বদরুল-খাদিজার যুগল ছবি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়

সিলেট : দেশ-বিদেশে বহুল আলোচিত কলেজ ছাত্রী খাদিজার সাথে শাবি ছাত্র বদরুলের প্রেমের ঘটনা। যার সূত্র ধরে বদরুল আলমের চাপাতির কোপে গুরুতর আহত হয় খাদিজা বেগম নার্গিস। বেশ কিছুদিন সংজ্ঞাহীন থাকার পর এখন কিছুটা উন্নতির দিকে খাদিজার শারিরীক অবস্থা।
ঢাকার স্কয়্যার হাসপাতালে খাদিজা এখনো চিকিৎসাধীন। এই ঘটনার পর থেকে চাপাতি খ্যাত বদরুল এখন কারাগারে। খাদিজার বাড়িতে লজিং থাকাকালে বদরুল তার প্রেমে পড়ে। বদরুলের দাবি, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় খাদিজাকে নিয়ে ঘুরে বেড়ায় সে। খাদিজার পরিবার বিষয়টি টের পেয়ে বাড়ি থেকে বিদায় করে দেয় বদরুলকে। তারপরও তাদের প্রেম থেমে থাকেনি। সুযোগ সুবিধামতো খাদিজা ঠিকই বদরুলের সাথে দেখা করতো। তাদের এই প্রেম নিয়ে অনেক ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়। একদিকে বদরুলের দাবি তাদের প্রেম ছিল, অপরদিকে খাদিজার পরিবার বিষয়টি পুরোপুরিভাবে অস্বীকার করেছেন। কিন্তু বদরুল-খাদিজার একটি যুগল ছবি এখন ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে। এ নিয়ে তোলাপাড় শুরু হয়েছে গোটা সিলেট জুড়ে। ছবিটি সোমবার বিকেলে অন্তু নামক এক ছাত্রলীগ কর্মী ফেইসবুকে শেয়ার করে। এসময় তিনি লিখেন,এদের দুজনকে চিনতে পারছেন কারা???
তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি এডিট করা বলে দাবি করছেন খাদিজার পরিবার। বদরুলের সাথে খাদিজার কোন যুগল ছবি নেই বলে দাবি করেন তার চাচা আব্দুল কুদ্দুস। তিনি বলেন, মামলাকে ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য বদরুলের পক্ষে কেউ অপপ্রচার চালাতে পারে।
গত ৩ অক্টোবর সোমবার সিলেটের এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে খাদিজাকে গুরুতর আহত করে শাবি ছাত্রলীগ সহ সম্পাদক বদরুল আলম। প্রেম প্রত্যাখ্যান করায় তার উপর হামলা চালায় সে। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করে গণপিটুন দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয় জনতা। ঘটনার পরদিন খাদিজার চাচা আব্দুল কুদ্দুস বাদি হয়ে খাদিজাকে হত্যা প্রচেষ্টার অভিযোগ এনে শাহপরান থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় একমাত্র আসামী করা হয় ছাত্রলীগ নেতা বদরুলকে। হামলার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে বদরুল। শিগগিরই দেশে বিদেশে তোলপাড় সৃষ্টি করা এই ঘটনার চার্জশীট প্রদান করা হবে।
সুত্র: আজকের সিলেট ।

Post a Comment

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget