বিয়ানীবাজারে জমে উঠেছে ঈদের বাজার বজরঙ্গি ভাইজান, বাজিরাও মাস্তানির দিকে ঝোঁক তরুণীদের

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ ঈদ মানেই খুশি,ঈদ মানে আনন্দ। মুসলমানদের প্রধান এ ধর্মীয় উৎসব ঘিরে সবার মধ্যে থাকে নানা আয়োজনের পরিকল্পনা। বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ঘোরা থেকে শুরু করে সুস্বাদু সব খাবারের আয়োজন।

তবে এসব কিছুকে ছাপিয়ে প্রথমে সবার কাছে যেটা প্রথম চাওয়া তাঁ হচ্ছে মনের মত পোশাক। ঈদ বলে কথা, মনের মত পোশাক না হলে তো বলতে গেলে ঈদ আনন্দের পূর্ণতাই পায় না। নতুন পোশাকই যেন ঈদের পূর্ণতা। তাই রোজার মাঝামাঝি থেকেই শুরু হয়ে যায় ঈদের কেনাকাটা। সারা দেশের মত প্রবাসী অধ্যুষিত বিয়ানীবাজারের অবস্থাও অনেকটা এরকম। ঈদকে সামনে রেখে কেনাকাটায় ব্যস্ত সবাই। কাপড় ব্যবসায়ীরাও লক্ষ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে ঈদের পোষাক সামগ্রী এনেছেন ভারত ও রাজধানী ঢাকা থেকে। বাহারী ডিজাইনের এসব পোশাকের মধ্যে বাজার ছেয়ে গেছে ভারতীয় পোশাকে। ক্রেতারাও কিনছেন তাদের পছন্দসই পোশাক।
বিয়ানীবাজার পৌরশহরের বিভিন্ন শপিংমল ও বিপনী বিতান ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে ফুটপাত থেকে শুরু করে বড় বড় শপিংমলগুলো। বিশেষ করে ২০ রমজানের পর থেকে প্রতিটি দোকানে বিক্রি হচ্ছে অর্ধলক্ষ টাকা থেকে শুরু করে কয়েকলক্ষ টাকা। তাই অনেক খুশি বিক্রেতারাও।
বিক্রেতারা জানান, ঈদ যত এগিয়ে আসছে, ততোই জমে উঠছে ঈদের বাজার। বিশেষ করে ২০ রমজানের পর থেকে তাদের বিক্রির মাত্রাটা অনেকগুণ বেড়েছে। গতবছরের মত এবারও ঈদে দেশি পোশাকের চেয়ে বিদেশি পোশাকের প্রতি ক্রেতাদের ঝোঁক বেশি বলে তাঁরা জানান।
এবারের ঈদের বাজারে তরুণীদের জন্য রয়েছে- ফ্রক, জিপসি, লেহেঙ্গা, থ্রিপিস, সিনথেটিক ফ্রক।
পাশাপাশি বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে, বজরঙ্গি ভাইজান, বাজিরাও মাস্তানি, সারারা প্রভৃতি ভারতীয় পোশাক।
পৌরশহরের সাত্তার সুপার মার্কেট, জামান প্লাজা, আল আমীন সুপার মার্কেট, আজির শপিং কমপ্লেক্সে এসব পোশাক বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার টাকা থেকে ৩৫/৫০ হাজার টাকায়।
ক্রেতাদের কয়েকজন জানান, মার্কেটজুড়ে দেশি-বিদেশি নানান ডিজাইনের পোশাক থাকায় পছন্দ করে কেনা যাচ্ছে। এরমধ্যে বিদেশি পোশাকের প্রাধান্য বেশি। তবে অনেকে আছেন যারা, ঈদের জন্য দেশি বুটিকস, সুতি কাপড়কে বেছে নিচ্ছেন।

জামান প্লাজার ব্যবসায়ী হাফিজ উদ্দিন ও জুবের আহমদ জানান, এবারের ঈদ বাজারে দেশি কাপড়ের তুলনায় বিদেশি কাপড় বেশি বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশি বুটিকসের কাপড়ও কিনছেন অনেকে। রোজার শেষপর্যায়ে এসে বিক্রির মাত্রাও বেড়েছে জানিয়ে তারা বলেন, আশা করছি আমাদের টার্গেট ফিলাপ হবে।

Post a Comment

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget