হেফাজত ইসলামের দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও হরতালের ডাক

জনপ্রিয় অনলাইন
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৭ মার্চ, ২০২১
  • ৭৬ বার পঠিত

বাংলাদেশে নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভে হামলায় নেতা-কর্মী নিহত ও আহত হওয়ার প্রতিবাদে শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ এবং রোববার সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে হেফাজেত ইসলাম।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এ সময় হেফাজতে যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুল হকসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রব ইউসুফী বলেন, অবিলম্বে নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশ থেকে চলে যেতে হবে। নেতা-কর্মীদের ওপর হামলাকারী পুলিশ ও সরকার দলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, হেফাজত নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মুসল্লিরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলেও সরকারি দলের লোকজন হামলা ও বাধা দিচ্ছে।

জামায়াতে ইসলামী
ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের গুলিতে মুসল্লিদের আহত করার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান এক বিবৃতিতে বলেন, ২৬ মার্চ বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্বাধীনতা দিবস। বাংলাদেশের জন্য এটি একটি শুভ দিন। কিন্তু আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি, এ ঐতিহাসিক দিনে মুসল্লিদের ওপর পুলিশ ও সরকার দলীয় লোকজন হামলা চালিয়েছে। আহতদের অনেকের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। এ সকল ঘটনা একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। এ হামলার ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, দেশের মানুষের কাছে আজ এক বিরাট প্রশ্ন, কী কারণে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ওপর হামলা করা হলো। নির্বিচারে গুলি করা হলো? এ সব হামলায় যারা নিহত হয়েছেন মহান রাব্বুল আলামীন তাদেরকে শহীদ হিসেবে কবুল করুন। নিহতদের পরিবার ও আত্মীয় স্বজনের প্রতি আমি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

জামায়াত আমির বলেন, গোটা দেশের মানুষ আজ স্বাধীনতা দিবস পালনের পরিবর্তে এক দলীয় শাসনের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। আমরা সরকারের এহেন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

ঢাকা মহানগরী উত্তর
‘বায়তুল মোকাররাম মসজিদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষুব্ধ জনতার ওপর পুলিশ ও সরকার দলীয় ক্যাডারদের যুগপৎ হামলা ও গুলি করে হত্যা ফ্যাসীবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ’ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন। তিনি বায়তুল মোকাররাম জাতীয় মসজিদ, ব্রাহ্মমবাড়িয়া ও হাটহাজারী মাদরাসায় বিক্ষুব্ধ জনতার ওপর নির্বিচারে হামলা ও হত্যার প্রতিবাদে বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সমমনা ইসলামী দল
সমমনা ইসলামী দলগুলোর নেতৃবৃন্দ বলেছেন, মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররম, হাটহাজারীসহ সারা দেশে আন্দোলনরত স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদী দেশপ্রেমিক জনতার ওপর হামলা ও হতাহতের জন্য সরকার এককভাবে দায়ী।

শুক্রবার বাদ আসর পুরানা পল্টনস্থ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের অফিসে সমমনা ইসলামী দলগুলোর বৈঠকে তারা এ কথা বলেন।

নেতারা আরো বলেন, বাংলাদেশে মোদিকে আমন্ত্রণ না জানানোর জন্য দেশপ্রেমিক জনতা বরাবরই প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। সরকার জনগণের মতামত উপেক্ষা করে নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছে। যার প্রতিবাদ জানাতে প্রতিবাদী জনতা জুমার সময় বায়তুল মোকাররমে সমবেত হয়। জনতা শান্তিপূর্ণভাবে বায়তুল মোকাররমে প্রতিবাদ করার সময় সরকার দলীয় লোকজন ও পুলিশ তাদের ওপর বিনা উস্কানিতে হামলা, গুলি, টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। তাদের হামলায় বায়তুল মোকাররম রক্তাক্ত হয় এবং শতশত প্রতিবাদী জনতা আহত হয়। একই দাবিতে হাটহাজারীতে প্রতিবাদী জনতা রাজপথে নেমে এলে তাদের ওপর পুলিশ গুলি চালায়, যাতে চারজন শাহাদাত বরণ করে।

জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসূফীর সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা জুনাঈদ আল হাবীব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মুনির হোসাইন কাসেমী, আন্তর্জাতিক তাহাফফুজে খতমে নবুওয়তের মহাসচিব মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী প্রমুখ।

ইসলামী আন্দোলন
স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে শুক্রবার বাদ জুমা বায়তুল মোকাররমে দেশপ্রেমিক ঈমানদার জনতার শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশের হামলা, গুলি ও টিয়ারশেলের নিক্ষেপের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই ও মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।

এক বিবৃতিতে নেতারা বলেন, মোদি বিরোধী শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ নিরীহ নিরাপরাধ জনতার ওপর হামলা করে দেশপ্রেমিক জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। পুলিশের সাথে সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরাও মুসল্লিদের ওপর হামলা করেছেন। ছাত্রলীগের মতো পুলিশও জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এনে মূলত স্বাধীনতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দেশপ্রেমিক প্রতিবাদী জনতা যেভাবে জেগে উঠেছে তাতে শিগগিরই জনরোষে সরকারকে বিদায় নিতে হবে।

খেলাফত মজলিস
বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকররমে ও হাটহাজারীতে মুসল্লিদের ওপর পুলিশ ও সরকারদলীয় ক্যাডারদের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে খেলাফত মজলিস।

এক যৌথ বিবৃতিতে খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, স্বাধীণতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে মোদিকে এনে সুবর্ণজয়ন্তীকে কলঙ্কিত করা হয়েছে। মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে সারাদেশের মানুষ যখন স্বতস্ফূর্তভাবে ঘৃণা প্রকাশ করছে, তখন পুলিশ বাহিনীর সাথে সরকারের দলীয় লোকজন দেশপ্রেমিক তাওহিদী জনতার ওপর নগ্ন হমালা, টিয়ারশেল, গুলি চালিয়ে হাটহাজারীতে চারজনকে শহীদ করা হয়েছে। শতশত মানুষকে আহত করেছে, অনেকে মুমূর্ষু অবস্থায় রয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিন মোদির জন্য দেশের জনগণের ওপর এই হামলার ঘটনা এক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সৃষ্টি করেছে। আজকে মুসল্লি ও দেশপ্রেমিক তাওহিদী জনতার ওপর এই হামলা ও হত্যার দায় সরকারকে বহন করতে হবে। দেশবাসী এ হামলার সমুচিত জবাব দিবে। আজকে মোদির জন্য দেশবাসীকে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে নেতারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকররমে ও হাটহাজারীতে মুসল্লিদের ওপর পুলিশ ও সরকারদলীয় হামলার বিরুদ্ধে, মোদিকে বাংলাদেশের পবিত্র মাটিতে এনে প্রতিবাদী জনতার বুকে গুলির বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এ অবস্থায় সৃষ্ট অবনতিশীল পরিস্থিতির সকল দায় সরকারকেই বহন করতে হবে।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে বলেছেন, নরেন্দ্র মোদির আগমন বাংলাদেশে কোনোভাবেই জনগণ সহ্য করতে পারছেন না, তাই তারা কোনো না কোনোভাবে প্রতিবাদ করবে এবং মোদির প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করবে এটাই তো স্বাভাবিক বিষয়। সরকারের উচিৎ ছিল প্রতিবাদী জনগণের সাথে সংযত আচরণ করা কিন্তু সরকার ও সরকারের পেটোয়া বাহিনী এক্ষেত্রে সংযত আচরণের পরিবর্তে উল্টা জনগণের ওপর নির্মমভাবে হামলা করার পথ বেছে নিল যা কোনোভাবে বরদাশত করা যায় না। আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী-তে এই ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। প্রতিবাদী জনতার ওপর হামলার দায় সরকারকেই নিতে হবে। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী নেতৃবৃন্দ হলেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল্লামা শাইখ যিয়া উদ্দীন, সহ-সভাপতি মাওলানা জহীরুল হক ভূঁইয়া, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া ও মুফতী মুনীর হোসাইন কাসেমী।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে এভাবে কলঙ্কিত করার পরিণাম নিঃসন্দেহে ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে।

ইসলামী ঐক্যজোট
ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাওলানা আব্দুর রকিব বলেছেন, বায়তুল মোকাররম ও হাটহাজারীতে মুসলমানদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ অতর্কিত হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে মোদির এদেশে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি পালন অনুষ্ঠান কোনোভাবেই মেনে নিবে না। হুমকি-ধমকি, ভয়-ভীতি দেখিয়ে মোদির বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ বন্ধ করা যাবে না। এদিকে বায়তুল মোকাররম ও হাটহাজারীতে মুসলমানের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভে গেন্ডারিয়ার ফরিদাবাদে ইসলামী ছাত্র সমাজের উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, ইসলামী ছাত্র সমাজের সভাপতি এইচ এম বরকতউল্লাহ। অন্যদের মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা শওকত আমিন ও পীরজাদা সৈয়দ মোহাম্মদ আহসান, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর সভাপতি মাওলানা মো: ইলিয়াছ আতহারী প্রমুখ।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম ও চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে আসার প্রতিবাদে আন্দোলনরত তাওহীদি জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি ও হামলা করে হতাহতের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ হাফেজ্জী।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনো রাষ্ট্র বা সরকারের সাথে তৌহিদী জনতার শত্রুতা নেই তবে নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমন মুসলমানরা কিছুতেই বরদাশত করতে পারছে না। কারণ মোদি ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অতিথি হতে পারে না।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
বাংলাদেশে মোদি আগমনের প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররম, হাটহাজারীসহ সারা দেশে আন্দোলনরত স্বত:স্ফূর্ত প্রতিবাদী দেশপ্রেমিক জনতার ওপর হামলা ও হতাহতের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির শায়খুল হাদীস আল্লামা ইসমাঈল নূরপুরী ও মহাসচিব শায়খুল হাদীস মাওলানা মামুনুল হক।

এক যুক্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণ বাতিল করার জন্য দেশের তাওহীদি জনতা জানিয়ে আসছিল। কিন্তু সরকার তাওহিদী জনতার প্রতিবাদকে কর্ণপাত না করে মোদিকে বাংলাদেশে নিয়ে আসে। মোদির আগমনের প্রতিবাদে দেশপ্রেমিক তাওহিদী জনতা বায়তুল মোকাররমসহ বিভিন্ন স্থানে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করলে সরকার দলীয় নেতা-কর্মী ও পুলিশ বাহিনী হামলা চালিয়ে শতশত লোক আহত ও চারজন নিহত করে। এর দায় দায়িত্ব সরকার ও প্রশাসনকেই নিতে হবে।

নেজামে ইসলাম পার্টি
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ সারা দেশে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদে চলমান শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীসহ পুলিশ বাহিনীর উদ্ধত্যপূর্ণ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।

এক বিবৃতিতে পার্টির আমির আল্লামা সরওয়ার কামাল আজিজি, মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আনসারী, ঢাকা মহানগর আমীর হাফিজ মোল্লা আবু তাহের খান এই ন্যাক্কারজনক হামলার নিন্দা জানান।




নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..