2016

মোঃ কামরুজ্জামান, ফ্রান্স থেকে : ফ্রান্সের পিঙ্ক সিটি খ্যাত তুলুজে ২০১৪ সালে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর প্রবাসী বাংলাদেশীরা একে অপরের সাথে পূর্বের মত সৌহার্দপূর্ণ, ভাতৃত্ববোধ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে বসবাস করলেও সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশী কমিউনিটি এসোসিয়েশন তুলুজ ফ্রান্স এর ২০১৭- ২০২০ সালের কার্যকরী পরিষদের কমিটি গঠন হওয়ার পর একটি কুচক্রী মহল পূর্বের ন্যায় তুলুজে বসবাসরত বাংলাদেশী কমিউনিটিতে বিশৃঙ্খলা পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারা করতেছে।সংঘবদ্ধ চক্রটি পূর্বের ন্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে নাম পরিচয়হীন ভুয়া আইডির মাধ্যমে কমিটির নেতৃবৃন্দদেরকে মানহানি এবং সমাজের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে।বিষয়টি কমিউনিটির নজরে এলে প্রবাসীরা ঘৃণা ভরে তাদের এই অসাধু ও ঘৃণিত কার্যকলাপের নিন্দা জানিয়েছেন।
অনেকে ক্ষোভের সহিত বলছেন যারা ফেসবুকের মাধ্যমে এই ভাবে কাঁদা ছুঁড়াছুঁড়ি করে, মূলত তারা ফ্রান্সে বসবাসরত সকল বাংলাদেশীদের পরোক্ষভাবে ক্ষতি করিতেছে।আবার অনেকে বলছে যারা নাম পরিচয় গোপন করে ফখরুল  আকম সেলিম এবং জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে লিখছেন, তারা আসলে ফখরুল  আকম সেলিমের সাথে ব্যক্তিগত সমস্যার জন্য প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে তাহাকে হয়রানী ও মানহানি করার চেষ্টায় লিপ্ত আছে। সত্যিকারে এই চক্রটি যদি কমিউনিটির মঙ্গল চাইত, তাহলে নাম পরিচয় গোপন না করে কমিউনিটির কল্যাণে তাদের সুচিন্তিত মতামত উপস্থাপন করতে পারত। তাদের যুক্তি ও মতামত সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হলে কমিউনিটির সকল লোকজন তাদের সাধুবাদ জানাইত কিন্তু তারা তা না করে ভুয়া ফেসবুক আইডির মাধ্যমে মানহানির চেষ্টায় লিপ্ত আছে, আর এতে নির্দ্বিধায় প্রমাণিত হয় ফখরুল আকম সেলিম এবং জাহাঙ্গীর হোসেনের উপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যই তারা এই অসাধু পন্থার পথ বেছে নিয়েছে এবং সাথে সাথে এও সুস্পষ্ট হয় যে তাদের ক্ষতি করার জন্য এই চক্রটি বদ্ধ পরিকর।

 তুলুজে বসবাসরত প্রবাসীদের প্রত্যাশা অতীতের মত আর যেন কোন নাটক বা অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি না হয় এবং একই সাথে প্র্রবাসী বাংলাদেশীদের দাবী  পূর্বের ন্যায় কারোর উপর হিংসাত্মের দরুন প্রবাসে যেন আর দেশের সুনাম নষ্ট না হয়।   


উল্লেখ্য তুলুজে প্রায় দুই হাজার বাংলাদেশী বসবাস করেন।রাজধানী প্যারিসের পর তুলুজেই অধিক সংখ্যক প্র্রবাসী বাংলাদেশীরা বাস করে থাকেন।   

মোঃ কামরুজ্জামান,ফ্রান্স থেকে : গত ২৫শে ডিসেম্বর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের লা কর্ণভ মাঠে বি.সি.এফ বিজয় দিবস ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০১৬ এর ফাইনাল খেলা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

গত ১৮ই ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখ থেকে ২৫শে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন ফ্রান্স এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট ক্লাব প্যারিসের যৌথ আয়োজনে বিসিএফ বিজয় দিবস ক্রিকেট টুর্নামেন্টে সাত জন বীরশ্রেষ্ঠ এর নামে সাতটি এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নামে একটি দল সহ মোট আটটি দল অংশ গ্রহণ করে। গতকালের ফাইনাল খেলায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ দল চ্যাম্পিয়ন এবং জেনারেল এম এ জি ওসমানী রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় । পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বি.সি.এফ এর প্রধান উপদেষ্টা মোজাম্মেল হোসাইন , আয়োজক কমিটির অন্যতম প্রধান বিসিএফ পরিচালক এম ডি নূর , বাংলাদেশ ক্রিকেট ক্লাব প্যারিসের সভাপতি আজিজুল হক সুমন , সাধরণ সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান টিপু , ফঞ্চে আবেক রাব্বানীর পরিচালক কৌশিক রাব্বানী খান ও রেড বিডি প্রোডাকশনের কর্ণধার জাকারিয়া মিঠু প্রমুখ। বিজয় দিবস ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফল করার জন্য যারা সহযোগিতা করেছেন, টুর্নামেন্টের আয়োজক কমিটি তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য,বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন ফ্রান্সের মাটিতে এটিই প্রথম । স্বদেশের প্রতি ভালোবাসা ও ক্রিকেট উম্মাদনার মাধ্যমে ফ্রান্সে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন সর্ব মহলের প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। প্রতি বছর বাংলাদেশের বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ফ্রান্সে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন ফ্রান্স (বিসিএফ) এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট ক্লাব প্যারিস (বিসিসিপি)।

সেলিম উদ্দিন,পর্তুগাল থেকে : গত ২৫শে ডিসেম্বর বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পর্তু(নর্থ) যতাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করলো ৪৫তম মহান বিজয় দিবস।
বিজয়ের এই দিনে ফুল দিয়ে তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পর্তু(নর্থ) ও অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেস ক্লাব এর সদস্যবৃন্দ ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পর্তু(নর্থ) সভাপতি ফারুক হোসেন সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক কাজল আহমেদ।বাংলাদেশ এসোসিয়েশন পর্তু (নর্থ )
এর অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নজরুল ইসলাম (শরীফ )
, শরিফুজ্জাম (খোকন ), রাকিব হোসেন, মজিবুর রহমান, আবু তালেব, খাইরুল কবির (লেবু ),আব্দুর রাজ্জাক, আবুল কালাম আজাদ, হান্নান বেপারী রফিকুল ইসলাম , শামীম হোসেন খান, চঞ্চল মাহমুদ, রুবেল হোসেন ঢালী, হাসিবুল হাসান মৃধা, আব্দুল আজিজ, নুরুল ইসলাম বাদশা, দেলোয়ার হোসেন, সাজ্জাদ হেসেন , মহিউদ্দিন , শাহরুখ দ্রুব, ইউনুস নবী , মনিরুল ইসলাম , হাবিবুর রহমান হবি , মফিজুর রহমান সুফল , মাফিকুল ইসলাম, ও জুয়েল পাইক সহ অনেকেই। এখানে উল্লেখ্য গত ২০শে ডিসেম্বর পর্তুগালে প্রাচীন ও ২য় বৃহত্তম শহর পর্তুতে ২য় স্থায়ী শহীদ মিনার স্থাপন করেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ এবং পর্তুগাল সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন পর্তো সিটি মেয়র ড. রুই মোরেরা।
আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী ড. ম্যানুয়েল পিজারো
, সংসদ সদস্য ড. ইডারডো সিলভা, ড. থিয়াগো বারবোচা রিবেইরো, ড. লুইচা সেগুইরো। পরে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পর্তু(নর্থ) এর সেক্রেটারি কাজল বলেন "পৃথিবীর সব স্বাধীন দেশের স্বাধীনতা দিবস থাকলেও বিজয় দিবস থাকে না। বাংলাদেশ সেই বিরল সৌভাগ্যের অধিকারী দেশ যারা শ্রদ্ধাভরে স্বচিত্তে পালন করতে পারে বিজয় দিবস।" সভাপতি ফারুক বলেন " আজকের বিজয় দিবসের শপথ হোক, সব ধরনের হানাহানি ও বৈরিতা-বিদ্বেষকে পেছনে ফেলে, দেশের ও জনগণের কল্যাণে সবাই এক হয়ে কাজ করব।বাংলাদেশ তার লক্ষ্যে অবিচল থাকবে।

আশেক এ আরমান নাদিম : বহুল প্রতীক্ষিত ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর অবশেষে উদ্বোধন হলো গত ২৫ ডিসেম্বর বার্সেলোনার সান্তা কলমা এলাকার পার্ক ক্যানজাম সংলগ্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড এ।

বেঙ্গলি ক্রিকেট ক্লাব বার্সেলোনা কর্তৃক আয়োজিত এই টুর্নামেন্ট এ ৩ টি দল অংশগ্রহণ করছে। বার্সেলোনা তে ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড় ও দলের সংখ্যা অনেক হলেও এই টুর্নামেন্ট এ কম সংক্ষক দল হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে টুর্নামেন্ট টি আয়োজন করা হচ্ছে ক্রিকেট বল এ (যেটাকে মূলত কাঠের বল বলে থাকে সাধারণ খেলোয়াড়েরা )।
এই টুর্নামেন্ট এ জুনিয়র এবং সিনিয়রদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে ৩ টি দল। টি২০ এই প্রতিযোগিতাতে প্রতি দল একে ওপরের সাথে ২ বার করে মুখ মুখী হবে এবং সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী ২ দল ফাইনাল খেলবে। উদ্বোধনী দিনে সান্তা কলম তরুণ সংঘ তাদের ২ টি খেলাতেই জয় লাভ করে ফাইনাল এর পথ কিছুটা পরিষ্কার করেছে। এই টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করার জন্য মাঠে উপস্থিত ছিলেন বার্সেলোনায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলার অফিসের মাননীয় কনস্যুলার জনাব রামোন পেদ্রো বের্নাউস, এছাড়া উপস্থিত ছিল AEBA এর সহ সভাপতি জনাব আলহাজ মোহাম্মদ সুলতান হোসাইন , জনাব জাকির হোসাইন খান, জনাব কাজী রেজাউল হক, জনাব শফিক স্বপন, জনাব শাহজাহান, জনাব আশরাফ মারুফ।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জনাব রামোন পেদ্রো বের্নাউস বেঙ্গলি ক্রিকেট ক্লাব এর এই উদ্যোগের জন্য বেশ প্রশংসা করেন, সকল খেলোয়াড়দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সকলকে উৎসাহ প্রদান করেন। তিনি আরো বলেন যে ভবিষ্যতে সাথে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে আমাদের সাহায্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন। উপস্থিত বক্তাদের মধ্যে জনাব সুলতান হোসাইন সকল খেলোয়াড়দের শান্তিপূর্ণ এবং সুন্দর প্রতিযোগিতার জন্য উপদেশ দেন, এছাড়া ভবিষ্যতে আরো বিভিন্ন খেলার আয়োজন করার উদ্যোগ নেয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান করেন।
উনি আরো বলেন যে আমাদের এই উদ্যোগের কথা ইউরোপ এবং ওয়ার্ল্ড এর বড় দুটি সংগঠন
AEBA WBO তে উপস্থাপন করবেন এবং ভবিষ্যতে আরো বড় করে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য সাহায্য করবেন। সকল আমন্ত্রিত অতিথি একটি বিষয়ে বেশ উচ্ছাস প্রকাশ করেন তা হলো, প্রবাসে বাঙালি অনেকেই কাজের ফাঁকে টেনিস বা টেপ টেনিস বল এ ক্রিকেট খেলে থাকে, কিন্তু যে দেশে ক্রিকেট খেলার প্রচার এবং প্রসার নেই, ক্রিকেট সরঞ্জাম ও পাওয়া যে না যেখানে সেই দেশে সত্যিকারের ক্রিকেট বল এ সকল প্রকার ক্রিকেট খেলার সরঞ্জামাদি জোগাড় করে একটি পূর্ণাঙ্গ টুর্নামেন্ট আয়োজন করা সহজ কথা নয়।
আমন্ত্রিত অতিথি বৃন্দ সকল আয়োজকদের প্রশংসা করেন এবং সামনে এগিয়ে চলতে উদ্বুদ্ধ করেন। এই টুর্নামেন্ট এর আয়োজনকারী দল বেঙ্গলি ক্রিকেট ক্লাব এর মূল উদ্দেশ্য ২০১৭ সালের স্প্যানিশ ক্রিকেট লীগ এর জন্য দল এর প্রস্তুতি এবং দল গুছানো। তাছাড়া দল এর জুনিয়র খেলোয়াড়দের (অনুর্ধ-১৯) খেলার সুযোগ করে দেয়া এবং নতুন খেলোয়াড়দের খোঁজ করাই হচ্ছে এই টুর্নামেন্ট এর উদ্দেশ্য। সকলের দোআ এবং সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে বেঙ্গলি ক্রিকেট ক্লাব এর এই পথচলা। টুর্নামেন্ট উদ্যোক্তাদের পক্ষে ক্লাব এর সহ সভাপতি আশেক এ আরমান নাদিম বলেন, "স্পেন এ এই ধরণের ক্রিকেট বল এর টুর্নামেন্ট এই প্রথম আয়োজন করা হচ্ছে, ইউরোপ ও কোনো বাঙালি এই ধরণের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর আয়োজন করেছে কিনা শোনা যায়নি তবে যদি কেও এমন উদ্যোগ নিয়ে থাকেন এবং ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন করেন তবে অবশ্যই আমাদের জানাবেন। আমরা অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করবো।
" উল্লেখ্য বেঙ্গলি ক্রিকেট ক্লাব ২০০৭ সাল হতে স্প্যানিশ লীগ এ খেলে আসছে। ২০১১ সাল পর্যন্ত স্প্যানিশ লীগ এর একমাত্র বাঙালি ক্রিকেট দল হিসেবে নিজেদের সুনাম বজায় রাখতে সক্ষম হয়ে। পরবর্তী সময়ে আরো অনেকে বেঙ্গলি ক্রিকেট ক্লাব এর উদ্যোগে উদ্বুদ্ধু হয়ে আরো ক্রিকেট ক্লাব এর জন্ম দেয় এবং বর্তমানে স্প্যানিশ লীগ এ ৩ টি দল খেলছে। বেঙ্গলি ক্রিকেট ক্লাব এর বিশ্বাস এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের ফলে ২০১৭ তে আরো একটি বাঙালি ক্রিকেট দল এর জন্ম হবে। এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ না দিলেই নয় ক্লাব এর সেক্রেটারি জাহিদ হাসান সোহাগ, টুর্নামেন্ট কমিটির প্রধান সোহেল চৌধুরী, মিডিয়া ম্যানেজার তুহিন ভূইয়াঁ ও শিপলু আহমেদ, মুক্তার হোসাইন আপন, ক্লাব এর নতুন সদস্য মনোয়ার হোসাইন, ক্লাব এর জুনিয়র সদস্য আসিফ এমদাদ, ওমর ফারুক প্রমুখ। এদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়াতে সক্ষম হয়েছে।

মাম হিমু: প্যারিসের বিলবিলে এলাকায় শুভ উদ্বোধন করা হলো বিলবিল টেলিকমের ।
গত রবিবার বেলা ২টায় ফিতা কেটে এর শুভ উদ্বোধন করেন ফ্রান্সস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মাশিয়াল কাউন্সিলর ফিরোজ উদ্দিন। এসময় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অতিথিদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক দিলওয়ার হোসেন কয়েছ, সহ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম ওয়াদা সেলু, ফ্রান্স বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল খান, যুগ্ন সম্পাদক জুনেদ আহমদ, বিলবিল টেলিকমের সত্বাধিকারী ফ্রান্স আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রলীগর সহ সভাপতি মাধব কান্তি দে, এনামুল ইসলাম সায়হাম, আফরোজ হোসাইল লাভলু, শরফ উদ্দিন স্বপন সহ কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ । সব শেষে মিষ্টি মুখ করা হয় অতিথিদের ।

সেলিম উদ্দীন : গত  ২২শে ডিসেম্বর পর্তুগাল আওয়ামীলীগ পালন করলো মহান বিজয় দিবস।

স্থানীয় সময় গতকাল রোববার সন্ধ্যায় রাজধানী লিসবনের একটি মিলনায়তন "OS AMIGOS DO MINHO" জড়ো হয়েছিল পর্তুগাল আওয়ামীলীগের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ।
এক আনন্দগণ পরিবেশের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় বিজয়ের অনুষ্ঠান।লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ ও লক্ষ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।
শুরুতে কোরাআন তেলোয়াত করেন আওয়ামী লীগ নেতা মো:জামাল. মহান বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সভাপতি জহিরুল আলম জসিম এর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক শওকত ওসমানে পরিচালনায় বক্তব্য প্রাধান করেন সিনিয়র সহ সভাপতি মিয়া ফরহাদ,সহ সভাপতি পনির আজমল,সহ সভাপতি এম এ খালেক,আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ,গ্রীস আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান মোল্লা ,
সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক মিতুন,যুব বিষয়ক সম্পাদক ইমরান হোসেন ভুঁইয়া,সাইদুররহমান বাদল,প্রবাসী কল্যান বিষয়ক সম্পাদক বেলাল রেজা,সাবেক ছাত্র নেতা দেলোয়ার হোসাইন,ইউ কে ছাত্রলীগের সহ সভাপতি রনি হোসাইন, আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান মাসুদ,নজরুল ইসলাম সুমন,আইয়ুব খান,সাবেক ছাত্র নেতা জাকির হোসেন, আনিস ,ফয়েজ সহ অনেকেই। এতে আর উপস্তিত ছিলেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব আলহাজ্ব লেহাজ উদ্দিন ,সহ সভাপতি আবদুর রাজ্জাক ,কমিনিউটি ব্যক্তিত্ব আওয়ামী লীগ নেতা জনাব দেলোয়ার হোসেন,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ কে রাকিব ,সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম,দপ্তর সম্পাদক শফিউল আলম বাচ্চু ,আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ফারুক হোসেন,সহ প্রচার সম্পাদক রেজাউল বাসেদ,সদস্য জুয়েল মোল্লা ,আরিফ,সালাউদ্দিন ,মামুন রশিদ,শফিউল আলম শফি ,সাহা আলম. আলোচনা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন বায়তুল মোকারম জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মোহাম্মদ হাসান।

সুফিয়ান আহমদঃ স্পর্শ সোস্যাল মিডিয়া বিয়ানীবাজার উপজেলার অতি পরিচিত একটি সংগঠন। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে স্পর্শ সোস্যাল মিডিয়া ইতোমধ্যে তাঁর কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে।
শিক্ষা-সংস্কৃতি-সমাজসেবা এই মূলনীতিকে সামনে রেখে চলো বদলে যাই, বদলে দেই দেশটাকে এই স্লোগানে সংগঠনটির একঝাক তরুণ কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে। আর তাদের সার্বক্ষণিকভাবে সহযোগীতা করে যাচ্ছেন উপজেলার বেশ কয়েকজন গুণী ব্যক্তিবর্গ। তাদের সার্বিক সহযোগীতায় ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি কার্যক্রম সফলভাবে সমাপ্ত করে ৩য় বৎসর অতিক্রম করে ৪র্থ বৎসরে পদার্পণ করেছে সংগঠনটি। সংগঠনের নেতৃত্বে থাকা তরুণদের কর্মস্পৃহা এবং সংগঠনের উপদেষ্টাদের সুচিন্তিত পরামর্শের ভিত্তিতে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলা স্পর্শ সোস্যাল মিডিয়া একদিন তাঁর অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌছতে সক্ষম হবে, এমনটাই সকলের বিশ্বাস।

*প্রতিষ্ঠাকালঃ
বিয়ানীবাজার উপজেলার একঝাক তরুণ ও ছাত্রদের উদ্যোগে ২০১৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর স্পর্শ টেলিমিডিয়া নামে শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক অঙ্গন নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি। পৌরশহরের দক্ষিণবাজারস্থ জনতা মার্কেটের ৩য় তলায় নিজস্ব কার্যালয় নিয়ে শুরু থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছে স্পর্শ। ধীরে ধীরে এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেঁতে থাকে। একপর্যায়ে সংগঠনের সকল সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে একই বছরের ৭ই ডিসেম্বর এটিকে সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি একটি সামাজিক সংগঠন হিসেবে রুপান্তরিত করে এর নতুন নাম রাখা হয় স্পর্শ সোস্যাল মিডিয়া।  এরপর থেকেই সংগঠনটি এই নামে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং সর্বত্র পরিচিতি লাভ করেছে।

*প্রথম কমিটিঃ
স্পর্শ টেলিমিডিয়া থেকে স্পর্শ সোস্যাল মিডিয়া নামে রুপান্তরিত হওয়ার পর গঠন করা হয় সংগঠনের  প্রথম কমিটি। ১৫ সদস্য বিশিষ্ট প্রথম কমিটির সভাপতি হিসেবে আমাকে (সুফিয়ান আহমদ) মনোনীত করেন সংগঠনের সদস্যরা। এতে অন্যান্য পদে ছিলেন, সহ-সভাপতি পার্থ পাল দিপক, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান সাইফ, সহ-সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক শাওন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোমেন আহমদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শুভ্র দেব, কোষাধ্যক্ষ ছিদ্দিকুর রহমান, শিক্ষা সম্পাদক সাইদুর রহমান, সহ-শিক্ষা সম্পাদক মোস্তফা আহমদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক হাছানুর রহমান,সহ- সাংস্কৃতিক সম্পাদক অলক কান্তি দেব জনি, সমাজসেবা সম্পাদক স্বপন মাহমুদ, সহ-সমাজসেবা সম্পাদক দিপু দাস, প্রচার সম্পাদক ছয়ফুল আলম ও দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান তুহিন।

*প্রথম উপদেষ্টা পরিষদ ঃ

নতুন যাত্রা করার পর স্পর্শ সোস্যাল মিডিয়া এর কার্যক্রমকে গতিশীল করার ও সুচিন্তিত পরামর্শ প্রদানের জন্য উপজেলার বেশ কয়েকজন জ্ঞানী-গুণী , সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠন করা হয় উপদেষ্টা পরিষদ। প্রথম থেকেই উপদেষ্টা পরিষদে থেকে যারা সংগঠনকে সুপরামর্শ দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তারা হলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী এম এ কাদির, লায়ন ছিদ্দিক আহমদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুল ওয়াদুদ, সংগঠক এনাম উদ্দিন, আব্দুল হাছিব, এম এ গণি ও এমরান হোসেন দিপক।

কার্যক্রমঃ
শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজসেবা এই তিনটি বিষয় নিয়ে কাজ করছে স্পর্শ সোস্যাল মিডিয়া

# শিক্ষা বিভাগঃ
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ছাড়া একজন মানুষ যেমন আলোকিত হতে পারে না, তেমনি একটি জাতিও উন্নতি লাভ করতে পারে না। একটি জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাটি হচ্ছে শিক্ষা। তাই স্পর্শ সোস্যাল মিডিয়া উপজেলার শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠার পর থেকে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংর্বধনা প্রদান করে আসছে। যাতে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ায় আরো মনোযোগী হতে পারে এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতি গঠনে ভুমিকা রাখতে পারে। এর পাশাপাশি সংগঠন থেকে পৌরশহরসহ আশপাশ এলাকার প্রতিটি বিদ্যালয়ের গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বই, খাতা, কলম ও ব্যাগ বিতরণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।


# সংস্কৃতি বিভাগঃ
ইতিহাস ঐতিহ্যেও গৌরবোজ্জল জনপদ ক্ষুদে নবদ্বীপ খ্যাত বিয়ানীবাজার উপজেলা। কিন্তু দিন দিন হারাতে বসেছি আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য। এগুলোকে প্রসারিত করার জন্য এবং নতুন প্রজন্মেও কাছে তুলে ধরার জন্য একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে কয়েকটি কার্যক্রম হাতে নিয়েছে স্পর্শ সোস্যাল মিডিয়া। আর এজন্য উপজেলার সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিবর্গের সহযোগীতা প্রয়োজন। আর তা না হলে একটি নতুন সংগঠন হিসেবে কাজগুলো করা অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে দাড়াবে।

# সমাজসেবা বিভাগঃ
মুক্তিযোদ্ধারা হলেন জাতির শ্রেষ্ট সন্তান। তাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। মাথাউচু করে বিশ্বের দরবারে কথা বলতে পারছি। জাতির এবীর সন্তানদের সম্মান জানানো আমাদের সকলের দায়িত্ব। এরই অংশ হিসেবে স্পর্শ সোস্যাল মিডিয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনাও প্রদান করেছে। এছাড়াও পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপন, স্বেচ্ছায় রক্তদান, শীত বস্ত্র বিতরণ, ঈদ সামগ্রী বিতরণ, অসহায় মানুষদের সহায়তা রয়েছে সংগঠনের কার্যক্রমের মধ্যে। সকলের সহযোগীতা পেলে আগামীতেও স্পর্শ সোস্যাল মিডিয়া ব্যতিক্রমী কার্যক্রম পরিচালনা করে বিয়ানীবাজারবাসীকে ভালো কিছু উপহার দিতে পারবে এমনটা হলো আমাদের অঙ্গীকার।


স্পর্শ সোস্যাল মিডিয়া এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাক।

#লেখকঃ- প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি, স্পর্শ সোস্যাল মিডিয়া, বিয়ানীবাজার, সিলেট।

**ছবি প্রথম যুক্ত হবে- ০১. সুফিয়ান আহমদ ০২.সাইফুর রহমান সাইফ ০৩. মোমেন আহমদ ০৪. পার্থ পাল দিপক

**যৌথ ছবিটি মধ্যখানে দিলে ভালো হয়।

জনপ্রিয় অনলাইন : ২০১৭ সালে পতন ঘটতে পারে ইউরোপীয় ইউনিয়নের। এমন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নানা শ্রেণীর মানুষের মনে।

এ নিয়ে তারা পত্রপত্রিকায় লেখালেখি শুরু করেছেন। তাদের একজন প্যারিসের পিটার ফিল্ডম্যান। তিনি অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টে এমনই আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, বার্লিন ট্রাক হামলাকারী যেভাবে ইউরোপ সফরে এসেছে তা থেকে দেখা যায় ইউরোপ কিভাবে তার আবেদন হারিয়েছে। আমাদের নাগরিকদের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক সংশোধনীর বিষয়ে পশ্চিমা নেতারা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ও উদারপন্থিরা সবাই যখন উদ্বিগ্ন তখন ইউরোপ স্থায়ী এক হুমকি মোকাবিলা করছে। বার্লিন হামলাকারী এসেছে তিউনিশিয়া থেকে। এটা কোনো যুদ্ধকবলিত দেশ নয়। তাকে ইতালি অবস্থান করতে দেয়া হয়েছে। সে জার্মানি গিয়েছিল। নিরাপত্তা সংস্থা ও পুলিশের রাডারে থাকা অবস্থার এই ব্যক্তিকে দেশে ফেরত পাঠানোর পরিবর্তে সে বার্লিনে হামলা চালাতে পেরেছে। সে তারপর অবাধে ফ্রান্স গিয়েছে। ফিরেছে ইতালিতে। কি এক পাগলামো!
ওদিকে অভিবাসন নিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণে ভূমধ্যসাগরে হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। অভিবাসন নীতির কারণে বিভিন্ন দেশ থেকে শত সহস্র মানুষ সাগর পাড়ি দিতে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। তারা বলকান দেশগুলো হয়ে প্রবেশ করছে পশ্চিম ইউরোপে। তাদের কাছে নেই কোনো কাগজপত্র, নেই কোনো আইনী ডকুমেন্ট। তারা আসছে উন্নত জীবনের সন্ধানে। তাদেরকে আমরা আমরা ঠাঁই দিচ্ছি। বিশ্বের অন্য কোনো দেশ এ কাজটি করছে না। এ জন্যই ডানপন্থি দলগুলো (অভিবাসন বিরোধী ইস্যুতে) জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। তাই ২০১৭ সালে হয়তো আমাদেরকে দেখতে হবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পতন। অস্ট্রেলিয়া থেকে হারভে স্যান্ডার্স লিখেছেন, এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডনাল্ড ট্রাম্প গন্ডগোল বাধিয়ে দিয়েছেন। তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেয়ার পর কি ঘটতে পারে? তার রয়েছে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার অভাব। কূটনৈতিক সূক্ষ্মতম ধারণা নেই তার। তাই তার মেয়াদকালে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা রয়েছে। এরই মধ্যে দেখা যাচ্ছে তিনি এক্ষেত্রে সফল হবে, যদিও তিনি এখনো হোয়াইট হাউজে প্রবেশ করেন নি।

বাহার উদ্দিন বকুল,জেদ্দা সৌদি আরব : গত ২০ ডিসেম্বর জেদ্দা আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলা শুরু হচ্ছে।তিন দিনের এই বানিজ্য মেলা বসেছে জেদ্দা ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে।

বিভিন্ন দেশের অংশ গ্রহণে এই বানিজ্য মেলায় বাংলাদেশের নয়টি স্টল রয়েছে। এ সব পণ্যের মধ্যে রয়েছে খাদ্য বস্ত্র, তৈরী পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, প্লাস্টিক সামগ্রী, হস্তশিল্প ও বিভিন্ন মনোহারী দ্রব্য গত ২০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় বানিজ্য মেলার উদ্বোধন করেন করেন,জেদ্দা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল হাসান ইব্রাহিব দাহনান।

জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল এ.কে.এম শহিদুল করিম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সৌদি আরব বাংলাদেশ দূতাবাস রিয়াদের ডিপুটি সিপ অফ মিশন ড.নজরুল ইসলাম। 

ইকোনমিক কাউন্সিলার ডঃ আবুল হাসান এবং জেদ্দা কনস্যুলেটের কাউন্সিলার শ্রম আমিনুল ইসলাম, কাউন্সিলার আলতাফ হোসেন, কাউন্সিলার আজিজুর রহমানজেদ্দা সোনালি ব্যাংক প্রতিনিধি সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলামদ সহ জেদ্দার রাজনৈতিক, সামাজিক অঙ্গনের নেতৃবৃন্দ ও এতে যোগদেন। 

অতিথিরা বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন কালে বাংলাদেশি স্টল সমুহের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের সাথে সৌদি আরবের দ্বিপাক্কিক বানিজ্য উত্তরোত্তর বৃদ্ধির আশাবাদ জানান।

কনসাল জেনারেল মেলায় অংশগ্রহণ কারি বাংলাদেশি স্টল সমুহকে সবরকম সহায়তার আশ্বাস দেন এবং যেকোন প্রয়োজনে যোগাযোগের অনুরোধ জানান। 

জেদ্দায় আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলা এবং বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে প্রবাস সমাজে বেশ সাড়া পড়েছে। তিন দিন ব্যাপী মেলায় জেদ্দা-মক্কা প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঢল নামবে বলে আশা করা যাচ্ছে।





সেলিম উদ্দীন : আনজুমানে আল ইসলাহ পর্তুগালের উদ্দ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ( সা:) উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্টিত হয় ।

আনজুমানে আল ইসলাহ সভাপতি ক্বারী আহমদ আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক হোসাইন আহমেদ এর উপস্থাপনায় মাহফিলের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন প্রচার সম্পাদক কামরুল ইসলাম নাতে রাসুল (সা:) পরিবেশন করেন সহ প্রচার সম্পাদক মিসবাহ ঊদ্দিন মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকে'র যুগ্ম সম্পাদক ও লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের ইউকে'র চেয়ারম্যান মাওলানা এম এ কাদির আল হাসান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনজুমানে আল ইসলাহ স্যানডওয়েল ইউকে'র সভাপতি মাওলানা রফিক আহমদ.
আনজুমানে আল ইসলাহ মাদ্রিদ. স্পেনের সভাপতি মাওলানা আসাদুজ্জামান রাজ্জাক,প্রধান অতিথি এম এ কাদির আল হাসান তা্ঁহার বক্তব্যে বলেন,রাসুল (সা.)এর জন্মদিবস কোন মুসলমান অস্বীকার করতে পারে না।রাসুল(সা.)জীবনাদর্শ অনুস্বরনের তাগিদ দিয়ে বলেন,পদে পদে রাসুল (সা.)এর সুন্নতের পুর্নঅনুস্বরন অনুকরন করতে হবে ।সর্বচ্চো শান শওকতের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)পালন করতে হবে।
এ ছাড়াও মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগাল আওয়ামীলিগের সভাপতি জহিরুল আলম জসিম. মারতিম মনিজ বায়তুল মোকাররম মসজিদের সভাপতি ও কমিউনিটি নেতা রানা তাছলিম উদ্দিন. , আওয়ামীলিগের সিনিয়র সহ সভাপতি ফরহাদ মিয়া. পর্তুগাল আল ইসলাহ সিনিয়র সহ সভাপতি মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক শওকত ওসমান.পর্তুগাল বি এন পির সিনিয়র সহ সভাপতি কাজী এমদাদ মিয়া. আল ইসলাহ উপদেষ্টা মহিউজ্জামান মন্জু. কমিউনিটি নেতা ও বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী দেলওয়ার হোসেন. বৃহত্তর মৌলভীবাজার এসোসিয়েশনের সভাপতি খসরু মিয়. বিয়ানিবাজার প্রবাসী কল্যান সমিতির সভাপতি মামুনুর রশীদ.
বালাগনজ ও ওসমানি নগর এসোসিয়েশনের সদস্য সচিব শেখ খালেদ আহমদ মিনহাজ, প্রগতিশীল ইয়ুত ফোরামের সংগঠক দেলওয়ার হোসাইন. আল ইসলাহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ শিবলু, অর্থ সম্পাদক মো: জাকারিয়া আহমদ অফিস সম্পাদক কবির আহমদ. প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম. সমাজ কল্যান সম্পাদক সুজেল আহমদ. সহ সমাজ কল্যান সম্পাদক আব্দুল মালিক. জাকির হোসেন, সাবিরুল ইসলাম. সুমন আহমদ. ছাদিকুর রহমান, ফাহিম আহমদ প্রমূখ।পরিশেষে মিলাদ ওদোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

এনায়েত হোসেন সোহেল, বেলজিয়াম থেকে ফিরে : ৭১ এর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা,বর্ণ্যাঢ্য আয়োজন ও জাঁকজমকের মধ্যে দিয়ে বেলজিয়াম আওয়ামীলীগের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।

গত ১৮ ডিসেম্বর বিকেলে ব্রাসেলসের দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানের শুরুতেই মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।এ সময় বেলজিয়াম আওয়ামীলীগের নব গঠিত কার্যনির্বাহী পর্ষদের কমিঠি ঘোষণা করা হয় । বেলজিয়াম আওয়ামীলীগের সভাপতি শহিদুল হক শহীদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী রতনের প্রাণবন্ত পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন,বেলজিয়াম আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ফয়সাল আজাদ তালুকদার, মোশারফ হোসেন বাবু,নিরঞ্জন চন্দ্র রায়,হুমায়ুন মাকসুদ হিমু,সাংগঠনিক সম্পাদক রাফাতউল্লাহ প্রধান,বঙ্গবন্ধু পরিষদ বেলজিয়ামের সভাপতি ফিরোজ বাবুল,যুগ্ম সম্পাদক মোর্শেদ মাহমুদ,যুবলীগ বেলজিয়াম শাখার সাধারণ সম্পাদক খালেদ মিনহাজ, দপ্তর সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী ও সদস্য আখতারুজ্জামান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যে প্রত্যাশা নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলো তাদের সেই প্রত্যাশা আজো পূরণ হয়নি। এখনো স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিকভাবে মূল্যায়ণ করা হয়নি। অনেক মুক্তিযোদ্ধা এখনো ভিক্ষা করে, অর্থের অভাবে খেতে পারছে না, সন্তানের বিয়ে দিতে পারছেন না। এটা জাতির জন্য দু:খজনক।তাই এই মহান বিজয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সবাইকে একাত্তরের চেতনায় জেগে উঠতে হবে। পরে নবগঠিত বেলজিয়াম আওয়ামীলীগের নবগঠিত কার্যনিবাহী পূর্ণাঙ্গ পর্ষদ ঘোষণা করা হয়। কমিঠি ঘোষণা করেন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী রতন। ২০১৬-২০১৯ সালের জন্য নবগঠিত বেলজিয়াম আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দরা হলেন যথাক্রমে সভাপতি সহিদুল হক সহিদ,সহ সভাপতি বাবু বিধান দেব, ফয়সাল তালুকদার আজাদ,মোহাম্মদ হুমায়ুন মাকসুদ হিমু,বাবু নিরঞ্জন রায়,আব্দুস সালাম বাবুল,সাজ্জাদুর রহমান কাজল,আনোয়ার হোসেন তালুকদার,শওকত জামান,বাবু তপন রায়,খান মনিরুল ইসলাম বাবুল,মোশাররফ হোসেন বাবু ,সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী রতন,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দাউদ খান সোহেল,সাইদুর রহমান খান,রফিকুল ইসলাম বাদশা,আফ্জুদৌলা সুমন,মুর্শেদ মাহমুদ,সাংগঠনিক সম্পাদক রাফাত উল্লাহ প্রধান,জহির খান,মোর্শেদুর রহমান মিলন,রফিকুল ইসলাম ভার্বিয়াস, কোমল বাইদ্দা ,আইন বিষয়ক সম্পাদক রোবায়েত মোকসেদ রুবেল,কৃষি বিষয়ক সম্পাদক শফিক মিয়া,বাবুল আহাম্মেদ বাবুল,তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আনার চৌধুরী,শান্ত , ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুশান্ত বাগচী ,রুবেল আহাম্মেদ,দপ্তর সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী,রোবায়েত ইসলাম,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মুহিত শামীম, বাবু দেবাশীষ সরকার মিটু, প্রচার সম্পাদক আক্তারুজ্জামান,নাসিম রেজা শিমুল,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সালেহ জহুর,হাসান শহিদুল,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান আলী,মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রাবেয়া জামান,জামিলাতুন নেসা,মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক দাড়িয়া আমিন হক,ইকরাম শিকদার,যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এমডি কাশেম রাসেল,মোহাম্মদ তারেকুজ্জামান ভুলু, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক নিয়াজ মোর্শেদ,লিটন খান বব মার্লি, সাংস্মৃতিক বিষয়ক সম্পাদক স্বপ্ন দেব,স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সেলিম পাঠোয়ারী, কবির উদ্দিন,প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক রহমত উল্লাহ,বিমান আহাম্মেদ,মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক শাহেদ কিবরিয়া অপু,বাবুল আহাম্মেদ, গণসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক ইস্রাফিল হক,আব্দুল মান্নান,ইমিগ্রেশন বিষয়ক সম্পাদক জুলেখা পারভীন,মিয়া আনোয়ার,বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ,জৈন উদ্দিন,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জামাল হোসেন মনির,মোহাম্মদ রুবেল,শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মহিব উল্লাহ লিটন। কার্যকরী সদস্যরা হলেন যথাক্রমে -আহাম্মেদ জিয়া উদ্দিন,ফিরোজ আহম্মেদ বাবুল,সাজ্জাদুর রহমান বারী,কানাই দাস,এইচ এইচ কবির পিকু,জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া মিজানুর রহমান,মীর আহমেদ ,প্রদীপ দাস,মোহাম্মদ জব্বার,খোকন শীল,ওয়াহিদুজ্জামান খান মুরাদ,মিজানুর রহমান চিনু,আবুল কাশেম,মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ,মফিজুর রহমান,দিলরুবা বেগম মিলি,মিজানুর রহমান,খোরশেদ আলম,ফজিলাতুন্নেসা বেগম দিনা,মঞ্জুরুল করিম,গোলাম কবির,সুজন মিয়া,আমিরুল ইসলাম,কবির উদ্দিন,শামীম আহাম্মেদ,কোহিনুর আক্তার মফিজ উদ্দিন,রুস্তুম আহমেদ ,সৈয়দ রফি আহমেদ,মহম্মদ আলী ,তফজ্জুল হোসেন ,মোকাব্বের আহমেদ মুকুল,রফিকুল আলম,আনোয়ার হোসেন,সুলতানা বেগম জেলি। সম্মানিত উপদেষ্টা মন্ডলীরা হলেন, ডক্টর হাসান মাহমুদ এমপি,বজলুর রাশিদ বুলু,মনির হোসেন পলিন,ডক্টর ফারুক মির্জা,রিয়াজুল ইসলাম লিয়েজ,মানিক পাল,ডক্টর আব্দুল কুদ্দুস,মোতাহার হোসেন চৌধুরী,খোকন শরীফ,আজিজা হক,কাজী রফিক রমুজ, ডক্টর নাজনীন,ডক্টর আন্দ্রে মিরওয়ার,মিসেস পান্না,রফিকুল ইসলাম,শেখ আব্দুল আওয়াল,শাহানা আক্তার বিউটি,আইয়ুব আলী হাওলাদার ও লাকি আজাদ।

এনায়েত হোসেন সোহেল,প্যারিস,ফ্রান্স : তৃণমূল বিএনপি ফ্রান্সের উদ্যেগে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন উজ্জ্বলের জন্মদিন পালন করা হয়েছে। 

গত ১৯ ডিসেম্বর বিকেলে প্যারিসের ক্যাথসীমাস্থ সোনার বাংলা রেষ্টুরেন্টেনেতা কর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। তৃণমূল বিএনপি ফ্রান্সের সভাপতি ইকবাল হোসেন আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেমের পরিচালনায় এ সময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,
ফ্রান্স বিএনপির সহ সভাপতি মিজান আলী,যুগ্ম সম্পাদক কৃষক কাইয়ুম সরকার,তৃণমূল বিএনপির সহ সভাপতি সাইদুল ইসলাম,উপদেষ্ঠা মিল্টন সরকার,ফ্রান্স যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব রানা,তৃণমূল বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল আহমদ,সাবেক ছাত্র নেতা এনামুল ইসলাম রাসেল,আজিজুর রহমান আপন,আল মামুন,ফয়সল আহমদ,এরশাদ হোসেন,আশিকুজ্জ্বামান আশিক,তৃণমূল বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মানিক,এনামুল হক,জয়নুল আহমদ যোনি,আব্দুল খালেক,বেলাল আহমদ,ওলিউর রহমান অলি,কাজী বাবু,রুবেল আহমদ,ও আবুল কালাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে এ সময় টেলি কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন উজ্জ্বল।
পরে তৃণমূল বিএনপি ফ্রান্সের সহ সভাপতি সাইদুল ইসলামের ফ্রান্স প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে উপস্থিত নেতা কর্মীরা তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পরে জাকির হোসেন উজ্জ্বলের জন্মদিনের কেক কেটে একে অন্যেকে মিষ্টি মুখ করেন।

বাহার উদ্দিন বকুলঃ জেদ্দা সৌদি আরব : ১৮ ডিসেম্বর রবিবার সকালে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেদ্দায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে আন্তৰ্জাতিক অভিবাসী দিবস ২০১৬। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেদ্দা কনস্যুলেটের  কনসাল জেনারেল এ কে এম শহিদুল করিম । কনস্যুলেট কর্মকর্তাবৃন্দসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন কনসাল রেজায়ে রাব্বীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এর মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করে ।
দিবস টি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি , প্রধানমন্ত্রীঅর্থমন্ত্রী,পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও  বৈদেশিক ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর বানী হুবহু পাঠ করে শুনান যথাক্রমে কাউন্সিলর হজ্জ মাকছুদুর রহমান,কাউন্সিলর শ্রম আমিনুল ইসলাম, সোনালি ব্যাংক প্রতিনিধি সৈয়দ মঞ্জুরুল ইস্লাম,কনসাল হজ্জ জহিরুল ইসলাম, কনসাল পাসপোর্ট এন্ড ভিসা কামরুজ্জামান প্রধান অতিথি  কনসাল জেনারেল এ কে এম শহিদুল করিম বলেন,প্রধান অতিথি কনসাল জেনারেল এ কে এম শহিদুল করিম বলেন,অভিবাসীদের মর্যাদা ও অধিকার সমুন্নত রাখার প্রয়াসে ২০০০ সাল থেকে জাতিসংঘ দিবসটি পালনের ঘোষণা দেয়। মূলতঃক) বিশ্ব উন্নয়নে অভিবাসীদের অবদানের স্বীকৃতি ও মর্যাদা দান; খ) পরিবার পরিজন সহ অভিবাসীদের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণ; গ) অভিবাসীদের নিবিঘ্নে চলাচলের নিশ্চয়তা এবং ঘ) অভিবাসীদের আবাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই দিবসটি মূললক্ষ্য।

২০১৬ সালে ১০৫৫৬জন বাংলাদেশী কর্মীকে আইনি সেবা প্রধান করা হয়েছে এবং শ্রম আদালতে মামলা দায়েরর মাধ্যমে ৩৫৪৭ জন বাংলাদেশী কর্মীর ৪৫ লক্ষ সৌদি রিয়াল যার সমপরিমাণ বাংলাদেশী টাকায় ৯.৫ কোটি যা বেতন পাওনা টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ২২২ জন অসুস্থ ও বিপদ্গ্রস্থ কর্মীকে ২,৩৮,২৭৫.৫৭ টাকা অর্থ সাহায্য প্রদান করা হয়েছে। 
স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক গ্রেফারকৃত ১৩,৫৮৯ জন ডিপোর্টেশন ক্যাম্প/ জেলখানা হতে মুক্ত করে দেশে প্রেরণ করা হয়েছে। ৭০৮ জন মৃত বাংলাদেশের লাশ (পরিবারের সম্মতির ভিত্তিতে) স্থানীয় ভাবে দাফন/বাংলাদেশে প্রেরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মৃত ও দেশে প্রত্যাবর্তিত মোট ৩৮জন কর্মীর নিয়োগকর্তার নিকট থেকে তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা বাবদ ৫,৯৩,৫৫৮.০০ সৌদি রিয়াল যার সমপরিমাণ বাংলাদেশী টাকায় ১,২৩,৯৩,৯০৬.৫৩ টাকা এবং চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তিকৃত। ৯টি মৃত্যু জণিত ক্ষতিপূরণ মামলায় মোট ১৮,২৫,০০০.০০ সৌদি রিয়াল যার সমপরিমাণ বাংলাদেশী টাকায় ৩,৮১,০৭,২৭৭.৫০ টাকা আদায় করে তাদের ওয়ারিশদের নিকট পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।


সৌদি সরকার বাংলাদেশ হতে বিভিন্ন পেশার লোক নিয়োগ শুরু করেছেন। প্রবাসীদের কাছে অনুরোধ করে শহিদুল করিম বলেন, সৌদি আরবের আইন-কানুন,সামাজিক ও ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে চলুন, সবসময় সুন্দর আচরন,সততা,আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
জেদ্দা প্রবাসী বাংলাদেশী কর্মীগন যে কোন সমস্যায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সহযোগিতা গ্রহন করুন। নিয়োগকর্তা তার কোম্পানির বা কফিলের সাথে ইকামা,বেতন,ছুটি,কাজ সক্রান্ত সমস্যা হলে কাজ বন্ধ করা বা ধর্মঘট করা যাবেনা।কারন সৌদি আরবে ধর্মঘট করা নিষিদ্ধ।আপনার নিয়োগ কর্তার সাথে যে কোন ধরনের সমস্যা হলে পুলিশ, আদালত বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে আইনগতভাবে নিস্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।কোন সৌদি নাগরিকদের সাথে কোন ধরণের সমস্যায় জড়াবেননা।এরপর প্রবাসীদের শান্তি কামনাসহ দেশের উন্নতি-অগ্রগাতি কামনায় মোনাজাত করা হয়।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget