ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্পেনের হুয়ান কার্লোস ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন বন্ধুসূলভ মহিলা সংগঠন বার্সেলোনার আয়োজনে পিঠা উৎসব টেনেরিফে বাংলাদেশ দূতাবাসের কনস্যুলার সেবা প্রদান ইউরোপিয়ান বাংলা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এর আত্মপ্রকাশ শান্তাকলমায় হৃদরোগে শরিয়তপুরের রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু শীতার্তদের মাঝে কুলাউড়া ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কম্বল বিতরণ সারপার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শীতবস্ত্র বিতরণ ও পিঠা উৎসব চেটে খাওয়া আঙুল কি সুন্নত? ১২ ফেব্রুয়ারি পর্তুগালে ‘লাল হাভেলী বাংলা কাগজ কমিউনিটি এওয়ার্ড’ প্রবাসী সাংবাদিকদের সঙ্গে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজির মতবিনিময়

স্পেন আগামী জুন থেকে পর্যটনের জন্যে উন্মুক্ত হচ্ছে

মিরন নাজমুল
  • আপডেট সময় : ১২:৩১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১ ৫৫১ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে বিধি-নিষেধ থাকার পর “ইউরোপীয় সবুজ ডিজিটাল সার্টিফিকেট” বহনকারী আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে স্পেন।

আগামী জুন মাস থেকে এটি কার্যকর হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে স্পেনের জাতীয় পর্যটন বিষয়ক সম্পাদক ফেরনান্দো ভালদেস। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া ওয়ার্ল্ড ট্র্যাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল (ডব্লিউটিটিসি)-এর বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন।

স্পেনের শিল্প, বাণিজ্য ও পর্যটন মন্ত্রী রেইয়েস মারোতো এই ঘোষণাকে “খুব ভালো সংবাদ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তিনি মন্তব্য করেন, এই গ্রীষ্মের ছুটির মাসগুলোতে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের স্পেনে  আগমনের অর্থ হচ্ছে, মহামারীতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ স্পেনের পর্যটন খাতের জন্য এটি ‘টিকা স্বরূপ’।

দেশটির জাতীয় পর্যটন বিষয়ক সম্পাদক ফেরনান্দো ভালদেস আশ্বাস দিয়ে বলেছেন যে, ‘আমরা এখন গত গ্রীষ্মের মতো নই এবং এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। আর এই কারণে এখন পর্যটকদের নিশ্চয়তা দেয়া যাবে এবং তাদের সঠিক তথ্য দেয়া ও তাদের দেশে ফিরে যেতে পারার আশ্বাসও দেয়া যাবে বলে আমরা মনে করি।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, পর্যটকদের সুরক্ষা দেয়া এবং সবুজ ডিজিটাল সার্টিফিকেটের মান নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, আমরা যদি সেটা না করি এবং নিজ দেশে ফিরে পর্যটকরা যদি কোন অনিশ্চিত বিধি নিষেধের মুখোমুখি হন, তবে সেটা পর্যটন শিল্পের জন্যে সহায়ক হবে না।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃক উদ্যোগ নেয়া ‘ইউরোপীয় সবুজ সার্টিফিকেট’ একটি বিশেষায়িত ডকুমেন্ট, যার মধ্যে বহনকারী ব্যক্তির কভিড১৯-এর টিকা সংক্রান্ত তথ্য যেমন, টিকার নাম, গ্রহণ করার তারিখ ও কয় ডোজ সম্পন্ন করেছেন তা উল্লেখ থাকবে। এছাড়া ব্যবহৃত টিকার ড্রাগ ব্যাচ নাম্বারও উল্লেখ থাকবে। আরো উল্লেখ থাকবে পিসিআর টেস্ট করানোর তথ্যসহ সর্বশেষ কভিড উত্তরণের দিন-তারিখ।

সার্টিফিকেটে ব্যবহার করা হবে কিউআর কোড, ব্যবস্থা থাকবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কাগজ বা ডিজিটাল ফর্ম্যাটে উপস্থাপন করার ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য, গত ২০২০ ও চলতি বছরে ইউরোপের করোনা প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল স্পেনে দীর্ঘদিনে লকডাউনে মারাত্মক সংকটের মুখে আছে দেশটির পর্যটন নির্ভর অর্থনীতি।

স্পেনের জাতীয় পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউট (এনআইএস)-এর হিসেব অনুযায়ী, কভিড মহামারীর আগের বছরের (২০১৯) সালের তুলনায় বর্তমানে স্পেনে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা দুই তৃতীয়াংশে নেমে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুয়ায়ী যেখানে ২০১৯ সালে স্পেনে ভ্রমনে গেছেন ২৫ লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটক, সেই সংখ্যা কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে কমে গেছে ৭৫ শতাংশ।

আর তাই আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্যে স্পেনকে উন্মুক্ত করে দেবার এই সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী বলেই মনে করছেন অনেক বিশ্লেষকরা। তারা মনে করেন, এই সিদ্ধান্ত ইউরোপের পর্যটন শিল্পের কেন্দ্রবিন্দু স্পেনকে তার পর্যটন শিল্পের ধ্বস থেকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে।

সুত্র, বিশ্ব বাংলা ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

স্পেন আগামী জুন থেকে পর্যটনের জন্যে উন্মুক্ত হচ্ছে

আপডেট সময় : ১২:৩১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১

দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে বিধি-নিষেধ থাকার পর “ইউরোপীয় সবুজ ডিজিটাল সার্টিফিকেট” বহনকারী আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে স্পেন।

আগামী জুন মাস থেকে এটি কার্যকর হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে স্পেনের জাতীয় পর্যটন বিষয়ক সম্পাদক ফেরনান্দো ভালদেস। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া ওয়ার্ল্ড ট্র্যাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল (ডব্লিউটিটিসি)-এর বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন।

স্পেনের শিল্প, বাণিজ্য ও পর্যটন মন্ত্রী রেইয়েস মারোতো এই ঘোষণাকে “খুব ভালো সংবাদ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তিনি মন্তব্য করেন, এই গ্রীষ্মের ছুটির মাসগুলোতে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের স্পেনে  আগমনের অর্থ হচ্ছে, মহামারীতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ স্পেনের পর্যটন খাতের জন্য এটি ‘টিকা স্বরূপ’।

দেশটির জাতীয় পর্যটন বিষয়ক সম্পাদক ফেরনান্দো ভালদেস আশ্বাস দিয়ে বলেছেন যে, ‘আমরা এখন গত গ্রীষ্মের মতো নই এবং এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। আর এই কারণে এখন পর্যটকদের নিশ্চয়তা দেয়া যাবে এবং তাদের সঠিক তথ্য দেয়া ও তাদের দেশে ফিরে যেতে পারার আশ্বাসও দেয়া যাবে বলে আমরা মনে করি।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, পর্যটকদের সুরক্ষা দেয়া এবং সবুজ ডিজিটাল সার্টিফিকেটের মান নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, আমরা যদি সেটা না করি এবং নিজ দেশে ফিরে পর্যটকরা যদি কোন অনিশ্চিত বিধি নিষেধের মুখোমুখি হন, তবে সেটা পর্যটন শিল্পের জন্যে সহায়ক হবে না।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃক উদ্যোগ নেয়া ‘ইউরোপীয় সবুজ সার্টিফিকেট’ একটি বিশেষায়িত ডকুমেন্ট, যার মধ্যে বহনকারী ব্যক্তির কভিড১৯-এর টিকা সংক্রান্ত তথ্য যেমন, টিকার নাম, গ্রহণ করার তারিখ ও কয় ডোজ সম্পন্ন করেছেন তা উল্লেখ থাকবে। এছাড়া ব্যবহৃত টিকার ড্রাগ ব্যাচ নাম্বারও উল্লেখ থাকবে। আরো উল্লেখ থাকবে পিসিআর টেস্ট করানোর তথ্যসহ সর্বশেষ কভিড উত্তরণের দিন-তারিখ।

সার্টিফিকেটে ব্যবহার করা হবে কিউআর কোড, ব্যবস্থা থাকবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কাগজ বা ডিজিটাল ফর্ম্যাটে উপস্থাপন করার ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য, গত ২০২০ ও চলতি বছরে ইউরোপের করোনা প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল স্পেনে দীর্ঘদিনে লকডাউনে মারাত্মক সংকটের মুখে আছে দেশটির পর্যটন নির্ভর অর্থনীতি।

স্পেনের জাতীয় পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউট (এনআইএস)-এর হিসেব অনুযায়ী, কভিড মহামারীর আগের বছরের (২০১৯) সালের তুলনায় বর্তমানে স্পেনে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা দুই তৃতীয়াংশে নেমে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুয়ায়ী যেখানে ২০১৯ সালে স্পেনে ভ্রমনে গেছেন ২৫ লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটক, সেই সংখ্যা কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে কমে গেছে ৭৫ শতাংশ।

আর তাই আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্যে স্পেনকে উন্মুক্ত করে দেবার এই সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী বলেই মনে করছেন অনেক বিশ্লেষকরা। তারা মনে করেন, এই সিদ্ধান্ত ইউরোপের পর্যটন শিল্পের কেন্দ্রবিন্দু স্পেনকে তার পর্যটন শিল্পের ধ্বস থেকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে।

সুত্র, বিশ্ব বাংলা ।