পথে পথে করোনার সংসার

জনপ্রিয় অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮৭ বার পঠিত

দেশব্যাপী চলছে দ্বিতীয় দফায় লকডাউন। সুরক্ষাসামগ্রী ছাড়াই সড়কে সড়কে মানুষ। এবার কারো গায়ে নেই পিপিই, হাতে নেই গ্লাভস, মুখেও দেখা মিলছে না কেএন নাইন্টিফাইভ মাস্ক। সাধারণ মাস্কও না পরেই অনেককে জরুরি কাজে বের হতে দেখা যায়। সরকারি নিষেধাজ্ঞায় গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও রিকশা-ভ্যান-পিকআপে ঠেলাঠেলি করে মানুষ বেরিয়েছে রাস্তায়। স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না কেউ। সাধারণ মানুষের মাঝেও নেই যেনো করোনাভীতি।

রাজধানীর ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, ফার্মগেট, মহাখালী, কারওয়ানবাজার ও শাহবাগ এলাকায় লকডাউনের মধ্যেও দেখা গেছে যানজটের চিত্র। একই দৃশ্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও দেখা গেছে। এদিকে রাজধানীর নিউমার্কেট, ইসলামপুর, চট্টগ্রাম, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যবসায়ীরা গতকালও মিছিল-সমাবেশ করেছেন। শত শত আন্দোলনকারী মুখে মাস্ক না পরে, শারীরিক দূরত্বের তোয়াক্কা না করেই পথে নেমেছেন। ঘোষণা দিয়েছেন রাস্তায় থাকার। মার্কেট খুলে না দিলে আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। এছাড়া বিমানের যাত্রীরাও কোয়ারেন্টাইন না করার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। হাটবাজার খোলা থাকলেও দেখা মেলেনি সচেতনতার। কঠোর নজরদারির অভাবে এখন পথে পথে করোনার সংসার বলছে সংশ্লিষ্ট মহল।

নিউমার্কেট ও ইসলামপুরে বিক্ষোভ, দোকানপাট খোলার ঘোষণা ব্যবসায়ীদের : স্বাস্থ্যবিধি মেনে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন নিউমার্কেট ও আশপাশ এলাকার ব্যবসায়ীরা। গতকাল সোমবার সকাল থেকে তারা দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন। দোকান বন্ধ রাখার প্রতিবাদে প্রায় চার-পাঁচশ দোকান মালিক-কর্মচারী দফায় দফায় মিছিল করেন। এ সময় রাস্তা আটকে দেন তারা। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দোকান কর্মচারীরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে অবস্থান নেন সড়কে। গত বছর তাদের ক্ষতির প্রসঙ্গ তুলে ধরে কয়েকজন দোকান কর্মচারী বলেছেন, ‘এবারো যদি লকডাউনের সমস্যায় পড়ি তাহলে আমাদের ভিক্ষা করে খাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।’

নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম কাইয়ুম বলেন, ‘দোকান কর্মচারীদের কয়েকজন সমবেত হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। আমরা তাদের আশ্বস্ত করায় তারা ঘটনাস্থল ছেড়ে যান।’ এর আগে, গতকাল দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন নিউমার্কেট ও আশপাশের বিপণিবিতানের দোকান মালিক-কর্মচারীরা। এদিকে লকডাউনের প্রতিবাদে পুরান ঢাকার ইসলামপুরে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘সারা দেশে সব কিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছে। বইমেলা, বেসরকারি অফিস— সব চললে দোকানপাট কেন বন্ধ থাকবে? আমাদের দাবি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের দোকান খোলা রাখার অনুমতি দেয়া হোক। দোকানপাট বন্ধ থাকলে পরিবার-পরিজন নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে।’ এ সময় তাদের ‘লকডাউন মানি না, মানবো না’ বলে স্লোগান দিতে দেখা যায়। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা সকাল থেকে রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ করছিলেন। তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন। আমরা তাদের বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে দিয়েছি।’

চট্টগ্রামে সহস্রাধিক দোকান মালিক ও কর্মচারীদের মিছিল-সমাবেশ : চট্টগ্রামে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট খোলা রাখার দাবিতে গতকাল নগরের নিউমার্কেট মোড় ও রিয়াজউদ্দিন বাজারের সামনে মিছিল-সমাবেশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। ওই সময় তারা ব্যবসায়ীদের ক্ষতি থেকে বাঁচানোর জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান। এ কর্মসূচিতে সহস্রাধিক দোকান মালিক ও কর্মচারী অংশ নেন। একই দাবিতে দুপুর ১২টার দিকে নোয়াখালীর প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র বেগমগঞ্জের চৌমুহনীতে লকডাউনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-মিছিল করেছেন ব্যবসায়ীরা। চট্টগ্রাম নগরের রিয়াজউদ্দিন বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আবু তালেব গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট খোলা রাখার জন্য আমরা প্রস্তুত। রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকার কাপড়সহ মালামাল তুলেছেন। কিন্তু লকডাউনে মার্কেট বন্ধ রাখায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। গত ঈদেও করোনার কারণে দোকান বন্ধ রাখায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই ক্ষতি এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি।’ কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মার্কেট খোলা রাখার দাবিতে ব্যবসায়ীরা বেলা ৩টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেন। এর আগে গত রোববার সন্ধ্যায় নগরের জিইসির ইউনেস্কো শপিং ব্যবসায়ী সমিতি ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে লকডাউন প্রত্যাহার এবং মার্কেট খোলা রাখার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।’

স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খুলতে রাজশাহীতে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ : রমজান মাসকে সামনে রেখে সরকারের ঘোষিত ‘লকডাউনে’ দোকানপাট খোলা রাখার দাবিতে গতকাল বিক্ষোভ করেছেন রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা। গতকাল বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তারা নগরের আরডিএ মার্কেটের সামনে সড়ক অবরোধ করে রাখেন। আন্দোলনকারীদের মধ্যে রাজশাহী আরডিএ মার্কেট ব্যবসায়ী ও সাহেব বাজার কাপড়পট্টির ব্যবসায়ীরা ছিলেন। সকাল ১০টার দিকে ব্যবসায়ী ও দোকানের কর্মচারীরা রাস্তায় আসতে থাকেন। আরডিএ মার্কেট ও কাপড়পট্টির ব্যবসায়ী নেতারাও আসতে থাকেন। সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে আরডিএ মার্কেটের সামনে বিপুল জমায়েত হয়। তারা মার্কেট খোলার দাবিতে স্লোগান দিয়ে বেলা ১১টার দিকে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। এতে রাস্তা অবরোধ হয়ে যায়।

সরেজমিন দেখা গেছে, ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভের কারণে দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। উত্তেজিত দোকানিরা দুই পাশের গাড়ি আটকিয়ে দেন। তারা অনেক যাত্রীকে নামিয়ে দেন। প্রশাসনের বিভিন্ন গাড়ি ও এটিএম বুথের টাকা বহনকারী গাড়িও তারা আটকে দেন। একজন পথচারীকে মেরে গায়ের গেঞ্জি খুলে ফেলতেও দেখা গেছে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সেখানে উপস্থিত হন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু আসলাম। তিনি ব্যবসায়ীদের দোকানপাট বন্ধ করে বাড়িতে যাওয়ার আহ্বান জানান এবং সরকারি নির্দেশনা মানার অনুরোধ করেন।

এ সময় ব্যবসায়ী নেতারা ম্যাজিস্ট্রেটের উদ্দেশে বলতে থাকেন, গত লকডাউনের সময় সরকারের দেয়া প্রণোদনার অর্থ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কেউই পাননি। পেয়েছেন হাতেগোনা কয়েকজন শিল্পপতি। যদি হাজার হাজার শ্রমিক নিয়ে বড় বড় কলকারখানা সীমিত আকারে চলতে পারে, তবে তারা কেন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে পারবেন না? তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে শান্তিপূর্ণভাবে দোকানপাট খোলা রেখে স্বাভাবিক নিয়মে ব্যবসা করতে চান। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট তাদের উদ্দেশে বলেন, তিনি বিষয়টি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানাবেন। ‘তবে আজ দোকানপাট বন্ধ রাখেন।’ এ সময় ব্যবসায়ীরা বলেন, কাল যে সিদ্ধান্তই আসুক, তারা তাদের নিয়মে দোকানপাট খুলবেন।

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও যানজট : করোনা সংক্রমণ বাড়ায় সাধারণ মানুষকে ঘরে রাখতে সরকার ঘোষিত সপ্তাহব্যাপী কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছিলো গতকাল যানজট! সরেজমিন দেখা যায়, রাজধানীর মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের কাজলা মোড় থেকে রায়েরবাগ পর্যন্ত যানজট লেগে ছিলো। ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলো শতশত প্রাইভেটকার, ট্রাক, লেগুনা ও দূরপাল্লার বাস। গাদাগাদি করে ট্রাকেও মানুষকে চলাচল করতে দেখা গেছে। এদের মধ্যে অনেকেই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। একই চিত্র ছিলো রাজধানীর বিভিন্ন স্থানেও।

