2016-04-24

ফ্রান্স প্রতিনিধি: প্রবীন সাংবাদিক ও লেখক শফিক রেহমানের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন প্যারিসে বসবাসরত সাংবাদিক, লেখক,  রাজনীতিকসহ পেশাজীবী প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বুধবার প্যারিসে অনুষ্ঠিত এক  সভা থেকে অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানানো হয়। নাগরিক প্রতিবাদ সভায় বক্তারা 

শফিক রেহমানের গ্রেফতারকে বাক স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর বাংলাদেশ সরকারের নিবর্তনমূলক ব্যবস্থা আখ্যায়িত করে শফিক রেহমানসহ গ্রেফতারকৃত সকল সাংবাদিকের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। বাংলাদেশ সাংবাদিক ইউনিয়ন ফ্রান্স এর সভাপতি ও প্যারিস ভিশন নিউজ সম্পাদক এম এ মান্নান আজাদের সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক ও মানবাধিকার

কর্মী মাহবুব হোসাইনের পরিচালনায়  অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক কাজি আব্দুল্লাহ আল মামুন, হাজী হাবিব, ফ্রান্স বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি নুরুল ওয়াহিদ, বাংলা ভিশন প্রতিনিধি সাংবাদিক ফয়সাল আহমেদ দ্বীপ, এনায়েত হুসাইন সুহেল, ইলিয়াস কাজল, মুক্তিযুদ্ধা ওমর গাজী, আহমদ মালিক, নাগরিক মুক্তি পরিষদ ফ্রান্সের সভানেত্রী শামিম আকতার রুবী, লেখক শরিফুল ইসলাম সৈকত ও ফারুক আহমদ । বক্তরা বলেন সাংবাদিক শফিক রেহমানকে যে অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং কাল্পনিক বলেও সভায় বক্তারা দাবি করেন। তারা বলেন, ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত প্রধানমন্ত্রীপুত্রকে খুন করার পরিকল্পনা সংক্রান্ত অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র । তারপর সরকার তাকে গ্রেফতার করেছে এটা চরম মানবাধিকার লঙ্গন । বক্তারা আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, সাম্প্রতিক সময়ে ইংরেজি পত্রিকা ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম ও প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানসহ সারাদেশে সাংবাদিকসহ সকল গণতান্ত্রিক কর্মী সংগঠকের ওপর নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার নিন্দা ও তাদের মুক্তির দাবি জানান। এছাড়াও বন্ধ হওয়া চ্যানেল ওয়ান, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভিসহ সকল মিডিয়া খুলে দেয়ার  দাবী জানান। 

অনলাইন ডেস্ক : অবসরের পর বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরীর কাছে রায় লেখার অপেক্ষায় থাকা ১৬১ মামলার ফের শুনানি হবে। এছাড়া ফের শুনানির তালিকায় উঠছে সাবেক প্রধান

বিচারপতি মোজাম্মেল হকের ৭টি মামলা। আগামী ২রা মে আপিল বিভাগের দৈনন্দিন কার্যতালিকায় ১৬৮টি মামলা অন্তর্ভুক্ত হবে। তাদের লেখা রায় গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় মামলাগুলো আবার শুনানির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। এর পরপরই প্রস্তুত করা হয়েছে এসব মামলার পেপারবুক। এসব মামলার বেশির ভাগ রায় লেখার কাজ শেষ করেছিলেন বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী। কিন্তু তার লেখা রায় গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় প্রধান বিচারপতি মামলাগুলো পুনঃশুনানির নির্দেশ দেন।  সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রার বিভাগ থেকে জানা যায়, ২৬ শে এপ্রিল এসব মামলার পুনঃশুনানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০১৫ সালের এক অক্টোবর আপিল বিভাগ থেকে অবসরে যান বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। অবসরে যাওয়ার সময় ১৬১টি মামলার রায় লেখার দায়িত্ব ছিল এই বিচারপতির। এসব মামলা তার অবসরে যাওয়ার আগেই আপিল বিভাগ বিভিন্ন সময়ে শুনানি গ্রহণ সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত আদেশও জানিয়ে দেন। শুধু পূর্ণাঙ্গ রায় লেখার কাজ বাকি ছিল। মামলাগুলোর রায় অনেকদিন তিনি না লিখে কালক্ষেপণ করছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা গত ১৭ই জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে এক বাণীতে অবসরের পরে রায় লেখাকে সংবিধানপরিপন্থী হিসেবে উল্লেখ করেন। ওই বাণীতে তিনি বলেন, কোনো কোনো বিচারপতি রায় লিখতে অস্বাভাবিক বিলম্ব করেন। আবার কেউ কেউ অবসর গ্রহণের পর দীর্ঘদিন সময় ধরে রায় লেখা অব্যাহত রাখেন, যা আইন ও সংবিধানপরিপন্থী।

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার নেতৃত্বাধীন কমিটিকে নির্বাচনী প্রতীক মশাল দেয়ার বিষয়টি চিঠি দিয়ে জানিয়েছে

 নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার ইসির সহকারী সচিব রৌশন আরা স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি দুই পক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর ফলে জাসদের আরেকপক্ষের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধানের নেতৃত্বাধীন কমিটি মশাল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। হাসানুল হক ইনু ও শিরীন আখতার নেতৃত্বাধীন কমিটির কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ এর ১১-১২ মার্চ, ২০১৬ তারিখে অনুষ্ঠিত জাতীয় কাউন্সিলে গঠনতন্ত্র অনুসারে কেন্দ্রীয় কার্যকরি কমিটি গঠন করে। যেহেতু হাসানুল হক ইনু সভাপতি হিসেবে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা, ২০০৮ এর ৯ বিধি অনুসারে কেন্দ্রীয় কার্যকরি কমিটির নির্বাচন, সদস্যগণের তালিকা এবং কাউন্সিলের কার্যবিবরণীর কপি নির্বাচন কমিশনের অবগতির জন্য প্রেরণ করেছেন, সেহেতু তাদের অনুকূলে মশাল প্রতীক বহাল রাখা হল। অপরদিকে শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও নাজমুল হক প্রধান বরাবর পৃথক চিঠিতে বলা হয়েছে, মঈনুদ্দীন খান বাদল, শরীফ নুরুল আম্বিয়া এবং নাজমুল হক প্রধান এমপি কর্তৃক জাতীয় কাউন্সিল সংক্রান্ত গৃহীত কার্যক্রম জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ এর গঠনতন্ত্র অনুসারে না হওয়ায় এবং রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা, ২০০৮ এর ৯ বিধি অনুসারে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি দাখিল না করায় এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের করণীয় কিছু নেই। এর আগে দুই পক্ষ মশাল প্রতীকের দাবি জানালে গত ৬ এপ্রিল তাদের ডেকে শুনানি করে ইসি। শুনানির এই রায় দুই পক্ষকে জানিয়ে দিল ইসি। জাতীয় সম্মেলনকে ঘিরে দুভাগ হয়ে যায় দলটি। সংসদ সদস্য শিরীন আখতারকে সাধারণ সম্পাদক করার বিরোধিতা করে গত ১২ মার্চ কাউন্সিলে হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন জাসদ থেকে বেরিয়ে আলাদা কমিটি ঘোষণা করে দলটির একটি অংশ। এই অংশের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও সাধারণ সম্পাদক করা হয় সংসদ সদস্য নাজমুল হক প্রধানকে। এই কমিটিতে কার্যকরি সভাপতি হয়েছেন সংসদ সদস্য মঈনুদ্দীন খান বাদল। 

অনলাইন ডেস্ক : জনসংখ্যার অনুপাতে বিশ্বে সবচেয়ে কম পর্যটক যায় বাংলাদেশে। আর সবচেয়ে বেশি যায় ফ্রান্স আর স্পেনের মধ্যবর্তী এক্কেবারে ছোট্ট এক দেশ অ্যান্ডোরায়।বিভিন্ন দেশের

 জনসংখ্যা আর বেড়াতে যাওয়া পর্যটক সংখ্যার অনুপাতের তুলনা করে একথা জানিয়েছে প্রাইসোনোমিক্স নামের একটি সংস্থা।প্রাইসোনোমিক্সের হিসেবে, বিশ্বে জনসংখ্যার অনুপাতে পর্যটক সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান সবার নীচে। আর নীচের দিক থেকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছে যথাক্রমে গিনি আর মলডোভা।জনসংখ্যার অনুপাতে সবচেয়ে বেশি পর্যটক যায় অ্যান্ডোরায়। এরপর আছে যথাক্রমে আরুবা আর মোনাকো।পর্যটকরা ভিড় করার আগেই ভ্রমণ করুন বাংলাদেশ। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এক সময় এই শ্লোগানটা ব্যবহার করতো তাদের বিজ্ঞাপনে। কিন্তু এই সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রতি এক হাজার ২৭৩ জন মানুষের বিপরীতে মাত্র একজন বিদেশি পর্যটক সেখানে যান।অন্যদিকে অ্যান্ডোরায় প্রতি একজন স্থানীয় মানুষের বিপরীতে ৩২ জন বিদেশি পর্যটক সেখানে বেড়াতে গেছেন।প্রাইসোনোমিক্স এই তালিকা তৈরি করেছে বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে।এতে দেখা যাচ্ছে, ফ্রান্স, ইটালি বা স্পেনের মতো দেশগুলো পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয় হলেও জনসংখ্যার অনুপাতে এসব দেশে কিন্তু পর্যটক সংখ্যা সেরকম বেশি নয়। একই অবস্থা চীন, রাশিয়া বা যুক্তরাষ্ট্রেরও।
জরিপে দেখা যাচ্ছে, গত কয়েক বছরে যেসব দেশে পর্যটকের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বেড়েছে তাদের মধ্যে আছে ভুটান, কঙ্গো ব্রাজাভিল এবং রিপাবলিক অব কঙ্গো।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

জনপ্রিয় ডেস্ক : যাত্রীবাহী বাস থামালেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। চালক ভাবলেন, ইনি মনে হয় প্যাসেঞ্জার। তাই নিজের আসনে স্বাভাবিকভাবেই বসে থাকলেন চালক। কিন্তু প্যাসেঞ্জার (মন্ত্রী) গাড়িতে 

উঠেই চালককে কাগজপত্র দেখাতে বললেন।এবার অবাক হলেন চালক! গাড়ির কাগজ মহিলা সিটের নিচে। তাই কাগজ বের করতে দেরি হলো! কিন্তু এরই মধ্যে জরিমানা হয়ে গেছে। বেশি যাত্রী বহন করার দায়ে জরিমানার এ নির্দেশ মন্ত্রীর।শনিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে বিমানবন্দর সড়কে রেডিসন হোটেলের বিপরীতে এ ঘটনা ঘটে।এদিন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বরাবরের মতো এই সড়কে ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযানে নামেন।অভিযানকালে মন্ত্রী সিএনজি চালিত অটোরিকশা থামিয়ে মিটারে চলছে কি না, তা জানতে চান। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ সড়কে অবস্থান করে বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।এসময় সাংবাদিকদের তিনি জানান, বিভিন্ন অপরাধে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ২২ টি গাড়িতে জরিমানা করা হয়েছে। আর ৫টি বাস ডাম্পিংয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিআরটিএর জনবল বাড়ছে বলেই অভিযান জোরদার হচ্ছে এমনটি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামে একজন এবং ঢাকায় আরও একজন নারী ম্যাজিস্ট্রেসহ বিআরটিএর ম্যাজিস্ট্রেট সংখ্যা এখন ৭।মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে ১৬৫ টি ব্লাক স্পট সংস্কারের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।আর রাজধানীতে দুর্ঘটনা কমাতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে বলেও সাংবাদিকদের জানান ওবায়দুল কাদের।

ভিডিও লিংক:

আব্দুল করিম,প্যারিস,ফ্রান্স : ইউরোপিয়ান প্রবাসী বাংলাদেশী এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ওসমান হোসেইন মনিরকে সংবর্ধনা দিয়েছে ফ্রান্সে বসবাসকারী বরিশাল বিভাগের 

প্রবাসীরা । প্যারিসের ভলোন্তিয়ারের অভিজাত রেস্টুরেন্ট ইন্ডিয়ান ভিলেজে বিপুল সংখ্যক বরিশাল প্রবাসীদের উপস্থিতিতে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক অনারম্ভর আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিউনিটি ফ্রান্সর সভাপতি মোহাম্মদ মোতালেব খানের সভাপতিত্বে ও মোহাম্মদ মুনির হোসেনের পরিচালনায় সংবর্ধিত অতিথি ইঞ্জিনিয়ার ওসমান হোসেইন মনির ছাড়াও

বক্তব্য রাখেন, বরিশাল বিভাগীয় কমিউনিটি ফ্রান্সর সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল ইসলাম রিয়াদ,সহসভাপতি আমিনুর রহমান ফারুক,ইউরোপিয়ান প্রবাসী বাংলাদেশী এসোসিয়েশনর সহকারী কোষাধ্যক্ষ অজয় দাস,প্যারিস-বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু তাহির,সাংঠনিক সম্পাদক লুত্ফুর রহমান বাবু,বরিশাল বিভাগীয় কমিউনিটি ফ্রান্সর উপদেষ্ঠা মিজানুর রহমান খান,নজরুল 

ইসলাম,মাহবুবুর রহমান,সহ প্রচার সম্পাদক তপু খান,তুলুজ প্রবাসী মেহদী হাসান রাসেল,নুরুন্নাহার নিপা সহ কমিউনিটির নেতারা। এ সময় বক্তারা বলেন,বরিশাল বিভাগের কৃতি সন্তান, ইঞ্জিনিয়ার ওসমান হোসেইন মনির কে ইউরোপের সর্ববৃহৎসংগঠন ইউরোপিয়ান প্রবাসী বাংলাদেশী এসোসিয়েশনর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নের্তৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় ওসমান হোসাইন মনিরকে ফুলেল সংবর্ধনা প্রদান করে বক্তারা বলেন ইউরোপিয়ান প্রবাসী বাংলাদেশি এ্যাসোসিয়েশন প্রবাসীদের সকল সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ন কার্যত ভুমিকা পালন করবে।পরে এক প্রীতিভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি করা হয়।

অনলাইন ডেস্ক : তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনতে চায় বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরব। আর এ লক্ষ্যে এখন বিকল্প অর্থনীতির খোঁজে দেশটি। লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে সোমবার সৌদি ভিশন ২০৩০ ঘোষণা করেছেন সৌদি আরবের ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। এই রূপকল্প বাস্তবায়নে একটি পরিকল্পনাও অনুমোদন দিয়েছেন সৌদি বাদশা সালমান। পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল কোম্পানি আরামকোর শেয়ার বিক্রি, বিশ্বের সবচেয়ে বড় সার্বভৌম বিনিয়োগ তহবিল গঠন এবং তেল ছাড়া অন্য খাত থেকে রাজস্ব বৃদ্ধিসহ আরো কয়েকটি পদক্ষেপ। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যভিত্তিক ম্যাগাজিন ব্লুমবার্গকে দেয়া দুটি সাক্ষাৎকারে পরিকল্পনার কিছু অংশ তুলে ধরেন মোহাম্মদ বিন সালমান। 

শেয়ার বাজারে আরামকো
এখন পর্যন্ত যদিও আরামকোর মোট মূল্যমান নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে ধারণা করা হয়, কোম্পানিটির মূল্য দুই ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি হবে। কোম্পানিটিকে প্রাথমিক পুঁজি বাজারে আনতে চাচ্ছে সৌদি আরব। মোহাম্মদ বিন সালমান বলেন, আরামকোর বেশকিছু লাভজনক দিক থাকবে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে স্বচ্ছতা। প্রতি তিন মাস অন্তর জানানো হবে আরামকোর আয়। তিনি আরো জানান, সৌদি আরবের বিভিন্ন ব্যাংক, অর্থনৈতিক বিশ্লেষক, আন্তর্জাতিক ব্যাংক এবং থিংক ট্যাঙ্কগুলো পর্যবেক্ষণ করবে আরামকোর কার্যক্রম।  
বিনিয়োগ তহবিল গঠন
আরামকো এবং সৌদি রিয়েল এস্টেটসহ দেশটির সব রাষ্ট্রীয় সম্পদ নিয়ে তারা গঠন করতে যাচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম বিনিয়োগ তহবিল। এছাড়া ভূমি উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানান মোহাম্মদ বিন সালমান। সৌদি আরবের অর্থনৈতিক শহর কিং আবদুল্লাহ ফিন্যান্সিয়াল ডিস্ট্রিক্ট হবে বিনিয়োগ তহবিলটির সদর দপ্তর।
সামরিক কারখানা
বিকল্প অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সামরিক যন্ত্রপাতি কেনার ক্ষেত্রেও স্বাবলম্বী হতে চাইছে সৌদি আরব। প্রয়োজনীয় অস্ত্র দেশেই তৈরির লক্ষ্যে আগামী বছরের শেষ নাগাদ থেকে একটি সামরিক অস্ত্র উৎপাদন কোম্পানি গঠন করবে দেশটি। সামরিক বিষয়ে আগের চুক্তিগুলো পুনরায় পর্যালোচনা এবং এ খাতে অপচয় রোধেও পদক্ষেপ নেয়া হবে।
মোহাম্মদ জানান, সামরিক খরচের ৫০ শতাংশই দেশে করা হবে। এজন্য কাজও শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, সামরিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে সৌদি আরবের কিছু সমস্যা আছে। সৌদি ঘাঁটিগুলোতে প্রবেশ করলে দেখা যায় সেখানকার মেঝেগুলো মার্বেল পাথর খচিত। দেয়ালগুলো খুবই সুসজ্জিত। অথচ আমি মার্কিন ঘাঁটিতে গিয়ে দেখেছি, সেখানকার উপরিভাগ পাইপ নির্মিত, মেঝেতে কোনো মার্বেল পাথর এমনকি গালিচাও নেই। পুরোটাই সিমেন্ট।
তেলের বিকল্প অর্থনীতি
সৌদি আরবের নতুন পরিকল্পনা অনুসারে, দেশটির তার মোট অর্থনীতির ৩৫ ভাগ উৎপাদন করতে চাচ্ছে মধ্যম ও ছোট আকারের শিল্প থেকে। বর্তমানে এ খাত থেকে আয় হয় ২০ শতাংশ। তেল বাদ দিয়ে অন্য খাত থেকে তারা আয় করতে চাইছে অন্তত এক ট্রিলিয়ন ডলার। সৌদি নাগরিকদের বেকারত্বের হারও কমিয়ে আনতে চাইছে তারা। এ হার ১১.৬ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা সৌদি আরবের।

সরকার ব্যবস্থায় সংস্কার 

অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে রাজনীতিতেও সংস্কার আনার পরিকল্পনা আছে সৌদি আরবের। সরকারি কার্যক্রমের পরিসর বাড়াতে দেশটির রাজনৈতিক সংস্থা সুপ্রিম কাউন্সিল বিলুপ্ত করে কাউন্সিল অব পলিটিক্যাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্স এবং কাউন্সিল অব ইকনোমিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাফেয়ার্স নামের দুটি সংস্থা গড়ে তুলবে সৌদি সরকার। তবে রাজনৈতিক সংস্কারের কার্যক্রম ধীরে ধীরে করা হবে বলে জানান মোহাম্মদ। 

জনপ্রিয় অনলাইন ডেস্ক : হিজাব পরে ক্লাসে আসায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মনোবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছেন কোর্স শিক্ষক অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) বিভাগের শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলের প্রভাবশালী সদস্য। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্যও তিনি।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মনোবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রী অনেক দিন থেকেই বোরকা পরে নিয়মিত ক্লাসে আসছিলেন। কিন্তু ওই শিক্ষক তাকে বোরকা পরে আসতে নিষেধ করেন। একই সঙ্গে যতদিন হিজাব পরে আসবে ততদিন ক্লাসের উপস্থিতিও দেয়া হবে না বলেও জানিয়ে দেয়া হয়। এ হুমকির পর বেশ কয়েক দিন ক্লাসে ছাত্রীটির উপস্থিতি দেয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মে ক্লাস উপস্থিতি ৬০ শতাংশের নিচে হলে কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে না। তার সহপাঠীরা জানায়, ছাত্রীটি প্রতিদিন ক্লাসে উপস্থিত থাকলেও অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান তার নাম ডাকেন না এবং উপস্থিতিও দেন না। সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবার ক্লাসেও একই ঘটনা ঘটায় ছাত্রীটি দাঁড়িয়ে তার হাজিরা দিতে বলেন। কিন্তু শিক্ষক আজিজুর রহমান তাকে হিজাব খুলে ক্লাসে এলেই হাজিরা দেয়া হবে বলে সাফ জানিয়ে দেন। আজিজুর রহমান বলেন, তুমি ছাত্র না ছাত্রী সেটা কীভাবে বুঝবো? বিশ্ববিদ্যালয়ে তোমার আইডেনটিটি কী? এর পরপরই তাকে ক্লাস থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। এ ঘটনায় কয়েকজন ছাত্রী প্রতিবাদ করলে তাদেরও ক্লাস থেকে বের করে দেন এ শিক্ষক। তবে ঘটনাটি অস্বীকার করে অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান বলেন, হিজাব পরার কারণে তাকে বের করে দেয়া হয়নি। ওই ছাত্রীটি শিক্ষক ও বয়স্ক ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা করতে রাজি নয়। ওই দিনের ক্লাসেও সে আমার সঙ্গে অশ্রদ্ধাপূর্ণ আচরণ করেছে। যার কারণে তাকে ক্লাস থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. এএম আমজাদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনাটি আমি শুনিনি। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো পোশাক নির্দিষ্ট করে দেয়া নেই। যে যেকোনো পোশাক পরে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসতে পারবে। প্রসঙ্গত, অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান গত বছরও নাবিলা ইকবাল নামে তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে বোরকা পরে আসার কারণে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছিলেন।

জনপ্রিয় অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, মানুষের নিরাপত্তা, অধিকার এবং গণতন্ত্র এখন লাশবাহী গাড়ীতে। রাজধানীর কলাবাগানে বাসায় ঢুকে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাবেক প্রটোকল কর্মকতা জুলহাস মান্নান এবং তার বন্ধু মাহবুব রাব্বী তনয়কে হত্যার নিন্দা জানিয়ে মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি একথা বলেন। বিবৃতিতে তিনি কাশিমপুর কারাগারের সামনে সাবেক কারারক্ষী রুস্তম আলীকে গুলি করে হত্যার ঘটনারও নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানান।খালেদা জিয়া বলেন, মানুষের নিরাপত্তা, মানুষের অধিকার, ভোটাধিকার, নির্বাচন, গণতন্ত্র, শান্তি-স্বস্তি এখন লাশবাহী গাড়ীতে।
তিনি বলেন, ভোটারবিহীন সরকারের সহিংস রক্তপাত ঘটানো ছাড়া তাদের টিকে থাকার অন্য কোনো পথ খোলা নেই। দেশ পরিচালনায় যেহেতু জনগণের সমর্থন নেই সেহেতু খুন-জখম টিকিয়ে রাখাকেই তারা পরিত্রাণের পথ মনে করছে।
খালেদা জিয়া বলেন, দেশে যেকোনো হত্যাকাণ্ডকে নিজেদের স্বার্থে অতি অবিশ্বাস্য কল্পকাহিনী রচনা করা আওয়ামী লীগের স্বভাবধর্ম। কিছুদিন ধরে দেশব্যাপী বিভিন্ন ধর্ম সম্প্রদায় ও বিদেশি হত্যার ঘটনাগুলোতেও তারা একের পর অপপ্রচার চালিয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার হত্যাকাণ্ডের দোষ বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছে। ভোটারবিহীন সরকারের এই সমস্ত অপকৌশল মূলত প্রকৃত ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়া ও আসল অপরাধীদের আড়াল করা।
খালেদা বলেন, সরকার প্রধান যতই উচ্চস্বরে বক্তব্য দিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করুন না কেন তাভেল্লা হত্যাকাণ্ড থেকে শুরু করে জুলহাস মান্নান ও মাহবুব রাব্বি তনয় এবং রুস্তম আলী পর্যন্ত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের দায় এই সরকারকেই নিতে হবে। 
বেগম জিয়া বলেন, তিনি যতই উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর অপচেষ্টা করুন না কেন, জাতীয় অর্থনীতির হরিলুট, রাজকোষ চুরির ঘটনা এড়াতে তিনি যতই অপকৌশল করুন না কেন জনগণের দৃষ্টিকে ঝাঁপসা করতে পারবেন না। তার অপকৌশল বাস্তবায়ন করতে তিনি যতই দূষিত পরিকল্পনা করুন না কেন ভোটারবিহীন সরকারকে এর জন্য জনগণের নিকট একদিন জবাবদিহি করতেই হবে।
দেশের সার্বিক পরিস্থিতি অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন আরো বিপজ্জনক উল্লেখ করে তিনি বলেন,  দেশের মানুষ আতঙ্কে দিন যাপন করছে। ব্যাংকার, শিক্ষক, এনজিও কর্মী, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, ছাত্র, নারী, শিশুসহ অনেককেই রাষ্ট্রযন্ত্রের যথেচ্ছ ব্যবহারের কারণে জীবন দিতে হয়েছে।
খালেদা বলেন, সরকার সর্বক্ষেত্রে একচেটিয়াত্ব প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে গণতন্ত্রের পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক ভারসাম্যকেও চরমভাবে ভেঙ্গে ফেলেছে। সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ করতে গিয়ে রাষ্ট্রের সকল অঙ্গ নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। সুতরাং চারিদিকে অরাজকতারই জয়জয়কার। দেশে হত্যা, হানাহানি, রক্তপাত, অপহরণ, গুম, মুক্তিপণ আদায়, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড প্রচন্ড আধিপত্য বিস্তার করেছে।
তিনি বলেন, কর্তৃত্ববাদী শাসন এতো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, মানুষের মুখে টু শব্দ শুনলেই সেই মানুষের টুটি টিপে ধরার জন্য ধেয়ে আসে রাষ্ট্রযন্ত্র। মনে হয় আমরা যেন একটি পিশাচ দ্বীপে বসবাস করছি। সুস্থ পরিবেশে গণতন্ত্র চর্চা এখন কেবলমাত্র কবরেই সম্ভব। 
তিনি বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার কারণেই ক্ষমতাসীন দলের সশস্ত্র ক্যাডাররা উৎসাহিত হয়ে ভোটকেন্দ্র দখল করে, ব্যালট পেপারে বেপরোয়া সীল মারে এবং অস্ত্রের মুখে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেয়; খুন-জখমসহ নানাবিধ অনাচারে লিপ্ত থেকে দেশকে অতল গহব্বরের দিকে ঠেলে দেয়। তাই দেশে শান্তি প্রিয় সাধারণ মানুষ এখন আর স্বাভাবিক মৃত্যুর আশা করে না।
বিবৃতিতে খালেদা জিয়া দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত জুলহাস মান্নান ও তার বন্ধু সাংবাদিক মাহবুব রাব্বী তনয় এবং কারারক্ষী রুস্তম আলীকে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান।

এছাড়াও তিনি নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

জনপ্রিয় অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ মুক্তি পাওয়ার পর জেল গেট থেকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার রাত ৮টা ১০ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের গেট থেকে সাদা পোশাকে পুলিশ একটি নম্বরবিহীন গাড়িতে তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন তার আইনজীবী। ড. মাসুদের আইনজীবী এডভোকেট রোকন রেজা শেখ বলেন, জামায়াত নেতা ড. মাসুদ ইতিমধ্যে সবগুলো মামলা থেকে জামিন পেয়েছেন। এরপর তার পক্ষে হাইকোর্ট থেকে নো এ্যারেস্টের একটি রায়ও আছে। তারপরও আজ রাত ৮ টা ১০ মিনিটে তিনি মুক্তি পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় কারাগারের গেট থেকে সাদা পোশাকে পুলিশ একটি নম্বরবিহীন গাড়িতে করে তাকে তুলে নিয়ে গেছে। এসময় আরও দুই আইনজীবী এডভোকেট নুরুজ্জামান ও আশরাফুজ্জামান শাকিল উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরো জানা যায়, মাসুদকে আটকের সময় তার সমর্থকদের সাথে আটককারীদের ধস্তাধস্তি হয়। তবে, কারা মাসুদকে আটক করেছে এ বিষয়ে এখনো পরিস্কার করে কিছু জানা যায়নি।

জনপ্রিয় অনলাইন ডেস্ক : কলাবাগানের জোড়া খুনের মত বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের জন্য বিএনপি-জামায়াত চক্রকে অভিযুক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে এই চক্র গুপ্ত হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা রয়েছে সবাই তা জানে। দেশকে অস্থিতিশীল করতে বিএনপি-জামায়াত চক্র এ ধরনের নানা গুপ্ত ও জঘন্য হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত চক্র ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। কিন্তু তাদের আন্দোলন নির্বাচন বানচাল করতে ব্যর্থ হয়। তাই তারা এ ধরনের গুপ্ত হত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী গণভবনে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন বোর্ডের সভায় ভাষণে এসব কথা বলেন। সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের অবহিত করেন। শেখ হাসিনা বলেন, এটি শুধু আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয় নয়, দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের হত্যাকা- চালানো হচ্ছে। যারা এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তাদেরকে পাকড়াও করে বিচারের আওতায় আনা হবে। তিনি ঐক্যবদ্ধভাবে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড প্রতিরোধ এবং এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। তথ্য প্রদান করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সহযোগিতা করার জন্যও তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

অনলাইন ডেস্ক : সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বুধবার বিকেলে দশম জাতীয় সংসদে তিনি এই দাবি করেন।দশম অধিবেশনের চতুর্থ কার্যদিবসে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য নাবিল আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ রোধে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, জনগণের মৌলিক ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সব ধরনের জঙ্গিবাদ, নাশকতা ও সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ও হুকুমদাতাদের আইনের আওতায় আনতে ও তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিতে সরকার পুলিশসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাসগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে। পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার পদক্ষেপের ফলে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। মানুষ ন্যায়বিচার পাচ্ছে। ফলে শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিকভাবে দেশি-বিদেশি নাগরিকরা জীবনযাপন ও ব্যবসা-বাণিজ্য করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকায় দেশে  সন্ত্রাসবাদ এবং জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি দৃঢ়তর হচ্ছে।
আমজাদ হোসেন মিলনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে মডেল মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। ইতোমধ্যে মডেল মসজিদের দুটি স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে।
এ ছাড়া পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফরচুন ম্যাগাজিন বিশ্বের শীর্ষ ৫০ জন নেতার যে তালিকা করেছে, সেখানে মুসলিম দেশগুলোর সরকারপ্রধান হিসেবে কেবল আমার নামই আছে।

মুসলিমপ্রধান দেশ হিসেবে ইসলামি ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার যথাযথ মেলবন্ধনের মধ্য দিয়ে আমাদের সরকার যে কয়েকটি ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি সাধন করেছে, তার একটি হলো- নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন। নারীর ক্ষমতায়নের পাশাপাশি সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল, শিক্ষা ও তথ্য-প্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের সরকারের অগ্রণী ভূমিকা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করেছে।

আবিদুল ইসলাম রিমন: চমকের ওপর নাম সিলেটের মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি।সিলেটের সবকটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মধ্যে র‍্যংকিং এ নাম্বার ওয়ান স্বীকৃতি অনেক আগেই পেয়েছিলো তারা।তবে 

তাতে তারা ক্লান্ত হয়নি।একের পর এক তথ্য প্রযুক্তি তৈরি করে তারা যেমন দেশকে তথ্য প্রযুক্তি খাতে সমৃদ্ধ করার চেষ্ঠা করছে,ঠিক তেমনি তথ্য প্রযুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সিলেটের এক মাত্র প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি হিশেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে লড়াই করে বয়ে এনেছে দেশের জন্য সম্মান। তবে শীঘ্রই মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি হয়তো দেশের জন্য লড়াই করার আবার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে।তবে সেটা তথ্য প্রযুক্তিতে নয়,বাংলাদেশ জাতীয় দলের গর্বীত সদস্য হয়ে!কি চমকে গেলেন?তাহলে শুনেন।রবি পেসার হান্টের যথাক্রমে দ্বিতীয় এবং পঞ্চম হয়েছে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি ক্রিকেট দলের গতি তারকা ইমরান আলী এনাম এবং বুলেট খালেদ। জনপ্রিয়২৪ডটকমের সাথে একান্ত আলাপে ভার্সিটির ডিরেক্টর(প্রশাসন) তারেক ইসলাম বলেন,এনাম এবং খালেদ দুজনই মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী এবং টিম মেট্রোপলিটনের তারকা ক্রিকেটার।গত কয়েক বছর ধরে তারা টিম মেট্রপলিটিনের হয়ে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত বোলিং করে আসছে।পাশাপাশি তারা জাতীয় লিগেও খেলছে।সেই হিশেবে তাদের নিয়ে আমাদের প্রত্যাশা ছিল।ভাল লাগতেছে আমাদের প্রত্যাশা পূরণ হতে দেখে। জাতীয় লীগে টিম মেট্রোপলিটনের আরো পাঁচ জন ক্রিকেটার খেলেন জানিয়ে তিনি আরো বলেন,আমাদের ভার্সিটির সর্বমোট পাঁচজন ক্রিকেটার জাতীয় লীগে খেলেন।তাদের নিয়েও আমরা আশাবাদী।পাশাপাশি আমাদের একটি ফুটবল টিম আছে। আমরা কোচ দিয়ে তাদেরও প্র্যাক্টিসের ব্যবস্থা করেছি।আশাকরি ক্রিকেটের মতো ফুটবলেও আমরা চমক দিতে পারবো। তিনি আরো বলেন,মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি শুধু শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার জন্য নয়,প্রতিভা বিকাশের প্ল্যাটফর্ম হিশেবে কাজ করতে চায়।

জনপ্রিয় অনলাইন : গত দশদিনে সারা দেশে ৩৩২ জন খুন হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী তিনমাসে দেশে অন্তত ১৫শ মানুষ খুন হয়েছে। একটিরও সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি। পুলিশের তথ্যানুযায়ী চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চারমাসে দেশে খুন হয়েছে ১১৯২। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ২৬৭, ফেব্রুয়ারি ২৯১, মার্চে ৩০৭ ও এপ্রিলে ৩২৭ জন।
সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীতে নিজ বাসায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাবেক প্রটোকল কর্মকর্তা জুলহাস মান্নান ও তার বন্ধু নাট্যকর্মী মাহবুব রাব্বী তনয়কে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।  এ ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে আনসার আল ইসলাম নামে একটি জঙ্গি সংগঠন। এইদিন সকালে কাশিমপুর কারাগারের গেটের সামনে প্রধান কারারক্ষী সার্জেন্ট ইন্সট্রাক্টর রুস্তম আলীকে গুলী করে হত্যা করা হয়। এর একদিন আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রেজাউল করিমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর গতকাল মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরের রাজাবাজার এলাকা থেকে হুমাইরা জাহান সুখি নামে এক বিমান বালার লাশ উদ্ধার করা হয়।
এসব ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতেই এসব টার্গেট কিলিং হচ্ছে। ২০ দলীয় জোটের নির্দেশে এসব হচ্ছে। অন্যদিকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক বলেছেন-পুলিশ ঘরে ঘরে পাহারা দিতে পারবে না। জঙ্গিদের টার্গেট সম্পর্কে জানার মেকানিজম পুলিশের কাছে নেই।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাউকে নিরাপত্তা দিতে পারছে না। হত্যাকাণ্ডের পর খুনিদের গ্রেফতার করতে পারছে না আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। দেশে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকলেও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের নিয়ে বেশি সময় ব্যস্ত থাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ফলে অপরাধী গ্রেফতারের চেয়ে রাজনৈতিক মামলার আসামীদের গ্রেফতারে ব্যস্ত থাকছে বেশি। রাজনৈতিক কর্মসূচি না থাকলেও পুলিশকে তার পাহারায় থাকতে হচ্ছে। এসব কারণে হত্যাকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। অধিকাংশ ঘটনারই সুরাহা করতে পারছে না তারা।
গত ২৪ এপ্রিল রাজধানীর ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরায় বালুর মাঠের পাশ থেকে এক অজ্ঞাত তরুণীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বস্তাবন্দী অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। পুলিশের ধারণা, তাকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। গত রোববার ভোরে সাভারের আশুলিয়ায় সীমা (২২) নামের এক পোশাক শ্রমিককে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহত সীমা আক্তার পাবনার ফরিদপুর থানার বিয়ালবাড়ী গ্রামের জাহিদুল ইসলামের মেয়ে। একইদিন পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় আল আমিন হোসেন (৩৫) নামে এক চরমপন্থী নেতাকে গলাকেটে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। তিনি একই গ্রামের ফজলাল মিয়ার ছেলে এবং চরমপন্থী সংগঠন পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি এমএলের (লাল পতাকা) আঞ্চলিক নেতা ছিলেন। এদিন বিকেলে রাজশাহী শিল্প ও বণিক সমিতির সাবেক প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ জিয়াউল হক টুকু (৫২) নিজ পিস্তলের গুলীতে মারা গেছেন। এর আগে রাজশাহী নগরভবনের সামনে দরিখরবনায় তার নিজ চেম্বারে গুলীবিদ্ধ হন। এছাড়া গত ১৮ এপ্রিল ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী গ্রামের একটি পরিবারের কিলঘুষিতে মো. আনোয়ার হোসেন (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এদিন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুজনকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষের লোকজন। তারা হলেন আবুল কাশেম ও মঞ্জুর হোসেন।
তৃতীয় ধাপের নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ফরিদপুর, গাজীপুর, পাবনা ও মাগুরায় ৪ জন নিহত হয়েছেন। সিলেটের ওসমানীনগরে ধর্ষণে বাধা দেয়ায় পানিতে ফেলে রাইজুল মিয়া (৭) নামে এক শিশুকে হত্যা করা হয়। পঞ্চগড় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সেরেস্তা থেকে রামেশ্বর সাহা (৫৫) নামে এক দায়রা সহকারীর (সেশন সহকারী) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আদালতের নেজারত শাখার (নায়েম নাজিরের চেম্বার) গ্রিলের সঙ্গে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
গত ২৩ এপ্রিল রাজশাহীর শালবন এলাকায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। বগুড়ার শেরপুর শহরে শারমিন আক্তার তনি (২৬) নামে এক গৃহবধূর গলাকেটে হত্যা করেছে স্বামী। নিহত শারমিন শেরপুর উপজেলা সদরের ধুনটমোড় এলাকায় শফিকুল ইসলাম তারুর মেয়ে। ঘটনার পর থেকে দুই সন্তান নিয়ে স্বামী পলাতক রয়েছে। এছাড়া বগুড়ার শেরপুরে শারমিন আক্তার তনু নামের এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তনির শ্বশুরের নির্বাচনী ব্যয় মেটানোর টাকা না পেয়ে স্বামী আব্দুল মতিন তাকে নৃশংসহভাবে হত্যা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার পরদিন রাজশাহী নগরীর হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ধর্ষণের পর ওই ছাত্রীকে হত্যা করা হয়।
গত শনিবার ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় নির্বাচনী সহিংসতায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ওইদিন বিকেলে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সাধু পরমানন্দ রায়কে (৭৫) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। মাগুরার শ্রীপুরে চর জোকা গ্রামে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বাবলু মিয়া নামে একজন নিহত হয়েছেন। গাজীপুরে হযরত আলী নামে আরও একজন নির্বাচনী সহিংসতায় মারা গেছেন।
গত ২২ এপ্রিল ঝিনাইদহে ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ভাই নিহত হয়েছে। এছাড়া যশোর শহরের নিউমার্কেট এলাকায় শামীম হোসেন (২৫) নামের এক তরুণকে পিটিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এদিন কক্সবাজারের টেফনাফ উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে গুলী করে মোহাম্মদ হাসেম নামের এক যুবককে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। উপজেলার হামজা পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুণ্ড উপজেলা শহরে তালাকপ্রাপ্ত স্বামী স্ত্রীকে হত্যা করেছে। নিহত ওই নারী হরিণাকু-ুর ফজলুর মেয়ে লিপা খাতুন (২২)। পুলিশ স্বামী ঠান্ডু মণ্ডলকে আটক করেছে। ২৩ এপ্রিল সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের বলরাম গ্রামে লাইজু বেগম (২৬) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
টেকনাফে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে প্রতিপক্ষের গুলীতে খুন হয়েছে মো. হাশেম (৩৫) নামে এক যুবক। ২১ এপ্রিল সাটুরিয়ায় এক মামার মারধর থেকে অপর মামাকে রক্ষা করতে এসে খুন হয়েছে অনাথ কিশোর ভাগ্নে সুশান্ত সরকার (১৬)। ২০ এপ্রিল কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী সীমান্তে বিএসএফের নির্যাতনে আব্দুল বারেক নামের এক গরুর রাখাল (ডাঙ্গালু) মারা গেছে। একইদিন রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় দুর্বৃত্তদের হাতে দুই যুবক খুন হয়েছেন। নিহতরা হলেন পরিবহন শ্রমিক আনোয়ার হোসেন (৩৫) ও লেগুনা চালক মো. রানার (২০)। রাজধানীর গাবতলী ও খিলগাঁওয়ে এই ঘটনা দুটি ঘটে।
ওইদিন দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মাইজচর বিলে আলম মিয়া (৪০) নামে এক কৃষক প্রতিপক্ষের বল্লমের আঘাতে খুন হয়েছেন। ১৯ এপ্রিল চাঁদা না পেয়ে রাজধানীর মুগদায় সন্ত্রাসীরা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের সাবেক উপপরিচালক আব্দুস শুক্কুরকে (৬২) পিটিয়ে হত্যা করে। ১৭ এপ্রিল বারিশালের বাকেরগঞ্জে পরিছন্নকর্মী গৌতম মালিকে (৪৫) গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত ৪ এপ্রিল রাতে পুরান ঢাকায় মসজিদের ভেতরে মাওলানা মো. বিল্লাল হোসেন (৪৯) নামে একজন মুয়াজ্জিনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এর আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সান্ধ্যকালীন কোর্সের ছাত্র, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও গণজাগরণ মঞ্চের সক্রিয় কর্মী নাজিম উদ্দিন সামাদকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। গত ২০শে মার্চ রাত সাড়ে ১০টায় কুমিল্লা সেনানিবাসের অলিপুর কালো ট্যাংকি এলাকা থেকে সোহাগী জাহান তনুর লাশ উদ্ধার করা হয়। তার পিতা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক। পরিবারের সঙ্গে সেনানিবাসের অলিপুর এলাকায় থাকতেন তনু।

এখন দেশে তেমন কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নেই। এরপরও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটছে। একের পর এক ঘটেই চলছে লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড। কখনো গলাকেটে, কখনো গুলী করে মানুষ খুন করা হচ্ছে। একটির কিনারা না হতেই ঘটছে আরেকটি। একটির তদন্ত শুরু না করতেই আরকেটি ঘটনা। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। চারদিকে কেবল উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।//নাছির উদ্দিন শোয়েব।

মোঃ কামরুজ্জামান,ফ্রান্স প্রতিনিধি : ইউরোপে বাংলাদেশীদের রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের ক্ষেত্রে বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন সহ অন্যান্য দেশের মধ্যে ফ্রান্সে তুলনামূলক সহজ । বিগত

 সময়ে ইউরোপের অন্যান্য দেশের চেয়ে অনেক বেশী বাংলাদেশী ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয় লাভ করেছেন।প্রবাসীদের মতে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সমস্যা বিদ্যমান থাকার সুযোগে অনেক ভারতীয় বাংলা ভাষী নাগরিকও বাংলাদেশী পরিচয়ে ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয় লাভ করেছেন এবং তা অদ্যবধি পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।ভারতীয়দের বাংলাদেশের পরিচয় দেওয়ার যুক্তিসংগত কারণ  OFPRA ভারতকে  ৩০শে জুন ২০০৫ তারিখ হইতে নিরাপদ দেশের তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করেছেন। যদিও তার অনেক আগে থেকেই  ফ্রান্সে ভারতীয়রা সংখ্যালঘু হিসেবে বাংলাদেশী সেজে আশ্রয় আবেদন করতো, আশ্রয় লাভ করার জন্যকিন্ত তারা ভারতীয় সংখ্যাগুরু, বাংলাদেশী সংখ্যালঘু নয়, তারা ভুয়া বাংলাদেশী। সাধারণত নিরাপদ দেশের তালিকায় থাকলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে OFPRA তাদের ফাইল নিষ্পত্তি করে দেয় এবং এই তালিকার অন্তুর্ভুক্ত দেশসমুহের আশ্রয়প্রার্থীগণ সাধারণত ভাতা বা CADA এর বাসস্হান সুবিধা পায় না। তাই ভারতের সংখ্যাগুরু লোকজন বাংলাদেশের নাগরিক সেজে সংখালঘূ হিসাবে আবেদন করে এবং তারা  অনেক ক্ষেত্রে বৈধতাও পেয়ে যায় । এখানে উল্লেখ্য যে অফেরাতে ইন্টার্ভিউতে আবেদনকারী সংখালঘু কিনা তা যাচাইয়ের জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রে ধর্মীয় বিষয় সঙ্ক্রান্ত প্রশ্ন করে থাকেন। ভারতীয়রা যেহেতু হিন্দু প্রধান দেশের নাগরিক, তাই এই ক্ষেত্রে তারা সহজেই প্রমাণ করতে পারে যে সে সংখালঘূ  সম্প্রদায়ের । তাই এভাবেই ফ্রান্সে ভুয়া বাংলাদেশীরূপী অধিকাংশ ভারতীয়রা মিথ্যা পরিচয়ে বৈধ হয়ে যায়। আবার এদের বৈধতা পেয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে বড় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকে কিছু অসৎ প্রবাসী বাংলাদেশী, এমনটি অভিযোগ অনেক প্রবাসীর। তাদের অভিযোগ এই অসাধু চক্র শুধু কাগজ পত্র সরবরাহ করে না, ভারতীয়দের বাংলাদেশের জন্ম সনদ পর্যন্তও এইসব কুলাংগাররা সরবরাহ করে থাকে এবং তা বাংলাদেশের সরকারী ওয়েব সাইটেও পাওয়া যায়। তাই একজনের জন্ম সনদ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েব সাইটে দেওয়া তথ্যের সাথে মিললে, সেই ক্ষেত্রে ফ্রান্স কতৃপক্ষের কিছুই করার থাকেনা। তাই প্রবাসীদের উচিত হবে এই সব দুর্নীতিবাজদের আইনে সোপর্দ করা, যারা ভারতীয়দের বাংলাদেশের বিভিন্ন কাগজ পত্র সরবরাহ করছেন। একই সাথে ফ্রান্স প্র্রবাসীদের দাবী বাংলাদেশী হিসেবে যেসকল ভারতীয়রা ইউরোপে রাজনৈতিক আশ্রয় লাভ এবং বর্তমানে আবেদন করেছে, তাদের খুঁজে বের করা এবং ফ্রান্স তথা সংশ্লিষ্ট দেশের কতৃপক্ষকে তা অবগত করা ।  

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের হিসাব মতে প্রায় ৮০ হাজার অবৈধ বাংলাদেশী ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাস করছেন ।যদিও এর সঠিক পরিসংখান নিয়ে প্রবাসীদের দ্বিমত রয়েছে।কিন্তু এর মধ্যে বের করা প্রয়োজন সত্যিকার অর্থে কত শতাংশ বাংলাদেশী নাগরিক রয়েছেন। ফ্রান্স প্রবাসী বাংলাদেশীরা ক্ষোভের সহিত বলেন কিছু অসাধু ও অসৎ প্রবাসী বাংলাদেশীরা অর্থের বিনিময়ে ভারতীয়দের সেবা করে যাচ্ছেন। আর ভারতীয়রা বাংলাদেশী পরিচয়ে ফ্রান্সে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা গুলো লাভ করা ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অপকর্ম  করছেন , আর এ দায় পড়ছে বাংলাদেশীদের উপর এবং এই ভাবে বহিঃবিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম নষ্ট হচ্ছে।   

এই ক্ষেত্রে ফ্রান্সে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে, আর এই জন্য প্রয়োজন সরাসরি প্রবাসীদের সাথে ম্পর্ক স্থাপন। মূলত দূতাবাস কর্মকর্তারা  সরকারী কোন প্রোগ্রাম ছাড়া অন্য কোন প্রোগ্রামের আয়োজন করেন না। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে দূতাবাসের কর্মকর্তারা ফ্রান্সে বাংলাদেশীদের অর্থশালিদের কিছু সংগঠন বা তারা যেসব প্রোগ্রামে অংশ গ্রহণ করেন, সেই সব প্রোগ্রামে অংশ গ্রহণ করে থাকেন। কিন্তু বাস্তবে এই সব সংগঠনের সাথে বেশীর ভাগ প্রবাসীদের সম্পৃক্ততা নাই। দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কাছে প্র্রবাসীদের অনুরোধ তাদেরকে যেন ঐ সব সংগঠনের নেতাদের কাছে তাদেরকে পণ্য না বানানো হয় । কারণ বেশীর ভাগ সংগঠনের নেতারা দাবী করে থাকে যে, তাদের কল্যাণে দূতাবাসের কর্মকর্তারা এসেছেন ।তাই  প্রবাসীদের দাবী শুধু প্যারিস নয় , অন্যান্য  শহরে যেখানে বাংলাদেশীরা বসবাস করেন, সেখানে দূতাবাসের নিজ উদ্যোগে যেন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।আবার অনেকে মনে করেন, দূতাবাস কোন সংগঠনের সহযোগিতা ছাড়া প্রোগ্রাম করলে সেই প্রোগ্রামে প্রবাসীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ গ্রহণ করবেন। অনেকে ক্ষোভের সহিত বলেন কিছু কিছু সংগঠনের নেতারা তাদের সংগঠনের অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের আনাকে তাদের নিজস্ব ক্ষমতা বলে দাবী করে।তাই অনুষ্ঠানের পরও প্রবাসীরা এই সকল কথা শুনে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের উপর বিরক্তি ভাব প্রকাশ করে থাকেন। তাই প্রবাসীদের কল্যাণে দূতাবাসের উচিত হবে বিভিন্ন শহরে বছরে এক বারের জন্য হলেও দূতাবাসের সেবা সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা। দূতাবাসের সাথে সরাসরি প্রবাসীদের সম্পৃক্ততা এবং সু-সম্পর্ক গড়ে উঠলে এরই মাধ্যমে অনেকটা সহজ হবে সত্যিকার অর্থে কতজন বৈধ এবং কতজন অবৈধ বাংলাদেশী আছেন ।এই ভাবে মিলেমিশে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করলে বাংলাদেশী পরিচয়ে কতজন ভারতীয় নাগরিক আছেন, এরও একটা ধারণা লাভ করা সম্ভব হবে, এর ফলে ভারতসেবীদের অনেকটা টনক নড়বে, সাথে সাথে তাদেরকেও শনাক্ত করতে সহজ থেকে সহজতর হবে          

তাই নিজ মাতৃভূমি বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে, নিজের পরিবার পরিজন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মঙ্গলের জন্য যারা ভারতীয়দের সেবা করে যাচ্ছেন, তারা সাময়িক সুবিধার লোভ পরিত্যাগ করে বাংলাদেশীদের কল্যাণে কাজ করবেন, এই প্রত্যাশা সকল প্রবাসী বাংলাদেশীদের ।একই সাথে প্রবাসে বৈধ ও অবৈধ বিচার না করে সকল প্রবাসী বাংলাদেশীরা নিজেদের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ ভাতৃত্ববোধ সম্পর্ক গড়ে তুলে নিজেদের কল্যাণে একে অপরের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন এই আহ্বান সকল প্র্রবাসী বাংলাদেশীদের ।  

মোহা: আব্দুল মালেক হিমু (মাম হিমু): প্রবীণ সাংবাদিক শফিক রেহমান কে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রতিবাদ সভা করেছে জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদ ফ্রান্স । সোমবার 

প্যারিসের একটি রেষ্টুরেন্টে সংগঠনের আহবায়ক শামিমা আক্তার রুবীর সভাপতিত্বে এবং গোলাম রসুল রুবেলের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফ্রান্স বিএনপির সাধারন সম্পাদক এম এ তাহের, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ফ্রান্স বিএনপির সহ সভাপতি অধ্যাপক তাসলিম উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ওমর গাজী, কৃষি গবেষক ডক্টর মোহাম্মদ কামরুল হাসান, প্রকৌশলী 

এম শরিফুল ইসলাম, বদরুল হাসান, আল আমিন, কাজি শাহিন ও সাঈদ আহম্মেদ। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফ্রান্স বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ তাহের বলেন, শফিক রেহমান সত্য উচ্চারণে অবিচল ও সাহসী এক কলমযোদ্ধা। সে কারণে সরকার তাঁকে কবজা করতে না পেরে মিথ্যা অযৌক্তিক  অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করেছে । এটি সরকারের চরম স্বেচ্ছাচারিতারই বহিঃপ্রকাশ। সরকারের অনাচার ও ব্যর্থতার বিরুদ্ধে অবিচল নির্ভয়ে লিখে যাওয়ার কারণে শফিক রেহমানকে

 গ্রেফতার করা হয়েছে।  অবিলম্বে শফিক রেহমানসহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি দেয়া না হলে ফ্রান্স থেকে কঠোর কর্মসূচি দেয়ার হুশিয়ারি দেন । সংগঠনের আহবায়ক শামীমা আক্তার রুবী বলেন, দেশে কথা বলার স্বাধীনতা নেই, লেখার স্বাধীনতা নেই। শফিক রেহমান আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিক, তার বিরুদ্ধে কোনো মামলাও নেই। শুধু মাত্র এই অবৈধ প্রধানমন্ত্রীর ছেলের অপকর্ম ঢাকতেই ৮৩ বছর বয়সী শফিক রেহমানের বিরোদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে । তিনি অবিলম্বে শফিক রেহমান, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এবং শওকত মাহমুদসহ সকল সাংবাদিকদের  বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানান ।  সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বদরুল ইসলাম, লুতফুর রহমান, ফারজানা আফরোজা, মনিরুল হক, সাইদুল ইসলাম লিটন, তছলিমা আক্তার, সজিব, এমরান হোসেন, আং রহিম খান প্রমুখ ।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget