ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ফরজ গোসলের আগে কি সেহরি খাওয়া যায়?

জনপ্রিয় অনলাইন
  • আপডেট সময় : ০৯:০২:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১ ৮৪৩ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র রমজান মাসে রাতে স্বপ্নদোষ বা স্বামী-স্ত্রী সহবাসের কারণে গোসল ফরজ হয়ে থাকলে এ অবস্থায় পাক না হয়ে কী সেহরি খাওয়া যায়?

এ বিষয়ে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে দুভাবেই বর্ণিত আছে যে, গোসল ফরজ হওয়ার পর খাওয়া-দাওয়া ও অন্যান্য কাজের পূর্বে পবিত্র হয়ে নেয়া উত্তম। তবে জরুরি নয়। গোসল করা ছাড়াও খাওয়া যায়। তাই গোসল ফরজ অবস্থায় সেহরি খেতে পারবেন।

ফকিহবিদদের মতে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও গোসল না করেই সেহরি খেয়ে রোজা রাখলে রোজা সহি হবে। তবে ফজরের ওয়াক্ত থাকতেই গোসল করে সময় মতো নামাজ আদায় করতে হবে।

মুসলিম শরিফের ২৫৯২ নম্বর হাদিসে বলা হয়েছে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও বিনা ওজরে গোসল না করে অপবিত্র অবস্থায় এক ওয়াক্ত নামাজের সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়া মারাত্মক গোনাহ।

উম্মুল মোমিনীন আয়েশা রা. বর্ণিত হাদিসে এসেছে, ‘রমজান মাসে স্বপ্নদোষ ব্যতীতই অপবিত্র অবস্থায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুবহে অতিক্রম করতেন। অত:পর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন। (বোখারি : ১৮২৯, মুসলিম : ১১০৯।)

উম্মুল মোমিনীন উম্মে সালামা রা. থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, সহবাসের ফলে নাপাক অবস্থায় রাসুলুল্লাহ (সা.) সুবহে সাদিক অতিক্রম করতেন, অত:পর গোসল করে রোজা রাখতেন। (বোখারি : ১৯২৬)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফরজ গোসলের আগে কি সেহরি খাওয়া যায়?

আপডেট সময় : ০৯:০২:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১

পবিত্র রমজান মাসে রাতে স্বপ্নদোষ বা স্বামী-স্ত্রী সহবাসের কারণে গোসল ফরজ হয়ে থাকলে এ অবস্থায় পাক না হয়ে কী সেহরি খাওয়া যায়?

এ বিষয়ে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে দুভাবেই বর্ণিত আছে যে, গোসল ফরজ হওয়ার পর খাওয়া-দাওয়া ও অন্যান্য কাজের পূর্বে পবিত্র হয়ে নেয়া উত্তম। তবে জরুরি নয়। গোসল করা ছাড়াও খাওয়া যায়। তাই গোসল ফরজ অবস্থায় সেহরি খেতে পারবেন।

ফকিহবিদদের মতে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও গোসল না করেই সেহরি খেয়ে রোজা রাখলে রোজা সহি হবে। তবে ফজরের ওয়াক্ত থাকতেই গোসল করে সময় মতো নামাজ আদায় করতে হবে।

মুসলিম শরিফের ২৫৯২ নম্বর হাদিসে বলা হয়েছে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও বিনা ওজরে গোসল না করে অপবিত্র অবস্থায় এক ওয়াক্ত নামাজের সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়া মারাত্মক গোনাহ।

উম্মুল মোমিনীন আয়েশা রা. বর্ণিত হাদিসে এসেছে, ‘রমজান মাসে স্বপ্নদোষ ব্যতীতই অপবিত্র অবস্থায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুবহে অতিক্রম করতেন। অত:পর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন। (বোখারি : ১৮২৯, মুসলিম : ১১০৯।)

উম্মুল মোমিনীন উম্মে সালামা রা. থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, সহবাসের ফলে নাপাক অবস্থায় রাসুলুল্লাহ (সা.) সুবহে সাদিক অতিক্রম করতেন, অত:পর গোসল করে রোজা রাখতেন। (বোখারি : ১৯২৬)