অনুসরণ করেন ওয়াসিম। পুলিশের উদ্ধার করা ভিডিও ফুটেজে যাকে মোবাইলে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হতে দেখা গেছে সে হচ্ছে ওয়াসিম। যে মোটর সাইকেল চালিয়েছে সে মুছা। মিতু ছেলে মাহিরের হাত ধরে মূল রাস্তায় বের হলে নিরিবিলি হোটেলের সামনে থাকা মুছা বিপরীত দিক থেকে মোটরসাইকেলে এসে মিতুকে ধাক্কা দেয়। আর মোটরসাইকেল থেকে নেমে সামনে পেছনে ছুরিকাঘাত করেন নবী। এরপর মিতুর পিছনে যাওয়া ওয়াসিম একটি মিস ফায়ার করেন। সেটি মিস ফায়ার হওয়ায় তার কাছ থেকে পিস্তল নিজ হাতে নিয়ে মিতুর মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করেন মোটরসাইকেলের চালকের আসনে থাকা আবু মুছা নিজেই। ঘটনাস্থলেই মিতুর মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর মুুছার মোটরসাইকেলে করে নবী ও ওয়াসিম নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এর আগে কালামিয়া বাজারে মুসা সিএনজি ভাড়া বাবদ ৫০০ টাকা দেয় ওয়াসিম ও অন্যদের। হত্যাকা- শেষে মুছার কালামিয়া বাজারের বাসায় চলে যায় তারা। সেখানে হত্যাকা-ের ব্যাকআপ টিমের আনোয়ারসহ অন্য তিন সদস্য জিইসি মোড় থেকে সিএনজি অটোরিকশা ভাড়া করে বহদ্দারহাট হয়ে কালামিয়া বাজারের বাসায় যোগ দেয়। এদের কাউকে তাৎক্ষণিক ২ থেকে ৩ হাজার টাকা করে দেয় মুছা। এরপর সবাই নিজ নিজ বাসায় চলে যায়। রাঙ্গুনিয়ার রাজানগর ইউনিয়নের ঘাগড়া এলাকায় মামার বাড়িতে থাকতেন কামরুল সিকদার ওরফে আবু মুছা। বাড়ি পারুয়া ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামে। সাবেক বিডিআরের অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার আপন চাচা ফারুক সিকদারের কন্যাকে বিয়ে করে। পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিসহ বিভিন্ন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সোর্স হিসেবে বিভিন্ন অপকর্ম, খুন রাহাজানি করে বেড়াতো সে। তার বিরুদ্ধে রাঙ্গুনিয়া থানায় দুটি হত্যা মামলা, একটি ডাকাতি মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশের সোর্সের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রাঙ্গুনিয়া ও আশপাশের উপজেলা রাউজান, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ির বিভিন্ন দুর্ধর্ষ ক্যাডার এবং অপরাধীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে তার। এরপর একের পর এক ঘটাতে থাকে অপরাধমূলক কর্মকা-। কিন্তু মুছা পুলিশের সোর্স হওয়ায় পুলিশ কিংবা অন্য আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে সন্দেহ করত না।

অনলাইন ডেস্ক : পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিনে শেষ হবে বলে প্রত্যাশা করেছেন সৌদি আরব ইউনিয়নের জ্যোতির্বিদ্যা ও মহাকাশ বিজ্ঞান সংস্থার সদস্য ড. খালেদ আল-জাক। তিনি বলেন, এ হিসাবে মুসলিম বিশ্বের অনেক দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রথম দিন হতে পারে আগামী ৬ জুলাই। 
সৌদি আরবের জাতীয় দৈনিক সৌদি গ্যাজেটকে খালেদ আল-জাক বলেন, সৌদি আরবে আগামী তিন বছর গ্রীষ্মকালে রমজান অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় তাপমাত্রার পার্থক্যও দেখা যেতে পারে বলে তিনি জানান।  আরব ইউনিয়ন জ্যোতির্বিদ্যা ও মহাকাশ বিজ্ঞান সংস্থার এই সদস্য বলেন, সৌদি আরবে আগামী ৯ বছর রোজা শীতকালে এবং পরবর্তী ৯ বছর গ্রীষ্মকালে হবে। তিনি বলেন, চলতি বছর রমজানে ইরাক, কুয়েত ও সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করেছে।

এনায়েত হোসেন সোহেল,প্যারিস, ফ্রান্স : ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে মৌলভীবাজার জেলাধীন বড়লেখা উপজেলার ঐতিহ্যবাহি সামাজিক সংগঠন দক্ষিণভাগ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ফ্রান্সের উদ্যেগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।গত ২৭শে জুন বন নোবেলের একটি অভিজাত রেষ্টুরেন্টে ফ্রান্স বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক;ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নের্তৃবৃন্দের সরব উপস্থিতিতে এ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

হোসাইন আহমদ সাবুলের সভাপতিত্বে ও কামরুল ইসলাম ও আব্দুল্লাহ আল তায়েফের যৌথ পরিচালনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সাংবাদিক উনিয়ন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এম এ মান্নান আজাদ। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,ঢাকা বিভাগ সমিতি ফ্রান্সের সভাপতি শেখ শাহজাহান শারু, জুড়ি সমিতি ফ্রান্সের আহবায়ক আব্দুর রব,গোলাপ গঞ্জের কমিউনিটি নেতা শরফ উদ্দিন স্বপন ,ব্যবসায়ী হেনু মিয়া , বিয়ানীবাজার উপজেলা সমাজ কল্যাণ সমিতি ফ্রান্সের সাবের সভাপতি আমিনুর রাশিদ টিপু,কমিনিটি নেতা আহমেদ মালেক,বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ ট্রাস্ট এর সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন,কুলাউড়া এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ রশিদ খান। তারেক আহমদের পবিত্র কোরান তেলোয়াতের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানে এ সময় সংগঠন ও পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন,দেলোয়ার আহমদ,আশরাফুল ইসলাম,রুহেল উদ্দিন,জাকির হোসেন,মালেক মুন্না,নুরুল ইসলাম, হাবিব,,লিমন,আব্দুল আজিজ সেলিম,হাসান আহমদ,তোফায়েল আহমদ ও সালেহ আহমদ প্রমুখ। এসময় রমজানের তাৎপর্য ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনায় বক্তারা বলেন, আল্লাহ্ তাআলা এ মাসটিকে স্বীয় ওহি সহিফা ও আসমানি কিতাব নাজিল করার জন্য মনোনীত করেছেন। সুতরাং এ মাসে বেশি বেশি আমল করা সব মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরে মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।দোয়া পরিচালনা করেন ত্বারেক আহমদ

জনপ্রিয় ডেস্ক: আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরে আসার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন সর্বকালের সেরা ফুটবলার দিয়েগো ম্যারোডানো। সেই সঙ্গে মেসিকে ফিরে আসতে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাউরিসিও মাসরিও ব্যক্তিগতভাবে তার সঙ্গে আলাপ করেছেন।কোপা আমেরিকার শতবর্ষী আসরের ফাইনালে চিলির বিপক্ষে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হেরে যায় আর্জেন্টিনা।

টানা দুই বছর এই চিলির বিপক্ষেই কোপার শিরোপা খোয়ালো আলবেসেলিস্তারা। আর তিন বছরে বিশ্বকাপ সহ তিনটি ফাইনালে গিয়েও ২৩ বছরের শিরোপা অধরাই রয়ে গেল দলটির। আর্জেন্টিনার এই তিনটি হারেই দলের নেতৃত্বে ছিলেন মেসি। আর সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রের এবারের কোপা আসরে পেনাল্টিতে প্রথমেই মিস করে বসে বার্সেলোনা তারকা।
তাই এমন পারফরম্যান্স সহ্য করতে না পারা মেসি অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন। এদিকে মেসির অবসরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে মাঠে ফেরত আসার অনুরোধ জানিয়েছেন ২০০৮ থেকে ২০১০ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার কোচ থাকা ম্যারাডোনা। তিনি চান মেসি ২০১৮ বিশ্বকাপ পর্যন্ত দলের সঙ্গে খেলুক।আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী তারকা ম্যারাডোনা বলেন, মেসিকে জাতীয় দলের সঙ্গে থাকতে হবে। বিশ্বকাপ জয়ের জন্য তাকে রাশিয়া যেতে হবে। তাকে দলের অন্য ছেলেদের ওপর ভরসা রাখতে হবে। আমরা আমাদের ফুটবলের ধ্বংস দেখতে চাই না।
এদিকে মেসির ফিরে আসা প্রসঙ্গে আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্ট বলেন,
জাতীয় দলের পারফরম্যান্সে আমি গর্বিত এবং আমি মেসিকে বলছি কোন ধরনের সমালোচনা শোনার দরকার নেই। আমি চাই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়টি আরো অনেক বছর দেশের হয়ে খেলুক।

জনপ্রিয় ডেস্ক : আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবলে অবসরের খবর এখন সবারই জানা। তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফেরাতে ব্যস্ত সবাই।

এমন কি দেশটির প্রেসিডেন্ট, মেয়র থেকে শুরু করে ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা সকলেই মেসিকে ফিরে আসতে বলেছেন। আর এবার এ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে মেসির লাখো সমর্থক।কোপার শতবর্ষী আসরের ফাইনালে চিলির বিপক্ষে টাইব্রেকারে হেরে অবসরের ঘোষণা দেন মেসি। এরপরই ফুটবল অঙ্গনে তাকে এ সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসার অনুরোধ আসতে থাকে। এবার প্রিয় তারকাকে ফেরাতে অন্য পন্থা অবলম্বন করছেন তার লাখো সমর্থক।
মেসিকে ফেরাতে আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েন্স আইরেসের রাস্তায় নামার প্রস্তুতি গ্রহণ করছে তার অসংখ্য ভক্ত-সমর্থক। ওবেলিস্কা মনুমেন্টের সামনে এ বিশাল র‍্যালিতে   প্রায় ১ লাখেরও বেশি সমর্থক আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মধ্য দিয়ে চলছে এ কাজের প্রচার-প্রচারণা। এ জন্য ফেসবুকে একটি ইভেন্ট পেজও চালু করা হয়েছে। সেখানে একটি স্ট্যাটাসে লেখা হয়েছে,
এ শনিবার ২ জুন সন্ধ্যায় (স্থানীয় সময়) আমরা সবাই ওবেলস্কিতে মেসির প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করব। আমাদের আশা, তাকে আর্জেন্টিনার জার্সিতে আবারও দেখা যাবে। ফিরে এসো মেসি।। আমাদের ছেড়ে চলে যেও না।
সাধারণত ঐতিহ্যগত দিক দিয়ে ওবেলস্কিতে ভক্ত-সমর্থকরা জড়ো হন জাতীয় দলের জয়ে উল্লাস করতে। কিন্তু এবার ভিন্ন কারণ নিয়েই সেখানে সবাই উপস্থিত হবেন। উদ্দেশ্য একটাই মেসিকে তার অবসরের সিদ্ধান্ত থেকে সরিয়ে আনা।

চট্টগ্রাম : আটক বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীকে নতুন করে ভাঙচুর ও নাশকতার অভিযোগে চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার ও কোতয়ালী থানায় দুটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। 

এর মধ্যে কোতয়ালী থানার একটি মামলায় তাকে দশদিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বুধবার সকালে চট্টগ্রামের একটি আদালতে তাকে হাজির করে মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মামলায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হারুন অর রশিদ ও কোতয়ালী থানার মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হোসেনের আদালতে আসলাম চৌধুরীকে হাজির করা করা হয় এবং তাকে গ্রেফতারের আবেদন করে পুলিশ। পরে আদালত আসলাম চৌধুরীকে গ্রেফতারের আবেদন নামঞ্জুর করেন।
এছাড়াও কোতায়ালী থানার ভাঙচুর ও নাশকতার মামলায় তাকে দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয় বলেও জানান তিনি।

ঢাকা: ব্রিটিশ এমপি সায়মন ডানসাক বলেছেন, গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সুশীল সমাজের মুক্তকণ্ঠ এসব কিছুই সংকুচিত হয়ে পড়ায় বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হবে বলে আশংকা করেছেন ব্রিটিশ এমপি সায়মন । মঙ্গলবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বাংলাদেশ পরিস্থিতির ওপর একটি মোশন এনে তিনি এ ব্যাপারে তার দেশের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, অন্যথায় বাংলাদেশে অরাজক পরিস্থিতির প্রভাব ব্রিটেনের ওপর পড়বে। বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ওয়েস্ট মিন্সটার হলে।

সায়মন ডানসাক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে বলেন, বাংলাদেশে এখন গণতন্ত্র নেই, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই, সাংবাদিকরা গ্রেফতার হচ্ছে, বিরোধীদলের নেতা-কর্মীদের উপর চলছে নির্মম নির্যাতন- নিপীড়ন, জঙ্গি হামলায় খুন হচ্ছে বিভিন্ন ধর্ম ও বর্ণের মানুষ। এমপি সায়মন আরো অভিযোগ করে বলেন, জঙ্গি দমনে সরকারের অনিচ্ছার পাশাপাশি বিরোধী দলের উপর জঙ্গি হামলার দায় চাপিয়ে এটিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের চেষ্টা আরো উদ্বেগজনক। এই অবস্থায় তিনি বাংলাদেশকে দেয়া ব্রিটেনের সামরিক ও বাণিজ্যিক সহায়তাগুলো পর্যালোচনা করার আহবান জানিয়ে বলেন, এটি দেখার বিষয় ব্রিটেনের সার্বিক সহায়তা শেখ হাসিনার সরকার বিরোধী মতকে নিপীড়ন-নির্যাতন করার জন্য ব্যবহার করছেন কিনা।

অনলাইন : বর্তমান সরকারের মেয়াদেই জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকার সহায়তায় আরও দুটি মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫) নির্মাণ করা হবে। এ লক্ষ্যে ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
২৯ জুন জাতীয় সংসদে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এম এ আউয়ালের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

তিনি বলেন, সরকার গত মেয়াদ হতে এমআরটি লেন-৬ বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটির ডিপো নির্মাণের জন্য রাজউক থেকে ২৩.৮৪ হেক্টর জমি পাওয়া গেছে।
ঢাকা-১৯ আসনের সাংসদ মো. এনামুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের জানান, যে সকল ২-লেন মহাসড়কে ৪ লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে সে সকল মহাসড়কে মূল সড়ক হতে পৃথকভাবে বাস-বে নির্মাণ করা হবে। 
উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সাসেক প্রকল্পের আওতায় মূল সড়ক হতে বাস স্টপেজসমূহকে পৃথক করে বাস-বে এবং যানজট এড়ানোর জন্য টার্নিং পয়েন্টে ওয়েটিং লেন নির্মাণের সংস্থান করা হয়েছে।
গত রোববার (২৬ জুন) রাজধানীর উত্তরা থেকে ২০ কিলোমিটার পথ ৩৮ মিনিটে পেরিয়ে যাত্রীদের মতিঝিলে পৌঁছে দেয়ার স্বপ্ন নিয়ে মেট্রোরেল কর্মযজ্ঞের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মেট্রোরেল প্রকল্পের আওতায় সবার আগে কাজ শুরু হচ্ছে উত্তরা তৃতীয় পর্যায় থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত ৬ নম্বর রুটের। প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার এ কাজে জাইকা দিচ্ছে ১৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

ওই প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের মধ্যে মতিঝিল (বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন) পর্যন্ত মেট্রোরেল নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্য ঠিক করা হলেও প্রথম পর্যায়ে ২০১৯ সালের মধ্যে আগারগাঁও পর্যন্ত বাণিজ্যিক চলাচল শুরু করা হবে।

জনপ্রিয় অনলাইন : রাজধানীর মিরপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান চালানোর সময় হকার ও স্থানীয় চাঁদাবাজরা একজোট হয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে।

এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে। গত ২৯ জুন বিকেলে মিরপুর শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশ মিরপুর এক নম্বর গোলচত্বর থেকে শাহ আলী মাজার পর্যন্ত ফুটপাত দখলমুক্ত করতে যায়। এ সময় ফুটপাতের হকার ও চাঁদাবাজরা একজোট হয়ে পুলিশের অতর্কিত ওপর হামলা চালায়। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।  এদিকে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, হকারদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের সময় মিরপুরের রাস্তা বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিকেল পর্যন্ত সেখানে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ ছিল। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারো যান চলাচল শুরু হয়।

ঢাকা: হোটেল রাজমণি ঈশাখায় দ্বিতীয় তলায় হোটেলের অভ্যর্থনা কক্ষের সামনে নামাজের স্থান। মঙ্গলবার ইফতারের পর সেখানে দেখা গেল বিরল দৃশ্য। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ইমাম আর তার পেছনের কাতারে দাঁড়িয়ে মাগরিবের নামাজ আদায় করছেন ড. কামাল হোসেন, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, মেজর (অব.) মান্নান, জিএম কাদেরসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনীতিক।

এদিন রাজধানীর কাকরাইলস্থ হোটেল রাজমণি ঈশা খাঁয় ইফতার পার্টির আয়োজন করেছিল গণফোরাম। রাজনীতিবিদ, আইনজীবী, সংবাদিকসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সম্মানে এই ইফতারের আয়োজন করা হয়।ইফতার শেষে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু মাইকে ঘোষণা করেন- নিচে নামাজের ব্যবস্থা আছে। আপনারা ওখানে নামাজ আদায় করতে পারবেন। এরপর ড. কামাল হোসেন, মেজর (অব.) মান্নান, কাদের সিদ্দিকীসহ অন্যান্য নেতারা নামাজের জন্য নিচে নামেন।
সাদা পাঞ্জাবির উপরে মুজিবকোট এবং মাথায় সাদা টুপি পরা কাদের সিদ্দিকী সামনে ইমামতির জন্য দাঁড়িয়ে যান। আর তার পেছনে প্রথম কাতারে ইমামের ডান পাশে চেয়ারে বসে নামাজ আদায় করেন ড. কামাল এবং মেজর (অব.) মান্নান।
প্রথম সারিতেই ইমামের ঠিক পেছনে দাঁড়ান সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির প্রমুখ।
মোট ছয়টি কাতার হয়। আমন্ত্রিত বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী ও অতিথি নামাজ আদায় করেন। 
একটি ঘনিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাম বিপ্লবী নেতা এবং সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম অনেক দিন থেকেই নিয়মিত নামাজ রোজা করছেন।
এই ইফতার মাহফিলে আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং ইসলামী দলগুলো বাদে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে রাজনীতিকদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক এসএম আকরাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির কার্যকরী সভাপতি এমএ গোফরান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, ফরোয়ার্ড পার্টির সভাপতি আবম মোস্তফা আমিন উপস্থিত ছিলেন।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- গণস্বাস্ত্যের প্রধান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ডা. ফৌজিয়া মোসলেম, মুহম্মদ জাহাঙ্গীর, অদ্যাপক আসিফ নজরুল, ড. রোবায়েত ফেরদৌস এবং সিনিয়র সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সৈয়দ তোসারফ আলী, কাজী সিরাজ, জাহিদুজ্জামান ফারুক, বদিউল আলম, আবু সাইদ খান প্রমুখ।

সেলিম আলম, মাদ্রিদ : রহমত,বরকত ও মাগফিরাতের সওগাদ নিয়ে আসা মাহে রমজান ই মোসলমানদের জন্য পরিশোধিত হওয়ার সর্বোত্তম সময় ।

এ মাসেই পবিত্র কোরআন নাজিল হিয়েছে এবং এর আইন মেনে চলা আমাদের প্রত্যেকেরই উচিৎ বাংলা টিভি দর্শক ফোরাম স্পেনের উদ্যোগে মাহে রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্টানে বক্তারা এ কথা বলেন ,গত ১৬ জুন মাদ্রিদের বাংলা টাউন রেষ্টুরেন্টে এ সভা অনুষ্টিত হয়। 

সভায় মসজিদ কমিটির সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার,বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সভাপতি জামাল উদ্দিন মনির, সাংবাদিক মিনহাজুল আলম মামুন,চ্যানাল আই স্পেন প্রতিনিধি সাহাদুল সুহেদ ,একুশে পত্রিকার সম্পাদক শাহ জামাল,নুরুল আলম,এ কে এম জহির,এনটিভি ইউকে প্রতিনিধি জাফরুল ইসলাম,দুলাল সাফা উপস্থিত ছিলেন। আবুজাফর রাসেলের পরিচালনায় অনুষ্টিত সভায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডাক্তার দুলাল,আব্দুল কায়ুম সেলিম,মিজানুর রহমান বিপ্লব,রিয়াজ উদ্দিন লুতফুর,গ্রেটার সিলেট এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক সিফার আহমেদ,দিদারুল করিম,আবুল হাসেম মেম্বার,হুমায়ুন কবির রিগ্যান,আবুল হুসেন,এডভোকেট তারেক হাসান সহ অনেকে।

এ সময় বক্তারা বলেন বস্থনিষ্ট সংবাদ পরিবেশনের জন্য প্রশংসার দাবীদার আন্তর্জাতিক মানের এবং ইউরোপের প্রথম বাংলা চ্যানেল এই বাংলা টিভি স্পেনে বাংলাদেশ কমিউনিটির হৃদয় জয় করে নিয়েছে। তারা এর সকল কর্মকর্তা বৃন্দ ও সংবাদ কর্মীদের ধন্যবাদ জানান। ইফতার পুর্ববর্তী বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মোর্শেদ আলম
 এ সময় সংবাদ কর্মী,সাংবাদিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের মঙ্গল কামনা করে বিশ্ব মুসলিম উম্মার জন্য দোয়া করা হয়

সেলিম আলম,মাদ্রিদ : বাংলাদেশ ও স্পেনের ব্যবসায়ীক সম্পর্ক বৃদ্ধি ও বিভিন্ন প্রতিবন্দকতা  ছিন্নিত করে তা সমাধানের  লক্ষ্যে স্পেন বাংলা  ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে  গত ২৬শে জুন  মাদ্রিদের কাসিনো দে রেইনা আয়োন্দামিয়েন্ত অফিসে এ সভা অনুষ্টিত হয় । 

বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় এবং বাংলদেশী পন্যের আমদানি সংক্রান্ত এ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দুতাবাসের কমার্স মিনিষ্টার নাবিদ সাফি উল্লাহ,ব্যবসায়ী সমিতির সাধারন সম্পাদক আবুল হুসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর খরখে গারসিয়া কাস্তিয়ানো। আলোচনা রাখেন ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দের মধ্যে বেলাল আজিজ, বোরহান উদ্দিন,রেজাউল করিম মিটু,মনোয়ার হুসেন মনু ,মামুন সরকার ,আবু বকর,সামিমা হুসাইন প্রমুখ।


 এ সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীরা স্পেনে যে রকম সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন সমান ভাবে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সে সকল সুবিধ প্রদানে্র জন্য সংশ্লিষ্ট  কর্তৃপক্ষের  কাছে অনুরুধ করা হয়।  ব্যবসায়ীরা মনে করছেন বাংলাদেশী পোশাক ও অন্যান্য খাতে স্পেনের বাজারে বিরাট চাহিদা রয়েছে তাই পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এ বাজার তারা দখল করে নিবেন। 
ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন : 

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ আন্তর্জাতিক সামাজিক সংগঠন রোটারেক্ট ক্লাব অব বিয়ানীবাজারর ইফতার মাহফিল নাজাত অনুষ্টিত হয়েছে। সোমবার সংগঠনের সভাপতি রো. জোবায়ের আহমদের সভাপতিত্বে পৌরশহরের একটি অভিজাত রেষ্টুরেন্টে এই ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস রোকসানা বেগম লিমা।


আয়োজিত ইফতার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন,রোটারী ক্লাব অব বিয়ানীবাজারের সভাপতি রোটারিয়ান ফখর উদ্দিন, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বাবুল, লায়ন্স ক্লাব অব পঞ্চখন্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন আফছার উদ্দিন,রোটাঃ গৌছ উদ্দিন খোকা, রোটাঃ সালেহ আহমদ, রোটাঃ মিজানুর রহমান, রোটাঃ নজরুল ইসলাম লিটন, রোটাঃ লোকমান হোসেন, রোটাঃ এমরান হোসেন দিপক,রোটাঃ সুজেল আহমদ, রোটাঃ কামাল হোসেনসহ উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।রোটারেক্ট ক্লাব অব বিয়ানীবাজার আয়োজিত এই ইফতার মাহফিলে সিয়ারিক প্রেসিডেন্ট হোসাইন আহমদ শিপন ও ডিআরআর শাহ জুনেদ আলীকে সংবর্ধনা প্রধান করা হয় এবং  ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

অনলাইন ডেস্ক : ‌ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে সদস্যপদ ছেড়েছ। যাওয়ার আগে নিজেদের ভাষাটিকেও সঙ্গে করে নিয়ে যাও।‌ ব্রিটেনের উদ্দেশ্য এমনই উপদেশ ফরাসি রাজনীতিকদের।


ফ্রান্সের বেজিয়ারসের মেয়র রবার্ট মেনার্ড বলেছেন, ইংরেজি ভাষাটির ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ হওয়ার আর কোনো অধিকার নেই।অনেকের মতে, ইউরোপীয় সংসদের তৃতীয় ভাষা হিসেবেও অধিকার হারিয়েছে ইংরেজি। ইউরোপীয় ইউনিয়নে মোট ২৪টি ভাষা রয়েছে। ফ্রান্সে ইংরেজি শিক্ষার অবস্থা খুবই খারাপ। ২০১৪ সালের একটি রিপোর্টেও দেখা গেছে, ফ্রান্সের প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ইংরেজি শিক্ষিতের সংখ্যা সবচেয়ে কম।যদিও ফরাসি প্রশাসন ইংরেজি শিক্ষার বিষয়ে খুব একটা উৎসাহীও নয়। কারণ, ইংরেজি শিক্ষা বিষয়টা জাতির জন্য খুব দরকারি ইস্যু বলেই মনে করে না ফরাসিরা।

ঢাকা: বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়েছেন জোটনেত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বৃহস্পতিবার হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে আয়োজিত ইফতার পার্টিতে প্রধান অতিথি হিসেবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে তিনি যোগ দেন খালেদা জিয়া। এর মধ্যে ইফতারের সময় পার হয়ে যায়।
ইফতার মাহফিলে খালেদা জিয়ার অংশ নিতে বিলম্ব হওয়ায় অনুষ্ঠানস্থলে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। পরে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৃষ্টির কারণে রাস্তায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হওয়ায় প্রধান অতিথি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অনেক আগে রওনা দিয়েও নির্দিষ্ট সময় ইফতার পার্টিতে পৌঁছাতে পারেননি।জামায়াতের ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ২০-দলীয় জোটের নেতারা ইফতার মাহফিলে যোগ দেন।জোট শরিকদের মধ্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ,  ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) শফিউল আলম প্রধান, জাতীয় পার্টির (জাফর) নেতা মোস্তফা জামাল হয়দার, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম বীরপ্রতীক, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ন্যাপ ভাসানীর আযহারুল হক, এনডিপি চেয়ারম্যান খন্দাকার গোলাম মুর্তজা, ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আমম্মেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির নেতাদের মধ্যে ইফতারে যোগ দেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার, নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দাকার মাহবুব হোসেন, ফজলে এলাহী আকবর, ব্যারিস্টার হায়দার আলী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামন রিপন, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ধর্ম-বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আমমেদ তালুকদার, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সানা উল্লাহ মিয়া, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ।
সাংবাদিকদের মধ্যে ইফতার মাহফিলে অংশ নেন- দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদ, কলামিস্ট সাদেক খান, সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, এমএ আজীজ, রুহুল আমিন গাজী, সৈয়দ আবদাল আহমদ, কবি আবদুল হাই শিকদার, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান প্রমুখ।জামায়াত নেতাদের মধ্যে কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা এএসএম আবদুল হালীম, মাওলানা মতিউর রহমান আকন্দ, ডা. রেদোয়ান উল্লাহ সাহেদী, মাওলানা জয়নুল আবেদিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।জামায়াতে সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদের ছেলে আলী আহসান তাহকিক ও আলী আহসান মাবরুর, নায়েবে আমির আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে শামীম বিন সাঈদীসহ জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা ইফতারে অংশ দেন।

এছাড়া কবি আল মাহমুদ, শর্ষিনার ছোট পীর সাহেব আরিফ বিল্লাহ সিদ্দিকী ইফতার মাহফিলে যোগ দেন।ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

'লায়লাতুল কদর' মানে হচ্ছে কদর এর রাত। আর কদর মানে হচ্ছে মাহাত্ম্য ও সম্মান। অর্থাৎ মাহাত্ম্যপূর্ণ রাত ও সম্মানীয় রাত। এ রাতের বিরাট মাহাত্ম্য ও অপরিসীম মর্যাদার কারণে এ রাতকে লায়লাতুল কদর তথা মহিমান্বিত রাত বলা হয়। একইভাবে আরবি লায়লাতুন শব্দের পরিবর্তে ফার্সি শব শব্দটি ব্যবহার করে এটিকে শবে-কদরও বলা হয়, যার অর্থ একই। গবেষক আবু বকর ওররাক (র.) বলেন, এ রাতকে লায়লাতুল কদর বলার কারণ হচ্ছে, এ রাতের পূর্বে আমল না করার কারণে যাদের কোনো সম্মান মর্যাদা, মূল্যায়ন ছিল না তারাও তাওবা-ইস্তেগফার ও ইবাদতের মাধ্যমে এ রাতে সম্মানিত ও মহিমান্বিত হয়ে যান। (তাফসির মারিফুল কোরআন)

আরেক অর্থে কদর মানে তাকদির বা নির্দিষ্ট ও ধার্যকরণ বা আদেশ দানও হয়ে থাকে। এ রাতে পরবর্তী এক বছরের অবধারিত বিধিলিপি ব্যবস্থাপক ও প্রয়োগকারী ফেরেশতাগণের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এতে প্রত্যেক মানুষের বয়স, মৃত্যু, রিজিক, বৃষ্টি ইত্যাদির ফরমান নির্দিষ্ট ফেরেশতাগণকে লিখে দেওয়া হয়। এমনকি এ বছর কে হজ করবে তাও লিখে দেওয়া হয়। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.)-এর বক্তব্য মতে, চার ফেরেশতাকে এসব কাজ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তারা হলেন ইসরাফিল, মিকাইল, আজরাইল ও জিবরাইল (আ.) (কুরতুরি)। এ মহিমান্বিত রাতের গুরুত্ব ও মর্যাদা অপরিসীম। পবিত্র কোরআনও ৩০ পারা একসঙ্গে অবতীর্ণ হয়েছিল এ রাতেই। 
এ রাতের ফজিলত ও মর্যাদার বিষয়ে খোদ মহান আল্লাহ সূরাতুল কদর নামে একটি পূর্ণাঙ্গ সূরাই অবতীর্ণ করে দিয়েছেন। এর চেয়ে বড় মাহাত্ম্য ও মর্যাদা আর কি হতে পারে? মহান আল্লাহ নিজেই এ রাতের মহিমা বর্ণনায় ইরশাদ করেছেন কদরের রাত এক হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ (৯৭:০৩)। অর্থাৎ  কারও একনাগাড়ে এক হাজার মাস বা ৮৩ বছর ৪ মাস পর্যন্ত ইবাদত করার যে ফজিলত বা সওয়াব পাওয়া যায় তা এ এক রাতের ইবাদতের দ্বারাই মহান আল্লাহ প্রদান করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ। সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম শরিফের হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে (ইমানসহ) এবং সওয়াব প্রাপ্তির প্রত্যাশায় এ রাতে জেগে ইবাদত বন্দেগি করবে, তার পূর্ববর্তী জীবনের সব পাপ মোচন করে দেওয়া হবে।
উম্মতে মুহাম্মদী (সা.)-এর ক্ষেত্রে ওই বিশেষ সুযোগদানের কারণ হচ্ছে, এদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ শেষ নবী মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ (সা.)-এর উম্মতও যে সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত তার অন্যতম একটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা। তবে প্রাসঙ্গিকভাবে সূরা কদর-এর অবতীর্ণের পরিপ্রেক্ষিত প্রশ্নে বলা হয়েছে প্রিয়নবী (সা.) একদা বনি ইসরাইলের জনৈক মুজাহিদ সম্পর্কে বললে, সে অবিরাম এক হাজার মাস পর্যন্ত জিহাদে ব্যস্ত থাকে এবং কখনো অস্ত্র হাত থেকে রাখার সুযোগ পায়নি। বর্ণনান্তরে ইবনে জারার (র.)-কে অপর একটি ঘটনার কথা বলেছেন, যে বনি ইসরাইলের জনৈক ইবাদতকারী সব রাত ইবাদতে কাটিয়ে দিত এবং সারা দিন জিহাদে লিপ্ত থাকত। এভাবে সে এক হাজার মাস পর্যন্ত কাটিয়ে দিত।
এসব ওয়াজ-উপদেশ শুনে সাহাবায়ে কিরামের মনে প্রচণ্ড বিস্ময়ের পাশাপাশি দারুণ পরিতাপও হতো যে, আমরা তো এত বছর বাঁচা বা দীর্ঘ হায়াত পাওয়ার সুযোগ দেখছি না। সুতরাং সেই মর্যাদা প্রাপ্তিও তো সুদূরপরাহত। এসব পরিতাপের দাবিতে এবং শ্রেষ্ঠত্বের পূর্ণতাদানের সুযোগ হিসেবে মহান আল্লাহ সূরা ক্বদর নাজিল করে মুসলিম উম্মাহকে তার চেয়েও বড় ও বেশি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের সুযোগ করে দিলেন।

লেখ্ক: মুফতি মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহিল বাকী পেশ ইমাম             

অনলাইন ডেস্ক : ইসলামের প্রাথমিক যুগে ইফতারের পরে ঈশা পর্যন্ত পানাহার ও স্ত্রী সহবাস বৈধ ছিল। যদি কেউ এর পূর্বে শূয়ে পড়তো তবে নিদ্রা আসলে পানাহার ও স্ত্রী সম্ভোগ হারাম হয়ে যেত।

এর ফলে সাহাবাগন কষ্ট অনুভব করছিলেন। অতপর আল্লাহ আয়াত নাজিল করে মাগরিব থেকে সুভহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত পানাহার ও স্ত্রী সম্ভোগের আদেশ দান করেন। রাসূল সা: বলেছেন, ইফতার তাড়াতাড়ি কর আর সেহরি বিলম্ব কর। হযরত আনাস রা: বলেন আমরা সেহরি খাওয়া মাত্রই নামাজে দাঁড়িয়ে যেতাম। এখানে একটা বিষয় জ্গাতব্য যে যেহেতু আল্লাহতায়ালা রোজাদারের জন্য স্ত্রী সহবাস ও পানাহারের সময় সুবেহসাদিক পর্যন্ত নির্ধারন করেছেন কাজেই সকালে যে ব্যাক্তি অপবিত্র অবস্হায় উঠলো সে পবিত্র হয়ে নামাজ আদায় করে রোজা পুরা করে নিল। যদি গোসল করতে গিয়ে পানাহারের সময় শেষ হয়ে যায় তাহলে ওজু করে সেহরি পুরা করে গোসল করে নামাজ আদায় করে নিবে। কাজেই আপনারা রাতে সহবাস করতে পারেন তবে মনে রাখবেন ফজরের নামাজের পুর্বে অবশ্যি নিজেকে পবিত্র করে নিতে হবে। 

বকুল খাঁন,মাদ্রিদ : স্পেনের মাদ্রিদে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আল আমিন ও শাহ আলম উদ্যেগে  ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে।

 বাংলাদেশি বায়তুল মোকাররম মসজিদ ও শাহজালাল লতিফিয়া মসজিদ মাদ্রিদে  সকল পর্যায়ের মসুল্লিরা  এই  ইফতার  অংশ নেন বাংলাদেশ মসজিদে  গতকাল ২৬ জুন এক বৃহৎ  ইফতার মাহফিল ও দুয়া আয়োজন করেন।আমাদের মাদ্রিদ প্রতিনিধি  বকুল খান জানান,প্রায় পাঁচ শতাধিক মুসল্লিসহ ঢাকা ফুডের দেড় শতাধিক সদস্য এতে অংশ নেন।

এ সময় উপস্হিত ছিলেন, ঢাকা ফুডের কর্মকর্তা আবু বক্কর,হারুন খলিলুর রহমান,হাবিবুর রহমান, মসজিদ কমিটির সভাপতি খুরশেদ আলম মজুমদার,সম্পাদক আব্দুল খালিক,।কমিউনিটি নেতা ডাক্তার দুলাল,প্রমুখ।মসজিদের খতিব হাফেজ আলী ইফতার পূর্ব দুয়া মাহফিলে,মুসলিম উম্মার শান্তি কামণা করে বিশেষ মোনাজাত  করেন।পরে ঢাকা ফ্রুতাসের এক কর্মী সভায় পরিচালক আল আমিন ও শাহ আলম বলেন,সকলের সহযুগিতায় আজকে ঢাকা ফুড কোম্পানি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনিত হয়েছে।বৃহৎ কোম্পানিকে সততা,নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনে সকলের প্রতি আহবান জানান।এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন,বাংলাদেশ এসোসিয়েশন,সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান সুন্দর ও সাংবাদিক বকুল খান।
ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন :

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget