2016-05-22

জনপ্রিয় অনলাইন : কোপা আমেরিকার শতবর্ষী টুর্নামেন্ট মাঠে গড়াতে দিন দশেকও বাকি নেই। এমন সময় আর্জেন্টিনার শিরোপা-স্বপ্নে আতঙ্কের স্রোত বইয়ে দিল লিওনেল মেসির ইনজুরি।

পরশু হন্ডুরাসের বিপক্ষে প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে ১-০ গোলের জয় ছাপিয়ে আলোচনায় তাই সেটিই। সেই ১৯৯৩ সালের কোপা আমেরিকার পর বড় কোনো ট্রফি জেতা হয়নি আর্জেন্টিনার। আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় টুর্নামেন্টে তাদের আশা আবর্তিত হচ্ছিল মেসিকে ঘিরে। বার্সেলোনার হয়ে আরেকটি দুর্দান্ত মৌসুম কাটানোর পর সেই মিশনে যোগ দেন অধিনায়ক। পরশু ছিল টুর্নামেন্টের আগে আলবিসেলেস্তেদের একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচ। তাতে গনসালো হিগুয়াইনের ক্রুইফ টার্ন-এ নেওয়া চোখ ধাঁধানো এক গোলে জিতেছেও আর্জেন্টিনা। কিন্তু ওই আনন্দ ফিকে হয়ে গেছে মেসির ইনজুরিতে। ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে প্রতিপক্ষের একজনের সঙ্গে বল দখলের লড়াইয়ে ব্যথা পান তিনি। মাঠে কয়েক মিনিটের চিকিৎসার পর তুলে নিয়ে হয়েছে তাঁকে। ম্যাচ শেষে কোচ জেরার্দো মার্তিনোর কণ্ঠে ছিল তাই দুশ্চিন্তা, পিঠের নিচের অংশে খুব বাজেভাবে ব্যথা পেয়েছে লিও। তবে এই মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি কিছু বলা সম্ভব না। পরে হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয়েছে মেসির। কিন্তু এর ফল জানা যায়নি। আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিতেও নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি। কোপা আমেরিকার আরেক প্রস্তুতি ম্যাচে এদিনসন কাভানির জোড়া গোলে উরুগুয়ে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোকে। তবে হেরে গেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চিলি। জ্যামাইকা তাদের হারিয়েছে ২-১ গোলে। কোপা আমেরিকার এই শতবর্ষী আসর যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হবে ৩ জুন থেকে। আর ১০ জুন থেকে ফ্রান্সে বসবে ইউরোর আসর। সেই টুর্নামেন্টের প্রস্তুতিও চলছে পুরোমাত্রায়। অমনই এক ম্যাচে ইংল্যান্ড ২-১ গোলে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেকে যে ম্যাচের সবটুকু আলো নিজের দিকে টেনে নিয়েছেন মার্কাস রাশফোর্ড। পরশু ম্যাচ শুরুর ১৩৫ সেকেন্ডের মাথায় গোল করেন ১৮ বছর ২০৮ দিনের এই স্ট্রাইকার। ইংল্যান্ডের হয়ে অভিষেকে সবচেয়ে কম বয়সে গোল করায় টনি লটনের রেকর্ডটি নিজের করে নেন রাশফোর্ড। ১৯৩৮ সালে ১৯ বছর ১৬ দিনে গোল করেছিলেন লটন। এ ছাড়া সব মিলিয়ে ওয়েইন রুনি (১৭ বছর ৩১৭ দিন) ও মাইকেল ওয়েনের (১৮ বছর ১৬৪ দিন) পর ইংল্যান্ডের তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা এই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিস্ময়বালক রাশফোর্ড। ইংল্যান্ডের জয়ে পরশু অন্য গোলটি করেছেন রুনি। এএফপি 

অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে বিবিসি বাংলায় প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদ জানাবে আওয়ামী লীগ। তিনি বলেন, ইসরাইলের ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির সদস্য মেন্দি আল সাফাদির সঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বৈঠকের খবর সাজানো নাটক বিষয়ে সংবাদ প্রচারের জন্য বিবিসি বাংলাকে প্রতিবাদ পাঠাবে আওয়ামী লীগ।

হানিফ আজ শনিবার বিকেলে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির নেতারা লন্ডনে বসে সাফাদির সঙ্গে জয়ের বৈঠক হয়েছে এ নাটক সাজাচ্ছে। বিএনপির নেতা আসলাম চৌধুরী আটক হওয়ার পর তারা যে সরকার উৎখাতের গভীর ষড়যন্ত্র করছিল তার বিভিন্ন তথ্য ফাঁস হওয়ার পর জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নিতে নাটক সাজানো হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে বিএনপি ইসরাইয়েলকে নিয়ে গভীর ষযন্ত্র করছে। তিনি বলেন, সাক্ষাতকারটি আমি দেখেছি। এই সাক্ষাতকারটি নিয়েছে বিএনপির লন্ডন প্রবাসী এক নেতা জ্যাকব মিল্টন। সাক্ষাতকারটিতে মিল্টন অনেকটা ইচ্ছা করেই সাফাদিকে প্রশ্ন করেন এর আগে আপনার সঙ্গে বাংলাদেশের কারও সাক্ষাত হয়েছে কি-না? সাফাদি জবাবে বলেছে হয়েছে। তার এ ধরনের প্রশ্নে বোঝা যায় এটি সাজানো। কিছু বিছিন্ন ঘটনা ছাড়া পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনও সুষ্ঠু হয়েছে দাবী করে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, বিএনপি এ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, ক্রীড়া সম্পাদক দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুল, কার্যনির্বাহী সদস্য সুজিত রায় নন্দী ও এসএম কামাল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

অনলাইন ডেস্ক: ১২০৬ সালে মঙ্গোলিয়ার বিভিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠিকে একত্রিত করে শক্তিশালী এক সেনাবাহিনী গঠন করে সারা বিশ্ব দখল করতে তার অভিযান শুরু করেন। এরপর তিনি একের পর এক কোরিয়া, চীন, রাশিয়া, ইউরোপের পূর্বাঞ্চল, ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া জয় করেন। কিন্তু কিভাবে তার পক্ষে সম্ভব হলো এতগুলো বিশাল যুদ্ধ জয় করা? আর ঠিক কী কারণে তিনি সম্পূর্ণ ইউরোপে জয় না করেই এশিয়ায় ফেরত গেলেন? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছেন গবেষকরা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।

চেঙ্গিস খানের বিশ্বজয়ে বাধা হওয়ার পেছনে আবহাওয়ারও একটা বড় প্রভাব ছিল বলে মনে করেন আধুনিক গবেষকরা। সম্প্রতি গবেষকরা জানান, চেঙ্গিস খান যে হারে একের পর এক নগর, বন্দর ও দেশ দখল করছিলেন, তাতে তাকে থামানো একপ্রকার অসম্ভবই ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে কী কারণে তিনি থেমে গেলেন তা বহুদিন স্পষ্ট ছিল না।
সম্প্রতি সায়েন্টিফিক রিপোর্টস জার্নালে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এতে গবেষকরা মধ্য ইউরোপের প্রাচীন গাছের নমুনা পর্যবেক্ষণ করে জানিয়েছেন, চেঙ্গিস খান যে সময় ইউরোপে অভিযান পরিচালনা করেন সে সময় ইউরোপের আবহাওয়া ঠাণ্ডা এবং আর্দ্র হয়ে উঠেছিল। আর এ কারণে তার সেনাবাহিনীর বেশ অসুবিধা হয় এবং ইউরোপে অভিযান চালাতে তারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
এ বিষয়ে গবেষকরা জানিয়েছেন ইউরোপের বাড়তি ঠাণ্ডা ও আর্দ্র আবহাওয়া চেঙ্গিস খান বাহিনীর গতিশীলতা কমিয়ে দেয়। এ ছাড়া এটি তাদের সামারিক ক্ষমতা ও অশ্বারোহী বাহিনীর কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
১২২৭ সালে চেঙ্গিস খান মৃত্যুবরণ করেন। এ সময় তার হাতে ছিল ১১ মিলিয়ন বর্গমাইলের বিশাল সাম্রাজ্য। তার মৃত্যুর পর কিছুদিন রাজ্য বিস্তার করতে পারলেও পরবর্তীতে আর এ বিশাল সাম্রাজ্য ধরে রাখতে সক্ষম হননি তার ছেলে।
কি কারণে ইউরোপ দখল করতে পারেনি মঙ্গোলরা এ প্রসঙ্গে এর আগে বেশ কয়েকটি তত্ত্বের উদ্ভব ঘটেছে। তবে সাম্প্রতিক তত্ত্বটি এ ক্ষেত্রে যথেষ্ট জোরালো। গবেষকরা চেঙ্গিস খানের ইউরোপ আক্রমণের সময়কালের গাছের নমুনা বিশ্লেষণ করে সে সময়ের তাপমাত্রা যে কম ছিল তা প্রমাণ করেছেন। এ ক্ষেত্রে তারা ইউরেশিয়ার পাঁচটি অঞ্চলের গাছের স্যাম্পলও সংগ্রহ করেছেন।

দেখা গেছে, সে সময় হাঙ্গেরি ও এর আশপাশের অঞ্চলে অস্বাভাবিক ঠাণ্ডা ও আর্দ্র ছিল। আর এ কারণে ১২৩৮ থেকে ১২৪১ সাল পর্যন্ত আবহাওয়ার কারণে মঙ্গোলিয়ান বাহিনীর ঘোড়াগুলো কাবু হয়ে পড়েছিল বলে অনুমান গবেষকদের। শুধু তাই নয়, এ সময় ঘোড়াদের খাবারেরও ঘাটতি পড়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব প্রতিকূলতার কারণে মঙ্গোলিয়ানরা ইউরোপের দেশগুলোকে আক্রমণের পরিকল্পনা বদলে এশিয়ার দিকে ফিরে যায়।

অনলাইন ডেস্ক : চিত্রনাযিকা মাহিয়া মাহির বিয়ের ঘটনা এখন সিনেমাপ্রেমিদের মুখে মুখে। রূপালি জগতের কেউ না হয়েও মাহিকে নিজের স্ত্রী হিসেবে পেলেন সিলেটের ব্যাবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপু। সিনেজগতের এই তারকার সঙ্গে তার পরিচয়ের ঘটনা জানা গেল অপুর মুখ থেকেই।
মাহির সাথে তার প্রথম দেখার গল্প শোনাতে গিয়ে একটু লাজুক হেসে অপু বললেন, আমার গ্রামের বাড়িতে একজন বন্ধুর মাধ্যমে মাহির সঙ্গে আমার পরিচয়।
তবে একদিন বন্ধুদের সঙ্গে লং ড্রাইভে গিয়েই মাহির প্রেমে পড়েন তিনি।
বললেন,
সে (মাহি) আমার সাথে ড্রাইভে ছিলো। আমি তখন গাড়ী চালাচ্ছিলাম আর তখন সে পিছনে বসে ছিলো। তখন গাড়ির লুকিং গ্লাসেই তাকে আমি দেখছিলাম... এভাবেই তাকে ভাল লাগতে শুরু হল।
তিন বছর আগের এই ঘটনা থেকেই মাহির ব্যাপারে আগ্রহ বাড়তে থাকে অপুর। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতেই
অগ্নি খ্যাত এই তারকাকে নিজের জীবনসঙ্গী হিসেবে পেলেন তিনি।
মাহির কোন বিষয়টি অপুকে মাহির প্রতি আকর্ষিত করেছিলো?
উত্তরে নিজের নবপরিণীতা স্ত্রীকে তিনি ভাসালেন প্রসংশায়,
মাহির সব কিছুই আমার ভাল লাগে। নায়িকা হয়েও ও খুবই সরল; ক্ষেত্রবিশেষে বোকা টাইপ। আমার কাছে এটাই ভালো লাগে।
সিলেটের ছেলে পারভেজ মাহমুদ অপু পড়াশোনা করেছেন কম্পিউটার প্রকৌশল বিষয়ে। যুক্তরাজ্য থেকে পড়াশোনা শেষ করে এখন সিলেটে নিজেদের পারিবারিক ব্যাবসায় যুক্ত হয়েছেন। মাহির সঙ্গে তিন বছরের জানাশোনা থাকলেও বিয়েটা হযেছে পারিবারিকভাবেই। 

জনপ্রিয় অনলাইন : বিপুল ভোটে জয়লাভের পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ গ্রহণ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। মন্ত্রীসভায় স্থান পেয়েছেন ৪২ জন, এবং এদের মধ্যে আছেন জামাত-ই-উলেমা হিন্দের নেতা সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী।

সিদ্দিকুল্লাহর মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কলকাতার প্রগতিশীল আন্দোলনের কর্মী অরিন্দম মুন্সীর তার অতীত কার্যকলাপের উদাহরণ টেনে তার বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়ে আন্দোলন করার ইতিহাস তুলে ধরেন।কলকাতা শহরকে স্তব্ধ করে দেওয়া সে মিছিল থেকে হাসিনাকে ফাঁসি দাও দাবিও জানানো হয়েছিল বলে লিখেন অরিন্দম।
অরিন্দম মুন্সী ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে বাংলাদেশিদের উদ্দেশে লিখেন-
বাংলাদেশী ভাইলোগ,তোমাদের জন্য সুখবর : জামাতি ই উলেমা হিন্দের সর্বময় কর্তা সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী, যিনি লক্ষাধিক মুমিনের মিছিল থেকে রাজাকারের মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা এবং সাথে শাহবাগী নাস্তিকদের চরম শাস্তির দাবী তুলে কলকাতা শহরকে স্তব্ধ করে দিয়েছিলেন, তিনি আজ পশ্চিমবংগের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তৃণমূল সরকারে। সেই দিনের মিছিল থেকে স্লোগান উঠেছিল " নাস্তিকদের ফাঁসী দাও, হাসিনাকে ফাঁসী দাও। যে মিছিলকারী দের আক্রমণে ১৩ টি পুলিশের গাড়ী আক্রান্ত হয়েছিল।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৭ মে) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ও তাঁর সরকারের ৪২ মন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করানো হয়। এ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়।মমতা সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, এবং শেখ হাসিনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ২০ কেজি ইলিশ পাঠিয়েছেন।

রনি মোহাম্মদ,(লিসবন,পর্তুগাল) : অগ্রসর অর্থনীতির ও ইউরোপের অন্য দেশের তুলনায় ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় ইউরোপে বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠছে পর্তুগাল। ইউরোজোনের এই দেশ মাঝ পথের ঋণ সংকট আর অর্থনীতির মন্দা কাটিয়ে ওঠায় সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও।

যার ফলে একে নতুন সুযোগ হিসেবে দেখছেন শাহ গ্লোবাল ইউকে এলসিসি স্মোল ওয়ার্ল্ড। পর্তুগালে বসবাসরত বাংলাদেশী প্রবাসীদের সাথে শাহ গ্লোবালের আলাপচারিার মাঝে খরচ ও মানের বিবেচনায় পর্তুগাল হতে পারে ইউরোপের নতুন আরেক টি ছোট্ট এক বাংলাদেশ। শাহ গ্লোবালের মাধ্যমে বাংলাদেশের যেকোনো বাংকের একাউন্টে দ্রুত ইনস্ট্যান্ট মানি সার্ভিস ছাড়াও আছে প্রবাস থেকেও যে কোন ব্যাংক একাউন্টে মাত্র ১০ মিনিটে টাকা পাঠানো সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা। এ উপলক্ষে লিসবনের স্থানীয় ''রাধুনী রেষ্টুরেন্টে''শুক্রবার বিকাল ৫ টায় এক প্রেস ব্রিফিং ও মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম এর বিভিন্ন দিক উপস্তিত বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেপালের প্রবাসীদের মধ্যে তুলে ধরা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শাহ গ্লোবাল লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সিইও জনাব সানাম মিয়া, শাহ গ্লোবালের কোম্প্লিয়ানস ম্যানেজার তাসমিয়া আক্তার, শাহ গ্লোবাল পর্তুগালের কান্ট্রি ম্যানেজার আসলাম সরকার, এলসিসি স্মোল ওয়ার্ল্ড ইউকের রাশেদুল ইসলাম, শাহ গ্লোবাল পর্তুগালের রিজোনাল ম্যানেজার রনি মোহাম্মদ, শাহ গ্লোবাল পর্তুগালের কডিনিটোর ম্যানেজার জহুরুল হক।

প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে প্রবাসীদের অতি দ্রুত ,নিরাপদে টাকা পাঠানোর লক্ষ্যে সকলকে একসাথে কাজ করার আহবান জানানো হয়। এছাড়াও উপস্তিত ছিলেন বাংলা টিভির পর্তুগালের সাংবাদিক সেলিম উদ্দিন।

বাহার উদ্দিন বকুল,জেদ্দা,সৌদি আরব: গত ২০মে রাতে সৌদি আরবের জেদ্দায় আল লিমার হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল প্রবাসী আলোকিত নারী-২০১৬ সম্মাননা প্রদান। বেঙ্গল মিডিয়া কর্পোরেশন- আরটিভি কর্তৃক প্রদত্তর এ সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন আরটিভি ফোরম, জেদ্দা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আরটিভি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান। সম্মানিত বিশেষ অতিথির আসন অলঙ্কৃত করেন জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কাউন্সিলর আজিজুর রহমান।

সভাপতিত্ব করেন আরটিভি দর্শক ফোরাম জেদ্দা-র সভাপতি আবদুল মান্নান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন সৌদি নাগরিক মনসুর আল-গামদী, ডা. আবদুল মান্নান, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হামদুর রহমান, আল-হাজ আবদুর রহমান, নূর মোহাম্মদ ভূইয়া, সিআইপি হেলাল, মুক্তিযোদ্ধা মঈনুদ্দিন ভূইয়া, আবুল বশির, আবদুল মজিদ সুজন, এম.ওয়াই আলাউদ্দিন, কেফায়েতল্লা চৌধুরি, হানসি সরকার উজ্জ্বল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইঞ্জি. নূরুল আমিন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (পশ্চিমাঞ্চল) সভাপতি এম.ওয়াই আলাউদ্দিন এবং প্রবাসী সাংবাদিক ফোরাম (রিয়াদ) সভাপতি আবুল বশির।

আরটিভি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান এর বরাবরে সৌদি আরব প্রবাসীদের পক্ষ থেকে খোলা চিঠি উপস্থাপন করেন আরটিভি প্রধান উপদেষ্ঠা আবুল বাশার বুলবুল। উক্ত খোলা চিঠিতে প্রবাসীদের সমস্যা-সম্ভাবনা বিষয়সহ ক) প্রবাসে  নিহতের পরিবার এবং আহতদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে বড় অংকের ক্ষতিপূরণ দেয়া; খ) মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসীদের জন্যে পেনশন স্কীম চালু; গ) রেমিটেন্স ইনভেষ্টমেন্ট কমিশন গঠন করে, দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক উন্নতি/অগ্রগতি আনয়ন; ঘ) বিভাগীয় ও জেলা শহরে পরিকল্পিত প্রবাস-পল্লী তৈরি করে প্রবাসীদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করণ; এবং ঙ) স্বদেশের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে সংগ্রামরত, বৈদেশিক মূদ্রা অর্জনকারী প্রবাসীগণকে অর্থনৈতিক-যোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতিদান উল্লেখযোগ্য।

খোলা চিঠিতে বর্ণিত বিষয় প্রচারমাধ্যমের সৌজন্যে বাংলাদেশ সরকারের নিকট তুলে ধরার বিষয়ে সৈয়দ আশিক রহমানের আন্তরিক সহযোগিতার অনুরোধ জানানো হয়।

প্রবাসী আলোকিত নারী- ২০১৬ সম্মাননা প্রদান করেন প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথিবৃন্দ। সম্মাননা অর্জনকারী আলোকিত নারীগণ হচ্ছেন;
চিকিৎসায়ঃ ডা. তনিমা আফরোজ, ডা. সালমা সুলতানা, ডা. সায়েরা কাউসার এবং ডা. মুনিরা।
শিক্ষকতায়ঃ সেলিনা খাতুন, শারমিন আক্তার মুক্তা, মুমেনা চৌধুরী, সালমা রহমান, পরাগ ইসলাম, ফাতেমা জান্নাত সুক্তি, সুলতানা বেগম, হামিদা আক্তার, আকসানা আক্তার এবং ফাউজিয়া আক্তার।
অন্যান্য সেবায়ঃ শামসুন নেহার, ফাউজিয়া কুলসুম চৌধুরী এবং শারমিন আক্তার মুক্তা।

আরটিভি দর্শক ফোরাম, জেদ্দা-র পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয় আরটিভি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমানকে। আল-আমিন গ্রুপের পক্ষ থেকেও তাঁকে সম্মননা উপহার দেয়া হয়। তাছাড়া সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জেদ্দা কনস্যুলেট জেনারেল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দল ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্পোটিং ক্লাব এবং রানার্স আপ দল নোয়াখালী স্পোর্টিং ক্লাবকে ক্রেস্ট দিয়ে অভিনন্দন জানানো হয়।

আরটিভি সৌদি আরব ব্যুরো চীপ আবুল বশির, আরটিভি মধ্যপ্রাচ্য কো-অর্ডিনেটর আবদুল মজিদ সুজন, জেদ্দা প্রতিনিধি হানিস সরকার উজ্জ্বল, রিয়াদ প্রতিনিধি সুহরাব হোসেন লিটন এবং মদিনা প্রতিনিধি মুসা আবদুল জলিলকে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন সৈয়দ আশিক রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সৈয়দ আশিক রহমান বলেন, নারীরা দেশের ন্যায় প্রবাসেও কাজ করছে সমান তালে। তাঁরা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে উল্লেখ করে তিনি ঘোষণা দেন, আরটিভি প্রবাসী আলোকিত নারী সম্মাননা ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে এবং প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হবে। আরটিভি সৌদি আর প্রতিনিধিগণের নিরলস কাজের প্রশংসা করেন তিনি। এমন সুন্দর একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্যে আরটিভি দর্শক ফোরাম, জেদ্দা-র সকলকে এবং স্পন্সর প্রতিষ্ঠান আল-আমিন গ্রুপকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
প্রবাসী আলোকিত নারী- ২০১৬সম্মাননা অনুষ্ঠানের সার্বিক সহায়তায় ছিলেন আল-আমিন গ্রুপ চেয়ারম্যান আল-হাজ্জ আবদুর রহমান।
অনুষ্ঠানটি যৌথ বাভে পরিচালনা করেন,তাজবিহা হুমায়ুন ও জাহাঙ্গীর আলম পাবেল।            

গাজীপুর: মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর সঙ্গে দেখা করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

শনিবার বেলা সাড়ে ১২টায় কাশিমপুর কারাগারের পার্ট-২ এ অন্তরীণ কাসেম আলীর সঙ্গে দেখা করতে যান পরিবারের ৬ সদস্য। তারা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
কাশিমপুর কারাগার পার্ট-২ এর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বনিক জানান, দুপুরে মীর কাসেম আলীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন তার স্ত্রী আয়েশা খাতুন, ছেলে মীর আহমেদ বিন কাসেম, পুত্রবধূ সায়েদা ফাহমিদা আক্তার, মেয়ে সুমাইয়া রাবেয়া, তাহেরা তাসমিম ও ভাগিনা ইমরান হোসেন। এর আগে তারা কারাফটকে আধাঘণ্টা অবস্থান নেন। মামলাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
প্রসঙ্গত, গত ৮ মার্চ মানবতাবিরোধী অপরাধে মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ ওই রায় ঘোষণা করেন। রায়ের পর থেকে মীর কাসেম আলী কাশিমপুর কারাগার পার্ট-২ এর ৪০ নং কনডেম সেলে বন্দী রয়েছেন।
এর আগে ২০১৪ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মীর কাসেম আলীকে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়। পরে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ উভয়ের বক্তব্য শেষে আদালত আপিল রায় ঘোষণার তারিখ ২ মার্চ নির্ধারণ করেন। পরে তা ৮ মার্চ পুনঃনির্ধারণ করা হয়।

মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে আনা ১৪টি অভিযোগের ১০টি প্রমাণিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিমসহ ছয়জনকে অপহরণের পর নির্যাতন কেন্দ্রে আটকে রেখে হত্যা করে তাদের মৃতদেহ নদীতে ফেলে দেয়ার অভিযোগসহ হত্যার দু'টি অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

বিজ্ঞপ্তি: ফ্রান্সের প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক,চ্যানেল আই ইউরোপ এর ফ্রান্স প্রতিনিধি খ্যাতিমান সাংবাদিক এনায়েত হোসেন সোহেল ও বিয়ানীবাজার পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কবির আহমদ এর পিতা পৌরশহরের কসবা শেরাইগুষ্টির বাসিন্দা প্রবীণ মুরুব্বী মনির উদ্দিন ময়না মিয়া গুরুত্বর অসুস্থ অবস্থায় সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ  শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সাথে সাথে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি মেডিসিন বিভাগের ডাঃ আব্দুস সালামের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অসুস্থ পিতার সুস্থতা কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন সাংবাদিক এনায়েত হোসেন সোহেল। 

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ ইফতেখার চৌধুরী। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে বর্তমান সময়ের খ্যাতিমান এক নির্মাতা। যিনি খুব অল্প সময়েই নিজের মেধা ও দক্ষতা দিয়ে চলচিত্র জগতে নিজের অবস্থান সুস্ংহত করেছেন। পরিচিত লাভ করেছেন সর্বত্র।

