2016-05-29

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া অত্যন্ত সুষ্টু পরিবেশে ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে বিয়ানীবাজারের ১০টি ইউনিয়নে সম্পন্ন হয়েছে নির্বাচন। নির্বাচনের ফলাফল গণনা ইতোমধ্যে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। গণনায় আওয়ামীলীগের ৪ জন, বিএনপির ২ জন, জামায়াতের ১ জন, আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী ১ জন ও বিএনপি বিদ্রোহী ২ জন এখন পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছেন। রাতে বিয়ানীবাজার উপজেলা রির্টাণিং কর্মকর্তার অফিস বেসরকারীভাবে ফলাফল ঘোষনা করেন। এ সময় প্রার্থীদের প্রতিনিধি ছাড়াও বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিত থেকে নিজ নিজ পক্ষে শ্লোগান দিয়ে উচ্ছাস প্রকাশ করেন।

এদিকে নির্বাচন চলাকালে কোথাও বড় ধরণের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। দুএকটি কেন্দ্রে প্রার্থীরা প্রভাব বিস্তার কিংবা জাল ভোটের চেষ্টা চালালেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শক্ত অবস্থানের ফলে তা সম্ভব হয়নি। নির্বাচন চলাকালে অধিকাংশ প্রার্থীই নির্বাচন সুষ্ট ও শান্তিপূর্ণ হচ্ছে বলে মত প্রকাশ করেছেন। সন্ধ্যায় স্থানীয় ভাবে ফলাফল ঘোষণার পর মুল্লাপুর ইউনিয়নে এক আওয়ামীলীগ প্রার্থী আশরাপুল ইসলামের সমর্থক কর্তৃক অপর প্রার্থীর ময়নুল হক নামের এক সমর্থককে কুপিয়ে জখম করার সংবাদ পাওয়া গেছে। আহত পাতন এলাকার ময়নুলকে (৪০) বিয়ানীবাজার সরকারী হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আওয়ামীলীগেরর বিদ্রোহী এম এ কাদিররের সমর্থক ময়নুলকে স্থানীয় একটি দোকানে চা পানরত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তার উপর হামলা করে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী আশরাফুল ইসলামের পুত্র নাবিল।
এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এলাকায় অবস্থান করছে বলে জানা যায়।

বিয়ানীবাজারের ১০ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করেন ৪৮ জন প্রার্থী। উপজেলা নির্বাচন কন্ট্রোল রুম থেকে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী যে সকল চেয়ারম্যান প্রার্থী বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন, ১নং আলী নগর ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ মামুন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ৬৫০৭ ভোট, তার নিকটতম একমাত্র প্রতিদ্বন্ধি আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম জায়গীরদার পেয়েছেন ৩৩৮৬ ভোট। ২নং চারখাই  ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান মাহমুদ আলী নৌকা প্রতিক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ৬৩২২ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী আমির হোসেন চৌধুরী পেয়েছেন ৩৫৫৭ ভোট। ৩নং দুবাগ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম নৌকা প্রতিক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ৪৮৬৩ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি নাজিম উদ্দিন পেয়েছেন ৩৭৬০ ভোট। ৪নং শেওলা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী জহুর উদ্দিন নৌকা প্রতিক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ৩৩০৫, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আকতার হোসেন খান জাহেদ পেয়েছেন ৩০৭০ ভোট। ৫নং কুড়ার বাজারে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবু তাহের ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ৩২৬৭ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী হাজী মাহমুদ আলী পেয়েছেন ২৫৪৪ ভোট। ৭নং মাথিউরা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী শিহাব উদ্দিন নৌকা প্রতিক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ২৯৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি বিএনপির বিদ্রোহী কছির আলী (আব্দুর রব) পেয়েছেন ২০১৬ ভোট। ৮নং তিলপারা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান চশমা প্রতিক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ২৪০৮, নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ইসলাম উদ্দিন পেয়েছেন ১৭৬৭ ভোট। ৯নং মোল্লাপুর ইউনিয়নে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল মান্নান আনারস প্রতিক নিয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ২৬৩৪, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম পেয়েছেন ১৭৪৮ ভোট। ১০নং মুড়িয়া ইউনিয়নে জামায়াত সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল খয়ের আনারস প্রতিক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ৪২৬৩। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি আওয়ামীলীগ মনোনীত শামছ উদ্দিন মাখন পেয়েছেন ৩৮৩৭ ভোট। ১১নং লাউতা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গৌছ উদ্দিন আনারস প্রতিক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ৪৪৯২, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৩০০৭ ভোট।

রনি মোহাম্মদ,(পোর্তো,পর্তুগাল): পর্তুগাল এবং বাংলাদেশের ৫০০ বছরের সম্পর্কের উন্নায়নের বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে পোর্তো বাংলাদেশ কমিউনিটির সৌজন্যে এক গালা ডিনার পাটি ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

 পোর্তো বাংলাদেশ কমিউনিটির সভাপতি শাহ আলম কাজলের পরিচালনায় ডিনার পাটিতে উপস্তিত ছিলেন পর্তুগালের সাবেক মন্ত্রী বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের পোর্তো ডিবিশন সোস্যালিস্ট পাটির প্রেসিডেন্ট সংসদ সদস্য ড.মানুয়েল পিজারো, সংসদ সদস্য ড.টিয়াগো বারবোসা, পোর্তো সিটি সোস্যালিস্ট পাটির প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার ড. কারলোস, বনফিম এর সেক্রেটারি ড.আন্টনি বম্বা পাইস, বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব মোহাম্মদ খালেদ, দ্বিতীয় সচিব নুর উদ্দিন, পর্তুগালস্ত পোর্তো প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির মামুন হাজারী, মির্জা কামল হারুন, মোঃ জামসেদ, নাজির আহমেদ, তাজুল ইসলম, মোঃ কামাল, মোঃ তৌহিদুল ইসলম, মোঃ রাকীব, মোঃ মোহন।

৫০০ বছরের সম্পর্কের উন্নায়নের বর্ষ পূর্তির ডিনার পাটিতে শাহ আলম কাজল এক শুভেচছা বক্তব্যে পোর্তোয় বাংলাদেশীদের জন্য স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মানপর্তুগালে অবৈধ ভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশীদের বৈধ এবং অভিবাসন প্রক্রিয়া সহজ করন, ঢাকাতে পর্তুগাল দূতবাস খোলা দাবী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ড.আন্টনি কস্তা এবং বর্তমান পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে বাংলাদেশ কমিউনিটির পক্ষ থেকে শুভেচছা সহ পোর্তো বাংলাদেশ কমিউনিটির আয়োজিত বাংলা উৎসবে উপস্তিতর ব্যাপারে নিমন্ত্রণ করা হয়।পরে ড.মানুয়েল পিজারো তার শুভেচছা বক্তব্যে বাংলাদেশ কমিউনিটির দাবী গুলোর ব্যাপারে সংসদে আলোচনা ও চলতি বছরের মধ্যে পর্তুগালের পোর্তোয় দ্বিতীয় স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মানের ব্যাপারে আশা ব্যাক্ত করেন ও প্রধানমন্ত্রী ড.আন্টনি কস্তার সাথে বাংলা উৎসবে উপস্তিতর ব্যাপারে ও অন্যানো দাবী গুলো নিয়ে আলোচনা করবেন। 

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ বিয়ানীবাজার উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে একদিনের জন্য সাংবাদিক সেজেছেন প্রায় শখানিক ভুয়া সাংবাদিক। এদের সাংবাদিকতা বিষয়ে নেই যেমন পরিচিতি তেমনি নেই রিপোর্ট তৈরীর কোন ধারণা। তবে নির্বাচন আসলেই মনে হয় যেন ওরাই বিয়ানীবাজারে সাংবাদিকদের হর্তাকর্তা। অবস্থা দৃষ্টে মনে হয়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার যেন কেউ নেই।

এদিকে ইউনিনয় নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিয়ানীবাজারে আজ চাঁখে পড়বে অসংখ্য ভুয়া সাংবাদিকের আনাগোনা। গলায় সাংবাদিকের কার্ড ঝুলিয়ে দ্বিব্বী ঘুরে বেড়াবে তারা। কতিপয় পত্রিকা ও অনলাইন মাধ্যম এসব ভূয়া সাংবাদিককে পরিচয়পত্র প্রদান করে নির্বাচন কমিশন থেকে পর্যবেক্ষন পাস নিয়ে আসার সংবাদ পাওয়া গেছে। এই তালিকায় আওয়ামীলীগ নেতা থেকে শুরু করে দোকান শ্রমিক, বখাটে সন্ত্রাসী এমনকি দিনমজুরও  রয়েছেন বলে জানা গেছে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, শুধু বিয়ানীবাজারে নির্বাচন পর্যবেক্ষন করার জন্য অর্ধশতাধিক সাংবাদিককে পাশ কার্ড ইস্যু করা হয়েছে। জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনকে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপণ করে এসব পরিচয় পত্র আনা হয়েছে। বিয়ানীবাজারের কয়েকজন সাংবাদিক জানান, স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থে বিয়ানীবাজার থেকে স্থানীয় সাংবাদিকের নামে পাশ এখান থেকে ইস্যুর জন্য বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অনুরোধ করা হয়। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসে কথা বলে ব্যর্থ হন। তাই শুক্রবার বিকেলে সিলেট জেলা নির্বাচন অফিস থেকে সাংবাদিকরা পরিচয়পত্র গ্রহণ করেন। বিয়ানীবাজারে হাতেগুনা কয়েকজন সাংবাদিক কাজ করলেও এতো সাংবাদিক নির্বাচন পর্যবেক্ষন করবেন এমন খবরে সর্বত্র আলোচনা শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, ভূয়া সাংবাদিকরা বিভিন্ন প্রার্থীর এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্যই অবৈধ পন্থা অবলম্বন করেছেন। এসব সাংবাদিকের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকগণ পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকটা সমস্যার সম্মূখীন হওয়ার আশংকা করছেন।এবিষয়ে বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিলাদ মোঃ জয়নুল ইসলাম বলেন, বিয়ানীবাজারে যারা সাংবাদিকতা করেন তারা সবার কাছেই পরিচিত। কিন্তু আমাদের অগোছরে যারা কার্ড নিয়ে এসেছে,তারা মূলত ভুয়া সাংবাদিক। তাদের বিরুদ্ধে মূলত ব্যবস্থা গ্রহন করবে প্রশাসন। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, প্রশাসন যেন তাদের কাছে অসহায়।এ ব্যাপারে জানতে বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিয়ানীবাজারে সাংবাদিকতার সাথে কারা জড়িত তা আমাদের জানা আছে। এরপরও ভুয়া সাংবাদিকদেও কার্ড আনার বিষয়টি আমার কানে ইতোমধ্যে পৌছেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিষয়টি অবহিত করা হবে, যাতে বুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ষষ্ট ধাপে আজ বিয়ানীবাজার উপজেলার ১০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ১০ জন, বিএনপির ৯ জন, জাতীয় পার্টি ২ জন, জামায়াতে ইসলামীর (স্বতন্ত্র) ৫ জন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ২ জন, জাসদের ১জন, আন্জুমানে আল ইসলাহর ১ জনসহ মোট ৪৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।

এদিকে দীর্ঘ পাঁচ বৎসর পর অনুষ্টিত এই নির্বাচনে সব ইউনিয়নের আনন্দ ও উৎসব মূখর পরিবেশের আমেজ সৃষ্টি হলেও কিছু এলাকায় সংঘাতের আশংকা করা হচ্ছে। এরপরও নির্বাচন সফল ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রশাসন। কেন্দ্রগুলোতে প্রিজাইডিং অফিসারগণ শুক্রবার দিনে পৌছে বুথ তৈরীসহ সকল কার্য সম্পন্ন করেছেন। ১০টি ইউনিয়নের ৯৩ টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯শ৮০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। পুলিশের তালিকা অনুযায়ী, এখানে ৯৩ টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৯টি কেন্দ্র ঝুকিপূর্র্ণ। এসব কেন্দ্রগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারীসহ নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরধারী রয়েছে। অপর দিকে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থীরা রয়েছেন কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখী। খুব সহজেই তারা নির্বাচনে পাড় পাচ্ছেন না। যার কারণে অনেক হেভিয়েট প্রার্থীও ধরাশায়ী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এরপরও সরকারের উন্নয়ন কাজকে সামনে এনে বিজয়ের মালা গলায় পরতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। তবে তাদের এই পথ তেমন সুগম হবে না বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

প্রাপ্ত তথ্য মতে, উপজেলার ১ নং আলীনগর ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মামুন ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলামের মধ্যে ভোট যুদ্ধ হলেও এই যুদ্ধে এগিয়ে রয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান মামুন। ২ নং চারখাই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান মাহমদ আলী, জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মাও. আমির হোসেন চৌধুরী ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হোসেন মুরাদ চৌধুরী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের এই ত্রিমূখী লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছেন মাওঃ আমির হোসেন। ৩ নং দুবাগ ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪জন। আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী (সাবেক চেয়ারম্যান) নাজিম উদ্দিন, বিএনপি মনোনীত নুরুল কিবরীয়া, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম মনোনীত মাও নুরুল ইসলাম। এই ৪ প্রার্থীর মধ্যে মূল লড়াই হবে আব্দুস সালাম ও নাজিম উদ্দিনের মধ্যে। তাদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আবাস পাওয়া গেছে। একই দলীয় এই দুই প্রার্থীর লড়াইয়ের মধ্যে বিএনপি’র নুরুল কিবরিয়া হঠাৎ চমক দেখাতে পারেন বলে মনে করছেন অনেকে। ৪ নং শেওলা ইউনিয়নের বিএনপি মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান আখতার হোসেন খান জাহেদ, আওয়ামী লীগ মনোনীত জহুর উদ্দিন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম মনোনীত মাও. আব্দুল হামিদ খান, জাসদ মনোনীত ইব্রাহীম আলী ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাকিল হোসেন রাজন। এ ইউনিয়নের ৫ প্রার্থীর মধ্যে মূল লড়াই হবে আকতার খাঁন জাহেদ, জহুর উদ্দিন ও মাওঃ আব্দুল হামিদের মধ্যে। ৫ নং কুড়ারবাজার ইউনিয়নে জাতীয় পার্টি মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান আলকাছ আলী, আওয়ামী লীগ মনোনীত হাজী মাহমদ আলী, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী তুতিউর রহমান তোতা, বিএনপি মনোনীত আবু তাহের, জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মাও. আজিুজুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আসলমি আহমদ ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে মূল লড়াই হবে বিএনপি’র আবু তাহের ও  আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী  মাহমদ আলীর মধ্যে। ৭ নং মাথিউরা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ সিহাব উদ্দিন, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি কছির আলী (আব্দুর রব), বিএনপি মনোনীত জাকির হোসেন সুমন, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল ফাত্তাহ বকশী ও আমিনুল ইসলাম শাহেদ। এদের মধ্যে মূল লড়াই হবে কছির আলী আব্দুর রব ও বর্তমান চেয়ারম্যান সিহাব উদ্দিনের মধ্যে। তবে এইউনিয়নে কছির আলী আব্দুর রব নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। ৮ নং তিলপাড়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, আওয়ামী লীগ মনোনীত সাবেক চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইসলাম উদ্দিন ও আব্দুল্লাহ সুফিয়ান (তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়েছেন), বিএনপি মনোনীত হাজী মো. আব্দুছ সাত্তার, আন্জুমানে আল ইসলাহ মনোনীত হাফেজ আব্দুল বাছিত জবলু, জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এড.আজিম উদ্দিন । এদের মধ্যে মুল লড়াই হবে বর্তমান চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান,বিএনপি সমর্থিত আব্দুস সাত্তার ও আনজুমানে আল ইসলাহ’র হাফেজ আব্দুল বাছিত জবলু’র মধ্যে। ৯ নং মোল্লাপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা আওয়ামী লীগ ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কাদির ও জাকারিয়া হোসেন জাকার, বিএনপি মনোনীত সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মতলিব, বিএনপি’র বিদ্রোহী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল মান্নান, জাতীয় পার্টি মনোনীত গিয়াস উদ্দিন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। এখানে বিএনপি মনোনীত আব্দুল মতলিব, বিদ্রোহী আব্দুল মান্নান ও আওয়ামীলীগ মনোনীত আশরাফুল ইসলামের মধ্যে ত্রিমূখী লড়াই হলেও বিভিন্ন জরিপে এগিয়ে রয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মতলিব। তবে তাকে টপকিয়ে চমক দেখাতে পারেন আব্দুল মান্নানও ।  ১০ নং মুড়িয়া ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী । জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল খায়ের, আওয়ামী লীগ মনোনীত সামছুদ্দিন মাখন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অহিদুর রেজা মাছুম, বিএনপি মনোনীত ছাদ উদ্দিন সোনা, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল হাসিব। তবে এই ইউনিয়নে মূল লড়াই হবে আওয়ামীলীগ সমর্থিত শামসুদ্দিন মাখন ও জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল খায়েরের মধ্যে। তাদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। ১১ নং লাউতা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান এম এ জলিল, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী যুবলীগ নেতা গৌছ উদ্দিন, জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন, জাতীয় পার্টি মনোনীত উপজেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলাম লুকু ও বিএনপি মনোনীত ছাত্রদল নেতা আব্দুল হক আখতার । এই ৫ প্রার্থীর মধ্যে মূল লড়াই হবে আওয়ামীলীগ বনাম আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীর মধ্যে। তবে আওয়ামীলীগ বনাম আওয়ামীলীগ প্রার্থীদের মধ্যকার এই লড়াইয়ে চমক দেখিয়ে বিজয়ের মালা গলায় পরতে পারেন জামায়াত সমর্থিত দেলোয়ার হোসেন। এদিকে নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ৬ স্থরের পুলিশি নিরাপত্তার পাশাপাশি আরো কয়েক স্থরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গত রাত থেকে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ শুরু করেছেন। ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর দিকে প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা কড়া নজরাধারী শুরু করেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহ.আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, যে কোন ধরণের  পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য প্রস্তুুত রয়েছে প্রশাসন। আমরা আশা করি, কোন ধরণের সংঘাত ছাড়াই উৎসব মুখর পরিবেশে বিয়ানীবাজারের ১০টি ইউনিয়নের নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

ঢাকা : ১০ম সংসদের একাদশ অধিবেশনে বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। স্পিকার শিরীন শারমিনের সভাপতিত্বে অধিবেশনের শুরু থেকেই উপস্থিত আছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

বিকেল ৫টার দিকে মাগরিবের নামাজের জন্য অধিবেশন ২৫ মিনিট বিরতি ঘোষণা করেন স্পিকার। সাংসদদের অনেকেই নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এমন সময় প্রধানমন্ত্রী নিজ আসন থেকে উঠে দাঁড়াতেই তার পাশে এসে দাঁড়ালেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন। তাদের মধ্যে কিছু কথাবার্তা হচ্ছিল। খানিক পর আরেক সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দিন খান আলমগীর এসে যোগ দেন।
কথা বলতে বলতে প্রধানমন্ত্রী দু-এক কদম করে সামনের দিকে এগোচ্ছিলেন। আর তখনই হঠাৎ করে কোথা থেকে দুই সাংসদ এসে প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে সালাম করেন এবং প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে অল্পবিস্তর কথা বলেন। এরপর তাদের সঙ্গে কথা বলতে বলতেই প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ এসে সেখানে হাজির হন। 
কিন্তু কেন হঠাৎ দুই সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে সালাম করলেন, তার পেছনে বিশেষ কোনো কারণ আছে কি না কিংবা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওই দুই সাংসদের কী কথা হয়েছে- এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কিছু জানা যায়নি। ওই দুই সাংসদের পরিচয়ও জানা যায়নি।
এরপর শুরু হয় কথাবার্তা, কুশল বিনিময়। প্রধানমন্ত্রী বেশ হাসিখুশিভাবেই সবার সঙ্গে কথা বলছিলেন। একপর্যায়ে তিনি নামাজের উদ্দেশ্যে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। তারপরও সদস্যদের উচ্ছ্বাস কমছিল না। চলছিল হাসাহাসি, নানা কথাবার্তা।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (০২ জুন) সংসদে বাজেট অধিবেশন চলাকালে এমন দৃশ্যের অবতারণা হয়। বিকেল সাড়ে ৩টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে দীর্ঘ বাজেট বক্তৃতা শুরু করেন। 

রুদ্র মিজান: রাজধানীর দক্ষিণ বাড্ডার প-১৩ নম্বর বাড়ি। পাঁচ তলা বাড়ির তৃতীয় তলার উত্তরের ফ্ল্যাট। সেখানে কথা হয় গৃহকত্রী শিউলি আক্তারের সঙ্গে। তিনি বললেন পশ্চিমের রুমে থাকতেন শাওন ও নায়িকা মাহী। স্বামী-স্ত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন এখানে সংসার করেছেন তারা। শিউলি আক্তার শাওনের মা। এই পরিবারের সদস্য, স্বজন থেকে শুরু করে আশ-পাশের সবাই জানান এরকম নানা তথ্য। নায়িকা মাহিয়া মাহী। এখন দেশের আলোচিত একটি নাম। নায়িকাদের বিয়ে হয়, বিরহ আসে, ভাঙ্গনের শব্দ হয়। সবই জানেন দর্শকরা। তাই নায়িকার একাধিক বিয়ে নিয়ে আলোচনা হওয়ার কিছু আছে বলে মনে করি না। তবু কেন আলোচনা!
হঠাৎ করেই মাহীর বিয়ে। বর সিলেটের এক বিত্তশালীর পুত্র। ভালো খবর। কিন্তু খবরের আড়ালে যখন অন্য খবর প্রকাশ পায় তখই শুরু হয় কৌতূহল।  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়- তার আগেও বিয়ে হয়েছিলো মাহীর। ওই বিয়ের ও ঘনিষ্ট মুর্হূতের আলোকচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শাহরিয়ার ইসলাম শাওন। যিনি নিজেকে মাহীর স্বামী দাবি করে বিয়ের কাবিননামা দাখিল করেছেন আদালতে।
পেশাগত কারণেই যেতে হলো আরও গভীরে। ১লা জুন দুপুরে। উপস্থিত হই দক্ষিণ বাড্ডার প-১৩ নম্বর বাড়িতে। নায়িকা মাহীর শ্বশুরবাড়ি হিসেবেই পরিচিত বাড়িটি। এটি শাওনদের বাড়ি। বাড়ির আশপাশের লোকজন জানেন মাহী ওই এলাকার পুত্রবধূ। ওই বাড়িতে শাওন-মাহীকে একসঙ্গে আসা-যাওয়া করতে দেখেছেন আশপাশের লোকজন। বিয়ের ছবি দেখিয়ে শাওনের স্বজনরা জানিয়েছেন শাওন-মাহীর বন্ধুতা থেকে বিয়ে পর্যন্ত নানা ঘটনা। হঠাৎ করেই শাওনকে রেখে দ্বিতীয় বিয়ে করায় অবাক হয়েছেন তারা। অন্যদিকে এ ঘটনায় বিব্রত মাহীর বর্তমান স্বামীর পরিবার।
দক্ষিণ বাড্ডার ওই বাড়িতে গেলে কথা হয় শাওনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। শাওনের মা শিউলি আক্তার জানান, উত্তরা হাইস্কুল থেকে উত্তরা মডেল কলেজে একসঙ্গে লেখাপড়া করতে গিয়েই শাওন-মাহীর মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিয়ের আগেও শাওনদের বাসায় আসা-যাওযা করতো মাহী। গত বছরের শুরুর দিকে ঢাকা পদাদিকের একটি নাটক দেখতে গিয়েছিলো মাহী ও শাওন। ফিরে এসে শাওনের মাকে মাহী জানিয়েছিলেন, শাওনকে তিনি ভালোবাসেন। তাকে বিয়ে করতে চান। বিষয়টি মজা হিসেবেমেই মনে করেছিলেন শাওনের মা শিউলি আক্তার। পরবর্তীতে একইভাবে মাহীকে বিয়ে করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন শাওন। কিন্তু বয়স কম হওয়ার কারণে বিষয়টি এড়িয়ে যান তার মা।
পরে ৩রা মার্চ ফোনে উত্তরার বাসায় দাওয়াত দেন মাহীর মা-বাবা। পরদিন সপরিবারে ওই বাসায় গেলে সেখানেই শাওনের মা-বাবাকে মাহী-শাওনের বিয়ের প্রস্তাব দেন মাহীর বাবা আবু বকর সিদ্দিকী খোকন। তবে নায়িকার ক্যারিয়ারের বিষয় মাথায় রেখে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা করতে বারণ করেন মাহীর মা-বাবা। শাওনদের বাড়িতেই বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু ৩রা মে শাওনের চাচা মোফাজ্জল হোসেন রহিম মারা যাওয়ায় বিয়ে অনুষ্ঠিত হয় মধ্য বাড্ডায় শাওনদের আত্মীয় সোলেমান রহমানের বাসায়। ওই বিয়ের একটি ছবি দেখিয়ে শিউলি আক্তার জানান, বিয়ের সাজে মাহী। মাহীর পেছনে তার বাবা, এক পাশে ফুফু, কালো ব্লেজার ও প্যান্ট পড়নে শাওন ও পাশে তার মা শিউলি আক্তার। এতে শাওনের এক চাচীও রয়েছেন।
এরকম অনেক ছবি ও একটি ভিডিও ফুটেজ ছিলো শাওনের কম্পিউটারে। তাকে গ্রেপ্তারের পর ওই কম্পিউটার, মোবাইলফোন ও ক্যামেরা নিয়ে গেছে ডিবি। বিয়ের দুই পক্ষের ঘনিষ্ট আত্মীয় ও বর-কনের ঘনিষ্ট বন্ধুরা ছিল। তার মধ্যে বিয়ের একটি ছবিতে মাহীর বান্ধবী প্রভা রয়েছেন। মাহীর বিয়ের স্বাক্ষী ছিলেন হারুন অর রশীদ। একটি ছবি দেখিয়ে তিনি জানান, বিয়ের পর তার মেরুল বাড্ডার বাসায় গিয়েছিলেন শাওন-মাহী। ওই সময়ে তার ছেলে-মেয়ে ও বোন ফাতেমার সঙ্গে একটি ছবি তোলেন। বিয়ের সম্পর্কে তিনি জানান, চার লাখ টাকা দেনমোহরে ওই বিয়ে হয়। বিয়ের বিষয়টি বাইরে প্রচার করতে আপত্তি ছিল মাহীর পরিবারের। এতে তার ক্যারিয়ারের ক্ষতি হবে বলে তারা জানিয়েছিলেন।
শাওন-মাহীর কক্ষ দেখিয়ে তার মা শিউলি জানান, ফ্ল্যাটের পশ্চিমের কক্ষেই থাকতেন শাওন-মাহী। সেখানে এখনও মাহীর কয়েকটি জামা-কাপড় রয়েছে। বিয়ের কয়েক কাপড়রও রয়েছে। বিয়ের পর শাওনের খালার বাড়িতে ডেমরার চঞ্চলপাড়ায় গিয়েছিলেন মাহীসহ পরিবারের সদস্যরা। মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-২০১৪ গ্রহণের অনুষ্ঠানেও শাওনের মাকে নিয়ে যান মাহী। এ বিষয়ে শাওনের মা শিউলি বলেন, বিয়ের আগে অনেক অনুরোধ করে মাহী ওই অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সঙ্গে মাহীর মা দিলারা ইয়াসমিনও ছিলেন। লালগালিচা দিয়ে তাকে নিয়ে যান মাহী।
শাওনের বোন অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী নাফিসা জানান, ভারতে ফিল্ম করবে বলে ভাবী জানিয়েছিলো- বিয়ের বিষয়টি বাইরে প্রচার করা যাবে না। তবে বিয়ের আগে অগ্নি-২ স্যুটিং শেষ হয়েছিলো মাহীর। বিয়ের পর ফিল্মের কাজে বাইরে গেলেও তাদের বাসাতেই থাকতো মাহী। শাওনদের বাড়ির পঞ্চম তলার বাসিন্দা রোকসানা পারভিন জানান, বিয়ের পর  তারা সবাই শাওনদের বাসায় আসেন। মাহী সেদিন তাদের শরবত তৈরি করে খাওয়ান। একইভাবে দক্ষিণ বাড্ডার প-১৩ নম্বর বাড়ির গলির সততা লন্ড্রির আব্দুস সাত্তার বলেন, সবাই জানে মাহী ওই বাড়ির পুত্রবধূ। শাওন-মাহী প্রায়ই ওই বাসা থেকে একসঙ্গে আসা-যাওয়া করতেন।
শাওনের মা শিউলি বলেন, কথা ছিলো পরে আনুষ্ঠানিকতা হবে। এরমধ্যেই গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে মাহী এই বাসায় আসা-যাওয়া বন্ধ করে দেয়। ফোন দিলে বলে স্যুটিংয়ে, মিটিংয়ে আছি। আস্তে আস্তে এভাবেই দূরত্ব র্সষ্টি হয়। কিন্তু দূরত্ব কেন সৃষ্টি হয় এ সম্পর্কে শাওনও কিছু বলেননি তাদের। শাওনের বাবা নজরুল ইসলাম বলেন, সিলেটের বিত্তশালী বর পেয়ে বিয়ে গোপন করে আবার বিয়ে করেছে মাহী। এটিইতো অনেক বড় অপরাধ। বিয়ের সকল প্রমাণ. শত শত স্বাক্ষী রয়েছে। আদলতে তা জানিয়েছি। স্বামী-স্ত্রীর ছবি তার বন্ধুরা আপরোড করেছে। এতে আমার ছেলের কি অপরাধ আমি বুঝতে পারছি না। এ বিষয়ে মাহীর বক্তব্য জানতে বারবার তার ফোনে যোগাযোগ করে তা বন্ধ পাওয়া যায়। মাহীর বর্তমান শ্বশুড় সিলেটের দক্ষিণ সুরমার ব্যবসায়ী আবদুল মান্নান জানান, তার ছেলে অপু ও মাহী দেশের বাইরে রয়েছে। মাহীর প্রথম বিয়ে সম্পর্কে তিনি বলেন, এসব বিষয়ে আমরা খুব বিব্রত। আগে জানলে এ বিয়ে হতো না।
সবকিছু মিলিয়ে অজানা আতঙ্কে আছেন শাওনের পরিবার। নায়িকা বলে কথা। প্রভাবশালী সকল শ্রেণীর সঙ্গেই সাধারণত ঘনিষ্টতা থাকে তাদের। এ কারণেই হয়তো তথ্য-প্রযুক্তি আইনি দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করছিলেন ডিবির চৌকস কর্মকর্তারা! যাই হোক, বিয়ে ভাঙতেই পারে। নতুন করে বিয়ে হতেই পারে। কিন্তু একটা বিয়ে না ভেঙ্গে আরেকটা হতে পারে না। আইনে তা ফৌজদারি অপরাধ। একইভাবে অনুমতি ছাড়া কারও মানহানি হয় এরকম ছবি প্রচার-প্রকাশ কারও অপরাধ। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। সমাধান হয়তো সেখানেই হবে। তবে এরকম ঘটনা কাঙ্খিত না কখনও।

[লেখক: সাংবাদিক, দৈনিক মানবজমিন।]

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ ফ্রান্সের প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক,চ্যানেল আই ইউরোপ এর ফ্রান্স প্রতিনিধি খ্যাতিমান সাংবাদিক এনায়েত হোসেন সোহেল ও বিয়ানীবাজার পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কবির আহমদ এর পিতা পৌরশহরের কসবা শেরাইগুষ্টির বাসিন্দা প্রবীণ মুরুব্বী মনির উদ্দিন (ময়না মিয়া) ইন্তেকাল হইয়াছেন। বৃহস্পতিবার ভোর রাত সাড়ে ৪ঘটিকার সময় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে প্রবীণ এই মুরুব্বীর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ঃ৪৫ মিনিটের সময় কসবা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। মরহুম মনির উদ্দিন মৃত্যুকালে স্ত্রী, পুত্র-কন্যা,নাতি নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন।

এদিকে সাংবাদিক এনায়েত হোসেন সোহেলর পিতা মনির উদ্দিন ময়না মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ,উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খাঁন, পৌরপ্রশাসক তফজ্জুল হোসেন,ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা শিব্বির আহমদ,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকসানা বেগম লিমা, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুল হাছিব মনিয়া, সাবেক সহ সভাপতি আলহাজ্ব নাজিম উদ্দিন চেয়ারম্যান,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন মাখন,সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন ও আহমদ হোসেন বাবুল,প্রচার সম্পাদক হারুনুর রশিদ দিপু, শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল,উপজেলা বিএনপি সভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল,সিনিয়র সহ সভাপতি নজরুল হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিক আহমদ,পৌর বিএনপির সভাপতি আবু নাসের পিন্টু, গোলাবশাহ  সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি রফিক উদ্দিন তোতা, সাবেক চেয়ারম্যান মাসুক আহমদ, আলীনগর ইউপি চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মামুন, চেয়ারম্যান আখতার  হোসেন খাঁন জাহেদ, বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাব সভাপতি আতাউর রহমান,কসবা-খাসা ওয়েল ফেয়ার ট্রাষ্টর  সভাপতি হাফিজ নাজিম উদ্দিন,সাধারণ সম্পাদক আলী আহমেদ বেবুল, নবদ্বীপ পত্রিকার সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি এম মাসুদ আহমদ,ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আব্দুল বাছিত টিপু, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মিলাদ মোঃ জয়নুল ইসলাম,সাংবাদিক আব্দুল ওয়াদুদ, এম.হাসানুল ইক উজ্জল, হাসান শাহরিয়ার, শাহিন আলম হৃদয়,আহমেদ ফয়সাল,শাবুল আহমেদ,এম সিন উদ্দিন, সাদেক আহমদ আজাদ,সুফিয়ান আহমদ,মোহাম্মদ জসিম, এটিএম তুরাব,আহমেদ শামীম, শিপার আহমেদসহ বিভিন্ন সামাজিক,রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, সাংবাদিক এনায়েত হোসেন সোহেলর পিতা মনির উদ্দিন গত বৃহস্পতিবার গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।

রনি মোহাম্মদ,(পোর্তো,পর্তুগাল): ৩০শে মে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বেদনাদায়ক কালো দিন। শুধু বাংলাদেশ নয়, তৃতীয় বিশ্ব এবং একই সাথে বিশ্ব ইতিহাসেও এই দিনটি কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। 

আজ থেকে ৩৫ বছর আগে এ জাতি হারিয়েছিল বাংলার আকাশের এক ধ্রুবতারা ও বাংলার গর্ব জিয়াউর রহমানকে। জিয়া হত্যার পরে কেউ কেউ বলেছিল কিছু দিনের মধ্যেই জিয়া ও বিএনপির নাম মুছে যাবে বাংলাদেশ থেকে। ৩৫ বছর হয়ে গেছে বাংলাদেশিরা আজও জিয়াকে ভোলেনি। আজ তারই প্রমাণ পর্তুগালের পোর্তো শহরের প্রবাসীদের শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী স্মরণে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় আংশ গ্রহন_পর্তুগাল বিএনপির সহ সভাপতি মামুন হাজারী।

পোর্তোর রয়েল বাংলা রেষ্টুরেন্টে ৩১শে মে রোজ মঙ্গল বার রাত ৮.০০ ঘটিকায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী স্মরণে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় পর্তুগালের পোর্তো বিএনপি সভাপতি মির্জা কামাল হারুনের সভাপতিত্বে ও পোর্তো বিএনপি নেতা নাজির আহমেদের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন পর্তুগাল বিএনপির সহ সভাপতি মামুন হাজারী, উপস্তিত ছিলেন পোর্তো বিএনপির নেতা তাজুল ইসলাম, মোয়াজ্জম হোসেন, মহিন উদ্দিন, বাহর উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, কাইয়ুম লিটন, রাহুল নাছির, মোঃ সাহেদ, আরিফ সহ প্রমুখ নেত্রী বৃন্দ। আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, একদলীয় শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তন করে বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলেন জিয়াউর রহমান।

বিএনপি পুরোপুরিভাবে জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দর্শন বিশ্বাস করে। কিন্তু নিন্দুক যারা, যারা বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলে তাদের মুখে এই বক্তব্য যে বিএনপি জিয়াউর রহমানের আদর্শ থেকে দূরে সরে গেছে। 

আজকে দেশের রাজনীতির যে প্রেক্ষাপট, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবার জন্য শুধু দেশে নয় প্রবাস থেকেও এক ও ঐক্যবদ্দ হয়ে সমগ্র জাতিকে শহীদ জিয়াউর রহমানের যে দর্শন ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শপথ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষে জিয়াউর রহমান ও তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয় এবং পোর্তো বিএনপিকে গতিশীল ও আরো শক্তিশালী করার জন্যে সর্ব সন্মতিক্রমে পোর্তো বিএনপির সিনিয়ার নেতা নাজির আহমেদ কে আহবায়ক ও তাজুল ইসলাম,মোয়াজ্জম হোসেন,কাইয়ুম লিটন ও তরুন উদিয়মান নেতা রাহুল নাছির কে যুগ্ন আহবায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট্য একটি নতুন কমিটি ঘোষনাদেন মামুন হাজারী।

এই নবগত আহবায়ক কমিটি আগামী ৯০ দিনের মধ্যে একটি সুন্দর ও গতিশীল আরো শক্তিশালী একটি পূর্নাঙ্গ কমিটি উপহার দিবে বলে সভা সমাপ্তি ও পুরাতন কমিটি বাতিল ঘোষনা করেন।

সেলিম আলম ,মাদ্রিদ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল স্পেন এর আহবায়ক কমিটির উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্টাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহ্মানের ৩৫তম শাহাদ বার্ষিকী পালন হয়েছে। গত ৩০শে মে মাদ্রিদস্থ বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ইন স্পেনের হল রুমে আহবায়ক কমিটির সৈয়দ মাসুদুর রহমান নাসিমের সভাপতিত্বে  যুগ্ম আহবায়ক রিয়াজ উদ্দিন লুতফুরের পরিচালনায় অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন স্পেন বিএনপির সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার,বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন স্পেন বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুল কায়ুম পংকি, মিজানুর রহমান,শরিফ মনির,স্পেন যুবদলের সভাপতি রমিজ উদ্দিন,সোহেল আহমেদ সামসু প্রমুখ

বক্তারা শহীদ জিয়ার কর্মজীবন এবং দেশ পরিচলানায় তার প্রজ্ঞা নিয়ে আলোচনা করে বলেন, তিনি শুধু বাংলাদেশের নেতা ছিলেন না, তিনি মুসলিম বিশ্বের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। তার দুরদর্শী চিন্তাভাবনা এবং বিভিন্ন বাস্তব ধর্মী কার্যক্রম সারা বিশ্বে শান্তির বাতাস প্রবাহিত হচ্ছিল। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দিদারুল আলম,কাজী কাসেম, আবু বক্কর, কাজী কাসেম, ফখ্রুল হাসান, ছানুর মিয়া ছাদ, আবু জাফর রাসেল, সাইদ মিয়া, জকির হুসেন, হুমায়ুন কবির রিগ্যান, শিফার আহমেদ সহ আরো অনেকে।

বক্তারা আরো বলেন গনতন্ত্রের প্রবর্তক,বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি,স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ জনগন পেতেন না। গনতন্ত্র পূনরুদ্বারে জিয়ার সৈনিক দের দেশ বিদেশে এক হয়ে দক্ষতার সাথে কাজ করতে হবে।


পরিশেষে শহীদ জিয়া ও কোকো রুহের মাগফেরাত সহ বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক জিয়া সহ পরিবারের সকলের মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

বাহার উদ্দিন বকুল,জেদ্দা সৌদি আরব: প্রয়াতো রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবনের গৌরবময় উত্থান ও মর্মান্তিক পরিসমাপ্তির নীরব সাক্ষী চট্রগ্রাম।তিনি চট্রগ্রাম থেকে মুক্তিযুদ্ধ  শুরু করেছিলেন এবং চট্রগ্রাম বদ্দারহাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ করেছিলেন,এবং ১৯৮১ সালের ৩০মে চট্রগ্রাম সার্কিট হাউজে নিদ্রামগু অবস্থায় মুষ্টিমের কিছু বিপদগামী সেনা সদস্যের হামলায় রাষ্ট্রপ্রতি জিয়া শাহাদাৎ বরন করেন।

প্রয়াতো রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী  উপলক্ষ্যে গত ৩০মে  সোমবার  রাতে সৌদি আরবের জেদ্দাস্থ লিমার ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে এক আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে  সৌদি আরব পশ্চিমাঞ্চল বিএনপি।

সৌদি আরব পশ্চিমাঞ্চল বিএনপির সভাপতি আহমেদ আলী মুকিবের সভাপতিত্বে ,সদস্য সচিব মীর মনিরুজ্জামান তপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ  জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান ।

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি  ঢাকা বিভাগীয় বিএনপি'র সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন সৌদিআরব পশ্চিমাঞ্চল বিএনপি'র প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব আব্দুর রহমান,নজরুল  ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম,এইচ এন সেলিম রেজা, এম এ আজাদ চয়ন,

ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আমিন,এরশাদ আহমেদ,শাহ আলম,রফিকুল ইসলাম জশিম,বাহার উদ্দিন বাদল, সিরাজুল ইসলাম, সিআইপি খন্দকার হেলাল উদ্দিন,সিআইপি কেপায়েত উল্লাহ্‌ চৌধুরী, মোজাম্মেল হক, সাইদুল ইসলাম সাঈদ,মামুনুর রশিদ, মনির হোসেন,

আবু নাঈম,হানিছ সরকার,আমযাদ হোসেন,আনোয়া জাহিদ,আতিকুর রহমান শীপন,কয়েছ আহমেদ,কাজী টিটু, ওয়েছ আহমেদ, টিপু সুলতান, আলমগীর হোসেন,আবছার চৌধুরী, রঞ্জু আহমেদ, সোহেব আহমেদ, মোস্তাক আহমেদ,গিয়াস উদ্দিন সহ আরও অনেক নেতা কর্মি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন,আমি অত্যন্ত খুশি যে সৌদি আরব পশ্চিমাঞ্চল বিএনপি একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে বিএনপির চেয়ারপার্সন আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে আপনারা যে  উদ্যেগ নিয়েছেন তা সত্যি প্রশংসনীয়।আমি আশা করি আপনাদের এই ঐক্য আরও জোরদার ভুমিকা রাকবে।পরে মুসলিম উম্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। 

মাম হিমু, প্যারিস-ফান্স থেকে : ফ্রান্সে সাবেক রাষ্ট্রপতি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৩৫ তম শাহাদৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

এ লক্ষে বাংলাদেশ কমিউনিটি মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারে এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল ফ্রান্স শাখা । 

মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স বিএনপির সহ সভাপতি মনির খান, মহিলা দলের সভানেত্রী মমতাজ আলো, মহিলা নেত্রী শাম্মী আক্তার লিপি, শফিকুল ইসলাম শওকত ,খোরশেদে আলম, মশিউর রহমান, মেহেদি হাসান শুভ,মো :শামীম,হালিম ,শাহআলম,রিপন,ফাতেমা বেগম সহ আরো অনেকে। দোয়া মাহফিলে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ পরিবারের মৃত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত এবং খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের  দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া করা হয় । দোয়া পরিচালনা করেন বাংলাদেশ কমিউনিটি মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারে ঈমাম আহমাদুল ইসলাম । 

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগ সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেছেন, আওয়ামীলীগ দেশের গণমানুষের দল। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন হয়,দেশ সামনের দিকে অগ্রসর হয়। 

তাই নিজের ইউনিয়ন ও এলাকাকে উন্নত করতে স্বাধীনতার প্রতিক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমান ও জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নৌকা প্রতিকে ভোট দিন,উন্নয়নের সুযোগ নিন। আগামী ৪ জুন অনুষ্টিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার দিনভর আওয়ামীলীগ মনোনীত বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার প্রচারণা ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুস সালাম, শেওলা ইউনিয়নের জহুর উদ্দিন, কুড়ারবাজার ইউনিয়নের মাহমদ আলী ও  মুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী শামস উদ্দিন মাখনের পক্ষে প্রচারণায় বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খাঁন,সিলেট আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খাঁন, শ্রমিক লেিগর জেলা সভাপতি এজাজুল ইসলাম এজাজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের উপজেলা সহ সভাপতি আব্দুল আহাদ কলা মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বাবুল, প্রফেসর আব্দুল খালিক, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শাহরিয়ার কবির সেলিম, শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল কুদ্দুস টিটু, জেলা যুবলীগ নেতা আব্বাস উদ্দিন, জেলা ছাত্রলীগ নেতা এমদাদ রহমানসহ উপজেলা ও স্ব স্ব ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ আগামী ৪ঠা জুন ষষ্ট ধাপে বিয়ানীবাজারের ১০টি ইউনিয়ন পরিষদে অনুষ্টিত হবে নির্বাচন। দলীয় প্রতিকে প্রথম বারের মতো এ নির্বাচনে শুরু থেকেই ছিলো টানটান উত্তেজনা। ছিলো নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হতে নানা দৌড়ঝাঁপ।

এসব দৌড়ে অনেকে দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে পারলেও ছিটকে গিয়ে অনেকেই হয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী। যার কারণে দলও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাদেরকে করেছে বহিষ্কার। তবে বহিষ্কারের এই চিত্র ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগে দেখা গেলেও বিএনপিতে তেমন ছিলো না। এরপরও নির্বাচনকে ঘিরে এবং প্রার্থী নির্বাচনে চমক ছিলো মাথিউরা ইউনিয়নে। এ ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচনে ইউনিয়ন সভাপতি কছির আলী আব্দুর রব তৃণমূলের ভোটে নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাকির হোসেন সুমনকে পরাজিত  করে দলীয় প্রতিক ধানের শীষ পেলেও তাকে চ্যালেঞ্জ করে কেন্দ্র থেকে দলীয় প্রতিক নিয়ে আসেন জাকির হোসেন সুমন। যার কারণে বিএনপির প্রার্থী থেকে বাদ পড়ে যান কছির আলী। এরপর তিনি সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নিজের প্রার্থীতা ঘোষণা করেন এবং আনারস প্রতিক নিয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিদ্বন্ধিতায় নামেন। আর তাকে সমর্থন দিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল তাঁর অনুসারীদের নিয়ে প্রচার প্রচারণায় অংশ নিয়ে তাঁর পক্ষে ভোট চাইতে থাকেন। আর এতে করে স্থানীয় ভোটাররা বিএনপির প্রতিক আনারস এমনটি বলে করছেন রসিকতা।
অপরদিকে বিএনপি দলীয় প্রার্থী জাকির হোসেন সুমনকে নিয়ে প্রচারণায় নামেন উপজেলা বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার হোসেন। তিনি জাকিরকে নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন এবং জাকিরের ধানের শীষে ভোট চাচ্ছেন। তাঁর সাথে প্রায় প্রতিদিন যোগ দিচ্ছেন স্থানীয় বিএনপি,ছাত্রদলসহ উপজেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। যার কারণে বেকায়দায় পড়ে গেছে মাথিউরা ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা বলেন, মাথিউরা বিএনপিতে নির্বাচন আসার পর যে খেলা শুরু হয়েছে,তাতে করে কোন ব্যক্তির নয় দলেরই ক্ষতি হচ্ছে। এর সাথে দল বিরোধীরা এটিকে পুজি করে নানা ভাবে দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে করে বরং দলেরই ক্ষতি হচ্ছে। তারা বলেন, আমরা আশা করি সকল মতাবিরোধের উর্দ্ধে উঠে আমাদের উপজেলা সভাপতিসহ শীর্ষ নেতারা দলের পক্ষেই কাজ করবেন।
এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল বলেন, মাথিউরায় তৃণমুলের ভোটে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচিত হন ইউনিয়ন সভাপতি কছির আলী আব্দুর রব। আর তাকে চ্যালেঞ্জ করে এবং তৃণমূল বিএনপি নেতাদের বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অসৎ উপায়ে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে এসে যদি আর কেউ চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ইউনিয়নে প্রচার প্রচারণা চালান,তাহলে আমরা তো তার পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারি না। তাই তৃণমূলকে সমর্থন করে তৃণমূলের প্রার্থীর পক্ষে আমি কাজ করছি। দলের  বিরুদ্ধে নয়।

এবিষয়ে বিএনপি প্রার্থী জাকির হোসেন সুমন বলেন, আমাকে অত্যন্ত কম সময় দিয়ে উপজেলা বিএনপি সভাপতিসহ নীতি নির্ধারকরা তৃণমূলে ভোটের ব্যবস্থা করলেন এবং তাদের মনোনীত প্রার্থীকেই তারা বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করলেন। যা সম্পূর্ণরুপে তাদের পরিকল্পিত। তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। প্রবাসে থেকে দলের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। যা তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে কেন্দ্রীয় নেতারাও অবগত। কেন্দ্রীয় নেত্রীবৃন্দ আমার সম্পর্কে অবগত হয়ে এবং আমার জনপ্রিয়তা দেখে আমাকেই মাথিউরা ইউনিয়ন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতিক দিয়েছেন। আমি আশা করি, সুষ্টু নির্বাচন হলে ধানের শীষ প্রতিকের জয়জয়কার হবে।

মিরন নাজমুল, বার্সেলোনা : গত ২৯ মে রবিবার স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত হলো বাঙালীর প্রাণের উৎসব বৈশাখী মেলা ১৪২৩। দুপুর ২টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠানের মূল আয়োজন। শিশু, কিশোরসহ সবার পরনে লাল-সাদার সাজপোশাক, তুলির আঁচড়ে মুখে আঁকা আলপনা, খোঁপায় সাজানো সাদা ফুলের বাহারে প্রাণবন্ত ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা। 

সবার হাতে ছিল কাগজে তৈরি কলস, ঢোল, একতারার প্রতীক, পেস্টুন, বেরংয়ের মুখোশ এবং নববর্ষের অক্ষরে ও আলপনায় সজ্জিত ঐতিহ্যবাহী কুলা। বাংলার ঐতিহ্য লালন করা এই শোভাযাত্রাটি শহরের রাস্তা প্রদক্ষিণ করে মেলাস্থল প্লাসা মাকবায় এসে জড়ো হয়। মঞ্চস্থলে দেশীয় লোকজ সংগীত ও নাচে উল্লাশে বরণ করে নেয়া হয় মঙ্গল শোভাযাত্রাকে। তারপর স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে শুরু হয় প্রথম পর্বের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গান, কবিতা আবৃত্তি, শিশুদের ফ্যাশন শো, নাচ ইত্যাদি বিনোদনে জমতে শুরু করে মেলা।

মেলার স্টলগুলোতে সাজানো হয় বাংলার ঐতিহ্যময় নানা রকমের পিঠা, পায়েশ, চটপটি, পোলাও, ঝালমুড়িসহ বিভিন্ন খাবারে। বিক্রির জন্য বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঠালও শোভা পাচ্ছিলো স্টলে। সময়ের সাথে আস্তে আস্তে ভিড় বাড়তে থাকে মেলায়। আসোসিয়াসিয়ন  কুলতুরাল  ই উমানিতারিয়া  দে  বাংলাদেশ  এন কাতালোনিয়া'র  তত্ত্বাবধানে এবং বার্সেলোনার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় বিকাল ৫টায়। আসোসিয়াসিয়ন  কুলতুরাল  ই উমানিতারিয়া  দে  বাংলাদেশ  এন কাতালোনিয়া'র  সভাপতি মাহারুল ইসলাম মিন্টুর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর ও হেড অব চ্যান্সারী হারুন আল রশিদ লাল ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বার্সেলোনা পৌরসভার ও কাতালুনিয়ার প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ স্প্যানিশ মানবাধিকার কর্মীরা। মঞ্চে আমন্ত্রিত হন বৈশাখী মেলা উদযাপন পরিষদের সদস্যবৃন্দসহ বার্সেলোনার বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, উপদেষ্টাসহ অন্যন্য নেতৃবৃন্দ।

মেলা আয়োজক  সংগঠনের সভাপতি মেহেরুল ইসলাম মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার   জানান,  প্রবাসে বাঙালী নব প্রজন্ম যাতে আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে, সেজন্যই এ বৈশাখী মেলার আয়োজন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানশেষে শেষ বিকেলে আর তিলঠাঁই ছিল না, কানায় কানায় ভরে ওঠে মেলা প্রাঙ্গন। প্রবাসী বাংলাদেশীদের পদচারণায় প্লাসা মাকবাকে তখন মনে হচ্ছিলো এক টুকরো সোনার বাংলাদেশ।

এরপর বাংলাদেশীদের এই আনন্দমূখর পরিবেশে শুরু হয় মেলার প্রধান আকর্ষণ অতিথি শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মূল পর্বের এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন দুই বাংলার জনপ্রিয় বাউল সম্রাট পবন দাস বাউল। বাউল শিল্পী তোমার দিল কি দয়া হয় না থেকে শুরু করে আরো কিছু লোকায়ত জনপ্রিয় বাউল গানে মাতিয়ে রাখেন দর্শকদের। বাংলাদেশের আধুনিক গানের জনপ্রিয় শিল্পি তপন চৌধুরী দর্শক মাতান তার বিখ্যাত গান আলো ভেবে যারে আমি জীবনে জড়াতে চাই সে তো আলো নয় যেন আলেয়া, রসিক আমার মন বান্ধিয়া পিঞ্জর বানাইছে সহ আরো কিছু জনপ্রিয় গানে। বাংলার পুঁথি শিল্পী কাব্য কামরুল লুঙ্গি গামছা পরে বাবড়ি চুলে স্টেজে আসেন। মাথা দুলিয়ে গেয়ে যান বাংলার ঐতিহ্যময় পুঁথি গান। বার্সেলোনায় বাংলাদেশী প্রবাসীদের উদ্দেশ্য স্বরচিত পুঁথি পরিবেশন করেন দর্শকের জন্য। বাংলাদেশের জনপ্রিয় বাউল শিল্পী ফকির শাহাবুদ্দিন আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম, বন্ধে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে...সহ চিরায়ত বাংলার জনপ্রিয় ফোকগানের মূর্ছনায় মাতিয়ে রাখেন দর্শকদের।

 এ সময় মঞ্চে ফকির সাহাবুদ্দিনের সাথে পূনরায় যোগ দেন তপন চৌধুরী ও পবন দাস বাউল। গানের আনন্দে সময় গড়াতে থাকে। রাত ১১টায় শেষ হয় গানের আসর। শুরু হয় লটারী পর্ব। দুজন শুভাগ্যবান পান বার্সেলোনা-ঢাকা-বার্সেলোনা এয়ার টিকেট। আর বাকী দশজন পান আকর্ষণীয় পুরষ্কার। লটারীতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণার পর বাংলাদেশী প্রবাসীদের মিলনমেলার সমাপ্তি টানা হয়। আবার আসবে প্রাণের মেলা এই আশায় বুক বেধে সবাই চলে যায় যে যার প্রবাস জীবনের বাস্তবাতার ভিড়ে।


এছাড়া  স্থানীয় শিল্পী ইমরান, বিউটি, জিনাত, তিথী, মঞ্জু, রাজু, সুমি, বিধান, জিনিয়া, দিবা, বাবু মন মাতানো  সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকরা উপভোগ করেন হাজারো  প্রবাসী  বাঙালী।

নাম আবুল আজাদ। বয়স ৩১ বছর। পরিবারের ছয় ভাইবোনের মধ্যে বড় তিনি। বড় হওয়াতে তার উপর সংসারের বাড়তি দায়িত্ব। ছেলে এবং স্ত্রীকে দেখার পাশাপাশি বাড়ির বড় ছেলে হিসেবে মা-বাবকেও দেখতে হয় তার। ঢাকায় তার ছোট একটি খাবারের দোকার ছিল। সেখানে সব খাবার তিনি নিজেই তৈরি করতেন। তবে পরিবারকে একটু স্বচ্ছল জীবন দেয়ার জন্য এবং আরো একটু ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য বিদেশে যাওয়ার মনোভাব তৈরি হয় তার। তার বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন দেখে তার এই ইচ্ছেতে উৎসাহ দিতো তারই পরিচিত একজন বড় ভাই আরেফিন(৪১)। এই দেশে একজন শেফের যতটা মূল্য বাইরের দেশে এই পেশায় রয়েছে দ্বিগুন চাহিদা। বিধায় এই দেশে ব্যর্থ চেষ্টা না করে লন্ডনে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেন তাকে।

ভাই সুলভ আরেফিনের কথায় একটু হলেও ভরসা পায় আজাদ এবং তার স্ত্রী। লন্ডনে যাওয়ার জন্য কেমন কি লাগবে জানার জন্য আরেফিনের বাসায় যান আজাদ ও তার স্ত্রী। আরেফিন তাদের ভরসা যোগায় লন্ডনে যাওয়ার জন্য স্পনসার থেকে শুরু করে সব রকমের সহায়তা দেবেন আরেফিন নিজেই। এরপরও কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারছিলেন না আজাদ। শেষমেষ নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে যেতে রাজি হয়ে যান তিনি। লন্ডনে পারি দেয়ার জন্য পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বউয়ের অলঙ্কার সহ কিছুই বাকি রাখেনি বিক্রি করতে। অনেক প্রতীক্ষার পরে আসলো সেই দিন যে দিন আরেফিন প্রবাসে যাওয়ার জন্য রওয়না হলো। দেশ ছেড়ে প্রবাসে নিজেকে যে জায়গায় আবিস্কার করলেন তিনি তা হলো পশ্চিম স্কটল্যান্ডের পর্বতের উপর একটি হোটেল নাম স্টুয়ার্ট। টানা তিন থেকে চার মাস তাকে এই হোটেলের মেঝে থেকে শুরু করে খাবার পরিবেশন করা, হোটেলের আশেপাশে পরিষ্কার রাখার কাজ করতে হতো। এত কাজ বিনিময়ে মিলতো না পারিশ্রমিক। ভাইসুলভ বন্ধু আরেফিনের দেখা পেত অমবস্যার চাঁদের মতো। বেতন নেয়ার সময় আরেফিনকে হোটেলে আসতে দেখা যেত। প্রবাসে এনে তাকে দিয়ে এমন কাজ করানো কেন হচ্ছে জানতে চাইলে সহসাই রেগে উঠতো আরেফিন। কাজ না করতে চাইলে স্পনসারশিপ বাতিল করে দেশে পাঠিয়ে দেয়ারও হুমকি দেন তিনি। বেতন কবে নাগাদ পাবে জানতে চাইলে বলা হতো যেদিন ভিসার টাকা পুরোপুরি চুকিয়ে যাবে তখনই বেতনের মুখ দেখবে। সবকিছু গুটিয়ে দেশে ফিরে আসার ইচ্ছে প্রায়ই জেগে ওঠে আজাদের মনে। কিন্তু চাইলেই আসতে পারেন না তিনি। দেশে গিয়ে বাবা মাকে কি করে মুখ দেখাবেন তিনি। নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে যার উপর ভরসা করে বাবা মা বসে আছে তাকে সবকিছু হারিয়ে দেশে দেখলে কিভাবে সহ্য করবেন তারা। যে হোটেলে আজাদ কাজ করতো সেখানে নেই কোন ইন্টারনেট ব্যবস্থা, ফোন থাকলে ক্রীতদাসদের সেই ফোন ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল। এমনকি হোটেলে যেসব পর্যটক আসতো তাদের সঙ্গেও কথা বলা ছিল একদম নিষেধ। বিধায় প্রায় কয়েকমাস পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি আজাদ। মনে মনে ভাবতো কিছু একটা গরমিল আছে । আরেফিন তাকে ফাঁদে ফেলেছে। তা না হলে যেখানে তার লন্ডন যাওয়ার কথা সেখানে তিনি স্কটল্যান্ডে কেন। আর কেনই বা টাকা ছাড়া দিন রাত গাধার খাটুনি খাটছেন। দিন যেতে লাগলো সেই হোটেলে আজাদের সঙ্গে দেখা হলো আর একজন বাংলাদেশী নাগরিকের। বাড়ি চট্টগ্রাম। তার কাছ থেকে আরেফিন সম্পর্কে পরিষ্কার হয় আজাদ। এরপর দুজন মিলে পালানোর চেষ্টা করেন এখান থেকে। কিন্তু পালাবে কি করে তাদের পাসপোর্ট ও স্পনসারশিপ সবকিছুইতো আরেফিনের কাছে। একদিন হঠাৎ করে হোটেলে অভিযান চালায় পুলিশ। আটক হয় আরেফিন। সেই সুযোগে আরেফিনের নামে মামলা করে আজাদ। কিন্তু এতে করে সে নিজেও ফেঁসে যায়। কারণ তিনি ছিলেন অবৈধ পথে আসা একজন বাংলাদেশী শ্রমিক। তাকেও আটক করে পুলিশ। তবে আরেফিনের শেষ না দেখে ছাড়বে না এমনটাই ব্রত ছিল তার।এরই মধ্যে আর একটি কেসে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে আনা একজন নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে জেল হয় তার। ওদিকে আজাদকে একজন অসহায় এবং প্রতারণার শিকার স্বাব্যস্ত করে ছেড়ে দেয় দেশটির আদালত। আরেফিনের জেল হওয়ার পর মামলাটির নিষ্পত্তি হয়ে যায়। সেই সঙ্গে আজাদ স্কটল্যান্ডের একটি রেষ্টুরেণ্টে কাজ করার সুযোগ পেয়ে যায়। কিন্তু স্পনসারশিপ বাবদ দশ হাজার ডলার জমা দিতে হবে। কিন্তু তার কাছে কোন টাকা নেই বললেই চলে। পরে তিনি ও তার মতো আরো তিনজন মিলে দেশটির প্রবাসী সাহায্য সংস্থার কাছ থেকে টাকা ঋণ নেয়।
শেষ পর্যন্ত চাকরিটি পেয় যায় আজাদ তবে এখন পর্যন্ত দেখতে পারেনি সুখের মুখ। প্রতিমাসের বেতন থেকে এখনও তাকে একটি অংশ ঋণ পরিশোধের জন্য দিয়ে দিতে হয়। নিজের দেশে বাবা-মায়ের সর্বস্ব হারিয়ে এমন একজন আজাদ নয় আরো হাজারো আজ কঠোর পরিশ্রম করে নানা প্রতিকূলতার সম্মুখিন হয়ে দেশে বাবা মাকে টাকা পাঠায়। তারা সবাই একটু ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য অন্ধ বিশ্বাস করে মানুষকে। একজন আজাদ না হয় এত প্রতিকূলতার পর ঘুরে দাড়িয়েছেন কিন্তু এমন অনেক আজাদ আছে যারা উপায়ন্তর না দেখে বেছে নেয় আত্মহত্যার পথ।

সুত্র: বাংলা মেইল ।

ঢাকা : বলিউড তারকারা অনেক সময়ই তাদের ব্যতিক্রমী জীবনযাপনের জন্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন। নিজের সেলিব্রিটি স্টেটাসের জোরে অনেক সময়ই এমন অনেক কাজ তারা করতে পারেন যা সমাজের চোখে হয়তো নিন্দনীয়। নগ্ন বলিউড অতীতেও ছিল। বেশ কয়েকজন বলিউড তারকা রয়েছেন যারা বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিলেন। তারা সংবাদমাধ্যমে নিজেই সেই তথ্য জানিয়েছিলেন। 

শ্রীদেবী :
বলিউডের একমাত্র নায়িকা শ্রীদেবী, যিনি খোলাখুলি স্বীকার করেন বিয়ের আগেই তিনি গর্ভবতী ছিলেন। ১৯৯৬ সালে বনি কাপুরের সঙ্গে শ্রীদেবীর যখন বিয়ে হয় তখন তিনি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই বড় মেয়ে জাহ্নবীর মা হন শ্রীদেবী।
সারিকা :
অভিনেত্রী সারিকার সঙ্গে কমল হাসানের ভালোবাসার সম্পর্ক যখন শুরু হয় তখনও কমলের সঙ্গে তার প্রথম স্ত্রীর বিবাহবিচ্ছেদ ঘটেনি। এ সময়েই সারিকা কমলের সন্তান গর্ভে ধারণ করেন। আর সেই সন্তানই বর্তমানে নামকরা অভিনেত্রী শ্রুতি হাসান।
অমৃতা অরোরা :
ব্যবসায়ী শাকিল লাদাকের সঙ্গে অমৃতার বিয়ের বন্দোবস্ত হয় অত্যন্ত তাড়াতাড়ি, বিয়েটাও হয়ে যায় বেশ গোপনে। বিয়ের কয়েকমাস পরই সন্তানের জন্ম দেন অমৃতা। স্বভাবতই গুঞ্জন শুরু হয়ে যায় যে, অমৃতা বিয়ের আগে থেকেই অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। 
কঙ্কনা সেন শর্মা :
বেশ কয়েক বছর অভিনেতা রণবীর শোরের সঙ্গে প্রণয়পর্ব চলার পরে ২০১০ সালে দু
জনের বিয়ে হয়। ২০১১ সালের শুরুর দিকেই একটি ছেলের জন্ম দেন কঙ্কনা। এ থেকে বলিউডে আলোচনা শুরু হয়, বিয়ের আগে থেকেই অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন তিনি। তবে এই বিষয়টি কঙ্কনা নিজে কখনও স্বীকার করেননি।
সেলিনা জেটলি :

দুবাইয়ের হোটেল ব্যবসায়ী পিটার হাগের সঙ্গে বেশ কয়েকবছর প্রেম চলার পর সেলিনা তাকে বিয়ে করেন ২০১১ সালের জুলাইয়ে। পরের মার্চেই যমজ সন্তানের মা হন অমৃতা। বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন সেলিনা। 

বীণা মালিক :
নানা কারণে বিভিন্ন সময়ে ইনি বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়েছেন‌। তার সন্তানধারণের বিষয়টি নিয়েও নানা কথা শোনা যায়। সেগুলোর মধ্যে একটি হলো দুবাইয়ের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিয়ে হওয়ার সময়ই অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বীণা। এমনকী লোকে এমন কথাও বলে যে, এই সন্তানের প্রকৃত বাবা নাকি বীণার প্রাক্তন এক প্রেমিক।

মহিমা চৌধুরী :
ববি মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে মহিমার বিয়ে হয় ২০০৬ সালে। তার আগে বেশকিছু পুরুষের সঙ্গে প্রণয়ে জড়িয়েছিলেন মহিমা। তারপর তার বিয়ের খবরটা প্রকাশ পায় আচমকাই। আর বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই এক কন্যা সন্তানের মা হন তিনি। 

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget