TRENDING NOW

জনপ্রিয় অনলাইন : মানুষের কল্যাণে যেকোনো কাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করাই বিএনপির রাজনীতি এমন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির কাজই হচ্ছে বসে বসে মিথ্যাচার করা। মিথ্যাচার আর অন্ধ সমালোচনা ছাড়া তাদের অন্য কোনো সক্ষমতা নেই।

বুধবার সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপকমিটি এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। সেতুমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সভায় যুক্ত হন।

কাদের বলেন, বিএনপি করোনা টিকা নিয়ে আগাম অপপ্রচার শুরু করছে। দেশ ও মানুষের কল্যাণে যে কোনো কাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করাই তাদের রাজনীতি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে সরকার ও আওয়ামী লীগ কর্মীরা যখন মানুষের কল্যাণে দিবারাত্র সেবা দিয়েছে, তখন বিএনপি উটপাখীর মতো বালুতে মাথা লুকিয়ে রেখেছিল। আর এখন নির্লজ্জভাবে বলছে, সরকার ব্যর্থ। ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকার ও দেশের সফলতা এবং অর্জন বিএনপির গায়ে জ্বালা ধরায়। তাদের আমলে প্রতিটি ক্ষেত্রে দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রুপ পেয়েছিলো। বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে এবং অপরাধীদের শাস্তি দিতে সামান্যতমও দ্বিধাবোধ করেনা।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, করোনার অভিঘাত যেভাবে সরকার সফলতার সাথে মোকাবিলা করেছে এবং করোনার টিকা সংগ্রহ, ব্যবস্থাপনা ও টিকা প্রদান কাজও স্বচ্ছতা, সফলতার সাথে সম্পন্ন করবে শেখ হাসিনা সরকার ইনশাআল্লাহ।

এ সময় পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিপক্ষে যেকোনো পর্যায়ের নেতা বা জনপ্রতিনিধি জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিদ্রোহী ও তাদের মদদদাত, তাদেরও কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। পরবর্তী ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে যেকোনো পর্যায়ের নেতা এবং জনপ্রতিনিধিরা জড়িত থাকলে বা কাজ করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

করোনাকালে অসহায় মানুষের সুরক্ষা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক নেতৃত্বে যে উদ্যোগ চালানো হয়েছিলো তা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, অথচ বিএনপি বরাবরের মতো মিথ্যা বলছে,সরকার নাকি করোনা মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতারা বলেছিলো লাখ লাখ মানুষ না খেয়ে, বিনা চিকিৎসায় রাস্তায় মরে পড়ে থাকবে, শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং আল্লাহর রহমতে এখোনা তা হয়নি বলেই বিএনপি নেতাদের আক্ষেপ। এজন্য তারা মন যন্ত্রণায় ভুগছে।

পুরুষ ও নারী শ্রমিকদের বেতন বৈষম্য দূর করতে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শ্রমিকদের ন্যনতম মজুরির নিশ্চয়তা, চাকরির নিরাপত্তা এবং শ্রমিক কল্যাণ ও ট্টেড ইউনিয়ন অধিকারের স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে শেখ হাসিনা সরকার।

কাদের বলেন, বাংলাদেশ কৃষি ভিত্তিক অর্থনীতির দেশ। দেশে ৪৩টি শিল্প সেক্টরের মধ্যে ৪০ টি সেক্টরে শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরি শতভাগ বৃদ্ধি করে ৮ হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষিকে শিল্পে রুপান্তরের পাশাপাশি সরকার কৃষি কাজে নিয়োজিতদের শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

৩০ জানুয়ারি সকাল ১১টায় গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ৫ম ধাপের পৌরসভা নির্বাচনের মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

সভায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ মল্লিক ও সদস্য সচিব এবং আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান সিরাজসহ উপকমিটির অন্যান্য সদস্যরা।

জনপ্রিয় অনলাইন : করোনার টিকা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপ নেয়া হলেও দেশের মানুষ ঠিকঠাক এই টিকা পাবে কি না তা নিয়ে সন্দিহান বিএনপি। ভারতের পক্ষ থেকে যখন উপহার হিসেবে ২০ লাখ টিকা আসতে যাচ্ছে এর একদিন আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বললেন, ‘টিকা নিয়ে সরকারের কোনো রোডম্যাপ নেই। আমরা যারা সাধারণ মানুষ আমরা কী কখন পাবো, না পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা এখানে নাই।’

বুধবার বিকালে এক আলোচনা সভায় ফখরুল এই অভিযোগ করেন। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৮৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভ্যাকসিন সাধারণ মানুষগুলো পাবে কি না তারও কোনো রোডম্যাপ নাই, কোনো প্ল্যানিং নাই। বলছে, আগে ২০ লাখ আসবে। এই ২০ লাখ কারা পাবে -সেটাও আমরা জানি না। প্রতি মাসে নাকি ৫০ লাখ করে আসবে, সেটা কারা পাবে তাও জানি না। আমরা যারা সাধারণ মানুষ আমরা কী কখন পাবো, না পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা এখানে নাই।’

বৃহস্পতিবার ভারত সরকারের উপহার হিসেবে পাঠানো সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত টিকার ২০ লাখ ডোজ ঢাকায় পৌঁছাবে। ২৫ থেকে ২৬ তারিখের মধ্যে আসবে ভারত থেকে কেনা টিকার প্রথম চালান।

ফখরুল বলেন, ‘ভ্যাকসিন যেটা দিলে মানুষের জীবন রক্ষা হবে, মানুষ বাঁচবে-এটা নিয়েও তারা (সরকার) লুটপাট শুরু করেছে। অনেক বেশি দাম দিয়ে ভারতের কাছ থেকে এই ভ্যাকসিন কিনছে। যার কোনো নিশ্চয়তা এখন পর্যন্ত কেউ দিতে পারেনি।’

করোনা সংক্রমণের পর থেকে সরকারের দুর্নীতির কথা তু্লে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই করোনা নিয়েও এরা চুরি করছে, ডাকাতি করছে, লুটপাট করছে। প্রথম দিকে করলো করোনা টেস্ট নিয়ে। ওই টেস্ট নিয়ে রিজেন্ট হাসপাতাল, ডা. সাবরিনাসহ কে কে আসলো। এসে তারা লুটপাট করলো।’

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরে ওদের (আওয়ামী লীগ) সফলতা হচ্ছে যে, আজকে তারা জনগণের সমস্ত অধিকারগুলোকে কেড়ে নিয়েছে। আমাদের সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আহ্বান থাকবে- আপনারা সবাই এখনো এই নিশ্চুপ না থেকে আসুন- আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই এবং বাংলাদেশের জনগণকে আমরা ঐক্যবদ্ধ করি। এই যে ভয়াবহ দানব আমাদের বুকের ওপর চেপে বসেছে, সেই দানবকে আমরা সরিয়ে সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা আমরা প্রতিষ্ঠা করি।’

বেগম খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিনি আজকে বন্দি। কেন? তিনি গণতন্ত্রের জন্য কাজ করেছেন। কেন? তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যে আদর্শ, সেই আদর্শকে বাস্তবায়িত করবার জন্যে, তার ১৯ দফা কর্মসূচিকে বাস্তবায়িত করবার জন্যে তিনি সংগ্রাম করেছেন, লড়াই করেছেন।’

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েলের পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপক তাজমেরী এস এ ইসলাম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রয়াত সভাপতি শফিউল বারীর সহধর্মিনী বিথীকা বিনতে হোসেইন প্রমুখ।

জনপ্রিয় অনলাইন : বিচারে দোষী সাব্যস্ত হলে ভবিষ্যতে আর কোনও সরকারি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না তিনি মার্কিন সেনেটে ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই দ্বিতীয়বারের মতো অভিশংসন বিচার শুরু হবে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। সেনেটে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের একটি সমঝোতায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) সেনেটের ডেমোক্র্যাট শীর্ষ নেতা চাক শুমার বলেন, “ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিশংসনের ব্যাপারে একটি বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করবে সেনেট। এটা হবে পুরাদস্তুর নিরপেক্ষ বিচার কার্যক্রম।”

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে “সহিংসতায় উস্কানি” দে্ওয়ার অভিযোগে অভিশংসন আর্টিকেলটি সোমবার সেনেটে পাঠাবে ডেমোক্র্যাটরা। তবে, ফেব্রুয়ারির ৮ তারিখের আগে এই বিষয়ে শুনানি শুরু হবে না। কেননা ট্রাম্পের পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরার জন্য তার আইনজীবীদের দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।

যদিও, ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে গত বুধবার এবং তিনি জো বাইডেনের অভিষেকের আগেই ওয়াশিংটন ছেড়ে চলে গিয়েছেন।

ক্যাপিটল হিলের দাঙ্গার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণের কারণে তার অভিশংসন প্রক্রিয়া চলছে। সেই সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউজের কাছে তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন যেন তারা “শান্তিপূর্ণ ও দেশপ্রেমিক' ভাবে তাদের কণ্ঠ তুলে ধরেন। সেই সঙ্গে তিনি এও বলেছিলেন যেন তার 'ভয়াবহভাবে লড়াই করেন”।

এখন সেনেটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিশংসনের বিচার কার্যক্রম শুরু হবে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি। হাউজ অব রিপ্রেজেন্টিটিভে অভিশংসন প্রস্তাব পাস হলেও সেটা সেনেটে শুনানির পর দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে পাস হতে হবে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটলে গত ৬ জানুয়ারির ভয়াবহ সহিংসতার জন্য সাবেক প্রেসিডেন্টকে দায়ী করছে ডেমোক্র্যাটরা। ক্যাপিটলে সহিংসতার জন্য গত সপ্তাহে ট্রাম্পকে দ্বিতীয়বারের মতো অভিশংসিত করেছে হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ। ফলে এখন সেনেটে তার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

সেক্ষেত্রে তিনি হবেন সেনেটে বিচার হওয়া সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসাবে প্রথম ব্যক্তি। তিনি দোষী সাব্যস্ত হলে ভবিষ্যতে আর কোনও সরকারি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

জনপ্রিয় অনলাইন : রাজশাহীর বাঘায় নিজেদের মধ্যে কলহের জেরে স্বামীর ‍পুরুষাঙ্গ কেটে তাকে নিজেই হাসপাতালে নিয়ে গেছেন স্ত্রী। আজ শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে স্বামীকে রেখে পালিয়ে যান তিনি।

ভুক্তভোগী ওই ব্যক্তি নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার বাসিন্দা। তিনি বাঘায় শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানেই  এ কাণ্ড ঘটনা তার স্ত্রী। ভুক্তভোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

আহত ব্যক্তি জানান, বিয়ের পর তার স্ত্রী বাবার বাড়িতেই থাকেন। মাঝেমধ্যে তিনি স্ত্রীকে দেখতে শ্বশুর বাড়িতে যান। কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ তৈরি হয়। এর জেরে আজ শুক্রবার ভোরে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে তিনি ঘুমাতে যান। এ সুযোগে তার স্ত্রী পুরুষাঙ্গে ব্লেড চালিয়ে দেন।

জানা যায়, রক্তক্ষরণ শুরু হলে স্বামীকে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান ওই নারী নিজেই। পরে সেখানে তার স্বামীকে বারান্দায় ফেলে পালিয়ে যান ওই নারী।

চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মৌসুমী ইসলাম বলেন, ‘সকালে গুরুতর অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। তার পুরুষাঙ্গ পুরোপুরি কাটেনি। কিন্তু খুব বাজেভাবে কেটে গেছে। প্রচুর রক্তপাত হচ্ছিল। প্রথমে আহত ব্যক্তি অস্বীকার করেন যে, তার স্ত্রী এই কাজ করেছেন। পরে তিনি ঘটনা স্বীকার করেন। তারপর থেকে তার স্ত্রীকে দেখতে পাইনি।’

এ বিষয়ে বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, খবরটি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

   সুত্র. দৈনিক আমাদের সময় ।

Your all gallery images here