লকডাউনে সাধারণ জনগণের ভোগান্তি : করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সারা দেশে সপ্তাহব্যাপী ‘লকডাউন’। সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সাধারণ জনগণকে পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে। কিন্তু শিল্পকারখানা চালু থাকায় এবং সীমিত পরিসরে সরকারি-বেসরকারি অফিস আদালত খোলা থাকায় সকালেই রাস্তায় বের হয়ে বিপাকে পড়েন চাকরিজীবী ও শ্রমজীবী মানুষ। গণপরিবহন না পেয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রায়েরবাগ এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন অফিসগামীরা। গণপরিবহন সংকটে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কের মোড়ে মোড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকেন তারা। রিকশা এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশা চললেও ভাড়া হাঁকা হয়েছে দ্বিগুণ-তিনগুণ। এতে চরম দুর্ভোগ পোহান তারা। অনেকে বাধ্য হয়ে হেঁটে রওনা হন অফিসে। ওদিকে রাজধানীর বাইরে থেকে আসা দূরপাল্লার গাড়িগুলোকে গাবতলীতে ঢুকতে না দিয়ে আমিনবাজার থেকে ঘুরিয়ে দেয়া হয়। এতে হাজার হাজার মানুষ ব্যাগ কাঁধে ঝুলিয়ে দীর্ঘপথ হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হন।

সরেজমিন দেখা যায়, রাজধানীর শাহবাগ, টিএসসি, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, সচিবালয়, জিপিও, জাতীয় প্রেস ক্লাব, গুলিস্তান, মতিঝিল, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, মালিবাগ, মৌচাক, মৎস্য ভবন, পুরানা পল্টন, বিজয়নগর, পলাশী, কাঁটাবন, নিউমার্কেট, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, ধানমন্ডি, কলাবাগান, ফার্মগেট, মহাখালী, এয়ারপোর্ট, উত্তরা, বাড্ডা ও রামপুরায় একই দৃশ্য চোখে পড়ে। ব্যক্তিগত গাড়ির আধিক্য দেখা গেলেও গণপরিবহন সংকটে এমন দুর্ভোগ পোহান তারা।

বিদেশগামী যাত্রীদের কোয়ারেন্টাইন না করার দাবিতে বিমানবন্দরে বিক্ষোভ : করোনা সংক্রমণ বাড়ায় সপ্তাহব্যাপী লকডাউনে রয়েছে দেশ। আর এই লকডাউনে বাংলাদেশের সাথে বিমান যোগাযোগ নিষিদ্ধ করেছে অনেক দেশ। কিন্তু লেবানন থেকে ২৭৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকায় আসা একটি বিমানের যাত্রীরা কোয়ারেন্টাইন না করার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। ঢাকায় সবাইকে দুই সপ্তাহের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হলে তারা বিক্ষোভ করেন। গতকাল ভোর সাড়ে ৩টার দিকে ফ্লাইটটি ২৭৫ জন যাত্রী নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। কিন্তু ফেরত আসা এ ব্যক্তিরা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে যেতে রাজি নন। ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক তৌহিদুল আহসান বলেন, ‘তারা ফেরার পর থেকেই বিমানবন্দরের মধ্যে মিছিল ও বিক্ষোভ করেন। বিশৃঙ্খল অবস্থা সৃষ্টি করেন।’

বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে সরকারি সংস্থার মতো কাজ করছে পুলিশ : করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত সাতদিনের লকডাউনের কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে অন্য সরকারি সংস্থার মতো কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশ। গতকাল সকাল থেকে জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, মাস্ক পরিধান করে রাস্তায় বের হওয়া, চেকপোস্ট বসিয়ে ও টহল দিয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে রাজধানীর উত্তরা, মিরপুর, রামপুরাসহ বিভিন্ন এলাকায় কাজ করেছে পুলিশ। সরেজমিন দেখা যায়, অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে ও টহল টিমের মাধ্যমে ডিএমপির বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যরা গাড়ি থামিয়ে কাগজপত্র চেক করেছেন। অকারণে যারা গাড়ি নিয়ে বের হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন তারা। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ও মাস্ক পরিধান ছাড়া রাস্তায় যারা বের হয়েছেন তাদেরকে বিনয়ের সঙ্গে নিষেধাজ্ঞার নিয়ম মেনে চলার জন্য অনুরোধ করছেন পুলিশ সদস্যরা। কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনের কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বলেন, প্রথম দিন হওয়াতে নগরবাসীকে নিয়ম মেনে চলার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। এরপরও যদি মানুষ আইন না মেনে চলে, তাহলে পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অন্যদিকে কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার (ডিএমপি) মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকার বিভিন্ন এন্ট্রি পয়েন্টে পুলিশ চেকপোস্ট করবে। ঢাকার ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেও চেকপোস্ট করা হবে। চেকপোস্টের মাধ্যমে সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনে দেয়া নির্দেশনাগুলো পালনে কাজ করবে পুলিশ। এ ছাড়াও গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। হেঁটে বা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় যান চলাচলে ঢাকাবাসীর কোনো বাধা নেই। তবে যে যেভাবেই চলাফেরা করুক, তাকে মাস্ক ব্যবহার করতেই হবে, সামাজিক দূরত্বসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অন্যথায় ডিএমপি ব্যবস্থা নেবে।’

সুত্র, আমার সংবাদ ।




নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..