ঢাকা ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্পেনে ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস উদযাপন মহিলা সমিতি বার্সেলোনার পহেলা বৈশাখ উদযাপন বাংলাদেশ কোলতোরাল এসোসিয়েশন এন কাতালোনিয়ার ৯ সদস্য বিশিষ্ট সমন্বয় কমিটি গঠন টেনেরিফে ঈদুল ফিতর উদযাপন ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত শান্তাকলমায় শরীয়তপুর জেলা সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত নোয়াখালী এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন বার্সেলোনায় গোলাপগঞ্জ অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার সম্পন্ন বিয়ানীবাজার পৌরসভা ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট বার্সেলোনার ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত বার্সেলোনায় বিয়ানীবাজার ইয়াং স্টারের ইফতার সম্পন্ন বার্সেলোনা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তাফসীরুল কুরআন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্টিত

জুমার দিন গরিবের হজ্বের দিন

জনপ্রিয় অনলাইন
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৭:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১ ৮২০ বার পড়া হয়েছে

শুক্রবারকে আরবিতে ইয়ামুল জুমা বলে। অর্থাৎ জুমার দিন। এই দিনের তাৎপর্য ও গুরুত্ব অপরিসীম। সপ্তাহের এই দিনটিকে গরীবের হজের দিন বলা হয়। জুমার দিন মাসজিদে যে আগে প্রবেশ করবে তাকে আল্লাহ তায়ালা কুরবানির সওয়াব দেয়। প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ ও স্থায়ী মুসলমানের জন্য যথা সময়ে আদায় করা ফরজ।

এ বিষয়ের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত এসেছে কুরআনে। আল্লাহ তাআলা বলেন- ‘হে ঈমানদারগণ! জুমআর দিন যখন নামাজের জন্য আজান দেয়া হয়; তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে দ্রুত বেরিয়ে পড় আর সব লেনদেন (বেচাকেনা) তখন বন্ধ করে দাও।‘(সুরা জুমআ : আয়াত ৯)
ইসলামিক স্কলাররা এ ব্যাপারে একমত যে, জুমআর দিন দ্বিতীয় আজানের পর যে কোনো কাজ তথা লেন-দেন (কেনাবেচা) সম্পূর্ণরূপে হারাম বা নিষিদ্ধ। এ সময় যারা লেনদেন বা বেচাকেনা করে তা অবৈধ ও বাতিল বলে গণ্য হবে।

তাছাড়া অলসতা বশতঃ জুমআর নামাজে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাদিসে এসেছে-

‘লোকদের জুমআর নামাজ ত্যাগ করা হতে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। নতুবা আল্লাহ তাআলা তাদের হৃদয়ে মোহর মেরে দেবেন। এরপর তারা অনন্তকাল ধরে অলসতায় আচ্ছন্ন থাকবে।’ (মুসলিম)

এ হাদিস থেকেও প্রমাণিত যে, জুমআ আদায় করা আবশ্যক। আর এ সময় অন্য যে কোনো কাজে ব্যস্ত থাকা বিষয়টিও নিষিদ্ধের প্রমাণ বহন করে।

আবার জুমআর নামাজ চার শ্রেণির মানুষ ছাড়া প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ। সুতরাং চার শ্রেণির লোক- ক্রীতদাস, নারী, অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক ও অসুস্থ ব্যক্তি ছাড়া সব মুসলমানকেই নির্ধারিত সময়ে জুমআয় উপস্থিত হওয়া আবশ্যক। কেননা যথা সময়ে নামাজ পড়ার ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ-‘নিশ্চয়ই নামাজ মুমিনের উপর নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করাকে ফরজ করা হয়েছে।’(সুরা নিসা : আয়াত ১০৩)

মনে রাখতে হবে এ দিন শুধু জুমআর নামাজ পড়াই আবশ্যক নয়, বরং এ দিন ইমামের খুতবাহ শোনাও আবশ্যক। কেননা কুরআনুল কারিমের নির্দেশনায় নামাজের পাশাপাশি ‘আল্লাহর স্মরণ’ বলতে খুতবাহ শোনার কথাই বোঝানো হয়েছে বলে ব্যাখ্যা করেছেন ইসলামিক স্কলার ও মুফাসসিরগণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জুমার দিন গরিবের হজ্বের দিন

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১

শুক্রবারকে আরবিতে ইয়ামুল জুমা বলে। অর্থাৎ জুমার দিন। এই দিনের তাৎপর্য ও গুরুত্ব অপরিসীম। সপ্তাহের এই দিনটিকে গরীবের হজের দিন বলা হয়। জুমার দিন মাসজিদে যে আগে প্রবেশ করবে তাকে আল্লাহ তায়ালা কুরবানির সওয়াব দেয়। প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ ও স্থায়ী মুসলমানের জন্য যথা সময়ে আদায় করা ফরজ।

এ বিষয়ের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত এসেছে কুরআনে। আল্লাহ তাআলা বলেন- ‘হে ঈমানদারগণ! জুমআর দিন যখন নামাজের জন্য আজান দেয়া হয়; তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে দ্রুত বেরিয়ে পড় আর সব লেনদেন (বেচাকেনা) তখন বন্ধ করে দাও।‘(সুরা জুমআ : আয়াত ৯)
ইসলামিক স্কলাররা এ ব্যাপারে একমত যে, জুমআর দিন দ্বিতীয় আজানের পর যে কোনো কাজ তথা লেন-দেন (কেনাবেচা) সম্পূর্ণরূপে হারাম বা নিষিদ্ধ। এ সময় যারা লেনদেন বা বেচাকেনা করে তা অবৈধ ও বাতিল বলে গণ্য হবে।

তাছাড়া অলসতা বশতঃ জুমআর নামাজে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাদিসে এসেছে-

‘লোকদের জুমআর নামাজ ত্যাগ করা হতে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। নতুবা আল্লাহ তাআলা তাদের হৃদয়ে মোহর মেরে দেবেন। এরপর তারা অনন্তকাল ধরে অলসতায় আচ্ছন্ন থাকবে।’ (মুসলিম)

এ হাদিস থেকেও প্রমাণিত যে, জুমআ আদায় করা আবশ্যক। আর এ সময় অন্য যে কোনো কাজে ব্যস্ত থাকা বিষয়টিও নিষিদ্ধের প্রমাণ বহন করে।

আবার জুমআর নামাজ চার শ্রেণির মানুষ ছাড়া প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ। সুতরাং চার শ্রেণির লোক- ক্রীতদাস, নারী, অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক ও অসুস্থ ব্যক্তি ছাড়া সব মুসলমানকেই নির্ধারিত সময়ে জুমআয় উপস্থিত হওয়া আবশ্যক। কেননা যথা সময়ে নামাজ পড়ার ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ-‘নিশ্চয়ই নামাজ মুমিনের উপর নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করাকে ফরজ করা হয়েছে।’(সুরা নিসা : আয়াত ১০৩)

মনে রাখতে হবে এ দিন শুধু জুমআর নামাজ পড়াই আবশ্যক নয়, বরং এ দিন ইমামের খুতবাহ শোনাও আবশ্যক। কেননা কুরআনুল কারিমের নির্দেশনায় নামাজের পাশাপাশি ‘আল্লাহর স্মরণ’ বলতে খুতবাহ শোনার কথাই বোঝানো হয়েছে বলে ব্যাখ্যা করেছেন ইসলামিক স্কলার ও মুফাসসিরগণ।