দেশের খ্যতিমান এই চলচিত্র নির্মাতা সিলেটের প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে খ্যাত বিয়ানীবাজারের মুল্লাপুর গ্রামের বাসিন্দা। সম্প্রতি তিনি নিজ বাড়িতেই শুরু করেছেন তাঁর নিজের চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় নির্মিত বিজলী ছবির শুটিং। নিজ এলাকায় তাঁর এমন প্রত্যাবর্তনে উচ্ছসিত ও আনন্দিত নিজ গ্রামের জনসাধারণসহ উপজেলারবাসী। জানা যায়,২০১০ সালে খোঁজ-দ্য সার্চ চলচ্চিত্রটির মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র নির্মানের জগতে অভিষেক ঘটে তরুণ নির্মাতা ইফতেখার চৌধুরীর। এরপর থেকেই নিরলসভাবে চলচিত্র নির্মানের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। বিজলী ছবিটিও তাঁরই একটি অংশ। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নিয়ে নির্মিত এই ছবিতে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান সময়ের শীর্ষ নায়িকা ববি। তবে তাঁর বিপরীতে কে অভিনয় করবেন তা জানা না গেলেও ধারণা করা হচ্ছে পার্শ্ববর্তি দেশ ভারতের কলকাতার জনপ্রিয় কোন নায়ক থাকবেন। এছাড়াও  নবনির্মিতব্য এই ছবিতে  কলকাতার এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা শতাব্দী রায়সহ দেশের খ্যতিমান অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা অভিনয় করছেন। নায়িকা ববির প্রযোজনা প্রতিষ্টান বব ষ্টার এর প্রযোজনায় নির্মিত এই ছবিটি গত বুধবার পরিচালক সমিতিতে বিজলী নিবন্ধন করেন ইফতেখার চৌধুরী।

এব্যাপারে ছবির পরিচালক তরুণ নির্মাতা ইফতেখার চৌধুরী জানান, সব সময়েই চেষ্টা করি ভাল কাজ করার জন্যে, দেশের চলচ্চিত্র প্রিয় মানুষকে ভালো চবি উপহার দেয়ার জন্য। তবে বিজলির জন্য বিশেষ কিছু করার চেষ্টা করছি। এটি একটি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি ভিত্তিক চলচ্চিত্র। আমরা হলিউড কিংবা বলিউডে এ ধরনের চলচ্চিত্র দেখি বলতে গেছে বিজলীও এগুলোর আদলেই হবে। আর আমাদেও দেশের জন্য এ ধরনের চলচ্চিত্র এটিই প্রথম। আশা করি, এই ছবিটি তুমুল দর্শক প্রিয় হবে এবং বাংলাদেশের মধ্যে জনপ্রিয় একটি ছবি হিসেবে খ্যতি অর্জন করবে।

নুরুল ওয়াহিদ,বেলজিয়াম : ইউরোপীয় ইউনিয়নে বসবাসরত অবৈধ প্রবাসী বাংলাদেশীদের বৈধকরণ প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসতে ইইউর সাথে বৈঠক করেছে ইউরোপ প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রধান সংগঠন আয়েবা। 

গতকাল বৃহস্পতিবার ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের হেডকোয়ার্টার বেলজিয়ামে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।  সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আহমদ সামাদ চৌধুরী জে পি'র নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সেখানে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ফেরত পাঠানো প্রক্রিয়াধিন প্রবাসী বাংলাদেশীদের কি ভাবে ইউরোপে বৈধতা প্রক্রিয়ার মধ্যে নিয়ে আসা যায় তার বিভিন্ন যুক্তি ও দাবি নিয়ে ইউরোপিয়ান এক্সটারনাল আ্যকশন সার্ভিস বিভাগের প্রধান মারিয়া কাস্তিয় ফারনান্দেসের সাথে আলোচনা হয়। প্রতিনিধি দলে আয়েবার মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ, কোষাধ্যক্ষ মুহিবুর রহমান মুহিব, সহ সভাপতি ফখরুল আলম সেলিম, জিন্নুরাইন জায়গিরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ওয়াহিদ ও বাংলাদেশ কো-অডিনেটর তানভির সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।  গত ৫ ই এপ্রিল ইইউ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ঢাকায় স্বরাষ্ট্র পররাষ্ট্র ও বৈদেশিক কর্ম সংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রী এবং সচিব পর্যায়ে বৈঠক করে ইউরোপে বসবাসরত অবৈধ প্রবাসীদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে সরকারের সহযোগিতা চান। এ নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হয়।  এতে ইউরোপে বসবাসরত প্রায় ৩ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে শঙ্কা দেখা দেয়। ধরপাকড় আর গ্রেফতার আতংকে শঙ্কিত হয়ে পড়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত অবৈধ প্রবাসী বাংলাদেশী। এরপর তাৎক্ষনিক ভাবে ইউরোপ প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাদার সংগঠন অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ এসোসিয়েশন আয়েবা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবাসীদের অাশ্বস্ত করার লক্ষ্যে সতর্কমূলক প্রচারণা চালায়।  ইউরোপ প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈধকরণ প্রক্রিয়ায় কি ভাবে নিয়ে আসা যায় তা নিয়ে দীর্ঘ ইমেল যোগাযোগের পর ইইউ আয়েবার সাথে সংলাপে একমত পোষন করে। বৈঠকে ইউরোপিয়ান এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিস বিভাগের প্রধান মারিয়া কাস্তিয় ফারনান্দেস গত ৫ এপ্রিল ঢাকায় যৌথ প্রেস রিলিজের কথা উল্লেখ করে বলেন, ইইউ সব সময় ইমিগ্রেন্ট ইস্যুকে মানবিক দৃষ্টিতে দেখে এবং আয়েবার বক্তব্য এবং দাবি সমূহকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে। ইইউ অবৈধ প্রবাসী বাংলাদেশী ইস্যুটি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করার আশ্বাস দেয়। বৈঠক শেষে আয়েবা প্রতিনিধি দলের প্রধান সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আহমদ সামাদ চৌধুরী জেপি বলেন, আয়েবার যুক্তিগত সকল দাবি বিবেচনায় রাখবে বলে জানিয়েছে ইইউ। তারা প্রবাসীদের এই দাবি বাস্থবায়নে ইইউর সাথে সকল ধরনের অফিসিয়াল কার্যক্রম চালিয়ে যেথে এক মত হয়েছেন।  আয়েবা মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ বলেন, শঙ্কিত প্রবাসীদের সংকট নিরসনে সকল ধরনের সহযোগিতা করবে আয়েবা। তারা প্রবাসীদের অধিকার বাস্তবায়নে প্রবাসী সংগঠনগুলোর পাশাপাশি সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। আয়েবা এই ইস্যু নিয়ে ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগালসহ ইউরোপের ইমিগ্রেশন আইনে কি ভাবে তাদের বৈধকরণ করা যায় তা নিয়ে বিভিন্ন দেশের অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করবে বলে জানিয়েছে। 

অনলাইন ডেস্ক : জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশে এখনো ৬৬ শতাংশ মেয়ে বাল্যবিবাহের শিকার।তাই এর ব্যাপক প্রভাব পড়ছে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ।

উপজেলার বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সাজেবুর রহমান যোগদানের পর থেকে তিনি বাল্যবিবাহ রোধে কঠোর ভুমিকা নিয়েছেন। এরই মধ্যে তিনি নিজের জীবনের ঝুকি নিয়ে  থানা পুলিশ ও স্থানীয় সমাজ কর্মীদের সাথে নিয়ে প্রায় ১০০ টি বাল্যবিবাহ রোধ করেছেন ও বাল্যবিবাহ দেওয়ার দায়ে প্রায় ৫০ জনকে জেল জরিমানা করছেন। তার এই কঠোর পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছে উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারন।
ইউএনও সাজেবুর রহমানকে প্রায় প্রতি দিনই এই বাল্যবিবাহ রোধে গন সচেতন মূলক কর্মসূচি আয়োজন করতে দেখা যায়।তার এই কর্মতৎপরতায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই কমে আসে খানসামায় বাল্যবিবাহের সংখ্যা । এরই মধ্যে গত ১৪ জানুয়ারী ব্যাপক ঢাকঢোল পিটিয়ে দিনাজপুরের ১৩ টি উপজেলার মধ্যে খানসামা উপজেলাকে জেলার সর্বপ্রথম বাল্যবিবাহ মুক্ত উপজেলা ঘোষনা করেন গনপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রি খানসামার কৃতি সন্তান  আবুল হাসান মাহমুদ আলী। কিন্তু তার পরেও প্রশাসনের কঠোর নজর দারির মধ্য দিয়েও মাঝে মাঝে এক দুটি বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটছেই। খানসামা উপজেলায় বাল্যবিবাহের কারন অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। এতে পাওয়া গেছে চমকপ্রদ তথ্য।
উপজেলায় বাল্যবিবাহের প্রধান কারন গুলো হচ্ছে দারিদ্রতা , স্কুল থেকে ঝড়ে পড়া ও নিরাপত্তাহীনতা। অনুসন্ধানে আরও জানা যায় খানসামা উপজেলায় মেয়েদের পাশাপাশি অনেক ছেলেদেরও পরিপূর্ণ বয়সের আগেই বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। দারিদ্রতার কারনে মেয়েকে দ্রুত বিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করে কয়েকজন অভিবাবক জানান, মেয়েকে বিয়ে দিতে অনেক যৌতুকের টাকা লাগে পাশাপাশি বিয়ের খরচ তো আছেই তাই এসব টাকা অভিবাবকরা বয়স্ক হয়ে গেলে সংগ্রহ করছে বেশ হিমশিম খেতে হয় তাই তারা খুব তারাতারিই মেয়েদের বিয়ে দিয়ে থাকেন বলে জানা গেছে।আবার কিছু কিছু নিম্ন বিত্ত পরিবারের ছেলে মেয়ে প্রাথমিকের গন্ডি পার হওয়ার আগেই লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে জড়িয়ে পরে শিশুশ্রমে।
কয়েকবছর কাজ করেই পরিবারের হাল ধরতে হয় এসব হতভাগ্য কিশোর-কিশোরীদের।আর এর পরেই পরিবারের অন্য সদস্যদের পরামর্শক্রমে বাল্যবিবাহে জড়িয়ে পরে তারা। তাই ১ টি শিশুও যদি স্কুল থেকে ঝড়ে না পড়ে সেদিকে নজর রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকারী পদক্ষেপ আশা করছে এলাকার সচেতন মহল।  আরেকটি বিষয় গ্রাম এলাকার অভিবাবকদের বাল্যবিবাহ দিতে নাকি বাল্য করে বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।বিষয়টি হচ্ছে তরুন তরুনীদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক।
তরুন তরুনীর মধ্যে যখন এই বিতর্কিত সম্পর্কটি গড়ে উঠে, ঠিক তখনি যদি পরিবারের সদস্যরা সেটি জানতে পারছে তবে কিছু কিছু পরিবারের অভিবাবকরা নিজস্ব সম্মানের দিকে তাকিয়ে মেয়ে বাল্যবিবাহ দিয়ে দিচ্ছে বলে জানা যায়। সেক্ষেত্রে তরুন তরুনিদের মাঝে বিরাজমান প্রেম-ভালবাসা সম্পকির্ত মানসিক মনোভাব দূর করতে প্রয়োজনীয় সচেতনতা মূলক পদক্ষেপ হাতে নিতে হবে।উপজেলায় বাল্যবিবাহের জন্য আরও দায়ি নকল জন্ম সনদ।ছেলে মেয়েদের  জন্ম সনদ কার্ডে বয়স বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে স্থানীয় হাট-বাজার থেকে।  বাজারের কিছু অসৎ কম্পিউটার ব্যবসায়ীরা মাত্র ২০ থেকে ৫০ টাকার বিনিময়ে বানিয়ে দিচ্ছে নকল জন্ম সনদ।
এই নকল জন্ম সনদে বিশেষ এক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিব এর সীল ও সই নকল করে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে দেখে বোঝার ক্ষমতা থাকে না যে কোন টা আসল আর কোনটা নকল।আর এদিকে কাজি জন্ম সনদ অনলাইনে চেক না করার কারনে বুঝতে পারছে না এটা নকল জন্ম সনদ। তাই বাল্যবিবাহ ঠেকাতে অনলাইনের মাধ্যমে বয়স দেখে নেওয়া ও ওই সব অসৎ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন ছাড়া উপজেলায় বাল্যবিবাহ ঠেকানো সম্ভব হবে না বলে বিশিষ্ট জনেরা অভিমত দিয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, বাল্যবিবাহের বেশির ভাগ হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে তার মধ্যে উপজেলার পাকেরহাট জেলে পাড়া অন্যতম।এ্ই বিশাল জেলে পাড়ায় অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে গত ৪ বছর আগেও যাদের বিয়ে হয়েছে তাদেরও এখন পযর্ন্ত ১৮ বছর পূর্ণ হয় নি। এখানকার শতকরা ৯০ ভাগ ছেলেদের বিয়ে হয় ২১ বছরের আগে ও ৯৮ ভাগ মেয়েদের বিয়ে হয় ১৮ বছরের আগে। এই গ্রামটির আশেপাশের রাস্তা দিয়ে যেকেউ কোনো দিন যাতায়াত করলে বুঝতে পারবে এখানে বাল্যবিবাহের সংখ্যা কতটা বেশি।কিছু গ্রাম্য ঘটক অনেক সহজসরল অভিভাবককে ভুলিয়ে ভালিয়ে তাদের সন্তানদের বাল্যবিবাহ দিচ্ছে বলে জানা যায়।
খানসামায় বাল্যবিবাহ রোধে একাধিক এনজিওর কাজ প্রশংসনীয়।কিন্তু তার পরেও তাদের কাজের কিছু দূর্বল দিক উঠে এসেছে অনুসন্ধানে । এনজিও গুলো  কাজ করছে প্রধানত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক, তাই যারা  সচেতন তারাই বেশি করে সচেতন হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে কিন্তু যেই সব শিক্ষার্থী স্কুল কলেজ থেকে ঝড়ে পড়েছে তাদেরকে কে সচেতন করবে এই প্রশ্ন রেখেছে এলাকা সচেতন মহল।তাই প্রতিটি গ্রামে বেশি বেশি করে অভিভাবকদের এনজিও গুলোকে সচেতনতামূলক কাজ করতে হবে ।

ইফটিজিং এর প্রভাবেও মেয়েদের বাল্যবিবাহ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন একাধিক অভিভাবক।উপজেলায় বাল্যবিবাহ বিরোধী অভিযান চলায় কিছু কিছু অভিভাবক তাদের মেয়েদেরকে বাইরের উপজেলার আত্মীয় স্বজনদের বাসায় নিয়ে গিয়ে গোপনে বিবাহের কাজ সম্পূর্ণ করছে বলে প্রমান মিলছে অনুসন্ধানে।তাই বাল্যবিবাহ রোধ করতে হলে অভিভাবকদের সচেতন করার কোন বিকল্প নেই বলে অভিমত বিশিষ্ট জনদের।

জনপ্রিয় ডেস্ক : বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ শুক্রবার সকালে গাজীপুরের নগপাড়ায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বাস ডিপো পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির কোনো কোনো নেতা বলছেন, সরকার খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারের ষড়যন্ত্র করছে। একজন মন্ত্রী হিসেবে আমি বলতে পারি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারের সরকারের চিন্তাভাবনা নেই। তবে আইন-আদালতের কোনো বিষয় থাকলে সে বিষয়ে আইনমন্ত্রী ভালো বলতে পারেন।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে পরিবহন এবং রাস্তায় বিশৃঙ্খলা রয়েছে। এগুলো রাতারাতি দূর করা যাবে না। মূলত ইঞ্জিনিয়ারিং সমস্যার চেয়ে মন মানসিকতার পরিবর্তন করা দরকার। এজন্য আরো ক্যাম্পেইন করতে হবে, আরো সচেতনতামূলক এজেন্ডা হাতে নিতে হবে এবং এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
ব্যবস্থা আজকে এক জায়গায় নিচ্ছি এটা একটা দৃষ্টান্ত। অন্য জায়গা এটা থেকে শিক্ষা নিবে। অবৈধ যান ও অবৈধ কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে বিআরটিএর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরো জানান, গাজীপুরে পুরানো মাইক্রোবাস কেটে লেগুনা তৈরি করা হয় এবং এখানে কারখানা আছে। অবৈধভাবে যে লেগুনা তৈরি করা হচ্ছে তা বন্ধ করার জন্য বলেছি এবং অবৈধ যানগুলোকে সিল করতে বলেছি। বিআরটিএর ম্যাজিস্ট্রেট এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
তিনি গাজীপুর মহানগরীর নগপাড়া এলাকায় বিআরটিসির বাস ডিপোতে অব্যবস্থাপনা ও কর্তব্য অবহেলার কারণে বিআরটিসি চেয়ারম্যানকে ডিপোর ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন এবং ডিপো ম্যানেজারকে শোকজ করতেও বলেন।
নারয়নগঞ্জের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান যে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাস্তায় পরিবহণ শ্রমিকদের কানধরে উঠ বস করানোর অভিযোগ করেছেন সে বিষয়ে তিনি বলেন, আমি কোথাও কাউকে কান ধরে উঠ বস করাইনি। এমন কোনো প্রমাণ নেই। এ ব্যাপারে আমি যা বলেছি তা জেনারেল দৃষ্টিকোন থেকে। এটা মূলত শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের বিষয়। তারা ব্যবস্থা নিয়েছে।
আমি যখন বক্তব্য রেখেছি তখন কারো নাম ধরে বলেনি। এখানে বিষয়টা হচ্ছে যে এটা নৈতিকতার প্রশ্ন। একটা লোক যদি নাস্তিকও হয় তাকে আপনি কান ধরে উঠ বস করাবেন? এটা কোনো নিয়ম না। সে যদি নাস্তিকও হয় তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন। কিন্তু কান ধরে উঠ বস করানোর রীতি কোথাও নেই। এটা একেবারে সামন্তবাদী ব্যবস্থার মতো। এটা এখানে চলে না।

বাস ডিপো পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সওজের ঢাকা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, গাজীপুর সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী ডি.এ.কে.এম নাহীন রেজা, উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী আবুল খায়ের মো. সাদ্দাম হোসেন ও ট্রাফিক বিভাগের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সাখাওয়াৎ হোসেন প্রমুখ।

বিনোদন ডেস্ক সবাইকে চমকে দিয়ে হঠাৎ বিয়ে করেছেন ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি। মাহির বর সিলেটের কদমতলি এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মাহমুদ পারভেজ অপু। বিয়ের পর প্রথমবারের মতো আজ শুক্রবার দুপুরে শ্বশুর বাড়িতে পৌঁছেছেন মাহি।

বিয়ের কারণে ঘরে-বাইরে যখন আনন্দের ঘনঘটা ঠিক তখনই দুঃসংবাদ এসে হাজির হয়েছে মাহির শ্বশুর বাড়িতে। আজ দুপুরে না ফেরার দেশে চলে গেছেন মাহির ফুফা শ্বশুর। নতুন বৌকে বরণ করে নিতে যখন সবাই ব্যস্ত ঠিক তখনই এমন দুঃসংবাদ যেন বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো। অনাকাঙ্ক্ষিত এই মৃত্যু সংবাদে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ির সকলের মন খারাপ হয়েছে। বাড়ির সবাই ছুটে যাচ্ছেন অপুর ফুফুর বাড়ি।
মাহি সেখানে যাচ্ছেন কিনা এ বিষয়ে জানা না গেলেও তার বর অপু বাড়ির অন্যদের সঙ্গে ফুফুর বাড়িতে গেছেন বলে জানা গেছে।এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় গায়ে হদুল অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। পরদিন বুধবার সিলেটি ছেলে অপুর সঙ্গে বিয়ের পিড়িতে বসেন মাহি। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৪ জুলাই সিলেটে মাহির বিবাহোত্তর সংবর্ধনা হবে।
এদিকে, সিলেট নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ডের কদমতলি (মুমিনখলা) এলাকার স্বর্ণশিখা (অপুর বাড়ি) বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, তাদের বাড়ির অবস্থা এখনো প্রায় জমিদার বাড়ির মতো। বাড়িতে কোন সীমানা প্রাচীর না থাকলে বিভিন্ন প্রকাশ ফলজ ও বনজ গাছ আর বাঁশে বাড়িটি বেষ্টনি দিয়ে রেখেছে।

মাহির স্বামী মাহমুদ পারভেজ অপু পেশায় ব্যবসায়ী হলেও তিনি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান।অপুর দাদা আবদুল হামিদ ছিলেন সিলেটের বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা। সিলেটের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদর শীর্ষ সারিতেই ছিল আবদুল হামিদের নাম। তবে সিলেটের গণ্ডি পেরিয়ে আবদুল হামিদ জাতীয় পর্যায়েও নিজের রাজনৈতিক প্রজ্ঞার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়াও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন আবদুল হামিদ। আর সেই আব্দুল হামিদের ছেলে হলেন মাহমুদ পারভেজ অপুর বাবা আব্দুল মান্নান। তিনি বাবার মতো এতোটা সুনাম অর্জন না করতে পারলেও ধরে রেখেছেন বাবা রেখে যাওয়া সম্পত্তির হাল। তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় একজন কয়লা আমদানিকারক।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইসরাইলের লিকুদ পার্টির নেতা মেন্দি সাফাদি বলেছেন, আসলাম চৌধুরীর সাথে তার দেখা হয়েছিল ভারতে বিজেপির যুব সংগঠন আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে। সেই অনুষ্ঠানে দুইজনই আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন বিধায় বৈঠকটা প্রকাশ্যে হয়েছিল। কিন্তু তারও মাস দুইয়েক আগে শেখ হসিনার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয় নিজে মেন্দি সাফাদির সাথে যোগাযোগ করে তার সাথে বৈঠক করেছিলো।

সচেতন মহলের প্রশ্ন- সজিব ওয়াজেদ জয় মেন্দি সাফাদির সাথে সেই বৈঠকে কী ষড়যন্ত্র করেছিল? মেন্দি সাফাদির সাথে বৈঠকের কারণে যদি আসলাম চৌধুরীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয়া যায় এবং তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা যায়, তাহলে সজিব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে কেন কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না?

জনপ্রয়ি অনলাইন : ১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর বিএনপি নেতা ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুক গোপনে দেশ ছেড়েছেন বলে ঢাকার কয়েকটি গণমাধ্যম দাবি করেছে। খবরে বলা হয়, গত সপ্তাহে সিলেট সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়েন তিনি। ভারত হয়ে ওসমান ফারুক যুক্তরাষ্ট্র গেছেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক বলেছেন, তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি ১৯৭১ সালে দেশে ছিলেন। ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ভিত্তি নেই।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা গত ৪ মে দাবি করে, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতাবিরোধী কর্মকা-ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে পাওয়া এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে মামলা করা হবে।
সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আবদুল হান্নান খানের দাবি, ওসমান ফারুক স্বাধীনতাবিরোধী কর্মকা-ে জড়িত ছিলেন, এর পক্ষে তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির কয়েকজন নেতার বরাত দিয়ে জানায়, গত সপ্তাহে ড. ওসমান ফারুক দেশত্যাগ করেন। তার ভারতের ভিসা ছিল। বিমানবন্দর দিয়ে দেশ ছাড়তে গেলে বাধার সম্মুখীন বা গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কা থেকেই সীমান্তপথ বেছে নিয়েছেন তিনি। ভারত থেকে পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে চলে গেছেন বলে জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র। এমনিতেও বছরের বেশির ভাগ সময় তিনি সেখানেই অবস্থান করতেন।
বিশ্বব্যাংকের সাবেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ড. ওসমান ফারুক বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে যোগাযোগ রক্ষা করতেন। স্বাধীনতাবিরোধী অভিযোগে গ্রেপ্তার এড়াতে বিএনপির হাইকমান্ডের পরামর্শেই দেশ ছাড়েন তিনি। আপাতত যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করবেন ওসমান ফারুক। সেখানে থেকে একদিকে গ্রেপ্তার এড়াবেন, অন্যদিকে দলের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবেন বলে মনে করে দলটির হাইকমান্ড।
ধারণা করা হচ্ছে, বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারের স্বচ্ছতা নিয়ে জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা মানবাধিকার সংস্থাগুলো সমালোচনা করায় সরকার চাইলেও ওসমান ফারুককে দেশে ফেরত আনতে পারবে না।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত সংস্থা দাবি করেছে, কাগজপত্রে ওসমান ফারুক যুদ্ধাপরাধ কর্মকা-ে জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পেয়েছে তারা। সংস্থাটির দাবি, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ওসমান ফারুকসহ ১১ জন শিক্ষক পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সহায়তা করেছিলেন এবং স্বাধীনতাবিরোধী কর্মকান্ডে অংশ নেন। সেখানে একটি টর্চার সেলও ছিল। ওই তালিকা অনুযায়ী খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তাদের অধিকাংশই সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা কর্মকর্তা ছিলেন।
তদন্ত সংস্থার অভিযোগ, ওসমান ফারুক সে সময় ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিকালচার ইকোনমি অনুষদের রিডার ছিলেন। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য ওসমান গণির ছেলে ড. ওসমান ফারুক।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ড. ওসমান ফারুকের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা হাস্যকর ও অবাস্তব। রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এটা করা হয়েছে।

আব্দুল করিম,ফ্রান্স : ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের দশ এর মেয়র রেমি ফেখরের সাথে বাংলাদেশ দূতাবাস ফ্রান্সের সার্বিক তত্বাবধানে ফ্রান্স বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের মতবিনিময় ও মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার দুপুরে প্যারিসের গার্দনর্দের অভিজাত রেস্তুরা দিল্লি প্যালেসে এ মতবিনিময় ও মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়।

ফ্রান্স বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সভাপতি সাত্তার আলী সুমনের সভাপতিত্বে ও সহ সভাপতি টি এম রেজা ও ,সাধারণ সম্পাদক সুব্রত ভট্টাচার্য শুভ,র যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্যারিস দশ এর মেয়র রেমি ফেখর।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত এম সহিদুল ইসলাম, প্যারিস দশ এর ডেপুটি মেয়র আলেকস্ন্দ্রা কর্দিবার্দ,বাংলাদেশ দুতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলার ফিরোজ উদ্দীন,হেড অফ কাউন্সিলার হযরত আলী খান ,ব্যবসায়ী ফোরামের সহ সভাপতি রিপন বড়ুয়া ,সহ সাধারণ সম্পাদক মফিজ আলী ,ব্যবসায়ী নেতা শরিফ আল মোমিন, শাহ জামাল ,সাইফুল ইসলাম ,এমদাদুল হক স্বপন ,পারভেজ রশিদ পিটু ,আজিজুর রহমান,আউয়াল রহমান দ্বীপ ,আলম আহমদ ,শামিম হোসেইন,ফয়জুর রহমান,জাকির হোসেইন ,আক্তারুজ্জামান ,খান সুজন ,মইন উদ্দিন,শাহাদাত আজাদ সহ প্যারিস দশের ব্যবসায়ীরা।

প্যারিস দশ এর ব্যবসায়ীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে মেয়র রেমি ফেখর বলেন, প্যারিসে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী ও নির্ভর যোগ্য স্থান । বিশ্বের কাছে শুধু শিল্প সাহিত্যের শহর হিসেবে পরিচিত নয় বরং ফ্যাশন ও ব্যবসার শহর হিসাবে ও পরিচিত। এসময় তিনি বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের ভূয়সী প্রসংশা করে বলেন, বাংলাদেশীরা ফ্রান্সের আইনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল বলে আমি জানি। ফ্রান্স বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম ও প্যারিস দশের সকল বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের জন্য প্যারিস মেরি সবসময় সকল ধরনের সহযোগিতার হাত প্রসারিত রয়েছে বলে তিনি জানান।

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির পেছনে মূল হোতারা রয়েছে ভারতে। এক বছরের বেশি সময় ধরে তারা হ্যাকিংয়ের পরিকল্পনা করে। আর এটা একজনের নয়, কয়েকজনের কাজ। বৃটেনের ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে সূত্রের বরাত দিয়ে এসব কথা বলা হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়, এসব হ্যাকারের হদিস পাওয়া সম্ভব নয়। গত ফেব্রুয়ারিতে নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৫ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে হ্যাকাররা। এর মধ্য থেকে তারা মাত্র ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নিতে সমর্থ হয়। এই অর্থ লোপাটের ঘটনা নিয়ে তদন্ত করছে একাধিক সংস্থা। তবে এখনো পর্যন্ত ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কারো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মেইল অনলাইনকে একটি সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই রাজকোষ কেলেঙ্কারি কোনো একজন হোতার কাজ নয়। এই কাজে একাধিক ব্যক্তি জড়িত এবং তারা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই ঘটনার পরিকল্পনা করেছে।
সূত্রটি বলেছে, এতে সংশ্লিষ্টরা ভারতে রয়েছে এবং তারা সম্ভবত প্রক্সি (ইন্টারনেটে নিজের প্রকৃত অবস্থান গোপন করে ভার্চুয়াল অবস্থান দেখানোর পদ্ধতি) ব্যবহার করছে। সে কারণেই তাদের ধরা যাচ্ছে না। তারা ভারতের কেন্দ্রেই অবস্থান করছে এবং কয়েকজন রয়েছে বাইরে। কারিগরি দিক থেকে তারা এতটাই শক্তিশালী যে তাদের সন্ধান পাওয়াই সম্ভব নয়। ওই সূত্রটি আরো বলেছে, এসব ব্যক্তি খুব সহজেই নিজেদের লুকাতে পারে এবং ২/৩ মিনিটের মধ্যেই হারিয়ে যেতে পারে।

সূত্রটি জানিয়েছে, কর্তৃপক্ষ লোপাট হওয়া অর্থের কিছুটা উদ্ধার করতে পারলেও পুরোটা পারেনি এবং এর হোতাদের সারাজীবন নিশ্চিন্তে পার করে দেয়ার জন্য দেড় কোটি ডলারই যথেষ্ট।

মূল সংবাদ পড়তে উপরের ছবিতে ক্লিক করুন

এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজনকে ফিলিপাইনে শনাক্ত করা গেলেও কাউকেই গ্রেপ্তার করা হয়নি। ফিলিপাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ অবশ্য ফিলিপাইনের ব্যাংকে পৌঁছানো ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার উদ্ধারে দেশটির কর্তৃপক্ষের ওপর আস্থা রেখেছেন।
এদিকে ফিলিপাইনের অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কাউন্সিলের (এএমএলসি) নির্বাহী পরিচালক জুলিয়া আবাদ জানিয়েছেন, কিম ওংয়ের কাছে থাকা দেড় কোটি ডলার ফেরত দেয়া হয়েছে। আরো ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার রয়েছে ম্যানিলার ক্যাসিনো সোলেয়ারে এবং ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার রয়েছে রেমিট্যান্স কোম্পানি ফিলরেমের কাছে। আরও ১ কোটি ২০ লাখ ডলার ফিলিপাইনের ক্যাসিনো সিস্টেমের মধ্যেই রয়েছে বলে মনে করেন জুলিয়া আবাদ। তবে ম্যানিলার একজন বেসরকারি গোয়েন্দা অগাস্টাস এসমেরাল্ডা রয়টার্সকে বলেছেন, এই ঘটনাকে ব্যাংকের হ্যাকিং হিসেবে দেখা উচিত হবে না। তিনি বলেন, এটা অনেকটা হ্যাকারদের নিযুক্ত করে অর্থ চুরির ঘটনার মতো। এর পিছনে রয়েছেন এমন ব্যক্তি যিনি ব্যাংক, অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং সিস্টেম ও ক্যাসিনো সম্পর্কে জানেন। আমার কাছে এটাকে মনে হয়েছে আধুনিক সময়ের ওশানস ১১। একে বলা যেতে পারে ম্যানিলা ১২।
উল্লেখ্য, ওশানস ১১ একটি হলিউড সিনেমা যাতে লাস ভেগাসের একটি ক্যাসিনো থেকে অর্থ চুরি করে ১১ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল।

অনলাইন ডেস্ক : আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন দিন দিন এগিয়ে আসছে। চলতি বছরের ৮ নভেম্বর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ মুহূর্তে চলছে আমেরিকার রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট দল থেকে প্রার্থী মনোনয়নের লড়াই। সে লড়াইয়ে বিরোধী রিপাবলিকান দল থেকে নির্বাচনী দৌড়ে এগিয়ে আছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প আর ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাট দল থেকে এগিয়ে আছেন হিলারি ক্লিনটন।

হিলারি বিশ্ববাসীর কাছে যেসব কারণে পরিচিত হয়ে উঠেছেন তার বড় একটি কারণ হচ্ছে- তার স্বামী বিল ক্লিনটন দুইবার প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। হিলারি সম্প্রতি বলেছেন, ২০১৬ সালে নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি তার স্বামী বিল ক্নিনটনকে মন্ত্রিসভায় কোনো পদ দেবেন না। বোঝা যাচ্ছে আত্মবিশ্বাসটা অনেক বেশি। কিন্তু সেই আত্মবিশ্বাসের কতটুকু প্রতিদান দেবে মার্কিন জনগণ তা দেখার জন্য আামদের অপেক্ষা করতে হবে আরো কয়েক মাস।
হিলারি ক্লিনটন বাংলাদেশের মানুষের একাংশের কাছে কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি আর অন্য অংশের কাছে অনেকটা ঘৃণিত। যাদের কাছে কাঙ্ক্ষিত তারা মনে করেন- হিলারি নির্বাচিত হলে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন। আর যারা মনে করেন- অতীতে হিলারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকার সময় বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়েছেন এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করেছেন তারা চান না হিলারি নির্বাচিত হোক।
২০০৮ সালের নির্বাচনে বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ওবামার প্রথম দফার সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন হিলারি। সে সময় বাংলাদেশের কিছু ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এর মধ্যে গ্রামীণ ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানটির সাবেক প্রধান নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসের বিষয় ছিল অন্যতম। ড. ইউনূস ক্লিনটন পরিবারের সঙ্গে বিশেষ ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি এবং তার নোবেল পাওয়ার বিষয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের নাকি বিশেষ প্রচেষ্টা ছিল। সেই ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার যখন খড়্গহস্ত হয় তখন তাতে খানিকটা বাধসাধেন হিলারি ক্লিনটন।
এ নিয়ে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন পর্যন্ত করেছিলেন। সেই ফোনালাপ পরে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং যায়যায় দিন পত্রিকার সাবেক সম্পাদক শফিক রেহমান তার একটি কলামে সাক্ষাৎকারের বাংলা অনুবাদ তুলে ধরেছিলেন। তা থেকে জানা গিয়েছিল- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের মধ্যে কিছুটা ভিন্নধর্মী আলোচনা হয়। খানিকটা প্রাসঙ্গিক হওয়ায় সেই ফোনালাপের কিছু অংশ এখানে তুলে ধরলাম। হিলারি বলেছিলেন-
আমি ভেবেছিলাম আমাকে এত দূর যেতে হবে না। কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য, আমি ভুল ভেবেছিলাম। আপনি জানেন এবং আমরাও জানি কীভাবে আপনার সরকার ক্ষমতায় এসেছে। ভুলে যাবেন না, নির্বাচনের পর আমরা বলেছিলাম, সেটা অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে এবং আপনাকে সাহায্য করেছিলাম। প্রধানমন্ত্রী, আপনি জানেন দিল্লিতে আমাদের বন্ধুদের নির্দেশে কীভাবে ফলাফল আগেই ঠিক করা হয়েছিল। তারা যেভাবে চেয়েছিল সেভাবেই আমরা চলেছিলাম। প্লিজ, আপনি এটাও ভুলে যাবেন না যে, জেনারেল মইন যিনি আপনাকে ক্ষমতায় এনেছিলেন তিনি এখন আমেরিকাতে আছেন এবং আপনি যতখানি কল্পনা করতে পারেন, তার চেয়েও বেশি এখন আমরা জানি। আমি বলছি না যে, আমরা এখনই আপনার কাছ থেকে দূরে সরে যাব। আমি শুধু ঐতিহাসিকভাবে বিভিন্ন ইসু তুলে ধরছি।
ফোনালাপে ড. ইউনূস প্রসঙ্গ এবং বাংলাদেশের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের বিষয়টি নাকি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল। সেই কারণে যারা বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চান না তারা আশা করেন- হিলারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে তাদের জন্য সুবিধা হবে। তাদের অনেকে হয়ত ধারণা করেন- হিলারি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের জন্য ব্যবস্থা নেবেন। কিন্তু আসলে কী তাই? সে আলোচনায় আরো একটু পরে আসছি।
যারা বর্তমানে ক্ষমতায় আছেন তারা মুখে যতই বলুন না কেন আমেরিকাসহ বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ভালো- আসলে কিন্তু ততটা নয়। বিশেষ করে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয়েছে বটে। আমেরিকার সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে আরো বেশি।
সে কথা আমরা পরিষ্কার বুঝতে পারি সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদের বক্তব্য থেকে। তিনি কিছুদিন আগে জিএসপি প্রসঙ্গে তার হতাশা প্রকাশ করে যে বক্তব্য দিয়েছেন যতদূর মনে করতে পারি তা এমন- কিয়ামত পর্যন্ত আমেরিকা বাংলাদেশকে জিএসপি দেবে না। শুধু তাই নয়, সরকারের সাবেক এলজিআরডি মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন সাবেক রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনাকে তাচ্ছিল্য করে কাজের মেয়ে মর্জিনা বলেছিলেন।
এ সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মাদ নাসিমসহ আরো অনেক মন্ত্রী ও নেতা আমেরিকার বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তা আর গোপন কিছু নয়। এমনকি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও জঙ্গি ইস্যুতে সরকারের অনেক দায়িত্বশীল ব্যক্তি আমেরিকার সঙ্গে ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন। সেসব মতামত ঠিক-বেঠিক প্রসঙ্গে যাচ্ছি না; শুধু আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে মতপার্থক্য রয়েছে তা তুলে ধরছি।
দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ইস্যুতে মার্কিন সরকারের উদ্বেগ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কেউ কেউ বলেছেন, আমেরিকার চেয়ে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ভালো। অবশ্য, এ কথাও ঠিক যে, মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেয়ার কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বে শক্ত শাসক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। অনেকে তার এ অবস্থানকে শ্রদ্ধার চোখে দেখেন।
তবে আমেরিকার সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের যে দ্বন্দ্ব ও মতপার্থক্য আছে তাতে সন্দেহ নেই। সেই কারণে আওয়ামী লীগ ও তাদের হিতাকাঙ্ক্ষীদের মনের চাওয়া হতেই পারে- হিলারি যেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত না হন।
এখন প্রশ্ন থাকছে- হিলারি যদি প্রেসিডেন্ট তাহলে তিনি কী আসলেই আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন? জবাবে বলব- সেই টেলিফোন সংলাপ যদি সত্যি হয় তাহলে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার কথা।
আমরা বিশ্বের বহু ঘটনা থেকে জানতে পারি- আমেরিকা সাধারণত স্বল্প মেয়াদে কম কাজ করে বরং তাদের থাকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। যদি সেই টেলিফোন সংলাপ সত্যি হয় তাহলে দীর্ঘমেয়াদে হলেও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে একটা প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার চেষ্টা করবেন হিলারি। সে প্রচেষ্টার ফলাফল কী হবে আমরা কেউ জানি না।
কিন্তু সত্যি যদি না হয়ে থাকে তাহলে দীর্ঘদিন ধরে বহু মানুষ শুধু একটা ইন্দ্রজালে আচ্ছন্ন থাকল। তবে ভাবসাবে বেশ বোঝা যাচ্ছে- আওয়ামী লীগের সঙ্গে ডেমোক্র্যাট দলের সম্পর্ক ভালো নয়। সম্পর্ক ভালো নেই তাতে খুব যে ক্ষতি হয়েছে আওয়ামী লীগের তাও তো নয়।
আওয়ামী লীগের বড় সুবিধা হচ্ছে- আমেরিকা যদি বন্ধুত্বের হাত নাও বাড়ায় তাহলে রাশিয়া ও ভারতের মতো বড় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি আওয়ামী লীগের পাশে থাকবে। অবশ্য, বন্ধুত্বের এ অর্জনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত কৃতিত্ব সিংহভাগ। কারণ তার একক নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সরকার পরিচালিত হয়; তিনিই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সব সিদ্ধান্ত নেন।
সে কারণে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের অবনতি থাকলেও খুব একটা সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এছাড়া, নানা প্রেক্ষাপটে সম্পর্ক ওঠানামা যে করবে না, আওয়ামী লীগের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন হবে না তাও নয়। হিলারির কাছে বাংলাদেশের বিরোধী শক্তিকে ক্ষমতায় বসানোর চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ তার নিজ দেশের স্বার্থ। সেই স্বার্থের অনুকূলে থাকলে আওয়ামী লীগও মুহূর্তে বন্ধু হয়ে যাবে আমেরিকার।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা হিসাব-নিকাশে রাশিয়াকে শত্রু ভাবলেও ভারতকে বন্ধু ভাবতে বাধ্য হচ্ছে আমেরিকা। সে কারণে যতক্ষণ ভারত না চাইবে ততক্ষণ পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ায় বিশেষ করে উপমহাদেশের রাজনীতিতে আমেরিকার চাওয়ার গুরুত্ব নেই। এখন পর্যন্ত এটাই বাস্তবতা।
ফলে হিলারি নির্বাচিত হলেও আওয়ামী লীগের জন্য নিরাপত্তার প্রশ্ন অটুট থাকছে। ভারতের সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্ক ভালো। মার্কিন রাজনীতিতে ইহুদি লবির প্রভাব সবার জানা। মিত্র শক্তি ভারতের মাধ্যমে মার্কিন সেই লবিকে পক্ষে রাখাও আওয়ামী লীগের জন্য কঠিন কিছু নয়।
এছাড়া, ভারতের সঙ্গে ঐতিহাসিক ও সমসাময়িক যেসব প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের বন্ধুত্বের বন্ধন তৈরি হয়েছে; আওয়ামী বলয়ের বাইরের কোনো দল বা শক্তি ভারতের সঙ্গে সেই সম্পর্ক রচনা করতে পারে নি, হয়ত পারা সম্ভবও নয়। নিকট ভবিষ্যতে হবে বলেও মনে হয় না।
আমেরিকা কিংবা রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রায় একই কথা। আওয়ামী লীগ যেমন ভারত ও রাশিয়ার মতো দেশকে একনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পেয়েছে, অন্য কোনো দল বা সংগঠন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্তিশালী এমন কোনো দেশকে একনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পায় নি।
এ জায়গা থেকে নিশ্চয় আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ অনেক বেশি এগিয়ে। সম্পর্ক রচনার ক্ষেত্রে লেনদেন বা সুযোগ-সুবিধা দেয়ার প্রশ্ন হয়ত থাকে কিন্তু তাদের সঙ্গে সম্পর্ক যে ভালো সে বাস্তবতা অস্বীকার করা যাবে না। আওয়ামী লীগের কাছ থেকে অনেকের অনেক কিছু শেখার আছে।

যদি কেউ সরকার পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেন তাহলে তাদেরকে নিজেদের পায়ে দাঁড়িয়ে, নিজেদের বুদ্ধি-মেধা খাটিয়ে, নিজেদের শক্তি দিয়ে আন্দোলন করে অথবা সেই রকম জনমত তৈরি করে ক্ষমতায় যেতে হবে। হিলারি ক্লিনটন এসে ক্ষমতা পরিবর্তন করে দিয়ে যাবেন- ভাবার কোনো কারণ নেই।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget